es
Feedback
Da'ee Ilallah

Da'ee Ilallah

Ir al canal en Telegram

https://t.me/+K7Cd76W0SxpjZmFl Who is better in speech than the one who calls people towards Allah, does good deeds and says: "I am a Muslim?" --[Haameem As Sajda:33]

Mostrar más
573
Suscriptores
Sin datos24 horas
-37 días
-1030 días

Carga de datos en curso...

Canales Similares
Sin datos
¿Algún problema? Por favor, actualice la página o contacte a nuestro gerente de soporte.
Nube de Etiquetas
Sin datos
¿Algún problema? Por favor, actualice la página o contacte a nuestro gerente de soporte.
Menciones Entrantes y Salientes
---
---
---
---
---
---
Atraer Suscriptores
julio '25
julio '25
+3
en 0 canales
junio '25
+14
en 0 canales
Get PRO
mayo '25
+13
en 0 canales
Get PRO
abril '25
+16
en 0 canales
Get PRO
marzo '25
+18
en 1 canales
Get PRO
febrero '25
+8
en 1 canales
Get PRO
enero '25
+6
en 0 canales
Get PRO
diciembre '24
+9
en 0 canales
Get PRO
noviembre '24
+5
en 0 canales
Get PRO
octubre '24
+18
en 1 canales
Get PRO
septiembre '24
+54
en 1 canales
Get PRO
agosto '24
+51
en 2 canales
Get PRO
julio '24
+10
en 0 canales
Get PRO
junio '24
+15
en 1 canales
Get PRO
mayo '24
+20
en 1 canales
Get PRO
abril '24
+8
en 0 canales
Get PRO
marzo '24
+10
en 0 canales
Get PRO
febrero '24
+16
en 0 canales
Get PRO
enero '24
+19
en 1 canales
Get PRO
diciembre '23
+66
en 5 canales
Get PRO
noviembre '23
+88
en 3 canales
Get PRO
octubre '23
+348
en 2 canales
Fecha
Crecimiento de Suscriptores
Menciones
Canales
30 julio0
29 julio0
28 julio0
27 julio0
26 julio0
25 julio+1
24 julio0
23 julio0
22 julio0
21 julio0
20 julio0
19 julio0
18 julio0
17 julio0
16 julio0
15 julio0
14 julio+1
13 julio0
12 julio0
11 julio0
10 julio0
09 julio0
08 julio0
07 julio0
06 julio0
05 julio0
04 julio0
03 julio0
02 julio+1
01 julio0
Publicaciones del Canal
বাংলাদেশে চলছে হি'ন্দুদের নীরব প্রস্তুতি : সরকার পতনের পর ভ|রত দিশেহারা হয়ে যায়৷ অনেক চেষ্টা করেও পারেনি ঢাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে। তবে এবার চলছে গোপনে গোপনে এক ভয়ংকর প্রস্তুতি। এমন ভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে যে৷ একদিন হুট করে কৃত্রিম দাঙ্গা লাগিয়ে দেওয়া হবে। রাতের আধারেই জ্বালিয়ে দেওয়া হবে শত শত ম'ন্দির। এদেশে এমন এক মাউন্ডসেট তৈরী করেছে মিডিয়া ও রঠার চেতনা গোষ্ঠী। ম'ন্দিরে আগুন লাগার সাথে সাথেই মুসলমানদের উপর দোষ চাপিয়ে দিবে বিনা তদন্তে। রিসেন্ট কুমিল্লার ঘটনা টা আপনারা দেখেছেন৷ কথা সেটাও