8 874
Suscriptores
-824 horas
-797 días
-35730 días
Archivo de publicaciones
8 871
কি অবস্থা সবার কেমন আছেন?
অনেকদিন আপনাদের সাথে কথাবার্তা হয়না?
চলেন লাইভে একটু আড্ডা দেই।
8 871
এটা আমার ফেসবুক প্রোফাইল। 😊
যারা যারা কানেক্টেড থাকতে চান, ফলো দিয়ে রাখুন। 🤝 💞
[https://www.facebook.com/rhasibur71]
8 871
https://www.facebook.com/share/r/1D8dgeZUCV/
একটা ছোট্ট Mini Vlog বানানোর চেষ্টা করেছিলাম।
যতটা সহজ ভেবেছিলাম, বাস্তবে তার চেয়ে অনেক বেশি challenging!
First attempt, lots to learn. ✨
8 871
ইউটিউবের নতুন আপডেটে যারা ভবিষ্যতে কনটেন্ট ক্রিয়েশনে আসতে চায়, তাদের জন্য বিষয়টা কিছুটা কঠিন হয়ে যেতে পারে। তবে আমার মতে, এই পরিবর্তনটা এক্সিস্টিং কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং দর্শক, দুই পক্ষের জন্যই ইতিবাচক হতে পারে।
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের দিক থেকে দেখলে, নতুন করে মনিটাইজড চ্যানেলের সংখ্যা যদি কমে যায়, তাহলে বিজ্ঞাপনের বাজেট তুলনামূলকভাবে কম সংখ্যক যোগ্য চ্যানেলের মধ্যে ভাগ হতে পারে। এর ফলে ভালো পারফর্ম করা চ্যানেলগুলোর বিজ্ঞাপনের চাহিদা এবং RPM বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে, RPM শুধু মনিটাইজড চ্যানেলের সংখ্যার ওপর নির্ভর করে না, বিজ্ঞাপনের চাহিদা, দর্শকের দেশ, কনটেন্টের ধরন এবং অন্যান্য অনেক বিষয় এর ওপর প্রভাব ফেলে।
আর দর্শকদের জন্য বিষয়টা আরও গুরুত্বপূর্ণ।
ইউটিউবে অনেকেই শুধু টাকা আয়ের উদ্দেশ্যে আসে। ফলে AI slop, নিম্নমানের compilation, অন্যের কনটেন্ট পুনরায় আপলোড করা কিংবা সামান্য পরিবর্তন করে কপিরাইটেড কনটেন্ট ব্যবহার করার মতো ভিডিওর পরিমাণ বাড়ছে।
কঠোর মনিটাইজেশন নীতি কার্যকর হলে এই ধরনের কনটেন্ট তৈরি করে টিকে থাকা কঠিন হবে। নতুন কেউ ইউটিউবে আসতে চাইলে তাকে শুধু ভিডিও আপলোড করলেই হবে না, অরিজিনাল এবং দর্শকের জন্য বাস্তব মূল্য তৈরি করে এমন কনটেন্ট দিতে হবে।
এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে দর্শকরা নিম্নমানের এবং একই ধরনের কনটেন্টের ভিড় থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন। প্রতিযোগিতা কমার পাশাপাশি ভালো কনটেন্টের গুরুত্বও বাড়তে পারে।
তবে একটা বিষয় পরিষ্কার, এর অর্থ এই নয় যে ইউটিউবে আর নতুন কোনো কনটেন্ট ক্রিয়েটর আসবে না। বরং আমার ধারণা, নতুনদের প্রবেশের
পথে বাধা বাড়বে এবং যারা শুধু সহজে টাকা আয়ের আশায় আসবে, তাদের একটা বড় অংশ টিকে থাকতে পারবে না।
আর একটা ভবিষ্যৎ প্রেডিকশন দিই।
ইউটিউব যেভাবে কনটেন্টের মান, অরিজিনালিটি এবং মনিটাইজেশনের ওপর নিয়মকানুন আরও কঠোর করছে, ভবিষ্যতে ফেসবুকেও একই ধরনের পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।
কারণ প্ল্যাটফর্মগুলোর সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলো হলো AI generated content, content recycling এবং low quality mass produced content।
