es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 300 suscriptores, ocupando la posición 8 092 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 030 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 300 suscriptores.

Según los últimos datos del 27 junio, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 71, y en las últimas 24 horas de 4, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 19.52%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 7.72% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 2 206 visualizaciones. En el primer día suele acumular 873 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 46.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 28 junio, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 300
Suscriptores
+424 horas
+97 días
+7130 días
Archivo de publicaciones
শায়খ... আপনার মিশন থামেনি..!

হিন্দুস্তানে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ছিলো একটা। এখন এমন কোম্পানি শত শত। এবং এখন এগুলো চালাতে পশ্চি মাদের আসতে হয় না, তাদের স্থানীয় রাজাকাররাই এগুলো পরিচালনা করে। অনেক ক্ষেত্রেই বয় কটগুলো হয় আন্তর্জাতিক শয় তান থেকে স্থানীয় শয় তানের দিকে; কিংবা এক শয় তান থেকে আরেক শয় তানের দিকে যাত্রা। এই সব শয় তানদেকে যে এশটাবলিশমেন্ট সুবিধা দিয়ে টিকিয়ে রাখে সেটা হলো পশ্চিমা পুঁজিবাদী সেক্যু লার গন তান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা। এসব ছোট শয় তানগুলোকে বয়কট করতে হবে ঠিক আছে, এটা কেবল দুনিয়ার ফলাফলের জন্য না, বরং ঈমানের দাবী পূরণের জন্যই করতে হবে; কিন্তু এটা কোনো আল্টিমেট সল্যুশন নিয়ে আসবে না। আল্টিমেট সল্যুশন হলো শরি য়া শাসন ব্যবস্থা কায়েম। পশ্চিমা শয় তানী গণ তান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ বয় কট করে যতক্ষণ পর্যন্ত শরি 'আহ ব্যবস্থা দ্বারা রিপ্লেস না করতে পারবেন ততক্ষণ পর্যন্ত এই জাতির কোনো মুক্তি নাই। নিচের জরিপের দিকে তাকান। এরা সংখ্যায় বেশি না। শুধু সাহস করে ধাওয়া দেওয়াটা প্রয়োজন।

ট্রান্স বিল পাস হওয়ার পর উলিল আমরের কু*ফ*রকে আমরা কি বলে বাঁচাবো আমি মনে করি এটা নিয়ে আমাদের এখন থেকেই গবেষণা করা উচিত, অন্যথায় পানি অনেক দূর গড়িয়ে যাবে। এক্ষেত্রে আমার প্রস্তাবনা হলো ‘মুকরাহ’। অর্থাৎ, আমাদের শাসকরা বাধ্য হয়ে এই বিল সংসদের পাস করেছেন। এবং সংসদে যারা হাঁ ভোট দিবেন তারাও বাধ্য হয়েই হা ভোট দিবেন। কারণ তারা ক্ষমতাচ্যুত হলে দেশের বর্ডার অনিরাপদ হয়ে যাবে, মসজিদ মাদরাসাগুলোতে এখন যে হক কথা বলা যায় তা বলা যাবে না, কারণ ভারত বা আমেরিকা দেশ দখল করে ফেলবে ইত্যাদি। বিভিন্ন মুসলিম (?) নায়ক নায়িক ও সোশ্যাল এক্টিভিস্ট যারা আছে তারাও মূলত অপারগ। তারা যদি সেগুলো না করে তাহলে নাটক-সিনামায় বেশিদূর আগাতে পারবে না, আর তা করতে না পারলে তারা না খেয়ে মরবে। যারা ট্রান্সের ইস্যুটা বইতে লেখছে, যে মন্ত্রণালয় এটা পাশ করেছে তাদের তো কাফের বলা স্পষ্ট খারেজি, কারণ যখন লেখেছে এটা যে ইসলামের সাথে সাঙ্গর্ঘষিক এটা তারা জানতোই না, তারা জাহেল। আবার তাদের তাবিলও আছে, তারা মূলত ট্রান্সকে হিজড়া মনে করে! সাতহি ইলমের অধিকারীরা এগুলো কী বুঝবে। এখানে স্পষ্ট জাহালাত রয়েছে। ট্রান্স খারাপ এটা নিয়ে আমরা অবশ্যই বলবো, কিন্তু আমাদের আকাবীররা কখনোই যেহেতু শাসকদের তাকফির করেনি তাই আমরা তাকফির করবো না৷ আকাবির ডেঙ্গিয়ে তোমরা যে দ্বীন বুঝো সেটা কিসের দ্বীন! আশা করি অন্যরাও দলিল ভিত্তিক পরামর্শ দিবেন। আমাদের উলুল আমরের ব্যাপারে আমরাই যদি সতর্ক না হই, তাহলে খারেজি পোলাপান, জ হা দি পোলাপান সমাজকে শেষ করে দিবে। দ্বীনের যা টুটাফাটা কাজ হচ্ছে সব শেষ হয়ে যাবে! ইন্না-লিল্লাহ!!

