es
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Ir al canal en Telegram

🙂🙂🙂

Mostrar más
1 954
Suscriptores
Sin datos24 horas
-77 días
-1830 días
Archivo de publicaciones
photo content

আসুন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে জেনে নেই : নাম : বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, সংক্ষেপে বাউবি ( Bangladesh Open University, BOU )। এটিই প্রতিষ্ঠানটির আসল নাম এবং এটিকে ব্যবহার করতে হবে । অন্য সকল নাম যেমন উন্মুক্ত, অপেন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রহণযোগ্য ও বাতিল। মূল ক্যাম্পাস: বোর্ড বাজার গাজীপুর, বাংলাদেশ আঞ্চলিক কেন্দ্র: ১২ টি টিউটোরিয়াল কেন্দ্র: ১৫০০+ অনুষদ: ৬ টি শিক্ষার্থী সংখ্যা : প্রায় দশ লক্ষ। শিক্ষার্থী সংখ্যা অনুযায়ী : বাংলাদেশের দ্বিতীয় এবং পৃথিবীর অষ্টম বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়। * বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস : ১৯৯২ সালের ২০ অক্টোবর বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এর জন্ম হয় মহান জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৯২ প্রণয়নের মাধ্যমে । এটি বাংলাদেশের একটি বৃহত্তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। * স্থান : এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অন ক্যাম্পাস সিটি ক্যাম্পাস, ধানমন্ডি ঢাকায় অবস্থিত। গাজীপুর জেলার বোর্ডবাজারে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর মূল ও স্থায়ী কাম্পাস। এছাড়াও শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সারা দেশে রয়েছে ১২টি আঞ্চলিক কেন্দ্র, ৮০টি কো অর্ডিনেটিং অফিস এবং ১৫০০টিরও বেশি টিউটোরিয়াল কেন্দ্র বা সেন্টার রয়েছে। শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রয়েছে ৬টি অনুষদ। এগুলোকে স্কুল বলা হয়। উদ্দেশ্য : দূরশিক্ষণ পদ্ধতি ও প্রথাগত শিক্ষা পদ্ধতির সমন্বয়ে দেশের সাধারণ জনগণ সহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষা পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে একটি সুশিক্ষিত ও আত্মনির্ভরশীল জাতি গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এ বিশ্ববিদ্যালয়টি । বাউবি ভর্তি ও শিক্ষাগ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার বাধা নেই বরং সকলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। শুধুমাত্র উপযুক্ত বিষয়ে অধ্যয়নের জন্য উপযুক্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন। * কোর্স সমূহ : এ বিশ্ববিদ্যালয়টি সময়োপযোগি ও সমাজের উন্নয়নে কাজে লাগে এমন বিষয় পড়ানো হয়। উত্তর