es
Feedback
It's time to wake up

It's time to wake up

Ir al canal en Telegram

জাগ‌তে হ‌লে জান‌তে হ‌বে। ইনশাআল্লাহ আমরা জানবো। (হে মুসলিমগণ,) তোমরা হীনবল হয়ো না এবং চিন্তিত হয়ো না । তোমরা প্রকৃত মুমিন হলে তোমরাই বিজয়ী হবে । [সুরা আল ইমরান: ১৩৯]

Mostrar más
2 462
Suscriptores
+124 horas
-57 días
-4030 días
Archivo de publicaciones
📍📍ইরানে এখন দুইটা যুদ্ধ চলছে। ইরানের জনগণকে দুইটা যুদ্ধ করতে হচ্ছে একটা আমেরিকা ইসরাইল এবং পশ্চিমা বিশ্বের সাথে। আরেকটা যুদ্ধ করতে হচ্ছে ইরানের শাহবাগীদের সাথে। প্রথম যুদ্ধ যেটা চলছে সেটা কমবেশি সবাই ওয়াকিবহাল। সে আলোচনা তোলা থাক। ইরানের জনগণ বনাম ইরানের শাহবাগীদের দ্বন্দ্বটাই এখন ইরানের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে দেখা দিচ্ছে। ইরানের জেনারেলদের হত্যার মাস্টারমাইন্ড ইরানের শাহবাগীরা। বিশেষত, সেনাপ্রধান, গোয়েন্দা প্রধান আই আর জিসি প্রধান, আই আর জে সি র গোয়েন্দা প্রধান এবং পরমাণু বিজ্ঞানীদের হত্যার পিছনে মূল ক্রীড়নক ইরানের শাহবাগীরা। এদের সাথে যুক্ত ভারতীয় এজেন্ট এবং মোসাদরা। এদের সাথে যুক্ত হয়েছে বামপন্থী দেশবিরোধী শক্তিগুলো। বামপন্থী শাহবাগীরা যে কতটা নীতিহীন হতে পারে তার জ্বলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে এরা। এরা নিজেদের বলে বামপন্থী অথচ খোমেনি রেজিমের পতনের জন্য এরা পুজিবাদী, সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার দাসত্ব কবুল করতে কোন আপত্তি নাই। বরং এরা মার্কিনী আসার পথ করে দিতে একটি বৈধ জনতার সরকারের বিরুদ্ধে এরা সর্বশক্তি নিয়ে বিদ্রোহ করছে। বাংলাদেশের বামপন্থীদের ব্যাপারে সাবধান হবার প্রয়োজন আছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান থেকে বামপন্থী সিপিবি এজেন্টদের উচ্ছেদ করা অতি জরুরি। ভবিষ্যতে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ভারতের পক্ষে সবচেয়ে বড় শক্তি সিপিবি, বাল, ইসলামোফোবিক,শাহবাগী বদমাশরা। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে এদের পদায়ন বন্ধ না হলে, রাষ্ট্রীয় পদে এদের একসেস বন্ধ না হলে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে।

❌❌ বিশ্ব গাদ্দার দক্ষিণ চীন সাগর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন রণতরী USS Nimitz। ধারণা করা হচ্ছে, ইরান ঘিরে উত্তেজনার প্রেক্ষিতে অঞ্চলটিতে সামরিক চাপ বাড়াতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোর্স: জিও ওয়াচ

❌❌ বিশ্ব গাদ্দার দক্ষিণ চীন সাগর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন রণতরী USS Nimitz। ধারণা করা হচ্ছে, ইরান ঘিরে উত্তেজনার প্রেক্ষিতে অঞ্চলটিতে সামরিক চাপ বাড়াতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোর্স: জিও ওয়াচ