না। হেদু যুবকরা রহস্যজনকভাবে ভ|রতে গমন করছে। অ'স্ত্র প্রশিক্ষণ হতে তারা সব কিছুই নিচ্ছে৷ আপনারা খেয়াল করে দেখবেন ইস'কন ম'ন্দির গুলো মিলিটারি ক্যাম্পের মত দেয়াল বেষ্টনী দেওয়া৷ আপনারা গভীর পর্যালোচনা করলে তাদের গতিবিধি শনাক্ত করতে পারবেন৷ আর সবচেয়ে বিপদজনক হলো আলী'গের পুরো শক্তি হেদুদের পক্ষ হয়ে গেরিলা ওয়ার করবে৷ অবাক হওয়ার কিছু নেই গাজ'ওয়াতুল হিন্দে মুসলমানদের একটা অংশ মুশ'রিকদের পক্ষে নিবে৷ দেশে একটা দাঙ্গা সংঘটিত করে ভ|রত ঢাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইবে৷ অন্যদিকে সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন দিয়ে কমপক্ষে হেদুদের ৫০/৬০ টি আসন দেওয়া হবে৷ কারণ লীগ হেদুদের ই ভোট দিবে৷ বুঝতে পারছেন পরিস্থিতি কত ভয়াবহ দিকে যাচ্ছে৷ দেশ রক্ষায় প্রস্তুতি নিন৷ সামরিক প্রশিক্ষণ নিন৷ মিহরাব মজুদ করুন৷ (3rd Eye Analysis)

2
নজরুল একজন বহুমাত্রিক প্রতিভা যিনি বিভিন্ন চিন্তা ও বিশ্বাসের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাঁর জীবনের বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ও ভাবনা আমরা এভাবে ধরতে পারি— নজরুল যখন বিশ্বাসী (Theist): "মসজিদের ঠিক পাশেই আমার কবর স্থাপন করো, যেন মৃত্যুর পরও মোয়াজ্জিনের আজানের শব্দ শ্রবণ করতে পারি।" নজরুল যখন জিহাদী প্রবণতাসম্পন্ন: "মুখে কলেমা, হাতে তলোয়ার, বুকে ইসলামী উন্মাদনা নিয়ে, হৃদয়ে আল্লাহর প্রতি প্রেম জ্বালিয়ে, চলছি সামনে।" নজরুল যখন নারীর মুক্তির পক্ষপাতী ও পত্রিবাদী: "মাথার ঘোমটা ভেঙে ফেলো, ভীতু মনকে মুক্ত করো! যে আবরণ তোমাকে বন্দী করে রেখেছে, তাকে দূর করো, নারীর স্বাধীনতার জন্য লড়ো!" নজরুল যখন চন্ডী শক্তির প্রতীক: "আমি ছিন্নমস্তা চন্ডী, রণদা সর্বনাশী, যিনি জাহান্নামের আগুনের মাঝেও হাসি ফোটাই।" নজরুল যখন নাস্তিক (এথিস্ট): "গ্রন্থের পুজারি গোষ্ঠী মিথ্যার অধিকারী। মানুষের সৃষ্টিই গ্রন্থ, গ্রন্থ মানুষের সৃষ্টি নয়।" নজরুল যখন সাম্যবাদী চিন্তাবিদ: "বিশ্বের সমস্ত মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, যেটির অর্ধেক সৃষ্টি নারী, অপর অর্ধেক পুরুষ।" নজরুল যখন অসাম্প্রদায়িক চিন্তাবাদী: "আমরা এক বিন্দুতে দুইটি কুসুম—হিন্দু ও মুসলিম। মুসলিম হলেন সেই কুসুমের নয়নমণি, হিন্দু তার প্রাণ।" নজরুল ছিলেন এমন এক প্রতিভা যার জটিলতা ও বিস্তৃত ভাবনার সীমা মাপা কঠিন। তিনি হিন্দুদের কালি পূজায় মগ্ন থাকার সময় শ্যামা সংগীতের ভজন গাইতেন, এবং তাঁর জীবনেও ছিল এক হিন্দু মহিলার প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ। সুতরাং, বিভ্রান্ত কবিদের অনুসরণ থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। (সূরা শূরা, ২৬:২২৪)
0
3
আল্লাহর পথে বেঁচে থাকা, আল্লাহর পথে শ'হী*দ হয়ে যাওয়ার চেয়ে কঠিন। ইবনে বায (রহিমাহুল্লাহ)
0
4
