es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 334 suscriptores, ocupando la posición 7 907 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 062 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 334 suscriptores.

Según los últimos datos del 27 agosto, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 77, y en las últimas 24 horas de 8, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 15.13%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 5.64% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 1 716 visualizaciones. En el primer día suele acumular 640 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 35.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 28 agosto, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 334
Suscriptores
+824 horas
+337 días
+7730 días
Archivo de publicaciones
ইমরান রাইহান ভাই একদিন কথা প্রসঙ্গে বললেন, ‘যে কাজকে নিজের কাজ বলে পরিচয় দিতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করবো এমন একটি কাজ হলো ইতিহাস থেকে
ইমরান রাইহান ভাই একদিন কথা প্রসঙ্গে বললেন, ‘যে কাজকে নিজের কাজ বলে পরিচয় দিতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করবো এমন একটি কাজ হলো ইতিহাস থেকে শিক্ষা বইটি’। . ইমরাম ভাইয়ের প্রতিটি বই বিভিন্নভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক। কিন্তু এরপরও যখন তিনি এই বইটি নিয়ে এমন মন্তব্য করলেন তখন থেকেই বইটি পড়ার তালিকায় উপরে রেখেছিলাম। কিন্তু বিভিন্ন কারণে আর পড়া হয়নি। এবার সুযোগ পেয়ে শুরু করে দিলাম এবং ইমরান ভাইয়ের মন্তব্যের যথার্থতা বুঝতে পারলাম। . বইটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ, তবে আজকে এতটুকুই বলি, বইটির গতানুগতিক নাম দেখে ধোকা খাবেন না। মুসলিম বঙ্গের স্বপ্ন দেখা প্রতিটি তরুনের জন্য এই বইটি মুখস্ত ও পর্যালোচনা করে পড়া উচিত। এবং একেকটি অধ্যায় ধরে ধরে পাঠচক্র করা দরকার। . আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন।

মারকাযুদ দাওয়ার প্রতি এবং যাঁরা মারকাযের ফতোয়ায় স্বাক্ষর করছেন তাঁদের প্রতি বিনীত নিবেদন! এটা সবাই ব্যাপকভাবে প্রচার করুন। -মুহতারাম মাহদি মাবরুর হাফিজাহুল্লাহ

পাকিস্তানের সরকার আজ ড্রোনাল ট্রাম নামক মুর্তি খুশি করতে গিয়ে আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করছে, এর থেকে বড় আর কোনো শিরক হতে পারে না৷ -মাওলানা ফজলুর রহমান জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম, পাকিস্তান

আফসোস ঐ দেশের মুসলমানদের জন্য যারা খামেনির মত অভিশপ্ত, রাফেজি ও মুরতাদের মৃত্যুকে শহিদি মৃত্যু মনে করে! -মাওলানা মঞ্জুর মেঙ্গল হাফিজাহুল্লাহ

আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে বলা আমাদের কথাগুলো উম্মাহের কাছে আজগুবি লাগতো, এখন নাপাক আর্মির পক্ষে বলা হুজুরদের কথা উম্মাহের কাছে আশ্চর্য লাগে! দিনগুলো কত দ্রুত পরিবর্তনশীল!

৭০+ বছরের ইতিহাস সামনে থাকার পরেও যে সমস্ত আলেমের কাছে পাকিস্তানের নাপাক বাহিনী ও সরকারের বিষয়টা স্পষ্ট না তার ও তাদের কাছে ফিরিশতা ওহী নিয়ে আসলেও স্পষ্ট হবে না। . এগুলো কোনো ইলমি ভুল না, এগুলো বিশ্বাস ও আকিদার ভুল। এই বিষয়টা উম্মাহের যেহেনে থাকা লাগবে।

