1 996
Suscriptores
-124 horas
+27 días
+230 días
Archivo de publicaciones
1 995
একটি বিশেষ সতর্কতা মূলক পোষ্ট।
বাঁচতে হলে জানতে হবে। মিনিকেট চালের ভাত গরমকালেও অনেকক্ষণ ভালো থাকে! আহারে! কত ভালো চাল! তাইনা?
আসুন জেনে নিই আসলেই কি আমরা ভালো চাল খাচ্ছি?নাকি আবর্জনা?
❌ মিনিকেট নামে কোন ধান চাষ হয়না বাংলাদেশে।
তাহলে, এই চাল বাজারে আসে কোথা থেকে- এই প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ, মিনিকেট চাল তৈরী হয় কারখানায়।
🌾দেশী জাতের ধান (মোটা চালের) চালকলে আসার পর শুরু হয় তেলেসমাতি। প্রথমে ধানের খোসা ছাড়ান হয়। খোসা ছাড়ানোর পর চালের অকৃত্রিম/ন্যাচারাল রঙে কিছুটা খয়েরি/বাদামি আভা থাকে। এরপর কেমিক্যাল ও হোয়াইটনার মেশিনের মাধ্যমে চালের খয়েরি/বাদামি আভার আবরণটিকে আলাদা করা হয়। এই আবরণটি বাদ দেওয়ার পর চাল কিছুটা সরু ও সাদা হয়। এখানেই শেষ নয়, পলিশার মেশিনের মাধ্যমে পলিশ করলেই হয়ে গেল মিনিকেট চাল।
🗣️এবার প্রশ্নের তীর তাক করে কেউ বলতেই পারেন- মোটা চালকে এতোভাবে প্রসেস করে মিনিকেট বানালে তো চাল ব্যবসায়ীর ক্ষতি।
এবার ক্ষতির হিসেবটা করা যাক- ১০০০কেজি মোটা চাল প্রসেস করে মিনিকেট বানালে সাধারণত চাল পাওয়া যায় ৯৩৩কেজি, সাদা খুদ ২৬.৫ কেজি, কালো খুদ ১৪কেজি, মরা চাল ৪.৫ কেজি, ময়লা ০.৭৫ কেজি এবং পলিশ ২৭ কেজি। যোগ করলে দেখা যায় এক হাজার কেজি চাল প্রসেস করার পর পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৬কেজি বেশী।
এই ছয় কেজি হচ্ছে জলীয় বাষ্প ও পানি। রাইস ব্রান তেল কারখানাগুলো পলিশ কিনে নেয়, সাদা খুদ বাজারে চালের অর্ধেক দামে বিক্রি হয়। কালো খুদ আর মরা চাল পশুখাদ্য হিসেবে বিক্রি হয়। ভাবছেন চাল প্রসেসের খরচ কত? ১০০০কেজি মোটা চাল প্রসেস করে মিনিকেট বানাতে খরচ হয় মাত্র ৯০০টাকা হতে ১৫০০টাকা। অর্থাৎ কেজিপ্রতি ৯০পয়সা থেকে দেড় টাকা।
🤔মোটা চাল প্রসেস করে মিনিকেট বানিয়ে বিক্রেতা একটু বেশী লাভ করলে ক্রেতার ক্ষতি কি?
ছোট ক্ষতি হচ্ছে ক্রেতা চিকন চালের দামে মোটা চাল কিনছেন, অর্থাৎ কেজিতে ১৫থেকে ২০টাকা পর্যন্ত ঠকছেন। বড় ক্ষতি হলো কেজিতে ১৫ থেকে ২০টাকা বেশী দিয়ে মিনিকেট চাল নয়, ক্রেতা কিনছেন মোটা চালের আবর্জনা। কারণ, প্রসেস করার মাধ্যমে চালের উপরি আবরণ (bran অর্থাৎ pericarp, seed coat, aleurone layer, embryo) বা পুষ্টিকর অংশ বাদ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, চালের সর্বমোট ৮৫ ভাগ ভিটামিন B3 থাকে pericarp–এ, প্রোটিন আর ফ্যাট থাকে Aleurone layer -এ, খনিজের ৫১ ভাগ ও মোট আঁশের ৮০ ভাগ থাকে bran –এ, ভিটামিন B1 ও ভিটামিন E থাকে embryo -তে। চালের সব পুষ্টিকর উপাদান তেলের মিলে বিক্রির জন্য প্রসেস করে আলাদা করার পর চাল আর চাল থাকেনা, হয়ে যায় চালের আবর্জনা।
❌ মিনিকেট চাল নামে চালের আবর্জনাকে যতোটা ক্ষতিকর মনে করছেন বাস্তবে আরও বেশী ক্ষতিকর। মোটা চালকে মিনিকেটে রূপান্তর করার বিভিন্ন পর্যায়ে সোডিয়াম হাইড্রোক্লোরাইড, সোডিয়াম হাইড্রোক্লোরাইড + টুথপেস্ট +এরারুটের মিশ্রণ, সোয়াবিন তেল, ফিটকারি, বরিক পাউডার ব্যবহার করা হয়। প্রতি মৌসুমেই বের হয় নিত্য নতুন কৌশল।
❌ মিনিকেট চালে কখনো পোকা ধরেনা। কারণ পোকাও জানে এই চাল খাওয়ার যোগ্য নয়, এতে পুষ্টিগুণ নেই।
অথচ দেখতে সুন্দর এই অখাদ্যকে আমি আপনি আমাদের পরিবার কে নিশ্চিন্তে খাওয়াচ্ছি এবং নিজেরাও খাচ্ছি!