বিধ্বস্ত গাজায় ময়দার গুঁড়িতে Oxycodone মিশিয়ে দেওয়ার পর এখন চিনি থেকে বিষক্রিয়া লক্ষ্য করা গিয়েছে। গতকাল উপত্যকায় Humanitarian Aid Supply এর সাথে সরবরাহ করা চিনি খাওয়ার পর 'Hallucination' এর শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তির ঘটনা ঘটেছে সেখানে। যদিও Diabetes এর রোগী হয়ে থাকলে চিনি খাওয়ার পর Hyperglycemia এর শিকার হয়ে Hallucination হতে পারে, কিন্তু, আমাদের কাছে আক্রান্ত মানুষটি Diabetic মর্মে কোনো তথ্য আসেনি। পাশাপাশি, Oxycodone এর রিপোর্টের পর এমন তথ্য দারুণ সন্দেহজনক। পাশাপাশি, গতকাল সন্ধ্যা হতে এখন পর্যন্ত বিধ্বস্ত গাজায় Israeli Air Force প্রবল বিমান হামলা পরিচালনা করছে। বিরতিহীন বিমান হামলায় অনেক পরিবার ইতিমধ্যে পৃথিবী হতে বিদায় নিয়েছেন। (Revan M)
0
5
ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন — “যে নবী (ﷺ) কে গালিগালাজ/কটু কথা বলবে বা তাঁর নিন্দা করবে, সে ব্যক্তি মুসলিম হোক বা কাফির, তার সাজা হচ্ছে মৃত্যুদণ্ড।” [আহকামু আহলিল মিলাল ওয়ার রিদ্দাহ, পৃষ্ঠা : ২৫৬] (Manzurul Karim)
0
6
হাবিব ইবনে জিলাব (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন : আমি আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারক (রাহিমাহুল্লাহ)-কে জিজ্ঞেস করলাম — মানুষের জীবনে সেরা প্রাপ্তি কী? তিনি বললেন, ‘গভীর বুঝ-বুদ্ধি।’ জিজ্ঞেস করলাম, যদি এটা না মেলে? তিনি বললেন, ‘তাহলে সুন্দর আদব-আখলাক।’ জিজ্ঞেস করলাম, যদি এটা না মেলে? তিনি বললেন, ‘তাহলে সদয় বন্ধু, যে উত্তম পরামর্শ দেয়।’ জিজ্ঞেস করলাম, যদি এটা না মেলে? তিনি বললেন, ‘তাহলে দীর্ঘ নীরবতা।’ জিজ্ঞেস করলাম, যদি এটা না মেলে? তিনি বললেন, ‘তাহলে ফিতনার আগে দ্রুত মৃত্যু লাভ করা।’ [সিয়ারু আলামিন নুবালা, ৮/৩৯৭]
0
7
ইয়া রব! তোমার মাঝে থোড়াই কোনো কমতি আছে, তোমার বান্দারা তা-ও তোমার প্রতিই খুশি না! (একজন পাঞ্জাবি কবি)
0
8
দুনিয়ায় মানুষের সাথে মানুষের সামর্থ্যের পার্থক্য রয়েছে এবং আল্লাহ তাআলা কিছু মানুষকে অন্যদের চেয়ে বেশি সামর্থ্য ও নিয়ামত দিয়েছেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন, ‘আর তোমরা আকাঙ্ক্ষা করো না সেসবের, যার মাধ্যমে আল্লাহ তোমাদের একজনকে অন্যজনের ওপর প্রাধান্য দিয়েছেন।’ [সূরা আন-নিসা, ৪ : ৩০] . ‘হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট’ বই থেকে
0
9
আপনি ৫০০০ ঘন্টা স্যোশাল মিডিয়া ব্রাউজ করে কোন বিষয়ে স্পেসিফিক জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন না (সচরাচর আমরা যেভাবে স্যোশাল মিডিয়া ব্যবহার করি)। কিন্তু আপনি ৩-৫ দিনে একই বিষয়ে ৩টা বই পড়লে, একটা সুনির্দিষ্ট বিষয়ে আপনার আত্মবিশ্বাস অর্জন হয় এমন জ্ঞান লাভ করতে পারবেন। Now it's up to you how you choose to spend or waste your time.
