es
Feedback
DMC Content

DMC Content

Ir al canal en Telegram

আসসালামু আলাইকুম ভাইয়া আপুরা আমাদের সবকিছু একসাথে যুক্ত হয়ে যাও এক ক্লিকে https://t.me/addlist/kO8bXffpLS4xNTZl

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram DMC Content

El canal DMC Content (@dmccontent) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 433 suscriptores, ocupando la posición 18 333 en la categoría Educación y el puesto 1 513 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 433 suscriptores.

Según los últimos datos del 15 julio, 2025, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de -235, y en las últimas 24 horas de 0, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 0%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener N/A% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 0 visualizaciones. En el primer día suele acumular 0 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 0.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
আসসালামু আলাইকুম ভাইয়া আপুরা আমাদের সবকিছু একসাথে যুক্ত হয়ে যাও এক ক্লিকে https://t.me/addlist/kO8bXffpLS4xNTZl

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 16 julio, 2025), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Educación.

11 433
Suscriptores
Sin datos24 horas
-537 días
-23530 días
Archivo de publicaciones
আমাদের মেডিকেলের ভাইভাটা যতটা না পড়াশোনার উপর তারচেয়ে বেশি ভাগ্যের উপর নির্ভর করে। আমার এক জুনিয়র প্রসেনজিত একদিন বললো ভাই আমি আমার প্রতিটা প্রফের ভাইভার আগে পড়াশোনা কম করতাম মন্দিরে মন্দিরে ঘুড়ে বেড়াইতাম বেশি। কারণ ভাই আমি জানি খুব বেশি পড়লেও ভাগ্য খারাপ থাকলে সিলি বিষয়ের উপর ই স্যার ম্যাম ফেইল করাবেই। নিজের জীবন থেকে নেয়া কিছু কথা না বললেই নয়😐 কিছু কিছু স্যার ম্যাম আছে যারা আসলেই অমায়িক হন ওনার টিচিং লাইফ এ। এনাটমির যে ম্যাম সারাবছর আমাদের দৌড়ের উপর রাখতো সেই ম্যামের সামনে যখন পারতেছিলাম না , ম্যাম এক্সটার্নাল কে এমন ভাবে কনভিন্স করলো যে, স্যার ও প্রতিদিন সামনের সারিতে বসে ক্লাস করেছে, আজকে ক্যান জানি পারতেছে না স্যার, ও মনে হয় সকাল বেলা কিছু খেয়ে আসে নাই। পরে কিছু সহজ কোশ্চেন ধরে ছেড়ে দিলো। আর কিছু কিছু স্যার ম্যাম আছে একটু বদমেজাজি হন ( বিনয়ের সাথে)। প্যাথলজিতে ভাইভা দিতে গেছি, ৩/৪ জনের ভাইভা শেষ হলে ম্যাম আইসা আমাদের বলে গেল তোমরা কি আজকে রাগ করে পরীক্ষা দিতে আসছো? আমরা বললাম না তো ম্যাম। ম্যাম বললো, যে কয়টার ভাইভা নিলাম সব কয়টা মনে হয় রাগ করে আসছে । তোমরা যারা এখনো ভাইভা দেও নাই তোমরা হাসি মুখে ভাইভা দিবা। যেই ভাবা সেই কাজ। আমার আগের জন গেলো ভাইভা দিতে সে কান্নাকাটি করে বের হয়ে আসলো। আমি যখন ঢুকলাম হাসিখুসি মুখ নিয়ে। কার্ডের প্রথম দু তিনটা প্রশ্ন পারি নাই। ম্যাম দিলো ঝাড়া, তোমার লজ্জা করে না, পারো না কিছু আবার হাসো যাও এখান থেকে, আমাকে রুম থেকে বের করে দিলো 🙂 সেইম সাবজেক্ট ৬ মাস পড়ে যখন দিতে গেলাম ম্যাম দেখেই বললো আরে তোমাদের কে তো এবার পাশ করাবো। আমার কথা হইল পাশ যদি করাবেন ই আগের বার আপনার কথা মত হাসি মুখে ভাইভা দিতে যেয়ে ধরাটা খাওয়াইলেন ক্যান।। সার্জারী তে ভাইভা দিতে গেছি। ম্যাম জিগাইলো বাবা তুমি ক্লাস করেছো সব গুলো- আমি বললাম জি ম্যাম। ম্যাম কইলো না বাবা তোমাকে আমি সার্জারী ডিপার্টমেন্ট এ দেখিই নাই। পাশ থেকে এক স্যার বলে উঠলো ম্যাম আমিও ওরে দেখি নাই। ভাইভার টেবিলে যদি এইভাবে বলে তাইলে আমার অবস্থা কি 🙂 আবার কিছু পোলাপান আছে না পইড়াও পাশ করতে চায়। এক ভাই মেডিসিন এ ভাইভা দিতে গেছে না পইড়া। স্যার কয়েকটা কোশ্চেন জিগ্যেস করছে ২/১ টা পারছে সেই ভাই। স্যার জিগাইছে বাবা তুমি ই বলো পাশ করবা না ফেইল করবা? ভাই বলছে স্যার পাশ ফেইল তো আল্লাহর হাতে 🙂 এইজন্য সবসময় একটাই কথা বলি পড়াশোনা যেমন লাগবে ঠিক ভাগ্য ও লাগবে। ভাগ্য না থাকলে যতই পড় না কেন লাভ নাই। পড়াশোনার পাশাপাশি ভাগ্যের জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে চাইতে হবে। তোমার পরিশ্রম যদি ঠিক থাকে সৃষ্টি কর্তা চাইলে ভাগ্য পরিবর্তন করে দিবেন। এজন্য উপাসনালয়ে ঘুরতে হবে, চাইতে হবে উনার কাছে।❤️

