es
Feedback
দ্বীনের অতন্দ্র প্রহরী!

দ্বীনের অতন্দ্র প্রহরী!

Ir al canal en Telegram

সূরাঃ আত-তাওবাহ [9:20] যারা ঈমান এনেছে, দেশ ত্যাগ করেছে এবং আল্লাহর রাহে নিজেদের জান ও মাল দিয়ে জেহাদ করেছে, তাদের বড় মর্যাদা রয়েছে আল্লাহর কাছে আর তারাই সফলকাম।

Mostrar más
7 930
Suscriptores
Sin datos24 horas
+47 días
+4030 días
Archivo de publicaciones
15 অক্টোবর, 2024 কিছুক্ষণ আগে, প্রায় 11 টার দিকে, তালেবানরা উত্তর ওয়াজিরিস্তানের উইলসওয়ালি গুদিয়ামের শামিরি কালী গোরি ডাঙ্গা এলাকায় আরেকটি অভিযান ব্যর্থ করে। ফৌজ এর সাথে যুদ্ধে ৫ জন ফৌজি নিহত এবং কিছু আহত হয়েছে।

বিশুদ্ধ তাওহীদপন্থী আলেমগণ যতটুকু উদারতা দেখান তার বিপরীতে গণতান্ত্রিক ইসলামিক নেতারা ততটুকুই শত্রুতায় লিপ্ত। যদিও আমি এদের বিষয়ে চুপচাপ থাকি কিন্তু এদের নেতাদের গভীর চক্রান্ত আমার হৃদয়ে আঘাত করে। আমি বুঝি না এদের চক্রান্ত সমন্ধে রবের অবগতির বিষয়ে এদের মনে কোন সন্দেহ আছে কি? এরা ওয়াজের মাঠে কত সুন্দর করে কথা বলে কিন্তু অন্তরে হক্কপন্থীদের বিরুদ্ধে হিংসা, বিদ্বেষ আর চক্রান্তে ভরপুর। আসলে হেকমত/গণতন্ত্রের বেড়াজালে এরা কলুষিত।

গোয়াল পরিষ্কার ও সেখানে ঘুমালে ক্যান্সার সেরে যায়: ভারতীয় মন্ত্রী - https://www.dhakapost.com/international/314922

গোয়াল পরিষ্কার ও সেখানে ঘুমালে ক্যান্সার সেরে যায়: ভারতীয় মন্ত্রী আন্তর্জাতিক ডেস্ক ১৪ অক্টোবর ২০২৪, ০১:৩৩ পিএম

আরসার বিষয় মুটামুটি ভালো জানেন এমন কেউ কি আছেন??

#বান্নু _আপডেট তালেবান সূত্রের মতে, বান্নু পুলিশ লাইনে এখনও পর্যন্ত প্রায় 25 জন কর্মী নিহত হয়েছে, যেখানে তালেবানরা এখনও নিরাপদ এবং অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

