es
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Ir al canal en Telegram

🙂🙂🙂

Mostrar más
1 953
Suscriptores
-124 horas
-67 días
-1930 días
Archivo de publicaciones
ফেসবুকে গ্রুপ অ্যাডমিনদের @everyone ট্যাগের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে সেটিংসে অপশনটা অফ করে ফেলুন।
ফেসবুকে গ্রুপ অ্যাডমিনদের @everyone ট্যাগের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে সেটিংসে অপশনটা অফ করে ফেলুন।

স্বামী-স্ত্রী প্রচন্ড ঝগড়ার পর, স্বামী রাগ করে মাদ্রাসায় চলে গেল। দশ মিনিট পরে স্ত্রীর ফোন, "আমি চললাম, তোমার সংসার, ছেলে মেয়ে সব ফেলে। যে দিকে দু'চোখ যায়। স্বামী ঠিক আছে, যাও বলে ফোনটা কেটে দিল। (এটা বিশ্বাস)! দুপুরে লাঞ্চ টাইমে বাসায় এসে দেখে স্ত্রী কোথাও যায়নি, বাসাতেই আছে এবং রান্না বান্না করে টেবিলে খাবার সাজিয়ে রেখেছে। (এটা মায়া) এরপর দুজন দুই রুমে মুড অফ করে শুয়ে আছে, কারো কোন কথা নেই। কেউ কাউকে খেতেও ডাকছে না, নিজেও খাচ্ছে না। (এটা অভিমান) বিকেলে স্ত্রী তার বাচ্চাকে নিয়ে মাদ্রাসায় চলে গেল। (এটা দায়িত্ববোধ) স্বামী বেচারা প্রচন্ড ক্ষুধার্ত হয়ে ডাইনিং টেবিলে গিয়ে দেখে দুটো প্লেট সাজানো, দুটো গ্লাসে জল ঢালা, তারপর কি ভেবে ফিরে এলো রুমে। ঠিক করলো স্ত্রী এলে দুজন একসাথে খাবে। (এটা অপেক্ষা) রুমে এসে স্ত্রীর মোবাইলে টেক্সট করলো, "তুমি যে কারনে যেতে পারোনি, আমিও সে কারণে খেতে পারিনি।" (এটা ভালোবাসা..!) শুধু ভালোবাসা দিয়ে সংসার টেকে না, সংসার টিকে থাকার জন্য দরকার বিশ্বাস, মায়া, অভিমান, দায়িত্ববোধ এবং অপেক্ষার...। - শায়খ মুখতার আহমদ

❄️ শীতে ওজন কমাতে চান ? ❄️ বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় শীতকালে ওজন কমানো একটু কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। শীতে শরীরের মেটাবলিজম হার কমতে থাকে, সেই সাথে শারীরিক কার্যকলাপের পরিমাণও কমে এই সময়ে। আর শীতকালে খাওয়া-দাওয়ার পরিমাণও বাড়ে। সব মিলিয়ে বাড়তে থাকে ওজন। তবে ৫টি সহজ নিয়ম মেনে চললে শীতেও ওজন কমানো সম্ভব। ✅ কাঁপুনি: শীতে কাঁপুনির জন্য এমন না আপনাকে অনেক সকালে গরম কাপড় ছাড়াই বের হয়ে যেতে হবে। যখন আবহাওয়া সহনীয় হবে তখনই আপনি বের হন গরম কাপড় ছাড়া। হতে পারে বিকাল বা সন্ধ্যার সময় যখন সূর্যের তাপ থাকে না। গবেষণা মতে, শীতে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের কাঁপুনি ঘণ্টাখানেকের ব্যায়ামের সমান। শুধু তাই নয় এটি আপনার পেশী সংকোচনও করে। ✅ স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া: শীতে আমরা বেশি খাই এই বিষয়টি একাধিকবার প্রমাণিত। ঠাণ্ডা আবহাওয়া আমাদের ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। কারণ বেশি মাত্রায় ক্যালোরি