এসো সংশোধনের পথে
Ir al canal en Telegram
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
Mostrar más801
Suscriptores
Sin datos24 horas
Sin datos7 días
-130 días
Archivo de publicaciones
সাক্ষাতের একটি নীতি
হযরত থানভী রহঃ বলেন, কোনো ব্যক্তি কারো নিকট এমন সময় যাবে না, যে সময় সে নির্জনে থাকার ইচ্ছা করেছে। কারণ, এতে তার মানসিক অস্থিরতা সৃষ্টি হবে।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ২১৪
পৃষ্ঠা ১১৯
http://t.me/pathofisla
🌸🌸🌸মালফূয ৫৯🌸🌸🌸🌸
আল্লাহ্ওয়ালাদের তারবিয়াত (শাসন/ধমক/থাপ্পড়/জরিমানা/কানে ধরানো/সবার সামনে লজ্জা দেওয়া ইত্যাদি) আল্লাহ্পানে চলার পথের সারা জীবনের পুঁজি
হযরতওয়ালা দাঃ বাঃ বলেন, হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহঃ (যিনি হাকীমুল উম্মত রহঃ এর অন্যতম খলিফা) মাঝে মধ্যেই চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে কাঁদতেন, ছাত্র যামানায় আমরা এই দৃশ্য দেখতাম সামনে বসে বসে। তখন বলতেন কি! একবার কোনও একটা কারণে হযরত হাকীমুল উম্মত আশরাফ আলী থানভী রহঃ আমাকে থাপ্পড় দিয়েছিলেন।
এই থাপ্পড়টা দেওয়াতে পরবর্তী জীবনে আমার এতো উপকার হয়েছে, জিন্দেগী এতো বনা বনেছে যে এখন মনে হয়, হায়রে আফসোস! (মাত্র) একটা থাপ্পড় জীবনে খাইলাম, দুইটা থাপ্পড় যদি আরও খাইতাম জিন্দেগী আরও বনতো, আরও ভালো হইতো! (এরপর হযরত কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন) থাপ্পড় আর খাই নাই, থাপ্পড় দেওয়ার কেউ আর নাই পৃথিবীতে!!! এই কথা বলতেন আর কাঁদতেন! আমি সচক্ষে এই দৃশ্য দেখেছি।
ফায়দাঃ যারা সাচ্চা আল্লাহ্ওয়ালা সারা জিন্দেগী কারো মাথা হাতে চলার তামান্না তাঁদের মিটে না। বরং সারা জীবনই তাঁরা তাঁদের মুরুব্বীদের তরবিয়াতের কথা কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ করতেই থাকেন।
http://t.me/khanqaSN
মুহাম্মাদ রুহুল আমিন,
সোনারগাঁ।
644 নং উত্তর:
মেবাইলের অ্যাপ কুর'আনুল কারিম উযু ছাড়া ধরা সংক্রান্ত।
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
http://t.me/pathofisla
রেনেটা ঔষধ কোম্পানির ইফতার সাহরীর ক্যালেন্ডারে ভুল, সতর্কতা কাম্য-
---
কোনো অন্যায় কাজ যদি প্রকাশ্যে সংঘটিত হয়, যে অন্যায় কাজের দ্বারা বহু লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, এরকম ক্ষেত্রে সে অন্যায় কাজের প্রতিবাদ প্রকাশ্যে করা জরুরী। তার কারণ সে অন্যায়ের প্রতিবাদ প্রকাশ্যে যদি করা না হয়, প্রকাশ্যে যদি না বলা হয় তাহলে বহু লোক এই অন্যায় বিষয়টা বুঝতে পারে না, জানতে পারে না। যে কারণে তারা অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর এ বিষয়টা যদি কোনো দ্বীনী বিষয় হয় তাহলে বিষয়টা তো আরো বেশি নাযুক। আরো বেশি মারাত্মক, আরো বেশি গুরুতর। তখন সেই অন্যায়ের প্রতিবাদ করা আরো বেশী জরুরী হয়ে দাঁড়ায়।