বিকাশের বিকল্প ইজি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের অপশন আমাদের সামনে আছে। বেশি না, কেবল আজকের দিনের ভিতরই লাখের মত গ্রাহক যদি বিকাশ থেকে তাদের সকল টাকা উত্তোলন করে ফেলে এবং হাজার খানেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাদের লেনদেন মাধ্যম থেকে বিকাশকে সরিয়ে দেয়, তবে এই ঘটনাই বিকাশের মত প্রতিষ্ঠানকে বিরাট একটা ধাক্কা দিবে। আর ধারাবাহিকভাবে যদি এই বয়কট প্রক্রিয়া চলতেই থাকে, তবে আশা করি তারা প্রকাশ্য ক্ষমা চাইতে কিংবা গোজামিল দিয়ে হলেও কোন স্টেটমেন্ট দিতে বাধ্য হবে। তাদের জমিদারি স্বভাবে কিছুটা হলেও নতি স্বীকারের আচরণ দেখা যাবে। তাই আসুন! বয়কটের আওয়াজ ও আহবানকে আরো জোরদার করি, ছড়িয়ে দিই এবং নিজেরা বাস্তবায়ন করি।

পুজিবাদের একমাত্র খোদা হলো টাকা। এই খোদাকে পেতে ওরা মানুষের গু খেতেও রাজি, আবার গু খাওয়াতেও রাজি। ব্রাক এনজিও নামে হলেও এরা একটা পুজিবাদি সংস্থান। তাই তাদের টাকার খোদাকে আপনি নাড়া দিন তাদের সমস্ত সত্তা নেড়ে উঠবে। . ব্রাকের বিকাশকে অবশ্যই হয়তো অনেকের সারাজীবনের জন্য বয়কট সম্ভব না। হয়তো আপনার অনেক ব্যবসা এটার মাধ্যমে হয়। কিন্তু আপনি একদিন, দুইদিন, তিনদিন বা আপনার যতদিনের সাধ্য আছে সে কয়দিনের জন্যই করুন। আপনি একদিনের জন্য হলেও আপনার সমস্ত টাকা বিকাশ থেকে উঠিয়ে নিন। পরে আবার রাখেন। কিন্তু মনে রাখবেন এই সামান্য সময়ে ওদের মনে যেমন ভয় ঢুকবে তেমনি মুসলমানরা একটা সাময়িক শক্তি পাবে। বিশ্বাস করেন, রাজপথের আন্দোলন আর মিছিল-মিটিংয়ের চেয়ে ওদের সম্পদ কামানোর উৎসগুলোতে আঘাত ওদেরকে আপনার পায়ের কাছে আরো বেশি মাথানুয়াতে বাধ্য করবে।

