1 239
Suscriptores
+124 horas
-27 días
-1230 días
Archivo de publicaciones
1 239
.
আমার প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোন, এমতাবস্থায় আমাদের করণীয় কী, তা নির্ধারণের আগে হি*ন্দু-ত্ব'বাদ এবং এদেশে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারীদেরকে আমাদের চিনে রাখতে হবে। হি*ন্দু-ত্ব'বাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারীদেরকে কাছে উগ্র হিন্দুদের বিচার দাবি করে হিন্দুদের আগ্রাসনকে দমানো যাবে না। ভারতের মোদি সরকার হোক কিংবা এদেশে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী হোক - পুরো হি*ন্দু-ত্ব'বাদের পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধেই আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। হি*ন্দু-ত্ব'বাদের ভয়ংকর মিশনের ব্যাপারে সচেতন থাকার পাশাপাশি গাজওয়াতুল হিন্দের টার্গেট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণ করে সামনে এগুতে হবে।
.
মুসলিমদের হেনস্থা ও নিধনের লক্ষ্যে হিন্দুদের সাজানো সব নাটক সম্পর্কে সজাগ ও সচেতন থাকতে হবে। পাড়ায়-মহল্লায় সকল মুসলিমকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, যেন একজন সাধারণ মুসলিমকেও উগ্র হিন্দুরা সন্দেহের বশে আক্রমণ করার দুঃসাহস দেখাতে না পারে। বিয়ে করে ইসলাম গ্রহণের প্রলোভন দেখানো হিন্দু যুবকদের প্রেমের ফাঁদ থেকে মুসলিম মেয়েদের দূরে থাকতে হবে। কাফির-মুশরিকদের সাথে মুমিনদের কোনো বন্ধুত্ব ও অন্তরঙ্গ সম্পর্ক স্থাপন করা যাবে না।
.
মুসলিমদের নিজেদের মাঝে দ্বন্দ্ব-বিবাদ এড়িয়ে ঐক্যের ভিতকে মজবুত রাখতে হবে। ফুরুয়ি ইখতিলাফ নিয়ে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পরস্পর বিচ্ছিন্ন হওয়া যাবে না। সর্বোপরি মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে আল্লাহর জমিন থেকে শিরক ও কুফরের মূলোৎপাটনের লক্ষ্যে যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণে মনোযোগী হতে হবে। আল্লাহ তাআলা আমাদের তাওফিক দান করুন। আমরা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কাছে দুআ করি, ফরিদপুরের মধুখালীতে উগ্র হিন্দুুদের হাতে নিহত দুই মুসলিম সহোদর ভাইকে তিনি শাহা@দাতের মর্যাদা দান করুন। তাদের পরিবার-পরিজনদের সবরে জামিল ইখতিয়ার করার তাওফিক দিন। আমীন, ইয়া রব্বাল আলামীন।
© শায়েখ তামিম আল আদনানীহাফিজাহুল্লাহ..
1 239
আমার প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোন, গত কয়েক বছর থেকে আমি আপনাদেরকে ভারতের হি*ন্দু-ত্ব'বাদী শক্তি ও তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারীদের ব্যাপারে বারবার সতর্ক করে আসছি। বিভিন্ন লেকচারে তুলে ধরেছি উগ্র হিন্দুরা মুসলিম নিধনে ও রামরাজ্য প্রতিষ্ঠায় কত ভয়ংকর ছক এঁকে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে! এ দেশের ক্ষমতার মসনদে চেপে বসা জালিম তা^গু`ত হাসিনা সরকার দিনদিন কীভাবে হি*ন্দু-ত্ব'বাদের তাবেদারি করে চলেছে!
হ্যাঁ, প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোন, সময় যতই গড়াচ্ছে, গো-পূজারিদের আস্ফালন ততই বেড়ে চলেছে! ভারতের মতো বাংলাদেশেও আজ উগ্র হিন্দুদের ঔদ্ধত্য চরম মাত্রায় পৌঁছেছে!
.
সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমদের দেশে আজ তুচ্ছ অভিযোগ তুলে স্রেফ সন্দেহের বশে মুসলিমদের নৃশংসভাবে খুন করার মতো ভয়ংকর ঘটনা ঘটছে! মুসলিমদের হুমকি দেয়া হচ্ছে! পূজাতে অস্ত্র উঁচিয়ে শক্তি প্রদর্শন করা হচ্ছে! প্রকাশ্যে উচ্চ আওয়াজে ‘জয় শ্রীরাম’-এর ¯স্লোগান তোলা হচ্ছে! শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলোতে ঘটা করে উদযাপন করা হচ্ছে শিরকি উৎসব; পক্ষান্তরে মুসলিম শিক্ষার্থীদের ইসলামের বিধিবিধান পালনে বাঁধা প্রয়োগ করা হচ্ছে! প্রেমের ফাঁদে ফেলে মুসলিম নারীদের ভারতে পাচার করে পতিতালয়ে বিক্রি করার এবং হিন্দু বানানোর ষড়যন্ত্র চলছে!
.
আমার প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোন, সম্প্রতি ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার পঞ্চপল্লীতে উগ্র হিন্দু স*ন্ত্রা*সীদের হাতে দুই মুসলিম সহোদরের নির্মম হত্যাকাণ্ডের কথা আপনারা নিশ্চয়ই শুনেছেন। মুসলিম নিধনে এ দেশের উগ্র হিন্দুদের আস্ফালন আজ কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে, তা বোঝার জন্য এ হৃদয়বিদারক ঘটনাই যথেষ্ট! মন্দিরে আগুন লাগানোর অভিযোগ এনে মন্দিরের পাশে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত হত-দরিদ্র নির্মাণশ্রমিকদের ওপর উগ্র হিন্দুরা সংঘবদ্ধভাবে পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে দুই মুসলিম সহোদর ভাইকে হত্যা করেছে! মারাত্মকভাবে আহত করে দীর্ঘ সময় বন্দি করে রেখেছিল আরও চার শ্রমিককে! কোনো প্রমাণ ছাড়াই শুধু সন্দেহের বশে হত-দরিদ্র মুসলিম দিনমজুরদের ওপর এমন নৃশংস হামলা চালায় হিন্দু সন্ত্রাসীরা! এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর পাশবিক আনন্দ প্রকাশ করেছে এ দেশের উগ্র হিন্দু সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত নেতা-কর্মীরা!
