es
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

Ir al canal en Telegram

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

Mostrar más
801
Suscriptores
Sin datos24 horas
Sin datos7 días
-130 días
Archivo de publicaciones
বিয়েতে প্রচলিত শরী'আতবিরোধী কার্যকলাপ সাধারণ্যের পরিভাষায় যাকে বিয়ে বলা হয় আমি তাকে নাম দিয়েছি বড় কিয়ামত। এটা এত বড় কিয়ামত যে, দ্বীন ও দুনিয়া সবকিছু ধ্বংস করে ফেলে। বিয়ের নামে প্রচলিত প্রথাসমূহের অপকারিতার প্রতি লক্ষ্য করলে একে 'বড় কিয়ামত' হিসাবে অভিহিত করা অত্যন্ত স্বাভাবিক মনে হবে। ১)........... ......১৯) কনে বাড়ির ফটকে ফিতা বেঁধে বরের নিকট থেকে অর্থ আদায় করা এবং বরকে শরবত পরিবেশন করে অর্থ আদায় করা ইত্যাদিকে যদিও অনেকে দান হিসেবে চালিয়ে দিতে চান, কিন্তু আসলে অনিচ্ছা সত্ত্বে এসব অর্থ প্রদান করাকে যাকাতের চেয়েও বড় ফরয কর্তব্য মনে করা হয়। বড়ই তাজ্জব ব্যাপার! কাউকে দান করতে বাধ্য করা কি হারাম নয়? শুধু কি লাঠি-ডাণ্ডার ভয় দেখিয়ে কিছু আদায় করাই যুলুম? নিন্দাবাদের ভয় দেখিয়ে কোন কিছু আদায় করাও তো যুলুম। উপরন্তু এসব ব্যাপারে অর্থের দাবীদারগণ যেন অনেকদিন পর অর্থ আত্নসাৎকারী খাতককে হাতে নাতে ধরতে পেরে তার সর্বস্ব বিক্রি করে হলেও নিজেদের পাওনাটা আদায় করে নিতে চায়। বর বেচারাও বড়ই অপারগ হয়ে লজ্জা-শরমে পড়ে তা দিয়ে দেয়। এছাড়াও বিজাতীদের রীতি প্রথা অনুসরণ করা মুসলমানদের পক্ষে মোটেও বৈধ হবে না। অতএব, এ প্রথাগুলি সর্বৈব পরিহার্য্য। ইসলাহুর রুসূম -হযরত থানভী রহ. Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯 ২৩/০৬/২০ ঈ. http://t.me/pathofisla

বিবাহ সম্পর্কিত একটি হাদীস- হযরত আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ যখন তোমাদের নিকট এমন কোন লোক বিবাহের প্রস্তাব দেয় যার দ্বীনদারী ও আখলাক তোমরা পছন্দ কর, তখন বিবাহ দিয়ে দাও। (মাল সম্পদের প্রতি লক্ষ্য কর না) তা যদি না কর তাহলে দেশে ব্যাপকহারে ফেতনা-ফাসাদ দেখা দেবে। (তিরমিযী, মিশকাত শরীফ- ২৬৭) ইসলামী বিবাহ -মুফতী মনসূরুল হক দা: বা: https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi

(দ্বীনদার ছেলের সাথে মেয়ে বিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে চলে আসা একটি পুরাতন সমস্যা ও এর চমৎকার সমাধান) সহজকে পছন্দ করা, নরম ও কোমল স্বভাব ও পরিপূর্ণ স্নেহ এক ব্যক্তি লেখে যে, মেয়েদের বিয়ের বিষয়ে খুব চিন্তায় আছি। মনমতো প্রস্তাব আসেনি যে বিয়ে দেবো। কোথাও থেকে দাঁড়িওয়ালা ছেলের প্রস্তাব আসলে আর্থিক অবস্থা খুবই শোচনীয় দেখা যায়। আর যাকে খেয়ে পরে সচ্ছল দেখা যায়, সে হয় দাঁড়ি চাছা। কয়েকটি প্রস্তাব এ কারণে ফিরিয়ে দিয়েছি। দু'আ করুন আল্লাহ্‌ তা'আলা যেন মান রক্ষা করেন। লজ্জিত হতে না হয়। সবাই বলে, এ চিন্তা বাদ দাও। আজকাল দাঁড়িওয়ালা লোক পাওয়া খুব কঠিন। উত্তরে হযরত লেখেন, বাস্তবেই খুব কঠিন। আমি তো চূড়ান্তভাবে বলছি না, তবে আমার ধারণা হলো, এ জামানায় পুরো দ্বীনদারী দাঁড়িওয়ালাদের মধ্যেও নেই। একজন দাঁড়ি চাছার গুণাহ করছে, আরেকজন প্রবৃত্তি পূজার গুণাহ করছে। তাই শুধু দাঁড়ি নিয়ে কী করবেন? প্রকৃত দ্বীনদারী থাকতে হবে, যা খুবই বিরল। তাই এ অবস্থায় এ বিষয়ে কিছুটা ছাড় দিয়ে শুধু দু'টি জিনিস দেখবেন, এক. ইসলামী আকীদার বিষয়ে সন্দেহ-সংশয় ও ঠাট্টা-বিদ্রুপ করে না। দুই. নেক স্বভাবের। আলেম ও বুজুর্গদের আদব রক্ষা করে চলে। সদাচারী। নিজের সাথে সম্পৃক্ত লোকদের হক আদায় করার প্রত্যাশা রয়েছে এবং প্রয়োজন পরিমাণ আর্থিক সংগতি তো আবশ্যকীয় আছেই। এমন ব্যক্তিকে মেনে নেওয়া যেতে পারে। তারপর আসা-যাওয়া, ওঠা-বসা ও সম্পর্ক গড়ে উঠলে এমন ব্যক্তির দাঁড়ির বিষয়ে সংশোধন কঠিন নয়। ফায়দাঃ এর দ্বারা সামান্য চিন্তা করলেই হযরতের নম্রতা, সহজতা, স্নেহ-মমতা ও সর্বাঙ্গীনতা বুঝে আসে। কামালাতে আশরাফিয়া (২য় অধ্যায়) মালফূয ৩৮ পৃষ্ঠা ৫৪৯ Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯 ২৩/১২/১৯ ঈ. Repost http://t.me/pathofisla

18.6.2020 একটি ফেসবুক পোষ্টে মহিলার ভিডিও ছবি এবং জনাব মাসি উল্লাহ সাব সম্পর্কে কিছু কথা। অসৎ কাজে নিষেধ করা ফরযে কিফায়া। আমরা একাধিক ব্যক্তি তাকে এ বিষয়ে মেসেজ করেছি। কিন্তু তিনি সেই পোষ্টটি ডিলিট করেননি এবং ভুল স্বীকার করে এখন পর্যন্ত কোনো পোষ্ট করেননি। - মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম (মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য) ফেসবুক সম্পর্কে আরেকটি পোষ্ট ♥♥♥ https://t.me/alokitojibon/1602 key word for search : ফেসবুক পোষ্ট নং ১২৯১

গুনাহগারের শান্তির আশা হযরতওয়ালা মুফতী সাহেব হুজুর দামাত বারাকাতুহুম বলেন, মানুষ শান্তি এবং আরামের আশায় ঘরে এয়ারকন্ডিশন লাগায়। কিন্তু কেউ যদি এয়ারকন্ডিশন লাগিয়ে ঘরের দরজা জানালা খুলে রাখে তাহলে কী তার ঘর ঠাণ্ডা হবে? শান্তি বা আরাম কী সে পাবে? কক্ষনো না। পাবে তো না আবার তার এয়ারকন্ডিশন মেশিনও নষ্ট হয়ে যাবে। ঠিক তেমনি কেউ যদি শান্তি বা আরামের আশায় নেক আমল করে, কিন্তু গুনাহের দরজা খুলে রাখে সেও কখনো শান্তি বা আরাম পাবে না। গুনাহের তাছিরে তার নেক আমল করার তৌফিকও কমতে থাকবে। https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi

📸📸সকলেই ফটোগ্রাফার📸📸📸 হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দামাত বারাকাতুহুম বলেন, ইয়াহুদীরা প্রত্যেক মুসলমানকে ক্যামেরা মোবাইলের মাধ্যমে ফটোগ্রাফার বানিয়ে দিয়েছে। প্রাণীর ছবি তোলা হারাম। আগে ছবি তোলার জন্য কষ্ট করতে হতো, ষ্টুডিওতে যেতে হতো, টাকা খরচ করতে হতো। তখন হাতেগনা কজন ফটোগ্রাফার ছিল। আর এখন অন্ধকারে ঘরে বসেই ছবি তুলছে। গুনাহ করতে কষ্ট করতে হচ্ছে না। এখন সবাই ফটোগ্রাফার হয়ে গেছে। এজন্য ক্যামেরা মোবাইল না রাখাই উত্তম। বিশেষ করে হজ্বের সময়। যদি রাখতেই হয় তাহলে ক্যামেরার উপর পট্টি লাগিয়ে রাখবে যেন গুনাহ করতে ইচ্ছা হলেও বাঁচা যায়। https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi

13.6.2020 বাদ এশা, জামেআ হাকীমুল উম্মত, হযরত থানবী নগর, আড়াকুল, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম জামেআয় পৌঁছার মুহূর্তে গাড়িতে বসে বসে মাহফিলে ব্যাপক ফটো তোলা তুলির প্রসঙ্গে বলেন খাছখাছ কিছু মাহফিলের দাওয়াত রাখলেও সেখানে লাইভ প্রোগ্রামে কথা বলা ছাড়া আর কোন উপায় নাই।

আমাদের ছোটমনিদের কন্ঠ আমাদের কাছে (নিজের আপনজন হওয়ার সুবাদে) অনেক প্রিয়, অত্যন্ত মধুময়, যখনই ডাকে তখনই সাড়া দিতে হয় যাতে ওর দিল না ভাঙ্গে, মনে যেন কষ্ট না পায়। তেমনিভাবে আমরা যদি আমাদের কন্ঠ-কে আল্লাহ্ তাআলার কাছে পরিচিত ও প্রিয় বানাতে পারি, তাহলে আমরা যখনই আল্লাহ্-কে ডাকবো, তখনই আমাদের ডাকে তিনি সাড়া দেবেন। নতুবা অপরিচিত কন্ঠে ডাকের সাড়া পৃথিবীতে কে দেয়? তাই,,আল্লাহ্-কে বেশি বেশি ডেকে আমাদের কণ্ঠ তাঁর কাছে পরিচিত, আপন এবং প্রিয় বানানো দরকার!

💬💬ভেবে দেখা দরকার💬💬💬 যে ব্যক্তি নিজের ফটো এবং ভিডিওর এজাযত দেন না, তার ভিডিও যদি নযরে আসে তাহলে বুঝতে হবে, নিঃসন্দেহে এটা তার অজান্তে সংগ্রহ করা হয়েছে। ইনসাফের সাথে ভেবে দেখা দরকার যে,এটাও একপ্রকারের চুরি কি না! -মাওলানা আবদুল মালেক দা: বা: https://www.alkawsar.com/bn/article/1756/ http://t.me/pathofisla