স্বপ্নদোষের পর লজ্জায় গোসল না করে নামায আদায় করে ফেললে করণীয় কী? প্রশ্নঃ আমার পরিবারের লোকজন দীন-ধর্ম সম্পর্ক তেমন কিছুই জানেন না, পালনও করেন না। আলহামদুলিল্লাহ আমি আমার সাধ্য মতো দীন পালন করার চেষ্টা করি। আমার প্রশ্ন হলো, বাড়িতে থাকাকালে কখনও স্বপ্নদোষ হলে লজ্জার কারণে আমি গোসল করি না। যথাসাধ্য পরিষ্কার করে ওযু করে নামায আদায় করে নিই এবং এর জন্য পরে তাওবা করি। আমার এই সব নামায কি হবে? না হলে আমি কী করতে পারি অনুগ্রহপূর্বক জানাবেন। প্রশ্নকারী- আদনান কবীর উত্তরঃ بسم الله الرحمن الرحيم স্বপ্নদোষ হলে গোসল ফরয হয়ে যায়। গোসল ছাড়া শরীর পবিত্র হয় না। এই অবস্থায় নামায আদায় করলে নামায সহীহ হয় না। সুতরাং আপনাকে গোসল করেই নামায আদায় করতে হবে। ইতিপূর্বে যে নামাযগুলো গোসল ছাড়া আদায় করেছেন, সেগুলো পুনরায় কাযা করে নিতে হবে। -আল-হুজ্জাহ আলা আহলিল মাদীনাহ, ইমাম মুহাম্মদ: ১/২৬৬ আলামুল কুতুব, বৈরুত; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২/৩৫০ হাদিস নং: ৩৬৬১ আল-মাজলিসুল ইলমী, ভারত; আদ্দুররুল মুখতার: ১/২৩০ দারুল ফিকর, বৈরুত; তাওয়ালিউল আনওয়ার, হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপি: ১/১৩৯ আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ وَامْسَحُوا بِرُءُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَيْنِ وَإِنْ كُنْتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُوا. –المائدة: 6 “হে মুমিনগণ! তোমরা যখন নামাযের জন্য উঠবে তখন নিজেদের চেহারা ও কনুই পর্যন্ত নিজেদের হাত ধুয়ে নিবে, নিজেদের মাথাসমূহ মাসেহ করবে এবং টাখনু পর্যন্ত নিজেদের পা(-ও ধুয়ে নেবে)। তোমরা যদি জানাবত (অপবিত্র) অবস্থায় থাক তবে নিজেদের দেহ (গোসলের মাধ্যমে) ভালোভাবে পবিত্র করে নেবে।” -সূরা মায়েদা ৫ : ৬ হাদীসে এসেছে, “لا تقبل صلاة بغير طهور”. –صحيح مسلم:1/204 رقم الحديث: 224 دار إحياء التراث العربي – بيروت “পবিত্রতা ব্যতীত নামায কবুল হয় না।” –সহীহ মুসলিম: ২২৪ দেখুন, সামান্য লজ্জার কারণে এক ওয়াক্ত নামায নষ্ট করা অনেক বড় বোকামি ও অপরিণামদর্শিতা। আজ যাদের লজ্জায় আপনি আপনার আখিরাত নষ্ট করছেন, হাশরের মহাবিপদে তারা কেউ আপনার বিন্দু পরিমাণ উপকার করবে না, করতে পারবেও না। এমনকি আপনিও যদি সেদিন বড় বিপদে পড়ে যান, তখন আপনার প্রাণপ্রিয় স্ত্রী-সন্তানদের বিনিময়ে হলেও মুক্তির জন্য পাগল হয়ে যাবেন। নিচের দুটি আয়াত একটু চিন্তা করে দেখুন বিপদটা কত কঠিন হবে! يَوْمَ تَكُونُ السَّمَاءُ كَالْمُهْلِ (8) وَتَكُونُ الْجِبَالُ كَالْعِهْنِ (9) وَلَا يَسْأَلُ حَمِيمٌ حَمِيمًا (10) يُبَصَّرُونَهُمْ يَوَدُّ الْمُجْرِمُ لَوْ يَفْتَدِي مِنْ عَذَابِ يَوْمِئِذٍ بِبَنِيهِ (11) وَصَاحِبَتِهِ وَأَخِيهِ (12) وَفَصِيلَتِهِ الَّتِي تُؤْوِيهِ (13) وَمَنْ فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا ثُمَّ يُنْجِيهِ (14) كَلَّا إِنَّهَا لَظَى (15) نَزَّاعَةً لِلشَّوَى (16) -المعارج “যেদিন আকাশ তেলের গাদের মতো হয়ে যাবে এবং পাহাড় হয়ে যাবে রঙ্গিন তুলার মতো। কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধু তার বন্ধুর খোঁজ নেবে না। অথচ তাদের পরস্পরকে দৃষ্টিগোচর করে দেওয়া হবে। অপরাধী সেদিন শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য তার পুত্রকে মুক্তিপণ হিসাবে দিতে চাবে। এবং তার স্ত্রী ও ভাইকে। এবং তার সেই খান্দানকে যারা তাকে আশ্রয় দিতো। এবং পৃথিবীর সমস্ত অধিবাসীকে, যাতে সে নিজেকে রক্ষা করতে পারে। কখনই এটা সম্ভব হবে না। তা তো এক লেলিহান আগুন। যা চামড়া খসিয়ে দেবে।” –সূরা মাআরিজ ৭০: ৮-১৬ لِلَّذِينَ اسْتَجَابُوا لِرَبِّهِمُ الْحُسْنَى وَالَّذِينَ لَمْ يَسْتَجِيبُوا لَهُ لَوْ أَنَّ لَهُمْ مَا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا وَمِثْلَهُ مَعَهُ لَافْتَدَوْا بِهِ أُولَئِكَ لَهُمْ سُوءُ الْحِسَابِ وَمَأْوَاهُمْ جَهَنَّمُ وَبِئْسَ الْمِهَادُ (18) –الرعد “মঙ্গল তাদেরই জন্য, যারা তাদের প্রতিপালকের ডাকে সাড়া দিয়েছে। আর যারা তার ডাকে সাড়া দেয়নি, তাদের কাছে যদি দুনিয়ার সমস্ত জিনিসও থাকে এবং তার সমপরিমাণ আরও, তবে তারা (কিযামতের দিন) নিজেদের প্রাণ রক্ষার্থে তা সবই দিতে প্রস্তুত হয়ে যাবে। তাদের জন্য রয়েছে নিকৃষ্ট রকমের হিসাব এবং তাদের ঠিকানা জাহান্নাম; তা বড় মন্দ ঠিকানা।” –সূরা রাদ ১৩ : ১৮ সুতরাং আপনি এখনই সতর্ক হোন এবং সেই কঠিন বিপদের দিন আসার আগেই সামান্য লজ্জার কথা ঝেড়ে ফেলে শরীয়তের বিধান যথাযথ পালন করুন, যেদিন কোটি কোটি মানুষের সামনে আপনাকে লজ্জিত হতে হবে, কিন্তু সেদিন পরিণতি ভোগ করা ছাড়া কোনো প্রকার ক্ষতিপূরণের বিন্দু মাত্র সুযোগ থাকবে না। আল্লাহ আমাদের সকলকে এমন কঠিন পরিস্থিতি থেকে হেফাযত করুন। মৃত্যুর আগে তার পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণের তাওফীক দান করুন। فقط، والله تعالى أعلم بالصواب আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আলমাহদি (উফিয়া আনহু) ১৮-০৬-১৪৪৪ হি. ১২-০১-২০২৩ ঈ.

