es
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Ir al canal en Telegram

🙂🙂🙂

Mostrar más
1 996
Suscriptores
-124 horas
+27 días
+230 días
Archivo de publicaciones
অ্যাটেনশন এবং ভ্যালিডেশন মেয়েদের জন্য নিশ্বাসের মত। এবং বর্তমান বিশ্বের সবথেকে মূল্যবান কারেন্সি হচ্ছে এই অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন। পুরুষদের অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন যে কতটা মূল্যবান এবং এটার শক্তি যে কত বড়, সেটা পুরুষরা বুঝতে পারলে কখনোই ফ্রি ফ্রি এগুলো মেয়েদেরকে দিয়ে প্রতিনিয়ত তাদের ইগো বুস্ট করে তাদেরকে আরও অহংকারী হওয়ার সুযোগ দিত না। নির্বোধ পুরুষরা মনে করে সে কোনো মেয়েকে যত বেশি অ্যাটেনশান আর ভ্যালিডেশন দিবে, সে বোধহয় তত ঐ মেয়ের মনের ভিতর জায়গা করে নিতে পারবে। আপনাদেরকে একটা গল্প শোনাই। আপনারা কি ইলেভেন মেন্স বা এগারজন পুরুষের থিওরি সম্পর্কে জানেন? একটা রুমে খুবই অনিন্দ্য সুন্দরী একজন মেয়েকে বিভিন্ন অলংকার ও গহনা দিয়ে সাজিয়ে বসিয়ে রাখা হয়েছে। সেই রুমে প্রথমে একেক করে ১০ জন পুরুষ প্রবেশ করল। প্রত্যেকেই প্রবেশ করে মেয়েটির রুপের, পোষাকের ও অলংকারের যারপরনাই সুনাম ও প্রশংসা করল। প্রত্যেকেই বলল, তুমি দেখতে খুবই সুন্দর। তোমার পোষাকটা খুবই মানিয়েছে। গহনাগুলোতে দেখতে তোমাকে যা লাগছে না। প্রথম ১০ জন এভাবেই বিভিন্নভাবে মেয়েটার প্রশংসা করল। সর্বশেষ ১১তম ব্যক্তিটি রুমে প্রবেশ করল। রুমে প্রবেশ করে মেয়েটার সাথে খুবই যতসামান্য হাই, হ্যালো জিজ্ঞাসা করে বাকি ছেলেদের সাথে কথা বলা শুরু করল। সে মেয়েটার দিকে আর একপ্রকার ঘুরেও তাকাল না বলা চলে। সবশেষে সকলে চলে যাওয়ার সময় মেয়েটার ঐ ১১তম ব্যক্তির কথাই মনে আছে। বাকি ‌১০ জনের কথা সে বেমালুম ভুলে গেছে। কারণ সবাই ঘুরেফিরে একই কথা বলেছে। যেটা মেয়েটা ছোট থেকে শুনতে শুনতে ক্লান্ত। আর ঐ ১১তম ব্যক্তি মেয়ের মনে জায়গা করে নিতে পেরেছে কারণ সে বাকি সব পুরুষ যা করে তা করেনি এবং মেয়ের ইগোতে হার্ট করতে পেরেছে। অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশনের সাইকোলজি এভাবেই কাজ করে। যেসব পুরুষ মনে করে মেয়েদেরকে প্রশংসা করে তাদের মনে জায়গা করে নিবে তারা মূলত একটা ভ্রমের মধ্যে বাস করে। মেয়েরা অক্সিজেন ছাড়া বাঁচতে পারলেও অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন ছাড়া বাঁচতে পারবে না। এবং অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন সহজে না পেলে বিভিন্ন ধরণের ম্যানিপুলেটিভ পন্থা অবলম্বন করবে। বিভিন্ন ধরণের Bait বা টোপ দিবে এবং নাদান পুরুষগুলো মনে করবে, মেয়েটার বোধহয় আমার প্রতি ফিলিংস আছে না হলে সে নির্দিষ্ট ঐ কাজটা কেন করল আমার সাথে। মেয়েরা কোনো ছেলের কাছ থেকে সহজে অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন না পেলে টোপ হিসেবে ঐ ছেলের কোনো একটা কিছুর প্রশংসা করবে, কিন্তু আদতে ঐ ছেলের ঐ জিনিসটা প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য না। বিপরীতে ছেলে মনে করবে আসলেই বোধহয় ঐ মেয়ের আমার প্রতি ফিলিংস আছে। না হলে আমার প্রশংসা কেন করল, আমার ঐ ছোট বিষয়টাও কিভাবে তার নজর এড়াল না। বাট মেয়েটা ছেলের প্রতি কোনো ফিলিংস থেকে ছেলেটার প্রশংসা করেনি। ছেলেটার থেকে সে যেকোনো মূল্যে অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন চায় এবং এটা পাওয়াই তার আসল উদ্দেশ্য। এবং ছেলে ছোট্ট একটা মিথ্যা প্রশংসা পেয়ে তখন রাজ্যের প্রশংসার ডালা মেলে বসবে এবং একটা প্রশংসার বিপরীতে একশটা প্রশংসা মেয়েকে ফেরত দেবে। মেয়েরা তাদের উদ্দেশ্যে সফল। এরপর মেয়েরা অনেক ছেলের ইনবক্সে তাদের ছবি পাঠাবে, অযথাই ছবি পাঠাবে, কোনো আগ পিছের কথার ধারাবাহিকতা ছাড়াই, কোনো কারণ ছাড়াই। কিছু পুরুষ মনে করবে মেয়ের যদি আমার প্রতি কোনো ফিলিংস না থাকে তাহলে সে আমাকে ছবি কেন পাঠায় প্রতিনিয়ত। আসল সত্য হলো সে আপনার মনোরঞ্জনের জন্য ছবি পাঠাচ্ছে না। সে শুধুই আপনার অ্যাটেনশান আর ভ্যালিডেশন পাওয়ার জন্য ছবি পাঠাচ্ছে। নাথিং এলস। এর সাথে আপনার প্রতি তার ফিলিংস কিংবা অনুভূতির কোনো সম্পর্কই নেই। এবং একই ছবি যে আরও কতজন পুরুষকে পাঠাচ্ছে সেটা হিসেব করার জন্য আপনাকে ক্যালকুলেটর নিয়ে বসতে হবে। একই ভাবে তারা স্টোরিতে ছবি আপলোড করবে, যখন তাদের ম্যাস লেভেলের অ্যাটেনশন আর ভ্যালিডেশনের দরকার হবে। Low value beta simp পুরুষগুলো তখন সুন্দর করে তাদের ইনবক্সে স্লাইড করে চলে যাবে এবং রাজ্যের কথা এবং যুক্তি দ্বারা বোঝাবে আসলে মেয়েটা মোনালিসা কিংবা অড্রে হেপবার্নের থেকেও কেন বেশি সুন্দর। এবং এই প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে। Trust me brothers, the more beautiful a girl is, the more insecure she is. আবারও বলছি, একজন মেয়ে যত বেশি সুন্দর, সেই মেয়ে তত বেশি ইনসিকিউর। সে যে সুন্দর সেটা ছেলেদের কাছ থেকে বারবার, প্রতিনিয়ত তাকে শুনতে হবে। কোনোরকম বিরতি পড়লেই তার মনে হবে তার সৌন্দর্য বুঝি কমে গেল। এজন্যই বলছি, বর্তমান বিশ্বের সবথেকে মূল্যবান কারেন্সি হলো অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন। এগুলো একজন পুরুষ হয়ে ফ্রিতে কাউকে কোনো অবস্থাতেই দিবেন না। আপনাদের কোনো আইডিয়াই নেই একজন এভারেজ মেয়েও বেইটা সিম্প পুরুষদের থেকে প্রতিনিয়ত কত কত ফ্রি অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন পায়। সুতারাং, আপনি যদি মনে করেন আপনি কোনো মেয়েকে প্রশংসা করে, তাকে অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন দিয়ে তার মনে জায়গা করে নিবেন, তাহলে আপনাকে বলি আপনি ঐ বাকি বেইটা সিম্প