শিক্ষার মধ্যে আছে এমফিল ( M.phil ) এ পিএইচডি ( Ph.D )। মাষ্টার্স প্রোগ্রাম যেমন : MBA, MA, MSS, LL.M, MED, MPH, CMBA, M.Sc in Agri, MDM ইত্যাদি। অনার্স : BBA, Bangla, political science, History, Philosophy, Sociology, Islam, Law, CSE and FSN ডিগ্রি : BA, BSS, B.Sc in nursing, BED , English. ডিপ্লোমা : DCSA এবং HSC ও SSC। *বর্তমানে অনেকগুলো কোর্সের ক্ষেত্রে মেধার মূল্যায়ন তথা ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে ভর্তি অনুমতি দেওয়া হয়। * এছাড়া যুগোপযোগী ও প্রয়োজনীয় আর কিছু কোর্স বাউবি অদূর ভবিষ্যতে চালু করবে বলে আশাবাদী। এছাড়াও বিভিন্ন নন ফরমাল কোর্সগুলো বাউবি সমগ্র দেশ ব্যাপি পরিচালনা করে থাকে। লেখক জিসান তাসফিক, শিক্ষার্থী, আইন বিভাগ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

বিয়ে হচ্ছে না বা বিয়ে নিয়ে স্ট্রাগল করছেন তাদের জন্য কিছু টিপস: ১। দেখুন বিয়ে একটা রিজিক। মানুষের বিয়ে হয়। আপনারো হবে। হয়তো সময়টা বেশি লাগছে। কারণ আপনাকে সবরের পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। এই সময়টা পার হলেই ইন শা আল্লাহ আপনার জন্য কল্যাণকর কিছু হবে। ২। আল্লাহ চাইলে আপনার বিয়ে হবে। কিন্তু আপনি আল্লাহর থেকে চেয়ে নিচ্ছেন কি? আপনার দুয়া কেমন হচ্ছে? আপনার আমল গুলো কতটা সুন্দর? আপনার সবর কতটা উত্তম? ৩। আপনি হয়তো আল্লাহর কাছে চেয়ে যাচ্ছেন কিন্তু আল্লাহ হয়তো এখনো কবুল করেননি। আপনি ভাবছেন চারিদিকে এতো ফিতনা, আমি বাঁচবো কি করে? আপনি ভাবুন যে, আল্লাহ হলেন আল-মুহাইমিন। আল্লাহ আপনাকে রক্ষা করবেন। তিনি যদি কোন কারণে আপনার বিয়েটা দেরীতে লিখে রাখেন, তবে আপনি তার উপর অবশ্যই ভরসা করবেন যে যত ফিতনা বা বিপদ-আপদ আসুক আল্লাহই আপনাকে রক্ষা করবেন। ৪। বিয়ে মানুষের জীবনে সব না, এই কথাটার সাথে অনেকে একমত করেন না। তাদেরকে বলা যে, হ্যা বিয়ে অবশ্যই একটা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় মানুষের জীবনে কিন্তু আপনার লক্ষ্য যদি এটা হয় যে, আপনি আল্লাহর সন্তুষ্টি নিয়ে জান্নাতে যেতে চান তবে সেটা আপনার বিয়ে হলেও পারবেন, আবার না হলেও। আপনার লক্ষ্যটা তাই ঠিক করুন, সেই অনুযায়ী জীবন যাপনের চেষ্টা করুন। ৫। এই সময়গুলো মন নরম থাকে তাই বিভিন্ন রকম গুনাহে জড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে কেউ বিয়ের জন্য দেখতে আসলে তার প্রতি ঝুকে যাওয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় নন-মাহরামের সাথে চ্যাটিং, এই দুইটা সমস্যা খুব বেশি দেখা দেয়। তাই নিজেকে সবসময় এইসব থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করবেন, এমন কিছু করবেন না যা দ্বারা যিনা-ব্যাভিচারের