es
Feedback
BoiMate.Com

BoiMate.Com

Ir al canal en Telegram

বই প্রকৃত বন্ধু ❤️ Islamic & Educational Bangla PDF Book Collection ⚡️ Group: @myboimate Website: https://boimate.com Helpline: @bdnhelpbot

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram BoiMate.Com

El canal BoiMate.Com (@boimatecom) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 123 198 suscriptores, ocupando la posición 102 en la categoría Libros y el puesto 57 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 123 198 suscriptores.

Según los últimos datos del 19 junio, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 1 581, y en las últimas 24 horas de 37, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 7.91%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 3.81% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 9 743 visualizaciones. En el primer día suele acumular 4 687 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 20.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
বই প্রকৃত বন্ধু ❤️ Islamic & Educational Bangla PDF Book Collection ⚡️ Group: @myboimate Website: https://boimate.com Helpline: @bdnhelpbot

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 20 junio, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Libros.

123 198
Suscriptores
+3724 horas
+3927 días
+1 58130 días
Archivo de publicaciones
কথা সত্য মতলব খারাপ PDF বই – মাওলানা মুহাম্মদ হেমায়েত উদ্দীন ডাউনলোড লিংক: https://boimate.com/kotha-sotto-motlob-kharap-pdf/
কথা সত্য মতলব খারাপ PDF বই – মাওলানা মুহাম্মদ হেমায়েত উদ্দীন ডাউনলোড লিংক: https://boimate.com/kotha-sotto-motlob-kharap-pdf/ t.me/boimatecom

এদেশে আরো বহু ওসমান হাদির জন্ম হোক! -শায়খ আহমাদুল্লাহ

এদেশে প্রতিটা ঘরে ঘরে হাদি দরকার!

শহীদের মর্যাদা ও হত্যাকারীর শাস্তি (কুরআন ও হাদিসের আলোকে) ✦ শহীদের মর্যাদা: ➜ যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়, তাদেরকে মৃত বলো না। বরং তারা জীবিত; কিন্তু তোমরা অনুভব করতে পার না। (সূরা আল-বাকারা ১৫৪) ➜ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ শহীদের জন্য আল্লাহর নিকট ছয়টি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। (১) তার দেহের রক্তের প্রথম ফোঁটাটি বের হতেই তিনি তাকে ক্ষমা করেন এবং জান্নাতে তার ঠিকানা তাকে দেখানো হয়, (২) কবরের আযাব থেকে তাকে রক্ষা করা হয়, (৩) (কিয়ামতের) ভয়ংকর ত্রাস থেকে সে নিরাপদ থাকবে; (৪) তাকে ঈমানের চাদর পরানো হবে; (৫) আয়তলোচনা হুরের সাথে তার বিবাহ দেয়া হবে এবং (৬) তার নিকট আত্মীয়দের মধ্য থেকে সত্তরজনের পক্ষে তাকে শাফা’আত করার অনুমতি দেয়া হবে। (ইবনে মাজাহ ২৭৯৯) ➜ আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ(ﷺ) বলেছেন, শহীদ ব্যক্তি নিহত হওয়ার কষ্ট পিপীলিকার কামড় অথবা চিমটি কাটার কষ্টের চাইতে বেশী অনুভব করবে না। (সুনানে নাসায়ী ৩১৬১) ✦ হত্যাকারীর শাস্তি: ➜ ’আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সবার আগে মানুষের মাঝে যে বিষয়ের ফায়সালা করা হবে তা হলো হত্যা। (বুখারী ৬৮৬৪) ➜ কিয়ামতের দিন হত্যাকারী তার মাথার সাথে নিহত ব্যক্তির মাথা লটকানো অবস্থায় উপস্থিত হবে। নিহত ব্যক্তি বলবে, হে প্রভু! তাকে জিজ্ঞেস করুন, সে কেন আমাকে হত্যা করেছে? (নাসায়ী ২৬২১) ➜ আর যে ইচ্ছাকৃত কোন মুমিনকে হত্যা করবে, তার প্রতিদান হচ্ছে জাহান্নাম, সেখানে সে স্থায়ী হবে। আর আল্লাহ তার উপর ক্রুদ্ধ হবেন, তাকে লা‘নত করবেন এবং তার জন্য বিশাল আযাব প্রস্তুত করে রাখবেন। (সূরা আন নিসা, আয়াত ৯৩) ➜ আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর নিকট পৃথিবী ধ্বংস হওয়াটা অধিকতর সহজ ব্যাপার একজন মুসলিম খুন হওয়ার পরিবর্তে। (তিরমিজি ১৩৯৫)