#মনের_স্তর আমাদের মনের তিনটি স্তর হল: ”আবেগীয় মন (Emotional mind)" যৌক্তিক মন (Reasonable mind) এবং ”বিজ্ঞ মন (Wise mind)”। আবেগীয় মন(Emotional mind): এই স্তরে আবেগ দ্বারা চিন্তা ও আচরনগুলো নিয়ন্ত্রিত হয়। এটা একজন মানুষের জন্য উপকারীও কিংবা ক্ষতিকরও হতে পারে। অতিরিক্ত ভালবাসার আবেগের অনুভুতি সম্পর্কের গভীরতা বাড়িয়ে দেয়। আবার তীব্র ঘৃণা সম্পর্কে তিক্ততার দিকে টেনে নিয়ে যায়। কিছু পরিস্থিতিতে এবং কিছু মাত্রার আবেগ আমাদের আমাদের জীবনে উপকারী। আবেগীয়ভাবে কোন কাজ করি যার তাৎক্ষণিক ফলাফল ইতিবাচক মনে হলেও দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল নেতিবাচক হয় এবং আমাদেরকে কষ্ট দেয়। এবং আবেগীয় মন প্রায়শঃই সমস্যগ্রস্থ হয়ে পড়ে যখন আমাদের মনের ভিতরের অবস্থা এবং বাহ্যিক পরিবেশ আমাদেরকে ঝুঁকিতে ফেলে দেয়। যৌক্তিক মন (Reasonable mind): এই মনের কারনে ব্যক্তি যৌক্তিকভাবে চিন্তা করতে পারেন, গবেষণা করতে পারেন, একটা বিষয়ে মনোযোগ দিতে পারেন, চিন্তা করে আচরন করতে পারেন, এমনকি অনেক সমস্যার যুক্তিযুক্ত সমাধান করতে পারেন। এই স্তরে থাকার কিছু উপকারীতাও আছে। কিন্তু মানুষ আবেগহীন হতে পারেন না। শুধু যুক্তি দিয়ে আবেগ ছাড়া মানুষ চিন্তা করাই কঠিন। বিজ্ঞ মন (Wise mind): শুধু যুক্তি দিয়ে যেমন মানুষ হয় না আবার শুধু আবেগ দিয়েও চললেও অনেক ভুল করার সম্ভবনা থাকবে। তাই যুক্তি ও আবেগ দুটি বিষয়ের সমন্ময়ে চলতে হবে। আমাদেরকে চিনতে হবে যে আমার মধ্যে কোনটি বেশি থাকলে সেই বিষয়টি কমাতে হবে এবং এই দুটোর মধ্যে কোন দিকে নমনীয় হওয়া প্রয়োজন। Wise mind হচ্ছে দুটো স্তরের সমন্বয়। এটি একটি শান্ত, স্থির এবং শান্তিময় স্তর। এই মন হলো একটি ঝড়-বৃষ্টির পর যেমন আকাশ বাতাস স্থির হয়ে যায় তেমন একটি অবস্থা। কেউ কেউ কখনই এই স্তর অনুভব করতে পারে না আবার একজন মানুষ সবসময়ই এই স্তরে থাকতেও পারেন না। এই মনের স্তরে থাকার অর্থ হচ্ছে গাড়ি চালানোর মতো যা শুধুমাত্র অভিজ্ঞতার মাধ্যমেই শেখা যায়। এটি একটি বিষয়কে পরিপূর্ণ ভাবে অনুভব করা কোন একটি ছোট অংশের দিকে শুধুমাত্র মনোযোগ দেয়া নয়। এটা এমন একটা বোধ যা আমরা আমাদের পাচঁটি ইন্দ্রিয়ের বাইরে অন্য কিছু দিয়ে অনুভব করি। জিয়ানুর কবির ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট।

প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় ফরজ গোসলের বিধান প্রশ্ন: রাতে স্বপ্নদোষ হলে এই শীতের সকালে গোসল সম্ভব নয়। তাহলে এ ক্ষেত্রে নামাজ পড়তে চাইলে কী করা উচিত? উত্তর: স্বপ্নদোষ হওয়া বড় নাপাকির অন্তর্ভুক্ত। এ থেকে পবিত্রতার জন্য গোসল করা ফরজ। সুতরাং এমনটি ঘটলে প্রচণ্ড ঠাণ্ডার সময় পানি গরম করে গোসল করতে হবে। কিন্তু যদি এমন পরিস্থিতির মধ্যে থাকেন যে, সেখানে পানি গরমের কোনো ব্যবস্থা নেই এবং ঠাণ্ডা পানিতে গোসলের কারণে অসুস্থ হওয়ার কিংবা রোগ-ব্যাধি বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা আছে তাহলে এক্ষেত্রে পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করা জায়েজ। কিন্তু পানি গরমের ব্যবস্থা থাকলে তায়াম্মুম করা জায়েজ হবে না। ◆ আল্লাহ তাআলা বলেন, فَاتَّقُوا اللَّهَ مَا اسْتَطَعْتُم “তোমরা যথাসাধ্য আল্লাহকে ভয় করো।” [সূরা তাগাবুন: ১৬] ◆ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, إِذَا أَمَرْتُكُمْ بِأَمْرٍ فَأْتُوا مِنْهُ مَا اسْتَطَعْتُمْ “আমি যদি তোমাদেরকে কোন বিষয়ে আদেশ করি তাহলে সাধ্য অনুসারে তা পালন করবে।” [সহিহ বুখারি] ◆ হাদিসে আরও এসেছে, প্রখ্যাত সাহাবী আমর ইবনুল আস রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, احتَلمتُ في ليلةٍ باردةٍ في غزوةِ ذاتِ السُّلاسلِ فأشفَقتُ إنِ اغتَسَلتُ أن أَهْلِكَ فتيمَّمتُ، ثمَّ صلَّيتُ بأصحابي الصُّبحَ فذَكَروا ذلِكَ للنَّبيِّ صلَّى اللَّهُ عليهِ وسلَّمَ فقالَ: يا عَمرو صلَّيتَ بأصحابِكَ وأنتَ جنُبٌ ؟ فأخبرتُهُ بالَّذي مَنعَني منَ الاغتِسالِ وقُلتُ إنِّي سَمِعْتُ اللَّهَ يقولُ:( وَلَا تَقْتُلُوا أَنْفُسَكُمْ إِنَّ اللَّهَ كَانَ بِكُمْ رَحِيمًا ) فضحِكَ رسولُ اللَّهِ صلَّى اللَّهُ عليهِ وسلَّمَ ولم يَقُلْ شيئًا “যাতুস সালাসিল যুদ্ধের সময় এক প্রচণ্ড শীতের রাতে আমার স্বপ্নদোষ হয়। আমার ভয় হল, আমি যদি গোসল করি তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হব। তাই আমি তায়াম্মুম করে লোকজনকে নিয়ে সালাত আদায় করলাম। পরে তারা বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জানালে তিনি বললেন, "হে আমর, তুমি নাকি জুনুবি (নাপাক) অবস্থায় তোমার সাথীদের নিয়ে সালাত আদায় করেছো?" তখন আমি গোসল না করার কারণ সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করলাম এবং বললাম, আমি আল্লাহর এই বাণী শুনেছি, (আল্লাহ বলেছেন,) وَلَا تَقْتُلُوا أَنْفُسَكُمْ إِنَّ اللَّهَ كَانَ بِكُمْ رَحِيمًا “আর তোমরা নিজেরা নিজেদের হত্যা করো না। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের প্রতি বড়ই দয়াবান’’ (সূরা নিসা: ২৯)। একথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসলেন এবং কিছুই বললেন না।” [আবু দাউদ-সহিহ] এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সম্মতির মাধ্যমে এমন পরিস্থিতিতে তায়াম্মুম করার বৈধতা প্রমাণিত হয়। ❑ শাইখ আব্দুল্লাহ বিন বায রাহ. বলেন, إذا كان في محل لا يستطيع فيه تدفئة الماء وليس هناك كن يستكن به للغسل بالماء الدافي وخاف على نفسه فإنه يصلي بالتيمم ولا حرج عليه “যদি সে এমন জায়গায় থাকে যেখানে সে পানি গরম করতে পারে না এবং গরম পানি দিয়ে গোসল করার জন্য সেখানে এমন কোনো ঘর না থাকে যেখানে (ঠাণ্ডা থেকে) আত্মরক্ষা করবে এবং (ঠাণ্ডা পানি ব্যবহারের কারণে) শারীরিক ক্ষতির আশঙ্কা থাকে তাহলে তাকে তায়াম্মুম করে সালাত আদায় করবে। এতে কোনও আপত্তি নেই।” [binbaz] 🔸উল্লেখ্য যে, এই বিধান স্বপ্নদোষের পাশাপাশি স্বামী-স্ত্রী মিলন কিংবা জাগ্রত অবস্থায় বীর্যপাতের মাধ্যমে জুনুবি (নাপাক) হওয়ার ক্ষেত্রে, মহিলাদের ঋতুস্রাব থেকে পবিত্র হওয়া ও প্রসূতি নারীর পবিত্রতার জন্য গোসলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য আল্লাহু আলাম। -আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল #abdullahilhadi

#প্রশ্নোত্তর দুই স্ত্রীর সাথে একসঙ্গে ঘুমানো এবং সহবাস করা ইসলামি শরিয়তে কি জায়েজ? সমাধানঃ এক রুমে দুই স্ত্রীর সাথে একসাথে থাকা তিনটি শর্ত সাপেক্ষে জায়েয- ১. তাদের উভয়ের সম্মতি থাকতে হবে। ইবনু কুদামা রহ. বলেন, وَلَيْسَ لِلرَّجُلِ أَنْ يَجْمَعَ بَيْن امْرَأَتَيْهِ فِي مَسْكَنٍ وَاحِدٍ بِغَيْرِ رِضَاهُمَا؛ لأَنَّ عَلَيْهِمَا ضَرَرًا ؛ لِمَا بَيْنَهُمَا مِنْ الْعَدَاوَةِ وَالْغَيْرَةِ পুরুষের জন্য দুই স্ত্রীকে নিয়ে একসঙ্গে থাকা তাদের সম্মতি ব্যতীত জায়েয নেই। কেননা, উভয়ের মাঝে বৈরিতা ও ঈর্ষা থাকে বিধায় উভয়ের ক্ষতি হতে পারে। ২. এক স্ত্রীর সামনে অন্য স্ত্রীর সতর খোলা থাকতে পারবে না। কেননা, একজন নারী অপর নারীর সতর দেখা হারাম। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, لَا يَنْظُرُ الرَّجُلُ إِلَى عَوْرَةِ الرَّجُلِ وَلَا تَنْظُرُ الْمَرْأَةُ إِلَى عَوْرَةِ الْمَرْأَةِ পুরুষ পুরুষের এবং নারী নারীর সতর দেখবে না। আর নারীর সামনে নারীর সতর হচ্ছে, নাভী থেকে হাঁটু পর্যন্ত। ৩. এক স্ত্রীর সামনে আরেক স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করতে পারবে না। হাসান বসরী রহ. বলেন, كانوا–أي:الصحابة أو كبار التابعين يكرهون”الوجس”،وهو أن يطأ إحداهما والأخرى تسمع الصوت– ولفظ الكراهة عند المتقدمين معناه التحريم সাহাবায়ে কেরাম ও শীর্ষ তাবিঈগণ ‘ওয়াজাস’-কে ঘৃণা করতেন। আর ওয়াজাস মানে এক স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করার সময় অপর স্ত্রী আওয়াজ শুনতে পাওয়া। আর ঘৃণা করা দ্বারা পূর্ববর্তীগণ উদেশ্য নিতেন, হারাম মনে করা। ইবনু কুদামা রহ. বলেন, إن رضيتا بأن يجامع واحدة بحيث تراه الأخرى لم يجز ، لأن فيه دناءة وسخفا وسقوط مروءة فلم يبح برضاهما যদি স্বামী উভয় স্ত্রীর সম্মতিতে একজনের সামনে আরেকজনের সঙ্গে সহবাস করে তাহলে এটা নাজায়েয। কেননা, এতে রয়েছে নিকৃষ্টতা, নির্বুদ্ধিতা ও নোংরামি। সুতরাং এটি তাদের সম্মতির কারণে জায়েয হয়ে যাবে না। এইস এম আবদুল্লাহ H M Abdullah শায়েখ উমায়ের কোব্বাদী ফতওয়া বিভাগ: জেনে নিন আপনার দ্বীনি জিজ্ঞাসা ও মাসায়েল والله اعلم بالصواب