কিন্তু কেন!?😕
✨শুধু চাল নয়, এমন আরও হাজারো অখাদ্য, আবর্জনা আমরা প্রতিনিয়ত খেয়ে যাচ্ছি জেনে- না জেনে আর তার ফলাফল স্বরূপ ভুগতে হচ্ছে কঠিন কঠিন রোগে সেই সাথে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যাচ্ছি এক ভয়াবহ অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও জীবনব্যবস্থা!
হিসেব টা মেলানো খুবই সহজ, বাড়িতে কোনো মুরব্বী থাকলে একটু জেনে নিতে হবে আগেকার দিনে তারা কেমন খাবার খেয়ে জীবন যাপন করেছে আর তাদের রোগ বালাই কেমন ছিলো এবং তাদের চিকিৎসা-ই বা কেমন ছিলো।
আজকের দিনে আমরা হাজারো নিত্য নতুন রোগে আক্রান্ত হচ্ছি আর নিত্য নতুন ঔষধ সেবন করে চলেছি যা একটা রোগকে ঠিক করে আরো শত রোগের জন্ম দিচ্ছে আমাদের শরীরে। এ যেনো এক চোরাবালির মধ্যে ডুবে আছি আমরা।
"সুস্বাস্থ্য যেমন
সকল সুখের মূল,
ঠিক তেমন
স্বাস্থ্যকর খাবার সুস্বাস্থের মূল।"
(সংগৃহীত)
রিপোস্ট
1 995
Mature audience only
আমাদের সমাজে মেয়েদের ভার্জিনিটি নিয়ে খুব মিস্কনসেপশন রয়েছে । আজ ৫ টি বুলেট পয়েন্টের মাধ্যমে খুব স্বল্প ভাবে এগুলা সায়েন্টিফিক ভাবে DEBUNK করবো ।
যেহেতু আমাদের সমাজে ভার্জিন মনে ভ্যা*জাইনার ইলাস্টিসিটি এবং হাইমেন/সতীচ্ছেদ এর উপর । তাহলে ~
১) গবেষণায় দেখা গিয়েছে পৃথিবীর অনেক নারী একাধিক পুরুষের সাথে ইন্টিমেট হবার পরেও তাদের হইমেন ছিঁড়ে যায় নাই আবার অনেকের জন্মগত ভাবেই এটা নাই ।
২) কারো ঢিলা হলেই সে যে ভার্জিন না তা আরেক মিস কনসেপশন । রিসার্চ অনুয়ায়ী টিন এজ এর মেয়েদের ও এমন ঢিলা হতে পারে ।
৩) ভ্যাজাইনা মেকানিকাল স্প্রিং এর মত । এটা দিয়ে অনেক কিছু প্রবেশ করে এমনকি বাচ্চা বের হয়েও ঢিলা হয়েগেলেও আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসে একটি নির্দিষ্ট সময় পর । এইভাবে ৬-৭ বাচ্চার মা ও তো ভার্জিন হতে পারে ভাই।
৪) এক নারী ১০০ পুরুষের সাথেও মিলিত হলেও "সেলফ ভার্জিন প্রসেস " এর মাধ্যমে ন্যাচারালি ভ্যাজাইনার ইলাস্টিক প্রকৃতির জন্য আবার সে ভার্জিন হতে পারে।
৫) ক্যাগেল এক্সারসাইজ এর মাধ্যমে নিয়মিত ব্যায়াম করলে ইলাস্টিসিটি আগের মত ফিরিয়ে আনা যায় ।
সায়েন্টিফিক ভাবে এইটা অসম্ভব এই হিস্টোরি বের করা । এই অঙ্গ এমন কোনো রেকর্ড রাখেনা । ভার্জিনিটির ডেফিনেশন নেই কোনো । এটা একটা গুজব । আপনার যেই বন্ধু এসব নিয়ে মজা নিবে তাদের এই পোস্ট পড়ে শিক্ষা নিয়ে যেতে বলবেন ।
1 995
Repost from Somoynews.tv
দেশে বাড়তে শুরু করেছে এ প্রতারণার জাল। যেকারণে প্রায়ই বোকা হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা। তারা বলছেন, ভুয়া বার্তা পাঠানোর পাশাপাশি...
বিস্তারিত : https://www.somoynews.tv/news/2023-12-26/1VzvYFV8
1 995
Free British Council IELTS Preparation Online | @everyone
Listening
https://takeielts.britishcouncil.org/take-ielts/prepare/free-ielts-practice-tests/listening
Reading
https://takeielts.britishcouncil.org/take-ielts/prepare/free-ielts-practice-tests/reading/academic
Writing
https://takeielts.britishcouncil.org/take-ielts/prepare/free-ielts-practice-tests/writing
Speaking
https://takeielts.britishcouncil.org/take-ielts/prepare/free-ielts-practice-tests/speaking
Application Deadline:
There is no deadline. You can join anytime.
