es
Feedback
It's time to wake up

It's time to wake up

Ir al canal en Telegram

জাগ‌তে হ‌লে জান‌তে হ‌বে। ইনশাআল্লাহ আমরা জানবো। (হে মুসলিমগণ,) তোমরা হীনবল হয়ো না এবং চিন্তিত হয়ো না । তোমরা প্রকৃত মুমিন হলে তোমরাই বিজয়ী হবে । [সুরা আল ইমরান: ১৩৯]

Mostrar más
2 462
Suscriptores
-324 horas
-67 días
-4130 días
Archivo de publicaciones
Repost from Sorwar Alam
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট সুয়েইদা পরিস্থিতি নিয়ে ইসরায়েলকে দায়ী করলেন। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারাআ এক বিবৃতিতে সুয়েইদা
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট সুয়েইদা পরিস্থিতি নিয়ে ইসরায়েলকে দায়ী করলেন। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারাআ এক বিবৃতিতে সুয়েইদার উত্তেজনা প্রশমনে শান্তির আহ্বান জানিয়েছেন এবং ইসরায়েলকে সহিংসতা উসকে দেওয়ার জন্য দায়ী করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল পয়েন্টগুলো নিচে তুলে ধরা হলো: 📌 "আমরা আন্তর্জাতিক মহল থেকে সুয়েইদায় হস্তক্ষেপ ও দেশের নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনার অনুরোধ পেয়েছি।" 📌 "ইসরায়েলি হস্তক্ষেপই আবার সুয়েইদায় উত্তেজনার আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে, বিশেষ করে দক্ষিণ ও দামেস্কে প্রকাশ্য বোমাবর্ষণের পর।" 📌 "সিরিয়ান রাষ্ট্রই একমাত্র শক্তি, যা সমগ্র সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব ও কর্তৃত্ব রক্ষা করতে সক্ষম।" 📌 "আমরা আমেরিকার প্রতি কৃতজ্ঞ, যারা সিরিয়ার ঐক্যের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।" 📌 "আমরা সাহসী গোত্রগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করি এবং তাদের প্রতি সম্পূর্ণভাবে অস্ত্রবিরতির আহ্বান জানাই।" 📌 "ড্রুজ সম্প্রদায়ের সামগ্রিক সুনামকে কিছু ব্যক্তির কাজের জন্য প্রশ্নবিদ্ধ করা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।" [mh]

Repost from Sorwar Alam
লেখক ওমর হামাদ: এক ব্যাগ আটা পেলেই দিয়ে দেবেন জীবনের সঞ্চিত গ্রন্থভাণ্ডার লেখক ওমর হামাদ; বহু বছর ধরে তিলে তিলে তিনি একটি লা
লেখক ওমর হামাদ: এক ব্যাগ আটা পেলেই দিয়ে দেবেন জীবনের সঞ্চিত গ্রন্থভাণ্ডার লেখক ওমর হামাদ; বহু বছর ধরে তিলে তিলে তিনি একটি লাইব্রেরি গড়ে তুলেছেন। গাজা গণহত্যার পুরো সময়টা কাটিয়েছেন নিজের সংগ্রহ করা গ্রন্থভাণ্ডার রক্ষা করার চেষ্টা করে। শত প্রতিকূলতার পরেও সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করেছেন এই যত্নের ধন আগলে রাখতে। কিন্তু এখন তিনি ঘোষণা দিয়েছেন,
তিনি তার পুরো লাইব্রেরি এক ব্যাগ আটার বিনিময়েও দিয়ে দিতে রাজি।
আর এই মর্মান্তিক সিদ্ধান্ত তিনি নিয়েছেন ইসরায়েল-আমেরিকার জোটের দ্বারা চাপিয়ে দেওয়া গাজাবাসীকে না খাইয়ে মারার নীতির (starvation policy) কারণে। [mh]

Repost from Sorwar Alam
গাজার বাস্তুচ্যুতদের গ্রহণ করতে আগ্রহী ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং লিবিয়া। ইসরায়েল ইতিমধ্যে এদের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করেছে। -Axios

