Reflections
Ustaza Nayla Nuzhat’s Telegram Channel 🍃কমেন্টের ক্ষেত্রে অনুগ্রহ করে ইসলামী বিধিনিষেধ মেনে চলুন🍃 🚫অনুগ্রহ করে মাস'আলা জিজ্ঞেস করবেন না
Mostrar más📈 Análisis del canal de Telegram Reflections
El canal Reflections (@reflections_nayla) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 14 305 suscriptores, ocupando la posición 6 081 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 1 623 en la región Bangladesh.
📊 Métricas de audiencia y dinámica
Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 14 305 suscriptores.
Según los últimos datos del 22 julio, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de -102, y en las últimas 24 horas de 3, conservando un alto alcance.
- Estado de verificación: No verificado
- Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 29.19%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener N/A% de reacciones respecto al total de suscriptores.
- Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 0 visualizaciones. En el primer día suele acumular 0 visualizaciones.
- Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 0.
📝 Descripción y política de contenido
El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
“Ustaza Nayla Nuzhat’s Telegram Channel
🍃কমেন্টের ক্ষেত্রে অনুগ্রহ করে ইসলামী বিধিনিষেধ মেনে চলুন🍃
🚫অনুগ্রহ করে মাস'আলা জিজ্ঞেস করবেন না”
Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 23 julio, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.
Carga de datos en curso...
| Fecha | Crecimiento de Suscriptores | Menciones | Canales | |
| 23 julio | 0 | |||
| 22 julio | +3 | |||
| 21 julio | 0 | |||
| 20 julio | 0 | |||
| 19 julio | +1 | |||
| 18 julio | 0 | |||
| 17 julio | +2 | |||
| 16 julio | 0 | |||
| 15 julio | +1 | |||
| 14 julio | 0 | |||
| 13 julio | 0 | |||
| 12 julio | 0 | |||
| 11 julio | 0 | |||
| 10 julio | +1 | |||
| 09 julio | 0 | |||
| 08 julio | 0 | |||
| 07 julio | 0 | |||
| 06 julio | 0 | |||
| 05 julio | +1 | |||
| 04 julio | 0 | |||
| 03 julio | +1 | |||
| 02 julio | 0 | |||
| 01 julio | +1 |
| 2 | সন্তানের হাতে স্মার্টফোন না দেয়া।
প্যারেন্টাল কন্ট্রোল, ব্লকার- সব ব্যর্থ হবে ওদের হাতে ইন্টারনেট দিলে। ছোটরা অনেক স্মার্ট। ওরা জানে কিভাবে সেসব বাইপাস করতে হয়।
এগুলো থেকে দূরে রাখতে বাবা মায়ের অনেক ধরণের ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। সেটা করতে না চাইলে, বা করতে ভয় পেলে বাবা মায়েরা "কী করবো" বলে হাল ছেড়ে দেন।
কথা হলো, বড়দের পর্যন্ত ইন্টারনেট এ অবাধে বিচরণ করার কথা না। আল্লাহকে ভয় করার কথা। বড়রা যদি "আমরা বড়, কিছু হবে না" ভেবে অবাধে নেট ব্যবহার করেন - অজস্র মানুষ এটার সাক্ষী যে, "একটু দেখি" ভেবে সেটা কী ধরণের নেশায় পরিণত হয়। আল মসজিদুল হারাম এ পর্যন্ত "বড়দের" মনে করিয়ে দিতে হয় যে, এটা আল্লাহর ঘর, রিলগুলো পরে দেখুন।
বড়দের, নিজেদের এই অবস্থা- আর বাবা মায়েরা ভাবেন তাদের সন্তানেরা নিষ্ঠার সাথে শুধু "ভালো" জিনিস দেখছেন? এটা হতেই পারে না। একটু সচেতন হোন। দিবেন না ওদের হাতে ইন্টারনেট।
পড়ালেখা, ব্রাউজিং এর নামেও দিবেন না। রিসার্চ, প্রজেক্ট- স্কুলের এক্সট্রা করিকুলার একটিভিটি এর নামে না। "আমার সামনে বসে ব্যবহার করবে" এর নামে না। নিজের এসব করে দিতে কষ্ট হবে- কিন্তু এর সুফল যখন দেখবেন, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া করবেন ইন শা আল্লাহ, যে আল্লাহ বুঝার তৌফিক দিয়েছিলেন। | 2 200 |
| 3 | 💭আমাদেরকে যদি এমন একটা জায়গায় রাখা হয়, যেখানে কেউ ইউটিউবে যা খুশি দেখছে, কেউ গান গাইছে, কেউ মানুষের ছবি আঁকছে- অর্থাৎ যাবতীয় হারাম কাজ চলছে, আমরা সেখানে কতক্ষণ থাকতে পারবো? এক দুই বেলা ঠিক আছে। এক দুই দিন? প্রতিদিন??