কথাগুলো! . আল্লাহ উনাকে কবুল করে নিক।

শাইখ হারুন ইজহার যে দাওয়াত দিচ্ছেন, এটা কি সিস্টেের ভিতর ঢুকে সিস্টেম পরিবর্তনের চেষ্টা। মোটেও না। কিছু গণতন্ত্রপন্থীদের দেখলাম এ নিয়ে খোঁটা দিচ্ছে যে, এখন জ-ঙ্গীদের নীতির কই গেলো? তারা না-কি জি-হাদ করে, তাহলে তারা এসব কি করছে? তারা দাওয়াহ করছে। আহলুস সুন্নাহর জ-ঙ্গীরা দাওয়াহ এবং জি-হাদ উভয়ে বিশ্বাসী। তারা কূটনীতি, রাজনীতি, সমারনীতি, অর্থনীতি সবদিকেই সাধ্যমত কাজ করার চেষ্টা করে। এখন এই দাওয়াহ তাহলে কি ধরণের দাওয়াহ? দাওয়াহর এক প্রকার হল দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবের জন্য, তা হল সুস্পষ্ট ইসলামের দাওয়াহ। আরেকটা হচ্ছে, ইমিডিয়েট থ্রেটকে ঠ্যাকানোর জন্য যারা ইসলামের নীতি সম্পূর্ণ মানতে চাচ্ছে না, তাদের থেকেও অন্তত যেন সামাজিক নীতি ইত্যাদির দোহাই দিয়ে কিছু থ্রেট কে কমানো যায়। কেউ বলে না এটা দিয়ে ইসলাম কায়েম হয়ে যাবে, জি-হাদের হক্ব আদায় হয়ে যাবে। বরং এ টা হচ্ছে দাওয়াহ, নাহী আনীল মুনকারের দায়িত্ব। গণতান্ত্রিকরা - জ-ঙ্গীদের ব্যাপারে কিছু কাল্পনিক রেটরিকে বিশ্বাস করে। তাদের কিছু ধারণা সত্য, কিন্তু বেশীর ভাগই মনের মাধুরী মিশানো মিথ্যা। জঙ্গীদের বিরুদ্ধে তাদের যুক্তিগুলো এজন্য খুব চাইল্ডিশ হয়। দেখুন যারা সামাজিক আন্দোলন, বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলন, সাংস্কৃতিক বিপ্লব ইত্যাদির কথা বলে, এদেরকে দেখুন এদের এলজিটিভির বিরুদ্ধে কার্যক্রম কি? এরা কয়জন সেকুলার হেজমনির বিরুদ্ধে কথা বলে? বরং উল্টো দেখা যায় এরা সেকুলরা হেজমনির সাথে মানিয়ে নেয়ার বিপ্লবে ব্যস্ত। এলজিটিভি নিয়ে এদের শুরুর উদ্দোগটা ছিল না, কারণ তারা আসলে এ বিষয়টা নযরেই আনে নি। এদের নেতারা জাতে উঠতে ব্যস্ত। নিজেদের জাতে উঠা প্রমাণেই তাদের সব আন্দোলন। তাদের ইন্টাকেচুয়ালিটি সেকুলারদের চ্যালেঞ্জ করার বদলে নিজেদেরকে তাদের সাথে কম্পিটেবল প্রমাণে ব্যস্ত। কি রকম সংস্কৃতিক বিপ্লব তারা করেছে একটু বলুন, খুঁজে দেখুন। ভারতীয় আগ্রাসনের ব্যাপারে, পশ্চিমা আগ্রাসনের ব্যাপারে। এই দলগুলোর তেমন অবদান নেই। জামাতের অবশ্য কিছু অবদান ছিল ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এজন্য তাদের নেতাদের কুরবানীও দিতে হয়েছে, কিন্তু এরপর কওমী কুরবানী ওয়ালারাই কুরবানী দিয়েছে। ওই ইন্টালেকচুয়াল সাজতে যাওয়া জামাত, চরমোনাই কিংবা কওমীর অন্যান্য গ্রুপের কি অবদান? শাতিমদের কাহিনীও জি-হাদীদের অবদান, এরপর হেফাজতের কুরবানী - এরপর নিরব বিপ্লব। অর্থাৎ দিন শেষে, এভাবে হোক আর ওভাবো ক্বি-তালীরাই প্রভাবশালী থাকবে। তাদের কার্যক্রমই দিন শেষে ম্যাটার করে, তাদের ছোট্ট একটা কাজও সব কিছু উথাল-পাথাল করে দেয়। তারাই গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাস খুলে দেখুন, কুরবানী দেওয়া আলেমদের নাম হয়েছে, আর বিজয়ী মু-জাহিদদের নাম হয়েছে। তাদের পিছনে আছে শতশত নাম না জানা মু-জাহিদদের রক্ত। কারণ জি-হাদই দিন শেষে প্রভাবশালী। উম্মাহর বিজয়ী দল ক্বিতাল করতে থাকবে, তারা কা-ফিরদের উপর প্রভাবশালী থাকবে।