Repost from Sorwar Alam
হামাসের সশস্ত্র শাখার মুখপাত্র আবু ওবাইদা: সাম্প্রতিক মাসগুলিতে আমরা বারবার একটি বড় চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছি, যেখানে আমরা একব
হামাসের সশস্ত্র শাখার মুখপাত্র আবু ওবাইদা:
সাম্প্রতিক মাসগুলিতে আমরা বারবার একটি বড় চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছি, যেখানে আমরা একবারে সমস্ত শত্রু বন্দীকে হস্তান্তর করব। কিন্তু যুদ্ধাপরাধী নেতানিয়াহু এবং তার মন্ত্রীরা আমাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন।
তাই বর্তমান যুদ্ধবিরতি আলোচনা যদি কোনও চুক্তিতে না পৌঁছায়, তাহলে ভবিষ্যতে এই দলটি (হামাস) অন্তর্বর্তীকালীন যুদ্ধবিরতিতে সম্মত নাও হতে পারে।
প্রতিরোধ ক্ষমতা দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত, তাদের আগ্রাসন এবং পরিকল্পনা যাই হোক না কেন।
[mh]

Repost from Sorwar Alam
ইরানের ওপর আরও হামলার পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্র, আলোচনা না হলে টার্গেট ২টি পারমাণবিক স্থাপনা ইরান যদি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনায় না বসে, তবে দেশটির দুটি তুলনামূলকভাবে অক্ষত পারমাণবিক স্থাপনায় আবারও হামলার চিন্তা করছে যুক্তরাষ্ট্র— জানিয়েছে এনবিসি নিউজ।
টেলিভিশন চ্যানেলটি জানায়, “ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক মূল্যায়ন নতুন গোয়েন্দা তথ্যে নিশ্চিত হলে, যুক্তরাষ্ট্র ফের সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে।”
সূত্র অনুযায়ী, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ইতোমধ্যে একটি “আরও জটিল হামলার পরিকল্পনা” তৈরি করেছে, যাতে অতিরিক্ত তিনটি স্থাপনায় একযোগে হামলার উপায় রাখা হয়েছে। এই অভিযানে সময় লাগতে পারে “এক রাত নয়, বরং কয়েক সপ্তাহ”। এনবিসি আরো জানায় জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র যেই একটি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধিকরণ কেন্দ্রে হামলা করেছিল, সেটি “প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে”—। এর ফলে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধিকরণের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। তবে অন্য দুটি স্থাপনা “ততটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি”, এবং ইরান চাইলে “পরবর্তী কয়েক মাসেই আবার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধিকরণ শুরু করতে পারবে” বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র। (hn)