খেলে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। শীতকালে খাওয়া-দাওয়া বেশি হবে সে বিষয়টি ঠিক আছে কিন্তু খাবার দাবার যেনো ফাইবার সমৃদ্ধ ও স্বাস্থ্যকর হয়। ফাইবার অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি ঝুঁকি কমায়। একসাথে বেশি খাবার না খেয়ে অল্প অল্প করে খাওয়ার চেষ্টা করুন। ✅ গরম পানি এড়িয়ে চলুন: শীতকালে বেশিরভাগ মানুষ গরম পানি খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু আপনি যদি আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চান তাহলে আপনাকে স্বাভাবিক পানি খেতে হবে। গবেষণায় দেখা গেছে যে শরীরের মূল তাপমাত্রার চেয়ে বেশি ঠাণ্ডা পানি খেলে শরীর কঠোর পরিশ্রম করার জন্য প্রস্তুত হয়।এতে করে ওজন কমানোর জন্য অনেক ক্যালোরি কমাতে সাহায্য করে। ✅ হার্বাল টি ও ব্ল্যাক কফি: দুধ, চিনি দেওয়া চা-কফির পরিবর্তে ব্ল্যাক টি বা কফি খাওয়া শুরু করেন। হার্বাল টি, ব্ল্যাক টি বা ব্ল্যাক কফিতে অ্যান্টি অক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি থাকে। প্রতিদিন এই চা-কফি পান করলে মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায় এবং তা ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। ✅ গৃহাস্থলির কাজ করা: শীতকালে বাইরে যেয়ে ব্যায়াম করার ইচ্ছা না হলে বাড়ির কাজগুলো নিজ হাতে করার চেষ্টা করুন। ঘর পরিষ্কার করা, মোছা, কাপড় ধোওয়া, বাগান করা ক্যালোরি কমাতে সাহায্য করে। বাড়িতে বা অফিসে কাজ করার সময় ৩০ মিনিট পর পর সিট থেকে উঠে হাটাহাটি করুন। এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন - 🔰https://www.facebook.com/groups/149192167228573 🔰 #konna #weightloss #weightlossjourney #fitness #healthylifestyle #motivation #health #healthy #workout #diet #fitnessmotivation #healthyfood #weightlosstransformation #gym #fit #nutrition #fitfam #fatloss #healthyeating #exercise #slimmingworld #weightlossmotivation #transformation #keto

এজন্য, নিজেকে অহেতুক উত্তেজিত করা যাবে না। উত্তেজনা এলে তা প্রশমিত করতে প্রস্রাব করে ওজু করে নিতে হবে। ব্যথা কমাতে হাত দিয়ে পেনিস ধরবেন না। এতে মৈথুন এর সম্ভাবনা বেড়ে যায়। মৈথুন করলে ব্যথাঃ Peyronies Disease এর জন্য হতে পারে। বিস্তারিত পড়ুন https://bit.ly/2YVl67e - ৮ নম্বর পয়েন্ট। ৫. লিঙ্গ উত্তেজিত হলে লাল দাগের মত দেখা যায় দেহের আর সব অংগের মতো পেনিসেও রক্ত সঞ্চালিত হয়। তাই, সেখানেও আছে প্রচুর রক্তনালি। এই রক্তনালিগুলোর কাজ রক্ত সাপ্লাই দেয়া। স্বভাবিক অবস্থায় যতটা রক্ত সঞ্চালিত হয়, তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি সঞ্চালিত হয় যখন আপনি উত্তেজিত হন। ফলাফল হিসেবে আপনার পেনিস দৃঢ়, শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। আপনার