এসো সংশোধনের পথে
Ir al canal en Telegram
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
Mostrar más801
Suscriptores
Sin datos24 horas
Sin datos7 días
-130 días
Archivo de publicaciones
বিবাহ অনুষ্ঠানের ছবি ও ভিডিও
আজকাল বিবাহ অনুষ্ঠান মানেই গোনাহের ছড়া ছড়ি। এমন এমন গোনাহ সেখানে সংঘটিত হয় যা ভাষায় বর্ণনা করা যায় না। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ছবি তোলা ও ভিডিও করা। ছবি না তুললে বিবাহের অনুষ্ঠান যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। অথচ হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে: “কিয়ামতের দিন সর্বাধিক আযাব হবে ছবি অংকনকারীদের”।
শরীআতের দৃষ্টিতে কোন প্রাণীর ছবি তোলা চাই তা ক্যামেরার মাধ্যমে হোক কিংবা ভিডিও বা ভিসি আরের মাধ্যমে হোক বা অংকন করা হোক, সবই হারাম। সুতরাং এসব হারাম কাজ থেকে বিরত থাকা ঈমানী দায়িত্ব।
ইসলামী বিবাহ
মুফতী মনসূরুল হক দা: বা:
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
এক মিনিটে একটি মাসআলা
মাসআলা ২১
(কুরবানী বা যাকাতের নেসাব ধরার ক্ষেত্রে স্ত্রীর মহর যেটা এখনো আদায় করা হয়নি সেটা কি ঋণের অন্তর্ভুক্ত ধরা হবে?)
আব্দুল হাকিম,
মাদারীপুর।
1724 নং উত্তর:
মহরানা সংক্রান্ত।
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
ছবি তোলার নষ্ট মানসিকতা- ♥
হযরত মাওলানা ইলিয়াস
সাহেব কান্ধালবী রহ: বলতেন,
আমি দেখতে পাচ্ছি মাদ্রাসা
থেকে ইলম উঠে যাচ্ছে।
হযরতের এই কথার বাস্তব নমুনা
দেখলাম নূরীয়া মাদ্রাসায়,
ঐখানকার তলাবা বা ছাত্ররা বা
আগত কোনো মাদ্রাসার ছাত্ররা
আল্লামা পাহাড়পুরী রহঃ এর জানাযায় যে হারে ছবি তুলাতে মগ্ন হয়েছিল,উনারা
কোনো সাংবাদিককে আসার
সুযোগই দেয়নি।
#মাইক দিয়ে বারবার বলা হচ্ছিল ভাই আমরা ছবি না তুলি। এখানে হযরত মাওলানা হাফেজ্জী হুজুর রহ: শুয়ে আছেন । কে শুনে কার কথা।
সবার #টার্গেট ছিল হযরত মাওলানা আব্দুল হাই পাহাড়পুড়ি রহ: এর লাশের ছবি তুলার জন্য।
আলেম সমাজের যদি এই অবস্থা
হয় তাহলে সাধারণ মুসলমানদের কি হবে ?
আল্লাহ আমাদেরকে অহেতুক ছবি তুলার মতো জঘন্য কাজ থেকে হেফাজত করুন, আমিন।
#মাসআলা ঃ অনর্থক কাজে সময় নষ্ট করা গুনাহ।
31.8.2016 (সংগৃহীত-ও-পরিমার্জিত)
Whatsapp এ
''ইসলামী জীবন'' গ্রোপ(এখানে মুফতী আবদুল মালেক দা.বা. এর আলকাউসার পত্রিকা এবং মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর লেখাসহ বিভিন্ন ইসলামী বিষয় পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে নিচের লিংকে জয়েন হোন https://chat.whatsapp.com/JSzruFiTYLYKi1UxFVWDT8
মালফুযাত-০৬
বিষয়- সময়কে কাজে লাগানো।
মুফতী জাফর আহমাদ সাহেব দা: বা:
পীর সাহেব ঢালকানগর, ঢাকা।
হযরত ওয়ালা দা:বা: এর মালফুযাতের জন্য জয়িন হোন।
.