ওসমান হাদি আর বেঁচে নেই 😭 ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
ওসমান হাদি আর বেঁচে নেই 😭 ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

ওসমান হাদি এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। পরিবারের পক্ষ থেকে সিঙ্গাপুরেই অপারেশন করবার অনুমতি দেয়া হয়েছে। আপনারা দো
ওসমান হাদি এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। পরিবারের পক্ষ থেকে সিঙ্গাপুরেই অপারেশন করবার অনুমতি দেয়া হয়েছে। আপনারা দোয়া করুন আল্লাহ যেনো তাকে হায়াতে তাইয়্যেবাহ নসীব করেন।

ওসমান হাদী এর অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন, মৃত্যুর খবরটি গুজব। পরিবারের পক্ষ থেকে দেশ বাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন! ওসমান হাদী আর নেই 😭 আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস এর অধিবাসী হিসেবে কবুল করুন।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন! ওসমান হাদী আর নেই 😭 আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস এর অধিবাসী হিসেবে কবুল করুন।

যুদ্ধটি মূলত হয়েছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সঙ্গে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বাকি রেজিমেন্টগুলোর। শেষ ১৩ দিন
যুদ্ধটি মূলত হয়েছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সঙ্গে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বাকি রেজিমেন্টগুলোর। শেষ ১৩ দিনে ভারত ঢুকে সব কিছুর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। আত্মসমর্পণ করা হয় ভারতের কাছে। বন্দিবিনিময়ও হয় ভারতের মাধ্যমে। অফিসিয়াল সব ডকুমেন্ট থেকে বাংলাদেশ গায়েব হয়ে যায়। এমনকি বাংলাদেশের নিজস্ব কোনো সেনাবাহিনী থাকবে না—এমন চুক্তিও করা হয়। বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগও ভারতের মাধ্যমেই হতে হবে—এই শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়। এক কথায়, অফিসিয়ালি বাংলাদেশকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করে দেওয়া হয়। আর পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশকে ভারতের হাতে ছেড়ে দিয়ে চলে যায়। আমার বিশ্লেষণে এর মূল কারণ ছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনীর উন্নাসিকতা ও চরম অহংকার, আর ভারতের সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নিয়াজি যদি তার চেয়ে নিম্নপদস্থ, তারই সেনাবাহিনীর জেনারেল ওসমানির কাছে আত্মসমর্পণ করত, তাও আবার বাংগালী অফিসারের কাছে তাহলে তার ‘জাত চলে যেত’, ‘ইজ্জত শেষ হয়ে যেত’। এই ইগোর কারণেই মুনাফেক ও অহংকারী পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের ৭ কোটি মুসলমানের ভাগ্য ভারতের হিন্দুদের হাতে তুলে দেয়। তারা চাইলে জেনারেল ওসমানি ও মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে বসে তাদের হাতেই একটি স্বাধীন বাংলাদেশ দিয়ে যেতে পারত। তাহলে ভারতের কোনো আধিপত্য থাকত না। কিন্তু তা তারা করেনি। কত বড় নিকৃষ্ট, মুনাফিক ও নিমকহারাম এই পাকিস্তান সেনাবাহিনী! যে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় এই বাংলার মানুষের অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি, তাদের ন্যূনতম সম্মান ও স্বাধীনতার চিন্তাও তাদের মাথায় ছিল না। অন্যদিকে ভারত তো এই সুযোগেরই অপেক্ষায় ছিল। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ইগোই ভারতকে অফিসিয়ালি মুক্তিযুদ্ধের সব কৃতিত্ব নেওয়ার সুযোগ করে দেয় এবং বাংলাদেশে ভারতীয় সেনা থাকার বৈধতা তৈরি করে দেয়। মাত্র ১৩ দিন নামকাওয়াস্তে যুদ্ধ করে তারা পুরো একটি দেশ প্রায় ফ্রি ফ্রি পেয়ে যায়। অফিস-আদালত, ডিসি-এসপি—সবই ভারতের দখলে চলে যায়। মুক্তিযোদ্ধারা লড়াই থেকে ফিরে হতবাক হয়ে যান। তখন শুরু হয় নতুন লড়াই—ভারতের হাত থেকে বাংলাদেশকে উদ্ধার করার লড়াই। আর সেই লড়াইও মুক্তিযোদ্ধারাই করেছেন। কারণ তারা তো পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিক—যারা ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে ভারতকে নাকানি-চুবানি খাইয়েছিল। সুতরাং তাদের রক্তে ছিল ভারতবিদ্বেষ। ১৫ আগস্ট ও ৭ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধারাই ঘটিয়েছে। যতদিন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে পাকিস্তান আমলে কমিশনপ্রাপ্ত অফিসাররা নেতৃত্বে ছিলেন, ততদিন এই সেনাবাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। তারা ছিল ভারতের চোখের কাঁটা। মুজিববাহিনী গড়ে সেনাবাহিনীর বিপরীতে ভারতের গোলাম একটি প্যারালাল বাহিনী তৈরির পরিকল্পনাও ব্যর্থ হয়ে যায়। এরপর পিলখানায় সেনাবাহিনীর স্বাধীনচেতা অংশকে পরিকল্পিতভাবে নির্মূল করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের আগে ও পরে ঘটে যাওয়া অসংখ্য উত্থান-পতন নতুন করে জানা জরুরি। ‘চেতনা’র নামে ভারতের করদরাজ্য হওয়া যাবে না। বরং মুক্তিযোদ্ধাদের চেতনার ভেতরে যে ভারতের হাত থেকে আজাদ হওয়ার চিন্তাও প্রবলভাবে ছিল, সেটিও জানতে হবে। কারণ তারা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টেরই সদস্য ছিলেন। -আবদুল্লাহ বিন আবদুর রাজ্জাক