photo content

প্রাক প্রাথমিক (প্রথম শ্রেণী) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক (নবম-দশম শ্রেণী) পর্যন্ত।পাঠ্যপুস্তক ২০২৪ এর পর্যালোচনা।

ডা. দীপুমনি সমাজকল্যাণমন্ত্রী। খুব সম্ভব এটা আমেরিকারই শর্ত। সমকামিতা আইন, ট্রান্সজেন্ডার আইন এই মন্ত্রণালয়ই করবে। নওফেল শিক্ষামন্ত্রী।  এটা ভারতের শর্ত। একজন কট্টর হিন্দুত্ববাদী ইসকনী শিক্ষামন্ত্রী পেল বাংলাদেশ। পাঠ্যপুস্তক ও ভার্সিটিগুলোয় আরও ইসলামবিদ্বেষ, মুসলিমবিদ্বেষ। খুব সম্ভব এ বছর আমরা অনলাইন এক্টিভিস্টরা অধিকাংশই এবার জেলে থাকবো। : শামসুল আরেফিন শক্তি (আপনাদের প্রতি আমাদের দাবি! আমরা যারা অনলাইনে কাজ করে যাচ্ছি ইসলাম বিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে, তাদেরকে আপনারা তো অনলাইনে খুব বাহবা দিয়ে থাকেন। আপনাদের প্রতি আশা থাকবে যাদের সামর্থ্য আছে তারা আমাদের জন্য মাঠপর্যায়েও পাশে থাকবেন। আপনি আইনজীবী হলে আইনি লড়াই করবেন। শিক্ষার্থী হলে ছাত্র আন্দোলন গড়ে তুলবেন। শিক্ষক হলে শিক্ষকদের নিয়ে আমাদের পাশে দাঁড়াবেন। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় আমরা কেবল অনলাইনে সাপোর্ট দিয়ে যাই। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও মাঠ পর্যায়ে অধিকাংশ এগিয়ে আসি না।)