ছবির শুধু চোখ কেটে দিলে সেটা টাঙানো বৈধ হয়ে যাবে না; বরং পুরো চেহারা মুছে দিতে হবে। প্রশ্ন: আমার বাবাকে তার এক বন্ধু একটি ওয়ালম্যাট গিফট করেছে। তাতে কিছু প্রাণীর ছবিও আছে। একজন দেখে বললেন, এভাবে স্পষ্ট প্রাণীর ছবি টাঙিয়ে রাখা জায়েয হবে না। আপনি প্রাণীর চোখগুলো কেটে দিন। বাবা তাই করলেন; সবগুলো প্রাণীর চোখ কেটে দিয়ে ওয়ালম্যাটটি ঘরে টাঙিয়ে দিলেন। কিছুদিন আগে একজন আঙ্কেল বললেন, তিনি একজন আলেমের কাছে শুনেছেন যে, শুধু চোখ কাটলেই হবে না বরং পুরো চেহারা মুছে দিতে হবে। অন্যথায় ঐ ছবি টাঙিয়ে রাখা জায়েয হবে না। হুযুরের কাছে এ বিষয়ে সঠিক সমাধান জানতে চাই। উত্তর: কোনো প্রাণীর দৃশ্যমান ছবি টাঙানো বা দৃশ্যমান রাখা নাজায়েয। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ﻟَﺎ ﺗَﺪْﺧُﻞُ ﺍﻟْﻤَﻠَﺎﺋِﻜَﺔُ ﺑَﻴْﺘًﺎ ﻓِﻴﻪِ ﺗَﻤَﺎﺛِﻴﻞُ ﺃَﻭْ ﺗَﺼَﺎﻭِﻳﺮُ. ফেরেশতাগণ এমন ঘরে প্রবেশ করেন না যে ঘরে কোনো প্রাণীর ছবি বা প্রতিকৃতি আছে। (সহীহ মুসলিম, হাদীস ২১১২) অন্য বর্ণনায় এসেছে, জাবের রা. বলেন, ﻧَﻬَﻰ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻋَﻦِ ﺍﻟﺼُّﻮﺭَﺓِ ﻓِﻲ ﺍﻟﺒَﻴْﺖِ، ﻭَﻧَﻬَﻰ ﻋَﻦْ ﺃَﻥْ ﻳُﺼْﻨَﻊَ ﺫَﻟِﻚَ . রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে ছবি রাখতে ও ছবি অঙ্কন করতে নিষেধ করেছেন। (জামে তিরমিযী, হাদীস ১৭৪৯) আর প্রাণীর ছবির মূলই হল তার মাথার অংশ। যা দ্বারা প্রাণীর পূর্ণ রূপ ও পরিচয় স্পষ্ট হয়। ইকরিমা রাহ. বলেন, ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟﺼُّﻮﺭَﺓُ ﺍﻟﺮَّﺃْﺱُ ، ﻓَﺈِﺫَﺍ ﻗُﻄِﻊَ ﻓَﻼَ ﺑَﺄْﺱَ. ছবির মূল হল মাথা। মাথা যদি কেটে দেয়া হয় তাহলে কোনো সমস্যা নেই। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা ২৫৮০৮) তাই মাথার অংশ কেটে বা মুছে দিলে তা আর ছবির হুকুমে থাকে না। কিন্তু মাথা ও চেহারা না মুছে শুধু চোখ মুছে দিলে প্রাণীর আকৃতি ও পরিচয় বাকি থাকে। তাই তা ছবির হুকুমেই থাকে। ইবনে আবেদীন শামী রাহ. বলেন, প্রাণীর মূর্তি বা ছবির যদি মাথা কাটা থাকে তাহলে এমন ছবি ঘরে রেখে নামায পড়লে নামায মাকরূহ হবে না। চাই মাথা গোড়া থেকেই কেটে ফেলা হোক বা না কেটে পুরো মাথা একদম মুছে ফেলা হোক। কেননা স্বাভাবিকভাবে মাথা ছাড়া প্রাণীর উপাসনা করা হয় না। আর পুরো মাথার শর্ত করা হয়েছে। কেননা শুধু ভ্রু মুছে দেয়া বা চোখ কেটে দেয়া যথেষ্ট নয়। কেননা এসব ছাড়াও প্রাণীর উপাসনা হয়। (রদ্দুল মুহতার ১/৬৪৮) সুতরাং প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে ঐ আলেমের কথাই সঠিক যিনি বলেছেন, ছবির শুধু চোখ কেটে দিলে সেটা টাঙানো বৈধ হয়ে যাবে না; বরং পুরো চেহারা মুছে দিতে হবে। -জাওয়াহিরুল ফিকহ ৭/২৫৩ এ লেখাটির লিংক https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/2347/ মাসিক আলকাউসার পত্রিকা ; মে জুন ২০১৭ ছবি সম্পর্কে আরেকটি পোষ্ট ♥♥♥ https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1233806353485246&id=100005676781271 Whatsapp এ ''ইসলামী জীবন'' গ্রোপ(এখানে মুফতী আবদুল মালেক দা.বা. এর আলকাউসার পত্রিকা এবং মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর লেখাসহ বিভিন্ন ইসলামী বিষয় পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে নিচের লিংকে জয়েন হোন https://chat.whatsapp.com/KflD8zUmmBFJ2HWSNS001Z