কানে ব্যাথার এক সম্মানিত রোগী কানে সাপোজিটরি দিয়ে আসছে। 😃 রোগীর ভাষ্যমতে, ফার্মেসির দোকানদার তাকে দিয়েছে। কোথায় দিতে হবে বলে
কানে ব্যাথার এক সম্মানিত রোগী কানে সাপোজিটরি দিয়ে আসছে। 😃 রোগীর ভাষ্যমতে, ফার্মেসির দোকানদার তাকে দিয়েছে। কোথায় দিতে হবে বলে দেয়নি। 😑 যেহেতু কানে ব্যাথা,আর জিনিসটাও কানের ফুটার মত সাইজের,কানেই দিয়ে দিয়েছেন। 🫠 এদেশে ডাক্তারি করা আসলেই মজার! 🤭 Copied

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া ডিগ্রি কলেজের সম্পূর্ণ সীট প্ল্যান
+3
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া ডিগ্রি কলেজের সম্পূর্ণ সীট প্ল্যান

সিট প্ল্যান কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ
সিট প্ল্যান কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ

১০ বছর বয়সী এক ছেলে লুঙ্গি পরে খানিকটা খুড়িয়ে খুড়িয়ে Emergency OT তে এলো, ডক্টর ইশারা করলেন এসিস্ট করার জন্য। কেস শুনে তব্দা খেয়ে গেলাম, anal canal এ foreign object introduce করানোর চেষ্টায় ব্লিডিং হয়েছে, ডক্টর এখন DRE করবেন। আমার কাজ হলো পা বুকের কাছে ভাঁজ করে খিঁচে ধরে রাখা যাতে লুব্রিকেন্ট সমেত ডাক্তারের আঙুল জায়গামত যায়। আমি খিঁচে ধরলাম ঠিকই, সাথে ঘটনা কি জানার চেষ্টা তদবিরও করলাম।পোলায় কিছুই বলবে না! একবার বলে পিপড়ে পোকায় কামড়িয়েছে, আরেকবার বলে বাথরুমের সময় জোরে প্রেশার দিতে গিয়ে রক্ত এসেছে।খানিক পরে বলে বাথরুমে বসার সময় হুট করে ব্রাশ ঢুকে গেছে। এই কথা শুনে রেগে সিনিয়র ভাই বললেন, ”বাথরুমে ব্রাশ কি হো*গা বরাবর রেখে বসিস যে ভেতরে ঢুকবে! কি করেছিস বল!” পোলায় কান্দে মাগার কিছুই বলে না। পোলার শেষ জবানবন্দি ছিল এই, “কয়েকদিন ধরে ভয়ানক কোষ্ঠকাঠিন্য তার, সর্বশক্তি দিয়ে চাপ দিয়েও বাথরুম ক্লিয়ার হয় না। আঙুলে ঢুকিয়ে কূল পায়নি বলে শেষে বাথরুম পরিষ্কারের ব্রাশের হ্যান্ডেল দিয়ে রবিনহুডের মতো গর্ত খোঁচাতে গিয়ে রক্ত চলে এসেছে” কেস শুনে খুব একটা ভাবান্তর হলোনা,মেডিকেলে আসার পর আশ্চর্য হওয়া,ঘেন্না লাগা ব্যাপারগুলো চুলোয় গেছে।l এই ছেলের সর্বশেষ ব্যাখাও পুরোপুরি বিশ্বাসযোগ্য লাগেনি আমার কাছে, এর থেকে বসতে গিয়ে ব্রাশ ঢুকে গেছে বেশি বিশ্বাসযোগ্য। #Emergency_Days Day 02

ইমার্জেন্সি তে ছিলাম রাত ১০ টা থেকে ভোর ৪ টা অব্দি, উল্লেখযোগ্য কেস: ১. আট বছর বয়সী ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার পোলা গাছ থেকে পড়ে অন্ডকোষ ছিড়ে ঝুলিয়ে নিয়ে এসেছে, লিডোকেইন ইনজেকশন দেয়ার সময় “ম বর্গীয়” “চ বর্গীয়” সমস্ত গালাগাল করে ইমার্জেন্সি মাথায় তুলল। ২. গৃহবধূ স্বামীর প্রতি অভিমানে বাম হাতের সমস্ত টেন্ডন কেটে ফালাফালা করেছেন, সেলাই দেয়ার সময় আমাকে বলছেন “একটু আস্তে সেলাই দেন,লাগছে” ৩. নারায়ণগঞ্জের পুরো এক গ্রামের লোক বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রতিপক্ষের কোপ খেয়ে এসেছেন, মাংসের পিস ছোট ছিল থেকে গণ্ডগোলের সূচনা বলে জানা গেছে। ৪. এলকোহলে পিনিকে থাকা যুবক পায়ের টেন্ডন অফ একিলিস ছিড়ে এসেছেন, পিনিকেই ছিলেন পুরো সময়। চারদিক সেলাই দেখতে দেখতে বলছেন “সেই মামা সেই।” ৫. গাঁজা খেয়ে ৭ তলা থেকে লাফ দিলে কেমন লাগে টেস্ট করা এক ভদ্রলোক মুখের আর মাথার ক্ষত নিয়ে এসেছেন। ৬. ফুটবল খেলতে গিয়ে গন্ডগোল হওয়ায় পায়ে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাত নিয়ে উপস্থিত তামিম, যাওয়ার সময় বাড্ডায় গেলে চিতই পিঠা খাওয়াবে কথা দিয়েছে। ৭. Sodomy এর সুযোগ না পেয়ে পানির বোতল anus এ ঢুকিয়ে perineal injury নিয়ে এসেছেন এক ভদ্রলোক, পানির বোতলের ছিপি আটকে গেছে, সেটা সহ লজ্জায় প্যান্ট পরে আছেন। জীবনে আনন্দের ভাটা পড়েছিল, হাসপাতাল যে মানজীবনের করুণ রঙ্গমঞ্চ সেটা আজকে না গেলে বুঝতামই না। #Emergency_Days Day 01