দাওয়াহ্ ডিজাইনার যারা আছেন, নাম বা ক্রেডিট নয় বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দাওয়াহ্ ডিজাইন কন্ট্রিবিউট করতে চান। তারা যুক্ত হ
দাওয়াহ্ ডিজাইনার যারা আছেন, নাম বা ক্রেডিট নয় বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দাওয়াহ্ ডিজাইন কন্ট্রিবিউট করতে চান। তারা যুক্ত হতে পারেন দ্বীনিলাইফ ডিজাইন কন্ট্রিবিউশন গ্রুপে। আপনার তৈরি করা ইসলামিক দাওয়াহ্ ডিজাইন ছড়িয়ে দিন পুরো অনলাইন ব্যাপী (ওয়েবসাইট, অ্যাপ, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, ইউটিউবসহ সকল ধরনের সোশ্যাল প্লাটফর্মে) এই সদকায়ে জারিয়া মূলক কর্মকান্ডে যুক্ত হতে চাইলে, বিস্তারিত পোস্টটি দেখুন: 🖥 t.me/deenelifecom/3736

আল কুরআন। আল্লাহ তাআলার কালাম। মহাপবিত্র ঐশী গ্রন্থ। সন্দেহ-সংশয়ের সম্পূর্ণ ঊর্ধ্বে যার অবস্থান। এর উৎপত্তিস্থল খোদ মহান স্রষ্টা। যার ওপর নির্ভর করে ইসলামের ভিত্তি। এ নির্ভুল গ্রন্থ কুরআনুল কারিমকে নিয়েও খোদাদ্রোহী সেকুলারদের অসাড় আপত্তির অন্ত নেই। আসলে আপত্তি তো নয়; সরলমনা মুসলিমদের বিভ্রান্ত করার একধরনের অপপ্রয়াস মাত্র। বিভিন্ন ধরনের দলিলকে বিকৃত করে তারা তাদের মিশন চালিয়ে যাচ্ছে এবং এভাবে ক্রমশ এজেন্ডা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে। আলিমকুল শিরোমণি আল্লামা শাহ আহমদ শফি (হাফিজাহুল্লাহ)-এর তত্ত্বাবধান ও নির্দেশনায় রচিত হয়েছে নাস্তিকদের কুরআন সংক্রান্ত আপত্তিগুলোর অসাধারণ দালিলিক পর্যালোচনামূলক গ্রন্থ ‘বিপ্রতীপ’। গ্রন্থটি রচনা করেছেন শাইখের একান্ত সান্নিধ্যপ্রাপ্ত তরুণ আলিম হাসান আনহার। আমরা আশাবাদী, বইটি সাধারণ পাঠক এবং আলেম উলামার জন্য খুবই উপকারী হবে। বিশেষ করে তরুণদের জন্য চিন্তার খোরাক হবে বলে আমাদের বিশ্বাস। ➡️ https://boimate.com/biprotip-pdf/

বিপ্রতীপ PDF বই – হাসান আনহার ডাউনলোড লিংক: https://boimate.com/biprotip-pdf/ t.me/boimatecom
বিপ্রতীপ PDF বই – হাসান আনহার ডাউনলোড লিংক: https://boimate.com/biprotip-pdf/ t.me/boimatecom