ক্ষেত্রেও ব্যপারটি তা-ই। একারণেই সকালে 'মর্নিং ইরেকশন' হলে বা, স্বপ্নদোষ হলে অথবা অযথাই হস্তমৈথুন করে নিজেকে উত্তেজিত করলে রক্তনালিগুলোতে অতিরিক্ত রক্ত চলে আসে, আর তখন সেটাই আপনি লাল দাগের মতো দেখতে পান। তবে লক্ষ করবেন- ▪️রক্তনালি গুলো হাত দিয়ে ধরে মৃদু চাপ দিলে ব্যথা অনুভূত হয়? ▪️পেনিস বা অন্ডকোষে অস্বাভাবিক রকম ফোলা মনে হয়? এরকম কিছু ব্যপার যদি থাকে তবে একজন ইউরোলজিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ৬. আমার পেনিসের গোঁড়া চিকন আগা মোটা, এটা কি কোন সমস্যা? পেনিসের গোঁড়া চিকন আগা মোটা এটা কোন সমস্যা নয় । স্কুল জীবন থেকেই রাস্তাঘাটের তথাকথিত হার্বাল, কবিরাজ এবং ভেষজ ডাক্তারদের বিভ্রান্তিকর লেকচার শুনতে শুনতে অনেকের মধ্যেই এ বিষয়ে একটা বদ্ধমূল ভূল ধারণা তৈরি হয়ে আছে। গোঁড়া চিকন আগা মোটা বা বাঁকা পেনিস যৌনমিলনে কোন সমস্যার সৃষ্টি করেনা । এ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। ৭. পেনিসের রগগুলো ফুলে উঠেছে! এটা কি কোন সমস্যা? না। --- (চলবে, ইনশাআল্লাহ্‌) @lost modesty

#অস্ত্রধারীর_দুঃখগাথা ফরেনসিক মেডিসিনের ভাষায় পুরুষাঙ্গ বা পেনিস একটি অস্ত্র! প্রকৃতপক্ষে এটা কেবল অস্ত্র নয়, রীতিমত ব্রক্ষ্মাস্ত্র! এই অস্ত্র পুরুষের পৌরুষত্বের প্রতীক। যে প্রকৃত সৈনিক, সত্যিকারের যোদ্ধা; সে তার অস্ত্র সযত্নে রাখে। ধৈর্যের মাধ্যমে নিজেকে শানিত করে। হয়ে ওঠে বীর! আর মামুলি লোকেরা অস্ত্র পেয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠে। অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার, অপব্যবহার আর ভুল ব্যবহারের মাধ্যমে অকেজো করে ফেলে তার বীরত্বের প্রতীক কে। যা ছিলো তার বাহাদুরির সম্বল তাই পরিনত হয় ব্যর্থতা, লজ্জা আর হতাশার কারন। সেই অস্ত্র নিয়ে আপনাদের থেকে পাওয়া মৌলিক প্রশ্নগুলোর আলোকে আমাদের আলোচনা থাকবে ‘অস্ত্রধারীর দুঃখগাথা’ শিরোনামে। --- প্রথম পর্বের আলোচ্য বিষয়ঃ পুরুষাঙ্গের আকার-আকৃতি। ১. পেনিসের সঠিক দৈর্ঘ্য আর প্রস্থ কত? মানে কত ইঞ্চি লম্বা ও মোটা হলে তা ঠিক আছে? আগে বলুন তো, মানুষের সঠিক দৈর্ঘ্য কত? বুকের বা কোমরের মাপ কত হলে তা পারফেক্ট? আসলে এগুলো "বেকার প্রশ্ন"! একেক মানুষ একেক রকম। জলবায়ু, পরিবেশ আর খাদ্যাভাসের কারনে আফ্রিকানরা লম্বা, সুঠাম। চাইনিজরা খাটো, হালকা পাতলা। তেমনি পেনিস ও একেক জনের একেক রকম। আমরা গড় করে বের করি- বাঙালি সাড়ে পাঁচ ফুট হলে পারফেক্ট! তেমনি অনেকে গড় করে বলে পেনিসের স্বাভাবিক দৈর্ঘ ৪.৭- ৬.৪ বা ৫.১-৫.৯ বা ৪.৫- ৬.