Al Asar
Ir al canal en Telegram
নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতির মধ্যে নিপতিত। তবে তারা ব্যতীত, যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, পরস্পরকে হকের উপদেশ দেয় এবং পরস্পরকে ধৈর্যের উপদেশ দেয়’ (সূরা আসর)
Mostrar más1 393
Suscriptores
Sin datos24 horas
-67 días
-2430 días
Archivo de publicaciones
1 393
Repost from INB বাংলা
দুনিয়াজুড়ে সবাই জানতো ইসরাইলের নাম্বার ওয়ান টার্গেট কে। কাতার, তুর্কি - কোথাও কিছু হলো না, যে দেশটাকে সবচেয়ে নিরাপদ ভাবা হতো সেই ইরানই আজকে এত অনিরাপদ ছিলো! প্রশ্ন থেকে যায়। ইরানই কিন্তু হানিয়াহকে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে এসেছিল প্রেসিডেন্ট অভ্যর্থনা অনুষ্টানে যোগ দেয়ার জন্য। অনুষ্টান থেকে নিজ এপার্টমেন্টে যাওয়ার পর পরই এই ঘটনা ঘটে।
তাৎক্ষনিকভাবে কিছু বলা মুশকিল। কিন্তু রাফেজীদের পুরোনো প্যাটার্ন সবার আগে মাথায় আসে।
1 393
শুধুমাত্র নিয়তের কারণে আপনি মারা গিয়েও আপনি পরকালে খুবই ভয়ংকর অবস্থা হতে পারে।
-
এইজন্য সব ভাইদের বলছি, আপনি কি করছেন? কেন করছেন? এইসবের সঠিক উদ্দেশ্য রাখুন। নিজের নিয়ত ঠিক রাখুন। নিয়তের হেরফের হলে আপনি মারা গিয়ে ধরা খাবেন।
-
আপনার মাথায় এটা রাখতে হবে যে, "আমি মাঠে নেমেছি জুলুমকারীদের বিরুদ্ধে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে।" এমতাবস্থায় আপনি মারা গেলে আপনি শহীদের মর্যাদা পাবেন। কেউ যদি নির্দিষ্ট দলের কথা চিন্তা করে, নিজের ফায়দার কথা চিন্তা করে মাঠে নেমে মারা যায় সে সবার কাছে শহীদ হিসেবে গণ্য হলেও আল্লাহর কাছে শহীদ হিসেবে গণ্য হবে না।
-
আমি আবারও সাবধান করছি আমার ভাইদের। নিজের নিয়ত ঠিক করুন। আল্লাহর জন্য নিজেকে তৈরি করুন। তাহলে এই রক্ত বৃথা যাবে না ইন শা আল্লাহ।
©
1 393
অপেক্ষার প্রহর
এক বৃদ্ধ প্রায়ই পত্রিকাওয়ালা থেকে পত্রিকা নিয়ে শুধু প্রথম পেজ এক পলকে দেখেই দিয়ে দিত৷
একদিন পত্রিকাওয়ালা তাকে জিজ্ঞেস করলো, কি মিয়া, প্রথম পৃষ্ঠায় কিসের খবর খুঁজো?
