es
Feedback
বাংলাদেশ বদরুললীগ

বাংলাদেশ বদরুললীগ

Ir al canal en Telegram

"চাঁদাবাজদের নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হয় এখানে" ডিসকাশন গ্রুপ👉 @BALBD1959 ব্যাকআপ চ্যানেল👉 @BadrulCentral ব্যাকআপ গ্রুপ 👉 @BadrulProMax Follow us on: FB www.fb.com/BadrulBSL25

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram বাংলাদেশ বদরুললীগ

El canal বাংলাদেশ বদরুললীগ (@badrulbsl) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 60 658 suscriptores, ocupando la posición 996 en la categoría Política y el puesto 227 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 60 658 suscriptores.

Según los últimos datos del 29 junio, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de -1 139, y en las últimas 24 horas de -60, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 3.61%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 3.34% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 2 193 visualizaciones. En el primer día suele acumular 2 025 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 94.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
"চাঁদাবাজদের নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হয় এখানে" ডিসকাশন গ্রুপ👉 @BALBD1959 ব্যাকআপ চ্যানেল👉 @BadrulCentral ব্যাকআপ গ্রুপ 👉 @BadrulProMax Follow us on: FB www.fb.com/BadrulBSL25

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 30 junio, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Política.

60 658
Suscriptores
-6024 horas
-2837 días
-1 13930 días
Archivo de publicaciones
এস আলমের গাড়ি ব্যবহার নিয়ে সালাহউদ্দিনের সেকাল-একাল !

“শুয়োরের বাচ্চার যখন নতুন দাঁত গজায়, বাপের পাছায় কামড় দিয়ে শক্তি পরীক্ষা করে।”- আহমদ ছফা

জ্ঞানী লোকের চিন্তা 📛

রক্তেভেজা জুলাই

আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে, ইনুরা কিভাবে বারবার বুলেট কিংবা ফাঁসির দড়ি থেকে বেঁচে যায়? শুধু বেঁচেই যায়না, খোদ রাজধানীর বুকে ক্ষমতা-কেন্দ্রের আশে পাশেই থাকে, সদর্পে জাতীয় রাজনীতিতে বিরাজমান থাকে, ক্ষমতার অংশীদারও হয়। একাত্তরে বেঁচে যায় শেখ মনির কোপানল থেকে। আবার মুজিবামলে জাসদ সভাপতি হিসেবে দশ দশজন আওয়ামী এমপি খুনের প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ মদদদাতা হয়েও আবার সেই আওয়ামী লীগের কেবিনেটেই জায়গা করে নেয়। তাহেরের গণবাহিনীর সহকারী অধিনায়ক হিসেবে শত শত আর্মি অফিসারের হত্যাকান্ডে জড়িত থেকেও পিছলে যায় জিয়ার ফাঁসির দড়ি থেকে, জিয়াকে তাহেরের খুনি আর সাতই নভেম্বরের মীরজাফর হিসেবে ইতিহাসে প্রতিষ্ঠিত করেও অবার তারই সহধর্মীনীর সাথে শরিক হয় জোটের রাজনীতিতে। চব্বিশে হাসিনাকে সরাসরি আন্দোলনকারীদের নির্মূলের আহ্বান জানিয়েও আবারও বেঁচে যায় ফাঁসির দড়ি থেকে। কেন? কিভাবে? ভাগ্যগুণে? কোনো অদৃশ্য খুঁটির জোরে? একটা আগাগোড়া ভন্ড বামপন্থী সন্ত্রাসী, যার একটা মানসম্মত মৌলিক তাত্ত্বিক লেখার হদিশ পর্যন্ত পাওয়া যায়না, এমনকি রাজনীতির মাঠে যে বারো নাম্বার খেলোয়াড়ও না, যার তেমন কোনো বিপুল বিত্ত-বৈভবেরও সন্ধান পাওয়া যায়না, সেই আপাদমস্তক ফাঁপা একটা ইতর কেন ও কিভাবে রাজনীতিতে এতোটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল সেই রহস্যটা জানতে আমার খুব ইচ্ছে করে॥ কায় কাউস

বিএনপির ঋণখেলাপিদের দাম্ভিকতা দেখেন, তার মতে তাদের মতো হাজার খানেক ঋণখেলাপিই দেশে শুধুমাত্র ধনি, বাকি সবাই ফকির!