t.me/muftizaforahmad
বর্তমান পরিবেশ পরিস্থিতিতে যুবকেরা দ্রুত বিবাহ করবে সক্ষমতা না থাকলে ঘনঘন রোজা রাখবে।
✾•┈┈┈┈┈┈┈•✺•┈┈┈┈┈┈┈•✾
হযরত মাওলানা মুফতি মাসউদুর রহমান কাসেমী দামাত বারকাতুহুম।
@MuftiMasudKasemi
এক মিনিটে একটি মাসআলা
মাআলা ২০
মুহাম্মাদ নূরুল ইসলাম - নগরকান্দা, ফরিদপুর
৫১৬৮. প্রশ্ন
মুহতারাম, আমাদের গ্রামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবৎ খৌরকার্যে অক্ষম অবস্থায় অসুস্থ। এখন তার কোনো স্ত্রীও বেঁচে নেই, যে তার এই খেদমতটুকু করে দেবে। আর সে নিজেও সম্পাদনা করতে অক্ষম। এখন মুফতী সাহেবের নিকট জানার বিষয় হল। এই খেদমতটুকু অন্য কেউ করে দিতে পারবে কি না। দলীলসহ জানালে উপকৃত হতাম।
উত্তর
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আপনার গ্রামের সেই অসুস্থ ব্যক্তি নিজের ক্ষৌরকার্যের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কোনো লোমনাশক ক্রীম ব্যবহার করতে পারেন। এভাবে পরিষ্কার করতে পারলে অন্যকে দিয়ে এ কাজ করানো জায়েয হবে না। কেননা নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া কারো সামনে সতর খোলা বৈধ নয়। আর যদি এভাবেও পরিষ্কার করতে না পারেন কিংবা পরিষ্কার করতে পারলেও লোমনাশক ক্রীম ব্যবহার করা তার জন্য ক্ষতিকারক হয় তাহলে কোনো পুরুষের মাধ্যমে তিনি এ কাজটি করাবেন। এক্ষেত্রে সাহায্যকারী নিজ হাতে গ্লাভস বা কোনো কাপড় পেঁচিয়ে নেবেন।
-কিতাবুল আছল ২/২৩৮; আলমুহীতুল বুরহানী ৮/৩২; আলইখতিয়ার ৪/১০৯; মুখতারাতুন নাওয়াযিল ৩/২১; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১৮/৯৮;রদ্দুল মুহতার ৬/৩৭১
https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/3319/
26.8.2020
অনেককে দেখা যায় যে, সে মসজিদে ঢুকতেছে আর তার গায়ের কাপড় বা গেঞ্জিতে প্রাণীর ছবি দৃশ্যমান। অনেককে দেখা যায় পত্রিকা হাতে নিয়ে মসজিদে প্রবেশ করতেছে অথচ সেই পত্রিকার পাতায় প্রাণীর ছবি দৃশ্যমান। অনেককে দেখা যায় তার ছোট বাচ্চাকে নিয়ে মসজিদে ঢুকতেছে অথচ বাচ্চার গায়ে যে কাপড় আছে সেইখানে প্রাণীর ছবি দৃশ্যমান। বড় আফসোসের বিষয়।
স্মরণ রাখা দরকার মসজিদকে প্রাণীর ছবি মুক্ত রাখতে যথাসাধ্য চেষ্টা করা প্রত্যেক মুসল্লির জন্য একান্ত কর্তব্য।
- মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম
(মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য)
ছবি সম্পর্কে আরেকটি পোষ্ট
♥♥♥
https://t.me/alokitojibon/1554
key word for search : ছবি
পোষ্ট নং ১৩৭৫
কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ০১)
🌸হযরত হাকীমুল উম্মত মাওলানা শাহ্ আশরাফ আলী থানভী রহ: এর তাকওয়া এবং তাওয়াযু🌸🌸
অন্তিম শয্যায় হাকীমুল উম্মত রহ:
ইউনানী চিকিৎসা ফলপ্রসূ না হওয়ার দরুন হযরতের বিশেষ ঘনিষ্ঠজনেরা কোন আধুনিক ও এলোপ্যাথ চিকিৎসকের সাহায্য নেয়ার পরামর্শ দেন। হযরত এতে সম্মতি জ্ঞাপন করেন। সেমতে সাহারানপুর থেকে জনৈক অভিজ্ঞ ও সুপ্রসিদ্ধ চিকিৎসক আনা হল।
ডাক্তার সাহেব আসার পর তাঁর ভাই মাযহার, শাব্বীর আলী ও আব্দুল হাই সাহেবত্রয় ছাড়া বাকী সবাইকে (হযরত) সরে যাওয়ার হুকুম দেন। পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর চিকিৎসক বললেনঃ হৃদযন্ত্র অতিশয় দূর্বল এবং রক্ত চলাচলের গতি বিঘ্নিত হওয়ার দরুন শরীর ফুলে গেছে।