কিছুক্ষণ আগে কবি হেলাল হাফিজ মারা গেছেন নিঃসঙ্গ অবস্থায়। মরে ওয়াশরুমে পড়েছিলেন। এই নিঃসঙ্গ মৃত্যুটা এক হিসেবে উনারই চয়েজ
কিছুক্ষণ আগে কবি হেলাল হাফিজ মারা গেছেন নিঃসঙ্গ অবস্থায়। মরে ওয়াশরুমে পড়েছিলেন। এই নিঃসঙ্গ মৃত্যুটা এক হিসেবে উনারই চয়েজ ছিলো। সেই যে হেলেনকে ভালোবাসলেন। আর কাউকে ভালো বাসতে পারলেন না। এতো নেইম, এতো ফেইম, এতো জনপ্রিয়তা, অথচ কাউকেই আর আপন করতে পারলেন না। বিদায়, প্রেমের কবি, দ্রোহের কবি, হেলাল হাফিজ। এপারে যে অসম্ভব প্রেমের গদ্য লিখে গেলেন, আল্লাহ আপনাকে ওপারের জীবনে সেই প্রেম যেন দান করেন। আপনার নিঃসঙ্গ জীবন আপনার ভালোবাসার সাক্ষী। আপনার এই জীবন আমাদের শেখালো, এই নকলের যুগেও কাউকে কত তীব্রভাবে ভালোবাসা যায়। আর আপনার এই নিঃসঙ্গ মৃত্যু আমাদের শিখিয়ে গেল, তুমুল ভালোবাসা মানুষকে নক্ষত্রের চেয়েও নিঃসঙ্গ বানাইয়া দেয়!! - সাদিকুর রহমান খান

মহাখালী রেলগেটে উপকূল এক্সপ্রেস কে আটকিয়ে হামলা চালিয়েছে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা। রেলপথ অবরোধ করে রেখেছে। আপাতত ঢাকার সাথ
+3
মহাখালী রেলগেটে উপকূল এক্সপ্রেস কে আটকিয়ে হামলা চালিয়েছে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা। রেলপথ অবরোধ করে রেখেছে। আপাতত ঢাকার সাথে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ। ধিক্কার এসব বিকৃত মননের শিক্ষার্থীদের প্রতি। বিশ্ববিদ্যালয় চাওয়ার ধরণ কী এটা?

আসসালামু আলাইকুম আমাদের সবগুলো চ্যানেল একসাথে https://t.me/addlist/rbV3uLb12QNjZTA1

হবে, সকাল ছাড়া যা সম্ভব না। এই গভীর বৃষ্টিময় রাতে জীবন সংকটাপন্ন রোগীকে নিয়ে হিমসিম খাওয়ার অবস্থা আমার। প্রাথমিক ভাবে ম্যানেজ করার জন্য রক্ত দরকার, এটা জানালাম রোগীর লোকদের। তখন সবাই চুপ। কেউ কেউ কেটে পড়ার জন্য পাশে সরে গেল। কিছুক্ষন পর রোগীর লোক জানালো, তারা রক্ত জোগাড় করতে পারবে না, যা হয় হবে! তাদের অনেক বুঝানোর চেষ্টা করলাম, কিন্তু লাভ হল না। স্যালাইন দিয়ে রোগী রেফার করে দিলাম, সদরে নিয়ে যেতে বললাম তাড়াতাড়ি, তারা তাও নিয়ে যাবে না! চেষ্টা যা করার সব করলাম, কিন্তু কাজ হল না, রক্ত বন্ধ হল না, ভোরের আলো ফোটার আগেই মাটিতে ঝরে পড়লো শুকনো বেলি ফুল, বেদনাদায়ক মৃত্যু হল বিবাহিত ধর্ষিত মেয়েটির! লাশ নিতে আসা লোকগুলোর কেউ কেউ তখন বলাবলি করছিলো, অসুইখ্যা মাইয়া বিয়া দিছিলো, বিয়ার রাইতে মইররা গেছে...!!! 'উপরের লেখাটা প্রায় দু বছর আগে লেখা। ইতোমধ্যে অনেকেই পড়েছেন, অনেকগুলো অনলাইন নিউজ ফেসবুক থেকে সংগৃহীত লিখে প্রকাশ করেছে! আজ একটা ডকুমেন্টারি দেখছিলাম। মধ্যপ্র‍্যাচ্যের একটি দেশে খুব অল্প বয়সেই মেয়েদের বিয়ে দেয়া হয়, বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারে, যারা মনে করে বিয়ে দিলেই একটা বোঝা কমলো। তবে সেখানে নিয়ম আছে বয়সের পরিপক্কতার আগে শারীরিক সম্পর্ক নয়। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটা মানা হয় না। গল্পটা ছিল এক ছোট্ট মেয়ের, বয়স ১১ কি ১২, যার বিয়ে হয় তার চেয়ে চার গুন বয়সের এক লোকের সাথে। বিয়ের পরবর্তী রাতে মেয়েটি লোকটির আচরণে প্রচন্ড ভয় পায়। স্বামীর বাড়ি থেকে পালিয়ে উঠে পড়ে গাড়িতে, সোজা এসে নামে কোর্টে। জাজের কাছে হাঁপাতে হাঁপাতে খুলে বলে সব। জাজও বেশ মনযোগ দিয়ে সব শোনেন। বিষয়টা তার কাছে উদ্বগজনক মনে হয়। তিনি গুরুত্বের সাথে আমলে নেন। এরকম কোন অভিযোগ তার কাছে এটাই প্রথম। তিনি ডিভোর্স করিয়ে দেন। পরে ছোট্ট মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করা হয়, 'তোমার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি, বিয়ে নিয়ে কোন চিন্তা?' উত্তরে মেয়েটি বলে, 'পরিকল্পনা অনেক। কিন্তু কখনোই আর বিয়ে করবো না।' যে মেন্টাল ট্রমার মধ্য দিয়ে ওকে যেতে হয়েছে তাতে এটাই স্বাভাবিক। এইতো সেদিন এক গর্ভবতী মহিলা এলেন, মহিলা না বলে মেয়ে বলা ভাল। দেখে মনে হল বয়স বেশ কম। জিজ্ঞেস করতে বললো ১৬! সাথে একটা ১.৫ বছরের শিশু, আরো একজন আগমনের পথে! এমন ঘটনা আমাদের দেশেও অহরহ ঘটছে। আমাদের গাঁও গ্রামের এ মেয়েগুলো নিতান্তই গরীব, পেটের দায়ে পিঠে সয়ে নেয় সব। কিন্তু অনেকেই ভোগে জটিলতায়, মানসিক, শারীরিক, আর গর্ভকালীন জটিলতা তো আছেই। শুদ্ধ হোক সমাজ, মুক্তি পাক ছোট মুখগুলো... #গাঁও_গ্রামের_গল্প