1 995
আস-সুন্নাহ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের এবারের আয়োজন ‘স্মার্ট টেইলারিং এবং ফ্যাশন ডিজাইন ব্যাচ-২)’। এই কোর্সে শেখানো হবে— টেইলারিং, টাই-ডাই, ব্লক-বাটিক, হ্যান্ড এম্ব্রয়ডারি ও ক্র্যাফটিং, ফ্যাশন ডিজাইন (বেসিক), বিজনেস ডেভেলপমেন্ট (বেসিক)এবং মৌলিক দীনি জ্ঞান।
🟩 কোর্স সংক্রান্ত জ্ঞাতব্য:
✅ ভর্তি ফি: ৫ হাজার টাকা (অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে)।
✅ প্রশিক্ষণ ফি: ৩০ হাজার টাকা (যাকাতের হকদারদের আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত স্কলারশিপের ব্যবস্থা রয়েছে।)
✅ আবাসন ও খাবার: ২৫ হাজার টাকা (যাকাতের হকদারদের জন্য উন্নত মানের আবাসন ও খাবার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ফ্রি।
📆 কোর্সের মেয়াদকাল: ৩ মাস।
✅ কোর্সটি সম্পূর্ণ আবাসিক।
🔗 বিস্তারিত জানতে ও আবেদন ফরম ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন:
docdro.id/AVRj9UN
📍 আবেদনপত্র প্রেরণের ঠিকানা:
আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন
প্লট- ৭০, রোড ৩, ব্লক-সি, আফতাবনগর, ঢাকা-১২১২
(সুন্দরবন কুরিয়ারে হোম ডেলিভারি হিসেবে পাঠাতে হবে।)
✆ 01958277605 ( পুরুষ)
✆ 01409979956 ( মহিলা)
☎ +8809649222255
1 995
// বেশ কয়েকবছর আগে, উত্তরা কেন্দ্রীয় জামে মাসজিদের খতিব শাইখ রফিকুল ইসলাম সাহেবের কাছে শুনেছিলাম প্রতি শুক্রবার উনার মাসজিদের দানবাক্স থেকে গড়ে আয় হয় দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা।
ঢাকার সব বড় বড় মাসজিদগুলির মোটামুটি একই অবস্থা। বাংগালি মুসলমানেরা সারা সপ্তাহ সলাত আদায় করুক আর না করুক তারা শুক্রবারে জুম'আ পড়ে এবং দানবাক্সে দশ টাকা হলেও দান করে। এখন মাসজিদ কমিটিগুলি এত টাকা কি করবে?
ঠাকুরগাঁও এ গিয়েছিলাম একটা কাজে সেখানে দেখলাম মাসজিদের বারান্দার দেওয়ালের রং করা প্লাস্টার তুলে ফেলা হচ্ছে টাইলস লাগানোর জন্য। ইশ! এই টাকা গুলি যদি কোন দরিদ্র কোন এলাকার মাসজিদ নির্মাণের পেছনে ব্যয় করা যেত! ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিবদের যথাসময়ে বেতন দেওয়া যেত। দ্বীনের প্রচারের জন্য খরচ করা হতো। কতই না উত্তম হতো!
খ্রিস্টান মিশোনারিজদের ধর্ম প্রচারের আয়ের একটা বড় খাত হচ্ছে গীর্জা। বিদেশে তো পরিবার ভেংগে যাচ্ছে। মৃত্যুর পর মাটি দেওয়ার জন্য ছেলেমেয়েরা খরচ করতে চায়না। তাই বিদেশীরা কোন না কোন চার্চ বা গীর্জায় নিজেদের নিবন্ধন করে রাখে। চার্চের সাথে চুক্তি থাকে তাদের আয়ের এক চতুর্থাংশ প্রতিমাসে চার্চে দান করতে হবে, তাহলে মৃত্যুর পর চার্চ থেকে খ্রিস্টান রীতি অনুযায়ী শেষকৃত্যের আয়োজন করা হবে।
এখন চার্চের এত পয়সা তারা কোথায় খরচ করবে! তখন সেগুলি দিয়ে তারা থার্ড ওয়াল্ড কান্ট্রিতে ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে খরচ করে। খুব অর্গানাইজ ওয়েতে। কোন একটা গ্রাম প্রথমে তারা বেছে নেয়। তারপর সেই গ্রামের বিশাল এলাকা জুড়ে জমি কেনে। এতে প্রভাব বিস্তার করা সহজ হয়।
তারপর সেই জমিতে প্রায় বিনামূল্যে সেবাদানের জন্য হাসপাতাল বানায়। স্কুল খোলে। গ্রামের বাচ্চাদের পড়ায়। রিসোর্ট তৈরী করে নাম দেয় সৎ সংগো কুঠি। দরিদ্র মানুষকে টার্গেট করে সেই কুঠিতে নিয়ে এসে আদর আপ্যায়ন করে। যিশুর মহানুভবতার গল্প শোনায়।
একপর্যায়ে স্কুলের ব্যবসা জমে গেলে সেখান থেকেও বিপুল পরিমাণে আয় করে। দিনাজপুরের একটা স্কুলের নাম বলছিনা, বছরের শুরুতে শুধু কেজি আর নার্সারির বাচ্চা ভর্তির সেশন ফি আদায় করে কোটি টাকার উপরে। তাও ভর্তি হওয়ার জন্য মাত্র ৩ দিন সময় দেয়। মুসলমানের বাচ্চারা ভোরবেলা থেকে অপেক্ষা করে লাইন ধরে ভর্তি হয়। //
- Ariful Huq
যারা মাসজিদ কমিটিতে আছেন তাদের কাছে অনুরোধ - মানুষের দানের টাকা অপচয় না করে
১/ ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং খতিবদের সম্মানজনক সম্মানী দিন।
২/ গ্রামে গঞ্জে ইসলাম প্রচারে কাজে লাগান।
1 995
বর্তমান দুনিয়ায় লিগ্যালি ভালো এমাউন্টের টাকা ইনকামের জন্য একজন মানুষের যেসব স্কিলে দক্ষ হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি, সেগুলো হলো:
* প্রযুক্তিগত দক্ষতা: বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তির প্রভাব ব্যাপক। তাই প্রযুক্তিগত দক্ষতা থাকলে ভালো চাকরি বা ব্যবসা করার সুযোগ অনেক বেশি। প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের জন্য বিভিন্ন ধরনের কোর্স করা যেতে পারে, যেমন:
* কম্পিউটার সায়েন্স
* আইটি
* ডেটা সায়েন্স
* সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং
* অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট
* ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
* মেশিন লার্নিং
* আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
* বৈজ্ঞানিক দক্ষতা: বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় দক্ষতা অর্জন করলেও ভালো চাকরি বা ব্যবসা করার সুযোগ রয়েছে। যেমন:
* মেডিসিন
* ইঞ্জিনিয়ারিং
* কৃষি
* রসায়ন
* পদার্থবিদ্যা
* গণিত
* বাণিজ্যিক দক্ষতা: বাণিজ্যিক দক্ষতা থাকলে ব্যবসা করার সুযোগ অনেক বেশি। বাণিজ্যিক দক্ষতা অর্জনের জন্য বিভিন্ন ধরনের কোর্স করা যেতে পারে, যেমন:
* মার্কেটিং
* বিপণন
* হিসাববিজ্ঞান
* ব্যবস্থাপনা
* অর্থনীতি
* ভাষাগত দক্ষতা: বর্তমান বিশ্বে আন্তর্জাতিক যোগাযোগের জন্য ভাষাগত দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই একাধিক ভাষা জানলে ভালো চাকরি বা ব্যবসা করার সুযোগ অনেক বেশি।
* ক্রিয়েটিভ দক্ষতা: ক্রিয়েটিভ দক্ষতা থাকলে বিভিন্ন ধরনের শিল্প ও সাহিত্যে ভালো করার সুযোগ রয়েছে। যেমন:
* সঙ্গীত
* চিত্রকলা
* সাহিত্য
* চলচ্চিত্র
* থিয়েটার
* সমাজিক দক্ষতা: সমাজিক দক্ষতা থাকলে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে। যেমন:
* নেতৃত্ব
* যোগাযোগ
* সমস্যা সমাধান
* দলগত কাজ
উল্লেখ্য, এই স্কিলগুলোর মধ্যে যেকোনো একটি বা একাধিক স্কিল অর্জন করলেও ভালো চাকরি বা ব্যবসা করার সুযোগ রয়েছে। তবে, স্কিল অর্জনের পাশাপাশি সেই স্কিলগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জন করাও জরুরি।
এছাড়াও, বর্তমানে কিছু নতুন ট্রেন্ড রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে ভালো এমাউন্টের টাকা ইনকাম করা সম্ভব। যেমন:
* ব্লগিং ও ইউটিউবিং: এই দুটি মাধ্যমে নিজের দক্ষতা বা জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে ভালো পরিমাণে আয় করা সম্ভব।
* ফ্রিল্যান্সিং: ফ্রিল্যান্সিংয়ে বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য নিয়মিত চাহিদা রয়েছে। তাই, ফ্রিল্যান্সিংয়ে দক্ষতা অর্জন করলে ভালো আয় করা সম্ভব।
* ক্রিপ্টোকারেন্সি: ক্রিপ্টোকারেন্সি বর্তমানে একটি জনপ্রিয় বিনিয়োগ মাধ্যম। তাই, ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করলে ভালো লাভবান হওয়া সম্ভব।
উপসংহারে বলতে পারি, বর্তমান বিশ্বে ভালো এমাউন্টের টাকা ইনকাম করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সুযোগ রয়েছে। তাই, নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সেই সুযোগগুলো কাজে লাগানো সম্ভব।
1 995
নারী ও পুরুষ দুজনের শরীরই নশ্বর।
অর্থাৎ দিনে দিনে সব শেষ হয়ে যাচ্ছে ভিতর থেকে ।
তবুও এই শরীর পরস্পরকে চায় আনন্দের জন্য। মিলনের এই স্পৃহা কখনো শেষ হয়ে যায় না।
তবে মিলন -
সৃষ্টির লক্ষ্যে হওয়া উচিত।
নারী পুরুষের দৈহিক মিলনের মধ্যে
তিনটা ক্রাইটেরিয়া রয়েছে।
প্রথমত:
বিনোদন যেটা শারীরিক।
দ্বিতীয়তঃ
উৎপাদন ।
যেটা পরবর্তী জেনারেশন সৃষ্টি করার জন্য।
তৃতীয়তঃ
সাধন !
অর্থাৎ এই পৃথিবীতে টিকে থাকতে হলে,
যে সাধনার প্রয়োজন মানুষের ,
তার জন্য একটা স্টেশন বলা চলে নারী।
সেটা পুরুষের স্টেশন।
আর পুরুষ
-নারীর স্টেশন।
তবুও নারী পুরুষ নফসের কারাগারে
বন্দি বলেই,
প্রতিনিয়ত পরস্পরের শরীরকে চায়
উদ্দাম হয়ে।
মনের চাঁদকে পূর্ন করার জন্য যে চাহাত এই নফসের মধ্যে রয়েছে,
পৃথিবীতে শরীর নিয়ে জীবিত থাকতে
যে অতৃপ্ত বাসনা রয়েছে ,
তা- কোন দিনও ফুরাবে না।
@Panna Chowdhury
1 995
২০২৪ চলে আসছে। সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে সামনের দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে।স্কীল ছাড়া দুনিয়াতে কেউ এখন টিকতে পারবেন না। দুনিয়া এখন অনেক নিষ্ঠুর। যত স্কীল হবেন, ততই আপনার জন্য অনেক অনেক ইনকামের পথ খোলা থাকবে।
আপনি সারভাইভ করতে পারবেন। ২০২৪ এর শুরু থেকে স্কীল হওয়ার জন্য প্রস্তুতিত নিন আজই।
1 995
মেয়েদের বিয়ের বয়স! (সুস্থ ম/-স্তি-/ষ্কে মন দিয়ে পড়ুন প্লিজ!)