অবস্থা ব্যক্ত করার পর হযরতের নিকট আরয করা হয় যে, দীর্ঘদিন ব্যবহার করা সত্ত্বেও ইউনানী চিকিৎসা ফলবতী হয়নি। তাই এলোপ্যাথ চিকিৎসার সাহায্য নিয়ে দেখা যেতে পারে।
তিনি বললেনঃ জীবনে কখনও এলোপ্যাথী ঔষধ ব্যবহার করিনি। এখন এই শেষ মুহূর্তে কি করে সে ঔষধ গ্রহণ করতে পারি? মৌলভী শিব্বির আলী আরয করলেনঃ এহেন নিরুপায় অবস্থায় শরীয়তের কোন বাঁধা নেই, অনুমতি সুস্পষ্ট। তাহলে এতে অসুবিধা কোথায়? কিছুক্ষণ মাথা ঝুঁকিয়ে চিন্তার পর বললেনঃ "বেশ, আমি আবার কিসের মুত্তাকী। বিসমিল্লাহ বলে শুরু করুন।"
এর দ্বারা হযরতের চরম দাসত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়। আজীবন শরীয়তের একনিষ্ঠ পাবন্দ থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজন মুহূর্তে 'অবকাশের' উপর আমল করতে দ্বিধা করেননি। সারা জীবনের তাকওয়া-পরহেযগারীর মুকাবিলায় শরীয়তের অনুমতিকে প্রাধান্য দিয়ে অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন..........
উক্ত প্রবন্ধের মাঝখান থেকে নেয়া। বাকীটুকু জানতে পাঠ করুনঃ
'মাআছেরে হাকীমুল উম্মত' এর বাংলা তরজমা মুজাদ্দিদে মিল্লাত
মূলঃ আরেফবিল্লাহ্ ডাঃ মুহাম্মাদ আবদুল হাই আরেফী রহ:
প্রকাশকঃ এমদাদিয়া লাইব্রেরী, চকবাজার, ঢাকা
পৃষ্ঠা ২০৬
Exited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
১২.০২.১৯ ঈ.
Repost
http://t.me/pathofisla
💎💎💎অমূল্য রতন💎💎💎💎
▪যে ভিক্ষুক দৈনিক কোন বাড়ীতে ভিক্ষার জন্য যায় বাড়িওয়ালার পক্ষ থেকে তার জন্য আলাদা বরাদ্দ থাকে।
▪যে আল্লাহ তাআলার দরবারে দৈনিক নিজের প্রয়োজনের কথা বলে তার জন্য আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে আলাদা বরাদ্দ থাকে।
-হযরত মাওলানা মুফতি মাসউদুর রহমান কাসেমী সাহেব দামাত বারকাতুহুম।
@MuftiMasudKasemi
http://t.me/pathofisla
"আত্না যার হাসে না, তার মুখের হাসি মলিন; কলুষিত।"
-আরেফবিল্লাহ শাহ্ আবদুল মাতিন বিন হুসাইন দা: বা:
http://t.me/pathofisla
20.8.2020
কোনো আল্লাহওয়ালার বয়ানের মধ্যে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ব্যাবহার না করি।
- মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম
(মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য)
t.me/alokitojibon
t.me/dinimazlis
t.me/islamijibon
alokitojibon.ga
পোষ্ট নং ১৩৬৯
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা
ফিরিশতাদের দরূদ ও তার ফযীলত
কিছু মানুষের মাঝে ‘ফিরিশতাদের দরূদ’ নামে একটি দুআ প্রচলিত আছে-
এক ব্যক্তি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে আরয করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! দুনিয়া আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে এবং আমার নিকট আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। তখন নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি ফিরিশতাদের দরূদ এবং মানবজাতির এই তাসবীহ দ্বারা কেন কল্যাণ অর্জন কর না, যার মাধ্যমে মানুষকে রিযিক প্রদান করা হয়? লোকটি নিবেদন করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তা কী? তিনি এরশাদ করেন, ‘তুমি সুবহে সাদিক হতে ফজরের নামায আদায় করা পর্যন্ত একশত বার-
سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِه سُبْحَانَ اللهِ الْعَظِيم.