প্রতি বছরই দেখা যায় যে রমযান উপলক্ষে ইফতার, সাহরীর সময়সূচীর ক্যালেন্ডার অনেকেই বের করে থাকে। বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানী, বিভিন্ন পণ্যের কোম্পানী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রমযানের ইফতার, সাহারীর সময়সূচির ক্যালেন্ডার বের করে থাকে।
এই বৎসর(১৪৪০ হিজরী ২০১৯ সাল) রেনেটা ঔষধ কোম্পানীর পক্ষ থেকে যে ইফতার সেহরীর সময়সূচী বের করা হয়েছে তার মাঝে মারাত্মক ত্রুটি আছে। সেটা হচ্ছে, ইফতারের সময়সূচিতে তারা বিভিন্ন জেলা ভিত্তিক যে সময়ের পার্থক্য আছে, ঢাকার সময়ের সাথে কোথায় কয় মিনিট যোগ করতে হবে, কোথায় বিয়োগ করতে হবে সেটা উল্লেখ আছে। কিন্তু সাহরীর সময়সূচী রেনেটা ঔষধ কোম্পানীর ক্যালেন্ডারে সারা দেশব্যাপী এক। সাহরীর সময় ঢাকার সময়ের সাথে, অন্যান্য জেলার সময়ের যোগ বিয়োগ করতে হয় সেটা এই ক্যালেন্ডারে নাই। এটা এক বড় ত্রুটি। এই ক্যালেন্ডার যদি কেউ অনুসরণ করে, এই ক্যালেন্ডার দেখে যদি কেউ সাহরীর সময় নির্ধারণ করে এবং এর উপর যদি আমল করে তাহলে তো অনেক লোকের রোযাই নষ্ট হওয়ার আশংকার মধ্যে পরে যাবে। তার করণ কিছু কিছু জেলা এ রকম আছে যা ঢাকার সময়ের সাথে বেশ কয়েক মিনিট সময়ের পার্থক্য হয়ে থাকে।
দ্বীনী বিষয় সাবধানতার সাথে করা চাই। যেহেতু এই কোম্পানীর এই কাজটা জাতীয় ভাবে হয়েছে অর্থাৎ পুরা দেশব্যাপী ক্যালেন্ডারটা প্রচার করা হয়েছে। এই ক্যালেন্ডারটি ডাক্তারদের নিকট পৌছে গেছে, ওষুধের ফার্মেসিতে পৌছে গেছে, অনেক সাধারণ লোকের নিকট পৌছে গেছে, মোট কথা হাজার হাজার লোকের কাছে এই ক্যালেন্ডারটা পৌঁছে গেছে। আল্লাহ্ না করেন এটা দেখে যদি মুসলমান ভাইয়েরা সাহরীর সময় নির্ধারণ করে থাকেন যে, সাহারীর শেষ সময় এটা, সেক্ষেত্রে কোনো কোনো জেলার মুসলমানরা সমস্যার মধ্যে পড়ে গেছেন। এরকম না হোক সেই দোয়াই করি।
তো এজন্যই দ্বীনের এক উসূল হল, বড় মূলনীতি হচ্ছে, দ্বীনী কোনো বিষয় যার তার কাছ থেকে গ্রহণ না করা। কোনো বিজ্ঞ মুত্তাকী ব্যক্তির নিকট থেকে গ্রহণ করা। যে আল্লাহ ওয়ালা এরকম ব্যক্তির নিকট থেকে দ্বীন গ্রহণ করা। এখন মনে হতে পারে যে, এখানে দ্বীনের বিশেষ কি আছে? অবশ্যই আছে। তার কারণ রমযানের রোযা তো সময়ের সাথে সম্পর্কিত। সাহরীর শেষ সময় কখন, ইফতারের সময় কখন, সেটা সঠিকভাবে না জানা থাকলে তো মারাত্মক ক্ষতি। এটা অবশ্যই দ্বীনী বিষয়। এজন্য এটা(ইফতার সাহরীর ক্যালেন্ডার) এমন কোনো ব্যক্তির নিকট থেকে গ্রহণ করা যে বিশ্বস্ত, মুত্তাকী, আল্লাহওয়ালা। দ্বীনী সকল বিষয়ই মুত্তাকী লোকের নিকট থেকে গ্রহণ করতে হবে। মুত্তাকী কোনো বিজ্ঞ আল্লাহ ওয়ালার নিকট থেকেই গ্রহণ করতে হবে।
ইফতার সাহরীর ক্যালেন্ডার এর ক্ষেত্রে বলা যেতে পারে, হয়রত মুফতী মনসুরুল হক দা.বা. এর ওয়েবসাইটে ( http://www.darsemansoor.com )