Repost from Ummah e-book
গণতন্ত্র নয় পূর্ণাঙ্গ বিপ্লব লেখক :- বাংলাদেশ জামাআতে ইসলামির প্রতিষ্ঠাকালিন নায়েবে আমির মাওলানা আবদুর রহিম সাহেব রাহিমাহুল্লাহ

ওদিকে তোমার বোন সম্ভ্রম ইজ্জত স্বতিত্ব হারায়। এদিকে তুমি মহাব্যস্ত দায়িত্বশীল প্রাণহীন দেবীর মুর্তি পাহারায়। আহ্ আজ মুসলিম উম্মাহর যুবকদের গায়রত নাই 😥 নেই পুরুষত্ব । যেখান লাখো লাখো মুসলিম বোন!যারা কিনা সবসময় নিজদেরকে সদা হেফাজতে রাখতো! পর্দা করতো। তাদের চেহারা টুকু সূর্যের আলো পর্যন্ত দেখতো না। সেই বোনদের অমূল্য সম্পদ সতিত্ব সম্ভ্রম ইজ্জত কে নষ্ট করে অন্ধকার ঘরে দিনের পর দিন ধর্ষণ করে পবিত্র গর্ভে যারা নাপাক সন্তান জন্ম দিচ্ছে তোমার চোখের সামনেই । নির্যাতিত বোনরা যাদের হাত থেকে বাঁচতে দিনের পর দিন তোমাকে ভাই ভাই বলে চিৎকার করে ডাকলেও তুমি তাদের ডাকে সাড়া দিচ্ছো না। অথচ তুমি সেই ভিন্ন ধর্মের দেবী যার না আছে প্রাণ না আছে ইজ্জত না আসে আব্রু না আছে সতিত্ব এবং যাদের না আছে সতিত্ব সম্ভ্রম ইজ্জত হারানোর ভয় তবুও তুমি খুব দায়িত্বের সাথে ধর্মের গন্ডি পেরিয়ে মন্দিরে যাচ্ছো মন্দির ও দেব দেবীর মুর্তি পাহারা দিতে।🙂🙂 বলো তো তুমি কেমন মুসলিম.? তুমি কেমন ভাই.?

কি'য়া'মত ততক্ষণ পর্যন্ত হবে না। যতক্ষণ না আমার উ'ম্ম'তের একদল মূ র্তি পূ'জা করবে৷ এবং মূ র্তি পূ'জারীদের সাথে মিশে যাবে৷ রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এই হুশিয়ারি টা মাথায় রাখেন। যারা এটাকে উপেক্ষা করে। নানা যুক্তি দিয়ে আপনাকে ম'ন্দির পাহারা দিতে উৎসাহিত করবে। তাকে থুতু মারেন। সেটা আপনার নিজ দলের হোক। মুসলিম কখনো শি'র'কের প্রহরী হতে পারে না৷