পাঠ করবে। দেখবে, দুনিয়া তোমার পায়ে লুটিয়ে পড়বে। এর প্রত্যেকটি শব্দ দ্বারা আল্লাহ তাআলা একজন করে ফিরিশতা সৃষ্টি করবেন, যারা কিয়ামত পর্যন্ত তাঁর তাসবীহ পাঠ করতে থাকবে এবং তুমি এর সওয়াব পেতে থাকবে।
বর্ণনাটি ইহইয়াউ উলূমিদ্দীন গ্রন্থে ‘যিকিরের ফযীলত’ অধ্যায়ে সনদবিহীন উল্লেখ করা হয়েছে।
কিন্তু এটি একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা। হাদীস বিশারদগণ এই বর্ণনাটিকে মাওযু ও বাতিল বলেছেন। রিজাল শাস্ত্রের একাধিক কিতাবে ইসহাক ইবনে ইবরাহীম তাবারীর সূত্রে বর্ণনাটি উল্লেখ করা হয়েছে।
ইমাম ইবনে হিব্বান রাহ. ‘কিতাবুল মাজরূহীন’গ্রন্থে বর্ণনাটি উল্লেখ করে বলেছেন, এই হাদীসটি‘মওযু’, এর কোনো ভিত্তি নেই। (কিতাবুল মাজরূহীন ১/১৪৯)
ইবনে হাজার রাহ. লিসানুল মীযানে ইসহাক ইবনে ইবরাহীমের আলোচনায় বর্ণনাটি উল্লেখ করে বলেছেন-
وهذا باطل.
এটি একটি বাতিল বর্ণনা। -লিসানুল মীযান ১/৩৪৪
আরো দ্রষ্টব্য : আল লাআলিল মাসনূআ ২/২৮৭;তানযীহুশ শারীআ ২/৩১৮
অবশ্য আলোচ্য বর্ণনা ও তার ফযীলত প্রমাণিত না হলেও এতে যে দুআ-যিকির উল্লেখ হয়েছে তা সহীহ। এসব যিকির বিভিন্ন হাদীস দ্বারা প্রমাণিত এবং একেকটির একাধিক ফযীলত হাদীস শরীফে এসেছে।
আর سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِه এই তাসবীহের সাথে রিযিকের সম্পর্কও রয়েছে; যা সহীহ বর্ণনায় পাওয়া যায়। মুসনাদে আহমাদে বিশুদ্ধ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে,রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যখন নূহ আলাইহিস সালামের মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এল তিনি তাঁর ছেলেদেরকে বললেন, তোমাদেরকে দুটি উপদেশ দিচ্ছি :
১. لَا إِلَهَ إِلّا اللهُ পাঠের নির্দেশ দিচ্ছি। কেননা সাত আসমান সাত যমীন যদি এক পাল্লায় রাখা হয় আর অন্য পাল্লায় لَا إِلَهَ إِلّا اللهُ রাখা হয় তাহলে لَا إِلَهَ إِلّا اللهُ -এর পাল্লা ভারি হবে।
২. سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِه পাঠ করবে। কেননা তা প্রত্যেক বস্তুর সালাত ও তাসবীহ এবং এর দ্বারা সৃষ্টিজীবকে রিযিক পৌঁছানো হয়। -মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ৭১০১, ৬৫৮৩
এছাড়া সহীহ বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে, দুটি কালেমা আল্লাহ তাআলার নিকট অতি প্রিয়, পড়তে খুব সহজ, মীযানের পাল্লায় অনেক ভারী। তা হল-
سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِه سُبْحَانَ اللهِ الْعَظِيم.