পথ খুলে যায়। ৬। দেখুন, মানুষকে সৃষ্টির উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহর ইবাদত করা। আল্লাহ যেমন কাউকে আর্থিক ইবাদত করার সামর্থ্য দিয়েছেন, আবার কাউকে দেন নাই। তেমনি আপনার চিন্তা যদি এমন হয় যে, বিয়েও তো ইবাদত; কিন্তু আল্লাহ যেহেতু এখনো এই ইবাদতের সুযোগ করে দেন নাই তবে আমি আমার জায়গায়, আমার পরিবেশ-পরিস্থিতি অনুযায়ী কিভাবে আল্লাহর ইবাদত করবো সেটাকে ফোকাস করি। আপনাকে আনুগত্য করতে হবে, এইটা শক্তভাবে বিশ্বাস নিজের মধ্যে তৈরী করুন। তখন জীবনে কি পান নাই তা নিয়ে হতাশা চলে যাবে। ৭। অনেক বোনেরা বিয়ের জন্য একসময় খুব দু'য়া করলেও এক পর্যায়ে হতাশ হয়ে দুয়া করা ছেড়ে দেন। এই সময়ে তারা এতটা হতাশ হয়ে যায় যে, কেউ কেই ডিপ্রেশনে চলে যায়। উনাদের উদ্দেশ্যে বলা, আপনি দুয়া করা ছেড়ে দিলে আপনি দিন শেষে অসুখী থাকবেন। কারণ, আপনি দুয়া করছেন এর মানে হলো আপনি মানসিক ভাবে ভালো থাকছেন। দুয়া একটি শক্তিশালী থেরাপিউটিক ট্যুল যা মানুষকে আশাবাদী ও মানসিক ভাবে শক্তিশালী করে। ৮। আশে পাশের মানুষের ঘুম হবে না আপনার বিয়ে হয় না দেখে। আবার দেখবেন, এদের মধ্যেই কেউ কেউ আপনার বিয়ে হলে একটা খারাপ সংবাদ শোনার আসায় কান পেতে থাকবে। সুতরাং, মানুষের কথামতো জীবন না চালিয়ে আল্লাহর বিধান অনুযায়ী জীবন চালান। আল্লাহ আপনার জন্য সর্বোবস্থায় কল্যাণ চাইবে যেটা মানুষের থেকে আশা করা বোকামী। ৯। অবশ্যই নিজেকে প্রোডাক্টিভ কাজে ব্যস্ত রাখুন। নতুন নতুন স্কিল শিখুন। যেমন: ফ্রি-ল্যান্সিং, হিজামা, রুকইয়াহ, শিক্ষকতা, রান্না, বেকিং, সেলাই, কোর'আন শুদ্ধভাবে পড়া, হিফজ করা ইত্যাদি ইত্যাদি। কোন জিনিস ভাল না লাগলে যে জিনিস ভালো লাগে সেটা করুন। প্রতিদিন শারীরিক ব্যায়াম করুন। বাইরে ঘুরে আসুন, প্রিয় মানুষদের সাথে সময় কাটান। ১০। এই সময়ে যদি কোর'আনের সাথে থাকেন তবে গ্যারান্টি যে আপনার সব হতাশা কেটে যাবে। কোর'আনের ছাত্রী হিসেবে নিজেকে নিয়োজিত করুন। ১১। ইসলামিক জ্ঞান অর্জন করুন এবং দ্বীনের দাওয়াহ দিন। উত্তম ভাবে সময় কেটে যাবে। ১২। আমার ব্যক্তিগত একটা সাজেশন হলো, মানুষকে সব রকম ভাবে সাহায্যের চেষ্টা করুন। সেটা কথা, কাজ বা অর্থের মাধ্যমে। মাইন্ডসেট তৈরী করুন যে আমি যেন সমাজের একজন উপকারী মানুষ হতে পারি। ১৩৷ সব সময় ভালো চিন্তা করতে শিখুন। সেল্ফ ক্রিটিসজম না করে, সেল্ফ এপ্রিশিয়েশন শিখুন। নিজের উপর জুলুম করা হারাম। কিন্তু আপনি ধ্বংসাত্মক চিন্তা করে করে যে জুলুম নিজের উপর করছেন তা থেকে বেড়িয়ে আসুন। ১৪। বিয়ে করলে আপনার জীবনের সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এইটা ভুল কন্সেপ্ট। অনেক সময় বিয়ে মানুষের জীবনে আরো বড় পরীক্ষা নিয়ে