:মৃত্যর।
:কিন্তু মৃত্যুর খবর তো প্রথম পাতায় থাকে না।
:আমি যার মৃত্যুর অপেক্ষায় তার ছবি ছাপা হবে প্রথম পাতাতেই।
1 393
Repost from Abdullah bin bashir
প্রবাসী ভাইদের রেমিটেন্সের এই যুদ্ধ দেখি খুবই ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে! বাস্তবিকই কী তারা এই যুদ্ধকে দীর্ঘমেয়াদি করতে পারবে? তাদের পরিবার কী একটু কষ্ট সহ্য করে এই যুদ্ধে তাদের সহযোগী হবে? যদি প্রশ্নগুলোর উত্তর ‘হা’ হয় তাহলে এই সরকার বড়ধরনের ঝামেলায় পড়তে যাচ্ছে এমনটাই নাকি বিশ্লেষকদের দাবী।
ভিডিও দেখতে পারেন প্রবাসী ভাইরা
https://youtu.be/fXSl6Ea9iig?si=SrTmPJgiLSE2Si04
1 393
Repost from Abdullah bin bashir
খুবই সংক্ষিপ্ত না। তবে এই আমলটি আরো বেশি কার্যকর করার জন্য সাথে আরোপ কয়েকটি সহজ আয়াত যুক্ত করে নিলে ফল বেশি পাওয়া যাবে। সে আয়াতগুলো হলো সূরা ইয়াসীনের প্রথম নয়টি আয়াত। একদম সহজ। বহু মানুষই পারি। অথবা ছোট বেলায় মক্তবে মুখস্ত করেছিলাম। হয়তো ভুলে গেছি। এখন একবার চাইলেই মুখস্ত করে ফেলা যাবে। আর আগে না থাকলে এখন একদম সহজে মুখস্থ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। আচ্ছা মুখস্ত করার আগে একজন মহান ইমামের মুখেই সে ঘটনাটি শুনুন।
ইমাম কুরতুবি রহ. (মৃত্যু : ৬৭১ হি.)। নিজ যুগের একজন মহান ব্যক্তিত্ব। যার ইলমি খিদমত থেকে তার যুগ থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত কোটি কোটি মুসলিম উপকৃত হচ্ছে। তিনি উপরে যে শেষের দুটো ঘটনা উল্লেখ করেছি তা উল্লেখ করে নিজ জীবনের একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা লেখেন। তিনি বলেন, আমি তখন কর্ডোবার মানসুর কেল্লায় অবস্থান করছিলাম। সেখানে একদল শত্রু যারা আমার ক্ষতি করতে চাচ্ছিলো আমি তাদের থেকে পালাচ্ছিলাম। তাদের রোষানল থেকে বাঁচতে আমি দৌঁড় দিয়ে কেল্লায় এক কোনায় গিয়ে আত্মগোপন করলাম। একটু পড়েই দুজন শত্রুপক্ষের দুজন ঘোরসওয়ার আমার দিকে লক্ষ্য করে ছুটে আসছে। আমি তখন অনুভব করলাম যেখানে আমি আত্মগোপনে এসে দাঁড়িয়েছি তা একদম খোলা আকাশের নীচে! আমার আর সওয়ারিদের মাঝে কোনো প্রতিবন্ধক হবে এমন কিছুই নেই।
এই মুহুর্তে আমি কুরআনের কিছু আয়াত পড়া শুরু করি। সাওয়ারি দুজন আমায় অতিক্রম করে সামনে গেলো। এদিকসেদিক কিছুক্ষণ খুঁজে আমায় না পেয়ে তাদের নিজ স্থানে ফিরে গেলো। যেতে যেতে একজন বলতে লাগলো, দেখলাম তো এখানেই ছিলো। এখন নেই! একদম গায়েব হয়ে গেলো কীভাবে!! এই লোকটা ‘দাইবালাহ’ (উন্দুলুসে শয়তানকে বলা হতো) ছাড়া কিছুই না।
ঘটনার আকস্মিকতা কিছুটা হকচকিয়ে গেলাম। পরে বুঝতে পারলাম। সেই আয়াতগুলোর বদৌলতে আল্লাহ এই জালিমদের চোখকে অন্ধ করে দিয়েছে। তাই তারা আমায় দেখতে পায়নি। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যই। (৩)