🍂ভাবতেই কেমন লাগে, তাই না?
⁉️অথচ মজার ব্যাপারটা দেখুন, আমাদের সন্তানদের আমরা যে শুধু সেই পরিবেশে রাখি তাইই না, সাথে তাদের ঈমানের এমন দৃঢ়তা আশা করি যা আমাদের নিজেদেরই নেই!! | 2 554 |
| 4 | বাচ্চাদের ডিভাইসের প্রতি আসক্তি
পিডিএফ এবং এই চ্যানেল সর্ব সাধারণের জন্য উন্মুক্ত।
⚠️ কোনো পিডিএফ ব্যবসার উদ্দেশ্যে/বই বের করার জন্য প্রিন্ট করা যাবে না। | 3 272 |
| 5 | অভিভাবকদের কিছু বললে তারা বলেন যে তাদের বাচ্চাদের একাউন্ট নিজেদের একাউন্টের সাথে যুক্ত করা। তাই তারা উল্টাপাল্টা দেখবে না। বুঝাতে পারি না যে এসব করে কোনো লাভ হবে না - যেই বাচ্চার হাতে ডিভাইস থাকবে, সেই ডিভাইসে ইন্টারনেট থাকবে, যা সে একা ব্যবহার করতে পারে, সেই বাচ্চা সর্বত্র বিচরণ করতে পারবে। সে বাবা মাকে ফাঁকি দেয়ার পথ বের করে দিবে। আর না, সেই বাচ্চা মোটেও ইনোসেন্ট না।
তারপর নালিশ আসে, পড়ার সময় পায় না। পড়তে পারে না। রাতে ঘুম হয়না।
বাচ্চার হাতে ডিভাইস ছেড়ে রাখার মত "উদার" হলে, বাচ্চার অধঃপতন (দুনিয়া এবং আখিরাতের) মেনে নেওয়ার মত হৃদয়বানও হয়ে যাওয়া উচিত। কারণ, একটা আরেকটার সাথে আসে।
এইটুক এইটুক বাচ্চারা বাবা মাকে বুঝিয়ে ফেলে যে তাদের তাবৎ জায়গায় একাউন্ট আছে কিন্তু তাদেরকে খারাপ কিছুই দেখায় না। সিরিয়াসলি?