.
এ দেশের তথাকথিত সুশীল নামক অথর্ব কীটগুলোও আজ মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে! মেইনস্ট্রিম মিডিয়াগুলোও ঘটনার বিস্তারিত তুলে না ধরে অত্যন্ত দায়সারাভাবে সামান্য কিছু সংবাদ প্রকাশ করেছে! তাদের শিরোনাম দেখে অনেকে খুনের শিকার দুই মুসলিম সহোদরকে অপরাধী ভাবতে পারে! অথচ আজ যদি ঘটনা তার বিপরীত হতো, এভাবে কোনো এক হিন্দুর লাশ পড়ত, তবে সুশীল শ্রেণি ও মিডিয়াপাড়া সেই হিন্দুকে নিরপরাধ প্রমাণে এবং মুসলিমদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিতে গলা ফাটিয়ে ফেলত!
.
আমার প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোন, আপনারা হয়তো ভেবে অবাক হচ্ছেন, এ দেশের সংখ্যালঘু উগ্র হি*ন্দু-ত্ব'বাদীরা কীভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমদের ওপর আক্রমণের এতটা সাহস পায়! কীভাবে তারা মুসলিমদের হুমকি দিয়ে ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার ঔদ্ধত্য প্রকাশ করে! এ দেশে তারা মুসলিমদের তুলনায় সংখ্যায় খুব অল্প হলেও তাদের এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ও দুঃসাহস দেখানোর প্রধান কারণ দুটো।
একদিকে তারা ভারতের উগ্র হি*ন্দু-ত্ব'বাদী শক্তি ও ক্ষমতাসীন মোদি সরকারের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তারই মতাদর্শ অনুযায়ী কাজ করছে, অপরদিকে তারা ভারতের মদদপুষ্ট হাসিনা সরকারের অকুণ্ঠ সমর্থন ও সহযোগিতা পাচ্ছে। তারা নির্ভয়ে আছে, তাদের যেকোনো অন্যায়ে এ দুই শক্তি তাদের পাশেই থাকবে। হ্যাঁ, দিনদিনই তারা এ দুই শক্তির পৃষ্ঠপোষকতায় মুসলিমদের বিরুদ্ধে নানান প্রোপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে!
এ দেশের উগ্র হি*ন্দু-ত্ব'বাদীদের আর কসাই মোদির টার্গেট এক ও অভিন্ন। এরা কসাই মোদির মতোই মুসলিমদের রক্তখেকো। উগ্র হি*ন্দু-ত্ব'বাদী ভারতের হোক বা বাংলাদেশের হোক, রামরাজ্য প্রতিষ্ঠা করাই এদের লক্ষ্য।
এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্যই এরা ইসলামের নিদর্শনাবলিকে মুছে ফেলার প্রয়াসে কাজ করে চলেছে। এদের নির্দেশ বাস্তবায়ন ও এদেরকে খুশি করার জন্যই এ দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইফতার মাহফিল বন্ধের ঘোষণা এসেছিল! এদেরকে খুশি করার জন্যই স্কুল-কলেজগুলোতে আজ ঘটা করে পূজার উৎসব চলছে! মঙ্গল শোভাযাত্রার মতো ইমানবিধ্বংসী নানান কর্মকাণ্ড ব্যাপকভাবে উদযাপন করা হচ্ছে!
.
মুসলিমপ্রধান এ দেশে হি*ন্দু-ত্ব'বাদের এমন ভয়ংকর আগ্রাসন সত্ত্বেও কেবল গদি টিকিয়ে রাখতেই হাসিনা ও তার লীগবাহিনী ভারত ও হি*ন্দু-ত্ব'বাদের ক্রিড়নকে পরিণত হচ্ছে। আপনারা দেখেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রমাদান বিষয়ক আলোচনা করার কারণে সাধারণ মুসলিম ছাত্রদেরকে ছাত্রলীগের গুণ্ডারা বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে! বুঝেশুনে হোক কিংবা না বুঝে হোক, আওয়ামিলীগ ও তাদের প্রতিটি অঙ্গসংগঠন বরাবরই ভারত ও হিন্দুদের স্বার্থকেই রক্ষা করছে। হিন্দুদের শিরকি ধর্মবিশ্বাসকে প্রতিষ্ঠিত করার মিশনে তারা সহযোগিতা করে যাচ্ছে!
1 239
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়েছেন ইমারতে ইসলামি আফগানিস্তান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন:
❝আফগানিস্তানের ইসলামি আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার ও ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি, পাশাপাশি নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করছে। টানা ভারী বর্ষণ, ভয়াবহ বন্যা এবং ভূমিধসের ফলে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও রাজধানী ঢাকায় যে প্রাণহানি, বহু মানুষের আহত হওয়া এবং লক্ষাধিক পরিবারের বাস্তুচ্যুত হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে, তাতে ইসলামি আমিরাত গভীরভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আহতদের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছে এবং বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো যেন শিগগিরই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে—সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছে।❞
1 239
বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ান
-
লাগাতার বর্ষণে পানির নিচে চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল, বিশুদ্ধ খাবার ও পানির অভাবে ধুঁকছে লাখো মানুষ।
-
লাগাতার বৃষ্টি এবং ভারতের পানি স*ন্ত্রা*সের কারণে দেশের বিভিন্নস্থানে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে, তলিয়ে যাচ্ছে জনপদের পর জনপদ। নদ নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় অন্তত ১৮ টি জেলায় বন্যা সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
বিশেষত চট্টগ্রাম কক্সবাজার খাগড়াছড়ির বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি, খাবার ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। যথাযথ ব্যবস্থাপনা এবং ত্রান ও আশ্রয়কেন্দের অভাবে ইতিমধ্যে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।
এমতাবস্থায় বন্যার্তদের সাহায্যে সাধ্যমত এগিয়ে আসার জন্য সবাইকে আহবান জানাচ্ছি।
-
বিপদে আপদে মুসলিমদের পাশে দাঁড়ানো বড় ফজিলতের কাজ। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
مَنْ نَفَّسَ عَنْ مُؤْمِنٍ كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ الدُّنْيَا نَفَّسَ اللَّهُ عَنْهُ كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ…… وَاللَّهُ فِي عَوْنِ الْعَبْدِ مَا كَانَ الْعَبْدُ فِي عَوْنِ أَخِيهِ
যে ব্যক্তি দুনিয়াতে কোনো মুমিনের একটি কষ্ট লাঘব করবে, আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তার একটি কষ্ট লাঘব করবেন। ... আর বান্দা যতক্ষণ অপর ভাইয়ের সহযোগিতায় থাকে, আল্লাহ তাআলাও ততক্ষণ তাকে সাহায্য করেন। -[সহীহ মুসলিম ২৬৯৯]
আরেক হাদীসে তিনি বলেছেন-
في كلِّ كبدٍ رطبةٍ أجرٌ
প্রত্যেক তাজাপ্রাণের সেবাতে রয়েছে সাওয়াব। –[বুখারী ২৩৬৩ ও মুসলিম ২২৪৪]
1 239
বর্তমান মিডিয়াগুলো দালালের গোলাম হয়ে আছে।
যেকোনো কারণেই হোক চট্টগ্রামের ভয়াবহ বন্যা নিয়ে কোনো হাইপ উঠে নাই।
না মিডিয়ায়, না সোশ্যাল মিডিয়ায়, না হিউম্যানিটারিয়ান অর্গানাইজেশনগুলোতে।
এজ ইফ চট্টগ্রামের মানুষ এই দেশের কেউ না।
সিলেটের বন্যায় যেরকম বন্যার পানির চাইতে চোখের পানি বেশি হয়ে যায়। তেমন কোনোকিছু চট্টগ্রামের জন্য দেখা যাচ্ছে না। এর কারণ কী?