0
10
+9
Sin texto...
0
11
❝আমি যোদ্ধা নবী, আমি রহমতের নবী।❞ (মুসনাদে আহমদ ১৮৭০৪)
❝আমি যোদ্ধা নবী, আমি রহমতের নবী।❞ (মুসনাদে আহমদ ১৮৭০৪)
0
12
গাজায় জনসাধারণের জন্য দেয়া ত্রাণের ময়দার সাথে ইসরায়েল অক্সিকোডোন (ড্রাগ) মিশিয়ে দিচ্ছে। ____ এটি মূলত তীব্র ব্যথানাশক ওষুধ।
গাজায় জনসাধারণের জন্য দেয়া ত্রাণের ময়দার সাথে ইসরায়েল অক্সিকোডোন (ড্রাগ) মিশিয়ে দিচ্ছে। ____ এটি মূলত তীব্র ব্যথানাশক ওষুধ। বিশেষ করে ক্যান্সারের রোগীদের জন্য। এই ওষুধের সমস্যা হল এটি স্নায়ুতন্ত্রের নির্দিষ্ট রিসেপ্টরগুলির উপর কাজ করে, যার ফলে তীব্র আসক্তি, হৃদস্পন্দন হ্রাস, সচেতনতা ও চেতনা হ্রাস, মানে বোধবুদ্ধি হারিয়ে ফেলা এবং শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা দেখা দেয়। এটি একজন ব্যক্তিকে অচেনা কিছুতে রূপান্তরিত করতে পারে - মানে একজন মানুষ নিজেকেই নিজে চিনতে পারবেনা এমন আরকি। (Sorwar Alam)
0
13
হারাম মাসগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম হচ্ছে — আল্লাহর মাস মুহাররম। আল্লাহ তাআলা একটা হারাম মাসের দ্বারা বছরের সূচনা করেছেন এবং আরেকটা হারাম মাসের দ্বারা বছরের সমাপ্তি ঘটিয়েছেন। আর রমাদান মাসের পর বছরের আর কোনো মাস মুহাররম থেকে উত্তম নয়। - হাসান বাসরি রাহিমাহুল্লাহ [ লাতাইফুল মাআরিফঃ ৩৪ ]
0
14
01880363606
0
15
মানুষের পক্ষ থেকে আসা প্রতিটি কষ্টই আমার জন্য তাওহিদের শিক্ষা বহন করে আনে। যার নির্যাস হলো: আল্লাহর কাছ ছাড়া আর কোথাও শান্তি নিরাপত্তা নেই। (শায়খ আতিক উল্লাহ)
0
16
এক সময় মনে হতো— "আমি চুপ করে গেলেই হার মানা হয়ে যাবে…" "উত্তর না দিলে, লোকে ভাববে আমি ভুল…" "সবাইকে খুশি রাখতে না পারলে, হয়তো আমি ভালো মানুষ না…" তারপর একসময় বুঝলাম— ম্যাচিউরিটি মানে সব সময় রিঅ্যাক্ট করা না। ম্যাচিউরিটি মানে, অনেক কিছু দেখেও না দেখার মতো করে হজম করে ফেলা। ম্যাচিউরিটি মানে, শান্ত থাকা… এমনকি নিজের রাগের মাঝেও। ম্যাচিউরিটি মানে আরেকটু বোঝাপড়া। নিজের জায়গা চুপচাপ শক্ত করে রাখা। জোরে না বলে, ধীরে ধীরে কিছু ছেড়ে দেওয়া। আর সবার আগে নিজেকে ভালোবাসা… এই বুঝে যে, আমি পারফেক্ট না, কিন্তু প্রতিদিন একটু করে ভালো হচ্ছি। ম্যাচিউরিটি শেখায়— নিজেকে অন্যের কাছে কম বোঝানো, কিন্তু অন্যেকে বেশি বোঝা। দুনিয়াটা সবসময় ন্যায়বিচার করবে না, কিন্তু নিজের শান্তির স্পেস নিজেকেই বানিয়ে নিতে হবে। (Muslim Day Planner)
0
17
Sin texto...