০ ইঞ্চি ইত্যাদি! প্রথমত এগুলো অন্যদেশের গবেষণার ডাটা। আমাদের দেশের কোন অথেনটিক ডাটা নেই। দ্বিতীয়ত এগুলো "গড়" হিসাব! সবার জন্য কমন নয়। "গড়" মানে বোঝেন তো? একটা নদীর গড় গভীরতা ১০ ফিট হলে তার মানে কোথাও ১৮ ফিট আবার কোথাও ২ ফিট! তাই এসব দেখে "হায় হায়! আমার সব গেলো" টাইপ হা-হুতাশ বন্ধ করুন। পর্নোগ্রাফি আর চটি পড়ে বিশ্বাস হয়ে গেছে যে ইয়া লম্বা আর মস্ত বড় না হলে পুরুষই হওয়া যায় না। আরে ভাই, ওখানে ক্যামেরার কারসাজি, সার্জারির ফাকি ছাড়াও মনে রাখতে হবে ঐটা রুপালি পর্দা, বাস্তব না। ‘ওর’ টা ঐ রকম বলেই ও এই ক্লিপটা করতে পারছে। সবাই কি সুপারম্যান, উসাইন বোল্ট হয়? ওদের সাথে নিজের তুলনা করা বোকামি। ওদের মত হতে চাওয়া আহাম্মকি! এখন শুনুন, পেনিসের কাজ যদি হয় স্ত্রীকে খুশি করা এবং গর্ভসঞ্চার, তবে মাত্র ৩ ইঞ্চিই যথেষ্ট। "সাইজ ডাজন্ট ম্যাটার!"। আপনি উত্তরে সন্তুষ্ট হতে পারেন নি? আপনার পেনিস বড় করাই লাগবে? তাহলে পড়ুন- i. এটা টেনেহিচড়ে বড় করার কোন উপায় নেই। পেনিস পাম্প বা ঝাঁকানোর ব্যায়াম আর তেল/ মধু/ ক্রিম দিয়ে মালিশ পেনিস ‘তেমন’ বড় করতে সক্ষম নয়। এগুলা ভুয়া। ম্যাসাজ করে করে যা আছে ঐটুকুও নষ্ট করে ফেলবেন না। ii. চটকদার বিজ্ঞাপনে বিভ্রান্ত হবেন না। মানুষের ৪/৫ ফিট শরীরকে আর মাত্র ৪/৫ ইঞ্চি বড় করতে পারে এমন কোনো মেডিসিন (মারাত্মক ক্ষতিকর হরমোন থেরাপি ছাড়া) নেই। সেখানে ৩/৪ ইঞ্চি পেনিসকে ২/৩ ইঞ্চি বড় করে ফেলবে এমন ভুয়া মেডিসিন স্বপ্নে দেখাও তো বোকামি। iii. লিঙ্গ সাধারণত প্রাকৃতিকভাবেই ২১ বছর বয়স পর্যন্ত বড় হয়। ততদিন ধৈর্য ধরতে হবে। এর মধ্যে কোনো বাজে অভ্যাস থাকলে তা বাদ দিয়ে লিঙ্গকে সুস্থ হয়ে উঠার সুযোগ দিতে হবে। iv. রেগুলার নিম্নাঙ্গের লোম পরিস্কার রাখবেন। এতে লিঙ্গ কিছুটা বড় দেখাবে। মানসিক চাপ কমবে। ২. আমার ঐটা বেশিই ছোট! বড় করার কী উপায়? পেনিস উত্তেজিত অবস্থায় ২ - ২.৫ ইঞ্চির বেশি হয়ই না? একজন ইউরোলজিস্ট সার্জন দেখিয়ে "প্রস্থেসিস" লাগিয়ে নিন। ৩. আমার পেনিস বাঁকা। এটা কী সমস্যা? আমাদের শরীরের স্ট্যাবল গঠনের পেছনে আছে হাড়ের কাঠামো। হাড় না থাকলে আমরা দাঁড়াতে, হাঁটতে বা চলতে পারতাম না। জোঁকের মত পিছলে যেতাম! পেনিসে স্পঞ্জের মত ৩ টি মাসল ছাড়া আর কোন শক্ত কাঠামো নেই। তাই পেনিসও কখনোই সম্পূর্ণ সোজা হয়না। এই এক দিকে বাঁকা বা সামান্য মোচড়ানো গঠনটাই স্বাভাবিক গঠন। এটি কোন সমস্যা নয়। তবে হ্যাঁ, অত্যাধিক হস্তমৈথুন বা অন্যকোনো উপায়ে মৈথুন করলে পেনিসের ছোট ছোট রক্তনালী ফেটে মাইক্রোব্লিডিং হয়। এগুলো জমে গিয়ে স্কার বা চল্টা তৈরী করে পেনিসকে এক দিকে বেশি বাঁকিয়ে দিতে পারে বা আকৃতি পরিবর্তন করে দিতে পারে। সেক্ষেত্রে সারাজীবনের জন্য সব ধরনের বিকৃত যৌনাচার বাদ দিতে হবে। তাহলে আস্তে আস্তে "ফ্যাগোসাইটোসিস" প্রক্রিয়ায় স্কার গুলো শোষিত হতে থাকবে আর নতুন টিশ্যু তৈরি হবে। এতে কত সময় লাগবে তা নির্ভর করে ক্ষতির পরিমান, খাবারের পুষ্টিমান আর শারীরিক ফিটনেসের উপর। ধৈর্য ধরে সযত্নে রাখুন। একসময়ে স্বাভাবিক মাত্রায় চলে আসবে ইনশাআল্লাহ। ৪. উত্তেজিত