-সহীহ বুখারী, হাদীস ৭৫৬৩
মাসিক আল-কাউসার
যিলহজ্ব ১৪৪১ || আগস্ট ২০২০
https://www.alkawsar.com/bn/article/2678/
🌸মহিলাদের জন্য নসীহত🌸🌸
হযরত মাওলানা জহিরুল ইসলাম সাহেব দা: বা: বলেন, অবিবাহিতা মেয়েকে বিবাহিতা মহিলাদের আড্ডায় বসতে দিবেন না। কারণ মহিলাদের মুখ অনেক পাতলা। চার-পাঁচজন একত্র হলে এমন সব কথা বলাবলি হয় যা অপছন্দনীয়। অবিবাহিতা মেয়ে তাদের সাথে মিশতে সারা দিন সে এগুলো জল্পনা-কল্পনা করতে থাকবে।
•┈┈••✾•🌿🌺🌺🌺🌿•✾••┈┈•
#Maulana_zahirul_Islam_DB
•┈┈••✾•🌿🌺🌺🌺🌿•✾••┈┈•
http://t.me/pathofisla
খবরের কাগজ নয়, কবরের কাগজ পড়তে হবে
হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দামাত বারাকাতুহুম বলেন, লোকেরা ঘুম থেকে উঠেই খবরের কাগজ নিয়ে পড়ে থাকে। খবরের কাগজ বাদ দিয়ে কবরের কাগজ দিয়ে- দিন শুরু করতে হবে। অর্থাৎ কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে দিনের শুরু করতে হবে। ধীরে ধীরে আমাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে, অল্প সময় পরেই এদেশ ছেড়ে কবরের দেশে যেতে হবে।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
🔈🔈অডিও মালফূয ৮৩🔈🔈🔈
সঠিক সময়ে ছেলে মেয়েদের বিয়ে না দেয়ার সীমাহীন কুফল।
যে সকল গার্জিয়ান উপযুক্ত বয়স হওয়ার পরেও ছেলে মেয়েদের বিয়ে করায় না, খালি ডিগ্রি পাস করায়; চাকরী করায় তারা সকলেই কঠিন গুণাহে লিপ্ত...
এম.এ পাস করা ফরয না, দাওরা পাস করা ফরয না; গুণাহ থেকে বাঁচা ফরয...
-আরেফবিল্লাহ শাহ্ সাঈদ নূর দা: বা:
http://t.me/khanqaSN
18.8.2020
হিজরি নববর্ষ একেবারেই নিকটবর্তী। ইসলামী শরীয়তে নববর্ষ উদযাপনের কোনো সুযোগ নাই; সেটা ইংরেজি নববর্ষ হোক অথবা বাংলা নববর্ষ হোক অথবা আরবি নববর্ষ হোক। তো এজন্য আমরা কাউকে আরবি নববর্ষ উপলক্ষে কোনো মেসেজ পাঠাবো না, কোনো শুভেচ্ছা বার্তা পাঠাবো না। কেউ যদি আমাদের নিকট শুভেচ্ছা বার্তা পাঠায় আমরা তাকে দুই কথা বুঝিয়ে বলার জন্য চেষ্টা করব।
ইউটিউব লিংক প্রচারের মাধ্যমে দ্বীনদার মানুষকে ইউটিউব এ নিয়ে তাকে ইউটিউব দেখায় অভ্যস্ত করানো অনুচিত।
- মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম
(মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য)
নববর্ষ সম্পর্কে আরেকটি পোস্ট
♥♥♥
https://t.me/alokitojibon/1426
key word for search : নববর্ষ
পোষ্ট নং ১৩৬৬ ♦ youtube
টেলিভিশনের নিউ ভার্সন হচ্ছে মোবাইল (ইউটিউব).....