রাত ২ টা ৩০। বিরামহীন ডিউটির ফাঁকে একটুখানি বিশ্রাম নিতে ঘুম চোখে রুমে এসে শুয়ে পড়ি। চোখ বন্ধ করেছি অল্প কিছুক্ষণ হবে, হঠাৎ ইমার্জেন্সি ফোনের রিংটোনটা কানে আসে! প্রথমে মনে করছিলাম 'অডিটরি হ্যালুসিনেশন! কিন্তু না, আবারো ওই বিরক্তিকর শব্দটা বাজা শুরু করলো, এবার বেশ জোরে সোরেই। ফোনটা মাথার কাছে বালিশের নিচেই ছিলো। অন্ধকারে হাতরে হাতরে ফোনটা হাতে নিয়ে দেখি ইমার্জেন্সি রুম থেকে কল। চোখের পাতার তন্দ্রা তাড়িয়ে ধড়ফড়িয়ে বিছানায় উঠে বসি। ইদানিং এই ফোনটা বাজলেই আমার কেমন জানি পালপিটেশন শুরু হয়! বাইরে আবহাওয়া বেশ খারাপ, ক্ষণে ক্ষণে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে সাথে বৃষ্টি। এমন অবস্থায় আমাদের এখানে কখনোই ইলেক্ট্রিসিটি থাকে না, বরাবরের মত আজও নেই, চারপাশে মধ্যরাতের ঘুটঘুটে অন্ধকার। মোবাইলের আলোতে টর্চটা হাতে নিলাম, কিন্তু ছাতাটা খুঁজে পেলাম না। তখনি মনে পড়লো ভুলে হাসপাতালে রেখে আসছি। রাস্তায় গোড়ালি সমান পানি, ট্রাউজারটা হাটু পর্যন্ত তুলে - দিলাম দৌড়। এক দৌড়ে হসপিটাল। হাপাতে হাপাতে ইমারজেন্সিতে এসে চমকে যাওয়ার মত অবস্থা। সোলারের অল্প আলোতে কাছে গিয়ে দেখি অল্প বয়সী মেয়ে রোগী, পড়নের কাপড় রক্তে ভেজা। মুখের রঙ ফ্যাকাসে, গায়ের শ্যামলা রঙ ধবধবে ফর্সা হয়ে গেছে! পড়নের কাপড় দেখে বুঝলাম নতুন বিয়ে বোধ হয়। ইতোমধ্যে মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট রোগীর নামধাম সব ভর্তির কাগজে লিখে ফেলছে। হিষ্ট্রি নেয়া শুরু করলাম, জানতে চাইলাম কি হইছে? রোগীর সাথে সদ্য বিবাহিত জামাই, জা এবং আরও দুই একজন আত্মীয়স্বজন এসেছে। আমাকে দেখেই রোগীর বর চোরের মত রুম থেকে বের হয়ে গেল। 'রোগীর কি হইছে?' আমার এ প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে, রোগীর সাথের মহিলা ভীষণ তেজের সাথে বলল, “ডাক্তার হইছেন, বোঝেন না ক্যান, সব'ই কি মোগো কওয়োন লাগবো!” আমি আর কথা বাড়ালাম না, নতুন জায়গা, এলাকা ভাল না, আর মানুষগুলো! কয়েক হালি মারামারির পেশেন্ট এ হাসপাতালে প্রতিদিন ই আসে! “লিলাবালি লিলাবালি, বর ও যুবতি সই গো, কি দিয়া সাজাইমু তোরে..." গাছের মাথায় মাইকে একটার পর একটা বিয়ের গান বেজে চলছে। বিয়ে বাড়িতে সবাই ব্যস্ত। বর পক্ষের যারা এসেছে, কথা বার্তায় আভিজাত্য আর ব্যক্তিত্ব দেখানোর চেষ্টায় ব্যস্ত তারা। দর কষাকষির পরে কনেপক্ষ থেকে যৌতুকের যে হিসেবে পাওয়া গেছে, তা নেহাত কম নয়। কিন্তু কম হয়ে গেছে কনের বয়স। বাচ্চা মেয়ে, নাম বেলি, সদ্য ফোঁটা বেলি ফুল। বয়স সবেমাত্র ১৪ পেরিয়ে ১৫ তে গিয়ে পড়ছে। মেয়ের বাবাও মোটামুটি ভাবে বিয়ের শাড়িতে মেয়েকে বিদায় দিতে পেরে বেজায় খুশি। কারন অর্থনৈতিক সংকটে বিপর্যস্ত বাবা-মা একটি পেটের অন্ন যোগানোর হাত থেকে তো রেহাই পাবে! শত হলেও মেয়ে, বিদায় তো দিতেই হবে। ক্লাস এইট পর্যন্ত মেয়েকে পড়িয়েছেন,এটাই বা কম কিসে! তাছাড়া, শোনা যাচ্ছে ছেলেও নাকি ভাল। ট্রাক গাড়ি চালায়, বেশ আয় ইনকামও করে। বিয়ে বাড়ির উঠানে বসে পান চিবাতে চিবাতে ছেলের মামা মেয়ের বাবাকে বলছে, ‘এমন ছেলে কোথায় পাবেন মিয়া? তাছাড়া, শত হলে ছেলে মানুষ, ওগো এট্টু দোষত্রুটি থাকবেই, এতে কোন সমস্যা নাই, বিয়ের পর সব ঠিক হইয়া যাইবো!’ বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ, বরপক্ষ ঘটা করে মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে এল। যে মেয়েটি সবে মাত্র জীবনের সংজ্ঞা শিখতে শুরু করেছে, শৈশব থেকে কৈশোরে পা রাখতে যাচ্ছে, কিছু বুঝে ওঠার আগেই আজ তার বাসর রাত। পুরুষতান্ত্রিক এ সমাজে আজ তার সতীত্ব যাচাই করার উৎসব হবে। বিয়ে, সে তো একটি ধর্মীয় সামাজিক বৈধতা মাত্র। এ সমাজ আজ অনেক এগিয়েছে ঠিকই, কিন্তু এখনো অনেক ক্ষেত্রে বিয়ের সময় মেয়ের মতামতটাকে গৌন হিসেবেই ধরা হয়। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে দরিদ্র পরিবারগুলোতে মেয়েদের মতামত নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেন না তাদের বাবা-মা। পরিবারের অভিভাবকদের ধমকে মেয়েরা বিয়েতে রাজি হয়, শৈশবের মুক্ত বিহঙ্গকে জবাই করা হয় বিয়ে নামক আনুষ্ঠানিকতায়, একে ধর্ষন না বলে তো উপায় নেই! বেলির ইচ্ছে করছে, চিৎকার করে কাঁদতে। কিন্তু বাসর ঘরে চিৎকার করা উচিত নয়, এতটুকু সে বুঝতে শিখেছে। হাত পা ছুড়ে বরের লালসার যজ্ঞ থেকে বেরিয়ে আসার মিথ্যে চেষ্টা করছে সে। সমাজ বিধীত বর যখন আদিম পশুত্ব থেকে বাস্তবে ফিরে আসে, ততক্ষণে বেলি রক্তে ভেজা! তখনও ফিনকির মত রক্ত যাচ্ছে, ক্রমান্বয়ে সাদা ফাক্যাসে হয়ে আসছে হলুদ রাঙা কচি মুখখানি! সারাদিন ধরে এভাবেই চলে রক্তক্ষরণ! শেষ সন্ধ্যায় শশুর বাড়ির লোকজন যখন দেখে বেলির অবস্থা বেশি খারাপ, তখন তাদের হুশ হয়, পিঠ বাঁচাতে তারা তড়িঘড়ি করে তখন হাসপাতালের দিকে রওনা হয়! বেলিকে আনুষঙ্গিক চিকিৎসা দিয়ে ভর্তির অর্ডার দিলাম। সে এখনও হাসপাতালের বেডে অচেতন হয়ে পড়ে আছে। তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন কানাকানি করে কথা বলছে, ব্যাঙ্গাত্তক হাসি তামাশা করছে। যেন সব দোষ মেয়েটারই! নার্সকে সাথে নিয়ে বেলিকে পরীক্ষা করলাম। ভয়াবহ রকমের পেরিনিয়াল টিয়ার, লেবিয়া আর তার আশপাশ ছিড়ে একাকার, তখনও রক্ত যাচ্ছে প্রচুর। পালস প্রেশার দেখলাম, খুবই কম! জরুরি ভিক্তিতে রোগীকে রক্ত দিতে হবে। ইমার্জেন্সি অপারেশন করে ছিড়ে যাওয়া অংশ ঠিক করতে

