es
Feedback
DESIGN by Sayeed

DESIGN by Sayeed

Ir al canal en Telegram

ডিজাইন এর মাধ্যমে পেয়ে যান ইসলামী বার্তা। পড়ুন, জানুন আর আমল করুন। শেয়ার করুন যেকোনো প্রকার ক্রেডিট ছাড়াই! ইনশাআল্লাহ।

Mostrar más
847
Suscriptores
Sin datos24 horas
-47 días
-730 días

Carga de datos en curso...

Canales Similares
Sin datos
¿Algún problema? Por favor, actualice la página o contacte a nuestro gerente de soporte.
Nube de Etiquetas
Sin datos
¿Algún problema? Por favor, actualice la página o contacte a nuestro gerente de soporte.
Menciones Entrantes y Salientes
---
---
---
---
---
---
Atraer Suscriptores
sep '26
septiembre '26
+4
en 0 canales
agosto '26
+5
en 0 canales
Get PRO
julio '26
+16
en 1 canales
Get PRO
junio '26
+11
en 1 canales
Get PRO
mayo '26
+14
en 1 canales
Get PRO
abril '26
+8
en 0 canales
Get PRO
marzo '26
+10
en 1 canales
Get PRO
febrero '26
+14
en 1 canales
Get PRO
enero '26
+17
en 1 canales
Get PRO
diciembre '25
+15
en 0 canales
Get PRO
noviembre '25
+17
en 1 canales
Get PRO
octubre '25
+15
en 0 canales
Get PRO
septiembre '25
+25
en 0 canales
Get PRO
agosto '25
+46
en 2 canales
Get PRO
julio '25
+16
en 1 canales
Get PRO
junio '25
+22
en 1 canales
Get PRO
mayo '25
+19
en 0 canales
Get PRO
abril '25
+43
en 1 canales
Get PRO
marzo '25
+35
en 1 canales
Get PRO
febrero '25
+18
en 0 canales
Get PRO
enero '25
+27
en 1 canales
Get PRO
diciembre '24
+5
en 0 canales
Get PRO
noviembre '24
+7
en 0 canales
Get PRO
octubre '24
+19
en 1 canales
Get PRO
septiembre '24
+11
en 0 canales
Get PRO
agosto '24
+14
en 0 canales
Get PRO
julio '24
+5
en 0 canales
Get PRO
junio '24
+11
en 0 canales
Get PRO
mayo '24
+14
en 0 canales
Get PRO
abril '24
+8
en 0 canales
Get PRO
marzo '24
+8
en 0 canales
Get PRO
febrero '24
+23
en 1 canales
Get PRO
enero '24
+18
en 0 canales
Get PRO
diciembre '23
+10
en 0 canales
Get PRO
noviembre '23
+24
en 0 canales
Get PRO
octubre '23
+23
en 0 canales
Get PRO
septiembre '23
+19
en 0 canales
Get PRO
agosto '23
+15
en 0 canales
Get PRO
julio '23
+24
en 0 canales
Get PRO
junio '23
+60
en 0 canales
Get PRO
mayo '23
+43
en 0 canales
Get PRO
abril '23
+40
en 0 canales
Get PRO
marzo '23
+45
en 0 canales
Get PRO
febrero '23
+39
en 0 canales
Get PRO
enero '23
+61
en 0 canales
Get PRO
diciembre '22
+38
en 0 canales
Get PRO
noviembre '22
+63
en 0 canales
Get PRO
octubre '22
+92
en 0 canales
Get PRO
septiembre '22
+335
en 0 canales
Fecha
Crecimiento de Suscriptores
Menciones
Canales
29 septiembre0
28 septiembre0
27 septiembre0
26 septiembre0
25 septiembre0
24 septiembre+1
23 septiembre0
22 septiembre0
21 septiembre+1
20 septiembre0
19 septiembre0
18 septiembre0
17 septiembre0
16 septiembre0
15 septiembre0
14 septiembre0
13 septiembre0
12 septiembre0
11 septiembre+1
10 septiembre0
09 septiembre0
08 septiembre0
07 septiembre0
06 septiembre0
05 septiembre0
04 septiembre0
03 septiembre0
02 septiembre+1
01 septiembre0
Publicaciones del Canal
20260924_091158.jpg3.32 MB