যারা বলেন, মাদানী জিন্দেগী পালন না করে মাক্কী জিন্দেগী পালন করবেন তারা কি আসলে কথাটা বুঝে বলেন? মাক্কী জিন্দেগী কি আসলেই সহজ ছিলো? সম্পূর্ণ মুশরিকদের অধীনে থেকে তাদের মূর্তিদের বিরুদ্ধে বলে, প্রচলিত শিরকের বিরুদ্ধে বলে তাদের হাতে মার খেতে হবে তবুও কোনো ধরণের প্রতিবাদ করা যাবে না, সংঘর্ষে বা যুদ্ধে যাওয়া যাবে না! এটা কি খুব সহজ বিষয়?! মাক্কী জিন্দেগী পালন করতে হলে তো বর্তমান যুগের গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ইত্যাদি রাষ্ট্রীয় কুফর, শাসকদের কুফরী, জুলুম, নির্যাতন ইত্যাদি সম্পর্কে প্রকাশ্যে সরাসরি কোনো ধরনের লুকোচুরি বাদ দিয়ে আলোচনা করতে হবে, এসব কিছু জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। ইসলামের পরিপূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা প্রকাশ করতে হবে। এরপরে যতোই জেল-জুলুম হোক না কেন কোন ধরনের প্রতিবাদ করা বা সংঘর্ষ বা যুদ্ধে জড়ানো যাবে না। সবর করতে হবে।এটা কি আসলেই খুবই সহজ?! মাক্কী জিন্দেগীর হালত এই একটি আয়াতের মধ্যে নিহিত রয়েছে, فاصدع بما تؤمر و أعرض عن المشركين তোমাকে যা আদেশ করা হয় তার সবকিছু প্রকাশ্যে বলো এবং মুশরিকদের (সাথে সংঘর্ষ) থেকে বিরত থাকো! যা কিছু আদেশ করা হয় তার সব বলতে হবে, প্রকাশ্যে বলতে হবে এবং জুলুম নির্যাতন আসলেও সবর করে থাকতে হবে। এটাই হলো মাক্কী জিন্দেগী। এটা কি খুব সহজ?! ©উস্তাদ আবু উসামা জাফর হাফিজাহুল্লাহ

১. ওনার সন্তানকে ফিদায়ী আক্রমণে পাঠিয়েছিলেন। যাতে অংশ নিয়ে সন্তান শাহাদাত বরণ করেছেন (কামা নাহসাবুহ)। আমাদের নেতাদের মত নয় সাধারণকে উস্কে দিয়ে নিজেরা ......। ২. কিছুদিন আগে একটা কমিশন গঠন করা হয়েছে, যাদের কাজ হল সরকারি আমলাদের নজরদারি করা, কোন দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, ঘোষ ইত্যাদি হয় কিনা তার নজরদারি করতে। তাদের সাথে স্পেশাল পুলিশ ফোর্স থাকবে। আর তারা সরাসরি আমিরুল মুমিনিন এর দপ্তর বরাবর রিপোর্ট করবেন। এ যেন উমর আউয়ালের শাসনের নমুনা।

গ ণ তন্ত্রের নাপাকির এই একশো বছরে এমন কোনো উদাহরণ তৈরি হয়েছে কি? আল্লাহ গ ণ তন্ত্রের কাছে পরাজয় বরণ করা আলেমদের সঠিক বুঝ দান করুক। তারা সঠিক পথে চলে আসলে উম্মাহকে সঠিক পথে আনা সময়ের ব্যাপার মাত্র ইনশাআল্লাহ।

“আমিরুল মুমিনীন শাইখ হিব্বাতুল্লাহ আখুন্দজাদার পরিবারের কেউ সরকারী চাকুরী করেন না এবং বাইতুল মাল থেকে কোনো বেতনভাতাও পান না,
“আমিরুল মুমিনীন শাইখ হিব্বাতুল্লাহ আখুন্দজাদার পরিবারের কেউ সরকারী চাকুরী করেন না এবং বাইতুল মাল থেকে কোনো বেতনভাতাও পান না, এমনকি আমির নিজেও কোনো ভাতা পান না।” . আল্লাহ এই মহান মানুষটির ছায়া আমাদের উপর দীর্ঘায়িত করুক ও পুরো দুনিয়ার জন্য কবুল করে নিক।