কুফরী কাজ করা আর কাফের হয়ে যাওয়া এক জিনিস নয়। অনেক সময় এমন হতে পারে যে,কেউ কুফরী কাজ করেছে,কিন্তু সে এর দরুন কাফের হয়ে যায়নি। কারণ,শরীয়তে এমন কয়েকটি বিষয় আছে,যা বিদ্যমান থাকাবস্থায় কেউ কুফরী কাজ করা সত্ত্বেও কাফের হয় না। এ বিষয়ে শরীয়তের বিশেষ কিছু মূলনীতি রয়েছে। সুতরাং কাউকে কাফের বলতে হলে প্রথমত কোন কোন কাজ কুফরী সেটা জানা থাকতে হবে পাশাপাশি কোন কোন কারণে কুফরী করা সত্ত্বেও ব্যক্তি কাফের হয় না সেটাও জানা থাকতে হবে। এছাড়াও এতে আরো অনেক বিষয় আছে,যা একমাত্র বিজ্ঞ আলেমরাই জানেন। তাকফীরের ব্যাপারে আমাদের বাংলা ভাষায় প্রামাণ্য ও বিস্তারিতাকারে কোনো বই বা রচনা না থাকায় অনেকের ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও এ ব্যাপারে কিছু জানতে পারে না। এমনকি অনেক সাধারণ আলেমদের জন্যও আরবী বই থেকে পূর্ণ ধারণা নেয়া কষ্টকর হওয়ায় তাদেরও এ বিষয়ে তেমন কোনো পড়াশোনা বা অধ্যয়ন নেই। এ সকল বিষয়কে সামনে রেখে আমরা কুরআন-হাদীস ও শরীয়াহর মূলনীতির আলোকে এ বইটি রচনা করতে উদ্যেগী হয়েছি। এতে তেরোটি মূলনীতি উল্লেখ করে প্রত্যেকটি মূলনীতির আলোচনায় আরো অনেক বিষয় সংযোজন করে দিয়েছি। প্রতিটি বিষয়কে কুরআন ও হাদীসের আলোকে প্রামাণ্য করে উপস্থাপন করেছি। এটা অধ্যয়ন করলে আমাদের সমাজে ব্যাপকভাবে তাকফীরের যে প্রচলন আছে তা কিছুটা হলেও কমে আসবে আশা করা যায়। আর তাকফীরের অভ্যাস থেকে মুক্ত হতে পারলে আমাদের পরস্পরে মতভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও আমরা মুসলিমরা কাছাকাছি হতে পারবো। আমাদের একতা বৃদ্ধি পাবে। সর্বোপরি মুসলিম জাহানের উপকার হবে। আমাদের এ বই রচনার উদ্দেশ্য এ নয় যে, এটা পড়ে আমরা নিজেরাই তাকফীর শুরু করে দিবো। বরং এর উদ্দেশ্য হলো, তাকফীরের ব্যাপারে আমাদের অজ্ঞতাগুলো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়া এবং এ ব্যাপারে আমাদের সমাজে যে প্রান্তিকতার খেলা চলছে তার অসারতা অনুধাবন করতে সাহায্য করা,পাশাপাশি এ ব্যাপারে শরীয়তে যে ধমকি আসছে তা প্রসার করে এ থেকে নিবৃত্ত থাকার আহবান জানানো। তাকফীর করা তো বিজ্ঞ আলেমদের কাজ,তা নিয়ে আমাদের মাথা ঘামানোর না কোনো প্রয়োজন আছে আর না কোনো অবকাশ আছে। হ্যাঁ, কারো কুফরী যদি সুস্পষ্ট ও প্রসিদ্ধ হয় কিংবা তার কাফের হওয়ার ব্যাপারে হক্কানী উলামায়ে কিরামের ঐক্যমত রয়েছে, সেক্ষেত্রে অবশ্য চুপ থাকার অবকাশ নেই। বরং এক্ষেত্রে তাকে কাফের বলাটাই ঈমানের দাবি; যদিও সে নিজেকে মুসলিম বলে দাবি করুক। – লেখক ➡️ https://boimate.com/takfirer-mulniti-pdf/