Repost from Sorwar Alam
সিরিয়ার দ্রুজ জনগোষ্ঠী এখন তিনটি প্রধান দলে বিভক্ত: 1. ✅ প্রথম দল: যারা শায়খ আল-হিনাওয়ি-এর অনুসারী। – এই দল নতুন সিরিয়ান সরকারকে সমর্থন করে। 2. ✅ দ্বিতীয় দল: যারা লাইথ আল-বালাউস-এর অনুসারী। – লাইথ হলেন ওয়াহিদ আল-বালাউসের পুত্র, যিনি আসাদ সরকারের বিরোধিতার কারণে নিহত হন। – এই দলও নতুন সরকারের পক্ষে। 3. ❌ তৃতীয় দল: নেতৃত্ব দিচ্ছেন হিকমাত আল-হিজরি। – এই গোষ্ঠী মূলত আসাদ সরকারের কিছু সাবেক অনুসারী, অবৈধ মিলিশিয়া, ও উগ্রপন্থী দ্রুজ গোষ্ঠীর লোক নিয়ে গঠিত। – তারা ইসরায়েলের সামরিক, রাজনৈতিক ও আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে। – তারা খোলাখুলিভাবে ইসরায়েলের সুরক্ষা দাবি করেছে এবং নতুন সিরিয়ান সরকারের বিরোধিতা করছে, ধর্মীয় ও মতাদর্শগত পার্থক্যের অজুহাতে। 🛑 এই তৃতীয় দল সুয়াইদা অঞ্চলে কী করেছে: - সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে। - বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য সেবামূলক কাজকেও বাধা দিয়েছে – যার ফলে অবকাঠামো ধ্বংস ও নাগরিক দুর্ভোগ বেড়ে যায়। - চুরি, অপহরণ, মুক্তিপণ দাবির ঘটনা বেড়ে যায়। - এসবের কারণে দ্রুজ ও পাশের আরব গোত্রগুলোর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, বিশেষ করে দমাস্কাস-সুয়াইদা মহাসড়কে কিছু আরব গোত্রের সদস্য অপহৃত হওয়ার পর। 🇮🇱 ইসরায়েলের ভূমিকা: - ইসরায়েল সিরিয়ান সরকারকে হুমকি দিয়েছে, যাতে তারা সুয়াইদা অঞ্চলে হস্তক্ষেপ না করে। - ইসরায়েল বলেছে, “দ্রুজরা এখন আমাদের সুরক্ষায় আছে।” এর ফলে সিরিয়ান সরকার মাসের পর মাস কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি, এবং নিরাপত্তাহীনতা ও বিশৃঙ্খলা আরও ছড়িয়ে পড়ে। ⚔️ বেদুইনদের প্রতিরক্ষা ও সংঘর্ষ: আল-হিজরির বাহিনী বেদুইন গ্রামগুলোতে মর্টার ও রকেট হামলা চালায়, এতে বেসামরিক ও যোদ্ধা দুই পক্ষেই প্রাণহানি ঘটে। এতে স্থানীয় বেদুইন গোত্রগুলো নিজেদের রক্ষা করতে বাধ্য হয় এবং হাতে অস্ত্র তুলে নেয়। এরপর সহিংসতা বাড়তে থাকলে সরকার বাধ্য হয় সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে। ★সরকারি বাহিনীর ওপর আক্রমণ: - সরকারের হস্তক্ষেপের পর, আল-হিজরির বাহিনী একটি সামরিক বহরকে ওত পেতে আক্রমণ করে। -সব সৈন্যকে হত্যা করে, তাদের মৃতদেহ বিকৃত করে, এবং - সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেয়, যেখানে ধর্মীয় ও গোষ্ঠীগত গালাগাল ছিল, বিশেষ করে সিরিয়ার সংখ্যাগরিষ্ঠ সুন্নিদের বিরুদ্ধে। এতে সারা দেশে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ★সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: - সুয়াইদা পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান করতে হবে। - সব গোষ্ঠীকে অস্ত্র জমা দিতে হবে। - শুধু রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাতেই অস্ত্র থাকবে। - কেউ যদি অস্ত্র জমা না দেয়, তাকে অবৈধ সন্ত্রাসী হিসেবে গণ্য করা হবে। 🤝 দ্রুজদের দুই দল সরকারের পাশে: শায়খ আল-হিনাওয়ি ও লাইথ আল-বালাউস উভয়েই সরকারের সঙ্গে কাজ করতে পূর্ণ প্রস্তুতি প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বলেছেন, সুয়াইদায় সরকারি প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি জরুরি, এবং নিরাপত্তা বিশৃঙ্খলা অবসান ঘটানো এখন অত্যন্ত জরুরি। ❌ অন্যদিকে, আল-হিজরি এই প্রস্তাব সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, সরকার ছাড়া শুধুমাত্র তার বাহিনীই অঞ্চলটি চালাবে। লেখক: আবদুলহাদে আলআনি [mh]