0
18
দ্বীন ও দুনিয়ার মাঝে সমন্বয়। কথাটি আমরা প্রায়ই শুনি। ইসলাম আমাদের সংসারত্যাগী হতে বলে না। আবার এমন ভাবে দুনিয়ার পেছনে এমনভাবে ছোটা যাবে না যাতে আমাদের সব চিন্তা, সব কাজ দুনিয়াকে ঘিরেই আবর্তিত হয়। দুটোর মধ্যে ব্যালেন্স করতে হবে। এটুকুতে কোন সমস্যা নেই। এটুকু সবাই মানে। তবে দ্বীন ও দুনিয়ার মাঝে সমন্বয় এর তত্ত্ব আমরা যেভাবে আজকাল বাস্তবায়ন করছি সেখানে মনে হয় সমস্যা থেকে যাচ্ছে। বিষয়টাকে আজ যতোটা সহজে আমরা অ্যাপ্রোচ করছি, আদতে হয়তো সেটা অতোটা সহজ না। দ্বীন ও দুনিয়ার মধ্যে ব্যালেন্স সবচেয়ে সুন্দরভাবে করেছিলেন সাহাবা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম। তাঁদের জন্যও একাজটা খুব একটা সহজ ছিল না। মদীনাতে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর দারসে বসার জন্য সাহাবা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম স্পেশাল রুটিন বানাতেন। দুজন সাহাবী মিলে ঠিক করে নিতেন, একজন সকালে দারসে বসবেন আর কাজ করবেন বিকেলে। আরেকজন সকালে কাজ করবেন আর বিকেলের দারসে থাকবেন। এভাবে যার যেটা মিস হবে অপর জনের কাছ থেকে তিনি সেটা জেনে নেবেন। অধিকাংশ সাহাবা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম তেমন একটা ধনী ছিলেন না। তবু দ্বীনের জন্য তাঁরা নিজেদের অফিস আওয়ার বদলে নিতেন। নিজেদের ডেইলি রুটিন পালটে ফেলতেন। যে সময়টুকু কাজ করলে উপার্জন বাড়ানো যেতো, নিজের পরিবারের স্ট্যান্ডার্ড অফ লিভিং উঁচু করা যেতো, তাঁরা সেটা ব্যয় করতেন দ্বীনের জন্যে। এটা ছিল সাধারন রুটিন। যখন প্রয়োজন দেখা দিত তখন এটাও পালটে যেতো পুরোপুরি। রাসূলুল্লাহ ﷺ এর পক্ষ থেকে কোন নির্দেশ আসলে অন্য সব কাজ ছেড়ে সেটাতেই মনোযোগী হতেন তাঁরা। রাসূলুল্লাহ যখন কোন জিহাদের অভিযানে বের হবার নির্দেশ দিতেন, তখন বাকি সবকিছুকে স্ট্যান্ডবাই রেখে বেরিয়ে পড়তেন সাহাবীগণ। রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম ওয়া আজমাইন। ইসলাম ছিল তাঁদের প্রায়োরিটি লিস্টের এক নাম্বারে। প্রথমে ইসলাম ঠিক রেখে তারপর বাকি সবকিছু। নিজের ঘর, চাকরি, ব্যবসা, সমাজ – যেখানে ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক কিছু ছিল, সেটা মুহূর্তের মধ্যে ছেড়ে দিতে প্রস্তুত ছিলেন। প্রস্তুত ছিলেন ইসলামের জন্য যেকোন সময় যেকোন আত্মত্যাগের জন্যে। ইসলাম