অনেকবার বলা কথাটা আবার বলি। এই বাবা মায়েরা হয় ভীষণ বোকা- যেই বোকামি বড় মানুষকে মানায় না। নয়ত ভীষণ স্বার্থপর, তাই তাদের বাচ্চাকে হারাম থেকে দূরে বড় করার কষ্টটা করতে এত আপত্তি।
(যিনি কথা বলছেন, তাকে চিনিনা। কথাগুলো সঠিক তাই শেয়ার করা।) | 5 685 |
| 6 | Sin texto... | 0 |
| 7 | যারা "ইসলামিক" ইংলিশ মিডিয়ামে সন্তানদের পড়ান অথবা "ইসলামিক" ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল চালান যেখানে "ইসলামিক স্টাডিজ" এ ও লেভেল দিতে উৎসাহিত করেন বাচ্চাদের, দেয়ার পর বাহবা দেন, ফটোগুলো দেখবেন।
এগুলো আমাকে ও লেভেলে ইসলামিক স্টাডিজ (Edexcel) দিচ্ছে এমন একজন দিয়েছে। সে নিজে স্কুলে পড়েছিল আগে, এই সিলেবাস। তখন কিছু টের পায়নি। একটা সাবজেক্ট বাড়ানোর জন্য ও লেভেলে নিয়েছে। এখন দেখছে, তারা যেই উত্তর আশা করে, সেগুলো তো ভয়াবহ। অনেক বিষয় আছে যেগুলোতে তারা যেই "ফিকহ" বলে সেটা ভুল, বা কাফির-ফ্রেন্ডলি। আর এই ফটোতে যা যা আছে- সব তো সরাসরি মানুষের ঈমানের সাথে সম্পৃক্ত! কুফরী হবে এমন সব কথা।
সেই স্টুডেন্ট বলছিল যে সম্ভাবনা আছে এগুলো চেক করে কাফির রা, আর মুসলিম কেউ করলেও তার জ্ঞানের লেভেল কাফিরদের সমান- নাহলে এসব কথা তো কোনো উত্তর হতে পারে না "ইসলামিক স্টাডিজ" এ। এখন সেই স্টুডেন্ট বিষয়টি উইথড্র করতে পারছে না- ঠিক করেছে সঠিক কথা লিখে দিয়ে আসবে সব প্রশ্নে- তাতে বোর্ড মার্ক কমিয়ে দিলে দিবে। সে এটাও স্বীকার করেছে যে, কাফিরদের চালানো বোর্ড এ ইসলামের বিষয়ে "অথেনটিক" তথ্য থাকবে, এটা ভেবে নেয়া ছিল অনেক বড় ভুল। সিলেবাস দেখে কিছুই বুঝা যাবে না। সমস্যা বুঝবেন যদি ওদের "মার্ক স্কিম" পড়ে দেখেন- যেখানে কতটুক উত্তরে কতটুক মার্ক দেয়া হবে, সঠিক উত্তর কী, আর কোন কোন পয়েন্ট লিখলে ফুল মার্ক আসবে লেখা থাকে।
ইসলামিক বিষয় বাচ্চাদেরকে ইসলামিক স্কলারদের কাছে শিখতে দিন। এই ও লেভেলের সিলেবাস ভয়াবহ ক্ষতি করবে শুধু। তাছাড়া কাফিরদের কাছ থেকে কিসের ইসলাম শিক্ষা? একটা সাবজেক্ট বাড়াতে হলে অন্য কিছু দিন- এই অযথা সাবজেক্ট দিবেন না। আর "ইসলামিক" ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর কাছে অনুরোধ থাকবে, এই বিষয়টি এড করে "ইসলামিক ইসলামিক" না খেলার। সত্যিই সন্তানদের ইসলামের উপর বড় করার স্কুল খুলে থাকলে ইসলাম নিয়ে সত্যিই যারা জানেন, তাদের অনুসরণ করুন। তাদের সাহায্যে একটা সঠিক ইসলামিক স্টাডিজ সিলেবাস তৈরি করুন পরীক্ষার জন্য না- দ্বীন শেখার জন্য।
কাফিরদের বোর্ডে মুসলিমদের বাচ্চাদেরকে পরীক্ষা দেয়ানো এটাই যথেষ্ট ক্ষতি। এর উপর কাফিরদের থেকে "ইসলাম" জানার ক্ষতিটা নাহয় নাই করা হলো! | 5 878 |
| 8 | আমাদের Whatsapp চ্যানেল:
https://whatsapp.com/channel/0029VbBFkSC4CrfjhPGQZ90A | 3 764 |
| 9 | "কিতাবুত তাওহীদ" বই থেকে নেয়া অংশবিশেষ।
---------
সহীহ আল বুখারীতে আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন— উহুদ যুদ্ধে নবী ﷺ আঘাতপ্রাপ্ত হন এবং তাঁর সামনের দাঁত ভেঙে যায়। তখন নবী ﷺ দুঃখ করে বললেন— “যে জাতি তাদের নবীকে আঘাত করেছে, তারা কেমন করে সফল হবে?”