আমার ধারণা, এটা শুধু ইউটিউবেই সীমাবদ্ধ
থাকবে না। খুব শিগগিরই ফেসবুক সহ অন্য প্ল্যাটফর্মগুলোও একই পথে হাঁটবে।
8 871
ইন্ডিয়ার প্রায় প্রতিটি ঘরে ঘরে একজন ইউটিউবার আছে! 😂
গতরাতে YouTube-এর নতুন আপডেট ঘোষণার পর ইন্ডিয়ায় কান্নার রোল পড়ে গেছে! 🙄
8 871
ইউটিউবে গতকাল রাতে এমন এক আপডেট এসেছে, যা এই দশকে সবচেয়ে বড় আপডেটগুলোর একটি! 😮
মনিটাইজেশন, অর্থাৎ ইউটিউব থেকে আয় করার জন্য যে শর্তগুলো পূরণ করতে হয়, সেগুলো আগের থেকে দ্বিগুণ করা হয়েছে।
আগে লাস্ট ১ বছরে লাগত ৪ হাজার ঘণ্টা ওয়াচটাইম, এখন সেটা বাড়িয়ে ৮ হাজার ঘণ্টা করা হয়েছে।
আর Shorts এর ক্ষেত্রে, ৯০ দিনে আগে যেখানে ১ কোটি ভিউ লাগত, এখন সেখানে লাগবে ২ কোটি ভিউ! 😐
একবার চিন্তা করেন! 😮
আমার কাছে মনে হয়, এই শর্ত পূরণ করার চেয়ে দুইবার মাউন্ট এভারেস্ট জয় করা সহজ! 🙄
8 871
নতুন ইউটিউবারদের জন্য খুব বড় একটা দুঃসংবাদ।
ইউটিউব ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ থেকে YouTube Partner Program বা YPP এর নিয়মে বড় পরিবর্তন আনছে। ২০১৮ সালের পর এটিই YPP এর প্রথম বড় পরিবর্তনগুলোর একটি।
নতুন নির্মাতাদের জন্য বিজ্ঞাপন ও YouTube Premium থেকে আয় করতে লাগবে:
• অন্তত ১,০০০ সাবস্ক্রাইবার
• গত ৩৬৫ দিনে ৮,০০০ qualified watch hours অথবা গত ৯০ দিনে ২ কোটি qualified Shorts views
বর্তমানে এই সীমা ৪,০০০ ঘণ্টা watch time অথবা ১ কোটি Shorts views। অর্থাৎ নতুন নির্মাতাদের জন্য দুই ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় সীমা দ্বিগুণ হচ্ছে।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইতিমধ্যে YPP তে থাকা নির্মাতাদের ওপর নতুন ৮,০০০ ঘণ্টা বা ২ কোটি ভিউয়ের entry threshold প্রযোজ্য হবে না।
Shorts থেকে আয়ের নতুন শর্ত
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ থেকে Shorts Feed এর বিজ্ঞাপন ও subscription revenue sharing পেতে গত ৯০ দিনে ১ কোটি qualified Shorts views থাকতে হবে।
ভিউ ১ কোটির নিচে নেমে গেলে চ্যানেল YPP থেকে বের হয়ে যাবে না। তবে Shorts থেকে revenue sharing বন্ধ থাকবে। পরে আবার ৯০ দিনে ১ কোটি qualified views হলে Shorts থেকে আয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হবে।
এই পরিবর্তনে বর্তমানে Shorts থেকে উল্লেখযোগ্য আয় করা নির্মাতাদের প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছে ইউটিউব।
৫০০ সাবস্ক্রাইবারের YPP স্তরে পরিবর্তন নেই
Fan Funding এবং Shopping এর lower tier এর শর্ত অপরিবর্তিত থাকছে।
৫০০ সাবস্ক্রাইবার, গত ৯০ দিনে অন্তত ৩টি public upload এবং গত ৩৬৫ দিনে ৩,০০০ public watch hours অথবা গত ৯০ দিনে ৩০ লাখ Shorts views থাকলে এই স্তরে প্রবেশ করা যাবে।
তবে এই স্তর থেকে বিজ্ঞাপন বা YouTube Premium revenue sharing পাওয়া যায় না।
Premium Lite থেকেও নির্মাতারা আয় করবেন