হলে/ মৈথুন শেষে পেনিস ব্যথা করে- এমনটা কেনো? উত্তেজিত হলে ব্যথাঃ হাড় বা হাড্ডি আমাদের শরীরকে ধরে রাখে। Support দেয়। এর জন্যই আমরা দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে পারি। পেনিসে কোনো হাড় নেই। কিছু লিগামেন্ট ছাড়া কোন Support ও নেই। উচ্চ রক্তচাপ সৃষ্টি হয়ে এটি উত্থিত হয়। Support না থাকায় এক সময় ফ্যাটিগ হয়ে যায়। ব্যথা করে। হাত দিয়ে ধরলে/ সহবাসের সময় পেনিস সাপোর্ট পায় বলেই ব্যথা কমে যায়।

💘 যে কথায় মিলনে বাড়বে তৃপ্তি 💘 কথায় বলে- পুরুষ মানুষ দুই প্রকার। জীবিত আর বিবাহিত। সত্যিই কি বিয়ের পর পুরুষের সুখ চলে যায়? তাঁদের মন বিষিয়ে ওঠে? কিন্তু উপায় কী। হ্যাঁ, বিশেষজ্ঞরা বের করেছেন, বিবাহিত কিংবা দাম্পত্য জীবনে কীভাবে সুখে থাকা যায় তার রহস্য। বিশেষ করে মিলনে তৃপ্তি পাওয়ার উপায়। যৌনসম্পর্ক ভালো হওয়ার জন্য কত লোকই কত কিছুই না করে। কত জন কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করছে। কিন্তু সমীক্ষা বলছে, এত কিছুর কোনো প্রয়োজন নেই। পার্টনারকে মিলনে সন্তুষ্টি দিতে চান? তাহলে মিলনের একটু আগে তাঁকে আই লাভ ইউ (আমি তোমাকে ভালোবাসি) বলুন। ব্যাস, এতেই বাজিমাত! মিলনের সময় তাঁরা আই লাভ ইউ বাক্যটি তাঁদের পার্টনারের কাছ থেকে শুনতে পেলেই, তাঁদের তৃপ্তি ভালো হয়। তাহলে আর দেরী কেন? মিলনের সময় আর যাই করুন, সেই বহুবার বলা কথাটাই সঙ্গীর কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে বলুন, আই লাভ ইউ। ব্যস, যৌন তৃপ্তিতে কোনো খাদ থাকবে না। আর হিনমন্যতায় না ভুগলে সম্ভব হলে তার রূপের একটুখানি প্রশংসা করুন। এছাড়াও তৃপ্তির বিষয়ে গবেষণায় আরও দেখা গেছে, মোজা পরে সঙ্গম করলে চরম সুখ প্রাপ্তি হয় । বিজ্ঞানীদের মতে, পায়ে মোজা পরা থাকলে যৌন সুখ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তবে উত্‍কট রহের মোজা পরলে হিতে বিপরীত হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। হাসিখুশি পুরুষের প্রতি আদৌ কোনো যৌন আকর্ষণ বোধ করে না নারী। বরং গোমড়া মুখের সঙ্গীর প্রতি দৈহিক মিলনের তীব্র কামনা অনুভব করে নারী। অন্যদিকে, নারীর হাসিমুখ দেখে পুরুষের যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি পায় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সুতরাং কাতুকুতু দিলেও কোনো মতে পুরুষের হাসি চেপে রাখাই বিধেয়। রৌদ্রস্নানে টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধি পায়। এর ফলে স্ত্রী পুরুষ উভয়েরই মনে তীব্র মিলনের কামনা জাগে। মিলনের আগ্রহ বাড়িয়ে তুলতে রোদ পোহানো অভ্যেস করতে পারেন। পূর্বরাগ পর্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে পুরুষের নাক। নাকের সামনের নরম অংশের স্পর্শে নারীর যৌন চেতনা জেগে ওঠে। তীব্র কামোন্মাদনা তৈরি হয়। ঘর্মাক্ত