2
Sin texto...
54
3
একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ফজর কাযা হয়! একটি অভিযান থেকে ফেরার পথে সবাই ক্লান্ত ছিলেন। এমন অবস্থায় ঘুমালে ফজরে উঠার সম্ভাবনা কম। এজন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চিন্তা করলেন। তখন বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুকে দায়িত্ব দেয়া হয়, তিনি যেন সবাইকে ডেকে তুলেন। যাত্রাপথের ক্লান্তির ফলে সবাই গভীর ঘুমে। এদিকে বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুও ঘুমিয়ে পড়েন! যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ঘুম ভাঙ্গলো, দেখা গেলো সূর্য উঠে গেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করলেন, কী ব্যাপার? তোমার না আমাদেরকে জাগানোর কথা? বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুর সরল স্বীকারোক্তি- আপনাদেরকে যা আচ্ছন্ন করেছে, আমাকেও তা! অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবীদের নিয়ে ফজরের কাযা নামাজ আদায় করেন এবং বলেন- “কেউ কোন নামাজ আদায় করতে ভুলে গেলে যখন স্মরণ হবে তখনই যেন সে তা আদায় করে নেয়।” এই ঘটনাটি তো না ঘটলেও পারতো, তাই না? কিন্তু, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবন তো আমাদের জন্য শিক্ষা। এই কারণে একটা নামাজ মিস হলেও কী ধরণের সিরিয়াসনেস থাকা দরকার সেটা বুঝানোর জন্য আল্লাহ হয়তো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ফজর কাযার মাধ্যমে আমাদেরকে শিখালেন। আমাদের অনেকের নামাজ কাযা হয়। বিশেষ করে ফজরের। সেক্ষেত্রে কী করতে হবে সেটা এই ঘটনা থেকে আমরা শিখতে পারি। তার মানে এই না কিন্তু প্রতিদিন এটা করবো। বরং প্রায়োরিটি হলো ওয়াক্তের সময় নামাজ; যদি মিস হয় তখন যেন অবহেলা না করে সাথে সাথে পড়ি। . তথ্যসূত্র: সহীহ বুখারী: ৫৯৫, সহীহ মুসলিম: ৬৮৪।
42
4
Sin texto...
39
5
20260727_085016.jpg
156
6
Sin texto...
1 389
7
20260716_102245.jpg
183
8
Sin texto...
181
9
20260716_092349.jpg
176
10
এই দুনিয়ায় যদি আপনার দরকার হয় এক/একাধিক "The most precious gift" এর তাহলে এই দোআ আপনার জন্য...
এই দুনিয়ায় যদি আপনার দরকার হয় এক/একাধিক "The most precious gift" এর তাহলে এই দোআ আপনার জন্য...
1 392
11
20260714_145751.jpg
166
12
Sin texto...
156
13