যেসব দেশে YouTube Premium চালু আছে, সেখানে Premium Lite সম্প্রসারণ করবে ইউটিউব।
Premium এর net subscription revenue এর ৩০ শতাংশ এবং Premium Lite এর ৬০ শতাংশ creator pool এ যাবে। এরপর দর্শকের watch time ও views অনুযায়ী অর্থ বণ্টন হবে। Creator revenue share হিসেবে long form ভিডিওর জন্য ৫৫ শতাংশ এবং Shorts এর জন্য ৪৫ শতাংশ দেওয়া হবে।
Shorts নির্মাতাদের জন্য নতুন আয়ের সুযোগ
১ কোটি Shorts views এর threshold এর নিচে থাকা নির্মাতাদের জন্য YouTube Shopping bonus, brand deal incentive এবং নতুন trend তৈরি ও বড় করার ক্ষেত্রে earnings boost দেওয়ার পরিকল্পনা করছে ইউটিউব। এসব প্রোগ্রামের বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
ইউটিউব জানিয়েছে, বর্তমানে প্ল্যাটফর্মে প্রতিদিন ২০ হাজার কোটির বেশি Shorts views হচ্ছে। নতুন নিয়ম ও incentive এর মাধ্যমে সক্রিয় নির্মাতাদের আরও বেশি পুরস্কৃত করাই তাদের লক্ষ্য।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ৮,০০০ ঘণ্টা বা ২ কোটি Shorts views এর নতুন শর্তটি নতুন YPP আবেদনকারীদের জন্য। আর ১ কোটি Shorts views এর rolling ৯০ দিনের শর্তটি Shorts revenue sharing এর জন্য। পরিবর্তনগুলো ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ থেকে কার্যকর হবে।
8 871
নতুন ইউটিউবারদের জন্য খুব বড় একটা দুঃসংবাদ।
ইউটিউব ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ থেকে YouTube Partner Program বা YPP এর নিয়মে বড় পরিবর্তন আনছে। ২০১৮ সালের পর এটিই YPP এর প্রথম বড় পরিবর্তনগুলোর একটি।
নতুন নির্মাতাদের জন্য বিজ্ঞাপন ও YouTube Premium থেকে আয় করতে লাগবে:
• অন্তত ১,০০০ সাবস্ক্রাইবার
• গত ৩৬৫ দিনে ৮,০০০ qualified watch hours অথবা গত ৯০ দিনে ২ কোটি qualified Shorts views
বর্তমানে এই সীমা ৪,০০০ ঘণ্টা watch time অথবা ১ কোটি Shorts views। অর্থাৎ নতুন নির্মাতাদের জন্য দুই ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় সীমা দ্বিগুণ হচ্ছে।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইতিমধ্যে YPP তে থাকা নির্মাতাদের ওপর নতুন ৮,০০০ ঘণ্টা বা ২ কোটি ভিউয়ের entry threshold প্রযোজ্য হবে না।
Shorts থেকে আয়ের নতুন শর্ত
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ থেকে Shorts Feed এর বিজ্ঞাপন ও subscription revenue sharing পেতে গত ৯০ দিনে ১ কোটি qualified Shorts views থাকতে হবে।
ভিউ ১ কোটির নিচে নেমে গেলে চ্যানেল YPP থেকে বের হয়ে যাবে না। তবে Shorts থেকে revenue sharing বন্ধ থাকবে। পরে আবার ৯০ দিনে ১ কোটি qualified views হলে Shorts থেকে আয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হবে।
এই পরিবর্তনে বর্তমানে Shorts থেকে উল্লেখযোগ্য আয় করা নির্মাতাদের প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছে ইউটিউব।