⁉️⁉️আহ্ এত‌দিন গাজায় দেখতাম:
ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পড়ে আছে অন্তত কয়েক ডজন ইসরায়েলি।
ইরানি হামলায় ধ্বসে যাওয়া ভবনের নিচে জীবিত প্রাণের আশায় ব্যাপক উদ্ধার অভিযানে নেমেছে ইসরায়েলিরা।

📍📍ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (IRGC) এরোস্পেস ফোর্সের বার্তা : দখলদার ইহুদি রাষ্ট্রের ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে আগ
📍📍ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (IRGC) এরোস্পেস ফোর্সের বার্তা : দখলদার ইহুদি রাষ্ট্রের ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন এবং গাজায় তাদের নৃশংস অপরাধের জবাবে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর এরোস্পেস ফোর্স  True Promise-3 অভিযানের অংশ হিসেবে নতুন একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পরিচালনা করেছে, যার লক্ষ্য ছিল দখলদার শত্রুর কমান্ড ও কন্ট্রোল সিস্টেমসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কেন্দ্র।
এই হামলা আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী ও ধ্বংসাত্মক ছিল। আমরা ব্যবহার করেছি উন্নততর প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য ও নতুন কৌশল, যার ফলে শত্রুর বহুস্তরবিশিষ্ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।
এমনকি শত্রুর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিভ্রান্ত হয়ে নিজেদের টার্গেটও ভুলভাবে গুলি করেছে। এই অপারেশন স্পষ্ট করে দিয়েছে—ইসলামি ইরানের ব্যাপারে দখলদার শত্রু এবং আমেরিকার সমস্ত হিসাব ও পূর্বাভাস ছিল ভুল। এখন আমাদের অবশ্যই দখলদার ইহুদি রাষ্ট্রের পতনের সাক্ষী হতে হবে। আমরা অঙ্গীকার করছি— এই ভুয়া শত্রু রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ টার্গেটগুলোতে আরও কার্যকর, নিখুঁত এবং ধ্বংসাত্মক হামলা চালানো হবে এবং তা চলবে তাদের সম্পূর্ণ পতন না হওয়া পর্যন্ত চলতেই থাকবে।

🚀🚀আল্লাহু আকবর ইসরায়েলের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ভুল করে নিজের লঞ্চারকেই উড়িয়ে দিলো। সূত্র: মিডল ইস্ট স্পেক্টেটর

📍📍#BREAKING মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে আকাশপথে জ্বালানি ভরার ২১ টি ট্যাঙ্কার পাঠাচ্ছে।
📍📍#BREAKING মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে আকাশপথে জ্বালানি ভরার ২১ টি ট্যাঙ্কার পাঠাচ্ছে।

📍📍ইরানে আটক মোসাদের গুপ্তচর এজেন্টদের তেহরানের দক্ষিণাঞ্চলে বিস্ফোরক এবং ড্রোনের একটি গোডাউনের সন্ধান পেয়েছে ইরানি নিরাপত্ত
+1
📍📍ইরানে আটক মোসাদের গুপ্তচর এজেন্টদের তেহরানের দক্ষিণাঞ্চলে বিস্ফোরক এবং ড্রোনের একটি গোডাউনের সন্ধান পেয়েছে ইরানি নিরাপত্তা বাহিনী।

🔻🔻#BREAKING হাইফা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুটি ইরানি ব্যালিস্টিক মিসাইল আঘাত হেনেছে।

🔻🔻হাইফার পাওয়ার প্লান্ট জ্বলছে।

🚀🚀ব্রেকিং: ইরান থেকে ইসরায়েলের উদ্দেশ্যে নতুন মিসাইল ব্যারেজ ফায়ার করা হয়েছে। (hn)