♥️জুম’আর আদব♥️জুম'আ রিমাইন্ডার ♥️    🍂💦🍂💦🍂💦🍂💦🍂💦🍂💦🍂 ❤️১) জুম’আর দিন গোসল করা। যাদের উপর জুম’আ ফরজ তাদের জন্য এ দিনে গোসল করাকে রাসুল (সাঃ) ওয়াজিব করেছেন(বুখারীঃ ৮৭৭, ৮৭৮, ৮৮০, ৮৯৭, ৮৯৮)। পরিচ্ছন্নতার অংশ হিসাবে সেদিন নখ ও চুল কাটা একটি ভাল কাজ। ❤️‍🩹২) জুম’আর সালাতের জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করা। (বুখারীঃ ৮৮০) 💗৩) মিস্ওয়াক করা। (ইবনে মাজাহঃ ১০৯৮, বুখারীঃ৮৮৭, ইঃফাঃ৮৪৩) 💛৪) গায়ে তেল ব্যবহার করা। (বুখারীঃ৮৮৩) 💚৫) উত্তম পোশাক পরিধান করে জুম’আ আদায় করা। (ইবনে মাজাহঃ১০৯৭) ❤️৬) মুসুল্লীদের ইমামের দিকে মুখ করে বসা। (তিরমিযীঃ৫০৯, ইবনে মাজাহঃ১১৩৬) 💗৭) মনোযোগ সহ খুৎবা শোনা ও চুপ থাকা- এটা ওয়াজিব। (বুখারীঃ ৯৩৪, মুসলিমঃ৮৫৭, আবু দাউদঃ১১১৩, আহমাদঃ১/২৩০) 💛৮) আগে ভাগে মসজিদে যাওয়া। (বুখারীঃ৮৮১, মুসলিমঃ৮৫০) 💚৯) পায়ে হেঁটে মসজিদে গমন। (আবু দাউদঃ ৩৪৫) ❤️‍🩹১০) জুম’আর দিন ফজরের নামাজে ১ম রাক’আতে সূরা সাজদা (সূরা নং-৩২) আর ২য় রাকা’আতে সূরা ইনসান(দাহর)(সূরা নং-৭৬) পড়া। (বুখারীঃ৮৯১, মুসলিমঃ৮৭৯) 💝১১) সূরা জুম’আ ও সূরা মুনাফিকুন দিয়ে জুম’আর সালাত আদায় করা। অথবা সূরা আলা ও সূরা গাশিয়া দিয়ে জুম’আ আদায় করা। (মুসলিমঃ৮৭৭, ৮৭৮) ❤️১২) জুম’আর দিন ও জুম’আর রাতে বেশী বেশী দুরুদ পাঠ। (আবু দাউদঃ ১০৪৭) 💗১৩) এ দিন বেশী বেশী দোয়া করা।। (বুখারীঃ ৯৩৫) 💛১৪) মুসুল্লীদের ফাঁক করে মসজিদে সামনের দিকে এগিয়ে না যাওয়া। (বুখারীঃ৯১০, ৮৮৩) 💚১৫) মুসুল্লীদের ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনের কাতারে আগানোর চেষ্টা না করা। (আবু দাউদঃ ৩৪৩, ৩৪৭) ❤️‍🩹১৬) কাউকে উঠিয়ে দিয়ে সেখানে বসার চেষ্টা না করা। (বুখারীঃ৯১১, মুসলিমঃ২১৭৭, ২১৭৮) 💝১৭) খুৎবা চলাকালীন সময়ে মসজিদে প্রবেশ করলে তখনও দু’রাকা’আত ‘তাহিয়্যাতুল মাসজিদ’ সালাত আদায় করা ছাড়া না বসা। (বুখারীঃ ৯৩০) ❤️১৮) জুম’আর দিন জুম’আর পূর্বে মসজিদে জিকর বা কোন শিক্ষামুলক হালকা না করা। অর্থাৎ ভাগ ভাগ হয়ে, গোল গোল হয়ে না বসা, যদিও এটা কোন শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান হোক না কেন। (আবু দাউদঃ ১০৮৯) 💗১৯) কেউ কথা বললে ‘চুপ করুন’ এটুকুও না বলা। (নাসায়ীঃ ৭১৪, বুখারীঃ ৯৩৪) 💛২০) মসজিদে যাওয়ার আগে কাঁচা পেয়াজ, রসুন না খাওয়া ও ধুমপান না করা। (বুখারীঃ ৮৫৩) 💚২১) ঘুমের ভাব বা তন্দ্রাচ্ছন্ন হলে বসার জায়গা বদল করে বসা। (আবু দাউদঃ ১১১৯) ❤️‍🩹২২) ইমামের খুৎবা দেওয়া অবস্থায় দুই হাঁটু উঠিয়ে না বসা। (আবু দাউদঃ ১১১০, ইবনে মাজাহঃ ১১৩৪) 💝২৩) খুৎবার সময় ইমামের কাছাকাছি বসা। জান্নাতে প্রবেশের উপযুক্ত হলেও ইমাম থেকে দূরে উপবেশনকারীরা বিলম্বে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (আবু দাউদঃ ১১০৮) ❤️২৪) জুম’আর দিন সূরা কাহফ পড়া। এতে পাঠকের জন্য আল্লাহ তায়ালা দুই জুম’আর মধ্যবর্তী সময়কে আলোকিত করে দেন। (হাকেমঃ ২/৩৬৮, বায়হাকীঃ ৩/২৪৯) 💗২৫) জুম’আর আযান দেওয়া। অর্থাৎ ইমাম মিম্বরে বসার পর যে আযান দেওয়া হয় তা।(বুখারীঃ ৯১২) 💛২৬) জুম’আর ফরজ নামাজ আদায়ের পর মসজিদে ৪ রাকা’আত সুন্নাত সালাত আদায় করা। (বুখারীঃ ১৮২, মুসলিমঃ ৮৮১, আবু দাউদঃ ১১৩০) 💚২৭) উযর ছাড়া একই গ্রাম ও মহল্লায় একাধিক জুম’আ চালু না করা। আর উযর হল এলাকাটি খুব বড় হওয়া, বা প্রচুর জনবসতি থাকা, বা মসজিদ দূরে হওয়া, বা মসজিদে জায়গা না পাওয়া, বা কোন ফিতনা ফাসাদের ভয় থাকা। (মুগনি লিবনি কুদামাঃ ৩/২১২, ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহঃ ২৪/২০৮) ❤️‍🩹২৮) ওজু ভেঙ্গে গেলে মসজিদ থেকে বের হয়ে যাওয়া। অতঃপর আবার ওজু করে মসজিদে প্রবেশ করা। (আবু দাউদঃ ১১১৪) 💝২৯) একান্ত উযর না থাকলে দুই পিলারে মধ্যবর্তী ফাঁকা জায়গায় সালাত আদায় না করা। (হাকেমঃ ১/১২৮) ❤️৩০) সালাতের জন্য কোন একটা জায়গাকে নির্দিষ্ট করে না রাখা, যেখানে যখন জায়গা পাওয়া যায় সেখানেই সালাত আদায় করা (আবু দাউদঃ৮৬২)। অর্থাৎ আগে থেকেই নামাজের বিছানা বিছিয়ে জায়গা দখল করে না রাখা বরং যে আগে আসবে সেই আগে বসবে। 💗৩১) কোন নামাজীর সামনে দিয়ে না হাঁটা অর্থাৎ মুসুল্লী ও সুতরার মধ্যবর্তী জায়গা দিয়ে না হাঁটা। (বুখারীঃ৫১০) 💛৩২) এতটুকু জোরে আওয়াজ করে কোন কিছু না পড়া, যাতে অন্যের সালাত ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা মনোযোগে বিঘ্ন ঘটে। (আবু দাউদঃ ১৩৩২) 💚৩৩) পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়ার ফযীলত অন্তরে জাগরূক রাখা। ❤️‍🩹৩৪) হাঁটার আদব মেনে মসজিদে গমন করা। 💝৩৫) খুৎবার সময় খতীবের কোন কথার সাড়া দেওয়া বা তার প্রশ্নের জবাব দানে শরীক হওয়া জায়েজ। (বুখারীঃ ১০২৯, মুসলিমঃ ৮৯৭) ❤️৩৬) হানাফী আলেমগন বলেছেন যে, ভিড় প্রচণ্ড হলে সামনের মুসুল্লীর পিঠের উপর সিজদা দেওয়া জায়েজ (আহমাদঃ১/৩২)। দরকার হলে পায়ের উপর ও দিতে পারে (আর রাউদুল মুরবী) 💗৩৭) যেখানে জুম’আর ফরজ আদায় করেছে, উত্তম হল ঐ একই স্থানে সুন্নাত না পড়া। অথবা কোন কথা না বলে এখান থেকে গিয়ে পরবর্তী সুন্নাত সালাত আদায় করা। (মুসলিমঃ ৭১০, বুখারীঃ ৮৪৮)