Repost from Sorwar Alam
সুয়াইদায় বেদুইন গণহত্যা স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, সুয়েইদা প্রদেশে হিকমত আল-হিজরির সঙ্গে যুক্ত সশস্ত্র দ্রুজ মিলিশিয়াদের হাতে ফিল
সুয়াইদায় বেদুইন গণহত্যা স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, সুয়েইদা প্রদেশে হিকমত আল-হিজরির সঙ্গে যুক্ত সশস্ত্র দ্রুজ মিলিশিয়াদের হাতে ফিল্ড এক্সিকিউশনের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত অন্তত ১০০ জন বেদুইন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুরাও রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। [mh]

Repost from Sorwar Alam
সুয়েইদায় জাতিগত নিধন চলছে: বেদুইনদের জোরপূর্বক উচ্ছেদ ও হত্যাকাণ্ড সিরিয়ার সুয়েইদা প্রদেশে ইসরায়েল-সমর্থিত ও আল-হিজরির নেতৃত্বে থাকা দ্রুজ যোদ্ধারা বেদুইন জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জাতিগত নিধনের অভিযোগে অভিযুক্ত হচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই দ্রুজ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বেদুইনদের জোরপূর্বক উচ্ছেদ করছে এবং এলাকাগুলোতে ফিল্ড এক্সিকিউশন (মাঠেই গুলি করে হত্যা) চালাচ্ছে। এমনকি একজন যোদ্ধাকে গর্ব করে বলতে শোনা যায়: “একটা বেদুইনও বাকি নেই, একটা শুকরও না।” [mh]

Repost from Sorwar Alam
🟥 সিরিয়ার দ্রুজ সম্প্রদায় দ্রুজ হচ্ছে লেভান্ট অঞ্চলের (সিরিয়া, লেবানন, ইসরায়েল) একটি ছোট, ঐক্যবদ্ধ ধর্মীয় গোষ্ঠী, যারা সবসময় বিদেশি দখলদারদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে এবং সিরিয়ার একতা ও স্বাধীনতার পক্ষে থেকেছে। তবে আজকের দিনে, এদের মধ্য থেকে একটি ছোট অংশ ইসরায়েলের সমর্থনে দাঁড়িয়ে তাদের এই ঐতিহ্যবাহী অবস্থানকে চ্যালেঞ্জ করছে। ★ দ্রুজ কারা? - দ্রুজরা ১১শ শতকে ইসমাইলি শিয়া মতবাদ থেকে আলাদা হয়ে যায়। - এ ধর্মে নতুন কেউ যোগ দিতে পারে না। সদস্যরা একে অপরের প্রতি খুবই অনুগত। - বর্তমানে সিরিয়ায় দ্রুজ জনসংখ্যা প্রায় ৭ লাখ (মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩%)। - এরা আরবি ভাষায় কথা বলে। ★ তাদের কোথায় বসবাস? - সুয়াইদা (জাবাল আল-আরব): সিরিয়ার প্রায় সব দ্রুজ এখানেই বাস করে (~৯৫%)। - জারামানা: দামেস্ক শহরের উপশহর। - কাতানা, সাহনায়া, কানাকার: দামেস্কের আশপাশে কিছু গ্রাম। - জাবাল আল-সুম্মাক (ইদলিব): উত্তর সিরিয়ার একটি ছোট গোষ্ঠী। ★ ইসরায়েলের কৌশল: - ইসরায়েল সুয়াইদার কিছু দ্রুজ গোষ্ঠীকে সমর্থন করে, যেমন “সুয়াইদা মিলিটারি কাউন্সিল”। - তারা একদম ধীরে ধীরে সরকারকে দুর্বল করে ফেলার পরিকল্পনায় কাজ করছে — একে বলা হয় "soft regime change" - মার্কিন কর্মকর্তা চার্লস লিস্টার বলেছেন, ইসরায়েলের এই পদ্ধতিকে বলা যায় "campaign of 1,000 cuts" — অর্থাৎ ধীরে ধীরে সরকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করা। ★ দ্রুজ নেতারা এবং তাদের অবস্থান ১/ লাইথ আল-বালুস (Men of Dignity দলের নেতা): বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করেন এবং সিরিয়ার একতার পক্ষে আছেন। ২/ সুয়াইদা মিলিটারি কাউন্সিল: স্থানীয় নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করে, তবে তারা সিরিয়ার একতার কথা বলে। ৩/ হামমুদ আল-হান্নাওয়ি (ধর্মীয় নেতা): বিদেশি হস্তক্ষেপকে নিন্দা করেন, তবে শান্তভাবে কথা বলেন যেন উত্তেজনা না বাড়ে। ৪/ হিকমত আল-হিজরি (ধর্মীয় নেতা): বিকেন্দ্রীকরণ (অর্থাৎ কেন্দ্রীয় সরকারের বাইরে শক্তি ছড়িয়ে দেওয়া) এর পক্ষে, তবে তার অবস্থান কিছুটা অস্পষ্ট বলে সমালোচনা হয়। ★ ইসরায়েল কেন দ্রুজদের ব্যবহার করতে চায়? - যাতে ভবিষ্যতের সিরিয়া সরকার দুর্বল হয়, (যদি তা তুরস্কঘেঁষা হয়)। - সীমান্তের সংখ্যালঘুদের ব্যবহার করে দেশের ভেতর ঐক্য নষ্ট করতে চায়। - অস্থিরতা, বিভক্তি ও বাইরের হস্তক্ষেপকে স্বাভাবিকভাবে দেখানোর সুযোগ তৈরি করে। - যারা সরকারবিরোধী, তাদের বড় নেতা বানিয়ে তুলে ধরতে চায়। - গোলান মালভূমির কাছে একটি বাফার জোন তৈরি করতে চায়, যেটা ইসরায়েল ১৯৭০–৮০-র দশকে লেবাননেও করেছিল। মোট কথা, ইসরায়েল চায় সিরিয়ায় দ্রুজদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করতে এবং কিছু গোষ্ঠীকে নিজেদের পক্ষে কাজে লাগাতে। এতে করে সিরিয়া দুর্বল হবে, আর ইসরায়েল নিজের সীমান্তে নিরাপত্তা তৈরি করতে পারবে। সূত্র: UN, Haaretz, Foreign Policy, Middle East Eye, Carnegie Endowment, levant24 [mh]