যদিও মূল ভূমিতেই বন্যা অত্যন্ত ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। আর বিচ্ছিন্ন দ্বীপগুলোর অবস্থা তো বলাই বাহুল্য। এগুলো আগে থেকেই বিচ্ছিন্ন। এখন তো দ্বীপগুলো আমাদের দুনিয়াতেই নাই।
লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি। তার উপর আছে পাহাড় ধ্বস। ইতোমধ্যেই ভয়াবহ পাহাড় ধ্বসে প্রায় ডজনখানেক বাচ্চা মারা গেছে!
পুরা চট্টগ্রামই পাহাড়ি অঞ্চল। তাই মোটামুটি পুরা অঞ্চলটাই পাহাড়ধ্বসের রেড জোন হয়ে আছে।
এই বন্যা-পাহাড়ধ্বসের সাথে আছে টর্নেডো!
এরকম ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিকট অতীতে আর আসে নাই।
বিশ্বাকাপে কে কয়টা গোল দিল, খাইল, কোন দেশের উপর অবিচার-সুবিচার হইল, সেগুলোর চাইতে নিজ দেশের মানুষের জীবন অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু আমরা সময়ই পাচ্ছি না এটা নিয়ে কথা বলার।
1 239
খেলা না কি বিনোদন। ভালো কথা। বিনোদন করতে গিয়ে জীবন দিতে হয় কেন? আর নিজের দেশের সাথে সেই খেলার কোনো সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও এই দেশে বসে ভিনদেশের জন্য জীবন দেয়া নেয়া কতটা জঘন্য চিন্তা করুন!
আপনারা বিনোদনকে তো বিনোদনের জায়গায় রাখেন না৷ এজন্যই তো উলামায়ে কেরাম এধরণের বৈশ্বিক বিনোদনের নামে উন্মাদনা এবং সাম্রাজ্যবাদীদের সফট মিশন থেকে সতর্ক করেন।
1 239
শাইখুল মুজাহিদ,হাকিমুল উম্মাহ ডা: আয়মান আয যাওয়াহিরি রহি: এই বাড়িতেই তার শেষ দিন গুলো কাটিয়েছেন।আমেরিকা তার মজুদে থাকা সবচেয়ে নিখুঁত অস্রটি ব্যবহার করেছিলো যেন টার্গেট মিস না হয়।
যদিও কাজ্জাব আমেরিকা দাবি করেছিলো-ড্রোন থেকে ছোড়া হেল ফায়ার মিসাইলটি শুধু টার্গেটকে এলিমিনেট করেছে।"
তবে আপনারা স্বচক্ষে ঘরের অবস্থা দেখেই বুঝতে পারছেন বাড়িতে থাকা কেউই সেদিন জীবিত ফিরতে পারেন নি।
অনেকের অন্তস্থলে রক্তক্ষরন হলেও সেইদিনটিতে শাইখ খুব খুশি ছিলেন।কারন তিনি বয়সের বারে নূয়ে পড়েছিলেন।তার চিরচেনা ক্লাশিনকভটি হাতে উঠালেই অগনিত যুদ্ধের নেতৃত্ব দেয়া সেই পৌরখাওয়া হাতটি থরথর করে কাপঁতে থাকতো।শাইখও হয়তো তখন এটাই কামনা করছিলেন-বেলা যে ফুরিয়ে এলো।সময় হয়েছে বীরত্ব গাথা এই অধ্যায়টিকে অতিত করবার।আমার ইমাম ইমামুল মুজাহিদ শাইখুল আমেরিকার রহি: সাথে মিলিত হবার।
-স্থানটি কাবুলের ওয়াজিরে আকবর খানের শেরেপুর এলাকার।
নোট:ছবিটি গত পরশু তোলা।এখনও কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে দ্বোতলা ভবনটি।
1 239
আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী।
বিজয় অতি সন্নিকটে।
ইনশাআল্লাহ
‼️ দীর্ঘ দুই দশকের লড়াই সংগ্রামের পর গাজার শাসনভার ছেড়ে দিল হামাস।
গাজা উপত্যকায় নিজেদের সরকারের বিলুপ্তি ঘোষণা করেছে হামাস। একই সাথে 'ফিলিস্তিনি ন্যাশনাল কমিটি'-এর কাছে গাজার প্রশাসনিক দায়িত্ব হস্তান্তরের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার কথাও জানিয়েছে তারা।
♦️ এই কমিটিকে গাজায় প্রবেশ এবং তাদের প্রশাসনিক দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার সুযোগ দিতে ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে শান্তি পরিষদ ও গ্যারান্টার রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হামাস।
♦️ কমিটির প্রধান আলী শাত জানান, তারা দায়িত্ব গ্রহণের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তবে এই প্রক্রিয়া সফল করতে 'একই কর্তৃপক্ষ, একক আইন এবং সেই কর্তৃপক্ষের অধীনেই একক অস্ত্র' থাকার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন তিনি।
অর্থাৎ, হামাস সহ অন্য কোন সশস্ত্র গোষ্ঠির কাছে অস্ত্র দেখতে চায়না তার কর্তৃপক্ষ।
♦️ এছাড়া, মধ্যস্থতাকারীদের সংশোধিত রোডম্যাপের জবাব জমা দিয়েছে হামাস এবং এই বিষয়ে এখন তারা ইসরায়েলের উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে।
সূত্র : আল জাজিরা
#Palestine #Gaza #Hamas #Egypt #Israel
1 239
ঈমানের স্বাদ ও মিষ্টতা পেতে হলে-
শরীর সুস্থ থাকলে মুখে খাবারের স্বাদ ও মজা অনুভব করা যায়। অসুস্থ শরীরে খাবার অনেক মজাদার ও সুস্বাদু হলেও তেতো এবং মজাহীন মনে হয়। তদ্রুপ ঈমান ও আমলের মজা অনুভবের জন্য সুস্থ ও খাঁটি ঈমান থাকা জরুরী। সুস্থ ও খাঁটি ঈমান ব্যাতিরেকে ঈমান ও আমলের স্বাদ অনুভব করা সম্ভব নয়। ঈমানের স্বাদ ও মিষ্টতা অনুভব করতে হলে কতগুলো গুণ অর্জন করা জরুরী। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন-
ذَاقَ طَعْمَ الْإِيمَانِ مَنْ رَضِيَ بِاللهِ رَبّا، وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا، وَبِمُحَمّدٍ رَسُولًا.
