es
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

Ir al canal en Telegram

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

Mostrar más
801
Suscriptores
Sin datos24 horas
Sin datos7 días
-130 días
Archivo de publicaciones
হিকমত, সূক্ষ্ম মারেফাত ও তাহকীকের শান হযরত থানভী রহঃ বলেন, পোশাকের মাপকাঠি হলো, এমন পোশাক পরবে যার দিকে নিজের মনোযোগ আকৃষ্ট হবে না। কোনো নবাব যদি দুই'শ টাকা মূল্যের পোশাক পরে তাহলে সে তার দিকে মোটেও ভ্রুক্ষেপ করবে না। পক্ষান্তরে একজন সাধারণ গরীব মানুষ যদি পাঁচ টাকা মূল্যের পোশাকও পরে তাহলেও সে তার কারুকার্যই দেখতে থাকবে। এ কারণে তার জন্য দুই'শ টাকার পোশাক জায়েয, আর এর জন্য পাঁচ টাকার পোশাকও নাজায়েয। একইভাবে যদি কেউ খুবই নিম্নমানের পোশাক পরে, তাহলে তার অন্তরও এ পোশাক নিয়ে ব্যস্ত থাকবে। প্রথমত সে মনে করবে যে, আমি খুবই হেয় হয়ে গেছি। দ্বিতীয়ত সে মনে করবে যে, আমার নফস একেবারে মরে গেছে। আমার মান-সম্মানের প্রতি কোনো পরোয়া নেই। এটাও অন্তরের ব্যস্ততা। ফায়দাঃ এর দ্বারা হযরতের হিকমত, তাহকীকের শান ও সূক্ষ্ম চিন্তা প্রমাণিত হয়। কামালাতে আশরাফিয়া (২য় অধ্যায়) মালফূয ৪৮ পৃষ্ঠা ৫৫৪ http://t.me/pathofisla

তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর আল্লাহপাকের গভীর মহব্বতে লেখা কবিতা: জীবন চাহি তোমার খুশি'র হাফেয রাকীবুল হাসান দিনে রাতে হাজার তাওবা আবার ভেঙ্গে যায় এমনি করে জীবন সন্ধ্যা কখন এসে যায়.............. t.me/khanqahBDKobita t.me/pathofisla

মুহাম্মাদ মাহাদি হাসান, গাজীপুর। 755 নং উত্তর: আত্নহত্যাকারীর জানাজা পড়া সংক্রান্ত। লিংক: t.me/mufteesofee বয়ান পেতে: t.me/khankahbd http://t.me/pathofisla

🌿সবচেয়ে ছোটটাই বড়🌿🌿 হযরত মুফতী মনসূরুল হক্ব দাঃ বাঃ বলেন, এক বড় হাকিমকে জিজ্ঞেস করা হলো মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় রোগ কোনটা। হাকিম সাহেব উত্তর দিলেন রোগী যে রোগকে ছোট মনে করে ঐটাই বড় রোগ। ঠিক তেমনি ছোট থেকে ছোট গুনাহকেও গুনাহ মনে না করা বড় গুনাহ। https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi http://t.me/pathofisla

পরিপূর্ণ একাগ্রতার প্রতীক্ষা অহেতুক হযরত থানভী রহঃ বলেন, পরিপূর্ণ একাগ্রতার প্রতীক্ষায় থাকা অহেতুক। দুনিয়ার কাজে জড়িত থেকে এটা হওয়া সম্ভব নয়। এটা অর্জনের একমাত্র উপায় হলো, এই পেরেশানীর অবস্থাতেই 'তা'আল্লুক মা'আল্লাহ' এর কাজ আরম্ভ করে দিবে। তাহলে ক্রমান্বয়ে পূর্ণ প্রশান্তি লাভ হবে। অন্যথায় এভাবেই জীবন শেষ হয়ে যাবে, কিন্তু একাগ্রতা লাভ হবে না। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ১৬৪ পৃষ্ঠা ১০৪ http://t.me/pathofisla