Repost from Sorwar Alam
#UPDATE ইসরায়েলি চ্যানেল ১৪:
সন্ত্রাসী জোলানির জন্য আর কোনও সতর্কবার্তা থাকবে না।

Repost from Sorwar Alam
#BREAKING সিরিয়ার রাজধানীতে রাষ্ট্রপতি প্রাসাদে হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। সোর্সঃ সিরিয়া পোস্ট

Repost from Sorwar Alam
পলিটিক্যাল সায়েন্সের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মুখতার আল-শিনকিতি: “আমার মনে হচ্ছে, জায়োনিস্টরা ইচ্ছাকৃতভাবে সিরিয়াকে একটি যুদ্ধে জ
পলিটিক্যাল সায়েন্সের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মুখতার আল-শিনকিতি:
“আমার মনে হচ্ছে, জায়োনিস্টরা ইচ্ছাকৃতভাবে সিরিয়াকে একটি যুদ্ধে জড়াতে চাচ্ছে, যা সিরিয়া এখন চায় না—কারণ দেশটি এখনো পালানো কসাইয়ের (বাশার আল-আসাদ) হাতে সৃষ্ট ক্ষত থেকে সেরে ওঠার চেষ্টায় আছে। এক্ষেত্রে ইসরায়েল বিশ্বাসঘাতক আল-হিজরি এবং ফিলিস্তিন ও লেবাননের কিছু দ্রুজ সম্প্রদায়ের সদস্যদের ব্যবহার করছে সিরিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের হাতিয়ার হিসেবে। একই সঙ্গে আমেরিকানরা মিষ্টি কথায় সিরিয়ার নেতাদের প্রতারিত করছে, যাতে আচমকা একটি ইসরায়েলি যুদ্ধ শুরু করা যায়—যেমনটা তারা ইরানের সঙ্গে আলোচনার সময় করেছিল।”
[mh]