পাইলসের খবর প্রচার করার স্বাধীনতাও নাই দেশে। ইউসুফ সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে এইজন্য।
পাইলসের খবর প্রচার করার স্বাধীনতাও নাই দেশে। ইউসুফ সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে এইজন্য।

কার্টুনিস্ট কে পেটানো উচিত 🙈
কার্টুনিস্ট কে পেটানো উচিত 🙈

ত্রিশ লাখের তেলেসমাতি এক ভুলে যাওয়া নিষ্ঠুরতার গল্প। ভাবুন, দেশে শতাব্দীর ভয়াবহতম ঘূর্নিঝড়ে লাখ লাখ মানুষ মারা গেছে। পুরা উপকূল বিধ্বস্ত। বেঁচে যাওয়া মানুষেরা এক মুঠ খাবারের জন্য হাহাকার করছে। কারোই মাথা গোঁজার ঠাঁই নাই।এই সময় একজন দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ কি করবে? নিশ্চয়ই সবকিছু বাদ দিয়ে সর্বশক্তি দিয়ে ত্রান বিতরণ করতে মাঠে নেমে যাবে। আমাদের দেশে ১৯৭০ সালে এমনই এক প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড়ে মারা গিয়েছিল পনের লাখ মানুষ। ১২ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড় হয়। আর আমাদের রাজনীতিবিদরা ত্রান বিতরণ করার পরিবর্তে মেতে উঠলেন ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে। ঘূর্নিঝড়ের কারণে ইয়াহিয়া নির্বাচন পিছাইতে চাইলেও আওয়ামী লীগের কারণে নির্বাচন পিছাইতে পারে নাই। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার বলছিল, এতবড় ঘূর্ণিঝড় হয়ে গেল। ত্রান ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষ করে নির্বাচন দেই। কিন্তু আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় যাইতে হবে। তারা বলল, নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন হইতে হবে। ইয়াহিয়াও সম্ভবতঃ ফেডাপ হয়ে গেছিল। বেশি নেগোসিয়েশন করতে চায়নি। ০৭ ডিসেম্বর নির্ধারিত দিনেই নির্বাচন দিয়া দিছে। সবাই নির্বাচন নিয়া ব্যস্ত। ওইদিকে বন্যায় সর্বশান্ত দ্বীপ জেলা ভোলার লাখ লাখ মানুষ যাপন করছে মানবেতর জীবন। বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাসে যত মানুষ মারা গেছিল, ত্রান, অষুধ ও পুনর্বাসনের অভাবে তারচেয়ে বেশী মানুষ মারা গেছিল। তখন আওয়ামী লীগ নির্বাচন নির্বাচন কইরা মুখে ফেনা না তুললে কয়েক লাখ মানুষ কম মারা যাইত। বন্যার পরপরই নির্বাচনী ডামাডোলের কারণে ত্রান কার্যক্রম ব্যাহত হয়। অল্পকিছু ত্রান বিধ্বস্ত এলাকায় পৌঁছলেও আওয়ামী নেতারা সে সব ত্রানের অধিকাংশ নিজেরাই হাপিস করে দিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আমাদের গ্রামে একজন আওয়ামী নেতা সেই সময়ে ত্রানের টিন লুট করে নিজের পুকুরে লুকিয়ে রেখেছিল বলে শুনেছি। নির্বাচন তো হইল। ক্ষমতা আর পাইল না লীগ। শুরু হইল মুক্তিযুদ্ধ। যুদ্ধে কত মানুষ মারা গেল? কেউ বলে তিন লাখ। জলোচ্ছ্বাসে মৃতের থিকা সংখ্যাটা কম হইয়া যায় না? সুতরাং সংখ্যাটা হইয়া গেল ত্রিশ লাখ। প্রশ্ন করতে পারেন, সংখ্যাটা তাইলে কত? গত পনের বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল। তারা নিশ্চয়ই শহীদদের তালিকা হাল নাগাদ করেছে। কারণ সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ভাতা পায় বলে দাবি করছে আওয়ামী লীগ। এলা তালিকাটা নিয়া দেখেন, কয়টা পরিবার ভাতা পায়। ওই কয়জনই একাত্তরের শহীদ। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছে ৭০ এর ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাসে। এই ঘটনা নির্বাচনি ডামাডোলের কারণে মুহূর্তেই হাওয়া হয়ে গেছিল আলোচনা ও গণমাধ্যম থেকে। মুক্তিযুদ্ধের পর সকল আলাপ আলোচনা থেকে ১৫ লাখ মানুষের মৃত্যুর খবর নাই হয়ে গেলো। একটা স্মরণ সভা হল না, একটা দিবস হল না, কোনও স্মরণ নাই। যেনবা স্মরণ করলেই বেরিয়ে আসবে ত্রিশ লাখের সিসিম ফাক। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আমার প্রত্যাশা, বাংলাদেশ একটি দুর্যোগ প্রবণ দেশ। দেশের মানুষকে দুর্যোগের ব্যাপারে সচেতন করার জন্য ১২ নভেম্বর ১৯৭০ এর স্মরণে প্রতি বছর এই দিবসটিকে জাতীয় দুর্যোগ দিবস হিসেবে পালন করা হোক। স্মরণ করা হোক বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাওয়া ১৫ লাখ মানুষকে। রাজনৈতিক লোভের বলি না হলে যাদের অনেকেই হয়ত বেঁচে যেতো। সেই সাথে উন্মোচিত হোক ১৫ লাখ মানুষের প্রকৃত মৃত্যুর তথ্যকে চাপা দেয়ার জন্য ত্রিশ লাখ মৃত্যুর জালিয়াতিকে। উল্লেখ্য সরকারি গেজেটভুক্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা মাত্র ৬৭৫৭ জন এটা বাম-লীগ চেতনাবাজদের ৩০ লাখের কত পার্সেন্ট বলেন দেখি? https://www.kalbela.com/national/175189