ছিল তাঁদের জন্য প্রথম। বাকি সব কিছু অনেক দূরবর্তী এক দ্বিতীয় অবস্থানে। আজ আমরাও ইসলাম পালন করার কথা বলি। দ্বীন ও দুনিয়া ব্যালেন্স করার শিক্ষাও আজ অনেকভাবে দেয়া হয়। কিন্তু আমাদের সাথে সোনালী প্রজন্মের তফাৎ হল, আমাদের প্রায়োরিটি লিস্টের প্রথম জায়গাটা দখল করে রাখে দুনিয়া। আল্লাহ্‌ আযযা ওয়া জাল আমাদের সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদতের জন্য। রাসূলগণকে (আলাইহিমুস সালাম) তিনি পাঠিয়েছেন তাগুত বর্জন ও এক আল্লাহর ইবাদতের শিক্ষা দেয়ার জন্য। কথাটা স্পষ্টভাবে কুরআনে বলা আছে। দ্বীন ও দুনিয়ার ব্যালেন্স করতে হলে এই মৌলিক ভিত্তিগুলোর ওপরেই তো হতে হবে। ইসলামের সাহাবা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম এভাবেই বুঝেছিলেন, এভাবেই সাজিয়েছিলেন নিজেদের জীবন। দুনিয়ার পেছনে অতোটুক সময় দিয়েছেন যেটুকু না দিলেই না, আর ইসলামের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন নিজেদের জীবন। এভাবেই তাঁরা ব্যালেন্স করেছিলেন দ্বীন ও দুনিয়ার। দুনিয়ার পেছনে সময় দেয়ার অংশটা ছিল পার্টটাইম কাজ, আর দ্বীন তাঁদের জন্য ফুল টাইম জব। কিন্তু আমরা দ্বীন ও দুনিয়া ব্যালেন্স বলতে বুঝি আমার উপার্জন, সম্পদ, স্ট্যাটাস – সবকিছু যেভাবে যেমন আছে, সেভাবেই রেখে আমার জায়গা থেকে যতোটুকু পারা যায় ততোটুকু ইসলাম আমি পালন করবো। ইসলামের জন্য আসলে কাজ করতে হলে, যেভাবে সাহাবা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম করেছেন, সেই অর্থে কাজ করতে হলে যে নিজের জীবনের অনেক ভোগবিলাস, আনন্দ, অবসর ত্যাগ করতে হবে, এটা আমরা মানতে চাইনা, বা মনে রাখতে চাইনা। যে যান্ত্রিক, অতৃপ্ত বস্তুবাদী প্রতিযোগিতার মধ্যে আমরা এখন দিন কাটাই, এটার মধ্যে ডুবে থেকে আসলে কতোটা ইসলাম পালন করা যায়, সেটা নিয়ে আমরা ভাবি না হয়তো। আমি আসলেই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কী করছি, আখিরাতের জন্য কী প্রস্তুত করছি, এ চিন্তাগুলো আমরা চাপা দিয়ে রাখি। এই অবস্থা নিয়ে আমরা যে ব্যালেন্সটা করি সেটা দ্বীন আর দুনিয়ার মধ্যে ব্যালেন্স? নাকি নিজের অপরাধবোধকে আত্মতৃপ্তিতে পরিণত করার জন্য আত্মপ্রতারণা আর হিসেবী অপব্যাখ্যার ব্যালেন্স, সেটা হয়তো আমরা চিন্তা করি না। কিছু চিন্তা দূরে ঠেলে রাখাই সুবিধাজনক। Asif Adnan সোর্স: ওয়েবসাইট- চিন্তাপরাধ, টপিক: দ্বীন ও দুনিয়ার সমন্বয়, প্রকাশ: ২৯ আগস্ট, ২০১৯