-----কিভাবে বুঝবেন আপনি উদ্বিগ্নতা (Anxiety) রোগে আক্রান্ত??...... বেশিরভাগ মানুষ জীবনে চলার পথে উদ্বিগ্নতা অনুভব করেন। চাপমুলক ঘটনা বা পরিস্থিতিতে আংজাইটি অনুভব করা ব্যক্তির জন্য স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই উদ্বিগ্নতাগুলি যখন অনেক বেশী সময় আপনার জীবনে প্রভাব ফেলে তখন আপনি উদ্বিগ্নতা রোগে আক্রান্ত। উদ্বিগ্নতার কয়েকটি রোগ আছে।প্রতিটি রোগের লক্ষণ ভিন্ন, তাই উদ্বিগ্নতার লক্ষণ অনেক তথাপি এখানে খুব কমন কিছু লক্ষণ তুলে ধরা হলো। #লক্ষণঃ এখানে উদ্বিগ্নতার অনেক লক্ষনের মধ্যে কিছু কমন লক্ষণ দেয়া হলো- -আপনি কি প্রায় দুঃশ্চিন্তাগ্রস্থ থাকেন/ খুব খারাপ কিছু ঘটবে বলে আশংকা করেন? -আপনার কি ঘনঘন শ্বাস পড়ে / দমবন্ধবোধ হয় ? -আপরার কি বুক ভার ভার লাগে/ বুকে ব্যথা অনুভব করেন? -আপনার কি বুক ধড়ফড় করে? -আপনার কি গা/হাত-পা শিরশির করে /কাঁপে /অবশ লাগে/ জ্বালাপোড়া করে? -আপনার কি মাথা ঝিমঝিম করে/ মাথা থেকে গরম ভাপ ওঠে/ মাথা ঘোরে/ মাথা ব্যথা করে? -আপনার কি গলা শুকিয়ে যায় ও পিপাসা লাগে? -আাপনি কি স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত থাকেন/অসুস্থ হয়ে যাবেন এমন মনে হয়? -আপনি কি খুব দুর্বলবোধ করেন/ হজমে অসুবিধা হয/ পেটে অস্বস্তি লাগে / বমি বমি লাগে? -আপনার কি খুব ঘাম হয় (গরমের জন্য নয়)? -আপনার কি আরাম করতে অসুবিধা হয়? -আপনার কি সামাজিক পরিবেশে কথা বলতে অসুবিধা হয়? - আপনার কি একই বিষয় নিয়ে বারবার চিন্তা হয়? -আপনার কি আত্মনিয়ন্ত্রন হারাবার ভয় হয়? -আপনি কি এত নার্ভাস বা উত্তেজিত বোধ করেন যে মনে হয় সবকিছু এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে? -আপনি কি ধৈর্য ধরতে পারেন না? -আপনি কি সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগেন? -আপনার কি আত্মবিশ্বাসের অভাববোধ হয়? -আপনার কি একটা বিষয়ের প্রতি মনোযোগ দিয়ে রাখা আমার জন্য বেশ কষ্টকর? উপরোক্ত লক্ষণগুলির কয়েকটি একসাথে থাকলে এবং আপনার ব্যক্তিগত/ পারিবারিক/পেশাদার/সামাজিক জীবনে প্রভাব বিস্তার করলে ধরে নেয়া যায় আপনি উদ্বিগ্নতায় আক্রান্ত। যদিও পেশাদার পরামর্শ ছাড়া বলা সম্ভব না। #চিকিৎসাঃ উদ্বিগ্নতার চিকিৎসায় কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি খুব ভালো কাজ করে। প্রতিটি এংজাটি রোগের চিকিৎসা ভিন্ন ভিন্ন এবং কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপির স্পেসিফিক গাইড লাইন অনুযায়ী থেরাপি করতে হয়। বর্তমানে ডাইলেক্টিভ বিহেভিয়ার থেরাপি খুব ভালো কাজ করে। কিছু এংজাটি রুগীকে ইএমডিআর থেরাপি দিতে হয়। তবে উদ্বিগ্নতার পরিমান অনেক বেশি হলে মনোচিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মেডিসিন খেতে হয়। মনে রাখবেন, উদ্বিগ্নতা অনেক রোগের উৎস, তাই দ্রুতই উদ্বিগ্নতার বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা নিন। জিয়ানুর কবির ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট।

ছোটোবেলায় দেখেছি আম্মুরা লং কামিজ পরতেন। এরপর একটা সময় দেখলাম শর্ট কামিজের চল শুরু হলো। ঢাকার আধুনিক ফ্যামিলিগুলোতে সবাই তখন শর্ট কামিজ পরা শুরু করলো। লং কামিজ পরাটা আস্তে আস্তে ব্যাকডেটেড হয়ে গেলো। বয়স্ক ছাড়া কেউ পরতো না। এরপর ঘুরেফিরে অনেক রকম স্টাইল এসেছে৷ অনেক স্টাইল পুরোনো হয়েছে। এখনকার কিছু ফ্যাশন হাউজের পোশাক দেখে বুঝলাম, আবারও ১৫-২০ বছর আগের সেই লং কামিজের চল চলছে। মানে ঘুরেফিরে একই জিনিস। সেই সময় যেটা ছিল "পুরোনো" আর "ব্যাকডেটেড", এখন নতুন করে সেটাই হয়ে গেলো "ফ্যাশনেবল" আর "ট্রেন্ডি"। এটাই হলো আমাদের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি। . এই ফ্যাশন ইন্ড্রাস্টির কাজটা কী জানেন? একটা ট্রেন্ড তুলে দেয়া। ইন্ডাস্ট্রিতে এক এক সময় এক একটা স্টাইলকে ফ্যাশনেবল হিসেবে উপস্থাপন করা হবে, সেটা বাদে আর সবকিছুই তখন ফালতু, হাস্যকর আর ব্যাকডেটেড। ওরা যা বোঝাবে, সেটাই আপনাকে বুঝতে হবে। যেভাবে চালাবে, সেভাবেই আপনাকে চলতে হবে। আপনি সিম্পলি ওদের হাতের পুতু-ল। ওরা আপনাকে অদৃশ্য সুতোয় ধরে নাচাবে। আপনি যদি তাল মেলাতে পারেন বাহবা পাবেন, যদি না পারেন, তাহলে তকমা জুটবে- আপনি আনস্মার্ট, আনকালচারাল। কীভাবে ওরা মানুষের মগজকে দখল করে একটা উদাহরণ দিই। . ধরুন, ওরা বোঝাতে চাচ্ছে ওড়না ছাড়া থাকা মানেই আধুনিক এবং সুন্দর। তখন আপনি দেখবেন, নাটক, সিনেমা, বিজ্ঞাপন সবখানেই মূল চরিত্রের মেয়েটির গায়ে ওড়না নেই। সাহসী এবং সৎ দেখানো হচ্ছে, যে চরিত্রটিকে সেই মেয়েটির গায়ে ওড়না নেই। বিপ্ল-বী মেয়েটির গায়ে ওড়না নেই। মানুষ সবসময় নিজেকে পজিটিভ এবং শক্তিশালী চরিত্রে ভাবতে পছন্দ করে। একটা বই পড়ার সময় খেয়াল করবেন, অটোমেটিক আপনি নিজেকে মূল-চরিত্রের একজন 'হিরো' হিসেবে কল্পনা করছেন। ভিলেইন বা কাপুরুষ হিসেবে কিন্তু কেউ নিজেকে চিন্তা করে না। এভাবেই নায়িকা এবং মূল চরিত্রের নারীদেরকে বিশেষ একটা স্টাইলে দেখানোর মাধ্যমে ওরা আমাদের মগজে স্লো-পয়জনিং এর মতো ঢুকিয়ে দেয় যে, তাদের মতো চলতে পারার অর্থই সুন্দর। সেটা হতে পারে, ওড়না ছাড়া চলা, কিংবা স্লিভলেস ব্লাউজ পরা, কিংবা চোখে কালোর বদলে নীল কাজল দেয়া ইত্যাদি। . মূল কথা হলো, আপনি যদি একই কামিজ পাঁচ বছর পরেন, একই মেইক-আপ আইটেম কয়েক বছর ব্যবহার করেন, তাহলে তো অনেক ব্যবসাই লাটে উঠবে। তাই বড় বড় ইন্ডাস্ট্রিয়ান ও ব্যবসায়ীরা মানুষের ভেতর একটা হাহাকার তৈরি করে। একটা মেকি প্রয়োজন সৃষ্টি করে। নিত্যনতুন বিজ্ঞাপন এবং জনপ্রিয় মডেলদেরকে সেভাবেই বারবার উপস্থাপনের মাধ্যমে মানুষকে বিশ্বাস করিয়ে ছাড়ে যে এই জিনিসটাই সুন্দর, এই জিনিসটাই আপনার দরকার। এখনকার ট্রেন্ড বাদে আগের সবকিছুই ফা-লতু, খ্যাত, পঁ-*চা। কাজেই আপনি যখন ট্রেন্ডি জামাকাপড় পরবেন না, মানুষ আপনার দিকে আড়চোখে তাকাবে৷ আপনার পোশাক দেখে হাসবে। আপনাকে গোঁড়া, খ্যাত, আনস্মার্ট মনে করবে। অন্যদিকে আপনি যখনই ট্রেন্ডি কাপড়চোপড় আর মেইক-আপে নিজেকে সাজিয়ে তুলবেন, তখন দেখবেন সবাই আপনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হচ্ছে! অর্থাৎ মানুষ অলরেডি ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিগুলোর খেলার পু-তুলে পরিণত হয়েছে। আপনি দেখতে কেমন, আসলেই কতটা রুচিশীল পোশাক পরছেন এইটা ম্যাটার করে না। ম্যাটার করে খালি - ওরা আপনার পোশাককে রুচিশীল হিসেবে দেখাতে চায় কিনা সেটা। . চিন্তা করে দেখুন তো কোনটা বেটার? দুইদিনের এই ট্রেন্ড ফলো করে মানুষের অনুসরণ করা নাকি, তাদের কথামতো দুইদিন পর পর নতুন নতুন স্টাইলের পিছে ছোটা? নাকি এমন সৃষ্টিকর্তার আদেশ মেনে চলা, যিনি দুদিন পর পর মেকি চাহিদা সৃষ্টি করেন না। আল্লাহর নিয়মে সবসময়ের জন্য এক পোশাক। হিজাব। হিজাব কখনও পুরোনো হয় না। দুই বছর পর আউট অফ ফ্যাশন হয়ে যায় না। হিজাব চৌদ্দশ বছর আগেও যা ছিল, এখনও তাই আছে। আমাদের প্রিয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী এবং মেয়েরা যে হিজাব করতেন, এখনও লাখো মুসলিমাহ সেই একই হিজাবই পালন করে। মানুষের দা-*সত্বের চাইতে কি এটাই ভালো না, যে আমরা রবের দা-*সত্ব করি? . - আনিকা তুবা!