শুরু করে! একজন সাহাবি বলেছিলেন পূর্ববর্তী কারা ইয়া রাসুলুল্লাহ? ইহুদি আর নাসারা? নবিজী বলেছিলেন তারা ছাড়া আর কারা? ওয়াল্লাহি আমরাও সেপথেই হেটেছি আজও হাটছি! ৬. খলিফা উমারের কথা শুনুন! তিনি বলতেন তোমরা মুশরিকদের উপাসনার দিনগুলোতে তাদের নিকটেও যেও না! কারণ তখন তাদের উপর মহান আল্লাহর ক্রোধ ও গজব নাজিল হতে থাকে! আর লিংকনের দ্বীন আমাদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপনের হিকমত শিক্ষা দেয়! জানিনা কবে এ জাতি আল্লাহর জমিনে নিজেদের আল্লাহর খলিফা ভাবতে শিখবে? ৭. কিছু ঈশারা দিয়ে দিচ্ছি! নুহের দুয়া রব্বি লা তাজার........ ইব্রাহিমের দুয়া রব্বি ইন্নাহুন্না আদ্বলালনা কাসিরাম মিনান নাস.......নাবি মুহাম্মাদের শ্লোগান " জা আল হাক্ব......... আয়াতগুলোকি আমাদের এহেন গায়রতহীনতার শিক্ষাই দেয়? ইশারাগুলো জ্ঞানিদের জন্য। কেন আমরা তাওহীদকে ধর্মান্ধ বলে গালি দেব? কোন অধিকারে? ৮. সমসাময়িক বরেণ্য ওলামায়ে কেরামের ফতোয়ারও কি কোন পরোয়া নেই আমাদের? তারা তো এই দলিল পেশ করার প্রয়োজনও দেখাননি! বিষয়টিকে স্পষ্ট হারাম ও কুফর বলেছেন। কেউ একটু নরম করে গুনাহে কাবিরা বলেছেন যাকে তারা মদ পান ও জিনার চেয়েও বড় বলে আখ্যায়িত করেছেন। আমরা কি ফতোয়া প্রদানকারী ওলামাদের হাতকে কালো হাত বলে ভেংগে দিতে চাচ্ছি? কমেন্টে দেখে নিন এক নজর! ৯. কথা হল আমরা যেমন মুর্তি ভাংতে যাব না, শ্রদ্ধাও করতে যাব না। আমরা মুর্তি গড়তেও যাব না, পাহারাও দিতেও যাব না! এমনকি শুভেচ্ছা জানাতেও নয়। কারণ আমার আল্লাহ বলেছেন: ইন্নাশ শিরকা লা জুলমুন আজিম! আয়াতটি আমরা কোন হিকমতে এড়িয়ে যাচ্ছি? তাছাড়া দেশের প্রশাসনে যেখানে হাজার হাজার অমুসলিম সদস্য আছে সেখানে আগ বাড়িয়ে তাওহীদপন্থীদের বলির পাঠা কেন বানাচ্ছেন? আর কেনই বা একজন আলেমকে সব ধর্মের উপদেষ্টা হতে হবে? যেখানে অনার্স পড়ুয়া কিছু ছাত্র দেশের উপদেষ্টা হয়েছেন সেখানে আলাদা আলাদা ধর্মের আলাদা আলাদা উপদেষ্টা রাখলে সমস্যা কোথায়? সত্যিই গণতন্ত্রই আমাদের খিলাফাহ ভুলিয়ে দিল! ১০. দিতে থাকলে নিতে পারবেন না। মূলকথা এতটুকুই সবাই নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীন ভাবে পালন করবে করুক। একজন হিন্দু যেমন কুরবানীর ঈদে আমার বাসায় এসে আমার গরু জবাইয়ের দৃশ্য সানন্দে উপভোগ করবে না,বা কালাভুনা করে সেই মাংস পোলাও দিয়ে উপভোগ করবে না, বা আমরা তাকে এ ব্যাপারে কোন দাওয়াতও দিব না। দিতে পারিও না। ঠিক তেমনি একজন আল্লাহর বান্দাও কোন মুশরিকের মুর্তি পুজার শিরকি উৎসবে মন্দির বা মন্ডব পাহারা দিবে না।তাদের প্রসাদ খাবে না। শুভেচ্ছা জানাবে না। নিজের ধর্মের এই চিরায়ত বিধানকে সে ধর্মান্ধতা বলে নির্লজ্জ গায়রতহীনতার পরিচয় দেবেনা। না সে মুর্তি গড়বে আর না আগ বাড়িয়ে ভাংবে! বরং সে তাদের তাওহীদ এর দাওয়াত দিবে যেন আল্লাহর এক মাখলুক কাল কিয়ামাতে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি পায়! বরং সে যাবতীয় কুফুরি তন্ত্র মন্ত্র বাদ দিয়ে আল্লাহর জমিনে এক আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করবে! নিজেকে আল্লাহর খলিফা হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করবে। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে দ্বীনের সহীহ বুঝ দান করুন। আমিন। আল্লাহুম্মা সল্লি আ'লা মুহাম্মাদ ওয়া সাল্লিম। Abu Taw Haa Muhammad Adnan