একটা সময় এমন ছিল যখন সাধারণ দ্বীনদার মানুষও টেলিভিশন দেখাকে, টেলিভিশনের সামনে বসাকে অন্যায় মনে করতো। চাই সেখানে ওয়াজ হোক বা অন্য কোন দ্বীনী প্রোগ্রাম হোক।
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এখন সাধারণ দ্বীনদার তো দূরের কথা যাদের দায়িত্ব ছিল দ্বীন মানুষের নিকট পৌঁছানো, ইলমে ওহী মানুষের নিকট পৌঁছানো তারাও ঘন্টার পর ঘন্টা মোবাইলের সামনে বসে ইউটিউব বা অন্য কিছুর মাধ্যমে যা ইচ্ছা তা-ই দেখতে থাকে।
এখানে শুধু পার্থক্য এতোটুকুই যে, টিভির স্ক্রিনটা বড় আর মোবাইলের স্ক্রিনটা ছোট। মোবাইল হচ্ছে টিভির নিউ ভার্সন। এটাকে পকেট ভার্সনও বলা যায়। আগে সবাই চাইলেই টিভি দেখতে পারতো না কিন্তু এখন পকেটে পকেটে টিভি। টিভি দেখতে বিদ্যুতের সরাসরি সংযোগ দরকার হয় অর্থাৎ টিভি ইচ্ছা করলে সবসময় দেখা যায় না কিন্তু মোবাইলে কোন কিছু দেখতে চাইলে ইচ্ছা করলেই দেখা যায়। অর্থাৎ টিভি দেখতে যে এরেঞ্জমেন্টের দরকার হয় মোবাইলে সেই ধরণের কোন এরেঞ্জমেন্টের দরকার হয় না।
ফলে অনেকের কাছে এই ধারণা বদ্ধমূল হয়ে গেছে যে, ওতো মোবাইলই দেখছে! যে টিভি আগে দূর থেকে দেখা হতো সেই টিভি এখন মানুষ হাতে নিয়ে মজা করে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে দেখছে যা স্বাদ (!!!) আর মজাকে (!!!) বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। এভাবে নিজেদের অলক্ষ্যেই আমরা কেউ আমাদের দ্বীনদারীকে হারাচ্ছি, কেউবা বিয়ে করার অনুপযুক্ত হয়ে পড়ছে আর কেউবা অন্যকেও এই পথে আনার জন্য প্রত্যক্ষভাবে না হলেও কাজে-কর্মে পরোক্ষভাবে উদ্বুদ্ধ করছে ইত্যাদি।
আয় কারিম! আমাদেরকে সঠিক বুঝ দান করেন। হেদায়েত দান করেন। ঈমানী মওত নসীব করেন। আমিন।
Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
১৩/০৮/২০ ঈ.
http://t.me/pathofisla
🔈🔈অডিও মালফূয ৮২🔈🔈🔈
আল্লাহ্ওয়ালাদের নজর কুকুরকে মানুষ বানায়।
হযরতওয়ালা করাচী রহ. এর সাথে সংঘটিত একটি ঘটনা যাতে আমাদের জন্য আজীবন শিক্ষার খোরাক রয়েছে। আল্লাহ্ওয়ালাদের সুহবাতের গুরুত্ব বুঝতে উক্ত ঘটনা যথেষ্ট সহায়ক হবে।
http://t.me/khanqaSN
ূত পরস্থিতির কারণে বইটির প্রকাশনার কাজ স্থগিত ছিল। ইনশাআল্লাহ কিছুদিনের মধ্যে বইটি বাজারজাত হবে। বইটি পেতে Punoray Prokashon-এর অফিসিয়াল পেইজে নক করে রাখুন।
মুহতারাম আইনুল হক কাসেমী
Whatsapp এ
''ইসলামী জীবন'' গ্রোপ(এখানে মুফতী আবদুল মালেক দা.বা. এর আলকাউসার পত্রিকা এবং মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর লেখাসহ বিভিন্ন ইসলামী বিষয় পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে নিচের লিংকে জয়েন হোন https://chat.whatsapp.com/BniZD8fL16N3DEnL8Pz8zK
দিরিলিস আরতুগরুল নিয়ে কিছু কথা...!