ঢুকলে দেখা যায় একটা ক্যালেন্ডার আছে। হযরতের যে অ্যাপ আছে ইসলামী জিন্দেগী (ইসলামী জিন্দেগী এপের লিংক https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi )
এই অ্যাপ এর মাঝখানে ঢুকলে দেখা যায় যে, বেশ কয়েকটা অপশন থাকে। তার মধ্যে একটি অপশন হল নামাযের সময়সূচী। সে অপশনে ক্লিক করলেই পুরো পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের সময়সূচি এবং সাহরীর শেষ সময়, ইফতারের সময় গুলো লেখা আছে। বিভিন্ন দেশ এবং জেলার নাম লেখা আছে, সেই জেলা অনুযায়ী তার ইফতারের, সাহরীর সময়সূচি জানার সুযোগ আছে। এখন তো প্রযুক্তির যুগ। আমাদের জন্য আল্লাহপাক অনেক সহজ করে দিয়েছেন। এটা আমরা সংগ্রহ করতে পারি।
মোটকথা দ্বীন গ্রহণ করতে হবে কোনো বিজ্ঞ মুত্তাকী আলেমের নিকট থেকে, যার তার নিকট থেকে দ্বীন গ্রহণ না করা জরুরী। তা নাহলে এরকম মারাত্মক ভুল হয়ে যেতে পারে, যে বিষয়টা নিয়ে আজকে বলা হলো।
আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের সকলকে সতর্ক হওয়ার জন্য খুব তৌফিক দান করেন। আমীন...
- রবিউল আকরাম গুফিরালাহু
(লেছানে হাকীমুল উম্মত মাওলানা আবদুল
মতীন বিন হুসাইন দা.বা. এর স্নেহধন্য খাদেম)
http://t.me/islamejebon
8.5.2019 , বাইতুল হক জামে মসজিদ, ঢালকানগর ঢাকা
তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর
মালফুযাত
তারাবীহ এর প্রতি চার রাকাত পর দোআর বিষয়ে বলেন,
*কয়েক বার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পড়া। এক আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পড়ার দ্বারা সাত আসমান জমিন থেকে বড় দৌলত অর্জন হয়ে যায়।
*এস্তেগফার করতে পারি। আস্তাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ............ আল্লাহ মাফ চাই,
আল্লাহ মাফ চাই.............
অথবা
*আল্লাহুম্মাগফিরলী আল্লাহুম্মাগফিরলী.........
আল্লাহ! আমাকে মাফ করে দেন,
আল্লাহ! আমাকে মাফ করে দেন।
অথবা
*দুরূদ শরীফ পড়তে পারেন।
*কিছু বুযুর্গানের অভ্যাস ছিল
সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ,
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার বলতেন।
*মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহমাতুল্লাহি আলাইহ্কে একজন জিজ্ঞাসা করেছে যে, আপনি প্রতি চার রাকাতের পরে কি পড়েন?
বললেন যে, কোন তসবীহ তো নির্ধারিত নেই। যে কোনো একটা পড়া যায়।
সে আবার বলে যে, আপনি কি পড়েন?
বলেন, আমি ২০ বার দুরূদ শরীফ পড়ি।
http://t.me/qaumiboyan
http://t.me/qaumimalfuzat
http://t.me/pathofisla
পিছন থেকে সালাম দেওয়া সুন্নত, না খেলাফে সুন্নাত? অনেক মানুষ আলেম, বুখারী শরীফ পড়ায় পিছন থেকে সালাম দেয়! হাঁটছে। পিছন থেকে আসসালামু আলাইকুম। পিছনের দিকে ফিরে কিভাবে মানুষ ওয়ালাইকুমুস সালাম বলে? বহু মুসলমান তো আছেই, বহু তালেবে এলেমরও একই হাল!