বাংলাদেশের মিডল ক্লাস আর হাই সোসাইটির মেয়েদের এখন লেইট ম্যারেজ হচ্ছে! সোজা বাংলায় বললে বিয়ে হচ্ছে না! একজন পুরুষ যখন সাতাশ আঠাশ বা ত্রিশে বিয়ে করতে মনস্থ হচ্ছে, সেই বয়সেও মেয়েদের বিয়ে হওয়া টাফ হচ্ছে!
এর কারণ একটাই! স্যোশাল প্রোপা-গান্ডা... এখন বিয়ে দেবনা/করবনা/লেখাপড়া শেষ হোক/কিছু করে নিজের পায়ে দাঁড়াক!
এসব করতে করতে এখন আঠারো/বিশের নারীদের জন্য বিয়ের প্রস্তাব আসাটাই বন্ধ হয়ে গেছে বলা চলে! সবাই ধরেই নেয়, সবে ইন্টার দিল! হয়তো এখন কি আর বিয়ে করবে বা দিবে পরিবার?
অনার্স, মাস্টার্স, ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারিং, হেন-তেন না পড়ালে বা পড়ার শেষ পর্যায়ে না থাকলে বিয়েতো দেবেনা! আর ঐ বয়স হওয়া পর্যন্ত নারীটির দেহের চাহিদা, মনের চাহিদা সব খট-খটে হয়ে যায়।
আর বিয়ে যেসব নারীদের জন্য প/নে/রো, ষো-ল, স-তে-রো, বা বিশ বছরে শারিরীক চাহিদার ক্ষেত্রে অবশ্যই ফরজ (ফিকাহ বা শরীয়ত অনুযায়ী ও যদি বলি) হয়ে পড়েছে, তারা চরম বিপাকে পড়ে! স্বাভাবিক তাড়নায় যদি অন্য দিকে চলে যায়, সমাজ তার চ-রি-ত্র নিয়ে কথা বলবে! কিন্তু সহজে বিয়ে হবেনা!
কারণ, কালচারে মিশে গেছে পঁচিশ বছরেও মেয়েরা আজকাল "বাচ্চা মানুষ" থাকে।
ও তো ছোট! এত তাড়াতাড়ি কিসের বিয়ে?
সাথে সাথে মেয়েগুলো ও আহ্লাদী কন্ঠে বলে, "এত তাড়াতাড়ি বিয়ে করবনা..."
আমি বলি, এত না-ট-ক করার কি আছে? মনে হয়, তোমাদের বিয়ে করার জন্য লা-ই-ন লেগে আছে? যাকে পছন্দ, তাকে তোমরা বরমাল্য দিবা? আসল বাস্তবতা হল, যতই জা-ত, বংশ, রূ-প, গু-ণ থাকনা কেন, এখন মেয়েদের জন্য বিয়ের প্রস্তাবই আসছেনা! আসলেও খুবই কম। অভিভাবকদের নাক সিঁটকানো স্বভাব দায়ী এজন্য, ঐ যে..."এখন বিয়ে দেবনা!"
তাদের মেয়েরা বিশাল বড় বড় পো-স্টে আসীন হবে, তারপর বিয়ে করবে! বাহ্! কেন সকল নারীকে বিশাল সব পোস্টে জব করতেই হবে?! ইস-লাম কি নারীদের অর্থনৈতিক দায় দায়িত্ব দিয়ে রেখেছে?
তাহলে নিজের ঘাড়ে অত প্রে-সা-র নেয়া কেন? যারা স্পেশাল মেধাসম্পন্ন তাদের কথা আলাদা। তারা করুক....কিন্তু এলেবেলে যেনতেন সবাই এই ক্যারিয়ারের পিছে ঘুরার ফলাফল : বিয়ে হচ্ছে না আজকাল নারীদের সঠিক বয়সে!.
মেয়েদের যৌ-ব-নে-র আবেগ স্বাভাবিকভাবেই ত্রিশের পর শেষ হতে শুরু করে। তখন গিয়ে তারা প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিয়ে করে। তারপর ফিলিংলেস হৃদয় ও বদনে (তনু মনে) স্বামী সংসার করতে থাকে। একসময় বি-র-ক্ত হয়ে ডি/ভো/র্সে গড়ায়! আবেগের বয়সে, সঙ্গীকে আবিস্কারের বয়সে বিয়ে না করলে এমনটাইতো হওয়ার কথা! শিথিল আবেগ দিয়ে মহা-প্রেম, অমর প্রেম সম্ভব?
যায়হোক, শেষবয়সে কন্যাদায়গ্রস্ত পিতাদের আহা-জারি বাংলাদেশে এখন দেখার মত! ভেতরে ভেতরে নিঃশেষ হচ্ছে বহু মেয়ে, যাদের এখনো বিয়ে হয়নি! দেখা যায়, তার ছোট অনেকের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে, তার হচ্ছে না! শহরে এ বাস্তবতা প্রকট আকার ধারণ করেছে!
আরেকটা বিষয়, বিশ বাইশ বছরের শিশু ও বেশি হলে কিশোরী (!)দের মায়েরা, তাদের মেয়েদের কোন দিকেই সাং-সারিক ও সামা-জিকতায় পরিপক্ক করে তুলেননা! ফলাফল তারা পরবর্তী সংসার জীবনে এডজাস্ট করতে পারেনা!