এক মিনিটে একটি মাসআলা মাসআলা ১৭ মুহাম্মাদ সালাউদ্দীন, মাদারীপুর। 1645 নং উত্তর: বিড়ালের ঝুটা খাওয়া সংক্রান্ত। লিংক: t.me/mufteesofee বয়ান পেতে: t.me/khankahbd

এক মিনিটে একটি মাসআলা মাসআলা ১৬ মোবাইলে আযানের সফটওয়্যার ব্যবহার করা যাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য সময় মত আযান দেওয়া হয়। মাসায়েল নং-২৪০৪ http://t.me/MuftiMasudKasemi http://t.me/pathofisla

আমাদের ইন্দ্রিয়ের দৃষ্টান্ত ও তার প্রতিকার হযরত থানভী রহ. বলেন, বর্তমানে আমাদের অনুভূতির দৃষ্টান্ত হলো সাপে কাটা রোগীর মতো। সাপে কাটা রোগীর কাছে যেমন নিমের পাতা মিষ্টি লাগে, ঠিক তেমনিভাবে আমাদের কাছে ধ্বংসাত্মক গুণাহ সুস্বাদু মনে হয়। তাই এর চিকিৎসা করো। চিকিৎসার জন্যে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক তালাশ করো। চিকিৎসক না পাওয়া পর্যন্ত এ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা আরম্ভ করাই একটা বড়ো চিকিৎসা। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ৩৭৮ পৃষ্ঠা ১৭৪ Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯 ১০/০৬/২০ ঈ. http://t.me/pathofisla

এক মিনিটে একটি মাসআলা মাসআলা ১৫ নাজমুল হুদা - রাজশাহী ৫০৯০. প্রশ্ন আমি একটি মসজিদের ইমাম। এক মুসল্লি তার বাবার বদলি হজ্বের জন্য আমাকে নির্বাচন করেন। তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেন যে, স্বাভাবিকভাবে হজ্ব করতে এখন কত খরচ হয়? আমি একজন ট্রাভেলস মালিকের কাছ থেকে খরচের পরিমাণ জানার পর উক্ত মুসল্লিকে তা জানিয়ে দিই। তিনি আমাকে সে পরিমাণ টাকা দিয়ে দেন। আল্লাহ্র রহমতে আমি হজ্বে গিয়ে স্বাভাবিকভাবে সব খরচ করার পর তার দেওয়া কিছু টাকা আমার কাছে থেকে গিয়েছে। জানার বিষয় হল, আমি এই উদ্বৃত্ত টাকাগুলো কি আমার প্রয়োজনে খরচ করতে পরব?নাকি তার কাছে ফেরত দিতে হবে? উত্তর বদলি হজ্ব করার পর উদ্বৃত্ত টাকাগুলোর মালিক প্রেরক। তাই আপনার কাছে যে টাকা বেঁচে গেছে তা তাকে ফেরত দিয়ে দিবেন। তবে তিনি যদি তা ফেরত নিতে না চান তাহলে আপনি তা খরচ করতে পারবেন। এছাড়া অর্থ প্রদানের সময়ও যদি তিনি এমন কথা বলে থাকেন যে, সবই আপনার খরচের জন্য দিলাম। কোনো হিসাব দেওয়া লাগবে না বা ফেরত দেওয়া লাগবে না তাহলে আপনি সেটার মালিক হয়ে যাবেন। এবং অতিরিক্ত ব্যক্তিগত প্রয়োজনে তা খরচও করতে পারবেন। Ñমুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, বর্ণনা ১৪৯৭১;শরহু মুখতাসারিত তাহাবী ২/৪৯৫; ফাতাওয়া খানিয়া ১/৩০৭; ফাতাওয়া ওয়ালওয়ালিজিয়া ১/২৮৩;তাবয়ীনুল হাকায়েক ২/৪২৯; আলবাহরুর রায়েক ৩/৬৮ মাসিক আল-কাউসার শাবান-রমযান-১৪৪১ || এপ্রিল- মে ২০২০ প্রশ্নটির লিংকঃ https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/3264/ http://t.me/pathofisla