নামাযের দ্বিতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়েই আলহামদুলিল্লাহ রব্বিল আলামীন পড়া শুরু করে দেয়। কোন বিলম্ব নেই। এখানে সূরা ফাতেহার আগে বিসমিল্লাহ তো পড়তে হয়।
সিজদা থেকে উঠে মুসল্লীরা সোজা হয়ে বসতেও পারে না ইমাম আবার সিজদায় চলে যায়। এটা কি তরিকা? এত অস্থিরতা কেন? ইমামে আহমদ বিন হাম্বল রহমাতুল্লাহি আলাইহ্ এর নিকট দুই সিজদার মাঝখানে আল্লাহুমাগফিরলী বলা ওয়াজিব। হানাফী মাযহাবের এটা উসুল যে, আরেক মাযহাব এবং হানাফী মাযহাবের এখতেলাফ সত্ত্বেও দুইটার সমন্বয় যদি করা যায় তাহলে সেটা করা মুস্তাহাব। এখানে আমাদের হানাফী মাযহাবে আল্লাহুমাগফিরলী বলা ওয়াজিব তো না, সুন্নত-মুস্তাহাব।
মনে হয় অধিকাংশ লোকের রুকূ ঠিক হয় না। রুকূর মধ্যে মাথা, পিঠ এবং নিতম্ব বরাবর হওয়া চাই। আরেকটা হল রুকূতে দুই হাত দিয়ে হাঁটু মজবুত করে ধরা আঙুল ছড়িয়ে দিয়ে এবং দুই হাত টানা সোজা থাকা।
মালফূযাতে শাহ্ আবদুল মতিন বিন হুসাইন দাঃ বাঃ
http://t.me/islamejebon
http://t.me/alokitojibon
http://t.me/dinimazlis
http://t.me/qaumiboyan
http://t.me/qaumimalfuzat
http://t.me/pathofisla
মোবাইল মেসেজের উপর নির্ভর করে কোনো প্রতিষ্ঠানে যাকাত দেওয়া উচিত না-
---
মোবাইলে মাঝে মধ্যে মেসেজ আসে যে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল গুলোতে যাকাত দেওয়ার কথা বলে। অর্থাৎ একটা নাম্বার পাঠিয়ে দেয়, ঐ নাম্বারে যোগাযোগ করতে বলা হয়। এবং সেখানে যাকাতের টাকা পাঠানোর কথা বলা হয়। সেই হাসপাতালে বা প্রতিষ্ঠানে দেওয়া যাকাতের টাকা গরীবদের মাঝে খরচ করা হবে, এরকম মেসেজ বিভিন্ন সময় মোবাইলে আসে।
যাকাত তো এক গুরুত্বপূর্ণ ফরয ইবাদত। আল্লাহপাকের নৈকট্য হাসিলের বড় হাতিয়ার। বড় এক মাধ্যম। এইভাবে যাকাত না দেয়া চাই। কারণ হচ্ছে- যে প্রতিষ্ঠানে, যে হাসপাতালে আমি যাকাত দিব। আমার দেওয়া যাকাতের টাকা যে খরচ করবে, অর্থাৎ যিনি আমার উকিল, যিনি টাকা খরচ করবেন গরিবদের মাঝে, তিনি কেমন মানুষ সে সম্পর্কে আমার জানা নাই। সে কতটুকু নির্ভরযোগ্য? সে কতটুকু দ্বীনদার? সে কতটুকু আমানতদার? সে বিষয়টা আমার কাছে একেবারেই অস্পষ্ট। যাকে আমি কোন দিন দেখিও নাই। এজন্য সাবধানতা এটাই যে, এরকম মেসেজ এর উপর নির্ভর করে এই ধরনের প্রতিষ্ঠানে যাকাত না দেওয়া চাই।
কেউ যদি ব্যক্তিগতভাবে সরজমিনে, সে সকল প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আগে থেকে জানা শুনা থাকে, যে যাকাতের টাকা বন্টন করব অর্থাৎ যে উকিল হবে, তার সম্পর্কে যদি জানা শুনা থাকে, সে যদি নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি হয়। তাহলে তো কোনো অসুবিধা নাই। অন্যথায় শুধু একটা মেসেজ এর উপর নির্ভর করে, এই রকম স্থানে যাকাত পৌঁছানো ঠিক হবে না। আল্লাহ তা'য়ালা আমাদেরকে বুঝার, উপলব্ধি করার ও আমল করার তৌফিক দান করেন।
