Youth FoundationTalora
Youth FoundationTalora (YFT) A platform for Youth.
Mostrar más📈 Análisis del canal de Telegram Youth FoundationTalora
El canal Youth FoundationTalora (@youthfoundationtalora) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 19 076 suscriptores, ocupando la posición 4 155 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 1 181 en la región Bangladesh.
📊 Métricas de audiencia y dinámica
Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 19 076 suscriptores.
Según los últimos datos del 09 septiembre, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de -298, y en las últimas 24 horas de -17, conservando un alto alcance.
- Estado de verificación: No verificado
- Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 9.50%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener N/A% de reacciones respecto al total de suscriptores.
- Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 0 visualizaciones. En el primer día suele acumular 0 visualizaciones.
- Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 0.
📝 Descripción y política de contenido
El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
“Youth FoundationTalora (YFT) A platform for Youth.”
Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 10 septiembre, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.
Carga de datos en curso...
| Fecha | Crecimiento de Suscriptores | Menciones | Canales | |
| 10 septiembre | 0 | |||
| 09 septiembre | 0 | |||
| 08 septiembre | 0 | |||
| 07 septiembre | 0 | |||
| 06 septiembre | 0 | |||
| 05 septiembre | 0 | |||
| 04 septiembre | 0 | |||
| 03 septiembre | +2 | |||
| 02 septiembre | +1 | |||
| 01 septiembre | 0 |
| 2 | স্বাগতম হিজরী নববর্ষ!
হিজরী সন: তাৎপর্য, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও প্রভাব | 1 982 |
| 3 | রোমানরা বলতো,যদি মানুষদেরকে বিভ্রান্ত করতে চাও তাহলে তাদেরকে রুটি ও বিনোদনে মত্ত রাখো। | 2 592 |
| 4 | আল্লাহর নিশ্চিত সাহায্য পাওয়ার একটি আমল।
আল্লাহকে সাহায্য করা। তিনি বলেন,
إِنْ تَنْصُرُوا اللَّهَ يَنْصُرْكُم
যদি তোমরা আল্লাহকে সাহায্য কর, তবে তিনি তোমাদেরকে সাহায্য করবেন। (মুহাম্মদ:৭)
আল্লাহর তো সাহায্যের দরকার নেই। তাহলে আল্লাহকে কীভাবে সাহায্য করবেন?
আল্লাহকে সাহায্য করার অর্থ হলো, আল্লাহর দ্বীনের সাহায্য করা। যত জায়গায় দ্বীনের কাজ হয়, সেগুলোতে সাহায্য করলেই আল্লাহর সাহায্য হয়।
মসজিদ, মাদরাসা, ইসলামি সংস্থা, সংগঠন সহ যেকোনো দ্বীনী কাজের সাথে নিজেকে জড়িয়ে রাখুন ইখলাসের সাথে, দেখবেন আপনার সকল কাজে আল্লাহ সাহায্য করছেন।
আর এগুলো থেকে যত বেশি নিজেকে দূরে রাখবেন, তত আল্লাহর সাহায্যের পরিবর্তে গযবের সম্ভাবনা আছে।
আল্লাহ তায়ালা বুঝার তাওফিক দিন। আমিন।
#ঈমানি_টিপস
~মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মনসুর হাফি. | 2 464 |
| 5 | সবচেয়ে বড় ভয় হইতেছে এইটাই যে, জীবনের এই পুরো সময়টা আমরা যে স্ট্যাটাস, যে টাকা, যে ক্যারিয়ারের জন্য দৌড়ালাম, কবরের ওই ওয়েটিং রুমে ঢোকার সাথে সাথেই সেই সবকিছুর ভ্যালু জিরো হয়ে যাবে।
জিরো!
সেদিন আল্লাহ জিজ্ঞেস করবেন, "আমি তোমাকে যেই সময়, যেই এনার্জি আর যেই নেয়ামত দিয়েছিলাম, সেটার শুকরিয়া কোথায়?"