❌❌তেহরানে আজকের ইসরায়েল পরিচালিত গাড়ি বোমা হামলায় আইআরজিসি গোয়েন্দা প্রধান মোহাম্মদ কাজেমি, ডেপুটি হাসান মোহাকেক এবং সিনি
❌❌তেহরানে আজকের ইসরায়েল পরিচালিত গাড়ি বোমা হামলায় আইআরজিসি গোয়েন্দা প্রধান মোহাম্মদ কাজেমি, ডেপুটি হাসান মোহাকেক এবং সিনিয়র কমান্ডার মোহসেন বাঘেরি নিহত হয়েছেন।

Repost from Sorwar Alam
.... ইসরায়েল কখনোই NPT (Non-Proliferation Treaty) বা পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি স্বাক্ষর করেনি। এর মানে— 🔹 তাদের কোনো আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা নেই, 🔹 IAEA তদারকি নেই, 🔹 এমনকি পারমাণবিক অস্ত্রের অস্তিত্বও তারা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে না। অন্যদিকে ইরান: 🔸 NPT স্বাক্ষরকারী দেশ 🔸 IAEA-এর অধীনে নিয়মিত পরিদর্শনের আওতায় 🔸 তারা দাবি করে যে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে
তবু, সবচেয়ে বেশি সামরিক হুমকির শিকার হচ্ছে ইরানই, এবং ইসরায়েল তাদের ওপরই অভিযোগ তোলে—যে দেশ নিজেই এনপিটির বাইরে!
NPT-এর মূল কাঠামো: ১৯১টি দেশ স্বাক্ষর করেছে মাত্র ৫টি দেশকে আনুষ্ঠানিক পারমাণবিক শক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে: 🇺🇸 যুক্তরাষ্ট্র 🇷🇺 রাশিয়া 🇨🇳 চীন 🇬🇧 যুক্তরাজ্য 🇫🇷 ফ্রান্স বাকি সব দেশ (যেমন: ইরান, তুরস্ক, জার্মানি, জাপান, ব্রাজিল, দক্ষিণ কোরিয়া) প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। ৪টি দেশ কখনোই এনপিটি-তে ছিল না বা সরে গেছে: 🇮🇱 ইসরায়েল 🇮🇳 ভারত 🇵🇰 পাকিস্তান 🇰🇵 উত্তর কোরিয়া (স্বাক্ষর করলেও পরে সরে যায়) এই চার দেশই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করেছে, কিন্তু কোনোটি আন্তর্জাতিকভাবে দায়বদ্ধ নয়। প্রশ্ন উঠছে: কেন শুধুমাত্র ইরানকে হুমকি ও আক্রমণের শিকার হতে হয়? এটা প্রমাণ করে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শাসনব্যবস্থায় গভীর বৈষম্য ও রাজনৈতিক পক্ষপাত রয়েছে, যেখানে একই নিয়ম সবার জন্য সমভাবে প্রযোজ্য নয়। (na)

Repost from Sorwar Alam
ইরানি সিনিয়র কর্মকর্তা মোহসেন রেজাইয়ের যৌথ ইসলামি ফৌজ তৈরীর ঘোষণা: এক বিবৃতিতে তিনি বলেন আমরা তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান সহ
ইরানি সিনিয়র কর্মকর্তা মোহসেন রেজাইয়ের যৌথ ইসলামি ফৌজ তৈরীর ঘোষণা:
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন আমরা তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান সহ অন্যান্য দেশ নিয়ে একটি ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছি।
(hn) সোর্স - ক্ল্যাশ রিপোর্ট