এক মিনিটে একটি মাসআলা মাসআলা ৭ঃ জালাল সরকার - নবীনগর, বি. বাড়িয়া ৪৮২৩. প্রশ্নঃ মুহতারাম, ফরহাদ আহমদ আমার ছোট ভাই। সে আমেরিকা থাকে। তার উপার্জিত টাকা আমার কাছেই পাঠিয়ে থাকে। আমি সে টাকা দিয়ে ব্যবসা করি এবং পরিবারের ভরণপোষণ করি। ফরহাদ একবার লটারীতে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা পায়। লটারীর এসব টাকা সে  আমার নিকট পাঠিয়ে দিলে আমি সে টাকা থেকে কিছু ব্যবসায় বিনিয়োগ করি আর কিছু জমি ক্রয় করি এবং নিজেও কিছু খরচ করি। এখানে উল্লেখ্য যে, আমি এক আলেমকে জিজ্ঞেস করে জেনেছিলাম যে, কাফের মুলুকে পাওয়া লটারীর  টাকা  বৈধ, এতে সুদ নেই। তবে তা শুধু ফরহাদের জন্য জায়েয। কিন্তু এখন সঠিক মাসআলা জেনেছি যে, মূলত ওই টাকা ফরহাদের জন্যও নাজায়েয। কিন্তু এর মধ্যে আমি লটারীর টাকা ও পূর্বে পাঠানো টাকা দিয়ে বেশ মোটা অংকের টাকা ব্যয়ে একটি জমি ও দোকান ক্রয় করি। দ্বিতীয়ত সংসারের ভরণপোষণও এ টাকা থেকেই করেছি। তৃতীয়ত যাকাত, সাধারণ দান-খায়রাতও এ টাকা থেকেই দিয়েছি। এ অবস্থায় কী পন্থা অবলম্বন করলে উক্ত টাকা ও সম্পদ বৈধ হবে? আর এ টাকা থেকে দেওয়া যাকাত ও দান-খায়রাতের কী বিধান? উল্লেখ্য, আমাদের এক বিধবা খালা ও খালাতো ভাই-বোন আছে। এখন তাদেরকে কি পুরো টাকা দিয়ে দেওয়া যাবে? কেননা একে  তো তারা গরিব আবার এক খালাতো বোন বিয়ের উপযুক্ত। টাকাটা দিলে তাদের অনেক উপকার হবে। উত্তরঃ ‘কাফের মুলুকের লটারীর টাকা বৈধ, এতে সুদ নেই’  প্রশ্নের একথা সহীহ নয়। সুতরাং ফরহাদ ও তার পরিবারের জন্য উক্ত লটারীর টাকা ভোগ করা সম্পূর্ণ হারাম হয়েছে। তাই উক্ত লটারী থেকে প্রাপ্ত টাকা দিয়ে যেসকল জমি ও দোকান ক্রয় করেছেন এবং এছাড়া আরো অন্যান্য খাতে যা খরচ করেছেন, তা নাজায়েয হয়েছে। এখন উক্ত জমি ও দোকান থেকে বৈধভাবে উপকৃত হতে চাইলে এবং তা হালাল সম্পদে রূপান্তর করতে চাইলে; উক্ত জমি ও দোকানে লটারীর যে পরিমাণ টাকা ব্যয় করেছেন এবং এতদিন দোকান থেকে যা লাভ হয়েছে তা সওয়াবের নিয়ত ছাড়া গরীব-মিসকীনদের মাঝে সদকা করে দিতে হবে। এভাবে মূল টাকা সদকা করে দিলে উক্ত সম্পদ বৈধ বলে গণ্য হবে। আর ঐ টাকা থেকে পরিবারের জন্য যা খরচ করেছেন তাও হিসাব করে সদকা করে দিতে হবে। উল্লেখ্য যে, উক্ত লটারীর টাকা থেকে গরীবদেরকে বা কোন মাদরাসার গোরাবা ফান্ডে যা দান-সদকা করা হয়েছে সে পরিমাণ টাকা আবার নতুন করে সদকা করা লাগবে না। তা আদায় হয়ে গেছে। আপনাদের বিধবা খালা ও খালাতো ভাই-বোন যদি যাকাত গ্রহণের যোগ্য হয়ে থাকে তাহলে তাদেরকেও তাদের প্রয়োজন অনুপাতে ঐ টাকা থেকে দিতে পারবেন। তবে একত্রে এত বেশি টাকা দেওয়া যাবে না যে, বর্তমান প্রয়োজন পূর্ণ হওয়ার পরও তাদের কাছে নেসাব পরিমাণ টাকা থেকে যায়। সুতরাং তাদেরকে দেওয়ার পর বাকি টাকা অন্যান্য গরীব-মিসকীনদের দিয়ে দেওয়া সমীচীন হবে। -সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ৩৬৭৮, ৩৬৮৫; মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবাহ, বর্ণনা ২৩৫৯৩; আহকামুল কুরআন, জাসসাস ২/৪৬৫; ফিকহুন নাওয়াযিল ৩/২১৩; আলবাহরুর রায়েক ৮/২০১; রদ্দুল মুহতার ৬/৩৮৫; বযলুল মাজহুদ ১/১৪৮ মাসিক আল কাউসার যিলকদ ১৪৪০ || জুলাই ২০১৯ প্রশ্নটির লিংকঃ https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/3001/ http://t.me/pathofisla