Repost from Sorwar Alam
রাতভর সিরিয়ার সুয়াইদার বিভিন্ন স্থানে এবং সিরিয়ার সরকারি বাহিনীর উপর বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এসময় ইসরায়েলের লক্ষ্যবস্তু ছিলো: - বিমানবন্দর, - সেনাবাহিনীর বহর, - সেনাবাহিনীর ঘাঁটি, - দ্রুজদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো বিভিন্ন সেনা দল।

🔻🔻গাজা থে‌কে জাহান্নাম🔻🔻
🔻🔻গাজা থে‌কে জাহান্নাম🔻🔻

Repost from Sorwar Alam
সিরিয়ার সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে বিমান হামলার ফুটেজ প্রকাশ করেছে ইসরায়েল।

Repost from Sorwar Alam
#BREAKING এবার সিরিয়ার হাসপাতালে বোমাবর্ষণ করলো ইসরায়েল। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সিরিয়ার সুয়াইদা প্রদেশের একটি হাসপাতাল বোমা মেরেছে, কারণ সেখানে ‘উগ্রপন্থীদের’ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। সোর্স: গালেই তজাহাল (ইসরায়েলি আর্মি রেডিও)

Repost from Sorwar Alam
ইসরায়েলি মন্ত্রী স্মোটরিচ: দক্ষিণ সিরিয়ায় জোলানি সরকার যেভাবে দ্রুজ সম্প্রদায়ের ওপর গণহত্যা চালাচ্ছে, তা প্রমাণ করে—তারা
ইসরায়েলি মন্ত্রী স্মোটরিচ:
দক্ষিণ সিরিয়ায় জোলানি সরকার যেভাবে দ্রুজ সম্প্রদায়ের ওপর গণহত্যা চালাচ্ছে, তা প্রমাণ করে—তারা অতীতেও সহিংস, উগ্রপন্থী ও বর্বর ইসলামপন্থী ছিল এবং ভবিষ্যতেও তাই থাকবে। পশ্চিমা দেশগুলো যেন স্যুট-টাই দেখে বিভ্রান্ত না হয়।
 যত মানবতা সব ইসরায়েলের! আহা!

Repost from Sorwar Alam
সিরিয়ার সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে আজ ইসরায়েলি বিমান হামলা পরবর্তী ছবি।
সিরিয়ার সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে আজ ইসরায়েলি বিমান হামলা পরবর্তী ছবি।

❌❌দারা প্রদেশে সিরিয়ান বাহিনীর ঘাঁটিতে ইসরায়েলি বিমান হামলা সিরিয়া টিভির তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান দারা’র ইজরা শহরের
+1
❌❌দারা প্রদেশে সিরিয়ান বাহিনীর ঘাঁটিতে ইসরায়েলি বিমান হামলা সিরিয়া টিভির তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান দারা’র ইজরা শহরের উপকণ্ঠে সিরিয়ান সেনাবাহিনীর ১২তম ব্রিগেডকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। সর্বশেষ আপডেটে জানা গেছে, ইজরার কাছাকাছি সিরিয়ান ৫৪তম ডিভিশনের ওপর আরও তিনটি বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।

📍📍সুইদার কেন্দ্রে সিরিয়ান যোদ্ধার হুঁশিয়ারি: “তোমরা ইসরায়েলের সহায়তা চেয়েছো, এখন মাটির নিচে যাবে” সুইদার কেন্দ্রে অবস্থানরত এক সিরিয়ান যোদ্ধা চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দ্রুজ মিলিশিয়াদের উদ্দেশে। তিনি বলেন—
সুইদা এখন মুক্ত, সুন্নিদের কাছে ফিরে এসেছে। যারা নিজেদের বনি মা’রুফ বলো, এখন তোমরা আমাদের পায়ের নিচে। তোমাদের হাতে সময় মাত্র কয়েক মিনিট— এই কুকুরগুলো! তোমরা ইসরায়েলের সাহায্য চেয়েছো!