ঐ ব্যাক্তি ঈমানের প্রকৃত মজা অনুভব করবে, যে আল্লাহকে রব হিসেবে, ইসলামকে দ্বীনরূপে এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রাসূলরূপে সন্তুষ্টচিত্তে গ্রহণ করবে। (সহীহ মুসলিম ৩৪)
.
এই হাদীস থেকে বোঝা গেল, কোন ব্যাক্তি যদি আল্লাহর ইবাদত, রাসুলের আনুগত্য ও ইসলামের বিধি বিধানকে মনে প্রাণে সন্তুষ্টচিত্তে গ্রহণ করে নেয়, তাহলে সে ঈমানের প্রকৃত স্বাদ অনুভব করবে এবং কোন বিধান বাহ্যত কঠিন এবং কষ্টকর মনে হলেও এতে সে এক অপার্থিব স্বাদ খুঁজে পাবে। পক্ষান্তরে আল্লাহ রাসুল ও ইসলামের সাথে কারো সম্পর্ক যদি হয় শুধুই বংশীয়; বাবা মা মুসলিম তাই সেও মুসলিম, কিন্তু তাঁদের সাথে তার দিলের সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি, তাহলে সে ঈমানের প্রকৃত মজা ও স্বাদ অনুভব করতে পারবেনা। ইসলামের অনেক বিধান তার কাছে এই যুগে অচল ও কঠিন মনে হবে।
.
অপর এক হাদীসে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন-
ثَلاَثٌ مَنْ كُنّ فِيهِ وَجَدَ حَلاَوَةَ الإِيمَانِ: أَنْ يَكُونَ الله وَرَسُولُهُ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِمّا سِوَاهُمَا، وَأَنْ يُحِبّ المَرْءَ لاَ يُحِبّهُ إِلّا لِلّهِ، وَأَنْ يَكْرَهَ أَنْ يَعُودَ فِي الكُفْرِ كَمَا يَكْرَهُ أَنْ يُقْذَفَ فِي النّارِ.
তিনটি গুণ যার মধ্যে থাকবে সে ঈমানের মিষ্টতা অনুভব করবে। আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তার কাছে সবকিছু থেকে অধিক প্রিয় হওয়া, কাউকে ভালোবাসলে শুধু আল্লাহরই জন্য ভালোবাসা, আর কুফুরীতে ফিরে যাওয়াকে এমন ঘৃণা করা, যেমন সে ঘৃণা করে আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়াকে। সহীহ বুখারী ১৬, সহীহ মুসলিম ৪৩
.
এই হাদীসের বক্তব্য আগের হাদীসের বক্তব্যের প্রায় কাছাকাছি। এই হাদীসের সারমর্ম হলো-ঈমানের মিষ্টতা ঐ ব্যক্তিই অনুভব করবে, যার অন্তর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ভালবাসায় সিক্ত থাকবে। আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ভালোবাসাকে জগতের সবকিছুর উর্ধ্বে স্থান দেবে। তার সব কাজে আল্লাহ ও তার রাসূলের ভালোবাসা ও সন্তুষ্টি অর্জনই লক্ষ্য থাকবে। অন্য কারো প্রতি যদি ভালবাসা হয়, সেটিও হবে সম্পূর্ণ এই ভালবাসার অধীন।
আর ইসলাম তার কাছে এতই প্রিয় যে, ইসলাম ছেড়ে কুফরীর দিকে ফিরে যাওয়া অথবা ইসলামকে বাদ দিয়ে অন্য কোন তন্ত্র মন্ত্র ও মতবাদ গ্রহণ করা আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়ার চেয়েও বেশি অপছন্দনীয়। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে ঈমানের স্বাদ ও মিষ্টতা অনুভব করার তাওফিক দান করুন। আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে ঈমানের স্বাদ ও মিষ্টতা অনুভব করার তাওফিক দান করুন। আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন
© শায়েখ তামিম আল আদনানীহাফিজাহুল্লাহ..