আমরা সারা জীবন "সেটেল" হওয়ার স্বপ্ন দেখি।
কিন্তু সূরা তাকাসুর আমাদের একটা ভয়ংকর সত্য মনে করিয়ে দেয় - দুনিয়াতে কেউ কখনো সেটেল হতে পারে না, যতক্ষণ না সে কবরের ওই ট্রানজিট লাউঞ্জে গিয়ে পৌঁছায়।:)
©Towhidul Mansur | 1 498 |
| 6 | কিছুদিন আগে রাতে বসে কোরআন পড়তেছিলাম।
একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম, হঠাৎ ফ্লো ভেঙে যায় তিরিশ পারার একদম শেষের দিকের একটা ছোট সূরা, সূরা তাকাসুরে এসে।
প্রথম দুইটা আয়াত পড়েই আমি রীতিমতো ভ্যাবাচেকা খাইছি!
আল্লাহ বলতেছেন,
"অধিক পাওয়ার প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে ভুলিয়ে রেখেছে (গাফলতির মধ্যে ফেলে রেখেছে)।"
"যতক্ষণ না তোমরা কবরে উপস্থিত হও।" (সূরা তাকাসুর: ১-২)
আয়াত দুইটা পড়ে আমার মাথা কিছুক্ষণের জন্য পুরা ব্ল্যাংক হয়ে গেছিলো।
আমি আয়াতটার আরবি শব্দগুলো আবার দেখলাম- "হাত্তা যুরতুমুল মাক্বাবির"।
এখানে আল্লাহ 'যুরতুম' শব্দটা ব্যবহার করেছেন।
'যুরতুম' মানে হলো জিয়ারত করা, ভিজিট করা বা বেড়াতে যাওয়া।
আমার মাইন্ড ব্লো হয়ে গেছে ঠিক এই জায়গাটাতেই!
আমি পুরা জিনিসটা আবার রিয়েলাইজ করার চেষ্টা করলাম।
আল্লাহ বলতে চাইতেছেন কি?!
মানুষ মারা গেলে কবরে যায়, সেখানে মাটি চাপা দেওয়া হয়।
কিন্তু আল্লাহ বলছেন, তোমরা কবরে "ভিজিট" করতে যাও!
ভিজিট তো মানুষ কিছুক্ষণের জন্য করে, পার্মানেন্টলি থাকার জন্য তো কেউ ভিজিট করতে যায় না!!!
আমি সাথে সাথে তাফসির সার্চ দিলাম। তাফসিরে ইবনে কাসির আর অন্যান্য কয়েকটা গ্রন্থ পড়লাম। তারপর আমার রিয়েলাইজেশনে যা আসলো, তা হলো:
কবর মানুষের শেষ গন্তব্য না!
কবর হচ্ছে জাস্ট একটা "ওয়েটিং রুম" বা ট্রানজিট লাউঞ্জ।
যেমন এয়ারপোর্টে মানুষ কিছুক্ষণ ওয়েট করে আসল ফ্লাইটে ওঠার জন্য, কবরটাও ঠিক তেমন।
আর আমরা বোকা মানুষরা দুনিয়াতে ভাবি, এই বুঝি সব শেষ!
এরপর আমি প্রথম আয়াতের "তাকাসুর" (التكاثر) শব্দটার তাফসির পড়লাম। আল্লাহ এখানে বলেন নাই যে "টাকা" তোমাদের ভুলিয়ে রেখেছে। আল্লাহ বলছেন "তাকাসুর" তোমাদের ভুলিয়ে রেখেছে। তাকাসুর মানে কী?