তাকফীরের মূলনীতি PDF বই – মুফতি তারেকুজ্জামান ডাউনলোড লিংক: https://boimate.com/takfirer-mulniti-pdf/ t.me/boimatecom
তাকফীরের মূলনীতি PDF বই – মুফতি তারেকুজ্জামান ডাউনলোড লিংক: https://boimate.com/takfirer-mulniti-pdf/ t.me/boimatecom

আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রা.) থেকে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন একজন মুসলিম ব্যক্তির হত্যার
আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রা.) থেকে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ
কোন একজন মুসলিম ব্যক্তির হত্যার তুলনায় দুনিয়া ধ্বংস হয়ে যাওয়াও আল্লাহর নিকট অধিকতর সহজ।
• জামে' আত-তিরমিজি | ১৩৯৫

Repost from N/a
🌙 আলহামদুলিল্লাহ! এখন কুরআন পড়া ও বোঝা আরও সহজ। 😀 📖 সম্পূর্ণ নতুন ও আধুনিক ইন্টারফেসের আল-কুরআন ওয়েবসাইট – quranbn.com 🤔
🌙 আলহামদুলিল্লাহ! এখন কুরআন পড়া ও বোঝা আরও সহজ। 😀 📖 সম্পূর্ণ নতুন ও আধুনিক ইন্টারফেসের আল-কুরআন ওয়েবসাইট – quranbn.com 🤔 কেন এই ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করবেন? 🔜শব্দে শব্দে অর্থ: আরবি শেখার জন্য প্রতিটি শব্দের নিচে বাংলা অর্থ ও উচ্চারণ। 🔜শব্দে শব্দে কুরআন হাইলাইট: প্রতিটি শব্দ হাইলাইট হয়ে হয়ে অডিও এর সাথে মিলে প্লে হবে। 🔜জনপ্রিয় তাফসীর: ইবনে কাসীর, ফাতহুল মাজীদ, আহসানুল বায়ান এবং আরও অনেক। 🔜অডিও তিলাওয়াত: মিশারি আল-আফাসি, সুদাইস সহ বিশ্বসেরা ক্বারীগণের তিলাওয়াত শোনার ব্যবস্থা। 🔜মাল্টিপল অনুবাদ: মুফতি তাকি উসমানী, বায়ান ফাউন্ডেশন, এবং আরও অনেকের অনুবাদ। 🔜 ডার্ক মোড ও থিম: চোখের আরামের জন্য মিডনাইট, ফরেস্ট, গোল্ডেন সহ একাধিক থিম। 🔜আয়াতের ছবি শেয়ার: যেকোনো আয়াতের আকর্ষণীয় ইমেজ তৈরি করে ডাউনলোড করার সুবিধা। 🔜অ্যাপ: Android, IOS, Windows যেকোনো ডিভাইসে অ্যাপ ইন্সটল সুবিধা। 👆এখনই ভিজিট করুন: https://quranbn.com