পরিশেষে, "যে যুগ হয়েছে বাসী...
সে যুগে নারীরা ছিল রাণী হয়ে,
এখন হয়েছে দা/সী!" (স্বরচিত পংক্তি)
প্লিজ, ব্রে-ইন-টা হাতে নিয়ে একটু চিন্তা করুন সবাই! সময়ের কাজ সময়ে করান। দুপুরের ভাত বর্জন করে রাতে খেতে থাকলে গ্যা/স্ট্রি/ক তো অনিবার্য!
~ শাহেদা নাঈম!
1 995
Being a ব্যাডা মানুষ isn’t so easy, প্রিয় মহিলার জন্য ব্যাডা মানুষ তার জানালার পাশের সিট স্যাক্রিফাইস করে দেয়, রাস্তায় হাঁটার সময় যানবাহনের সাইডে ব্যাডা মানুষ থাকে, রিকশাতে উঠলে সেইফ জোনে ব্যাডারা তার প্রিয় মহিলাকেই রাখে।
বাবা, ভাই, স্বামী সবাই ব্যাডা মানুষ। একজন মহিলার জীবনে এই ব্যাডা মানুষেরা না থাকলে জীবন অর্থহীন হয়ে যেতো। ব্যাডাদের প্রতি বিদ্বেষ রেখে নারীর সুন্দর জীবনের বিলাসিতা করা পাপ।
I have huge respect for men no matter how much I suffer.
লেখা:সুমি আক্তার
1 995
ঝাল লাগলে পানি নয়, লিকুইড দুধ খাবেন । দুধের মধ্যে casein বলে একধরনের প্রোটিন আছে । এটি মরিচের ঝাল কমিয়ে দেয় । মরিচের ঝাল হয় capsaicin উপাদানটির কারণে । দুধের casein উপাদানটি জিব্বায় স্বাদের রিসেপ্টরের উপর একটি আবরণ তৈরি করে । এতে মরিচের ঝালের উপাদান capsaicin তখন জিব্বায় লেগে থাকা দুধের casein উপাদানটির দ্বারা নিষ্ক্রিয় হয়ে যায় । আর তাতে ঝাল কম মনে হয় তখন ।
- ডা. অপূর্ব চৌধুরী
1 995
সাইট লঞ্চের বিস্তারিত আপডেট এই টেলিগ্রাম চ্যানেলে আলোচনা হচ্ছে
🔗 t.me/Halal_Jobs
1 995
যারা সহ-শিক্ষা কিংবা ফিতনার পরিবেশ থেকে বের হতে চান, নারীদের মূল ক্যারিয়ার—সন্তান পরিবারকে সাহাবীগণের মতো গড়ে তুলতে চান, শুধু তাদের জন্য!
প্রকৃতপক্ষেই শিক্ষিত হতে চাইলে দ্বীনি ইলম অন্বেষণ করুন, না হলে সন্তানকে উত্তমভাবে নার্সিং করবেন কিভাবে!
• অন্তত এগুলো জানার চেষ্টা করুন/শিখুন—
১. ফরজ ইলম (মৌলিক আকিদাহ, ফরজ ইবাদাত ও দায়-দায়িত্ব এবং হালাল-হারামের ইলম),
২. সুন্নাতি লাইফস্টাইল সম্পর্কিত ইলম,
৩. সাহাবীগণের জীবনী,
৪. বড় বড় মুসলিম মনীষীগণের জীবনী, বিশেষ করে কিভাবে তারা বেড়ে উঠছে, কিভাবে তাদেরকে নার্সিং করা হয়েছে,
৫. শিশুদের সাইকোলজি ও মুসলিম পুরুষের সাইকোলজি,
৬. পরিবারের নিউট্রিশন, ফিটনেস, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য জরুরি ইনফো সমূহ,
৭. রব্বায়াতুল বাইত (বাড়ির রানী) হিসেবে দায়িত্ব ও করণীয় সমূহ,
৮. এবং সাংসারিক দক্ষতা-কাজকর্ম (রান্না, সেলাই ইত্যাদি)
iOT-এর যুগে এগুলো শেখার উপায় নেই বললে, সে আসলেই অতিমাত্রায় ব্যাক-ডেটে-ড!
এর বিপরীতে প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় ডক্টরেট থাকলেও আমরা তাকে জা_হি_ল/মূ-★র্খ-ই গণ্য করবো, সার্টিফাইড মূ_★র্খ।
1 995
স্ত্রী আপনার সংসারের সবুজ বৃক্ষ, তার যত্ন নিন।তাকে আপনার মেজাজের উত্তাপে বিবর্ণ করবেননা।তাকে ভালবাসুন।কাপুরুষের মত তার সাথে যুদ্ধে লিপ্ত না হয়ে,ভালবাসা আর সহমর্মিতা দিয়ে সংসার সামলানোর গুণ অর্জন করুন।আপনার স্ত্রীকে আপনার সেবা করতে বাধ্য করবেননা,আপনাকে ভালবাসতে বাধ্য করবেন।দেখবেন খেদমত অনায়াসে পেয়ে যাবেন।
ইনশাআল্লাহ।
1 995
মারজুক রাসেলের একটা কথা আছে, "তুমি কারো কাছে ডাইল-ভাত, কারো কাছে কাচ্চি।"
কথাডা ডাহা সত্য। আমরা কারো-কারো কাছে দু-পয়সারও দাম পাই না; আবার কারো-কারো কাছে বিশেষ প্রায়োরিটি পাই।
সমস্যা হইলো, আমরা ঘুইরা-ফিরা তাদের কাছেই যাই, যাদের কাছে আমরা ভ্যালুলেস। আর যারা আমাদের প্রায়োরিটি লিস্টের উপরে রাখে, তাদের সঙ্গ আমাদের ভালো লাগে না।
মানুষ হিসেবে আমরা যথেষ্টই বেকুব। ডাইল-ভাতের হোটেলে গিয়া কাচ্চির আশায় বইসা থাকি।
1 995
আমরা মুসলিম!