তাকাসুর মানে হলো- "ওর চেয়ে আমার বেশি লাগবে।"
এইটা কোনো বস্তুর নাম না, এইটা একটা মেন্টালিটি। একটা অসুস্থ মানসিক প্রতিযোগিতা।
আমার একটা ফোন আছে, কিন্তু ফ্রেন্ডের আইফোন প্রো ম্যাক্স দেখলে আমারও ওটা লাগবে।
আমার একটা ডিগ্রি আছে, কিন্তু অন্যের আরেকটা ভালো ডিগ্রি দেখলে আমারও সেটা লাগবে। ব্যাংকে টাকা আছে, কিন্তু আরেকজনের বেশি থাকলে আমার আরো লাগবে।
ক্যারিয়ার, স্ট্যাটাস, স্যালারি- এই "আরো চাই, আরো চাই" করতে করতে আমাদের জীবনের আসল ফোকাসটাই আমরা হারিয়ে ফেলি।
এই সূরা শুরুই হইছে একটা সাইকোলজিক্যাল ওয়ার্নিং দিয়ে।
আল্লাহ মানুষকে বলতেছে, দেখো, একটা পশু শুধু ততটুকুই খায় যতটুকু তার ক্ষুধা মেটায়।
কিন্তু তুমি মানুষ, তোমার পেট ভরার পরও তুমি জমা করো, কারণ তুমি অন্যের চেয়ে নিজেকে বড় দেখাতে চাও।
এইটা কোনো সাধারণ কথা না, এইটা আমাদের অস্তিত্বের সবচেয়ে বড় crisis।
তাফসিরে বলা হয়েছে, "আলহাকুম" মানে এমন কোনো খেলা বা বিনোদন যা তোমাকে তোমার আসল ইমার্জেন্সি কাজ ভুলিয়ে দেয়।
ধরেন, আপনার কালকে ফাইনাল এক্সাম বা বিশাল কোনো প্রেজেন্টেশন, আর আপনি আজকে রাতে বসে নেটফ্লিক্সে সিরিজ দেখতেছেন।
এই সিরিজ দেখাটা হলো "আলহাকুম"।
আল্লাহ বলছেন, এই দুনিয়ার ক্যারিয়ার, ব্যাংক ব্যালেন্স, আর সেটেল হওয়ার টেনশন তোমাদেরকে আখেরাতের ফাইনাল এক্সামের কথা ভুলিয়ে দিয়েছে!
সবচেয়ে ভয়ংকর আয়াত আসে এরপর:
"কক্ষনো নয়, তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে।... সেদিন তোমাদেরকে অবশ্যই নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।" (সূরা তাকাসুর: ৩, ৮)
এখানে আল্লাহ আমাদের অভিযুক্ত করতেছেন না, আল্লাহ আমাদের বাস্তবতা দেখাচ্ছেন।
আমরা ভাবি আমাদের সমস্যা হচ্ছে আমাদের টাকা নাই, আমাদের ভালো জব নাই, আমাদের অমুক জিনিসটা নাই।
কিন্তু সবচেয়ে গভীর Realisation, এই আয়াত আসলে বলতেছে: তোমার সবচেয়ে বড় সমস্যা তোমার অভাব না। তোমার সমস্যা হচ্ছে তুমি এক অলীক প্রতিযোগিতায় দৌড়াচ্ছো।
তুমি এমন একটা গন্তব্যের জন্য জিনিসপত্র প্যাকিং করতেছো, যেখানে তুমি থাকবাই না!
ফ্লো টা দেখেন:
১. মানুষ "আরো লাগবে" প্রতিযোগিতায় অন্ধ হয়ে দৌড়াচ্ছে।
২. সে আসল উদ্দেশ্য ভুলে গেছে।
৩. দৌড়াতে দৌড়াতে হঠাৎ একদিন সে কবরে গিয়ে ব্রেক কষে (ভিজিট করে)।
৪. কবরে যাওয়ার পর তার ঘোর কাটে, কিন্তু তখন আর ফিরে আসার সময় থাকে না।
৫. শেষমেশ তাকে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হয় হিসাব দেওয়ার জন্য।
আমরা কেন রবকে ভুলে যাই?