৭ টা বহুল প্রচলিত মাইন্ড গেম যেটা মেয়েরা পুরুষদের সাথে খেলে:- ১। মেয়েরা প্রতিনিয়ত আপনার বাউন্ডারি কিংবা সহ্যসীমা পরিক্ষা করবে কাজ কিংবা অকাজের মাধ্যমে। (সম্পর্কের শুরুতেই স্পষ্ট বাউন্ডারি সেট করে নিন, কি করা যাবে, কি করা যাবে না। এবং নিজের বাউন্ডারির ব্যাপারে বরাবরাই সিরিয়াস হোন। কোনোমতে কখনোই মেয়েদেরকে নিজের সেট করা বাউন্ডারি ক্রস করতে দিবেন না। তাহলে সে আপনার প্রতি রেসপেক্ট হারিয়ে ফেলবে আর ভালোবাসা রেসপেক্টের জায়গা থেকে আসে) ২। তর্ক বা ঝগড়া জেতার জন্য সাইলেন্ট ট্রিটমেন্ট ব্যবহার করবে। তর্ক কিংবা ঝগড়ার সময় টু শব্দটা করবে না, যতক্ষণ না তার কাছে আপনার মাফ চাওয়ার মত সিচুয়েশন তৈরি হচ্ছে। কোনো ভাবেই এই ফাঁদে পা দিবেন না। ৩। তারা আপনার সকল মুভ, সবকিছু কন্ট্রোল করতে চাইবে। আপনি কি খাবেন, কি পরবেন বা কি করবেন তার সবকিছু। নেভার বি আ পাপেট। ৪। তারা আপনাকে তাদের প্রাক্তন প্রেমিক কিংবা পার্টনারের সাথে তুলনা করবে। "আরে জানো, আমার এক্স অথবা আগে আমি যাদের সাথে সম্পর্কে ছিলাম তারা কখনোই আমার সাথে এমনটা করেনাই যেমনটা এখন তুমি আমার সাথে করতেসো......অথবা তোমার জায়গায় আমার এক্স থাকলে আজকে সে আমার জন্য এটা করত, ইত্যাদি"। আপনাকে তাদের এক্সের সাথে তুলনা দিলে আপনিও সাথে সাথে তাকে নিজের এক্সের সাথে তুলনা দিবেন। এক্স না থাকলেও কল্পিত এক্সের সাথে তাকে তুলনা দিয়ে বুঝিয়ে দিবেন, ইউ আর নট অ্যান ইজি ক্যাচ। সমতা রক্ষা করবেন যেভাবেই হোক। ৫। তারা তাদের চোখের পানি কিংবা কান্নাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে আপনাকে ম্যানিপুলেট করতে চাইবে। ৬। যখন আপনি ক্লিয়ারলিই দেখতে পাচ্ছেন সে অন্য কোনো পুরুষের সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছে কিংবা সেই পুরুষকে ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে এবং এটা নিয়ে যখন কিছু বলবেন, তখন তারা আপনাকে বলবে আপনি ওভারথিঙ্কিং করছেন অথবা অযথাই জেলাসি ফিল করছেন। কিন্তু বাস্তবে কি হচ্ছে সেটা আপনি ভালো করেই জানেন। ৭। সে আপনার কোনো প্রশ্ন কিংবা প্রস্তাবের উত্তরে সরাসরি উত্তর না দিয়ে বলবে, "আচ্ছা দেখি, কি করা যায়", কিংবা "ভেবে দেখব"। আপনাকে সরাসরি না ও বলবে না, আবার হ্যাঁ ও বলবে না। আপনি যদি মেয়েদের সাইকোলজি কিভাবে ফাংশন করে সেটা জানতে পারেন, তাহলে বুঝতে পারবেন তারা ঠিক কতটা প্রেডিক্টেবল কিংবা তাদের প্রতিটি কাজ করার আগেই আপনি বুঝতে পারবেন কিংবা অনুমান করতে পারবেন সে ঠিক কি করতে পারে কোন পরিস্থিতিতে। তাদেরকে হ্যান্ডেল করা কিংবা তাদের সাথে ডিল করা তখন আপনার জন্য বাচ্চাদের খেলার মত হয়ে যাবে। অতএব, ফিমেল সাইকোলোজি বোঝার জন্য পুরুষ কথনের সাথেই থাকুন।

৭ টা বহুল প্রচলিত মাইন্ড গেম যেটা মেয়েরা পুরুষদের সাথে খেলে:- ১। মেয়েরা প্রতিনিয়ত আপনার বাউন্ডারি কিংবা সহ্যসীমা পরিক্ষা করবে কাজ কিংবা অকাজের মাধ্যমে। (সম্পর্কের শুরুতেই স্পষ্ট বাউন্ডারি সেট করে নিন, কি করা যাবে, কি করা যাবে না। এবং নিজের বাউন্ডারির ব্যাপারে বরাবরাই সিরিয়াস হোন। কোনোমতে কখনোই মেয়েদেরকে নিজের সেট করা বাউন্ডারি ক্রস করতে দিবেন না। তাহলে সে আপনার প্রতি রেসপেক্ট হারিয়ে ফেলবে আর ভালোবাসা রেসপেক্টের জায়গা থেকে আসে) ২। তর্ক বা ঝগড়া জেতার জন্য সাইলেন্ট ট্রিটমেন্ট ব্যবহার করবে। তর্ক কিংবা ঝগড়ার সময় টু শব্দটা করবে না, যতক্ষণ না তার কাছে আপনার মাফ চাওয়ার মত সিচুয়েশন তৈরি হচ্ছে। কোনো ভাবেই এই ফাঁদে পা দিবেন না। ৩। তারা আপনার সকল মুভ, সবকিছু কন্ট্রোল করতে চাইবে। আপনি কি খাবেন, কি পরবেন বা কি করবেন তার সবকিছু। নেভার বি আ পাপেট। ৪। তারা আপনাকে তাদের প্রাক্তন প্রেমিক কিংবা পার্টনারের সাথে তুলনা করবে। "আরে জানো, আমার এক্স অথবা আগে আমি যাদের সাথে সম্পর্কে ছিলাম তারা কখনোই আমার সাথে এমনটা করেনাই যেমনটা এখন তুমি আমার সাথে করতেসো......অথবা তোমার জায়গায় আমার এক্স থাকলে আজকে সে আমার জন্য এটা করত, ইত্যাদি"। আপনাকে তাদের এক্সের সাথে তুলনা দিলে আপনিও সাথে সাথে তাকে নিজের এক্সের সাথে তুলনা দিবেন। এক্স না থাকলেও কল্পিত এক্সের সাথে তাকে তুলনা দিয়ে বুঝিয়ে দিবেন, ইউ আর নট অ্যান ইজি ক্যাচ। সমতা রক্ষা করবেন যেভাবেই হোক। ৫। তারা তাদের চোখের পানি কিংবা কান্নাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে আপনাকে ম্যানিপুলেট করতে চাইবে। ৬। যখন আপনি ক্লিয়ারলিই দেখতে পাচ্ছেন সে অন্য কোনো পুরুষের সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছে কিংবা সেই পুরুষকে ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে এবং এটা নিয়ে যখন কিছু বলবেন, তখন তারা আপনাকে বলবে আপনি ওভারথিঙ্কিং করছেন অথবা অযথাই জেলাসি ফিল করছেন। কিন্তু বাস্তবে কি হচ্ছে সেটা আপনি ভালো করেই জানেন। ৭। সে আপনার কোনো প্রশ্ন কিংবা প্রস্তাবের উত্তরে সরাসরি উত্তর না দিয়ে বলবে, "আচ্ছা দেখি, কি করা যায়", কিংবা "ভেবে দেখব"। আপনাকে সরাসরি না ও বলবে না, আবার হ্যাঁ ও বলবে না। আপনি যদি মেয়েদের সাইকোলজি কিভাবে ফাংশন করে সেটা জানতে পারেন, তাহলে বুঝতে পারবেন তারা ঠিক কতটা প্রেডিক্টেবল কিংবা তাদের প্রতিটি কাজ করার আগেই আপনি বুঝতে পারবেন কিংবা অনুমান করতে পারবেন সে ঠিক কি করতে পারে কোন পরিস্থিতিতে। তাদেরকে হ্যান্ডেল করা কিংবা তাদের সাথে ডিল করা তখন আপনার জন্য বাচ্চাদের খেলার মত হয়ে যাবে। অতএব, ফিমেল সাইকোলোজি বোঝার জন্য পুরুষ কথনের সাথেই থাকুন।