মুহাম্মাদ কাউসার আলম খশরু, মুহাম্মাদপুর,ঢাকা। 734 নং উত্তর: পর্দা সংক্রান্ত। লিংক: t.me/mufteesofee বয়ান পেতে: t.me/khankahbd

কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ১৬) ছবি তোলার প্রক্কালে উপমহাদেশের তৎকালীন বিখ্যাত দুই বুজুর্গ; হযরত মাওলানা শাহ্ মুহাঃ আহমাদ ছাহেব রহঃ এবং হযরত মাওলানা আবরারুল হক রহঃ এর অবস্থা ⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️ t.me/malfuzateakabir t.me/pathofisla

আজকাল অনেক বক্তা ক্যামেরা ম্যান নিয়ে আসে- - বিশিষ্ট মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. প্রধান মুফতী ও শাইখুল হাদীস, জামিয়া রহমানিয়া,মুহাম্মাদপুর,ঢাকা। t.me/qaumimalfuzat

বর্তমানে মোবাইল, ইন্টারনেট ব্যবহার করা অত্যন্ত নাজুক ব্যাপার। -আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ ইসমাঈল কিশোরগঞ্জী দাঃ বাঃ http://t.me/pathofisla

✈️আমিও যাব একদিন✈️✈️ বুধবার। জুলাইয়ের শেষভাগ। সকাল থেকেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। দুপুর গড়িয়ে বিকেল, তবুও বৃষ্টি থামার লক্ষণ নেই। আগামীকাল সকাল সাতটায় আব্বু-আম্মু আল্লাহর ঘরের যিয়ারতে রওয়ানা হবেন। সন্ধ্যার পর টিপটিপ বৃষ্টির মধ্যেই বেরিয়ে পরলাম এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে; আল্লাহ্‌র ঘরের মেহমানদের বিদায় জানাতে। মহাখালীর প্রচন্ড যানজট কাটিয়ে আমরা একসময় হাজী ক্যাম্পে পৌছলাম। বেশিক্ষণ থাকা হল না এখানে। আব্বু-আম্মুকে বিদায় দিয়ে ভারাক্রান্ত মনে বাসায় ফিরলাম। ভাঙা-ভাঙা ঘুমে কেটে গেলো রাতটা। ফজরের সময় আব্বুকে ফোন দিলাম। জানালেন সকাল সাতটা ত্রিশে ফ্লাইট। নাস্তা সেরে ছাদে গেলাম; বিমানটাকে যদি একনজর দেখা যায়! মিনিট দশেক পর বাতাস কেটে কানে আসল বিমানের আওয়াজ। আমার সন্ধানী চোখদুটো খোলা আকাশে ছুটোছুটি শুরু করলো। হঠাৎ পূব আকাশের মেঘ চিরে বেরিয়ে এল বিশাল বিমানটা। একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম সেদিকে। মনটা আনচান করে উঠলো- কবে যাব আমিও আল্লাহ্‌র ঘরে! এবং কবে দেখব নিজের চোখে প্রিয় নবীর প্রিয় শহর!! অজান্তেই চোখ থেকে গড়িয়ে পড়লো দু-ফোটা তপ্ত অশ্রু (অসম্পূর্ণ) দ্বিমাসিক রাবেতা রাবেতায়ে আবনায়ে রাহমানিয়ার মুখপত্র জানুয়ারী-ফেব্রুয়ারি ১৯ http://t.me/pathofisla