#কিছু_শক্ত_কথা! ১. মক্কার ১৩ টি বছর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাহাবায়ে কেরাম (রাযি:) একটি শিরকে নিমজ্জিত অমুসলিম রাষ্ট্র ও চিরায়ত মুর্তিপূজার মহা উৎসবের মাঝেই দ্বীনইসলাম পালন ও দ্বীনের দাওয়াহ অব্যাহত রাখলেও কোন একটি দিনের জন্যেও আবু জাহেলদের (লাত উজ্জা মানাতের) প্রহরী ছিলেন না! থাকলে অনুগ্রহ করে দলিল দেবেন। এমনকি তারা মুর্তি ঘেরা কাবা চত্ত্বরে নামাজ পড়েছেন ঠিকই কিন্ত কস্মিনকালেও শিরক ও কুফর চর্চাকে শুভেচ্ছা জানাননি! বিশ্বাস আর কাজে তো নয়ই এমনকি কথায়ও না! এমনকি তথাকথিত এসব গণতান্ত্রিক হেকমত! বা রাজনৈতিক স্বার্থেও নয়! বরং আমরা দেখি প্রিয় নবীজি কে মুশরেকদের শিরকি ওকাজ মেলাতে গিয়েও "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু " দাওয়াত দিতে! আরও দেখি সাহাবি আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রা) কে ৩৬০ মুর্তির মাঝখানে গিয়ে সুরাহ আর রহমান তিলাওয়াত করে বেদম মার খেতে! তারা অমুসলিম অধ্যুষিত মক্কায় এগুলো করেছেন! আর আমরা নাকি মুসলিম অধ্যুষিত মুসলিমবংগে থাকি! উপদেষ্টা মহদয় দলিল গুলো ঘেটে দেখবেন। আমরা তাদের দ্বীনের দাওয়াত দিয়ে আসতে পেরেছি তো! নাকি আমার কথা গুলো ধর্মান্ধ! শোনাচ্ছে! পশ্চিমের শেখানো বুলি দিয়ে কি প্রমাণ করতে চান আপনারা? ইসলাম ধর্মের শত শত বিষয় আমরা অন্ধভাবে বিশ্বাস করি। ঈমানের ৬ পিলারের কয়টা আপনি পরীক্ষা নিরীক্ষা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌছেছেন? আমাদের বলুন! মহান আল্লাহ, তার মালাঈকাহ, আগের আসমানি কিতাব, আগের আম্বিয়া কেরাম এমনকি ক্ববর থেকে নিয়ে জান্নাত জাহান্নামের কোনটা আমরা অন্ধভাবে বিশ্বাস করিনা? একজন মুসলিম ধর্মান্ধ না হয়ে কিভাবে "Pious" হতে পারে অনুগ্রহ করে জানিয়ে বাধিত করবেন। ঈমানের দাবিতেই কথাগুলো বলা। কেননা একটি গণতান্ত্রিক চেয়ারের চেয়ে ঈমানের মূল্য অনন্ত মহাকাশসম! যখন মুসলিমদের কোন রাষ্ট্রই ছিল না তখনই আহলে ঈমানদের চেতনা এমন ছিল। আজ মুসলিম প্রধান রাষ্ট্র থেকেও আমাদের গায়রত কোথায় উবে গেল সেটাই ভাবছি। মূলত এটাই হল গণতন্ত্র যা নিজেই একটি স্বতন্ত্র দ্বীন! খিলাফাহ তো বহু দুরের কথা পশ্চিমাদের এই রাজনৈতিক দ্বীন মক্কার আবু জাহেলদের দারুন নাদওয়ার সাথেও তুলনীয় নয়! এখন সম্ভবত আহলুল ইলমগণ কিছুটা হলেও খিলাফাহ স্টেইট এবং মাগরিবের তথাকথিত গণতান্ত্রিক স্টেইটের ও সিস্টেমের মোরাল ডিফারেন্স কিছুটা হলেও অনুধাবন করতে সক্ষম হবেন! আমাদের একজন প্রিয় শায়েখের জন্য অভিনন্দন যার নাকি সেখানে যাওয়ার কথা ছিল, আমাদের মত কিছু তালেবে ইলমের নাসিহাত তাকে সম্ভবত আজ বড় ধরনের বাচা বাঁচিয়ে দিয়েছে! ২. এবার মদিনার ১০ বছরে প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিজ হাতে গড়া খিলাফাহ স্টেইট এর দিকে তাকাই! একটা দলিলও কি পাওয়া যায় তিনি নিজে বা সাহাবায়ে কেরাম শিরকি উৎসবে গেছেন কিংবা মুর্তি পাহারা দিয়েছেন? আছে কোন দলিল? নেই! মদিনা সনদ হয়েছে। অমুসলিম দের জান মালের নিরাপত্তা দেয়া হয়েছে। অভ্যন্তরীণ ঈহুদিদের সাথে চুক্তি হয়েছে কিন্তু শিরকের প্রতি কোন শুভেচ্ছা? কুফরের উৎসবে পাহারা? নিজেদের দ্বীন কে ধর্মান্ধতা বলা? ওয়াল্লাহি কস্মিনকালেও নয়! জ্ঞানিদের জন্য এখানেই তথাকথিত আব্রাহাম লিংকনের দ্বীন আর খিলাফাহ স্টেইটের পার্থক্য উপলব্ধি করার যথেষ্ট খোরাক রয়েছে! ৩. আখিরুয যামানের একটি হাদিসে আমাদের প্রিয় নবী (স) এটাও এরশাদ করেছেন ততদিন কিয়ামাত হবে না যতদিন না আমার উম্মাতের একটি অংশ মুশরেকদের সাথে মিশে যাবে! সুবহানাল্লাহ! আজকের দাজ্জালীয় সভ্যতার এই বস্তাপঁচা রাজনৈতিক মতবাদ গুলো না এলে হয়তো হাদিসের বাস্তবতা উপলব্ধি করতে বেগ পেতে হত! শুনুন! কমপক্ষে স্পষ্ট করে কথা বলা শিখুন যে মাগরিবি মতবাদ গুলো কুফর! স্পষ্ট কুফর! ঈমান আর কুফর কস্মিনকালেও একসাথে চলতে পারে না। ৪. দুই বন্ধুর ঘটনা শোনাই! শিরকি উৎসব চলছে। গ্রামের মানুষ পথ আটকে দেয়! মুর্তির চরণে কিছু দিয়ে যাও বাপু! একজন: কস্মিনকালেও না! আরে মাছি হলেও দাও। কস্মিনকালেও না। তাকে শহীদ করা হল। সে জান্নাতে আছে। আরেকজন হিকমতের দোহাই পেরে শুধুমাত্র একটা মাছি দান করেছিল। প্রিয় নবিজী বলেছেন সে আজ জাহান্নামে আছে! গল্প নয়। এটা হাদিস! ভেবে দেখবেন শুধুমাত্র একটা মাছি! আর আমরা তো নিজের দ্বীনকে ধর্মান্ধ বলে শিরক আর কুফরের চাদর গায়ে জড়াচ্ছি! তা নাহয় জড়ালেন! কিন্তু আমাদের স্টেটমেন্ট দেশের বিশাল তাওহীদি জনতার আদর্শের খেলাফ চলে গেলেও কোন পরোয়া নেই? এটা কোন ধরনের দ্বীনি রুহানিয়্যাত? ৫. হুনাইন যুদ্ধে যাচ্ছেন প্রিয় নবীজি (স)। নতুন ইসলাম কবুলকারী কিছু সাহাবি যাতুল আনওয়াত দেখে মন্তব্য করলেন "ইয়া রাসুলুল্লাহ আমাদেরকেও এমন একটা গাছ নির্ধারণ করে দিন! রাগে রক্তিম চেহারা নিয়ে নবীজি বলেছিলেন ওয়াল্লাহি লা তাত্তাবিউন্নাস সুনানা মান কানা ক্ববলাকুম! তোমরা অবশ্যই পূর্ববর্তীদের সুনান অনুসরণ করবে। তোমরা তো এমনই কথা বললে যা বলেছিল ফেরাউনের কবল থেকে সদ্য নাজাতপ্রাপ্ত মুসার ক্বওম বানু ইসরাঈল! উল্লেখ্য যে তারা মাত্র ৪০ দিনের মাঝেই বাছুর পূজা