পুরুষ দেখলে অধিকাংশ নারীর প্রবল যৌন ইচ্ছা তৈরি হয় বলে এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে। আসলে পুরুষের ঘামের সঙ্গে অ্যান্ড্রোস্ট্যাডিএনোন ক্ষরণের ফলে জাগ্রত হয় নারীর যৌন চেতনা। একটি ভুল ধারণা প্রচলিত আছে তা হলো, পেশিবহুল পুরুষ মাত্রই নারীকে চরম যৌন তৃপ্তি দিতে সক্ষম। কিন্তু বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, যে সমস্ত পুরুষের শরীরের মধ্যপ্রদেশ স্ফীত, তাঁরাই দীর্ঘ সম্ভোগ করতে পারেন। আসলে শরীরে চর্বি থাকার মানে হলো স্ত্রী হরমোন এস্ট্র্যাডিওল-এর আধিক্য। এই হরমোনের সাহায্যে চরম রতিসুখের স্তরে পৌঁছাতে সাধারণের তুলনায় অন্তত ৫ মিনিট বেশি সময় লাগে ভুঁড়ি সমৃদ্ধ পুরুষের। তাই সিক্স প্যাক্স-এর মোহ ত্যাগ করে নারীরা স্থূল শয্যাসঙ্গী বাছলেই অধিক যৌন তৃপ্তি লাভ করবেন। যত্ন করে দাড়ি কামানো মুখের চেয়ে গালে খোঁচা খোঁচা দাড়িই নারীকে বেশি আকর্ষণ করে বলে গবেষণায় জানা গেছে। এলোমেলো চুল আর অগোছাল দাড়ির পুরুষের সঙ্গে যৌন মিলনে তৃপ্ত হন বেশির ভাগ নারী। অন্তরঙ্গতা বাড়াতে চুমুর বিকল্প নেই, জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যে যুগল ঘন ঘন চুম্বনে অভ্যস্ত, দেখা গেছে দীর্ঘায়িত যৌন মিলনের আনন্দ তাঁরাই উপভোগ করেন। মশলাদার খাবার পুরুষের যৌন ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে বলে কথিত আছে। পছন্দের পুরুষের থেকে সম্পূর্ণ দৈহিক সুখ লাভ করতে হলে তাঁকে মশলা মিশ্রিত সুস্বাদু পদ পরিবেশন করুন। মাথা ধরার অব্যর্থ দাওয়াই হলো রতিসুখ, জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের মতে, যৌন তৃপ্তি অনেক সময় আংশিক অথবা পুরোপুরি মাইগ্রেন সারাতে সক্ষম। বিজ্ঞানীদের মতে, বয়স্কা নারীরা অল্পবয়েসীদের চেয়ে তুলনায় দ্রুত যৌন সুখের চরম সীমায় পৌঁছান। এই কারণে বয়সে বড় নারীর সঙ্গে পুরুষের সঙ্গম বেশি তৃপ্তিদায়ক বলে মনে করেন তাঁরা। জানেন কি, ঘুমিয়ে ঘুমিয়েও বহু মানুষ রতিক্রিয়াশীল থাকতে পারেন? ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে খাওয়া অথবা হেঁটে-চলে বেড়ানোর অভ্যাসের মতো কেউ কেউ ঘুমন্ত অবস্থায় দিব্যি যৌন মিলনে লিপ্ত হতে পারেন। এই অসুখের নাম 'সেক্সমনিয়া'। মজার কথা, ঘুম ভাঙলে ঘটনাটি একেবারেই ভুলে যান তাঁরা। ©Konna

ছেলেদের ত্বকের যত্ন কিভাবে নিবেন? ৫ টি পরামর্শ ১. অতিরিক্ত রোদ, ধূলা বালি এড়িয়ে চলুন। রোদে দীর্ঘ সময় কাজ করতে হলে অবশ্য সান মাস্ক ইউজ করুন। ২.বাসায় ফিরে এসে দ্রুত কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিন তারপর ত্বকের ধরন অনুযায়ী ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। ৩. ফেস ওয়াশ কয়েক ধরনের ছেলেদের ত্বক রুক্ষ, তৈলাক্ত থাকে সেজন্য ফোম ফেশওয়াশ, স্ক্রাবিং টা সপ্তাহে ২ দিন ব্যবহার করুন ৪. ফেসওয়াশ টা যেন অতিরিক্ত খার না হয় এটা খেয়াল রাখতে হবে তবে এক এক জনের ত্বক একএক রকম যেটা আপনার স্কিনের সাথে শুট করে ওটা নিয়মিত ব্যবহার করুন এজন্য কয়েকটি ট্রায়াল করে নিবেন। ৫. মুখে ব্রণ থাকলে হাত দিবেন না,প্রচুর পানি পান করুন। ৬. চোখের নিচে কালো দাগ হলে অতিরিক্ত রাত জাগবেন না। ৭. ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখার জন্য শশা খান এতে প্রচুর পরিমানে পানি থাকে এবং কচি ডাবের পানি ও বেশ উপকারী। স্কিনের বয়সের ছাপ দূর করতে ভিটামিন সি খাবার খেতে পারেন। ৮. শুষ্ক ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজিং লোশন ব্যবহার উত্তম অথবা ভালো অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন। ৯. যারা ত্বকে রেজার বা ব্লেড ব্যবহার করেন একটু সচেতন থাকতে হবে ভুলেও একই রেজার বা ব্লেড বারবার ব্যবহার করবেন না। প্রতিদিন সেভ না করাই উত্তম। সম্ভব হলে দাড়ি রেখে দিবেন। দাঁড়ি ছেলেদের সৌন্দর্য।

স্ত্রী সহবাসের সময় পরিধান কৃত কাপড় কি নাপাক হয়ে যায়। উত্তর----স্ত্রী সহবাসের কারণে জামা-কাপড় নাপাক হয়ে যায় না। বরং কাপড়ে নাপাকি লাগলে তা নাপাক হয় এবং ধৌত করে পবিত্র করে নিতে হয়। অন্যথায় নয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ আম্মার রাযি.-কে বলেন, يَا عَمَّارُ إِنَّمَا يُغْسَلُ الثَّوْبُ مِنْ خَمْسٍ: مِنَ الْغَائِطِ وَالْبَوْلِ وَالْقَيْءِ وَالدَّمِ وَالْمَنِيِّ ‘হে আম্মার! নিশ্চয় ৫টি কারণে কাপড় ধৌত করতে হয়। যথা- ১. পায়খানা, ২. প্রশ্রাব, ৩. বমি, ৪. রক্ত, ৫. বীর্য। (সুনানে দারা কুতনী ৪৫৮) ফিকহের কিতাবে এসেছে, أَنْ كُلَّ مَا يَخْرُجُ مِنْ بَدَنِ الْإِنْسَانِ مِمَّا يَجِبُ بِخُرُوجِهِ الْوُضُوءُ أَوْ الْغُسْلُ فَهُوَ نَجِسٌ، مِنْ الْبَوْلِ وَالْغَائِطِ وَالْوَدْيِ وَالْمَذْيِ وَالْمَنِيِّ، وَدَمِ الْحَيْضِ وَالنِّفَاسِ ‘নিশ্চয় যে সকল জিনিস মানুষের শরীর থেকে বের হলে অযু অথবা গোসল ওয়াজিব হয়ে যায় তা নাপাক। যেমন, পেশাব, পায়খানা, ওদী, মযী, বীর্য, হায়েয এবং নেফাসের রক্ত। (বাদাইয়িউস সানায়ী ১/৬০ আলমুহীতুল বুরহানী ১/৫০)

photo content

আমি একবার আমার শাইখকে অভিযোগ করলাম, শাইখ! আমি বই পড়ি, কিন্তু পড়া শেষ করার পর আমার কিছুই মনে থাকে না। শাইখ আমার দিকে একটি খেজুর বাড়িয়ে দিয়ে বললেন, ❝এটা চিবিয়ে খাও।❞ আমি তাই করলাম। শাইখ: এখন শারিরীক কোনো বৃদ্ধি টের পাচ্ছো কি? আমি: না তো! শাইখ: ❝তুমি অনুভব না করলেও খেজুরটি কিন্তু আলাদা আলাদা হয়ে তোমার রক্ত, মাংস, হাড্ডি, চামড়া, চুল ও নখে পরিনত হচ্ছে। ঠিক এমনিভাবে আমরা যখন কোনো বই পড়ি, তখন তা আমাদের অগোচরেই আমাদের ভাষাকে শক্তিশালী করে, জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে, চরিত্রকে শুদ্ধ করে, লেখনী ও বাচনভঙ্গি উন্নত করে।❞ - শাইখ সালমান আল আওদাহ (হাফি.)