পুরুষের যৌন দুর্বলতা ( ১৮+ যৌন শিক্ষা বিষয়ক লেখা ) . অনেকেই এ বিষয়ে জানতে চেয়েছেন তাই সকলের আলাদা আলাদা উত্তর না দিয়ে এখানে পোষ্ট আকারে দিলাম। . 🟩 পুরুষের যৌন দুর্বলতা কি ? পুরুষের যৌন দুর্বলতা বলতে - পুরুষত্বহীনতা ,যৌনমিলনের অক্ষমতা , যৌন উত্তেজনাহীন হওয়া, মিলনের পূর্বে বীর্যপাত, হওয়া দ্রুত বীর্যপাত হওয়া কে বুঝায়। এগুলো সব হচ্ছে যৌন সমস্যার অন্তর্গত বিষয়। . 🟩 কেন হয় এমন ? অনেকগুলো কারণে হতে পারে , যা নিম্নে বিস্তারিত দেওয়া হল: . ★ যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত কারণ , যেমন ১)মাত্রাঅতিরিক্ত স্বপ্নদোষ ২)মাত্রাঅতিরিক্ত হস্তমৈথুন ৩)মাত্রাঅতিরিক্ত যৌন মিলন ৪)বিভিন্ন যৌন রোগ ( যেমন গনোরিয়া সিফিলিস ইত্যাদি) ৫) প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড এর রোগ , ইত্যাদি . ★ বিকৃত যৌন আচরণ (যেমন সমকামিতা , পরকীয়া ) . ★ স্নায়ুবিক কারণ , যেমন: ১)প্যারালাইসিস ২) স্নায়ু সমহের শিথিলতা ৩)স্নায়ুর আঘাত, ইত্যাদি . ★ ধূমপান ও মাদক গ্রহণ ( যেমন: সিগারেট পান করা , গাজা , ইয়াবা , ফেনসিডিল , আলকোহল যুক্ত ড্রিংকস ইত্যাদি ) . ★ হৃদ সম্পর্কিত কারণ , যেমন: ১)উচ্চ রক্তচাপ ২)হৃদপিন্ডের দুর্বলতা ৩)হৃদপিন্ডের অকার্যকারিতা বা হার্ট ফেইলিউর ৪)এনজাইনা পেকটোরিস . ★ লিভারের রোগ সম্পর্কিত কারণ , যেমন জন্ডিস ১)হেপাটাইটিস ২)লিভার সিরোসিস ৩)লিভারের কারণে পেটে পানি জমা ৪)লিভার আকারে বড় হওয়া বা হেপাটোমেগালি ৫)লিভার ঠিকভাবে কাজ না করা , ইত্যাদি . ★ মূত্র তন্ত্র সম্পর্কীয় রোগ , যেমন ১)নেফ্রাইটিস ২)সিস্টাইটিস ৩) একুইট বা ক্রনিক কিডনি ডিজিস ৪) মূত্রতন্ত্রের ইনফেকশন , ইত্যাদি . ★ডায়াবেটিস . ★ পাকস্থলীর সম্পর্কীয় কারণ , যেমন ১)বদহজম ২)কোষ্ঠকাঠিন্য ৩)ডায়রিয়া ৪) আইবিএস , ইত্যাদি . ★ শারীরিক দুর্বলতা , রক্তশূন্যতা , পুষ্টিহীনতা ভিটামিনের ঘাটতি . ★ শরীরে বেশি চর্বি জমে যাওয়া (সেটা রক্তের মধ্যে চর্বির পরিমাণ বেশি হতে পারে, ফ্যাটি লিভার হতে পারে, শরীরের যে কোন জায়গায় চর্বি জমে যাওয়া হতে পারে, আর্টারির মধ্যে চর্বি জমা দেওয়া হতে পারে ) . ★ দেহের মৌলিক উপাদান সমূহের স্বল্পতার কারণে হতে পারে . ★ মানসিক কারণে হতে পারে ১)যৌন ভীতি ২)অবসাদ ৩)ডিপ্রেশন ৪)অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ৫)অতিরিক্ত উত্তেজনা ৬)পার্টনারের প্রতি ঘৃণা ৭)পার্টনার পছন্দ না হওয়া ৮)দাম্পত্য কলহ ৯)যৌন সঙ্গিনীর প্রতি অনীহা ১০)কিশোর বয়সে যৌন নিপীড়ন ১১)যৌন আবেদন কম ১২)যৌন সঙ্গিনীর গর্ভবতী হওয়ার ভয় ১৩)বিভিন্ন যৌন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ভয় ১৪)সঙ্গমে সক্ষম হবে না এই ভয় , ইত্যাদি . ★ বিভিন্ন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে হতে পারে ১)থাইরয়েডের ওষুধ ২)বিটাব্লকার ওষুধ ৩)ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার ৪)হৃদরোগের জন্য ব্যবহৃত ঔষধ ৫)মানসিক রোগের ওষুধ ৬)দীর্ঘদিন এলার্জির ওষুধ ব্যবহার ৭)কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র অবদমনকারী ওষুধ ৮)ক্যান্সারের ওষুধ ৯)উচ্চ রক্তচাপের ঔষধ , ইত্যাদি . ★ হাইপোগোনাডিজম এর কারণে হতে পারে যে সকল কারণে হাইপোগোনাডিজম অর্থাৎ অন্ড বা ডিম্বাশয়ের ক্ষরণ ক্ষমতার আসবে রোগীর যৌন দুর্বলতা দেখা দেয় তা হল - প্রাইমারি কারণ: ১)অটোইমিউন গোনাডাল ফেইলিউর ২)অরকাইটিস বা অণ্ডকোষের প্রদাহ ৩)হেমোক্রোমাটোসিস ৪)যক্ষা ৫)কেমোথেরাপি ৬)জন্মগত অ্যাড্রিনাল হাইপারপ্লাসিয়া সেকেন্ডারি কারণ: ১)পিটুইটারি গ্রন্থির ক্ষরণ কমে যাওয়া ২)প্রোল্যাকটিন হরমোন বৃদ্ধি ৩) কালমেন্স সিনড্রোম . ★এন্ড্রোজেন রেজিস্ট্যান্স সিনড্রোম এর কারণে হতে পারে । নিম্নলিখিত কারণে হতে পারে: ১)টেস্টিকুলার ফেমিনিসেশন সিনড্রোম ২)৫ আলফা রি ডাক টেজ এনজাইমের ঘাটতি ৩)রক্ত সঞ্চালনের ব্যাঘাত . ★ হরমোনের সমস্যার কারণে হতে পারে ( যেমন: টেস্টোস্টেরন , থাইরয়েড স্টিমুলেটিং হরমোন ইত্যাদি ) . 🟩 লক্ষণ গুলো কি কি: ১) পুরুষাঙ্গ শিথিল হওয়া ২)পরিপূর্ণ ইলেকশন না হওয়া বা শক্ত না হওয়া ৩)একবার ইরেকশন বা লিঙ্গ উত্থান হলেও উত্থানজনিত অবস্থা একেবারে ধরে না রাখতে পারা ৪)দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যাওয়া ৫)যৌন আগ্রহ বা ইচ্ছার ঘাটতি দেখা ৬)চরম পুলক লাভের ব্যর্থতা ৭) বীর্যস্খলনজনিত সমস্যা , ইত্যাদি . 🟩 যৌন দুর্বলতা বা সমস্যার ঝুঁকিতে কারা বেশি: ১)যাদের ডায়াবেটিস রোগ আছে ২)যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে ৩)যাদের স্ট্রোক বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে ৪)যারা রেডিয়েশন থেরাপি বা বিকিরণ চিকিৎসা গ্রহণ করেছে ৫)যারা ড্রাগ আসক্ত বা মাদকাসক্ত ৬)যারা দীর্ঘদিন ধূমপান করেন ৭)যাদের বস্তি দেশে বা শ্রোণী চক্রের অস্ত্রোপচার বা সার্জারি হয়েছে ৮)পুরুষাঙ্গের কোনো ধরনের আঘাত বা ইনজুরি হয়েছে ৯)যারা মেরুদন্ডে আঘাত পেয়েছে ১০) যারা ক্রনিক রোগের জন্য বহু বছর ধরে বিভিন্ন ওষুধ খেয়ে যাচ্ছে (যেমন ডায়াবেটিসের ওষুধ , উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ , শ্বাসকষ্টের ওষুধ ইত্যাদি) . 🟩 চিকিৎসা পদ্ধতি: অভিজ্ঞ চিকিৎসকের অধীনে কারণ বের করে চিকিৎসা করতে হবে । তবে সাধারণ অবস্থায় নিম্নলিখিত নিয়মগুলো মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়: ★ পুষ্টিকর ও বলকারক খাবার