গত বছরের রজব মাস। গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজে সিলেটের একঝাঁক নবীন-প্রবীণ আলেম প্রতিনিধিদল গিয়েছিলাম বসুন্ধরা ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারে। সেখানে রাতযাপন করেছিলাম। রাতে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতাপূর্ণ মেহমানদারিগ্রহণের পর মেহমানখানায় সকলেই শুয়েছিলাম লাইন ধরে। বিশাল একটা মশারি টানিয়ে। যদিওবা এই মশারি কোনো কাজে আসেনি; ক্লান্ত-শ্রান্ত মেহমানদের অবচেতন দেহের হাত-পায়ে জায়গা নিয়ে আচ্ছামতো রাতভর খেদমত করেছিল মশারদল।
একজন মাওলানা আমার পাশেই শুয়েছিলেন। দীর্ঘ রাত পর্যন্ত তাকে স্মার্টফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে কিছুটা বিরক্তিবোধ করছিলাম। তিনি আমার বিরক্তিবোধ আঁচ করতে পারলেন। আমাকে বললেন- তিনি জনপ্রিয় তুর্কি সিরিয়াল 'দিরিলিস আরতুগরুল' দেখছেন। আমি এই সিরিয়াল দেখি কি না জিজ্ঞেস করলে উত্তরে তিনি আশাহত হলেন। এরপর তিনি খুব সংক্ষেপে সিরিয়ালটির ফজিলত তুলে ধরতে লাগলেন। এমনভাবে তিনি বলে যেতে লাগলেন, মনে হলো, যেন বিরাট বড় পুণ্যের কাজ করে চলছেন! বলতে বলতে একসময় তিনি বলেই ফেললেন- আমার মনে হয়, আল্লাহ তাআলা যদি এই সিরিয়ালের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের জান্নাত দান করেন, তাহলে শুধুমাত্র এই সিরিয়ালে অভিনয় করার কারণেই দান করবেন!
বোকার মতো এতক্ষণ তার কথাগুলো শুনে যাচ্ছিলাম আমি। কিন্তু তার শেষের এই কথা শোনে আমি তো পুরাই 'থ' বনে গেলাম! কী বলব, খুঁজে পাচ্ছিলাম না। আসলে আমি পুরাই পাথর হয়ে গিয়েছিলাম! একজন আলেম যে এভাবে জাহিলের মতো কথা বলতে পারে, তা এই মাওলানাকে না দেখলে হয়তো আমার বিশ্বাস হতো না! বিষয়টা এমন না যে, আমি দিরিলিস সম্পর্কে কিছুই জানি না। দিরিলিস সম্পর্কে আমি জানতাম। যদিও কখনো দেখিনি। কারণ, দেখার জন্য শরয়ি বৈধতা পাইনি। তা ছাড়া ইতিহাসের কোনো উৎসুক পাঠক এসব ফালতু ফিল্মের প্রতি আগ্রহী হয় না কখনও; সে তো আগ্রহী হয় সত্যনিষ্ঠ বাস্তব ইতিহাসের প্রতি।
যাক, দিনে দিনে দেখি- দিরিলিস আরতুগরুল সিরিয়ালের এই দুরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত আলেমসমাজের বিশাল একটা অংশ! এমনকী উল্লেখযোগ্য সংখ্যক তালিবুল ইলমরাও এই রোগে আক্রান্ত। শরয়ি দৃষ্টিভঙ্গির ধার না ধারে এরা এই সিরিয়ালকে ইসলামিকরণে ব্যস্ত। ইসলামের দোহাই দিয়ে শুধু নিজের জন্যই জায়েজ করছে না; রীতিমতো অপরের জন্যও জায়েজ বানিয়ে দিচ্ছে! আরও আশ্চর্যের ব্যাপার হলো যে, কোনো কোনো উস্তাদ পর্যন্ত এই সিরিয়াল দেখার জন্য তালাবাদেরকে উৎসাহিত করছেন! তারও চেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার হলো যে, ইলম ও আমলের জীবন্ত নমুনা অনেক বুজুর্গ ফ্যামিলির কোমলমতি শিশু-কিশুররাও এই রোগে আক্রান্ত। তাদেরকে কাঠের টুকরা হাতে নিয়ে তরবারি চালনার কসরত করতে দেখা যায়!