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

সঙ্গম অশ্লীল নয়; অশ্লীল সঙ্গম বলেও কিছু নেই। বিনা পুঁজিতে শরীরের সর্বোচ্চ স্বর্গীয় লভ্যাংশের নাম সঙ্গম ৷ ©Dr. Apurba

আল্লাহ তা'আলা বলেন, وَقَرْنَ فِي بُيُوتِكُنَّ وَلَا تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُولَى وَأَقِمْنَ الصَّلَاةَ وَآتِينَ الزَّكَاةَ وَأَطِعْنَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ إِنَّمَا يُرِيدُ اللَّهُ لِيُذْهِبَ عَنكُمُ الرِّجْسَ أَهْلَ الْبَيْتِ وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا তোমরা গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করবে-মূর্খতা যুগের অনুরূপ নিজেদেরকে প্রদর্শন করবে না। নামায কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করবে। হে নবী পরিবারের সদস্যবর্গ। আল্লাহ কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র রাখতে।(সূরা আহযাব-৩৩) রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, الْمَرْأَةُ عَوْرَةٌ ، وَإِنَّهَا إِذَا خَرَجَتِ اسْتَشْرَفَهَا الشَّيْطَانُ ، وَإِنَّهَا لا تَكُونُ أَقْرَبَ إِلَى اللَّهِ مِنْهَا فِي قَعْرِ بَيْتِهَا ‘নারী গোপন জিনিস, যখন সে ঘর থেকে বের হয় শয়তান তাকে তাড়া করে। আর সে আল্লাহ তাআলার সবচে’ নিকটতম তখন হয় যখন সে নিজের ঘরের মাঝে লুকিয়ে থাকে।’ (তাবরানী ২৯৭৪) নারী মসজিদে যাওয়ার বিষয়ে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,وَبُيُوتُهُنَّ خَيْرٌ لَهُنَّ ‘তাদের জন্য তাদের ঘর উত্তম।’ (আবু দাউদ ৫৬৭) শরয়ী পর্দা ও বিধান অনুসরণ করে মহিলাদের ব্যবসা বাণিজ্য ও চাকুরী করাতে কোন নিষেধাজ্ঞা আসেনি। তা’ই শরয়ী কোন কারণ ছাড়া মহিলাদের ব্যবসা করা ও চাকুরী করাকে হারাম বলার সুযোগ নেই। -তাবয়ীনুল হাকায়েক ৬/১১৭; আদ্দুররুল মুখতার ৬/৫৫; আলবাহরুর রায়েক ১/২০০; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৩৮, ফিকহুন নাওয়াযিল ৩/৩৫৯ মোটকথা ,নারী চাকরির খাতিরে ঘর থেকে বের হতে পারবে। তবে এর জন্য কিছু নিয়ম ও শর্ত রয়েছে। নিয়ম ও শর্তগুলো মেনে চললে নারীর জন্য ঘর থেকে বের হওয়া জায়েয হবে; অন্যথায় নয়। যেমন,– যদি সত্যিকারে তার চাকরি করার প্রয়োজন দেখা দেয় তাহলে তার জন্য চাকরি করা জায়েয হবে। – চাকরিটা তার দৈহিক, মানসিক স্বভাব ও রুচির সঙ্গে সামন্জস্যশীল হতে হবে। যেমন, ডাক্তারি, নার্সিং, শিক্ষা, সেলাই কিংবা এ জাতীয় পেশা হতে হবে। – কর্মক্ষেত্রে পর্দার পরিপূর্ণ পরিবেশ থাকতে হবে। অন্যথায় জায়েয হবে না। – চাকরির কারণে যাতে পরপুরুষের সঙ্গে সফর করতে না হয়। – কর্মক্ষেত্রে আসা-যাওয়ার পথে যাতে কোন হারাম কাজ করতে না হয়। যেমন, ড্রাইভারের সঙ্গে একাকী যাওয়া, পারফিউম ব্যবহার করা ইত্যাদি। – নারীর প্রধান কাজ ও দায়িত্ব হচ্ছে স্বামীর খেদমত করা, তার সন্তুষ্টি অন্বেষণ করা ও মাতৃত্বের দায়িত্ব পালন করা। যদি চাকরি করতে গিয়ে এসব দায়িত্ব পালনে ব্যাপক অসুবিধা হয় তাহলে তার জন্য চাকরি করা জায়েয হবে না। (ফাতাওয়াল মারআতিল মুসলিমাহ ২/৯৮১ ফিকহুন নাওয়াযিল ৩/৩৫৯) ★প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন! মহিলাদের জন্য পর্দা রক্ষা করে ব্যবসা বাণিজ্য ও চাকুরী করা জায়েজ আছে। তবে এক্ষেত্রে যেন পর্দা লঙ্ঘণ না হয়, সেই সাথে শরয়ী অন্য কোন বিধান লঙ্ঘিত না হয়, সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। হ্যাঁ, যদি উপার্জনক্ষম কোন মাহরাম আত্মীয় থাকে, বা অভিভাবক থাকে, তাহলে মহিলাদের জন্য ব্যবসা ও চাকরীর জন্য বাহিরে যাওয়া উচিত নয়।