1 239
রেফারেন্সঃ
১. ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত Reuven Azar-এর বিবৃতি
"Israeli envoy: India fast becoming one of Israel's greatest strategic partners"
https://www.jns.org/feature/israeli-envoy-india-fast-becoming-one-of-israels-greatest-strategic-partners
২. Wikipedia — ভারত-ইসরায়েল প্রতিরক্ষা সম্পর্কের পরিসংখ্যান ও ইতিহাস
"India–Israel relations"
https://en.wikipedia.org/wiki/India%E2%80%93Israel_relations
৩. Al Arabiya English — মোদির ইসরায়েল সফর ও Knesset বক্তৃতা
"Modi tells MPs in Jerusalem that India stands with Israel 'firmly with full conviction'"
https://english.alarabiya.net/News/middle-east/2026/02/25/india-s-modi-visits-israel-as-usiran-tensions-rise
৪. The Business Standard Bangladesh — Tech Global Institute রিপোর্ট
"Hasina regime spent millions on spy tech for surveillance; Israel among top suppliers"
https://www.tbsnews.net/analysis/hasina-regime-spent-millions-spy-tech-crowd-control-israel-among-top-suppliers-1211431
৫. Al Jazeera Investigative Unit -
"Bangladesh bought mass spying equipment from Israeli company"
https://www.aljazeera.com/news/2021/2/2/bangladesh-bought-surveillance-equipment-from-israeli-company
৬. New Age Bangladesh / WAFA News Agency —
"'Except Israel' inscription reinstated in Bangladeshi passport"
https://www.newagebd.net/post/Country/262253/except-israel-inscription-reintroduced-in-bangladeshi-passport
https://english.wafa.ps/Pages/Details/156428
৭. Oneindia News —
"Israel Asks India To Tag Hamas As Terror Outfit"
https://www.oneindia.com/international/israel-asks-india-to-tag-hamas-as-terror-outfit-011-7937869.html
৮. The Diplomat —
"India Signals Reluctance to Call Out Israeli Aggression"
https://thediplomat.com/2025/06/india-signals-reluctance-to-call-out-israeli-aggression/
1 239
The New Axis: ভারত-ইসরায়েল
এই থ্রেট-পেইন্টিং ভাল ভাবে বুঝতে হলে ভারত ইসরায়েল রসায়ন বুঝতে হবে। ২০২২ সাল পর্যন্ত ভারত ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় অস্ত্র ক্রেতা। ইসরায়েলের মোট অস্ত্র রপ্তানির ৪২ শতাংশের বেশি যায় ভারতে। অন্যদিকে ভারতের আদানি গ্রুপ ইসরায়েলের হাইফা বন্দর পরিচালনা করছে।[২]
অক্টোবর ৭-এর পর থেকে সম্পর্কটা আর শুধু অর্থনৈতিক নয়, সেটা আদর্শগত হয়ে গেছে।মোদি ইসরায়েলি পার্লামেন্টে বললেন - "India stands with Israel firmly with full conviction."[৩] পাকিস্তানে অপারেশন সিন্দুরের সময় ইসরায়েলি ড্রোন ও অস্ত্র ব্যবস্থা ভারতের আঘাতে মূল ভূমিকা পালন করেছে। এটা শুধু দুই দেশের বন্ধুত্ব নয়।
এটা একটি strategic convergence, যেখানে বাংলাদেশ একটি shared problem হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। শুভেন্দু অধিকারী বাংলাদেশের জন্য ইসরায়েলের মডেল অনুসরণ করার কথা উল্লেখ করেছে।
ইসরায়েলের জন্য গাযা এবং ভারতের জন্য কাশ্মীর এই ২মডেলে মুসলিমদের জাতিগত নিধনে ভারত এবং ইসরায়েল আদর্শিক ভাবে এবং কৌশলগত ভাবে অভিন্ন!
আল্লাহ বলেছেন: "তুমি মুমিনদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কঠোর শত্রু হিসেবে ইহুদি ও মুশরিকদের পাবে।" (সূরা মায়িদা: ৮২)
এটাই আজকের geopolitical reality!
.
হাসিনার ব্যাকডোর: যে সত্য লুকানো ছিল
হাসিনা আমলে ২০১৫ সাল থেকে মোট ১৯০ মিলিয়ন ডলারের নজরদারি প্রযুক্তি কেনা হয়েছে। এর মধ্যে ইসরায়েলি উৎসের সরঞ্জাম ছিল ৪৩ মিলিয়ন ডলারের।[৪]
NSO Group-এর Pegasus, Verint Systems, Cognyte সহ কমপক্ষে নয়টি স্পাইওয়্যার কোম্পানি বাংলাদেশে তাদের প্রযুক্তি বিক্রি করেছে।[৫]
রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসরায়েলকে অস্বীকার করতে করতে গোপনে তাদের অস্ত্র কিনছিল একই সরকার - বিরোধীদের উপর চালানোর জন্য। এটা কোন হিপোক্রেসি নয়, এটা ছিল ইসরায়েলের মত জেনোসাইডাল স্টেটের সাথে কোলাবোরেশন।
২০২১ সালে হাসিনা সরকার বাংলাদেশি পাসপোর্ট থেকে "ইসরায়েল ব্যতীত" বাক্যটি মুছে দেয়। "আন্তর্জাতিক মান" এই অজুহাতে। এপ্রিল ২০২৫ এ ইউনূস সরকার সেই বাক্য পুনরায় যুক্ত করেছে, লক্ষাধিক মানুষের ঢাকায় "Free Palestine" মিছিলের পর।[৬]
হাসিনা মুছেছিল, কিন্তু সেটা আবার ফিরে এসেছে, ভারত এটা দেখছে। ইসরায়েল এটা দেখছে।
.
Framing Bangladesh: The Real Game!
ইসরায়েলি কূটনীতিকরা মনে করে ভারত যদি হামাস’কে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করে, তাহলে বাংলাদেশ, মালদ্বীপ এবং নেপালের মতো দেশগুলোও ভারতের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করবে।[৭] কি বুঝলেন? ভারতকে দিয়ে আঞ্চলিক ন্যারেটিভ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে এবং বাংলাদেশ সেই প্রজেক্টের একটি টার্গেট।
চীন ও পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের নতুন সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে দেখে ভারত নার্ভাস। সীমান্তে চাপ, ভেতরে অস্থিরতার হুমকি, পার্বত্য চট্টগ্রামে উসকানি, মন্দির ইস্যুতে ঢাকাকে বিচ্ছিন্ন করার হুমকি - এগুলো আলাদা আলাদা ঘটনা নয়। এগুলো একটি coordinated pressure campaign. আর এখন সেই ক্যাম্পেইনে ভারত ইসরায়েলকেও ব্যবহার করছে। বাংলাদেশকে হামাসের সাথে ফ্রেম করে সন্ত্রাসবাদের জুজু সামনে আনতে চাচ্ছে। This is not a coincidence, this is not a ‘try’, this is a strategy, deliberate strategy!