হযরত আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেবের বইয়ের ব্যাপারে আমার সর্বশেষ পোষ্ট: . ধারাবাহিক বিভিন্ন মানুষ, যাদের মাঝে বেশকিছু ও সিনিয়র ও মুরুব্বি আলেমও আছেন, জিজ্ঞাসা করেছেন, এছাড়া অনেকের সাথে দেখা হলেই প্রথমেই জানতে চান, আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেবের বইটির আর কোনো পর্যালোচনা পর্ব লেখবো কি না? অনেকে এভাবেও জানতে চান, আমার আপত্তির জায়গা শুধু যা বলেছি সেগুলো? না, আরো আছে? অনেককে বলি, আবার অনেকে জিজ্ঞাসা করলে চুপ থাকি, যাইহোক, এত মানুষকে একসাথে বলা সম্ভব না। তাই এখানে পোষ্টের মাধ্যমে এবিষয়ে সর্বশেষ আমার অবস্থান বলে দেই। . ১. বইটি যতগুলো বিষয় আপত্তি করিছি, তার সমপরিমাণ আরো বেশকিছু জায়গায় আমার আপত্তি, খটকা ও মতানৈক্য আছে। কিছু আছে বেশ শক্ত, যেগুলোকে আমি একদমই ভুল মনে করি, যেমন দারের মাসআলায় যা লেখা হয়েছে, আর কিছু আছে যেগুলো দ্বিমত আছে তবে অস্পষ্টতার কারনে মুহতারাম লেখকের অবস্থান সামনে না থাকার কারণে খটকা আছে, যেমন অধিকাংশের রায় ইসলামে গ্রহণযোগ্য প্রমানের জন্য যে বিষয়ের অবতারনা করেছেন সেটা কোন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে করেছেন ইত্যাদি। ২. এতদাসত্ত্বেও বইটি নিয়ে আমি আর কোনো পর্ব লেখবো না। কারণ, আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উস্তাদ, মাওলানা সাইফুল সাহেব এই বই নিয়ে আর কিছু লেখতে নিষেধ করেছেন। উস্তাদজির ভাষ্য ছিলো এরকম, “তুমি দলিলের আলোকে লেখেছো, সুন্দর হয়েছে, বাকি এখন তোমার এগুলোর সময় হয়নি। এখন নিজেকে গড়ার সময়। মৌলিক কাজ করো, এগুলো নিয়ে পরেও কাজ করতে পারবে।” হুজুরের এই নিষেধ শত মানুষের আবেদনের সামনে আমার কাছে কিছুই না। বাস, এই বিষয়ে আমি আর কিছুই লেখবো না। অনেক উস্তাদ পর্যায়ের সিনিয়র আলেমগণ অনুরোধ করেছিলেন যেন পুরো পর্যালোচনা শেষ করি, তাদের অনুরোধ রাখতে পারিনি তাই ক্ষমা চাই।

বানুরীটাউন মাদরাসার প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস মাওলানা ফজল মুজাম্মদ দা.বা.-এর লেখা বই, ‘মাওজুদা দাওর ম্যে জিহাদ কি জরুরত’। একজন গাইরাতবান আলেমের লেখা পড়ার স্বাদই আলাদা। লেখার পরতে পরতে আপনাকে দ্বীনের সঠিক মেজাজ, দাওয়াতের সঠিক উসলুব ও দ্বীনি গাইরাত সবই শিখাবে। দাওয়াতি মেজাজ, নরম কথার শিরোনামে গাইরাত হীনতা শিখাবে না।

লেখাটি আহলে ইলম ও তালেবে ইলমের জন্য বিশাল খোরাক!