0
19
ইবনুল কাইয়্যিম রহিমাহুল্লাহ বলেছেন: “যদি কোনো বান্দা সকাল-সন্ধ্যা এমন অবস্থায় কাটায় যে, তার একমাত্র চিন্তা আল্লাহ হন, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা তার সমস্ত প্রয়োজন নিজের দায়িত্বে নিয়ে নেন এবং তার সকল দুশ্চিন্তা দূর করে দেন। ১. আল্লাহ তার হৃদয়কে আল্লাহর ভালোবাসার জন্য ফাঁকা করে দেন, ২. তার জিভকে আল্লাহর জিকিরের জন্য ব্যস্ত রাখেন, ৩. এবং তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোকে তাঁর ইবাদতের জন্য নিবেদিত করে করেন।” আর যদি সে সকালে ও সন্ধ্যায় দুনিয়ার চিন্তায় ডুবে থাকে, তাহলে আল্লাহ তাকে দুনিয়ার দুঃশ্চিন্তা, দুঃখ-কষ্ট ও বিপদ-আপদে জর্জরিত করে দেন এবং তাকে তার নিজের অবস্থার উপর ছেড়ে দেন— ১. ফলে তার হৃদয়কে আল্লাহর ভালোবাসা থেকে ফিরিয়ে মানুষের ভালোবাসায় ব্যস্ত করে দেন, ২. তার জিহ্বাকে আল্লাহর জিকিরের পরিবর্তে মানুষের কথা ও আলোচনা দিয়ে ব্যস্ত করে দেন, ৩. এবং তার অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোকে আল্লাহর ইবাদতের বদলে মানুষের সেবা ও দুনিয়াবি কাজ-কর্মে লিপ্ত করে দেন। সে তখন অন্যের সেবায় জানোয়ারের মতো খাটে, সে তখন কামারের হাপারের মতো নিজের পেট ফোলায়, নিজের পাঁজর বড় করে ধরে, অথচ তাতে উপকার পায় অন্যজন! সুতরাং, যে কেউ আল্লাহর ইবাদত, আনুগত্য ও ভালোবাসা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, সে বাধ্য হয় মানুষ, দুনিয়া ও শয়তানের গোলামী ও সেবায় লিপ্ত হতে। আল্লাহ তাআলা বলেন: “আর যে ব্যক্তি রহমানের জিকির থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, আমরা তার জন্য একটি শয়তান নিযুক্ত করি— সে তার সঙ্গী হয়ে যায়।” 📖 সূরা যুখরুফ, আয়াত ৩৬ 📘 [আল-ফাওয়াইদ, পৃষ্ঠা ৮৩, ৮৪]
0
20
তারা ঝলমলে রাতের দিকে তাকিয়ে আল্লামা ইকবাল লিখেছিলেন : ‘সিতারো সে আগে জাহাঁ আওর ভি হ্যায়..’ (তারকার ওপারেও আরও জগৎ আছে!) মানে কী? তারকার আলো দেখে ভেবো না, সৌন্দর্যের শেষ এখানেই। মনে করো না, আল্লাহর অপার সৃষ্টির সীমা এখানেই থেমে গেছে। আরও বড় জগৎ পড়ে আছে তোমার অগোচরে। ঝলমলে তারা আর ঝকঝকে চাঁদ দেখে তাদের প্রেমে পড়ে যেয়ো না, তাদের অতিক্রম করে তোমার অনুভূতি পৌঁছে যাক অদেখা জগতের পারে। . 'মেঘপাখি' বই থেকে
0