يسٓ ١ وَٱلۡقُرۡءَانِ ٱلۡحَكِيمِ ٢ إِنَّكَ لَمِنَ ٱلۡمُرۡسَلِينَ ٣ عَلَىٰ صِرَٰطٖ مُّسۡتَقِيمٖ ٤ تَنزِيلَ ٱلۡعَزِيزِ ٱلرَّحِيمِ ٥ لِتُنذِرَ قَوۡمٗا مَّآ أُنذِرَ ءَابَآؤُهُمۡ فَهُمۡ غَٰفِلُونَ ٦ لَقَدۡ حَقَّ ٱلۡقَوۡلُ عَلَىٰٓ أَكۡثَرِهِمۡ فَهُمۡ لَا يُؤۡمِنُونَ ٧ إِنَّا جَعَلۡنَا فِيٓ أَعۡنَٰقِهِمۡ أَغۡلَٰلٗا فَهِيَ إِلَى ٱلۡأَذۡقَانِ فَهُم مُّقۡمَحُونَ ٨ وَجَعَلۡنَا مِنۢ بَيۡنِ أَيۡدِيهِمۡ سَدّٗا وَمِنۡ خَلۡفِهِمۡ سَدّٗا فَأَغۡشَيۡنَٰهُمۡ فَهُمۡ لَا يُبۡصِرُونَ ٩
টীকা :
১] মুসনাদে আবি ইয়ালা : ৫৩; মুসতাদরাকে হাকেম : ৩৩৭৬, হাদিসটি উল্লেখ করার পর হাকেম রহ. লেখেন,
«هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحُ الْإِسْنَادِ وَلَمْ يُخْرِجَاهُ، (قال الذهبي : صحيح)
হাদিসের সনদ সহিহ।
আরো দেখুন তাফসিরে বাগাবী ৫/৯৭, দারে তাইয়িবা; তাফসিরে ইবনে কাসির ৩/৬৩, মুস্তফা আলখন তাহকিককৃত নুসখা
২] তাফসিরে ছালাবি ১৬/৩৫৩, দারুত তাফসির জেদ্দা। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঘটনাটি তাফসিরে ছালাবিতে সনদসহ বর্ণিত হয়েছে। তবে সনদটি বেশ দূর্বল।
৩] তাফসিরে কুরতুবী ১০/২৬৯, দারুল কুতুব আল মিসরিয়্যাহ, আরো দেখুন, মুফতি শফী রহ. রচিত মাআরিফুল কুরআন থেকে সূরা বানী ইসরাইলের ৪৫ নং আয়াতের অধীনে।
1 393
Repost from Abdullah bin bashir
জালেমের চোখে পর্দা ফেলে দেয় যে আমল :
(যেকোনো আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ভাইরা আমলটি থেকে উপকৃত হতে পারেন ইনশাআল্লাহ, আন্দোলনে একা না গিয়ে আল্লাহকে সাথে নিয়ে যান।)
পৃথিবীতে মানুষের বহুরকম শ্রেণি প্রকারের একটি হলো ‘জালেম ও মজলুম’। জালেম জুলুম করে আর মজলুম সে জুলুমের শিকার হয়। জুলুমের সবচেয়ে কঠিনতম একটি হলো দুনিয়ার কোনো শক্তিশালী ব্যক্তির রোষানলে পতিত হওয়া। আর সে শক্তিশালী যদি শাসক হয় তাহলে জীবনে কতটা দুঃখ আর কষ্টের হয় তা কাউকে ভেঙ্গে বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।
বর্তমানে কত মানুষ কতভাবে জালেমের রোষনলে পড়ে। কোনো অন্যায় ছাড়াই বিভিন্ন কারণে প্রশাসনের হাতে হেনস্তার শিকার হয় কত শত মানুষ। কারো মিথ্যা মামলায় বা সন্দেহের জের ধরে একবার আইনের গ্যাঁড়াকলে পড়লে জীবনের দুঃখ কষ্টের আর সীমা থাকে না। শুধু প্রশাসনই নয়, স্থানীয় কত শক্তিশালীদের হাতে কত শত জুলুমের শিকার হয় কত মানুষ। ধরে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার আর ঘুম-খুনের ঘটনা তো নিত্যদিন আমরা দেখতে পাচ্ছি হারহামেশা। এছাড়াও সময়ে সময়ে কত জালেমের হাত থেকে বাঁচতে কত পেরেশানিতে নিপাতিত থাকতে হয় আর এতে জীবনের স্বাভাবিক একটু শান্তিও যে পূর্ণ উদাও হয়ে যায়, তা যিনি একবার এমন বিপদে পড়েছেন তিনি বুঝবেন।