আসতে পারে। আপনাকে বিয়ের আগে এবং পরে দুই সময়ই নিজেকে নিয়ে আল্লাহ ইবাদতের মাধ্যমে সুখি থাকার চেষ্টা করবে হবে। একাকিত্ব বোধ করলে হেলদি সামাজিকতা মেনে চলবেন। অনেকে এতোটা বেশি জাজমেন্টাল হয়ে নিজেকে সবার থেকে আলাদা করে একা জীবন যাপন করা শুরু করেন; আবার অন্যদিকে একাকিত্ব এর জন্য হা-হুতাশ করেন। নিজের দিকে তাকিয়ে দেখুন আপনার কোন কোন জিনিস পরিবর্তনের ফলে ভালো থাকতে পারবেন। ১৫। এইসব কিছু করার পরও যদি হতাশা না কাটে তবে একজন প্রফেশনাল কাউন্সেলর এর সাথে বসে কাউন্সেলিং করুন। ©

photo content

photo content

একজন মুসলিম বোনের সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল, যিনি চার বছর পূর্বে ইয়েমেন থেকে আমেরিকায় এসে স্থায়ী হয়েছিলেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম- “আমেরিকায় বসবাস শুরু করার পর সাংস্কৃতিক দিক থেকে, কোন পার্থক্যটি আপনার জন্য বেশি বিস্ময়কর ছিল? যার সাথে তাল মেলাতে আপনাকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। ইয়েমেন এবং আমেরিকা- এই দু জায়গার জনজীবনের মধ্যে যে তফাত রয়েছে, তার কোন দিকটি আপনাকে বেশি নাড়া দিয়েছে?” তিনি সহজেই উত্তর দিয়ে দিলেন: “হায়া! আমার জন্য এ বিষয়টিই সবচাইতে আশ্চর্যজনক ছিল যখন আমি প্রথম এখানে আসি। এখানে নারী কিংবা পুরুষ, কারো মাঝে ‘হায়া’ নেই। বিশেষভাবে নারীদের দেখে আমি অবাক হয়েছি। ইয়েমেনে আমরা পুরুষদের সাথে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে খুবই সাবধানতা অবলম্বন করতাম। কখনো যদি নন মাহরাম পুরুষদের সম্মুখে আমাদের উপস্থিত থাকা লাগতো, তাদের সাথে আমাদের কিছুই করার ছিল না। আর কখনো যদি প্রয়োজনবশত অপরিচিত ব্যক্তির সাথে কথা বলতেই হতো, আমরা ‘হায়া’-র ঊর্ধ্বে গিয়ে তাদের চোখে চোখ রেখে কখনোই কথা বলতাম না। কিন্তু এখানে, আমেরিকায় তারা এটা বোঝেই না। হায়া-কে তারা দূর্বলতা মনে করে। যদি আমি অপরিচিত কারো চোখে চোখ রেখে কথা বলতে দ্বিধাবোধ করি, তারা এটিকে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি বলে মনে করে। আমেরিকানদের নিকট অচেনা ব্যক্তির সাথে সাবলীলভাবে, দৃষ্টি বিনিময় করে দীর্ঘক্ষণ কথা চালিয়ে যাওয়া আত্মবিশ্বাসের পরিচায়ক। তাই আমি যখন দৃষ্টি সরিয়ে নেই, তারা আমার জন্য দুঃখবোধ করে অথবা ভেবে নেয় যে আমার কোন অন্য সমস্যা রয়েছে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে যদি আমি তাদের সাথে কথা বলতে যাই, আমার নিজেকে প্রায় বাধ্য করতে হবে মুখের দিকে তাকিয়ে কথা বলার জন্য। “না, নিজের মাঝে পরিবর্তন আনবেন না।” আমি না বলে পারলাম না। “আপনিই সঠিক পথে আছেন। এটি হারাবেন না।” তিনি হেসে বললেন, “চিন্তা করবেন না। আমি ইনশা আল্লাহ আমার ‘হায়া’ হারিয়ে ফেলবো না। কেমন করে তা হবে? নিজের মৌলিকত্বের ধারক কোনকিছুকে কি হারিয়ে ফেলা সম্ভব? একজন নারী স্বয়ং ‘হায়া’। ‘হায়া’ যদি না থাকে, তবে যে নারীত্বের আর কিছুই রইলো না।” আমি হেসে উঠলাম। খুশিভরা মনে ভেবে আশ্চর্য হচ্ছিলাম যে, কত সরলভাবেই না তিনি সমস্যাটি বুঝতে পেরেছেন এবং একটি চমৎকার ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়েছেন। “সেজন্যই এদেশে আসার পর আমার জন্য এটি ছিল একটি বিশাল ধাক্কা। নারীরা কিভাবে নিজেদের সজ্জিত করার ক্ষেত্রে, একে অন্যের সাথে ভাববিনিময়ের ক্ষেত্রে, কথা বলার ক্ষেত্রে, হাঁটাচলার ক্ষেত্রে ‘হায়া’-র তোয়াক্কা করছে না। যা আমাকে সর্বাধিক দুঃখিত করেছে তা হলো আমেরিকার মুসলিম মেয়েরা কিভাবে এই ‘হায়া’ খুইয়ে ফেলার যাত্রায় তাদেরই অনুকরণ করে চলছে। এটি আমি আশা করিনি।” প্রকৃতপক্ষে এ সমস্যার বর্ধিত রূপ এবং গভীরতা সম্বন্ধে তার কোন ধারণাই নেই। দূর্ভাগ্যবশত আমাদের কিছু তথাকথিত ‘ইসলামিক ইনস্টিটিউট’ এবং ‘সেমিনারি’ রয়েছে, যারা নিজেদের মুসলিম ছাত্রছাত্রীদের ‘আমেরিকান ইসলাম’ শিক্ষা দেয়ার দাবি করে, যেখানে নারী পুরুষ অবাধে ফ্রি মিক্সিং করছেন, একত্রে ইভেন্টসমূহে ছবি তুলছেন, নারীরা তাদের জনপ্রিয় সেলিব্রিটি ‘ইমাম’ কিংবা ‘শায়খ’-দের সহিত পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলছেন। এবং নারী ও পুরুষেরা একে অপরের সাথে সরাসরি চোখাচোখি করে কথা বলছেন। আপনি অবশ্যই বলতে পারবেন না যে তাদের মাঝে ‘আত্মবিশ্বাসের’ অভাব রয়েছে। কিন্তু তাদের এই অর্জন ‘হায়া’ খুইয়ে ফেলার কাছে কিছুই না। الحياء শব্দের যুৎসই বাংলা কিংবা ইংরেজি শব্দ আসলে খুঁজে পাওয়া ভার। কাছাকাছি অর্থ পাওয়া যায়- লজ্জা, বিনয়, শালীনতা, নম্রতা। ‘হায়া’ বলতে বোঝায়- প্রকৃতিগত, অন্তর্বর্তী একটি বোধ বা চেতনা, যা সমস্ত খারাপ কিছু হতে দূরে রেখে ভালোকিছুর দিকে মানুষকে ধাবিত করে। তাই রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: الحَياءُ خَيْرٌ كُلُّهُ. “লজ্জাশীলতা বা হায়ার পুরোটাই কল্যাণকর। অথবা ‘হায়া’ স্বয়ং কল্যাণ বয়ে আনে।” সীরাহ থেকে দেখা যায়, ইবনু উমার বর্ণনা করেন, রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন আনসারীর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যে তার ভাইকে অধিক ‘হায়া’-র কারণে তিরস্কার করছিলেম। তখন নবী করিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, ছেড়ে দাও তাকে তার মতো। কেননা, ‘হায়া’ ঈমানের অংশ।” এটি অন্তরের একটি বৈশিষ্ট্য, যা অঙ্গ প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে উদ্ভাসিত হয়। এমন একটি চমৎকার বিষয়, যা হৃদয় থেকে অংকুরিত হয়ে বিস্তৃত হতে থাকে। মুসলমানদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই ‘হায়া’। যেকোনো বিশ্বাসী নারী পুরুষের মাঝে অবশ্যই ‘হায়া’-র উপস্থিতি অনিবার্য। মূল: উম্মে খালিদ ভাবানুবাদ: সাবিহা সাবা