10 অক্টোবর 2024 আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে, তালেবানরা উত্তর ওয়াজিরিস্তানের বান্নু প্রদেশের রজমাক জেলার গ্র্যান্ডাম এলাকায় পাঁচটি গাড়ি সমেত একটি সামরিক কনভয়ে অতর্কিত হামলা চালায়, যাতে প্রায় 25 জন কর্মী নিহত ও আহত হয় এবং যানবাহন সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায়।

... আমিও যেতে চাই মোল্লা মোহাম্মদ আব্দুল কাদের স্বপ্ন গেছে অনেক আগেই নেইনি আমায় সাথে এবার! আমিও যেতে চাইগো প্রভু খুন রাঙা সেই পথে। ঘুমের মাঝেও ঈমান আমার লড়াই করে আঘাত করে শত্রু সেনার গর্দানে এবার! আমিও যেতে চাইগো প্রভু আস-শুহাদার ময়দানে আবেগ আমার মুচকি হাসে হুর প্রেয়সীর প্রেমে এবার!শহীদ আমি চাইগো হতে আল্লাহ তোমার নামে।

ধর্ম যার যার, উৎসব তার তার। কোন মুসলিম পূজা মন্ডবে যাবেন না। পূজা হিন্দুদের উৎসবও তাদের। 🥀"Al-Kafirun ১০৯:৬ لَكُمْ دِينُكُمْ
ধর্ম যার যার, উৎসব তার তার। কোন মুসলিম পূজা মন্ডবে যাবেন না। পূজা হিন্দুদের উৎসবও তাদের। 🥀"Al-Kafirun ১০৯:৬ لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِىَ دِينِ Bangla - Taisirul Quran 🍀"তোমাদের পথ ও পন্থা তোমাদের জন্য (সে পথে চলার পরিণতি তোমাদেরকেই ভোগ করতে হবে) আর আমার জন্য আমার পথ (যে সত্য পথে চলার জন্য আল্লাহ আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন, এ পথ ছেড়ে আমি অন্য কোন পথ গ্রহণ করতে মোটেই প্রস্তুত নই)।" 🌿"For you is your religion, and for me is my religion."🍂

.... আল্লাহর জন্যই.... মোল্লা মোহাম্মদ আব্দুল কাদের ব্যক্তি পূজায় হয়নি আমি কারো ভক্ত-মুরিদ-সৈন্য! ভালোবাসা দ্বীনের তরে আল্লাহ তাআলার জন্য। ভালোবাসার কমতি আমার নাইকো তাদের তরে দ্বীন কায়েমের সঠিক পথে যারা লড়াই করে। তাদের থেকে দূরে থাকি যাদের মনে তাগুত থাকে পূ্ষ্য । হোক না প্রিয় আপন মানুষ কিংবা গুরু-শিষ্য । আল্লাহ ছাড়া ভিন্ন প্রভুই চাইছে যারা আশ্রয়। তাদের প্রতি ঘৃণা জমায় আল্লাহ তাআলার জন্যই।

9 অক্টোবর, 2024 গতকাল উইলিয়াত ডিআই খান, জেলা এবং তহসিল ট্যাঙ্কে, তালেবানরা একটি পিস্তল সহ বশির আহমদের ছেলে নাজির আহমদেকে যে একজন এফসি কর্মী।তাকে একটি অজানা স্থানে স্থানান্তর করে।

9 অক্টোবর, 2024 তালেবানরা বান্নু জেলার বাকাখেল থানায় লেজার গান, রকেট এবং জিএল দিয়ে বাকাখেল আক্রমণ করে, যাতে জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়।

9 অক্টোবর, 2024 গতরাতে, তালেবানরা দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের ডিআই খান প্রদেশের মাকিন জেলার কোন্দাই সার এলাকায় লেজার বন্দুক দিয়ে হামলা চালায়, যাতে নিহত ও আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।