জালেমের এমন কষ্টের হাত থেকে বাঁচতে কুরআনের কয়েকটি আয়াত হতে পারে একজন মজলুমের অনেক বড় একটি হাতিয়ার। যুগে যুগে এই আয়াত পড়ে উপকার পেয়েছেন অসংখ্য মানুষ! আয়াতগুলো হয়েছেন জালেমের হাত থেকে বাঁচার জন্য তাদের বিশাল হাতিয়ার। যা তাদেরকে রক্ষা করেছেন দুনিয়াবি আসবাব-উপকরনের উর্ধ্বে উঠে। যখন আর কোন আসবাব অবলম্ভন করে আর কিছুই সম্ভব হচ্ছিলো না, ঠিক তখনই এই আয়াতগুলো তাদেরকে রক্ষা করেছে আল্লাহর ইচ্ছায়। আসুন সে আয়াতগুলো জানা যাক। আচ্ছা, তার আগে ঘটনাগুলো একটু শুনে নেই, যাতে আয়াতগুলোর বাস্তবতা আরো ভালোভাবে আমাদের সামনে স্পষ্ট হয়।
প্রথমেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ঘটা একটি ঘটনা শুনুন। সূরা লাহাব অবতীর্ন হয়। সেখানে আবু লাহাব ও তার স্ত্রীকে চূড়ান্ত পর্যায়ের অভিশপ্ত ঘোষণা করা হয়। এই সূরার খবর শূনে তো আবু লাহাবের স্ত্রী উম্মে জামিল আরওয়া বিনতে হারব বেজায় রাগান্বিত হয়ে যায়। সে একটি পাথর নিয়ে বের হয় মুহাম্মদের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খোঁজে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আবু বকর রা.কে নিয়ে মসজিদে বসে ছিলেন। এমন সময় দূর থেকে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গালি দিতে দিতে সে মহিলা আসতে লাগলো। তাকে আসতে দেখে আবু বকর রা. ভয় পেয়ে গেলেন। জানেন, মহিলাটি রাসুলকে দেখলেই কষ্ট দিবে। তাই বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! বিনতে হারব তো আসছে। সে আপনাকে দেখে ফেলবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শান্তভাবেই বসে রইলে। আবু বকরের পেরেশানি দেখে বললেন, আবু বকর! সে কিছুতেই আমাকে দেখবে না। এটা বলেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআনের একটি আয়াত পড়ে সেখানেই অবস্থান করলেন। আরওয়া বিনতে হারব আবু বকরের সামনে এসে দাঁড়ালো। কিন্তু রাসূলকে দেখতে পেলো না! রাসূলকে না পেয়ে আবু বকরকে উদ্দেশ্য করে বললো, তোমার সাথী আমাকে নিয়ে ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ করেছে, আমি তোমাকে জানিয়ে রাখলাম (এটার পরিনাম কিন্তু ভালো হবে না)। আবু বকর রা. বললেন, কাবার রবের কসম, তিনি তোমাকে নিয়ে ব্যাঙ্গ করেননি। হযরত আবু বকররের উত্তর শুনে রাগে-ক্ষোভে আবু লাহাবের স্ত্রী এই কথা বলতে বলতে সেখান থেকে চলে গেলো, ‘পুরো কুরাইশ জানে আমি সর্দারের মেয়ে! (১)