.
আমরা কোথায়?
গাজায় পুরো একটা জনগোষ্ঠী নিশ্চিহ্ন হচ্ছে, আর সেই গণহত্যার মূল অপরাধী এখন আমাদের নাম মুখে নিচ্ছে! আমাদের সীমান্ত অস্থির, আমাদের অর্থনীতি চাপে, আমাদের রাজনীতি এখনো চাঁদা আর ভাগ বাটোইয়ারায় ব্যস্ত - আর আমরা নিজে?
আমরা ফুটবলের গোল নিয়ে উন্মাদ! "A nation that doesn't know its enemies doesn't deserve to survive them."
এটা সময় চোখ খোলার, কারণ -
The war has not declared, it has already started!
If you don’t see the war then probably you are already inside it!
–
1 239
~ অঘোষিত টার্গেট: বাংলাদেশ! ~
–
ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত দিল্লি থেকে বলেছে - "We see an increased presence of Hamas in the region, in Pakistan and Bangladesh. They are active here."[১]
ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত - বাংলাদেশকে সরাসরি নাম ধরে উল্লেখ করেছে, এটি কোন কূটনৈতিক বিবৃতি নয়। এটি একটি framing operation, এটি একটি টার্গেট পেইন্টিং। আর আমরা? আমরা ফুটবল খেলা নিয়ে ব্যস্ত।
.
1 239
বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে বড় দুই বাধাঃ বিদ্যমান বিশ্বব্যবস্থা ও সুদভিত্তিক পুজিবাদী অর্থব্যবস্থা
বাংলাদেশ সহ অধিকাংশ মুসলিম অধ্যুষিত দেশে অর্থব্যবস্থা হিসেবে পুজিবাদ ও সুদভিত্তিক অর্থনীতিকে গ্রহণ করা হয়েছে। মুসলিমদের বড় একটি অংশও তাদের জীবনে সুদকে আপন করে নিয়েছে। ব্যবসা, বাড়ী নির্মাণ, গাড়ি ক্রয় করা সহ জীবনের সকল ক্ষেত্রে তারা সুদী লেনদেনের সাথে যুক্ত। সুদ একেবারে মহামারীর মত ছড়িয়ে পড়েছে। খোঁজ নিলে দেখা যাবে, মুসলিমদের বিশাল একটা অংশ কোন না কোনভাবে সুদের সাথে যুক্ত হয়ে পড়েছে।
এই হালতে লিপ্ত থাকা অবস্থায় কিভাবে একজন ব্যক্তি আল্লাহর সাহায্য ও বিজয়ের আশা করতে পারে? যখন আমরা জানি যে, সুদী কারবার করার অর্থ হল আল্লাহর বিরুদ্ধে যু$দ্ধে লিপ্ত হওয়া। সর্বক্ষণ আল্লাহর বিরুদ্ধে যু$দ্ধ করে আবার তাঁর পক্ষ হতে সাহায্য ও বিজয়ের আশা করা কি বোকামী নয়?
যদি আমরা এই অবস্থার পরিবর্তন চাই, তাহলে আমাদেরকে জ|তি"সংঘ ও বিশ্ব মোড়লদের মাধ্যমে গঠিত বিদ্যমান বিশ্বব্যবস্থাকে ভাঙ্গতে হবে। কারণ সুদভিত্তিক অর্থব্যবস্থা সহ আরো অনেক অপরাধ যেমন আল্লাহর বিধান বাদ দিয়ে গণতন্ত্র ও মানবরচিত আইন প্রতিষ্ঠা করা, যিনা ব্যভিচার ও সমকামিতাকে বৈধতা প্রদান করা, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তায় মদ জুয়াকে ব্যপকতা দান করা, গান কনসার্ট ও অশ্লীলতাকে বৈধতা দান করার মত সকল কিছুর প্রতিরক্ষাকারী হল জ|তি"সংঘ ও পশ্চিম নিয়ন্ত্রিত বিশ্বব্যবস্থা। এই নব্য উপনিবেশবাদী বিশ্বব্যবস্থার প্রভাবেই মানবরচিত বিভিন্ন কুফরী আকিদা ও মতাদর্শে রাষ্ট্র পরিচালনা করা হচ্ছে এবং শিক্ষাব্যবস্থা, মিডিয়া, শিল্প ও সংস্কৃতিসহ সফট পাওয়ারের অসংখ্য টুলস ব্যবহার করে এসব কুফরী আকিদায় মুসলিমদেরকে দীক্ষিত করা হচ্ছে।
শুধু তাই নয়, পৃথিবীর বিভিন্নস্থানে মুসলিম ও কালোদের উপর নির্য|তন, নি*পী/ড়ন, বৈষম্য ও গণহ/ত্যার জন্যও এই বিশ্বব্যবস্থা দায়ী। এরা কথিত নারী শিক্ষার জন্য হামলার শিকার(!) পাকিস্তানী মালালাকে দেখতে পেলেও ইরাক আ-ফ"গ|নি'স্তান, ক|শ্মীর, পাকিস্তান ফিলিস্তিনে স*ন্ত্রা*সী আ$মেরিকা, ভ|রত, ই/সর|ইল ও পশ্চিমা দেশগুলোর হাতে নির্য|তিত নি/পী/ড়িত লাখ লাখ নারী ও শিশুকে দেখতে পায়না। গাজার চলমান গণহ*ত্যা সবার সামনে দিবালোকের মত পরিষ্কার করে দিয়েছে এই বিশ্বব্যবস্থা কতটা নোংরা, কতটা বর্বর, আর কতটা নৃশংস।
এই কারণে আমরা বলি, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যু$দ্ধ বন্ধ করতে হলে এবং দুনিয়ায় শান্তি ফেরাতে চাইলে প্রথমে বিদ্যমান বিশ্বব্যবস্থাকে ভাঙ্গতে হবে। তাহলে আমাদের জন্য কুরআন সুন্নাহ ভিত্তিক ইনসাফ ও সাম্যের পৃথিবী গড়ে তোলা সহজ হবে।