#শেকওয়া ভোট বনাম পরিভাষা প্রচলিত ভোট দেওয়ার বিধান নির্ভর করে ভোটের শরয়ী অবস্হা বিবেচনা করে।ভোটের শরয়ী পরিভাষা কি হতে পারে নির্নয় করা দূরহ।তবে নির্নয় করেছেন অনেকে।যেমন ভোটের শরয়ী পরিভাষা হচ্ছে ১.শাহাদাত-সাক্ষ্য।২.শাফায়াত-সুপারিশ।৩.আমানত ৪.ওকালত। পর্যালোচনা করে দেখা যাক কোনটা অধিকতর উপযুগী। #প্রথমত.... ১.শাহাদাত:শাহাদাত বলা হয় ’’الشھادۃ اخبار صادق فی مجلس الحکم بلفظ الشھادۃ‘‘ (حاشیۃ ھدایۃ للعلامۃ اللکھنویؒ) সত্যবাদী ব্যক্তি বিচারালয়ে 'শাহাদাত'শব্দ উচ্চারন করে সাক্ষ্য-খবর দেয়া। এখানে চারটা বিষয়। এক.খবর দেয়া। দুই.বিচারালয় হওয়া। তিন.যার ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছে সে উপস্হিত থাকা।চার.শাহাদাত শব্দ উচ্চারন করা। অথচ ভোটের মধ্যে এসব পাওয়া যায় না।কারন ভোট প্রদান করা হয় ব্যালটের মাধ্যমে।নির্ধারিত লোকের নামের পাশে অঙ্কিত প্রতিকে সিল মেরে ভোট পপ্রদান করা হয়।আর এর মাধ্যমে মনোনীত প্রার্থীর আইন প্রনয়নসহ যাবতীয় ক্ষমতা অর্জিত হয়।আর এটাকে শরয়ী পরিভাষায় ইখবার বলেনা বরং ইনশা বলে।আর আমাদের জানা আছে যে ইখবার আর ইনশা এক নয়। অতএব শাহাদাতের উল্লেখিত চার রুকনের কোনো রুকনই এখানে পরিলক্ষিত হচ্ছেনা। #দ্বিতীয়ত.... এখানে সাক্ষ্য দানের জন্য সাক্ষীর যেসব গুনাগুন বা শর্ত প্রযোজ্য তা সবার ক্ষেত্রে পাওয়া যায়না।যেমন ভোটের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ,পাগল,ডাকাত,চোর, দন্ডিত ব্যক্তি সবাই সমান।অথচ শাহাদাত-সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে সবাই সমান নয়। #তৃতীয়ত.... শাহাদাত হচ্ছে...دلالت لفظیہ কিন্তু ভোট হচ্ছে... دلالت غیر لفظیہ অথচ উকালা-মান্তেকীদের নিকট ’والشیٔ لایحتمل ضدہ এটা জায়েজ নেই। #ভোটের দ্বিতীয় পরিভাষা :শাফায়াত-সুপারিশ। ১.সুপারিশ অর্থ হল ভোটার তার ভোটের মাধ্যমে কোন অথরেটিকে তার মনোনীত প্রার্থীকে সাংসদ ইত্যাদি বানাতে সুপারিশ করবে।অথচ এখানে স্বয়ং ভোটারই তার মনোনীত প্রার্থী নির্ধারনের ক্ষেত্রে রায় দিচ্ছে এবং নির্বাচিত করছে। ২.মেনে নিলাম ভোটের মাধ্যমে কোন সংস্হাকে সুপারিশ করা হয়।কিন্তু প্রশ্ন হল কাকে?তারা তো এখনো অস্তিত্বে আসেনি।বরং তাদের অস্তিত্বে আসাটা নির্ভর করছে স্বয়ং ভোটারের ভোটের উপর।সাংসদ নির্ভর করছে ভোটের উপর আবার অথরেটিও নির্ভর করছে ভোটের উপর।যাকে توقف الشیٔ علی نفسہ যা নিষিদ্ধ। #ভোটের তৃতীয় পরিভাষা ওকালত। কিছু কথা: ১.ওকালত কিন্তু এক ধরনের চুক্তি।আর উকুদ একাকী একদিকে থেকে হয় না।বরং দ্বিপাক্ষিক হয়।এখানে কিন্তু এক পক্ষিয়। ২.ভোট গননার সময় জানা যায় না কার ভোট কোনটি।তাহলে ওকিল তার মোয়াক্কেল কিভাবে নির্ণয় করবে?আর যদি মোয়াক্কেল জানা না থাকে তাহলে ওকালত চুক্তি হবে কি করে! ৩.যদি ভোট মানে ওকালত মেনে নিই তাহলে পরাজিত প্রার্থীও তার ভোটার কর্তৃক ওকিল হবে অথচ ভোটের ক্ষেত্রে এমন না।আর শরিয়তে এর কোন নজির নেই যে ওকালতের সমস্ত শর্ত পাওয়া যাওয়া সত্ত্বেও পরাজিত প্রার্থী ওকিল হতে পারেনা। ৪.ওকালতের ক্ষেত্র ওকিল কর্তৃক মোয়াক্কেলকে অপসারনের সুযোগ বা ক্ষমতা থাকে।কিন্তু ভোটের ক্ষেত্রে থাকেনা। ৫.প্রার্থী /এম পি ইস্তফা দেওয়ার পর পুনরায় ফিরিয়ে নিতে পারে।কিন্তু ওকিল তার ওকালত থেকে ইস্তফা দিলে ফিরিয়ে নিতে পারেনা। ৬.শরিয়তে এমন কোন নজির নেই যে কিছু মানুষ একজনকে ওকিল বানাল আর কিছু মানুষ অন্যজনকে। দিন শেষে সবাইকে তার নিযুক্ত ওকিল ব্যতিত অন্যজনের ওকিলকে ওকিল মানতে হচ্ছে। #ভোটের চতুর্থ পরিভাষা :আমানত আমানত একটি শরয়ী পরিভাষা।প্রয়োগ হবে শরিয়তের কল্যানকর জায়গাতে।কিন্তু গনতন্ত্র সর্বসম্মত একটি কুফরি মতবাদ।আর ভোটের মাধ্যমে মূলত গনতন্ত্র বা গনতান্ত্রীক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হয়।আর গনতন্ত্র হচ্ছে আল্লাহর জমিনে মানব রচিত আইন প্রয়োগ করা।তাহলে আমানত-ভোট প্রদান করে কি মানব রচিত আইন প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করা হচ্ছে না?কিভাবে ভোট আমানতের সংজ্ঞায় পড়ে? #প্রশ্ন:যদি বিনা ভোটে নির্বাচিত হন তাহলে পরিভাষা কোনটা ব্যবহার করা হবে? বিনা ভোটে নির্বাচিত প্রার্থী কি আইন প্রনয়নের ক্ষমতা রাখে না? মাওলানা মাহমুদ মাসরুর হাফিজাহুল্লাহ।