এবার একজন সাহাবীর অভিজ্ঞতা কথা শূনে নেওয়া যাক। হযরত কা’ব রা. শামের একজন লোককে সেই আয়াতগুলোর কার্যকরিকতা সম্পর্কে বললেন। সে লোক রাতে গোপনে রোমে গেলো। এবং সেখানে কিছুদিন অবস্থান করলো। একদিন সে ধরা খেয়ে গেলো। আর সেখান থেকে পলায়ন করলো। তাকে ধরতে রোমের সেনাবাহিনী ধাওয়া করলো। একসময় লোকটিকে সেনাবাহিনী ঘেরাওতে ফেলে দিলো। লোকটি সেই আয়াতগুলো পড়তে লাগলেন। এবং সেনাবিনীর ঘেরাও থেকে বের হয়ে গেলেন কিন্তু তাকে তারা দেখতে পারলো না।(২)
কালবি রহ. বলেন, আমি এই আয়াতগুলো উপকারিতা রায় শহরের এক লোককে বলি। সে রাতের গোপনে দাইলাম শহরে যায়। সেখানে স্থানীয় প্রশাসনের হাতে ধরা পড়ে যায়। তাকে খুঁজতে প্রশাসনের লোকেরা আসলে সে আয়াতগুলো পড়তে লাগলো। প্রশাসনের বাহিনী তাকে খুঁজতে খুঁজতে এতটাই নিকটে চলে আসলো যে, লোকটির শরীরের কাপড় আর বাহিনীর লোকের কাপড় একটি অপরটির সাথে স্পর্শ করতে লাগলো, কিন্তু প্রশাসনের লোকেরা তাকে দেখতে পেলো না! (৩)
আয়াতটি কী? খুবই সংক্ষিপ্ত ও ছোট একটি আয়াত। এক বসায় মুখস্থ করে ফেলা যায়। একদম সহজ। আয়াতটি হলো সূরা বানী ইসরাঈলের।
وَإِذَا قَرَأۡتَ ٱلۡقُرۡءَانَ جَعَلۡنَا بَيۡنَكَ وَبَيۡنَ ٱلَّذِينَ لَا يُؤۡمِنُونَ بِٱلۡأٓخِرَةِ حِجَابٗا مَّسۡتُورٗا
যখন তুমি কুরআন পড়ো, তখন আমি তোমার মাঝে ও যারা আখেরাতে ঈমান রাখে না তাদের মাঝে এক অদৃশ্য পর্দা রেখে দেই। -সূরা বানী ইসরাঈল : ৪৫
1 393
★
সবার নিউজফিডে লাশ আর গ্রেফতারের ছবি।
*পথচারীকে তুলে নিচ্ছে!
*মামলা দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে!
*নিরপরাধকে মেরে ফেলছে!
ভয় পাবেন না। সাহস হারাবেন না।
ভয় যেমন সংক্রামক, সাহস ও তেমন সংক্রামক৷
1 393
২৮ জুলাই প্রথম প্রহরে চট্টগ্রামের রাহাত্তরপুল এলাকায় একটি বিল্ডিংয়ে রাত ১.৩০ টার দিকে মহসিন কলেজের HSC ২৫ ব্যাচের একজন শিক্ষার্থী ও তার বড় ভাই HSC 24 সালের পরীক্ষার্থীদেরসহ মোট ৩ জনকে ফোন চেক করে আন্দোলনের ছবি পাওয়ায় তাদের বাসা থেকে বের করে নিয়ে যাওয়ার মূহুর্তে সম্পূর্ণ বিল্ডিংয়ের সব মানুষ নেমে প্রতিরোধের মুখে পুলিশ তাদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।
প্রতিবেশীদের প্রশ্নে পুলিশ জর্জরিত হয়ে তাদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। তর্কের এক পর্যায় একজন অভিভাবক বলে বসেন, ফোনে আন্দোলনের ছবি একশোবার থাকবে, অন্য কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে বলুন, জামাত শিবিরের সাথে সম্পৃক্ততার প্রমাণ দিন।
১০/১২ জন পুলিশ নিঃশব্দে শিক্ষার্থীদের ছেড়ে দিয়ে বিল্ডিং ছেড়ে যান।
শিক্ষাঃ আমাদের উচিত অন্ততপক্ষে নিজেদের বিল্ডিংয়ে/মহল্লায়/এলাকায় এমন প্রতিবেশী গড়ে তোলা যারা বিপদে এগিয়ে আসবে...