ফেইসবুকেও অনেক মৌলবি এই সিরিয়াল দেখার প্রতি উৎসাহিত করছেন। কেউ কেউ তো জায়েজের ফতোয়াও দিয়ে দিচ্ছেন! সবই নীরবে প্রত্যক্ষ করছি। কিন্তু এঁদের ইলমের দৈন্যদশা এবং ফিকরের খঞ্জতা দেখে আফসোস করা ছাড়া করার মতো আর কিছুই নেই। অথচ, শরিয়তের ন্যূনতম ইলম থাকলেও তো এই সিরিয়ালের বৈধতার পক্ষে বলা কঠিন। কারণ, আর যাইহোক; সিরিয়ালে খোলামেলাভাবে নারীর প্রদর্শন রয়েছে। প্রেম-পিরিতির রগরগে উপস্থাপনা তো আছেই। এগুলো শরিয়তের কোন মূলনীতি সাপোর্ট করে?
তা ছাড়া এই সিরিয়ালের ঐতিহাসিক বাস্তবতা তো রয়েই গেল। উসমানি সাম্রাজ্যের স্বপ্নদ্রষ্টা আরতুগরুল গাজির প্রকৃত ইতিহাসের সাথে এই সিরিয়ালের সম্পর্ক খুব একটা নেই বললে চলে। বড়জোর ১০% বলা যায়। কিংবা তারও চেয়ে কম। মিথ্যাচার, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, কল্পকাহিনি, অলিক আর আজগুবিকথাবার্তায় ভরপুর এই সিরিয়াল। এটি শুধু আমার একার কথা নয়; উসমানি সাম্রাজ্যের ইতিহাস নিয়ে ডক্টরেট ডিগ্রিধারী সমকালীন অনেক গবেষকই এটা বলেছেন। কেউ কেউ তো এই সিরিয়ালের অসারতা ও মিথ্যাচারিতা নিয়ে কলমও ধরেছেন। সর্বোপরি, এটাকে মিথ্যার বেসাতিপূর্ণ ফিল্মই ভাবতে হবে, যাকে তুর্কি-সভ্যতাকে শীর্ষাসনে দেখানোর জন্য নির্মাণ করা হয়েছে।
দিরিলিস আরতুগরুল সিরিয়াল দেখার অবৈধতা নিয়ে আরবের বেশ কিছু ইফতাবোর্ড ফতোয়া প্রদান করেছে। তদ্রুপ ফতোয়া দিয়েছেন আরবের অনেক শীর্ষ আলেম। ফতোয়া দিয়েছে ঐতিহাসিক দারুল উলুম দেওবন্দের ইফতাবিভাগ। অনুরূপ ফতোয়া দিয়েছে বাংলাদেশের শাইখ জাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের ফতোয়াবিভাগ। প্রয়োজনে অনলাইনে সার্চ করে দেখতে পারেন। তবুও নিজের খেয়ালখুশি মতো ফতোয়া দিয়ে হারামকে হালাল বানানো থেকে বিরত থাকুন।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, উসমানি সাম্রাজ্যের স্বপ্নদ্রষ্টা আরতুগরুল গাজির জীবনোপাখ্যান নিয়ে আমি একটি বই লিখেছি। বইয়ে আরতুগরুল গাজির উত্থানকাল ঘিরে উসমানি সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার বাস্তব ইতিহাস ফুটে উঠেছে। কিন্তু অনেকেই মনে করেন- বইটি আমি দিরিলিস সিরিয়াল দেখে লিখেছি। তাদের ভুলের অবসান ঘটাতে আমি বলছি- না, বইটি আমি সিরিয়াল দেখে লিখিনি; বইটি লিখেছি সংশ্লিষ্ট ইতিহাসের নির্ভরযোগ্য কিতাবাদি ঘাঁটাঘাঁটি করে। বইটি পড়লে আরতুগরুল গাজির সত্য ইতিহাস জানতে পারবেন। সিরিয়ালের অসারতা বুঝতে পারবেন।
পুনশ্চ : করোনাভাইরাস উদ্ভ