সপ্নদোষ আমার সপ্নদোষ হয় না কেন? উত্তরঃ আপনি হস্তমৈথুন করে বীর্যপাত করেন, আপনি বিছানা বা কোল বালিশের সাথে ঘষাঘষি করে বীর্যপাত করেন। অথবা আপনি বিবাহিত সহবাস করেন তাই সপ্নদোষ হয় না।। এছাড়া ধাতুক্ষয় থাকলে, পায়খানার সময় কোথ দিলে বীর্যপাত হলে সপ্নদোষ হয় না। অর্থাৎ কোন ভাবে বীর্যারোহণ হলে সপ্নদোষ হয় না।। আমি হস্তমৈথুন বন্ধ রেখেছি..... দিন/..... মাস। আমার সপ্নদোষ হয় না কেন?? উত্তরঃ বন্ধ করার আগে দৈনিক ১-২ বার বা সপ্তাহে ১-২ বার বা মাসে অনেক বার হস্তমৈথুন করেছেন, বীর্যপাত করেছেন সেগুলোর ঘাটতি পূরন হয়নি, তাই সপ্নদোষ হয় না।। আমি পর্নোগ্রাফি দেখি না, হস্তমৈথুন করি না, ঘষাঘষি করি না। আমার সপ্নদোষ হয় না কেন? উত্তরঃ হতেও পারে আপনি ডিসিপ্লিন মেনে চলেন তাই হয়। সপ্নদোষ হতেই হবে এমন নয়। সপ্নদোষ হলে শরীর দূর্বল লাগে কেন, করনীয় কি? উত্তরঃ- সপ্নদোষ হলে অনেকের শরীর দূর্বল লাগে। এমন কি ব্যথা চলে আসে। এটা অতি সাধারণ বিষয়। বিশ্রামে থাকুন, দুধ ডিম সহ যতটুকু সম্ভব পুষ্টিকর খাবার খান। ২-৩ দিনে এমনি দূর হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। সপ্নদোষ হলে লিঙ্গে জালাপোড়া হয়।। কেন, করনীয় কি? উত্তরঃ জালাপোড়া হওয়াও স্বাভাবিক। সপ্নদোষ হলে সাথে সাথে প্রশ্রাব করে নেন। আর পর্যাপ্ত পানি পান করুন।। দেখবেন কিছুক্ষণের মাঝে জালাপোড়া কমে গেছে।। সপ্নদোষ কত বার হলে ভালো? উত্তরঃ- হস্তমৈথুন বা অন্য যে কোন উপায়ে বীর্যারোহণ করলে সাধারণত সপ্নদোষ হয় না। তবে একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের সপ্তাহে ১-২ বার, মাসে ৪-৫ বার সপ্নদোষ হতেই পারে।। এটা কোন সমস্যা না। কি কি করলে সপ্নদোষ সাধারণত কম হয়? উত্তরঃ-১. পর্নোগ্রাফি বর্জন করুন। ২. যৌন কল্পনা বন্ধ করুন। ৩. ঘুমানোর আগে ওযু করে নেন। ৪. ডান পাশ হয়ে ঘুমান। ৫. রাতে খাবারের তালিকায় দুধ,ডিম, মাংস রাখবেন না। ৬. রাতে খাওয়ার ২ ঘন্টা পর ঘুমাতে যান। ৭. ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলুন। ৮. ভোরে দ্রুত বিচানা ত্যাগ করুন। ৯. ভোর রাতে প্রশ্রাব চেপে রাখবেন না।। অনেক সময় দেখা যায় টানা ২-৩ রাত সপ্নদোষ হয়, এটা হঠাৎ বছরে ১-২ বার হতেই পারে।। বীর্য থলিতে অতিরিত বীর্য জমে এমন হয়।। আবার একই রাতে ২ বার সপ্নদোষ হয় হয়ে যায়। ভয়ের কিছু নেই।।। নিজের চরিত্র নিজে সংশোধন করুন, আনন্দের সাথে যৌবন উপভোগ করুন।। ©

আপনার ব্রেইন পাওয়ার বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে একটা মজার ব্রেইন গেইম। যদি আপনি প্রতিদিন প্র্যাকটিস করেন তবে আপনার এটেনশন ক্যাপ