ছাত্র রাজনীতি, র্যাগ ডে, ওরিয়েন্টেশন এর নোংরামি আমাদের নয়।
আমরা মুসলিম!
ভার্সিটির ফ্রিমিক্সিং ট্যুর, পিকনিক এগুলো আমাদের জন্য নয়।
আমরা মুসলিম!
ভার্সিটিতে ছেলে মেয়ের একসাথে যে ছবি (ফটোগ্রাফি) তোলা হয় বিভিন্ন উপলক্ষ্যে, এটাতে অংশগ্রহণ আমাদের জন্য নয়।
আমরা মুসলিম!
হলে রাত জেগে খেলে দেখা, খেলা উপভোগ, পছন্দের টিম হারলে মন খারাপ, এটা নিয়ে তর্ক বিতর্ক এগুলো আমাদের জন্য নয়।
আমরা মুসলিম!
অকারণ চায়ের কাপের আড্ডা, সময় নষ্ট আমাদের জন্য নয়।
আমরা মুসলিম!
ল্যাবমেট, গ্রুপমেইট এর নামে আমাদের ছেলেদের কোন বান্ধবী, বা মেয়েদের কোন বন্ধু থাকতে পারে না। কোন তুই তুখারির সম্পর্কও না।
যদি আমাদের বোনেরা ফেইলও করে, তবুও কোন ছেলের থেকে তার নোট, সাহায্য ইত্যাদি নেবার উসিলায় কমিউনিকেশন করা তার জন্য না। বান্ধবী, সিনিয়ির আপু আছে৷ ইউটিউব আছে৷ আর যদি কিছুও না থাকে তবুও না৷ লেখাপড়া ছেড়ে দিতে হলে, তবুও না৷
আমাদের ভাইদের উচিৎ, ক্লাসমেট মেয়েদের আগুন মনে করা। ততটাই দূরে থাকা যতটা মানুষ আগুন থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করে।
যে মুসলিম, সে আত্মসমর্পণ করেছে!
তাই দ্বীনে এক বিন্দু ছাড় নয়, এক্সট্রিম স্ট্রিক্ট হতে হবে৷
— Shah Mohammad Tonmoy
1 995
মাহমুদুল হাসান সোহাগ ভাইয়ের প্রতিষ্ঠান হিসেবে উদ্ভাসকে আমরা সবসময় প্রায়োরিটি দিই। উদ্ভাসের স্ট্র্যাটেজি এবং পার্ফমেন্সের দিক চিন্তা করলে এখনো সারাদেশে এডমিশন কোচিংয়ের জন্য অদ্বিতীয়।
এডমিশনের সময় তথা উঠতি বয়সী ছেলেমেয়েদের মধ্যে যেমন আবেগ বেশি কাজ করে তেমনি সাকসেসের ডেফিনিশনটাও এই সময়ে ভিন্ন হয়। এই দেশের অন্তত নব্বই শতাংশ ছেলে-মেয়ের স্বপ্ন পাবলিক ইউনিভার্সিটি, লাইফের একটা মাইলস্টোন হিসেবে পাবলিকে চান্স পাওয়ার মতো বিষয়টাকে দেখা হয়। এই গোল সেট করাটা বাস্তবসম্মত কি না এই ব্যাপার আপাতত থাক।
এই ভূমিকা তুলে আনার পেছনে কারণ হচ্ছে এই সময়টাতে মেয়েরাও ব্রেইনওয়াশড হয়ে পাবলিকে চান্স পাওয়াটাকেই জীবনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য বানিয়ে ফেলে। পাবলিকে ভালো রেজাল্ট করে সদ্য চান্স পাওয়া বড় ভাইয়েরা যেহেতু উদ্ভাস, উন্মেষের মতো বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের টিচার হিসেবে থাকে তাই মেয়েদের কাছে এই ভাইয়ারাই তখন সফলতম পুরুষ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
তখন জিনিসটা হয় কী, এই ভাইয়াদের প্রতি মেয়েদের মেজরিটির উইকনেস তৈরি হয়। এই কথিত ভাইয়াদের সাথে বয়সের গ্যাপও কম। কোচিং করতে আসলে ভাইয়েরা জীবনের মানে, সফলতার ডেফিনিশনসহ নিজেদেরকে তুলে ধরার একটা মোক্ষম সুযোগ পায়। এই সুযোগটা কাজে লাগিয়েই মেয়েদের উইকপয়েন্টে হিট করে তাদের লাইফে এন্ট্রি নেয়া খুব সহজ ব্যাপার। মেয়েদের দোষ নেই এমনটাও বলছি না। এসব মেয়ে এমনিতেই জেনারেল এডুকেশনে থেকে না ধর্মীয় বিধিনিষেধ শেখে, না নৈতিকতা শেখে।
তখন এই মেয়েদের সামনে রঙিন এক জীবন উপস্থাপন করা হয়, যেখানে কোনো বাধা নেই, লিমিটেশন নেই। এই জীবনে এন্ট্রি নিতে শুধু “পবিত্রতা বিসর্জন” দেয়া প্রয়োজন। পবিত্রতাকে তুচ্ছ হিসেবে উপস্থাপন করে লাইফের আল্টিমেট গোল হিসেবে তথা ভার্সিটিতে একটা সিট এনশর করাই মূখ্য হয়ে ওঠে। বিয়ের মতো বিষয়গুলোকে তখন নোংরা উদ্দেশ্য সার্ভ করার জন্য ক্ষতিকর হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।