Repost from Sorowar's talks
ব্রেকিং নিউজ ফ্রান্সের সবচেয়ে কম বয়সী স*কামী প্রধানমন্ত্রী! বুঝতে পারছেন পৃথিবী কোন দিকে ধাবিত হচ্ছে? কেন আমি আমাদের সমাজের ভ
ব্রেকিং নিউজ ফ্রান্সের সবচেয়ে কম বয়সী স*কামী প্রধানমন্ত্রী! বুঝতে পারছেন পৃথিবী কোন দিকে ধাবিত হচ্ছে? কেন আমি আমাদের সমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে শংকিত। সেই মতবাদ শরীফ-শরিফা কাহিনীর মাধ্যমে এক স*কামী এক্টিভিস্ট প্রতিষ্ঠান ২০১৫ সাল থেকে লবিং করে ৭ম শ্রেনীর পাঠ্যপুস্তকে সংযুক্ত করেছে সবাইকে শব্দের মারপ্যাঁচ দিয়ে। এটা সেই প্রতিষ্ঠান বড়াই করে ২০২২ সালের তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে ক্রেডিট নিয়েছে। তারাই ট্রান্সফরমার খসড়া আইন ড্রাফট করেছে, ২০ বছর ধরে লবিং করেছে। কিন্ত দেশের সাধারণ মানুষ বুঝতেই পারেনি। এটাইকে চরম স্মার্টনেস আর আমাদের অজ্ঞতার ইন্ডিকেটর। #এ_যুগের_চ্যালেঞ্জ

হালাল ভাবে একটা নারীকে স্পর্শ করতে ২৮/৩০ বছর ব্যয় করে আপনাকে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। ভালো স্যালারি লাগবে। টেকসই জব লাগবে। মোহরানা জমাতে হবে! লোকজন খাওয়াতে হবে। এছাড়াও কতো প্রতিবন্ধকতা! আবার একই নারীকে হারাম ভাবে স্পর্শ করতে, উপভোগ করতে মাত্র দুই দিন সময় দিলেই হবে। স্যালারি ও লাগবে না, জব ও লাগবে না। মোহরানা ও দিতে হবে না। ১৭/১৮ বছর বয়সেই ভোগ করা যাবে। তখন কেউ আপনাকে ছোট বলবে না! বিয়ে করতে যান বয়স হয়নি। ক্যারিয়ার হয়নি সেটেল হয়নি। কত অঘোষিত নিষিদ্ধ আইন, এই সমাজ ব্যবস্থায় Find My Advocate Group

> জ্ঞান - Knowledge: পবিত্র কোরআনের ৯৯ নির্দেশনাঃ ০১. কথাবার্তায় কর্কশ হবেন না। (০৩ঃ১৫৯) ০২. রাগকে নিয়ন্ত্রণ করুন (০৩ঃ১৩৪)। ০৩. অন্যের সাথে ভালো ব্যবহার করুন। (০৪ঃ ৩৬) ০৪. অহংকার করবেন না। (০৭ঃ ১৩) ০৫. অন্যকে তার ভুলের জন্য ক্ষমা করুন (০৭ঃ ১৯৯) ০৬. লোকদের সাথে ধীরস্থির হয়ে শান্তভাবে কথা বলুন। (২০ঃ ৪৪) ০৭. উচ্চস্বরে কথা বলবেন না। (৩১ঃ ১৯) ০৮. অন্যকে উপহাস করবেন না (৪৯ঃ ১১) ০৯. পিতামাতার প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করুন। (১৭ঃ ২৩) ১০. পিতামাতার প্রতি অসম্মানজনক শব্দ উচ্চারণ করবেন না। (১৭ঃ ২৩) ১১. অনুমতি না নিয়ে পিতামাতার শোবার ঘরে প্রবেশ করবেন না। (২৪ঃ ৫৮) ১২. ঋণ গ্রহণ করলে তা লিখে রাখুন। (০২ঃ ২৮২) ১৩. কাউকে অন্ধভাবে অনুসরণ করবেন না। (০২ঃ ১৭০) ১৪. ঋণ গ্রহণকারীর কঠিন পরিস্থিতিতে পরিশোধের সময় বাড়িয়ে দিন। (২ঃ ২৮০) ১৫. কখনো সুদের সাথে জড়িত হবেন না। (০২ঃ ২৭৫) ১৬. কখনো ঘুষের সাথে জড়িতে হবেন না। (০২ঃ১৮৮) ১৭. প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করবেন না। (০২.১৭৭) ১৮. আস্থা রাখুন (০২ঃ ২৮৩) ১৯. সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করবেন না। (২:৪২) ২০. ইনসাফের সাথে বিচার করবেন। (০৪ঃ ৫৮) ২১. ন্যায়বিচারের জন্য দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে যান। (০৪: ১৩৫) ২২. মৃতদের সম্পদ তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সুষ্ঠভাবে বিতরণ করুন। (০৪ঃ ০৭) ২৩. মহিলাদের উত্তরাধিকারের অধিকার আদায় করুন। (০৪ঃ ০৭) ২৪. এতিমদের সম্পত্তি গ্রাস করবেন না। (০৪.১০) ২৫. এতিমদের রক্ষা করুন। (০২.২২০) ২৬. অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করবেন না। (০৪ঃ ২৯) ২৭. মানুষের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য চেষ্টা করুন। (৪৯ঃ ০৯) ২৮. সন্দেহ এড়িয়ে চলুন। (৪৯ঃ ১২) ২৯. গুপ্তচরবৃত্তি করবেন না, কুৎসা রটাবেন না। (৪৯ঃ ১২) ৩০. আল্লাহর বিধানুসারে বিচার করুন। (০৫ঃ ৪৫) ৩১. সাদাকাতে সম্পদ ব্যয় করুন। (৫৭ঃ০৭) ৩২.দরিদ্রকে খাবার খাওয়ান। (১০৭ঃ ০৩) ৩৩. অভাবীকে অভাব পূরুনের উপায় বাতলে দিন। (০২ঃ ২৭৩) ৩৪. অপব্যয় করবেন না। (১৭ঃ ২৯) ৩৫. খোঁটা দিয়ে দানকে নষ্ট করে দিবেন না। (০২ঃ ২৬৪) ৩৬. অতিথিকে সম্মান করুন। (৫১ঃ ২৬) ৩৭. কেবলমাত্র নিজে আমল করে তারপর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্যকে আমল করার আদেশ দিবেন। (০২ঃ৪৪) ৩৮. কাউকে গালাগালি করবেন না। (০২ঃ ৬০) ৩৯. লোকজনকে মসজিদে যেতে বাধা দিবেন না। (০২ঃ ১৪৪) ৪০. কেবল তাদের সাথেই লড়াই করুন, যারা আপনার সাথে লড়াই করে (০২ঃ ১৯০) ৪১. যুদ্ধের শিষ্টাচার মেনে চলুন। (০২ঃ ১৯১) ৪২. যুদ্ধেংদেহী হবেন না। (০৮ঃ১৫) ৪৩. দ্বীন নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেন না। (০২ঃ ২৫৬) ৪৪. সকল নবির উপর ঈমান আনুন। (২: ২৮৫) ৪৫. স্ত্রীর মাসিকের সময় যৌন মিলন করবেন না। (০২ঃ ২২২) ৪৬. আপনার শিশুকে পূর্ণ দুবছর বুকের দুধ খাওয়ান। (০২ঃ ২৩৩) ৪৭. অননুমোদিত উপায়ে যৌন মিলন করবেন না। (১৭ঃ ৩২) ৪৮. যোগ্যতা অনুসারে নেতৃত্বের দায়িত্ব অর্পণ করুন। (০২ঃ ২৪৭) ৪৯. কোনো ব্যক্তিকে সামর্থ্যের বাহিরে বেশি বোঝা চাপিয়ে দিবেন না। (০২ঃ ২৮৬) ৫০. বিভক্তি উসকে দিবেন না। (০৩ঃ ১০৩) ৫১. মহাবিশ্বের বিস্ময় ও সৃষ্টি সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করুন (৩: ১৯১) ৫২. আমল অনুযায়ী পুরুষ ও মহিলাদের সমান পুরষ্কার পাবেন; তাই আমল করুন। (৩: ১৯৫) ৫৩. 'মাহরাম' আত্মীয়কে বিবাহ করবেন না। (০৪ঃ ২৩) ৫৪. পুরুষ হিসেবে মহিলাদের সুরক্ষা দিন। (০৪ঃ ৩৪) ৫৫. কৃপণ হবেন না । (০৪ঃ ৩৭) ৫৬. অন্তরে পরশ্রীকাতরতা পুষে রাখবেন না। (০৪ঃ ৫৪) ৫৭. একে অপরকে হত্যা করবেন না। (০৪ঃ ৯২) ৫৮. প্রতারণার পক্ষে ওকালতি করবেন না। (০৪ঃ ১০৫) ৫৯. পাপ কাজে এবং আগ্রাসনে সহযোগিতা করবেন না। (০৫ঃ০২) ৬০. সৎ কাজে সহযোগিতা করুন। (০৫ঃ ০২) ৬১. সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই কোনোকিছু সত্য বলে গ্রহণ করবেন না। ( ০৬ঃ ১১৬) ৬২. ন্যায়বিচার করুন। (০৫ঃ ০৮) ৬৩. অপরাধীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন। (০৫ঃ ৩৮) ৬৪. পাপ ও বেআইনী কাজের বিরুদ্ধে লড়াই করুন (০৫ঃ ৬৩) ৬৫. মৃত প্রাণী, রক্ত, শুকরের মাংস ভক্ষণ থেকে দূরে থাকুন। (০৫ঃ ০৩) ৬৬. মাদক এবং অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন (৫:৯০) ৬৭. জুয়া খেলবেন না। (০৫ঃ ৯০) ৬৮. অন্য ধর্মের দেবদেবীদের অবমাননা করবেন না। (০৬ঃ ১০৮) ৬৯. ক্রেতাকে ঠকানোর উদ্দ্যেশ্যে মাপে কম দিবেন না। (০৬ঃ ১৫২) ৭০. খান এবং পান করুন; তবে অপচয় করবেন না। (০৭ঃ ৩১) ৭১. নামাজের সময় ভালো পোশাক পরিধান করুন। (০৭ঃ ৩১) ৭২. আশ্রয়প্রার্থীকে সুরক্ষা দিন, সহযোগিতা করুন। (০৯ঃ ০৬) ৭৩. বিশুদ্ধতাকে আঁকড়ে ধরুন। (০৯ঃ ১০৮) ৭৪. আল্লাহর রহমতের আশা কখনই পরিত্যাগ করবেন না। (১২ঃ ৮৭) ৭৫. অজ্ঞতাবশত ভুল করলে আল্লাহর ক্ষমা প্রত্যাশা করুন। ( ১৬ঃ ১১৯) ৭৬. মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান করুন হিকমা ও উত্তমভাবে। (১৬ঃ ১২৫) ৭৭. অন্যের পাপের বোঝা কাউকে বইতে হবে না, বিশ্বাস করুন। (১৭ঃ ১৫) > জ্ঞান - Knowledge: ৭৮. দারিদ্র্যের ভয়ে আপনার বাচ্চাদের হত্যা করবেন না। (১৭ঃ ৩১) ৭৯. যে বিষয়ে জ্ঞান আপনার জ্ঞান নাই, সে বিষয়ে কারও পিছু লাগবেন না। (১৭ঃ ৩৬) ৮০. নিরর্থক কাজ থেকে দূরে থ