দ্বীনকে বিজয় করতে চাই এমন প্রত্যেক ভাই কেনো আমরা ইতেকাফ করবো? . আপনি যে কালিমা বিশ্বাস করেন, এই কালিমাই আপনাকে পুরো পৃথিবীর সকল শক্তির শত্রুতে পরিনত করেছে। একজন মুসলমান যতই নিজেকে সুশীল ও সহনশীল ইত্যাদি হাবিজাবি পরিচয় দিক, সে শুধু একটি কালিমা—লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ, এই কথাটুকু বিশ্বাস করার কারণে শত্রুতে পরিনত হয়েছে তামাম দুনিয়ার সকল শক্তির সাথে। এই শত্রুতা এই কালিমা ত্যাগ করা পর্যন্ত চলতেই থাকবে। কালিমার এই শত্রুদের শক্তির ব্যাপারে আমাদের ধারণা নাই বললেই চলে। আমি যতই সচেতন হই, পৃথিবীর যেখানে ও যত সুরক্ষিত জায়গায় থাকি, এই কালিমার শত্রুরা আমাকে ধ্বংস করার সক্ষমতা রাখে। . বিপরীত দিকে এই কালিমার মাধ্যমে আমি বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছি এমন এক মহান শক্তিধর সত্তাকে, যিনি আসমান ও যমীনের সৃষ্টিকর্তা। যার আদেশ ছাড়া একটি গাছের পাতাও নড়ে না৷ কালিমার শত্রুদের সকল শক্তি যদি এক সাথে করা হয়, তাহলে কালিমা পড়ার দ্বারা যাকে বন্ধু বানিয়েছি, তার সামনে একটি মাছির ডানার সমানও কোনো মূল্য রাখে না৷ এই বন্ধু যদি সিন্ধান্ত নেন আমাকে জীবিত রাখার, তাহলে তামাম দুনিয়ার সকল শত্রু তাদের হাজারো প্রচেষ্ঠার সবটুকুর সর্বোচ্চ দিলেও আমার একটি পশমও ছিড়তে পারবে না৷ আর ইতেকাফ হলো সে শক্তিধর রবের সাথে সম্পর্ক করার সবচেয়ে সহজ একটি মাধ্যম। পুরো দশটিদিন সে মহান রবের ঘরে, দুনিয়ার সকল সম্পর্ক ছিন্ন করে আমি তাকে পাওয়ার জন্য যখন বসে যাবো, তখন অবশ্যই তিনিই হয়ে যাবেন আমার জন্য যথেষ্ট। এটাই হলো ইতিকাফের গূঢ় রহস্য। দেখুন ইবনে রজম হাম্বলি ইতিকাফের এই গূঢ় রহস্যের কথাই বলছেন ইতিকাফের পরিচয়ে, قطع العلائق عن الخلائق للاتصال بالخالق স্রষ্টার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করার জন্য সৃষ্টির সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্ন করাই হলো ইতেকাফ। -লাতায়েফুল মাআরেফ . মনে রাখবেন, কালিমার এত বিশাল শক্তিধর শত্রুর বিরুদ্ধে লড়তে হলে কালিমার মাধ্যমে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে নেওয়া আমার রব আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআলার সাথে সম্পর্ক বাড়ানো ছাড়া আমাদের হাতে বিকল্প কোনো অপশন নেই। রবের সাথে সম্পর্ক ছাড়া এক মুহুর্তও আমি আমার শত্রুর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারবো না। আর যখন সম্পর্ক হয়ে যাবে, তখন আমার শত্রু হয়ে যাবে আমার সামনে মৃতজন্তুরূপ!  . তাই দ্বীনের বিজয় যদি বাস্তবিকই আমি চাই, আমার জন্য ইতেকাফে বসা বাধ্যতামূলক করে নিতে হবে। . এতটুকুই কী আমাদের জন্য যথেষ্ট নয়, যে রাসুলকে সে মহান রব দ্বীনকে বিজয়ের জন্য প্রেরণ করেছেন, যার ব্যাপারে ঘোষণা করেছেন, মহান শক্তিধর রব তাকে নিজে সকল বিপদ থেকে রক্ষা করবেন, সে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি মদিনায় যাওয়ার পর কখনো ইতিকাফ ছাড়েন নি। দ্বীনকে বিজয় করার মহান দায়িত্ব ও ব্যস্ততা তাকে ইতিকাফ থেকে কখনোই বিরত রাখতে পারেননি! তাহলে আমি কেনো ইতিকাফ ছেড়ে দিবো? কোন অজুহাতে ছাড়বো!... . আল্লাহ আমাদের প্রতিটি ভাইকে দ্বীনের বিজয়ী সৈনিক হিসেবে কবুল করুক। আমীন৷

পাক_আফগান_সংঘাত_প্রসঙ্গে_মাসিক_আলকাউসারের_সম্পাদকীয়ঃ_বিশ্লেষণ_ও.pdf1.25 MB

পাকিস্তান বাহিনীর নতুন নাম ইয়াজেদি ফোর্স আর আসেম মুনীরকে আসেম ইয়াজিদ নাম দিয়েছে আফগানিরা এবং বহু পাকিস্তানিরা এই শব্দগুলো ব্যবহার শুরু করেছে। . সুন্দর হইছে নামগুলো।