সোর্সঃ ভুক্তভোগী ভাই
1 393
★
ছবির ছোট্ট ছোট্ট ফুলগুলোকে হত্যা করা হয়েছে। জুলুমের বিপরীতে একটি শব্দই যেত পারে।
ইনকিলাব।
★
ইসিবি থেকে যাকে মাত্র গ্রেফতার করা হলো তার নাম সাদাত। ওর মা আর্মি মেডিক্যাল কোরের অফিসার।
সেনাবাহিনী আপনাদের ছেলেরাও ঘরে থাকবে না। বাংলার তারুণ্যকে চিনেন নাই।
1 393
হেলিকপ্টার যেহেতু অলরেডি আকাশে।
প্রবল সম্ভাবনা আজকেও শু*ট করার টার্গেট নিয়েই আছে।
১. হেলিকপ্টারের জন্য আতশ*বাজি, হিলিয়াম বেলুন, লেজার লাইট সংগ্রহ করে রাখুন।
২. আ*ন্দো*লনের স্থানের আশেপাশে যাদের বাসা তারা ছাদ থেকে আতশবাজি মারতে পারেন। আর পুলি*শও জায়গায় পৌঁছে গেছে। সতর্ক থাকবেন।
৩. সবাই এক জোট হয়ে থাকবেন। আ*ক্রমণ করলে এক জায়গায় জড়ো হয়ে পাল্টা আ*ক্রমণ করবেন, একদম উপরে পাঠিয়ে দিবেন।
৪. শিল্ড থাকলে ভালো হয় (হেলমেট মাস্ট। বন্ধুবান্ধব, নিজের যেখান থেকে পারেন)।
৫. গোল হলে সামনের ওরা আ*ক্রমণ করবে আর গোলের মাঝে থাকা ওরা আত*শবাজি মা*রবে যেনো হেলিকপ্টার ওপর থেকে গু**লি করতে না পারে।
কপি ও শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন।
1 393
সাথে রাখা সরঞ্জামের পাশাপাশি পথের বিভিন্ন অবজেক্টকে কাজে লাগানোর একশন নিতে হবে। এমার্জেন্সি মোমেন্টে দোকানের সামনে থাকা স্টিলের বিলবোর্ড, চ্যালা কাঠ, পরিত্যক্ত জিনিসপত্র যেমন ডাস্টবিন, ড্রাম ইত্যাদিকে কাজে লাগানোর ইন্সট্যান্ট সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
মনে রাখা দরকার এখন আন্দোলন আর জাস্ট শো ডাউনের পর্যায়ে নেই। হামলাকারীদের সাথে ভালোই রণকৌশল করতে হতে পারে। এক্ষেত্রে জমায়েত হওয়ার স্থান কৌশলী হওয়া চাই।
ছাত্ররা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে ছত্রভঙ্গ হওয়ার পর। হামলাকারীরা তক্কে তক্কে থেকেছে বিচ্ছিন্ন কয়েকজনকে একা পাওয়ার জন্য। এটা নিয়ে পরিকল্পনা রাখতে হবে।
সশস্ত্র বাহিনীর দুই পক্ষের মাঝখানে পড়া যাবেনা। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর মাঝেই বিভাজন তৈরির চেষ্টা করুন। তাদের ভিতরেই মতানৈক্য সৃষ্টির চেষ্টা করুন।
ক্যামোফ্লেজ ঝটিকা শো ডাউনের চেষ্টা করুন। বারবার পথ বদলানো, নির্ধারিত রুট পরিহার করা, চটজলদি গন্তব্য পরিবর্তন করা ইত্যাদি কাজে দেয় ভালো।
মনে রাখা উচিত, হামলাকারীদের মুখোমুখি হওয়ার চেয়ে তাদের পয়েন্ট পরিহার করা উত্তম।
ওস্তাদ সায়দুল মোস্তফার কমেন্ট থেকে
1 393
+4
আন্দোলনে যাওয়ার পূর্বে কিছু সতর্কবার্তা ^
তুম যমিন পে জুলুম লিখ দো,
আসমান মে ইনকিলাব লিখা জায়েগা।
উস্তাদ তানজিল আরেফিন আদনান