জামায়াতের এমপির প্রচেষ্টায় ৪০ বছরের পুরোনো ময়লার ভাগাড় স্থায়ীভাবে অপসারণ করা হয়েছে। ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য কর্নেল আব্দুল বা
জামায়াতের এমপির প্রচেষ্টায় ৪০ বছরের পুরোনো ময়লার ভাগাড় স্থায়ীভাবে অপসারণ করা হয়েছে। ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য কর্নেল আব্দুল বাতেন (অব.)-এর সহযোগিতায় এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আশরাফুল আলমের তত্ত্বাবধানে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির কারণ হয়ে থাকা ময়লার ভাগাড়টি অপসারণ করা হয়েছে।

পারিবারিক দলে আমীর পরিবর্তনের সুযোগ নাই
পারিবারিক দলে আমীর পরিবর্তনের সুযোগ নাই

মমতাজের দায়িত্ব সালাহউদ্দিন আহমেদ পালন করছে এখন 😁

বিএনপি নেতাকে অতিথি না করা ফৌজদারি অপরাধ এখন 😁
বিএনপি নেতাকে অতিথি না করা ফৌজদারি অপরাধ এখন 😁

গত নির্বাচনে চরমোনাই পীরের দলের অবস্থা, একদম পেছনের টা সেই বিএনপির নেতা, যিনি চরমোনাই পীর কে বলেছিল ইআবা'র জনপ্রিয়তা জামায়াতের চাইতেও বেশী এখন 😁

অনেক কামাইছে টাকা পয়সা, ভারতে জমা রেখে আসা লাগবে!
অনেক কামাইছে টাকা পয়সা, ভারতে জমা রেখে আসা লাগবে!

ক্ষমা আপনার বাবাকে কবর থেকে চাইতে বলেন, মির্জা ফখরুলের উদ্দেশ্যে জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আজাদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নারী শিক্ষার্থীদের জন্য চালু হতে যাচ্ছে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ফিমেল জিমনেসিয়াম। ডাকসুর উদ্যোগে প্রায় ৬৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এটি প্রস্তুত করা হয়েছে। শারীরিক সুস্থতা আর মানসিক প্রফুল্লতায় এখন থেকে আরও এক ধাপ এগিয়ে থাকবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা। শত প্রতিকূলতা আর অসহযোগিতার মধ্যেও এগিয়ে চলছে আমাদের স্বপ্নের ক্যাম্পাস গড়ার পথযাত্রা, থামবো না আমরা ইনশাআল্লাহ। -Md Abu Shadik

রাষ্টের আইন কর্মকর্তা যখন বিম্পির আইন কর্মকুত্তা 😁
রাষ্টের আইন কর্মকর্তা যখন বিম্পির আইন কর্মকুত্তা 😁

গায়ে হাত দিবিনা 😁
গায়ে হাত দিবিনা 😁