photo content

করাটা কঠিন হয়ে পড়ে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য পার্টনারের সাথে কমিউনিকেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিজেদের মধ্যকার সমস্যা ও যৌন চাহিদা একে অপরের সাথে আলোচনা করতে হবে। যদি সমস্যাগুলো একে অপরের থেকে লুকিয়ে রাখে তবে তাদের শারীরিক সম্পর্কের পাশাপাশি মানসিকভাবে‌ও দূরত্ব সৃষ্টি হবে। সেইসাথে লিবিডো বাড়ানোর জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারে। লিবিডো কমে যাওয়ার কিছু কারণ রয়েছে যেমন: মানসিক চাপ, বয়োঃবৃদ্ধি, হরমোনের পরিবর্তন, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, ট্রমা, আর্থ্রাইটিস বা করোনারি আর্টারির মতো রোগ, সম্পর্কের মধ্যে বিশ্বাসের অভাব ও অসততা ইত্যাদি। লিবিডো কমে গেলে ক্লিনিক্যাল ট্রিটমেন্ট ছাড়াও প্রাকৃতিক উপায়ে লিবিডো বাড়ানো সম্ভব। যাইহোক অনেক কথা বললাম মূলত একটি সুস্থ ও সুন্দর রিলেশনশিপ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার জন্য সেক্স করা বাধ্যতামূলক নয়। একজন সঠিক সঙ্গী নির্বাচন করা প্রয়োজন যে চাহিদা ও সমস্যাগুলো বুঝতে পারবে। সেজন্য যে কোন সম্পর্কের মধ্যে পরস্পরের মধ্যকার যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সোর্স কমেন্টে

# রিলেশনশিপে সেক্সুয়াল এক্টিভিটি কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ? টাইটেল দেখে প্রথমেই হয়তো আপনার মনে হতে পারে এই ধরনের আর্টিকেল লেখার প্রয়োজনীয়তা কী? হ্যাঁ এরকমটা মনে হ‌ওয়া একদম স্বাভাবিক কারণ নারী-পুরুষের সম্পর্কে সেক্সের গুরুত্ব ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হবে। প্রত্যেকের ক্ষেত্রে আলাদা, কারো কারো ক্ষেত্রে সেক্স খুব‌ই গুরুত্বপূর্ণ, কিছু ব্যক্তির কাছে সেক্স ঐচ্ছিক বিষয় আবার কিছু ব্যক্তি যৌনতার ব্যাপারে একেবারেই অনাগ্রহী। এটি নির্ভর করে ব্যক্তির ব্যক্তিগত বিশ্বাস, শারীরিক চাহিদা ও সম্পর্কের অবস্থার উপর। তাহলে এই আর্টিকেলের প্রয়োজনীয়তা কী? এই আর্টিকেলের উদ্দেশ্য হচ্ছে রিলেশনশিপের সেক্সুয়াল এক্টিভিটির গুরুত্ব নিয়ে গবেষকরা কি বলছে তা সহজবোধ্য ভাষায় প্রকাশ করার চেষ্টা করা। পৃথিবীর বহু ব্যক্তি বা দম্পতির কাছে সেক্সের গুরুত্ব নেই। তারা তাদের সঙ্গীর সাথে কোনো ধরনের যৌন সম্পর্ক ছাড়াই সুখী, পরিপূর্ণ, স্বাস্থ্যকর ও রোমান্টিক জীবন উপভোগ করছে। মানুষ কেন সেক্স করতে চায় না তার অনেক কারণ আছে। কিছু কারণ সম্পর্কে জানা যাক: প্রথমত লিবিডো কম থাকা। মনে প্রশ্ন আসতে পারে লিবিডো কী? লিবিডো হচ্ছে একজন ব্যক্তির যৌন আকাঙ্ক্ষা বা যৌনসংগমের প্রতি আগ্রহ, এটি সেক্স ড্রাইভ নামেও পরিচিত। অনেকেই অবিবাহিত জীবন উপভোগ করতে চায়, অনেকেই বিয়ের আগে অথবা পরে সেক্স থেকে বিরত থাকতে চায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মেডিকেল ইস্যু থাকার কারণে অনেকে সেক্স করতে আগ্রহী হয় না অথবা আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও সেক্স করতে পারে না। আবার এসেক্সুয়াল ব্যক্তিরা সাধারণত সেক্স করে না, কিছু কিছু ক্ষেত্রে তারা অল্প বিস্তর যৌন আকর্ষণ অনুভব করে। তবে নারী-পুরুষের মধ্যে যৌন সম্পর্ক না থাকলেই যে তারা অসুখী হবে এমন নয়। যৌন সম্পর্ক না থাকলেই যে আপনার সঙ্গী আপনাকে মূল্য দিচ্ছে না অথবা ভালোবাসে না এমনটাও নয়। মূলকথা নারী-পুরুষের মধ্যে সুস্থ ও স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য সেক্সুয়াল এক্টিভিটি বাধ্যতমূলক নয়। তবে রোমান্টিক রিলেশনশিপের ক্ষেত্রে সেক্সুয়ালিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অ্যালোসেক্সুয়াল ব্যক্তিরা যেহেতু যৌন আকর্ষণ অনুভব করে তাই তাদের রিলেশনশিপ দীর্ঘস্থায়ী হ‌ওয়ার জন্য‌ও সেক্সের ভূমিকা রয়েছে। রিলেশনশিপের ক্ষেত্রে সেক্স, আপনার পার্টনারের কাছে নিজের ভালোবাসা অথবা অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যম হতে পারে। নতুন রিলেশনশিপ শুরুর পূর্ববর্তী ধাপের মধ্যেও সেক্স একটি। নিয়মিত সেক্স করলে রিলেশনশিপ আরো সুদৃঢ় হ‌ওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। করো কারো কাছে সেক্স শুধুমাত্র যৌন চাহিদা পূরণের অথবা আনন্দদায়ক একটি মাধ্যম হতে পারে। এছাড়াও অনেক দম্পতি শুধুমাত্র সন্তান জন্মদানের জন্য‌ সেক্স করে থাকে। তবে নিয়মিত সেক্স করার কিছু মানসিক ও শারীরিক উপকারিতা আছে। যেমন মানসিক কিছু উপকারিতার কথা যদি বলি তবে নিয়মিত সেক্স করার ফলে আপনার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে, সেক্স আপনার মানসিক চাপ দূর করবে এবং আপনার পার্টনারের সাথে আপনার সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করে তুলবে। নিয়মিত সেক্সের ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, স্মৃতি শক্তি ভালো থাকে, হৃদ জনিত রোগের ঝুঁকি কমায়, মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও সেক্স করার কারণে শরীরের ব্যায়াম‌ও হয়ে থাকে। তবে এর মানে এই নয় যে যারা সেক্সুয়াল এক্টিভিটি করে না তারা এই সকল সমস্যায় ভুগছে অথবা যারা এই ধরনের সমস্যায় ভুগছে তাদের পার্টনারের সাথে তাদের সেক্সুয়াল রিলেশনশিপ ভালো না। মূলত যারা নিয়মিত সেক্স করে তাদের মধ্যে উপরে উল্লেখিত শারীরিক ও মানসিক সুবিধা লক্ষ্য করা গেছে। অনেক দম্পতি ঘনিষ্ঠ হ‌ওয়ার মাধ্যম বলতে শুধুমাত্র সেক্সকে বুঝে থাকে। যারা এটি মনে করে তাদের উচিত নিয়মিত সেক্স করা। এটি তাদের সেক্স ড্রাইভ ও সামগ্রিক যৌন স্বাস্থ্য ও রিলেশনশিপের জন্য উপকারী। সাধারণত অধিকাংশ মানুষ পার্টনারের সাথে ঘনিষ্ঠ হ‌ওয়া বলতে সেক্সকে বুঝলেও পার্টনারের সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়ার জন্য সেক্স একমাত্র মাধ্যম নয়। আপনার স্নেহপূর্ণ স্পর্শও আপনার সঙ্গীর সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়ার একটি উদাহরণ। সেক্স ছাড়াও শারীরিকভাবে ঘনিষ্ঠ হওয়ার কিছু মাধ্যম রয়েছে যেমন: Massages বা অঙ্গমর্দন, kissing বা চুম্বন, Cuddling বা আলিঙ্গন, Holding hands বা হাত ধরা। অনেক দম্পতিদের ক্ষেত্রে তাদের কাছে সেক্সের চেয়ে উপরোক্ত মাধ্যমগুলোর প্রাধান্য বেশি। এছাড়াও অনেকেই শারীরিক ঘনিষ্ঠতার চেয়ে মানসিক ঘনিষ্ঠতা বা একই মানসিকতা সম্পন্ন হ‌ওয়াকে তাদের রিলেশনশিপের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। অনেক দম্পতিদের মধ্যে দেখা যায় একজনের লিবিডো বেশি এবং অন্য জনের লিবিডো কম। সহজ ভাষায় একজনের সেক্সের প্রতি আগ্রহ বেশি অন্যজনের আগ্রহ কম। অনেক ব্যক্তি তার সঙ্গীর লিবিডো ফিরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করে এবং ঐ ব্যক্তিরা তাদের সঙ্গীর সাথে সেক্স ছাড়াই তাদের সম্পর্ককে স্বাভাবিক রাখতে পারে। আবার অনেক ব্যক্তি আছে যাদের লিবিডো বেশি, তাদের জন্য অনেকদিন সেক্স না