তখন এ আয়াত নাযিল হয়—
"لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ"
(সূরা আলে ইমরান: ১২৮)
অর্থ: “এ বিষয়ে তোমার কোনো এখতিয়ার নেই।”
(সম্পূর্ণ আয়াতের অনুবাদ:
তিনি তাদের তাওবাহ্ কবূল করবেন বা তাদেরকে শাস্তি দিবেন- এ বিষয়ে আপনার করণীয় কিছুই নেই; কারণ তারা তো যালেম।)
৮. আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন— রাসূলুল্লাহ ﷺ ফজরের সালাতের শেষ রাকআতে রুকু থেকে মাথা উঠিয়ে বলতেন:
سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ، رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ
এরপর তিনি বলতেন:
اللَّهُمَّ الْعَنْ فُلَانًا وَفُلَانًا
অর্থাৎ, “হে আল্লাহ! তুমি অমুক অমুক ব্যক্তির (নাম উল্লেখ করে) উপর তোমার লা‘নত নাযিল কর।”
তখন এ আয়াত নাযিল হয়:
لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ
অর্থ: “এ বিষয়ে তোমার কোনো এখতিয়ার নেই।”
আরেক বর্ণনায় এসেছে, যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ ইবনে উবাইয়্যা, সোহাইল ইবনে আমর এবং হারিস ইবনে হিশামের বিরুদ্ধে বদদোয়া করেছিলেন, তখন এ আয়াত—
لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ
—নাযিল হয়।
--------
আল্লাহর রাসূল ﷺ। তার অন্যায়কারীর বিরুদ্ধে তিনি নালিশ করেছেন আল্লাহর কাছে। আল্লাহ তার প্রিয় নবীকে বলছেন এই কথা। "এ বিষয়ে তোমার কোনো এখতিয়ার নেই।" এবং যেই তিনজনের নাম উল্লেখ করে আল্লাহর নবী বদদোয়া করেছেন, তারা তিনজন পরবর্তীতে মুসলিম হয়েছেন, রাদিয়াল্লাহু আনহুম। আল্লাহর হিকমাহ সুবহানআল্লাহ। আল্লাহর রাসূল ﷺ যেকোনো কারণে বদদোয়া দেয়ার মত মানুষই ছিলেন না। তারপরও, তাকে আল্লাহ এই উত্তর দিয়েছেন।
----------
ইসলামের শত্রু বা কাফির নিয়ে কথাতে নাইই বা গেলাম। একজন মুসলিম ভাই আরেকজন মুসলিম ভাইয়ের ক্ষেত্রে তাহলে কেমন আচরণ করার কথা? কতটা সহনশীল হওয়ার কথা? বদদোয়া দেয়ার সময় কতবার ভাবার কথা? বদনাম ছড়ানোর বেলায় কতবার ভাবার কথা?
একটু ভাববেন। আমাদের বদনামে কারো আজীবনের ভালো কাজ শেষ হয়ে যাবে না। তার ভুলে তার ভালো কাজ শেষ হয়ে যাবে কিনা, সেটা মাপাও আমাদের দায়িত্ব না।
এই পৃথিবীতে কেউ ত্রুটির উর্ধ্বে না।
তাই পরস্পরের সাথে আমরা যেন মুসলিমের আচরণ করি- তার উপর ব্যক্তিগত আক্রোশ থাকার যথেষ্ট কারণ থাকলেও। একজন মুসলিমের সাথে বচসা হলে, মতবিরোধ হলে যেন তাকে মুসলিম হিসেবেই দেখি- কাফিরের অধম বলে গণ্য না করি। আর এই সব সমস্যা - আক্রোশ, বচসা, জবাব, পাল্টা জবাব- সবই জীবনের অংশ। এখানেও যেন আমরা ইসলামের উপর থাকি- মুসলিমের মতই আচরণ করি। সীমা লঙ্ঘন না করি! আমাদের আদর্শ আল্লাহর রাসূল ﷺ। আর তার জীবনের ঘটনাই আমরা পড়ছি এখানে।
আমরা কি আল্লাহর রাসূল ﷺ কে আল্লাহ যা বলছেন, তার থেকে শিক্ষা নিবো না? | 4 489 |