12.7.2019 কাঠালবাড়ি,শ্রীনগর,মুন্সীগঞ্জ মাহফীলে, তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ হযরত হাফেজ মাওলানা মুফতী শফী ছাহেব দামাত বারাকাতুহুম চেয়ারে বসে নামাজ আদায় সম্পর্কে বলেন। বড় বয়ান। t.me/khankahbd ছোট বয়ান। t.me/chotoboyan

কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ১৫) হাকীমুল উম্মত মাওলানা শাহ্ আশরাফ আলী থানভী রহঃ এর সুন্নতের প্রতি লোভ এক হাদীসে হযরত আয়েশা রাঃ বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সঙ্গে দুইবার দৌড় প্রতিযোগিতা করলেন। একবার প্রতিযোগিতায় আমাদের মধ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিতে গেলেন। আর দ্বিতীয়বার যখন আমরা দৌড় প্রতিযোগিতা করলাম, তখন যেহেতু রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শরীর ভারী হয়ে গিয়েছিল এজন্য আমি জিতে গেলাম। আর রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেছনে রয়ে গেলেন। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "উভয় সমান সমান"। একবার আমি জিতেছি আরেকবার তুমি জিতেছো। দেখুন! বুযুর্গগণ রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই সুন্নতের উপর আমল করার কিভাবে সুযোগ খোঁজেন। একবার হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহঃ থানাভবন থেকে কিছু দূরে এক গ্রামে দাওয়াতে যাচ্ছিলেন। আর তাঁর স্ত্রীও সঙ্গে ছিলো। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ ছিলো। সঙ্গে অন্যকোনো লোকও ছিলো না। মাঠের মাঝে গিয়ে তাঁর মনে হলো, আলহামদুলিল্লাহ! রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনেক সুন্নতের উপর আমল করার সৌভাগ্য হয়েছে। কিন্তু নিজ স্ত্রীর সঙ্গে দৌড় প্রতিযোগিতা করার সুন্নতটি এখনো আমল করতে পারিনি। আজ সে সুন্নতের উপর আমল করার সুযোগও এসেছে। তখন তিনি তার স্ত্রীর সঙ্গে দৌড় প্রতিযোগিতা করে সে সুন্নতও পূর্ণ করলেন। এখানে স্পষ্ট, দৌড় প্রতিযোগিতা করার কোনো ইচ্ছা তাঁর ছিলো না। কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নতের উপর আমল করার জন্যে দৌড় প্রতিযোগিতা দিলেন। এ হচ্ছে সুন্নত অনুসরণের আকাঙ্ক্ষা। নেক কাজের আগ্রহ। সওয়াব অর্জনের লোভ। আল্লাহ্‌ তা'আলা আমাদের সকলকে তাঁদের মতো নেক কাজের প্রতি লোভ সৃষ্টি করে দিন। আমিন! 'ইসলাহি ওয়াকেয়াত' গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ 'ইসলাহি গল্প' পৃষ্ঠাঃ ৮৩ মূলঃ আল্লামা তাকী উসমানী দাঃ বাঃ সংকলন ও অনুবাদঃ মাওলানা মুস্তফা খন্দকার প্রকাশকালঃ ২০১৫ ঈসায়ী প্রকাশনায়ঃ মাকতাবাতুল ইসলাম http://t.me/pathofisla

কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ! (পর্ব - ১৪) হযরত মাওলানা ওমর পালনপুরী রহঃ এর অপূর্ব শিক্ষণীয় আমল -মুফতী আমানুল হক্ব ছাহেব দাঃ বাঃ http://t.me/pathofisla

বেশী বৃষ্টি হলে এ দু'আ পড়া সুন্নাত اَللّهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلَا عَلَيْنَا. অর্থঃ হে আল্লাহ! এ বৃষ্টি আমাদের আশপাশে (যেখানে প্রয়োজন) বর্ষণ করুন এবং আমাদের উপর বর্ষণ করবেন না। (বুখারী হাদীস নং-১০২০/ মুসলিম হাদীস নং-৮৯৭) মাসনূন দু'আ ও দুরূদ -মুফতী মনসূরুল হক্ব দাঃ বাঃ https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi http://t.me/pathofisla

আমলের মধ্যে কঠোরতার বিষয়ে একটি সূক্ষ্ম উপকারী কথা হযরত থানভী রহঃ বলেন, আমলের ব্যাপারে কঠোরতা সম্পর্কে একটি সূক্ষ্ম ও উপকারী কথা এই যে, যে ব্যক্তি আমলের জন্যে অধিক ক্লেশ (কষ্ট) করে সে বিশেষ ফল লাভের প্রতীক্ষায় থাকে। ফল লাভে বিলম্ব হলে তার মনে ওয়াসওয়াসা জাগে যে, এতো সাধনা করা সত্ত্বেও এখনো পর্যন্ত ফল লাভ হচ্ছে না কেন! ইবাদতের উপর তার অহঙ্কার সৃষ্টি হয় এবং নিজেকে কিছু একটা ভাবতে আরম্ভ করে। নিজেকে ফলের হকদার মনে করতে আরম্ভ করে। মনে করে যেন তার ইবাদতের ফল দেওয়া আল্লাহ্‌ তা'আলার দায়িত্ব হয়ে গেছে। আর এটাই অহঙ্কার। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি ভারসাম্য রক্ষা করে আমল করে, সে তা মনেই রাখে না। বরং সে মনে করে যে আমি কী-ই বা আমল করি যে, তার ফল লাভ হবে। সে তো ফল লাভের কথা চিন্তা করতেও লজ্জা বোধ করে। এমন ব্যক্তি শুধু আল্লাহ্‌র দয়ার প্রত্যাশী হয়। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ৫৭৩ ২৫৩ পৃষ্ঠা http://t.me/pathofisla

আমার পীর ও মুর্শিদ হযরত মাওলানা আতহার আলী রহঃ (যিনি হযরত থানভী রহঃ এর অন্যতম খলিফা ছিলেন) সাথে একবার আসরের পরে হাটছিলাম। হঠাৎ করে কাশি আসলে আমি ডান দিকে থুতু ফেলে দিলাম। তখন হযরত বললেন....... -আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ ইসমাঈল কিশোরগঞ্জী দাঃ বাঃ বিঃ দ্রঃ বয়ানের মাঝখানে হঠাৎ কাশি আসলে হযরতের সামনে পিকদানি দেওয়া হয়। তখন হযরত এই ঘটনাটি শোনান। http://t.me/pathofisla

এই পর্চাটি বেহেশতী জেওর কিতাব অবলম্বনে তৈরী করা হয়েছে। আমরা ইচ্ছা করলে এটিকে প্রিন্ট করে মানুষকে বিলি করতে পারি। অথবা বিভিন্ন স্থানে লাগিয়ে দিতে পারি। ইনশাআল্লাহ বড় দাওয়াতের কাজ হবে। http://t.me/pathofisla