মাদরাসাতু আলীতে ভর্তি ইচ্ছুক তালেবে ইলমরা ১৭ রমাজানেও ভর্তি হতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। . আর অবিভাবকগণ নিজেদের সন্তানকে মাদানী নেস
মাদরাসাতু আলীতে ভর্তি ইচ্ছুক তালেবে ইলমরা ১৭ রমাজানেও ভর্তি হতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। . আর অবিভাবকগণ নিজেদের সন্তানকে মাদানী নেসাব প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য আমাদের উপর আস্থা রাখতে পারেন ইনশাআল্লাহ।

আফগানিস্তানের ব্যাপারে জুমআয় কিছু বিভ্রান্তকর কথা বলে ফেলেছিলেন মুফতি তাকী উসমানী সাহেব হাফিজাহুল্লাহ। পরবর্তীতে স্পষ্ট ভাষায় নিজের অবস্থান থেকে ফিরে আসেন। এত বড় মানুষের এমন উদাহরণ আসলেই বিরল। আল্লাহ হযরতের সামনে অন্য অনেক বিষয়ের মত পাকিস্তান বিষয়ক হককে স্পষ্ট করে দিক। . এখানে পোষ্টের মূল উদ্দেশ্য হলো কিতাবের পোক তালেবে ইলমদেরও উচিত ফিতনার এই সময়ে টেকনোলজি সম্পর্কে নূন্যতম ধারণা রাখা। তাকী সাহেবের মত গভির ইলমের অধিকারী ব্যক্তি পর্যন্ত এআইয়ের ধোকায় পড়ে গেছে! বিষয়টা আমাদের জন্য খুবই ভাবার।

ইতিহাস বিশ্লেষক মুহাম্মদ ইলহামি লেখেন, ❝সমস্যা হলো, বর্তমানে যারা মুসলমানদের প্রতিনিধি হিসেবে নিজেদের উপস্থাপন করছে, তারা উম্মাহর সন্তান নয়। তারা এমন শ্রেণি, যারা গড়ে উঠেছে পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েই। তাদের সকল কর্মকাণ্ড আবর্তিত হয় পশ্চিমা মানদণ্ডে। এই শ্রেণিটি সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে নিজেদের রাজনৈতিক লক্ষ্যের অনুকূলে। তারা এমন লোকদের সামনে আনে, যারা তাদের স্বার্থ রক্ষা করবে। আর এই কাজে তাদের সাহায্য করে গণমাধ্যমগুলো। আধুনিককালে গণমাধ্যম মানে নিরপেক্ষ কিছু নয়; বরং এগুলো নানা অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ারমাত্র; যার সাথে পুঁজিবাদের গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান।❞ -ইতিহাস থেকে শিক্ষা, পৃ ২১ ইমরান রাইহান

মুসলিম-অমুসলিম বইটির চতুর্থ মুদ্রণ আজ থেকে পাওয়া যাচ্ছে। . আলহামদুলিল্লাহ
মুসলিম-অমুসলিম বইটির চতুর্থ মুদ্রণ আজ থেকে পাওয়া যাচ্ছে। . আলহামদুলিল্লাহ

তাবলীগের প্রতিষ্ঠাতা হযরত মাওলানা ইলিয়াস সাহেব রহ. বলেন, ❝ঈমানের দুইটি ডানা রহিয়াছে, এক- আল্লাহ ও রাসূলের দুশনদের বিরুদ্ধে কঠোর ও শক্ত হওয়া, দুই- আল্লাহ ও রাসূলকে মান্যকারীদের ও মহব্বতকারীদের ব্যাপারে স্নেহশীল ও দয়াবান হওয়া এবং তাহাদের সম্মুখে বিনয়ী ও ছোট হওয়া।...ঈমানদারদের উন্নতি ও উড়ার জন্য এই উভয় ডানা জরুরী। এক ডানা দ্বারা কোন প্রাণীও উড়িতে পারে না। -মালফুজাতে ইলিয়াস রহ. পৃ. ৭৯ সংকলন : মাওলানা মঞ্জুর নোমানী

আরব ভূখণ্ডে আমেরিকাকে ঘাটি করতে দেওয়া সাওয়াবের কাজ। আর সেই ঘাটিতে আক্রমণ করা গুনাহের কাজ। -মুফতি রিয়েলখোর