কারণ আমাদের মস্তিষ্ক already occupied।
আমরা সারাদিন হিসাব করি কীভাবে আরো দুই টাকা বেশি কামানো যায়, কীভাবে সিভিটা আরো ভারি করা যায়, কীভাবে অন্যের চেয়ে একটু বেটার লাইফ লিড করা যায়।
এই ইঁদুর দৌড়ে আমরা আমাদের যৌবন শেষ করি, পরিবারকে সময় দিই না, নিজের আত্মার যত্ন নিই না।
সমস্যা এই না যে মানুষ পরিশ্রম করে।
ইসলাম তো পরিশ্রম করতে উৎসাহিত করে।
সমস্যা হইতেছে, মানুষ ভুল ট্র্যাকে দৌড়ায়।
আপনি একটা ট্রেনের টিকিট কেটেছেন চিটাগাং যাওয়ার জন্য, কিন্তু আপনি ভুলে উঠেছেন সিলেটের ট্রেনে।
এখন সেই ট্রেনের এসি বগিতে বসে আপনি যতই কমফোর্ট ফিল করেন না কেন, আপনি তো আপনার আসল গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন না! | 1 452 |
| 7 | Sin texto... | 1 031 |
| 8 | কারো অন্তরে যখন দুনিয়া ঢুকে পড়ে তখন সবকিছুকে সে দুনিয়ার চশমা দিয়ে দেখে, দ্বীনটাকেও। দ্বীনের মাঝেও সে সুযোগ খুঁজবে কিভাবে দুই পয়সা ধান্ধা করা যায়। সুযোগ পেলে দ্বীনটা বেচেও দিবে। দ্বীন বেচা মানে বাজারে বসে দর কষাকষির পর নির্ধারিত মূল্যে দ্বীন কারো কাছে বেচে আসা, ব্যাপারটা এমন কিছু নয়। দ্বীন বেচা মানে হলো আখিরাতের চিন্তা অন্তর থেকে মুছে যাওয়া। দ্বীন বেচা মানে নির্ঝঞ্জাট একটা জীবন কাটিয়ে দেওয়ার স্বপ্নে প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠা, আরো একটু দুনিয়া কীভাবে অর্জন করা যায় সেই দুশ্চিন্তা মাথায় নিয়ে প্রতিদিন ঘুমোতে যাওয়া। দ্বীন বেচা মানে হলো দ্বীনের কথা আসলে--"একদম সময় পাই না"। দ্বীন বেচা মানে হলো-- 'আমি খুব ব্যস্ত'।
লেখা: সাজিদ ইসলাম | 1 697 |
| 9 | এক বেদুঈন কাবার গিলাফ ধরে দোয়া করছিলেন,
.
”হে আল্লাহ!
গুনাহর উপর অনড় থেকেও আপনার কাছে ক্ষমা চাওয়াটা নীচতা।
আবার আপনার ক্ষমার ব্যাপ্তির কথা জানার পরও ক্ষমা প্রার্থনা ছেড়ে দেওয়াটা অক্ষমতা।
.
আপনি আমার প্রতি মুখাপেক্ষী নন, তবুও আমাকে কত নিয়ামত দিয়ে ভালোবাসার প্রকাশ করছেন!
অথচ আমি আপনার মুখাপেক্ষী হওয়া সত্ত্বেও গুনাহর মাধ্যমে আপনার ঘৃণা কামাই করছি!
.
ওহে সেই সত্ত্বা—
যিনি ওয়াদা দিলে পূর্ণ করেন।
যিনি হুমকি দিলেও উপেক্ষা এবং ক্ষমা করেন।
আমার বিপুল পরিমাণ পাপকে আপনার বিরাট ক্ষমায় শামিল করে নিন।
ইয়া আরহামার রাহিমীন!
.