এই কাজটি অনেক কঠিন, কিন্তু আমাদের সামনে এর কোন বিকল্প নেই। বিশ্বে শান্তি ফেরাতে হলে এবং মানুষকে তার যথাযথ অধিকার পৌঁছে দিতে হলে এই ব্যবস্থাকে আমাদের ভাঙ্গতেই হবে। আমরা যদি আল্লাহর উপর ভরসা করে, যথাসাধ্য প্রস্তুতি নিয়ে ময়দানে নামি তাহলে আজ হোক কাল হোক বিজয় আমাদের আসবেই। কিন্তু ভয় পেয়ে ঘরে বসে থাকলে কোনদিন বিজয়ের দেখা পাবোনা। বরং প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম গোলামীই করে যেতে হবে।
আল্লাহর ইচ্ছায় আ-ফ"গ|নি'স্তান এবং সোমালিয়া সহ বেশ কিছু অঞ্চলে ত|লেব|ন-আল-ক|য়ে"দ|র মু/জ|হি"দিনরা এই বিশ্বব্যবস্থার আঙ্গন ও পতনের সুচনা করে দিয়েছেন। ইসলামী মূল্যবোধের উপর প্রতিষ্ঠিত একটি নতুন বিশ্বব্যবস্থা তৈরির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। এই মূহুর্তেই তাদের কাছে পুরো বিশ্বব্যবস্থা পালটে দেওয়ার মত সক্ষমতা না থাকলেও অন্তত নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চলকে তারা এই নোংরা সিস্টেম থেকে আজাদ করে শরিয়ার আলোয় আলোকিত করেছেন। সুতরাং নিরাশ হয়ে থেমে যাওয়ার কিছু নেই, বরং তাদের দেখিয়ে দেওয়া পথে চলতে থাকলে আল্লাহর ইচ্ছায় একদিন একের পর এক ইসলামী ভূমিগুলো পুনরুদ্ধার হবে, বিশাল এলাকাজুড়ে ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠিত হলে মুসলিম ভূমিগুলো থেকে পশ্চিমা জাহেলী বিশ্বব্যবস্থার প্রভাব বিলুপ্ত হবে বি ইজনিল্লাহ।
বিষয়গুলো নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করলে আমরা বুঝতে পারবো, আমাদের দায়িত্ব ও লক্ষ্য কত বিশাল। অতএব আমাদের আর নিষ্ক্রিয় হয়ে বসে থাকার সুযোগ নেই। অস্ত্র, অর্থ, প্রযুক্তি, নিরাপত্তা, ইন্টেলিজেন্স সহ সর্বক্ষেত্রে নিজেদের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। এই পথের দৈর্ঘ্য ও কাঠিন্য দেখে যেন আমরা থেমে না যাই এবং আশাহত হয়ে ফিরে না যাই। যদি শত ভয় ও বাধা সত্ত্বেও অটল থাকি তাহলে আজ হোক কাল হোক আমরা সফলতার দেখা পাবোই ইনশাআল্লাহ।
© শায়েখ তামিম আল আদনানীহাফিজাহুল্লাহ..
1 239
ঝড়ের পূর্বাভাসঃ প্রস্তুতি নেই সামান্যও-
-
বেশ কিছুদিন যাবত দেশে এক ধরণের অস্থির পরিস্থিতি বিরাজ করেছে। গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে অনুমোদনছাড়া বিশালকার রামমূর্তি নির্মাণকে কেন্দ্র করে এই অস্থিরতার সূচনা হয়েছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যখন ভ|র'তের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা রংপুরকে ভ|র'তের সাথে যুক্ত করার হুমকি দিচ্ছে, সেই মুহুর্তে ঐ অঞ্চলে বড় মূ/র্তি নির্মাণ এবং একে কেন্দ্র করে চিহ্নিত ভ|র'তীয় দালালদের দেশজুড়ে অরাজকতা তৈরি করা, উ'স্কা'নীমূলক বক্তব্য দেওয়া বড় ধরণের ঝড়ের পূর্বাভাস।
রংপুরকে ভ|র'তের সাথে যুক্ত করার আলোচনা কোন ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বা সাধারণ ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মন্তব্য নয়, বরং ভ|র'তের একজন নিরাপত্তা বিশ্লেষকের বক্তব্য এটি। ভরত কর্নদ নামের এই লোক ভ|র'তের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (NSAB) সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে এবং ভ|র'তের অর্থ কমিশনের প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ছিল।
1 239
যদি আপনি ঘুমিয়ে ছিলেন আর খবর দেখননি, তাহলে জেনে রাখুন ভেনিজুয়েলায় একটা বড় বিপর্যয় ঘটেছে কিছুক্ষণ আগে। পরপর দুটো বড় ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে দেশটিতে, আর প্রাথমিকভাবে সুনামির সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। প্রায় একই সময়ে জাপানেও তৃতীয় একটি ভূমিকম্প হয়েছে!