ভোটের সময় চলতেছে। মৌসুম ভিত্তিক পড়াশোনা হিসেবে ভোটের শরয়ী অবস্থান সম্পর্কে উর্দুতে সংক্ষিপ্ত এই লেখাটা পড়া যেতে পারে। বইটি সামগ্রিক দিক থেকে বেশ ভালোই লেগেছে।

মুফতি তাকি উসমানি হাফিজাহুল্লাহের ব্যাংকিং বিষয়ে মতামতের খণ্ডন করে পাকিস্তানের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান বানুরিটাউনসহ চার প্রদেশের সকল মুফতির সম্মেলিত একটি ফতোয়া দেন, এরপর সে ফতোয়ার দলিল হিসেবে মুরাওয়াজা ইসলামি ব্যাংকারি নামক একটি কিতাব লেখেন। মুফতি সাহেব সেটার খণ্ডণ করে গাইরে সুদি ব্যাংকারি নামক একটি কিতাব লেখে। পরবর্তীতে মুফতি তাকি উসমানি সাহেবের গাইরে সুদি ব্যাংকারির খণ্ডণ করে মুফতি আহমদ মুমতাজ সাহেব বই লেখেন, ‘গাইরে সুদি ব্যাংকারি এক মুনসিফানা জায়িযা’। বইটির শুরুতে পাকিস্তানের শীর্ষ আলেমগন প্রশংসাবানী লেখে দিয়েছেন।