মেডিকেল এডমিশনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক স্থাপত্য - ভাস্কর্য... চল একটু সহজ করা যায় কিনা দেখি! 🔴 মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য : জাগ্রত চৌরঙ্গী : এটা সবকিছু জ দিয়ে... অবস্থান গাজীপুরের জয়দেবপুরে.. স্থপতি আব্দুর রাজ্জাক 🔴 ঢাবিতে খাসা অশ্ব আছে খা -- সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ নির্মিত অপরাজেয় বাংলা (অ) সা -- শামিম শিকদার নির্মিত "স্বোপার্জিত স্বাধীনতা "+ "স্বাধীনতা সংগ্রাম " (শ্ব) এগুলি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত 🔴 শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ, রাজারবাগ স্মৃতিসৌধ - পাকিস্তানি হানাদারদের হাতে নিহত বুদ্ধিজীবী, সাধারণ জনতার সংখ্যা পাহাড় (Hill) সম। এ দুটি ভাস্কর্যের নির্মাতা হারুন কুদ্দুস হিলি (Hill) 🔴 মেহেরপুরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠন ছিল বীরের মতো কাজ। অতএব মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের নির্মাতা তানভীর (বীর) কবির 🔴 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শীতকালে অনেক অতিথি পাখি(হাস) আসে হা - হামিদুজ্জামান খান (কিংবদন্তি, স্বাধীনতা) স- সংসপ্তক 🔴 শাবাশ নিতুন কুণ্ডু, অনেকগুলো ফোয়ারা বানিয়েছেন। শাবাশ বাংলাদেশ (শাবাশ), সার্ক ফোয়ারা, কদম ফোয়ারা (ফোয়ারা) - নিতুন কুণ্ডু শাবাশ বাংলাদেশ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত। 🔴 সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যারা গিয়েছো তারা দেখেছো একটি শিখা সবসময় জ্বলতেই থাকে। এটাই শিখা চিরন্তন আর ঢাকা সেনানিবাসে আছে শিখা অনির্বাণ। 🔴 সবুজ শ্যামল বাংলাদেশ বিজয় পেয়েছে। বিজয় ৭১ -- শ্যামল চৌধুরীর... সুন্দর ক্যাম্পাস বাকৃবি তে এটি অবস্থিত ©