৫০০ সাবস্ক্রাইবারের YPP স্তরে পরিবর্তন নেই
Fan Funding এবং Shopping এর lower tier এর শর্ত অপরিবর্তিত থাকছে।
৫০০ সাবস্ক্রাইবার, গত ৯০ দিনে অন্তত ৩টি public upload এবং গত ৩৬৫ দিনে ৩,০০০ public watch hours অথবা গত ৯০ দিনে ৩০ লাখ Shorts views থাকলে এই স্তরে প্রবেশ করা যাবে।
তবে এই স্তর থেকে বিজ্ঞাপন বা YouTube Premium revenue sharing পাওয়া যায় না।
Premium Lite থেকেও নির্মাতারা আয় করবেন
যেসব দেশে YouTube Premium চালু আছে, সেখানে Premium Lite সম্প্রসারণ করবে ইউটিউব।
Premium এর net subscription revenue এর ৩০ শতাংশ এবং Premium Lite এর ৬০ শতাংশ creator pool এ যাবে। এরপর দর্শকের watch time ও views অনুযায়ী অর্থ বণ্টন হবে। Creator revenue share হিসেবে long form ভিডিওর জন্য ৫৫ শতাংশ এবং Shorts এর জন্য ৪৫ শতাংশ দেওয়া হবে।
Shorts নির্মাতাদের জন্য নতুন আয়ের সুযোগ
১ কোটি Shorts views এর threshold এর নিচে থাকা নির্মাতাদের জন্য YouTube Shopping bonus, brand deal incentive এবং নতুন trend তৈরি ও বড় করার ক্ষেত্রে earnings boost দেওয়ার পরিকল্পনা করছে ইউটিউব। এসব প্রোগ্রামের বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
ইউটিউব জানিয়েছে, বর্তমানে প্ল্যাটফর্মে প্রতিদিন ২০ হাজার কোটির বেশি Shorts views হচ্ছে। নতুন নিয়ম ও incentive এর মাধ্যমে সক্রিয় নির্মাতাদের আরও বেশি পুরস্কৃত করাই তাদের লক্ষ্য।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ৮,০০০ ঘণ্টা বা ২ কোটি Shorts views এর নতুন শর্তটি নতুন YPP আবেদনকারীদের জন্য। আর ১ কোটি Shorts views এর rolling ৯০ দিনের শর্তটি Shorts revenue sharing এর জন্য। পরিবর্তনগুলো ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ থেকে কার্যকর হবে।
8 871
যারা কন্টেন্ট ক্রিয়েশনকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান, তাদের জন্য একটু বাস্তব পরিসংখ্যান দিই।
অনেকে ভাবেন, ফেসবুক, ইউটিউবে ভিডিও দিলেই হাজার হাজার টাকা আয় হবে। আমিও একসময় হয়তো বিষয়টাকে এতটা কঠিন ভাবিনি।
গত ৯০ দিনে আমার কন্টেন্টে ৫৯ মিলিয়ন ভিউ এসেছে। শুনতে সংখ্যাটা অনেক বড়, তাই না?
কিন্তু এই ৫৯ মিলিয়ন ভিউ থেকে আয় হয়েছে মাত্র ৩৮২ ডলার।
হিসাব করলে প্রতি লাখ ভিউয়ে আয় প্রায় ৬৫ সেন্ট, অর্থাৎ ১০০ টাকারও অনেক কম।
এই সংখ্যাগুলো দেখার পরও যদি মনে হয় কন্টেন্ট ক্রিয়েশন খুব সহজে টাকা আয়ের পথ, তাহলে আসুন। তবে আসার আগে একবার নিজের সময়, শ্রম, খরচ আর প্রত্যাশাগুলো নিয়ে ভালো করে চিন্তা করে আসবেন।
ভিউ পাওয়া আর ভিউ থেকে জীবিকা চালানোর মতো আয় করা, দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। ☹️
8 871
কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কিংবা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য এর চেয়ে বড় আর কোনো খুশির খবর হতে পারে না।
8 871
মেটার বিজ্ঞাপনে পেমেন্টে যুক্ত হচ্ছে বিকাশ!!