আপনার ব্রেইন পাওয়ার বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে একটা মজার ব্রেইন গেইম। যদি আপনি প্রতিদিন প্র্যাকটিস করেন তবে আপনার এটেনশন ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি হবে। আপনার ব্রেইনের প্রসেসিং স্পিড বৃদ্ধি পাবে। এটাকে গেম বলাটও ভুল, পড়াশোনায় কনসার্টেশন করার টেকনিক। নাম হচ্ছে Stroop Effect. পোস্টের সাথে ছবিটিতে দেখতে পাচ্ছেন বিভিন্ন কালারের নাম দেওয়া, আমাদের ব্রেইন কালার বুঝার চেয়ে অনেক শব্দ দ্রুত পড়তে ফেলতে পারে। তাই আমাদের কালার গুলো পড়তে অসুবিধা হচ্ছে। ছবির মধ্যে যদি বানান থাকে গ্রীন আর যদি কালার থাকে রেড তাহলে আপনি রেড পড়বেন। বিস্তারিত এখানে, https://m.facebook.com/groups/parapsychologybangladesh/permalink/1193192627936773/?mibextid=Nif5oz

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

টেলিগ্রামে আমাদের কয়েকটি উদ্যোগ ----- ----- ১। রুকইয়াহ বট রুকইয়াহ বিষয়ক অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে এই রোবট। খুব বেশি এডভান্স না হলেও অনেক তথ্যই জানা আছে এর। আপনারা ট্রাই করতে পারেন। গ্রুপের শুরুর দিকেই রুকইয়াহ বট চালু করা হয়েছিল। কিন্তু মেসেঞ্জার বট প্ল্যাটফর্মগুলোর প্রচুর সীমাবদ্ধতার কারনে বন্ধ হয়ে যায়। পরে ম্যানুয়ালি চালু করলে কিছুদিন পর ফেসবুক বিজনেস ভেরিফিকেশন চেয়ে বসে, ফলে পেজ থেকে এটা বন্ধ হয়ে যায়। তবে টেলিগ্রামে চালু আছে আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ চাইলে পরে এটা নিয়ে আরও কাজ করার ফিকির আছে। লিংক: https://t.me/ruqyahbdbot ২। রুকইয়াহ রিসোর্স চ্যানেল রুকইয়াহ বিষয়ক অডিও, ভিডিও, পিডিএফ ইত্যাদি রিসোর্সের জন্য স্বতন্ত্র চ্যানেল চালু হয়েছিল গতবছর জুলাইতে। আশা করি এটা অনেকের জন্য উপকারী হবে। টেলিগ্রাম থেকে ফাইলগুলো সরাসরি ডাউনলোড বা প্লে করা যাবে চাইলে। লিংক: https://t.me/ruqyahsupportbd ৩। টেলিগ্রাম গ্রুপ এটা আমাদের টেলিগ্রামের গ্রুপ। হঠাৎ কোনো প্রয়োজন হলে বা কোনো ইভেন্টের ডিসকাশনের দরকার হলে এক্টিভ করা হয়। এমনিতে চ্যাটবক্স বন্ধ থাকে। লিংক: https://t.me/ruqyahbdorg ৪। টেলিগ্রাম চ্যানেল এটা আমাদের অফিসিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেল। ফেসবুক পেজের মত বিভিন্ন পোস্ট, রিমাইন্ডার, অ্যাপস, অডিও ইত্যাদি শেয়ার করা হয়। এটা খুব বেশি একটিভ না হলেও চালু আছে। চাইলে এটা ফলো করতে পারেন। লিংক: https://t.me/ruqyahbd ------- আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলগুলোর লিংক পাওয়া যাবে এখানে - ruqyahbd.org/networks

photo content