আস্তে আস্তে আল্লাহর রহমতে সদ্য বামহাতি হওয়া এই ভদ্রমহিলা কিছুদিন আগে সুনামের সহিত বিশেষজ্ঞ ডিগ্রি ও অর্জন করে ফেলেছে আলহামদুলিল্লাহ। নিজের প্রচেষ্টার পাশাপাশি ছিলো তার উপর অসং্খ্য মানুষের দোয়া। তার চরম ভালো কিছু সহপাঠী, শিক্ষক,কলিগদের অনুপ্রেরণা। মেডিকেল এর জুনিয়র থেকে শুরু করে পরিচিত অপরিচিত যে যখন তার কাছে ইনস্টিটিউটে সাহায্য চেয়েছে, সে আপ্রান চেষ্টা করতো তাদেরকে সাহায্য করার। তার কষ্ট এবং মানুষকে সাহায্য করার ইচ্ছার ফল আল্লাহ দিয়েছেও সাথে সাথে। পাশ করার সাথে সাথে এভারকেয়ার এর মতোন আন্তর্জাতিক হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে। কক্সবাজার মেডিকেলের প্রথম অনকোলজিষ্ট। এমন একজন ফাইটার কখনো ইনশাআল্লাহ থেমে থাকবেনা। আল্লাহ থামাবেন না। শুভকামনা রইলো। কংগ্রাচুলেশনস

একজন ফাইটারের গল্প,,, ইদানিং বড় কোনো পোস্ট বা অন্যকিছু লিখতে তেমন একটা মন চায় না। নিজের বা পরিবারের কারো সফলতা, ব্যর্থতা কোনো কিছুই কাউকে ভার্চুয়ালি বা সামনাসামনি জানাতেও মন চায়না আগের মতোন। কিন্তু আজকের লিখাটা আমার ওয়ালে থাকা সেসব মানুষের অনুপ্রেরণার জন্য যারা জীবনের বিভিন্ন স্তরে প্রকৃতির পরীক্ষায় হতাশায় নিমজ্জিত। আমার সৌভাগ্য ছবির মানুষটার আজকের এ অবস্থানের আসার পেছনে একজন চাক্ষুষ হিসেবে। কিভাবে সে শুধুমাত্র মনোবলের কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আল্লাহর অশেষ করুনায় আজকের এ অবস্থানে। একটু পেছন থেকে শুরু করি। সময়টা ২০১৭ সাল। ডাক্তারদের চরম কঠিন পরীক্ষা রেসিডেন্সি তে সে চান্স পায় ইন্টারনাল মেডিসিনে বারডেম এ। নতুন সংসার আমাদের। আমি তখন ইব্রাহিম কার্ডিয়াকে নতুন জয়েন করা। সংসারের আর্থিক টানাপোড়েন তো আছেই। তারমধ্যে বারডেমের ট্রেনিং এর কঠিন প্রেসার। ছোটবেলা থেকে চরম আত্মমর্যাদা সম্পুর্ন এই মহিলা আমার কষ্ট হবে ভেবে কখনো হাতখরচের টাকা আজ পর্যন্ত নেয় নাই তখনো নিতো না। ট্রেনিং সাথে প্রাইভেট ডিউটি এর চরম কষ্টের মাঝে মোটামুটি সবকিছু চলছিলো আলহামদুলিল্লাহ। একদিন হঠাৎ করে ও লক্ষ্য করে কেনো যেনো কিচ্ছুক্ষণ লিখার পর আর লিখতে পারে না। দিনে দিনে এটা বাড়তে থাকে। অনেকেই দেখাই সবাই স্ট্রেস জনিত কারন বলে নরমাল ট্রিটমেন্ট এ চলতে থাকে। ডিউটি আর ট্রেনিং এর প্রেসার আরো বাড়তে থাকে সাথে সংসারের নানাবিধ সমস্যাতো আছেই। একদিন হঠাৎ করে লক্ষ্য করে কেনো যেনো ও আর লিখতেই পারছেনা এবং ওর ভাষায় ও লিখতে ভুলে যাচ্ছে। এমন কোনো সিনিয়র প্রফেসর নাই যাদেরকে আমি দেখাইনি। এমন কোনো ইনভেস্টেইগেশন নেই যা করানো হয় নাই।কেউ মানসিক সমস্যা, কেউ স্ট্রেস কেউ নরমাল মাসল পেইন বলে সিমপ্টোম্যাটিক ট্রিটমেন্ট দেয়। দিনে দিনে অবস্থার আরো অবনতি। চরম নার্ভাস ব্রেকডাউনে পরে চরম আরাধ্য রেসিডেন্সি থেকে সেচ্ছায় কোর্স আউট হয় সে। এই দু:সময়েও আমার কষ্ট হবে ভেবে সংসারের জন্য ডিউটি করে যায় সে। জীবনে আর কিছু করতে পারবেনা ভেবে এভাবেই চরম নিভৃতে তার সময় যায় আর একা একাই কাদে। মেডিকেল লাইফে অনার্স পাওয়া এই স্টুডেন্ট এর এই পরিস্থিতির জন্য নিজের দায় ছিলো অনেক। সেটা ভেবে আমি নিজেও খুব হীনমন্যতায় থাকতাম। যাহোক ওকে বুঝানো শুরু করলাম তুমি আবার শুরু করো। আবার রেসিডেন্সি দাও এমন সাবজেক্টে যেখানে লিখার স্কোপ কম। অনেক বুঝানোর পর সে আবার পড়া শুরু করে শুন্য থেকে। যার নার্ভাস ব্রেকডাউনে যায় তারাই জানে অই অবস্থা থেকে উত্তরন করা খুবি ডিফিকাল্ট। যাইহোক ডিউটি করে নিজের পড়া নিজে পড়ে তার দিন কেটে যায়। কোচিং এ রেজাল্ট আসে গড়পড়তা। আরো হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে যায় সে। যাহোক অনেক ভেবেচিন্তে ঠিক করি আমরা রেডিয়েশন অনকোলকজিতে পরীক্ষা দিবো। সিট মাত্র দুইটা। এই ডিসিশন টা নেই সম্পুর্ন আমি। দুটো কারনে। অনেকেই জানেনা মেডিকেলে আসার আগে ও এপ্লাইড ফিজিক্সের ফার্স্ট গার্ল ছিলো। ফিজিক্সের প্রতি ওর এমনিতে একটা টান আছে সাথে এই সাবজেক্ট এর ফিল্ড এখনো অনেক প্রশস্ত। আমার বাজীর দান লেগে যায়। আল্লাহর রহমতে ২য় বারের মতোন চান্স পেয়ে যায় রেসিডেন্সি তে। নতুন করে তার ছাত্রজীবন শুরু। কিন্তু তার অসুস্থতা তো থেমে নেই। এর মাঝে আমাদের রাজকন্যার আগমন। আরো প্রেসার। অবস্থার আবার অবনতি। কারন পাশ করতে হলে তো তাকে লিখে পাস করতে হবে। সে তো লিখতেই পারে না। রোগটাও কেউ ডায়গোনসিস করতে পারে না। ডাক্তার বলে দু:খজনকভাবে স্যাররাও যত্ন করে দেখে না। ভাগ্যক্রমে যার কাছে আমরা আজীবন কৃতজ্ঞ তিনি বিএসএমএমইউ মেডিসিনের সহযোগী অধ্যাপক নাজমুল স্যার। ব্লকে সুত্রে স্যারকে একদিন ওর কথা বলি। অন্য দশজনের মতো উড়িয়ে না দিয়ে স্যার বলেন একদিন ওকে নিয়ে এসো আমার কাছে। টানা ২ ঘন্টা স্যার ওর লিখা পর্যবেক্ষণ করেন,ভিডিওকরেন, সব পরিক্ষা দেখেন তারপর পরের দিন আবার আসতে বলেন। বিদেশে বিভিন্নজনের সাথে আলোচনার পর পরের দিন স্যার বলেন ওর রাইটার্স ক্রাম্পর্স রোগ হয়েছে। এই অবস্থার আসলে তেমন কোনো পারমানেন্ট ট্রিটমেন্ট নেই। উপায় আছে দুটা, ইউকে থেকে ডিভাইস আনতে হবে লিখার জন্য দাম প্রায় আনুমানিক ৮/৯ লক্ষ টাকা।যেটা সম্ভব ছিলো না আমাদের পক্ষ্যে। ২য় হচ্ছে ওকে বাম হাতে লিখা শিখা। যেটাও এই বয়সে অসম্ভবের কাছাকাছি। নরমাল বাম হাতে এক দু লাইন সবাই লিখতে পারি কিন্তু মেডিকেলের ৩ ঘন্টা পরীক্ষার লিখা বাম হাতে সেটা প্রায় অসম্ভব। সে ২য় টাই বেছে নেয়। বাচ্চাদের মতো খাতা এনে বাম হাতে লিখা শিখা প্রাকটিস শুরু করে আস্তে আস্তে। প্রায় ৮ মাসের একটানা প্রানান্তর প্রচেষ্টায় সে আস্তে আস্তে বাম হাতে লিখা শিখে যায়। সংসার, বাচ্চা আর ট্রেনিং এই কঠিন ডামাডোলে নিজের অসুস্থতা কে কাটিয়ে বাম হাতে পরিক্ষা দিয়ে ফেজ এ তে সর্বোচ্চ মার্ক নিয়ে পাশ করে সে।