Repost from Sorwar Alam
ইরান ইসরায়েলকে কোথায় কোথায় ধাক্কা দিচ্ছে? উইজম্যান ইনস্টিটিউট ঝাঝরা করে দিয়েছে ইরানি মিসাইল গতরাতের ইরানি পাল্টা হামলায় ইসরায়
ইরান ইসরায়েলকে কোথায় কোথায় ধাক্কা দিচ্ছে?
উইজম্যান ইনস্টিটিউট ঝাঝরা করে দিয়েছে ইরানি মিসাইল
গতরাতের ইরানি পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা প্রতিষ্ঠান উইজম্যান ইনস্টিটিউটে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। ইসরায়েলি সাংবাদিক অ্যালেক্স রিফ জানিয়েছেন: ইনস্টিটিউটের একটি গবেষণাগারের গবেষক বলেন,
পুরো ল্যাবরেটরি ধ্বংস হয়ে গেছে। যন্ত্রপাতি, গবেষণার ফলাফল, এমনকি যেসব মানুষ জীবন কাটিয়েছেন গবেষণায়—তার সবকিছু শেষ।
ধ্বংসপ্রাপ্ত ল্যাবগুলোর মধ্যে ছিল জীবনকাল ও বয়সজনিত জৈবিক প্রক্রিয়ার উপর গবেষণার জন্য বিখ্যাত প্রফেসর ভ্যালেরি ক্রিজনোভস্কির ল্যাব
এর বাইরে আরো কত কী ছিল, তা অজানা
তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েলের সরকারি কোনো দপ্তর এখনো যোগাযোগ করেনি—না সম্পত্তি কর অফিস, না শিক্ষা মন্ত্রণালয়, না বিজ্ঞান মন্ত্রণালয়। এতে বোঝা যায়, এই ধ্বংসাবশেষ শুধু একটি ভবন নয়, ইসরায়েলের বহু বছরের বৈজ্ঞানিক অর্জন ও অগ্রগতিকে ধূলিসাৎ করেছে ইরান যে শুধু সামরিক নয়, বুদ্ধিবৃত্তিক ও কৌশলগত ক্ষেত্রেও ইসরায়েলকে গভীরভাবে আঘাত করার চেষ্টা করেছে, এটি তার স্পষ্ট প্রমাণ। (hn)

Repost from Sorwar Alam
আজ ইরানে একটি আবাসিক কমপ্লেক্সে ইসরায়েলি হামলায় ২৫ ইরানি শিশু ও তাদের অভিভাবক নিহত। (hn)

📍📍ইসরায়েলের হাইফা অনেকটা বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মত। বন্দর নগরী আবার বাণিজ্যিক শহর। এই শহরে ইসরায়েলের গ্যাস ও বন্দর ব্যবস্থাপনা। এখানেই ইসরায়েলে থাকা বড় বড় গ্লোবাল কোম্পানিগুলোর অফিস। সেগুলো বন্ধ থাকা মানে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার লোকসান
ইসরায়েলকে সমান সমান দৌড়ের উপরে রাখছে ইরান।
স‌রোয়ার আলম, তুরস্ক

🚀🔻🚀 হাইফায় ১ম ব্যাচের মিসাইল ইম্প্যাক্টের মুহূর্ত স্ট্রাইক চলমান...

📍📍তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জানান, পারমাণবিক বিরোধ মেটাতে তুরস্ক কূটনৈতিকভাবে মধ্যস্থতা করতে প্রস্তুত। সোর্স: আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম

Repost from Sorwar Alam
কুর্দি ও বালুচদের পর এবার ইরানে জাতীয় গণঅভ্যুত্থানের ডাক কমিউনিস্ট পার্টির কমিউনিস্ট পার্টি অব ইরান (CPI) দেশটির বর্তমান শাস
+3
কুর্দি ও বালুচদের পর এবার ইরানে জাতীয় গণঅভ্যুত্থানের ডাক কমিউনিস্ট পার্টির কমিউনিস্ট পার্টি অব ইরান (CPI) দেশটির বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত করার জন্য একটি জাতীয় গণঅভ্যুত্থানের আহ্বান জানিয়েছে। দলটি জনগণকে শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানায়। একইসাথে, CPI চলমান সহিংসতার জন্য ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকেও দায়ী করেছে এবং এই দুই দেশের ভূমিকাকে তীব্রভাবে নিন্দা জানিয়েছে। উৎস: থমাস ভ্যান লিঙ্গে (Thomas van Linge)