জীবনে ঝামেলা এড়ানো এবং উন্নতির জন্য নিচের এই আটটা জিনিস আয়ত্বে আনা জরুরি: ১. মনোযোগ দিয়ে কথা শোনা সারাক্ষণ নিজের কথা না বলে সামনের মানুষটাকে বলতে দেয়া এবং মনোযোগ দিয়ে তার কথা শোনা একটা বড় ধরনের গুণ। আপনি যত ভালো বক্তাই হোননা কেন, কথা বলে কাউকে আপনি যতটা মুগ্ধ করতে পারবেন, তারচেয়ে তিনগুণ মুগ্ধ করতে পারবেন মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনে। ২. অভিযোগ এবং সমালোচনা এড়িয়ে চলা সারাক্ষণ সবকিছুতে যাদের অভিযোগ, তাদেরকে কেউ পছন্দ করে না। আর সমালোচনাকারীদের মানুষ সবচেয়ে ঘৃণা করে এবং ভয়ও পায়। কারণ এটা সবাই জানে, যে আপনার সামনে অন্যের সমালোচনা করছে সে আপনি উঠে যাওয়ার পর অন্যের সামনে আপনারও সমালোচনা করবে। ৩. হাসিমুখে কথা বলা হাসিমুখ একটা প্রশান্তির সৃষ্টি করে। হাসিখুশি মানুষজনকে আপন লাগে দেখতে। আমি বলছি না আপনাকে জোর করে হাসতে হবে। চেষ্টাটুকু করলেই হবে। অন্তত আপনার মুখ/চেহারা/ আচার-আচরণে ধরে রাখা কঠিন ভাবমূর্তি যেন আপনার সাথে অন্যের কথা বলার ইচ্ছেটুকু নষ্ট না করে দেয়, সেদিকে খেয়াল রাখলেও যথেষ্ট। ৪. অন্যের প্রশংসা করা কাউকে তেল দেয়া নয়। বরং খেয়াল করলে দেখবেন প্রত্যেকটা মানুষের মধ্যেই সুন্দর কিছু না কিছু আছে। তার চেহারা, আচার-আচরণ বা যেকোনো একটা কাজ যেটা সে ভালো পারে- চোখে পড়া মাত্রই তাকে সেটা জানান দিন। মুখ ফুটে বলুন তার কোন জিনিসটা আপনার পছন্দ হয়েছে। মন থেকে প্রশংসা করলে মানুষজন খুশি হয়। একটা মানুষ খুশি হলে সেই খুশির আভা আপনাকেও ছুঁয়ে যাবে। ৫. মানুষের নাম মনে রাখা মানুষ নিজের নাম প্রচণ্ড ভালোবাসে। কেবল ভুলভাল উচ্চারণে কিংবা বানানে কারো নাম ডাকা বা লেখা আপনাকে তার অপছন্দের মানুষের তালিকায় ফেলে দিতে যথেষ্ট। যে যার নাম যেভাবে বলে বা লেখে আপনাকে ঠিক সেভাবেই তাকে ডাকতে হবে বা সেই বানানেই লিখতে হবে। I-এর জায়গায় E-লিখে যদি ভাবেন আপনার ই-মেইলের উত্তর আসবে তাহলে নিশ্চিত থাকুন, আপনার ই-মেইল সে পড়বেও না। মনে রাখবেন, 'you mess with their name, you mess with them!' ৬. বিনয়ী হওয়া কেবল একটা কথা মনে রাখলেই যথেষ্ট: অহংকার মানুষকে ধ্বংস করে। আর বিনয় মানুষের চরিত্রে এক অপূর্ব সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে। জন্ম এবং মৃত্যুর মাঝে অল্প একটু সময়ের জন্য আমরা পৃথিবীতে আছি। যত টাকা, যত খ্যাতি, যত কিছুই হোক, মহাবিশ্বে আমাদের অস্তিত্ব অত্যন্ত নগন্য। দূর থেকে যাকে যতই হোমরাচোমরা মনে হোকনা কেন, আমরা আসলে কেউই এমন কিছু হয়ে যাই নাই যেখান থেকে অন্যকে আমরা ছোট করে দেখতে পারি। বিনয়হীন মানুষের চেয়ে বিশ্রী দেখতে আর কিছু নাই জগতে। এরচেয়ে বাজে সঙ্গও আর হয় না। ৭. অসৎ এবং অলস সঙ্গ এড়িয়ে চলা সঙ্গদোষে যে লোহা ভাসে এটা মনে রাখতে হবে সবসময়। আপনি যাদের সাথে ওঠাবসা করেন তাদের স্বভাব-চরিত্র নিজের অজান্তেই আপনার মধ্যে চলে আসবে। ওইযে বলে না 'your network is your net worth' কথাটা একটু চিজি হলেও সত্য। অসৎ এবং অলস সঙ্গ এড়িয়ে চলার কোনো বিকল্প নেই। ৮. নতুন কিছু জানা বা শেখার চেষ্টা অব্যহত রাখা বই পড়ে, মুভি দেখে, পডকাস্ট শুনে বা যেভাবেই সম্ভব নতুন কিছু জানার বা শেখার আগ্রহ আপনাকে বহুদূর নিয়ে যাবে। মানুষের সাথে কথা বলেও অনেককিছু জানা যায়। অন্যের কাছ থেকে শেখার ইচ্ছা, আগ্রহ এবং চেষ্টা যে অব্যহত রাখে তাকে দমানো কঠিন। ওপরের এই আটটা পয়েন্ট মাথায় রাখতে পারলে এবং এই ছোট্ট বিষয়গুলোকে নিজের আয়ত্বে আনতে পারলে জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী।

বিয়ে উপলক্ষে ক্ষেত্রবিশেষে বর-কনের পরিবার অপ্রয়োজনীয় খাতে যেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে তা দিয়ে অনেক সময় বরের জন্য সম্মানজনক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব। – ড. আব্দুল কাদের (হাফি.)

নবীজি ﷺ ফজরের নামাযে সালাম ফিরিয়ে এই দুয়া করতেন- اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا "হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিজিক এবং কবুল হওয়ার উপযুক্ত আমল প্রার্থনা করি।" [ইবনে মাজাহ : ৯২৫]

জ্বীন, যাদু ও বদনজর থেকে আত্মরক্ষার জন্য তিন কুল (সূরা ইখলাস, ফালাকও নাস) এর চেয়ে বেশি উপকারি আর কিছু নেই । পরিপূর্ণ উপকারিতার জন্য পড়ার পাশাপাশি উভয় হাতে ফুঁ দিয়ে শরীরে মুছে নেয়ার কথাও হাদীস শরীফে পাওয়া যায় । শরীর মোছার ক্ষেত্রে — প্রথমে মাথা, তারপরে চেহারা, তারপরে বুক ও শরীরের সামনের অংশ এবং সর্বশেষ হাত যতদূর পৌঁছায় শরীরের পিছনের অংশ মুছে নিবেন । যদিও অন্যভাবে করলেও উপকারিতা পাওয়া যাবে, তবে এই ধারাবাহিকতায় করা উত্তম ।

মানুষ তার বন্ধুর ধর্ম (স্বভাব-চরিত্র) দ্বারা প্রভাবিত হয়, সুতরাং তোমাদের প্রত্যেকে যেন লক্ষ করে সে কার সাথে বন্ধুত্ব করছে। [মাকারিমুল আখলাক, তাবারানিঃ ১/৩১৪]