পাঠ-চিন্তা-চক্র With মাহমুদ সিদ্দিকী বই : ইরানী ইনকেলাব, ইমাম খোমেনী ও শিয়া মতবাদ লেখক : আল্লামা মনযুর নোমানী রহ. তারিখ : ৫ই
পাঠ-চিন্তা-চক্র With মাহমুদ সিদ্দিকী বই : ইরানী ইনকেলাব, ইমাম খোমেনী ও শিয়া মতবাদ লেখক : আল্লামা মনযুর নোমানী রহ. তারিখ : ৫ই মার্চ, ২০২৬, বৃহস্পতিবার, রাত : ১০ টা [তারাবিহর পর।]

photo content

পশ্চিমা মূলনীতিগুলো আসমানী বা সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী প্রতিটি ধর্মের সাথেই সাংঘর্ষিক। তবুও আজ প্রায় সব ধর্মের অনুসারীরা ব্যাপকভ
পশ্চিমা মূলনীতিগুলো আসমানী বা সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী প্রতিটি ধর্মের সাথেই সাংঘর্ষিক। তবুও আজ প্রায় সব ধর্মের অনুসারীরা ব্যাপকভাবে পশ্চিমের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। ধর্মবিশ্বাস বজায় রেখেও তারা পশ্চিমা দর্শন গ্রহণ করছে, একে সর্বজনীন মনে করছে; এমনকি নিজেদের ধর্মের সত্যতা প্রমাণ করতে ধর্মের মৌলিক গ্রন্থের বদলে পশ্চিমা বয়ানের আলোকে ব্যাখ্যা দিতে বেশি আগ্রহী হচ্ছে। এর মূল কারণ হলো রিফরমেশন-অর্থাৎ ধর্মকে পশ্চিমা বয়ানের আলোকে সংস্কার করে নেওয়া। আর এ কাজটি পশ্চিমা সভ্যতা তার জন্মলগ্ন থেকেই গুরুত্ব সহকারে করে আসছে। মার্টিন লুথারের প্রোটেস্ট্যান্ট আন্দোলন থেকে শুরু করে আজকের "গুড মুসলিম” প্রকল্প-সব একই সূত্রে গাঁথা। তাই ধর্মসংস্কারের যেকোনো স্লোগান বা আন্দোলনের ব্যাপারে আমাদের সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে এবং এ-জাতীয় আন্দোলনকে সন্দেহের চোখে দেখতে হবে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে রিফরমেশনের ফিতনা থেকে হেফাজত করুন। আমিন। বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির মূল্য : ৩৬০৳ (২৫%) ছাড়ে

পশ্চিমা মতবাদগুলো সমাজে ছড়িয়ে পড়ার সবচেয়ে কৌশলী দিকটি হলো শব্দের খেলা। তারা তাদের মতবাদের মূল চিন্তাকে এমন কিছু শব্দ ও বাক্যে
পশ্চিমা মতবাদগুলো সমাজে ছড়িয়ে পড়ার সবচেয়ে কৌশলী দিকটি হলো শব্দের খেলা। তারা তাদের মতবাদের মূল চিন্তাকে এমন কিছু শব্দ ও বাক্যের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দেয়, যেগুলোর বাহ্যিক অবয়ব অধিকাংশ সাধারণ মানুষকে চমৎকৃত করে। ফলে শব্দের বাহ্যিকতার বিপরীত যেকোনো অবস্থানকে মানুষ ভালো চোখে দেখে না। ফলে শব্দের আড়ালে লুকানো কুফর সাধারণ মানুষের চোখে সহজে ধরা পড়ে না। পশ্চিমের বানানো পরিভাষাগুলো তারা অনায়াসেই গ্রহণ করে নেয়; অথচ টেরই পায় না-এসব পরিভাষার অন্তরালে লুকিয়ে আছে এমন কিছু ধারণা, যা তাদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ-ঈমান-ধ্বংস করে দিচ্ছে। এই বিষয়ে বড় চমৎকার বলেছেন শহিদ মুফতি নিজামুদ্দিন শামযায়ী রহিমাহুল্লাহ: 'ইহুদিদের একটি চক্রান্ত হলো, তারা এমন কিছু পরিভাষা আমাদের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছে যেগুলোর প্রকৃত মর্ম আমরা জানি না। আকর্ষণীয় মোড়কে আবৃত করে তারা সেগুলো আমাদের সামনে পেশ করেছে, আর আমরা বাস্তবতা না জেনে দিব্যি সেগুলো ব্যবহার করে চলছি।' বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির মূল্য : ৩৬০৳ (২৫%) ছাড়ে