যাই হোক, সার্বিক পরিস্থিতি বর্ণনা করার কারণ হলো সম্প্রতি একটা ভিডিও ভাইরাল হয় উদ্ভাসের শিক্ষক সৈয়দ ইমতিয়াজ তানভীরের একটা অডিও কল থেকে যেখানে সে এক শিক্ষার্থীকে বুয়েটে চান্স পাওয়ার জন্য, একাডেমিক হেল্প পাওয়ার জন্য শারীরিক সম্পর্কের প্রতি উৎসাহিত করে। এই লম্পটের বক্তব্য অনুযায়ী সে এরকম অনেক মেয়েকে দেখেছে যারা এভাবে শরীর বিলিয়ে এখন বুয়েটে চান্স পেয়েছে, সুন্দরভাবে জীবন কাটাচ্ছে। একাডেমিক হেল্পের জন্য শরীর বিলিয়ে দেয়াটাই নাকি এখন মেইনস্ট্রিম।
সোহাগ ভাই অনলাইনে থাকেন না বিধায় এমন বিষয়গুলো উনার জানা নেই হয়তো। উদ্ভাসের অনেক ব্রাঞ্চে ছেলে মেয়ে আলাদা শিফটে পড়ে এটা অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য। কিন্তু বিপরীত লিঙ্গের শিক্ষককে দিয়ে পর্দার ব্যবস্থা ছাড়া পড়ানোটা সমাজে কেমন বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে এই বিষয়টা উনার সামনে তুলে ধরা দরকার। আমি প্রতিষ্ঠানকে ব্যক্তির কাজের দায় দিচ্ছি না। উনার নাম তুলে আনারও কোনো অসৎ উদ্দেশ্য নেই ওয়াল্লাহি! কিন্তু উনার প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অবাধ যৌনতা চর্চার সুযোগ যেন, অশ্লীলতার দিকে ডাকার সুযোগ যেন কেউ না পায় এই অনুরোধটা উনার কাছে করতে চাই।
এরকম ঘটনা পূর্বেও ঘটেছে, ভেতরে ভেতরে ঘটে চলেছে। পশ্চিমা বিশ্বের সুগার বেবি কালচারে ইজ্জতের বিনিময়ে টাকাপয়সার লেনদেন হলেও এখানে একাডেমিক হেল্পের আশ্বাসে ইজ্জত বিলিয়ে দেয়ার বিষয়টা আরো কত ভয়াবহ একবার কল্পনা করা দরকার।
এই ধারাবাহিকতা ম্যান্টেইন করে বিভিন্ন কলেজ ভার্সিটির মেয়েরা সরাসরি পতিতাবৃত্তি করে বেড়াচ্ছে বিভিন্ন শহরে এটাও এখন ওপেন সিক্রেট। এই জিনিসগুলো বন্ধের কথা বললে অবশ্য কিছু লোক বলে নারীরা পড়ালেখা ছেড়ে দেবে নাকি? আমার প্রশ্ন হলো কীভাবে এগুলো বন্ধ করা সম্ভব? সমাধানটা শরীয়াহ দিলে সেটা তো মানতে চাই না আমরা। আপনারাই বরং সমাধানটা বলুন!
1 995
বঙ্গ নারীদের লুক্ষম্যাক্সিং এর 5 টি রুলস :
১) খুব কম মেকাপ ইউজ করার ট্রাই করবেন । নিজের ফেইস শেইপ ইমপ্রুভ করুন ফেইস ফরোয়ার্ড গ্রোথ করুন তবেই সুন্দর ফেসিয়াল সিমেট্রি আসবে ।
২) এক্সারসাইজ মাস্ট লাগবেই আপনার শরীর সুস্থ্য থাকার জন্য এবং এস্থেটিক ফিগারের জন্য । আওয়ার গ্লাস ফিগার কে গোল সেট করে এক্সারসাইজ করুন ।
৩) আপনার পার্টনার ছাড়া অন্য কোনো ছেলের সাথে বাড়তি কথা বলা এভয়েড করুন । এদের ডিলিট করে দিন মন থেকে ।কিছু ছেলে জাস্ট আপনাকে ওয়ান টাইম ইউজ এর জন্য দেখবে । আসলে এতে ছেলেদের দোষ নাই ।তাদের ব্রেন এভাবেই ডিজাইন করা ।
৪) ডায়েট সবচেয়ে বেশি ইম্পর্ট্যান্ট । ইস্ট্রোজেন হরমোন বাড়ায় যেসব খাবার সেসব খান । হাই ইস্ট্রোজেন নারী কে পরিপূর্ন নারী বানায়। প্রশস্ত স্তন , ওয়াইড পেলভিক সাইজ এসব কিছুই ইন্ডিকেট করে হাই ইস্ট্রোজেন ওম্যান ।
৫) আপনার বাজে ভাবে শোয়ার অভ্যাস স্কিন রিংকেলস বাড়ায় । বঙ্গ নারী কে রিঙ্কেলস এর জন্য ভালো লাগে না ।তাই ফেসিয়াল ইয়োগা করুন ।
¡Ya disponible! Investigación de Telegram 2025 — los principales insights del año 