ইলম ও সামগ্রিকতা হযরত থানভী রহ. বলেন, দ্বীন ও দুনিয়ার যাবতীয় প্রয়োজন পূরণের উপায় হলো 'ইস্তিগফার'। ফায়দাঃ এটি হযরতের ইলমের সামগ্রিকতার স্বাক্ষর বহন করে। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ৬৯৪ পৃষ্ঠা ৩২০ Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯 ১০/০৬/২০ ঈ. http://t.me/pathofisla

মহিলারা কি পুরুষ বক্তার চেহারা দেখে *ওয়াজ* শুনতে পারবে? http://t.me/MuftiMasudKasemi

৭/৬/২০২০ বিয়ের পূর্বেই তালাকের মাসআলা জানা জরুরী- - মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম (মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য) বিয়ে সম্পর্কে একটি পোষ্ট ♥♥♥ https://t.me/alokitojibon/563 key word for search : বিয়ে পোষ্ট নং ১২৭৪ ♦♦ তালাক ♦

গুণাহ ত্যাগ করা যিকির শোগলের চেয়ে উত্তম হালঃ হুযূরের দু'আর বরকতে অধমের অবস্থা আগের চেয়ে ভালো। এ কারণে যে, আল্লাহ্‌র মেহেরবানীতে গুণাহের ঘাটতি এবং ইবাদত ও যিকিরের মধ্যে বৃদ্ধি ঘটছে। বেশিরভাগ সময় যিকিরের তাওফিক হয়ে যাচ্ছে। একটি পুরাতন গুণাহ যাতে খুব বেশি জড়িয়ে ছিলাম, আলহামদুলিল্লাহ সেটা ত্যাগ করার তাওফিক হয়েছে। যেটাকে আমি হাজার যিকির শোগলের চেয়েও বড় মনে করছি। এর উপর যেন স্থির থাকতে পারি এবং অন্যান্য গুণাহ ত্যাগ করার হিম্মত ও তাওফিক লাভ করতে পারি সে উদ্দেশ্যে হুযূরের দু'আ চাই। বিশ্লেষণঃ আপনার অবস্থা জেনে বিশেষত একটি পুরাতন গুণাহ ছেড়ে দেওয়ার কথা শুনে ভীষণ আনন্দিত হয়েছি। এটা একদম ঠিক কথা যে, গুণাহ ছেড়ে দেওয়া হাজার হাজার শোগলের চেয়েও অনেক উত্তম কাজ। আল্লাহ্‌ তা'আলা বরকত দান করুন। ইস্তেকামাতের (অটল থাকার) দু'আ করছি। আপনার হিম্মতও শর্ত। তারবিয়াতুস সালিক (আল্লাহ্‌প্রেমিকদের আত্নশুদ্ধির পথ) ৩য় খণ্ড -হযরত থানভী রহ. পৃষ্ঠাঃ ৭১ Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯 ১৩/১০/১৯ ঈ. Repost http://t.me/pathofisla

বুযুর্গদের দিলের কথাও আল্লাহ তা‘আলা পূর্ণ করেন হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দামাত বারাকাতুহুম বলেন, আল্লাহ তা‘আলা যেমনিভাবে বুযুর্গদের দু‘আ-প্রার্থনা ও প্রচেষ্টাকে পূর্ণ করেন, তেমনি তাঁদের দিলের ব্যথা আকাঙ্খা আকুতিও পূর্ণ করেন। হযরত ছদর সাহেব ফরীদপুরী রহ. বলতেন, বাংলাদেশের সব দিকেই দ্বীনের মেহনত, দ্বীনী প্রতিষ্ঠান আছে। কিন্তু দক্ষিণ ও উত্তর অঞ্চল শেষ হয়ে যাচ্ছে। ঐ অঞ্চলে দ্বীনী মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। আমার তো মনে হয় হুযুরের এ ব্যথা ও আকাঙ্খার ভিত্তিতেই আল্লাহ তা‘আলা এখন এ সকল স্থানে মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করছেন। হযরতের ছাত্রদের মাধ্যমে এখন দক্ষিণ অঞ্চলে কওমী মাদরাসা গড়ে উঠেছে। হুযুরের দু‘আর বরকতেই আল্লাহ তা‘আলা আমাকে সুন্দরবন থেকে উঠিয়ে রাজধানীতে নিয়ে এসেছেন। আলহামদুলিল্লাহ! এখন আমার তত্ত্ববধানেও অনেকগুলি মাদরাসা চলছে। https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi

স্মৃতির পাতা থেকে- ৩ (মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. প্রাক্তন শাইখুল হাদীস, দারুল উলুম দেওবন্দ) ♥♥♥ হায়াতে পালনপূরী -৫ আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, ছাত্র জীবনে মাদ্রাসা ছুটি হলে আপনি কী করতেন? সাবলীলভাবে বলে দিলেন, বাড়়ীতে গিয়ে বাবার সাথে ক্ষেতি-বাড়়ী করতাম, গরু দিয়ে হাল চাষ করতাম। আম্মার সাথে বাড়়ীর কাজ করতাম। আমি বললাম, আপনি এত পড়়েন, তাহলে পড়়াশুনা? সহজ উত্তর-ছুটি কালীন এর চাইতে গুরত্বপূর্ণ আর কিছু হতে পারেনা। হায়াতে পালনপূরী -৬ তিনি জানতেন, আমি বিরিয়ানী খুব পছন্দ করি। তাঁর বাসায় বিরিয়ানী পাকালে আমাকে অগ্রীম বলে রাখতেন, আজ তেরা খানা বনরাহাহে(তোর পছন্দের খাবার) পাকানো হইসে। আমার সাথে খাবার খাবি। নিজেই প্লেট দিয়ে কাছে বসাতেন।আসলে শুধু আমিই নই, তাঁর কাছে যারাই থাকতো। নিজ পরিবারের সদস্যদের মত আদর-যত্ন ও স্নেহ করতেন। এমন অভিভাবক আমার জীবনে আর কেউ আসেনি। হায়াতে পালনপূরী -৭ প্রায়ই এমন করতেন যে, ঘুম থেকে উঠেই সোজা পড়়ার টেবিলে লিখতে বসে যেতেন, আমি বলতাম আপনি হাত-মুখও ধুইবেননা বুঝি। তার সাবলীল উত্তর, ঘুমানোর আগে কুরআনের যে আয়াত নিয়ে খুব চিন্তিত ছিলাম। ঘুম থেকে উঠার পরপর এত সুন্দর সমাধান পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ, ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ। তাই তাড়়াতাড়়ি সংরক্ষন করে রাখছি, পরে যদি আবার ভুলে যাই! এরপর ওজু করে যা করার করতেন। এমনও হত কোথাও প্রোগ্রামে বের হবেন, সকলে তার জন্য অপেক্ষা করছে, সবাইকে বলতেন তোমরা একটু বসো। আমার মাথায় নতুন জিনিস এসেছে। দেখা যেত, বাহিরে গাড়়ীও দাঁড়িয়ে আছে, তবুও তিনি সবাইকে থামিয়ে রেখে আগে মাথার গবেষনাগুলো কাগজে সংরক্ষন করাকে খুব জরুরী মনে করতেন। হায়াতে পালনপূরী-৮ বৎসরে একবার ছুটিতে বাড়়ী যেতেন। এর বাহিরে সারা বৎসর মাদ্রাসাতেই থাকতেন, পড়়াশুনায় মনোনিবেশ রাখতেন। বাড়়ী থেকে তাঁকে যে টাকা দেওয়া হতো, সেগুলো জমিয়ে জমিয়ে কিতাব সংগ্রহ করতেন। খাবার ছাড়়া অপ্রয়োজনীয় পথে তিনি অর্থ ব্যায় একদমই করতেননা। বাসা থেকে ছুটি কাটিয়ে আসার সময় তাঁকে খাওয়ার জন্য মধু দেওয়া হত যা তিনি মাদ্রাসায় এসে বিক্রয় করে কিতাব কিনতেন। (মুহতারাম আহমাদ আবদুল কাহহার) এ বিষয়ে ২ নং পোষ্ট ♥♥♥ https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1303399353192612&id=100005676781271 Whatsapp এ ''ইসলামী জীবন'' গ্রুপ(এখানে মুফতী আবদুল মালেক দা.বা. এর আলকাউসার পত্রিকা এবং মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর লেখাসহ বিভিন্ন ইসলামী বিষয় পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে নিচের লিংকে জয়েন হোন https://chat.whatsapp.com/FGaPfuXBPJaHr26aQtc6aY