ঘটনাটা শুরু হয় যখন মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা হঠাৎ করে ৭.২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প রেকর্ড করে। এর কেন্দ্রস্থল ছিল সমুদ্রে, ১৩ কিলোমিটার গভীরতায়, ক্যারিবিয়ান উপকূলের কাছে মোরন শহরের কাছাকাছি।
যখন তারা এটি নিয়ে বোঝার চেষ্টা করছিল এবং মানুষদের সতর্ক করছিল, তখন এক মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে দ্বিতীয় একটি আরও শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত করে ৭.৫ মাত্রার। দুটো ভূমিকম্পের আফটারশক মিলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছে।
ছবিতে যেমন দেখা যাচ্ছে, এই দুটো ভূমিকম্পের তীব্রতা কারাকাসের অনেক ভবন ধসিয়ে দিয়েছে, বিশেষ করে আলতামিরা ও সান বার্নার্দিনো এলাকায়। সাংবাদিক ও স্থানীয়দের ভিডিওতে শহরের উপর বিশাল ধুলোর মেঘ দেখা যাচ্ছে। হাজার হাজার মানুষ তাদের বাচ্চাদের কোলে নিয়ে রাস্তায় ছুটে বেরিয়ে এসেছে, কারণ বাড়িগুলোর দেয়াল ফেটে গেছে, জানালা ভেঙে গেছে এবং কংক্রিটের অংশ খসে পড়েছে।
বিপর্যয় সিমন বোলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও পৌঁছেছে। সেখানে ছাদ ও সম্মুখভাগের অংশ ধসে পড়েছে। জরুরি দলগুলো এখন রাজধানীর পুরো এলাকা খালি করার কাজ শুরু করেছে। উদ্ধারকারী দলগুলো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষদের খুঁজছে। এখন পর্যন্ত নিহত ও আহতের কোনো চূড়ান্ত বা আনুষ্ঠানিক সংখ্যা জানানো হয়নি।
সুনামির ঝুঁকিও এখনও রয়েছে।
কর্তৃপক্ষ ক্যারিবিয়ান উপকূলবর্তী কয়েকটি এলাকায় সুনামির সম্ভাব্য আঘাতের সতর্কতা জারি করেছে। প্রথমে এই সতর্কতা ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ও ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র পর্যন্ত ছিল। পরে কিছু এলাকায় ঝুঁকি কম বলে সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এই ভয়াবহ ভূমিকম্পে ১০ হাজার থেকে ১ লক্ষ লোকের মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে।
তবে এখনও কর্তৃপক্ষ আফটারশকের বিষয়ে সতর্ক করছে। তারা মানুষদেরকে আংশিক ধসে পড়া বা দেয়াল ফাটা বাড়িগুলো থেকে বেরিয়ে আসতে বলছে, কারণ নতুন কোনো কম্পন হলে পুরো ভবন ধসে পড়তে পারে।
আরও অবাক করা বিষয় হলো—বিপর্যয় শুধু ভেনিজুয়েলায় থেমে থাকেনি।
পৃথিবীর অন্য প্রান্তে, প্রায় একই সময়ে জাপানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে কোজি শহরের কাছে ৬.৯ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়েছে। এতে ক্ষয়ক্ষতি সীমিত হয়েছে। দ্রুতগতির ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। জাপানি কর্তৃপক্ষ বলছে, বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা সুনামির ঝুঁকি নেই।
তিনটি শক্তিশালী ভূমিকম্প প্রায় একই সময়ে হওয়াটা খুবই অদ্ভুত। আল্লাহ মানুষদের রক্ষা করুন।
1 239
ভূমিকম্পের বছরগুলো শুরু হয়েছে। আজ ভয়াবহ আঘাত হেনেছে ভেনিজুয়েলায় আর জাপানে। কাল ঢাকায় হলেও অবাক হবার কিছু নেই।
বিস্তারিত কমেন্টে...
1 239
পশ্চিমাদের উস্কানিতে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করেছিল। ইউক্রেন রাশিয়ার তুলনায় ছোটো ও দূর্বল রাষ্ট্র। ফলে ইউক্রেন তখন পশ্চিমাদের দারস্থ হতে বাধ্য হয়। ইউক্রেনের মাটিতে পশ্চিমা সামরিক বাহিনী প্রবেশের সুযোগ পায়।
পশ্চিমারা একই কৌশল হাতে নিয়েছে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে। ভারত বাংলাদেশে আক্রমণ করলে বাংলাদেশ নিরুপায় হয়ে পশ্চিমাদের দারস্থ হবে। পশ্চিমাদের কাছে সামরিক সহায়তা চাইবে।
এখানে ভিন্ন চিত্রও আছে একটা। বাংলাদেশ তখন চীনের কাছে সাহায্য চাইতে পারে। যদি চীন ফ্রন্ট লাইনে সম্পৃক্ত হয়, তবে আমেরিকাও সম্পৃক্ত হবে। বাংলাদেশের সাহায্যের আবেদন বা অনুমতির অপেক্ষা তখন আমেরিকা করবে না। কারণ, আমেরিকা চাচ্ছিলই চীনকে যুদ্ধের ময়দানে টেনে নিয়ে আসা।
সেই ক্ষেত্রে চীন বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সমরাস্ত্র, কৌশল ও গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহায়তা করবে। ইরানের মতো।
তাই বাংলাদেশের আগাম প্রস্তুতি প্রয়োজন। সূক্ষ্মভাবে যাচাই-বাছাই করে বাংলাদেশের ২০ লাখ মুসলিম তরুণকে ছয় মাস মেয়াদি বেসিক সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া উচিত রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে। যুদ্ধ লেগে গেলে এসব প্রস্তুতির সময় ও সুযোগ কোনোটাই থাকবে না।
••• এজন্য যা যা করা যেতে পারে •••
(১) এটা ব্যয় বহুল প্রজেক্ট। তাই ক্রাউড ফান্ডিং, দান ও অনুদান সংগ্রহ করতে হবে।
(২) প্রশিক্ষণ নিতে ইচ্ছুক মুসলিম তরুণদের ফ্যামিলি ট্রি ও ব্যক্তিগত সকল তথ্য ভালোমতো যাচাই-বাছাই করতে হবে।
(৩) প্রশিক্ষণ শেষে তারা অস্ত্র জমা দিয়ে স্বাভাবিক কাজে ফিরে যাবে। যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হলে যুদ্ধে অংশ নেবে।
(৪) তারা সবাই হবে মুসলিম তরুণ। এমনকি কোনো নওমুসলিমকে প্রশিক্ষণে অংশ নিতে দেওয়া যাবে না।
(৫) কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মীরা প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারবে না। কেবল সাধারণ তরুণরাই অংশ নেবে।
(৬) সম্পূর্ণ প্রজেক্টের দায়িত্ব থাকবে সামরিক বাহিনীর হাতে৷ ইউনুস সরকারের মতো বিচ্ছিন্ন কোনো প্রশিক্ষণ নয়।
(৭) প্রতিটি জেলা থেকে সমানুপাতিক হারে তরুণদের নিতে হবে।
(৮) তিন মাস প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর তিন মাস বিজিবির সাথে সীমান্ত পাহারা দেবে শিক্ষানবিশ হিসেবে।
(৯) প্রশিক্ষণ শেষে ফেরার পর কোনো তরুণের দ্বারা কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেন না ঘটে সেজন্য প্রতি মাসে একবার করে তারা নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিজের কাজকর্মের আপডেট প্রদান করবে।
(১০) বিনিময়ে তারা কোনো অর্থ পাবে না। সম্পূর্ণ সেচ্ছাসেবী। তবে সরকারিভাবে একটা সনদ তারা পাবে। যেন ভুয়া লোকজন পরবর্তীতে অনুপ্রবেশ না করে।