বাংলাদেশের ই কমার্স, এফ কমার্স ও ডিজিটাল মার্কেটিং খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য আসছে সুখবর। আন্তর্জাতিক ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের পরিবর্তে এখন মেটার বিজ্ঞাপনী প্ল্যাটফর্মে পেমেন্টের মাধ্যম হিসেবে যুক্ত হতে যাচ্ছে দেশের জনপ্রিয় মোবাইল আর্থিক সেবা বিকাশ।
জানা গেছে, ফিচারটি বর্তমানে সীমিতসংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য পরীক্ষামূলকভাবে চালু রয়েছে। কয়েকজন ব্যবহারকারীর ফেসবুক অ্যাডস ম্যানেজারে প্রচলিত ডুয়াল কারেন্সি কার্ডের পাশাপাশি বিকাশের পেমেন্ট অপশনও দেখা যাচ্ছে। এরই মধ্যে কেউ কেউ বিকাশের মাধ্যমে সফলভাবে বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধ করেছেন বলেও জানা গেছে।
এত দিন আন্তর্জাতিক কার্ডের প্রয়োজনীয়তা এবং ব্যাংকিং সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতার কারণে দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের মেটায় বিজ্ঞাপন পরিচালনার ক্ষেত্রে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হতো।
বিকাশ পেমেন্ট অপশন হিসেবে যুক্ত হলে স্থানীয় মুদ্রায় বিজ্ঞাপনের খরচ পরিশোধ করা আরও সহজ হবে। এতে আন্তর্জাতিক কার্ডের ওপর নির্ভরতা কমার পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের সময়, খরচ ও ভোগান্তিও কমতে পারে।
তবে এখনো মেটা বা বিকাশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে কবে নাগাদ সব ব্যবহারকারীর জন্য সুবিধাটি উন্মুক্ত করা হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
8 871
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমিও রাজপথে নেমেছিলাম। শেখ হাসিনার সরকারের পতনের আশায়। কারণ বিশ্বাস ছিল, এর মাধ্যমে একটি নতুন, দুর্নীতিমুক্ত ও সুন্দর বাংলাদেশের সূচনা হবে।
কিন্তু আজ ফিরে তাকিয়ে দেখি, সেই স্বপ্নের একটিও বাস্তবায়িত হয়নি। সামাজিক অবক্ষয় বেড়েছে, অর্থনীতি আরও নাজুক হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন দামে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। বিদ্যুত, গ্যাসের মতো প্রয়োজনীয় জিনিস গুলোর ঘাটতি এবং লাগামহীন দাম বৃদ্ধি।
দৃশ্যমান কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন চোখে পড়ছে না।
বিএনপি কী করতে চায়, ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি, সংকট দূরীকরণে পরিকল্পনা কি? কিছুই জনগনের কাছে স্পষ্ট নয়। মানুষের সবচেয়ে মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধানের পরিবর্তে একের পর এক সংকট বেড়েই চলছে।
আর জামায়াতের ক্ষেত্রে মব সংস্কৃতিকে উৎসাহ দেওয়া এবং বিভিন্ন যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনো ইতিবাচক ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না।
এনসিপির তরুণ নেতৃত্বের প্রতিও মানুষের অনেক আশা ছিল। মনে হয়েছিল, তারা অন্তত প্রচলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতির বাইরে গিয়ে নতুন কিছু করবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা স্বাধীনতা বিরোধী জামাআত জোটে যোগ দিয়ে নিজেদের স্বতন্ত্র গ্রহনযোগ্যতা হারিয়ে ফেললো, ইন্টেরিমের সময় একেকজন দুর্নীতি করে নিজের আখের গুছিয়ে নিয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের নাহিদকে ঘিরে তরুণদের প্রত্যাশা ছিল, তিনি দেশের ইন্টারনেট ব্যবস্থা ও ডিজিটালাইজেশনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবেন। কিন্তু বাস্তবে সেই প্রত্যাশাও পূরণ হয়নি।
আজ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান তলানিতে। অনিশ্চয়তা, হতাশা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা চারদিকে।
তাহলে প্রশ্ন একটাই, এত রক্ত, এত ত্যাগ আর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষ কী পেল?