⭕ নেফ্রনের বিভিন্ন অংশের কোষের ধরন.. প্রশ্নে থাকবে কিন্তু... ✅বোম্যান্স ক্যাপসুলের প্যারাইটাল স্তর - স্কোয়ামাস এপিথেলিয়াল কোষ ✅বোম্যান্স ক্যাপসুলের ভিসেরাল স্তর - পোডোসাইট ✅প্রক্সিমাল প্যাঁচানো নালিকা - কিউবয়ডাল এপিথেলিয়াল কোষ ✅হেনলির লুপের স্থূলপ্রাচীর বিশিষ্ট বাহু - কিউবয়ডাল এপিথেলিয়াল কোষ ✅হেনলির লুপের সরু বাহু - স্কোয়ামাস এপিথেলিয়াল কোষ ✅ডিস্টাল প্যাঁচানো নালিকা - কিউবয়ডাল এপিথেলিয়াল কোষ

Dmc Content বিষম চাক্রিক যৌগ নয় কোনটি
Anonymous voting

#CHEMISTRY TnT(Tricks & Tips) TnT-01: পারমাণবিক সংখ্যা নির্ণয় #PROBLEM:Fr এর পারমাণবিক সংখ্যা কত?? #SOLUTION-:নিচের STEP গুলো FOLLOW করো- 1)GROUP ELEMENTS PLACED SYSTEMICALLY. 2)ATOMIC NUMBER OF 1ST ELEMENT=GROUP+2. 3)ADD 8,8,18,18,32 SUCCESSIVELY FOR DETERMINING ATOMIC NUMBER OF OTHER ELEMENTS. APPLICATION : GROUP-1 Li-1+2=3 Na-3+8=11 K-11+8=19 Rb-19+18=37 Cs-37+18=55 Fr-55+32=87 Fr এর পারমাণবিক সংখ্যা =87. #ANSWER : 87. Chemistry এর এরকম অসংখ্য Tricks & Tips পর্যায়ক্রমে পোস্ট করব.... তোমাদের শুভ কামনায়-