[ইমাম নববীর ‘আল-আযকার’: পৃ. ৬৫০] | 1 986 |
| 10 | হযরত থানভী রহ. বলেন, কোনো ব্যক্তি যদি তিনটি বিষয়কে আবশ্যক করে নেয় তাহলে ইনশাআল্লাহ সে মাহরুম হবে না। যদিও জুনায়েদ বাগদাদী হতে না পারে।
এক. সমস্ত গুনাহ পরিপূর্ণরূপে তরক করবে। কারণ গুনাহের ফলে অন্তরে এক ধরনের অন্ধকার সৃষ্টি হয়। পাপী ব্যক্তি ইবাদত করলেও তার নূর ফানুসের নূরের মতো অন্ধকার মিশ্রিত হয়ে থাকে।
দুই. আল্লাহর বান্দাদের প্রতি কুধারণা করবে না। কারণ এটা সৃষ্টি হয় অহংকার থেকে।
তিন. অবসর সময়ে সম্ভবমতো কিছু যিকির-শোগল করবে এবং আল্লাহওয়ালাদের সঙ্গে মেলামেশা করবে।
-মাআরেফে হাকীমুল উম্মত ২/৩৩৬ | 1 955 |
| 11 | আত্মপরিচয় ভুলে যাওয়া মুসলমান... | 1 840 |
| 12 | "আল্লাহ তোমার জন্য যে রিজিক নির্ধারণ করেছেন তা নিয়ে তুমি সন্তুষ্ট থাকো, তাহলে তুমি ধনী হয়ে যাবে এবং আল্লাহর ওপর ভরসা করো, তাহলে তুমি শক্তিশালী হয়ে যাবে।"
~ইমাম সুফিয়ান সাওরী (রাহি.)
সূত্র: [হিলইয়াতুল আউলিয়া: ৭/৮৫] | 1 744 |
| 13 | ইস্তিগফারের বরকত
এক লোক মসজিদে প্রবেশ করলো। মন খারাপ। এক পাশে গিয়ে বসে রইলো। এক জন বৃদ্ধ হুযুরও আরেক পাশে ছিলেন।
বৃদ্ধ হুযুর কৌতূহলী হয়ে পশ্ন করলেন:
-বাছা! এখন তো নামাযের সময় নয়। তুমি কেনো মসজিদে এলে?
-হুযুর! আমি বিয়ে করেছি, বেশ কিছুদিন হয়ে গেলো। এখনো আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ থেকে, আমাদের ঘরে নতুন কোনও মেহমান আসে নি। আমরা স্বামী-স্ত্রী দুজনেই বেশ পেরেশান। সংসারে সন্তান না থাকাতে আমার স্ত্রীকে নানা জন নানা কথা বলে। আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে সন্তান না দেয়ার ফায়সালা করলে, আমি সেটাতে রাজি। আমি আমার স্ত্রীকেও বারবার সান্তনা দিয়ে আসছি। আর সন্তান না হওয়াতো স্ত্রীর দোষ নয়। আমরা দুজনেই বিষয়টার সাথে সম্পৃক্ত।
মানুষের কটাক্ষ আর বিদ্রুপের কারণে অবস্থা এমন হয়েছে যে, আামার স্ত্রী মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এভাবে চলতে থাকলে, সে কিছুদিন পর পুরোপুরি পাগল হয়ে যাবে। রুবাবাহ মানে আমার স্ত্রী, সে এতো ভালো একটা মেয়ে, তাকে ছাড়া আমার জীবনটাও পানসে হয়ে যাবে। জীবনের কোনও স্বাদ আমি পাবো না।
আমি কোনও ডাক্তার-বৈদ্য-কবিরাজ বাদ রাখিনি। কিছুতেই কিছু হলো না। বৃদ্ধ হুযুর বললেন:
-তুমি স্থির হয়ে বসো। আমি তোমাকে একটা ওষুধ দেবো। ওষুধটার ব্যবহারবিধি খুবই কঠিন। তবে আমি আল্লাহর ওপর পুরোপুরি তাওয়াক্কুল করেই বলছি। এ ওষুধে তোমার অবশ্যই সন্তান হবে। ইনশাআল্লাহ।
-আল্লাহর দোহাই লাগে হুযুর! আপনি যত কঠিন আর কষ্টকর ওষুধই দেন, আমি সেটা ব্যবহার করার জন্য প্রস্তুত। ইনশাআল্লাহ
-তোমরা দুজনেই, ফজরের আযানের কমপক্ষে একঘণ্টা ঘুম থেকে উঠবে। সময়টাকে দুইভাগে ভাগ করে নিবে।
=প্রথম ভাগে কিয়ামুল লাইল অর্থাত তাহাজ্জুদ পড়বে।
=দ্বিতীয় ভাগে ইস্তিগফার পড়বে।
এভাবে নিয়মিত আমল করে যাবে।
কারণ, আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:
“ আর আমি বললাম, তোমরা তোমাদের রবের কাছে ইস্তিগফার করো, নিশ্চয়ই তিনি অতি ক্ষমাশীল। (এর ফলে) তিনি তোমাদের ওপর প্রবল বর্ষণ করবেন, আর তিনি তোমাদেরকে সম্পদ, সন্তান দ্বারা সাহায্য করবেন। আর তোমাদের জন্য বানিয়ে রাখবেন বাগ-বাগিচা। আর তোমাদের জন্য প্রবাহিত করবেন নদীনালা”। সূরা নূহ।
লোকটা ঘরে ফিরে গেলো। স্ত্রীকে বললো:
-ওগো! আল হামদুলিল্লাহ, অবশেষে আল্লাহ তা‘আলা আমাদের দিকে মুখ তুলে তাকিয়েছেন।
-কিভাবে?
স্বামী বিষয়টা খুলে বললো। জিজ্ঞাসা করলো:
-তুমি কি এই আমল করতে প্রস্তুত?
-জ্বি, আমি অবশ্যই প্রস্তুত। আপনার সাথে কোন কাজেই বা আমি অপ্রস্তুত থাকি? আমরা কোন দিন থেকে আমলটা শুরু করবো?
-কেনো আজ থেকেই, কোনও ওযর আছে তোমার?
-জ্বি না।
তারা দুজনেই আমলটা শুরু করলো। পনের দিন যেতে না যেতেই স্ত্রীর মধ্যে গর্ভের বিভিন্ন উপসর্গ প্রকাশ পেতে শুরু করলো। ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পর তিনিও বিস্মিত হয়ে বললেন:
-আপনাদের জন্য তো সুখবর আছে।
এটা ছিলো ইস্তিগফারের বরকত। কুরআনের আয়াতটাতে তো আল্লাহ তা‘আলা এমনটাই ইঙ্গিত করেছেন।
ইয়া আল্লাহ, আমাদেরকে বেশি বেশি ইস্তিগফার করার তাওফীক দান করুন। আমীন
~শাইখ আতীক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ | 1 819 |
| 14 | আল্লাহর নিশ্চিত সাহায্য পাওয়ার একটি আমল।
আল্লাহকে সাহায্য করা। তিনি বলেন,
إِنْ تَنْصُرُوا اللَّهَ يَنْصُرْكُم
যদি তোমরা আল্লাহকে সাহায্য কর, তবে তিনি তোমাদেরকে সাহায্য করবেন। (মুহাম্মদ:৭)
আল্লাহর তো সাহায্যের দরকার নেই। তাহলে আল্লাহকে কীভাবে সাহায্য করবেন?