এন্ট্রি পয়েন্ট আছে, বাট কোন এক্সিট পয়েন্ট নাই। তার মানে বুলেট ব্রেনের ভিতরে৷ সিটি স্ক্যান দেখলাম - আর্টিফ্যাক্ট আছে। অন অ্যার
এন্ট্রি পয়েন্ট আছে, বাট কোন এক্সিট পয়েন্ট নাই। তার মানে বুলেট ব্রেনের ভিতরে৷ সিটি স্ক্যান দেখলাম - আর্টিফ্যাক্ট আছে। অন অ্যারাইভাল, কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট সারভাইভ করছে। এখন, ব্রেন ডেথের সব ফিচার আছে - তবু ডাক্তাররা একটা ডেস্পারেট এটেমপ্ট হিসাবে ক্রেনিয়েকটমি(ব্রেনের খুলি খুলে রাখা) করছেন। তবে, চান্স নাই বললেই চলে। জুলাইতে এ ধরনের কিছু পেসেন্ট পেয়েছিলাম। আফসোস! জুলাই শেষ হলেও জুলাইযোদ্ধাদের ব্রেনে বুলেট ঢোকা বন্ধ হয়নি। রাজনৈতিক মতলববাজির বাইরে একমাত্র হাদিই ছিলো জুলায়ের আপোষহীন কণ্ঠস্বর। হাদিকে জুলাই না দেবার খেসারত জীবন দিয়েই দিতে হলো। You will be remembered. Still praying for a miracle that usually doesn’t happen. -Dr. Mehedi Hasan

মৃত্যু নিয়ে ২ দিন আগে যা বলেছিলেন উসমান হাদি!

Pray for Usman Hadi 😭 দোয়া কবুলের সময় চলতেছে!
Pray for Usman Hadi 😭 দোয়া কবুলের সময় চলতেছে!

ঐতিহাসিক ‘হুদাইবিয়ার সন্ধি’—কুরআনুল কারিমে যাকে আখ্যা দেওয়া হয়েছে ‘সুস্পষ্ট বিজয়’ নামে। একটি প্রতিষ্ঠিত জোট, সমাজ, রাষ্ট্র ও জীবনব্যবস্থার মোকাবিলায় সত্যের ঝান্ডা নিয়ে মদিনায় জন্ম নেওয়া ছোট্ট ও নবীন ইসলামী রাষ্ট্রের আত্মপরিচয়ের ঐতিহাসিক দলিল। সত্যই সুস্পষ্ট বিজয়। মিথ্যার সাথে সত্যের দ্বন্দ্ব। মিথ্যার সামনে সত্যানুসারীদের সিনা টান করে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা। তবে এর সাময়িক শান্তিচুক্তির ধারা যুগ যুগ ধরে নিজেদের পরাজিত ও আপসকামী মানসিকতার দলিল হিসেবে ব্যবহার করে আসছে বাতিলের সাথে আপসকামীরা। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দ্বীনের খণ্ডিত বয়ান নিয়ে হাজির হওয়া, দ্বীনকে কাটছাঁট করে উপস্থাপন, বাতিলের পছন্দসই পন্থায় ইসলামকে চিত্রায়ণ—আজকাল এমন নানা উপায়ে পরাজিত মানসিকতা ও আপসকামিতার মানহাজকে বৈধপ্রমাণে করা হচ্ছে বিভিন্ন কসরত। তাই এ ঐতিহাসিক সন্ধির হাকিকত নিয়ে ব্যাখ্যামূলক স্বতন্ত্র রচনার যেন একান্তই প্রয়োজন ছিল। আর এ বইটি সেই প্রয়োজন পূরণেরই একটি ছোট্ট প্রয়াস। বইটি মূলত শাইখ আহমাদ মূসা জিবরীলের লেকচার সিরিজ ‘The Treaty of Hudaybiyyah : Falsehood vs Facts’-এর গ্রন্থিত রূপ। ➡️ https://boimate.com/hudaibiar-sondhi-pdf/