ভিটামিনের নাম এবং  অভাবজনিত রোগ⏩ ✅রেটিনল (Vit-A)➡️ রাতকানা *** ✅ক্যালসিফেরল (Vit-D)➡️রিকেটস্ *** ✅টকোফেরল (Vit-E)➡️মাংসপেশিতে টান ✅ফিলোকুইনন (Vit-K)➡️ রক্তক্ষরণ ✅থায়ামিন (Vit-B1)➡️ বেরিবেরি *** ✅রিবোফ্লাবিন (Vit-B2)➡️ গ্লোসাইটিস ✅পিরিডক্সল (Vit-B6) ➡️ ডারমাটাইটিস ✅সায়ানোকোবালামিন (Vit-B12)➡️ রক্তশূণ্যতা *** ✅অ্যাসকরবিক এসিড (Vit-C)➡️ স্কার্ভি

#লুইস এসিড হিসেবে কাজ করবে কারা?? i.যাদের অষ্টক অপূর্ণ তারা লুইস এসিড হিসেবে কাজ করবে ।যেমন –AlCl3,BF3. ii.সকল ধনাত্বক আয়ন লুইস এসিড হিসেবে কাজ করবে । [Cu(NH3)4]2+ [Ni(NH3)4]2+,Mg2+, Fe3+ iii.খালি d ORBITAL যুক্ত পরমাণু ও এদের হ্যালাইড যৌগসমূহ লুইস এসিড হিসেবে কাজ করবে । Ni,Fe,SnC।4,PCl3 ,FeCl3. iv.CO2, SO2, P2O5, NO2 লুইস এসিড হিসেবে কাজ করবে #লুইস ক্ষার হিসেবে কাজ করবে কারা?? I)যাদের মুক্তজোড় ইলেকট্রন থাকবে তারা লুইস ক্ষার হিসেবে কাজ করবে। II)যেসব যৌগে ALKYL(CH3-) বা ,ARYL(C6H5-)মূলক থাকবে ও এদের সাথে অর্থো-প্যারা নির্দেশক মূলক যুক্ত থাকবে সেসব যৌগ লুইস ক্ষার হিসেবে কাজ করবে । III)সকল অ্যানায়ন লুইস ক্ষার হিসেবে কাজ করবে। IV)C-C দ্বিবন্ধন যুক্ত যৌগসমূহ লুইস ক্ষার হিসেবে কাজ করবে। যেমন-অ্যালকিন সমূহ। Chemistry এর এরকম অসংখ্য Tricks & Tips পর্যায়ক্রমে পোস্ট করব....

বিসিএস প্রিলিতে প্রতিবছর ৪-৫ লাখ মানুষ পরীক্ষা দেয়। ৩০ বছর বয়সী প্রচুর মানুষ এপ্লাই করে। এক বিসিএসের লোভে লক্ষ লক্ষ মানুষ জীবনের স্বর্ণালী সময় বিলিয়ে দেয় অকাতরে। এরপর হতাশ হয়ে উদ্ভ্রান্ত হয়ে পরে এর বেশির ভাগ। পরারই তো কথা। এই ৪-৫ লক্ষ থেকে মোটে ২-২.৫ হাজার জন ক্যাডার হয় দিন শেষে। চিন্তা করে দেখেন... ১৮-২০ বছর বয়সে মানুষ মোটামুটি একটা শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জন করে, বোধ বুদ্ধি সম্পন্ন হয় এবং কর্মক্ষম হয়ে ওঠে। অথচ, শুধুমাত্র বিসিএসের লোভে ৩০-৩২ বছর পর্যন্ত শুধু পড়েই যায় কত লক্ষ মানুষ। মেধা আর শক্তির কি নিদারুণ অপচয়! এখন আবার সুর উঠেছে এই বয়স ৩৫ করার জন্য!?! একটা মানুষ... কাজকর্ম করে না...৩৫ বছর পর্যন্ত শুধু পড়ালেখা করবে... কল্পনা করেন একবার! মানুষের মেন্টাল এবং ফিজিকাল একটা ক্যাপাসিটি থাকে। এই বয়সে এসে একটা বেকার মানুষ তো মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে যাবার কথা! যখনি কারো বয়স ২৬-২৭ পার হয় তখনি সমাজ আর তার দায়িত্ব নিতে চায় না। বরং, দিতে চায়। এদিকে বিসিএস ফেল করা ৩৫-৩৬ বছর বয়সী কাউকে প্রাইভেট সেক্টর কাজে নিবে না। প্রাইভেট সেক্টর চায় ইয়াং এনার্জেটিক ছেলে মেয়ে। এই বয়সে এসে নতুন করে কোন পেশায় এংগেজ হওয়া সো টাফ...! উচিৎ ছিল ২৮-৩০ বয়সের পর ছেলে মেয়েদের কারিগরি পেশায় বা ব্যবসায় প্রশিক্ষিত করে উৎপাদনমূখী অর্থব্যবস্থা সংযুক্ত করা। এতে দেশ এবং দশ উভয়েরই লাভ হত। এন্ট্রি লেভেলে চাকরির বয়স ৩৫ বছর করার পক্ষে থাকতে পারছি না। একটা বিসিএস বা চাকরি প্রসিডিউর শেষ হতে ২.৫-৩ বছর লাগে। তারমানে ৩৫ শুধু ৩৫ না। এটা ৩৭-৩৮ বছরে গিয়ে গড়াবে। আর মানুষ বিয়ে সংসার পরিবার গঠন করবে কবে? আর ৩৫ বছর যদি পাশ হয়েই যায় তাহলে এন্ট্রি লেভেলে ৩৭-৩৮ বয়সী এন্ট্রি ক্যাডার হবে প্রচুর। যাদের যৌবনের তেজ অলরেডি শেষের দিকে। এরা শিখবে কখন আর দেশকে সার্ভিস দিবে কখন! দিনশেষে, গভীরভাবে স্টাডি না করে কিছু মানুষের দাবি পূরণের জন্যই যেন কোন সিদ্ধান্ত না নেয়া হয়। নয়ত, এটা জাতির জন্য অধিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। # ডা: আবুল আলা