আল্লাহকে সাহায্য করার অর্থ হলো, আল্লাহর দ্বীনের সাহায্য করা। যত জায়গায় দ্বীনের কাজ হয়, সেগুলোতে সাহায্য করলেই আল্লাহর সাহায্য হয়।
মসজিদ, মাদরাসা, ইসলামি সংস্থা, সংগঠন সহ যেকোনো দ্বীনী কাজের সাথে নিজেকে জড়িয়ে রাখুন ইখলাসের সাথে, দেখবেন আপনার সকল কাজে আল্লাহ সাহায্য করছেন।
আর এগুলো থেকে যত বেশি নিজেকে দূরে রাখবেন, তত আল্লাহর সাহায্যের পরিবর্তে গযবের সম্ভাবনা আছে।
আল্লাহ তায়ালা বুঝার তাওফিক দিন। আমিন।
#ঈমানি_টিপস
~মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মনসুর হাফি. | 1 515 |
| 15 | চারিদিকে সবুজ তরুলতা ও স্নিগ্ধ প্রকৃতির আবরণে ঘেরা মনোরম উদ্যানের বুকে অনুষ্ঠিত হয়েছিল KAHAF movement কর্তৃক আয়োজিত ‘উম্মাহ মিট-আপ ২০২৬’ এর অপূর্ব এক আয়োজন। প্রকৃতির নির্মল সৌন্দর্য আর ভ্রাতৃত্বের উষ্ণতায় মুখর সেই সমাবেশ ছিল স্মরণীয় এক দ্বীনি ভাইদের মিলনমেলা।
বাংলার হারানো গৌরব আর আত্মপরিচয় নিয়ে চমৎকার আলোচনা করেছেন Jakaria Masud (হাফি.) | 2 305 |
| 16 | চারদিকে যখন বিনোদনের নামে চলছে অশ্লীলতার প্রতিযোগিতা ঠিক তখনই হোমনা উপজেলা মুসলিম কমিউনিটি ঈদ আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করতে ঈদ পুনর্মিলনী ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। | 1 469 |
| 17 | দিলকাশ মানজার
ইমারতে ইসলামি আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খলিফা ‘সিরাজউদ্দিন হাক্কানি’ এবং গোয়েন্দা বিভাগের মহাপরিচালক ‘আবদুল হক ওয়াসিক’ সৌদি আরবে হজ পালন উপলক্ষে সফরের সময় সিরিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘আনাস খাত্তাব’ এবং গোয়েন্দা প্রধান ‘হুসাইন সালামা’ এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
বিপ্লবীদের দলগুলো একতাবদ্ধ হোক। মুসলমানদের বন্ধন দৃঢ় হোক। ইসলামী রাজনীতির অঙ্গনে তালে..বান অতুলনীয়, তবে সিরিয়ার ব্যাপারেও আমরা যথেষ্ট আশাবাদী। তাদের প্রতি সুধারণা রাখি। | 1 363 |
| 18 | পার্সোনাল লাইফে প্র্যাকটিসিং হয়ে আপনি বেশিদিন ইসলামকে ধরে রাখতে পারবেন না। হারিয়ে যাবেন। তাহলে কি করতে হবে? দ্বীন প্র্যাকটিসের বৃত্তকে বড় করতে থাকুন। পারিবারিকভাবে, সামাজিকভাবে, পেশাগত এবং নিজের একমাত্র পরিচয় হিসেবে। এখানে রিয়া বা লৌকিকতার ওয়াসওয়াসা আসলে শয়তানের একটি ফাঁদ। এটাকে ঠিকমত দমন করেই আপনাকে ছড়াতে হবে।
একজন মানুষ ব্যক্তিগতভাবে যতই ভালো মুসলিম হোক, এভাবে বৃত্ত বড় না করলে একসময় ব্যক্তিগত পরিসরটাও কমে আসবে। গাফলতি আর অলসতা ঘিরে ধরবে।
সার্কেল বড় করতে থাকুন।
- Mohammad Saeedul Mostafa | 1 275 |
| 19 | রাসূল ﷺ বলেন, “যে ব্যক্তি যাকে ভালোবাসে (কিয়ামত দিবসে) সে তার সাথেই অবস্থান করবে।”
[সুনান আত তিরমিজি-২৩৮৭] | 1 775 |
| 20 | সারা বছরের সেরা দশটি দিন পেতে যাচ্ছি আমরা। প্রস্তুত তো? জেনে নিই জিলহজ্জ্ব মাসের এই দশ দিন কোন কোন আমল করা উচিত!
.
শেয়ার করে অন্যজনকে জানিয়ে দিয়ে সওয়াব লুফে নেয়ার সুযোগটা কি মিস দেয়া যায়? | 3 078 |