#একটুখানি_তাদাব্বুর "হে মানুষ! কিসে তোমাকে তোমার মহান রব সম্পর্কে ধোঁকায় ফেলেছে?" — সূরা আল-ইনফিতার: ৬। কুরআনের সবচেয়ে নাড়া দেওয়া প্রশ্নগুলোর একটি এটি। লক্ষ্য করুন, আল্লাহ এখানে বলেননি— "তুমি কেন অবাধ্য হলে?" কিংবা "কেন গুনাহ করলে?" বরং তিনি এমন একটি প্রশ্ন করেছেন, যা মানুষের বিবেককে জাগিয়ে তোলে— "কিসে তোমাকে ধোঁকায় ফেলেছে?" এই প্রশ্নের ভেতরে যেন এক অসীম মমতা লুকিয়ে আছে। যেন একজন দয়ালু রব তাঁর পথভ্রষ্ট বান্দাকে জিজ্ঞেস করছেন, "কী এমন হলো যে তুমি আমার থেকে দূরে সরে গেলে?" তাদাব্বুর : মানুষ সাধারণত আল্লাহকে অস্বীকার করে না; বরং ধীরে ধীরে তাঁর ব্যাপারে উদাসীন হয়ে যায়। ✅একটি নামাজ বাদ পড়ে। তারপর আরেকটি। ✅একটি গুনাহকে ছোট মনে হয়। তারপর সেটিই অভ্যাসে পরিণত হয়। ✅একদিন কুরআন না পড়লেও কিছু হয় না। এরপর মাস কেটে যায়। এভাবেই শয়তান মানুষকে এক লাফে নয়, ধাপে ধাপে ধোঁকায় ফেলে। তবে সবচেয়ে বড় ধোঁকা কী? সবচেয়ে বড় ধোঁকা হলো— "আল্লাহ তো ক্ষমাশীল, পরে তাওবা করে নেব।" হ্যাঁ, আল্লাহ অবশ্যই পরম ক্ষমাশীল। কিন্তু কে নিশ্চয়তা দিয়েছে যে আমরা তাওবার আগ পর্যন্ত বেঁচে থাকব? আরেকটি ধোঁকা হলো— "আমি তো খারাপ মানুষ নই।" কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমি কি আল্লাহর হক আদায় করছি? ভালো মানুষ হওয়া যথেষ্ট নয়; আল্লাহর অনুগত বান্দা হওয়াই প্রকৃত সফলতা। এই আয়াতের গভীর সৌন্দর্য : আল্লাহ নিজের পরিচয় দিয়েছেন "রব্বিকাল কারীম"— "তোমার মহান, দয়ালু রব" হিসেবে। তিনি চাইলে বলতে পারতেন— "প্রতাপশালী রব" বা "শাস্তিদাতা রব"। কিন্তু তিনি বলেছেন— কারীম। কেন? কারণ অনেক সময় মানুষ আল্লাহর দয়াকেই ভুলভাবে ব্যবহার করে। আল্লাহ বারবার সুযোগ দেন, গুনাহ ঢেকে রাখেন, রিযিক দেন, সুস্থতা দেন— আর মানুষ ভাবে, "আমার কিছুই হবে না।" অথচ আল্লাহর দয়া গুনাহে সাহসী হওয়ার জন্য নয়; বরং তাঁর দিকে ফিরে আসার জন্য। নিজের হৃদয়কে প্রশ্ন করুন : ✅কতদিন হলো আমি কুরআনের সামনে বসিনি? ✅আমার শেষ অশ্রুসিক্ত সিজদা কবে ছিল? ✅দুনিয়ার ব্যস্ততা কি আমাকে আমার রব থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে? ✅আমি কি আল্লাহর নিয়ামত ভোগ করছি, কিন্তু তাঁর আনুগত্যে অবহেলা করছি? এই আয়াত অন্য কাউকে প্রশ্ন করছে না বরং আমাকেই করছে! "হে মানুষ! কিসে তোমাকে তোমার মহান রব সম্পর্কে ধোঁকায় ফেলেছে?" হয়তো ধোঁকাটা আমার সম্পদ। হয়তো আমার ক্যারিয়ার। হয়তো মোবাইলের পর্দা। হয়তো অহংকার। হয়তো দীর্ঘ আশা। হয়তো এই ধারণা— "এখনো অনেক সময় আছে।" কিন্তু বাস্তবতা হলো, প্রতিটি সূর্যাস্ত আমাদের জীবনের একটি দিন কমিয়ে দেয়। মৃত্যু আমাদের বয়স দেখে আসে না; আসে আল্লাহর নির্ধারিত সময়ে। আজ যদি এই আয়াত আমাদের হৃদয়কে নাড়া দেয়, তবে সেটিই আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ। কারণ হৃদয় যতক্ষণ জীবিত, ততক্ষণ ফিরে আসার দরজা খোলা। তাই আল্লাহর কাছে কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করা উচিত। "হে আল্লাহ! আমাদেরকে দুনিয়ার মিথ্যা ধোঁকা থেকে রক্ষা করুন। আপনার অসীম দয়াকে যেন কখনো গুনাহে লিপ্ত থাকার অজুহাত না বানাই। আমাদের অন্তরকে আপনার দিকে ফিরিয়ে দিন, মৃত্যুর পূর্বেই সত্যিকার তাওবার তাওফীক দান করুন এবং আপনার আনুগত্যের ওপর অবিচল রাখুন।" আমীন ইয়া রব্বাল আলা'মিন।
122
14
Sin texto...
97
15
সন্তানের নামাজ ও নেক জীবনের জন্য কুরআনিক দোআ ______ সন্তান শুধু দুনিয়ার জন্য বড় হয় না। একজন মুমিন মা-বাবার কাছে সন্তানের সবচেয়ে বড় চাওয়া হলো— ✅সে যেন নামাজি হয়। ✅নেক আমলকারী হয়। ✅আল্লাহর পথে থাকে। ✅দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ পায়। কুরআনে হযরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের একটি সুন্দর দোআ এসেছে, যেখানে তিনি নিজের জন্য এবং নিজের সন্তানদের জন্য নামাজ প্রতিষ্ঠার দোআ করেছেন। দোআ: رَبِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلَاةِ وَمِنْ ذُرِّيَّتِي ۚ رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَاءِ উচ্চারণ: রাব্বিজআলনী মুকীমাস সালাতি ওয়া মিন যুররিয়্যাতী, রাব্বানা ওয়া তাকাব্বাল দু‘আ। অর্থ: হে আমার রব, আমাকে নামাজ প্রতিষ্ঠাকারী করুন এবং আমার সন্তানদের মধ্য থেকেও। হে আমাদের রব, আমার দোআ কবুল করুন। সূত্র: সূরা ইব্রাহিম: ৪০। এই দোআ'র শিক্ষা খুব গভীর। হযরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম শুধু নিজের নামাজের জন্য দোআ করেননি; বরং নিজের সন্তান ও বংশধরদের জন্যও নামাজ প্রতিষ্ঠার দোআ করেছেন। এখান থেকে মা-বাবার জন্য বড় শিক্ষা হলো— সন্তানের জন্য শুধু ভালো পড়াশোনা, ভালো রিজিক বা ভালো ভবিষ্যৎ চাইলে হবে না। তার নামাজ, ঈমান, চরিত্র ও আখিরাতের জন্যও নিয়মিত দোআ করতে হবে। কীভাবে আমল করবেন? প্রতিদিন নামাজের পর এই দোআ পড়তে পারেন। সন্তান ঘুমানোর আগে তার জন্য দোআ করতে পারেন। সন্তানের নাম ধরে আল্লাহর কাছে তার হিদায়াত, নামাজ, ভালো চরিত্র ও নেক জীবনের জন্য চাইতে পারেন। তবে মনে রাখবেন— শুধু দোআ করলেই দায়িত্ব শেষ নয়। ✅সন্তানের সামনে নিজে নামাজ পড়া, ✅ঘরে কুরআনের পরিবেশ রাখা, ✅নরম ভাষায় বোঝানো, ✅ভালো সঙ্গের ব্যবস্থা করা, এবং ধৈর্য নিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়াও জরুরি। সন্তানের হৃদয় মা-বাবার হাতে নয়। হৃদয়ের মালিক তো আল্লাহ। তাই চেষ্টা করবেন, দোআ করবেন, আর আল্লাহর ওপর ভরসা রাখবেন। 🟢 সন্তানের জন্য শুধু চিন্তা নয়—নিয়মিত দোআ ও সঠিক চেষ্টাটাই শুরু করুন। ইনশা আল্লাহ নিরাশ হবেন না।
1 258
16
20260706_025444.jpg
146
17
Sin texto...
1 099
18
20260605_073747.jpg
127
19
Sin texto...
1 646
20
20260512_055902.jpg
213