যাকাত দেওয়ার যত ক্ষেত্র আছে, সবচাইতে উত্তম ক্ষেত্র হচ্ছে, মাদ্রাসার গুরাবা ফান্ডে যাকাত দেওয়া। মাদ্রাসার গুরাবা ফান্ডে যাকাত দিলে, এক তো হল গরিবদেরকে যাকাত দেয়া হলো, মাদ্রাসায় যে গরিব ছাত্র আছে তাদের খরচের জন্য টাকাটা খরচ করা হয়। দ্বিতীয় বিষয় হল, ইলমে দ্বীনের সহায়তা করা হইল। যেটা অনেক বড় নেক আমল। সদকায়ে জারিয়াও বটে। আজকের এই ছাত্র এক সময় আলেমে দ্বীন হবে, হাফেজে কোরআন হবে, সে মানুষকে দ্বীনের কথা শুনাবে, ইসলামের প্রচার করবে, এটা সদকায়ে জারিয়াও হবে। এজন্য মাদ্রাসার গুরাবা ফান্ড হচ্ছে যাকাত দেওয়ার উত্তম জায়গা।
এ ছাড়াও নিজের কোনো গরীব আত্মীয় যদি যাকাতের হকদার হয়ে থাকে তাকেও দেওয়া যেতে পারে। আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের সকলকে আমল করার তৌফিক দান করেন। আমীন...
- রবিউল আকরাম গুফিরালাহু
(লেছানে হাকীমুল উম্মত মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন দা.বা. এর স্নেহধন্য খাদেম)
রেকর্ডকৃত অডিও হতে লেখাটি টাইপ করা হয়েছে। নিয়মিত অডিও পেতে Whatsapp ইনস্টল করে join হোন নিচের লিংকে (01780290291 বা 01821077653 নম্বরে যোগাযোগ করুন)
http://t.me/islamejebon
মহিলা ফেতনা হতে বাচার নিয়তে এখনই ঈদের মার্কেটিং সম্পন্ন করে ফেলা চাই-
Telegram এ নিয়মিত অডিও পেতে join হোন নিচের লিংকে
t.me/alokitojibon
t.me/dinimazlis
http://t.me/pathofisla
৫২ মিনিটের জুমু'আর গুরুত্বপূর্ণ বয়ান। (২৪ এমবি)
-মাওলানা সালাহ্ উদ্দীন দাঃ বাঃ
ইমাম ও খতিবঃ বড় পুকুরপাড় জামে মসজিদ, ফুলবাড়ীয়া, মোমেনশাহী
বিষয়ঃ যাকাত দেওয়ার ফাযায়েল + যাকাত কখন ফরয হয় ? + যাকাত ফরয হওয়া ও সদকায়ে ফিতর ওয়াজিব হওয়ার মধ্যে পার্থক্য + কোন দ্বীনী কিতাব কিনার আগে অথবা পড়ার আগে কোনো হক্কানী আলেমের সাথে পরামর্শ করে নেয়া।
তারিখঃ ১৭.০৫.১৯ ঈসায়ী
রেকর্ডিং কোয়ালিটিঃ ভাল এবং স্পষ্ট
http://t.me/pathofisla
হযরত থানভী রহঃ বলেন, কেউ কথাবার্তা বা অন্য কোনো কাজে ব্যস্ত থাকলে আগমনকারী ব্যক্তির নীরবে বসে যাওয়া উচিত। মাঝখানে এসে সালাম দিয়ে বিঘ্ন ঘটানো বা মুসাফাহা করতে যাওয়া অভদ্রতা। এতে কষ্ট হয়।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৮৮১
পৃষ্ঠা ৩৯৮
http://t.me/pathofisla
মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম,
মতিঝিল,ঢাকা।
628 নং উত্তর:
তারাবি পড়ানো হাফেজদের হাদিয়া সংক্রান্ত।
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
http://t.me/pathofisla
মুহাম্মাদ সাকিল আহমাদ,
চকবাজার,ঢাকা।
625 নং উত্তর:
মহিলারা ফোনের মাধ্যমে আলেমদের কাছথেকে মাসয়ালা জানা সংক্রান্ত।
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
http://t.me/pathofisla
12.5.2019 Bad Tarawih, বাইতুল হক জামে মসজিদ, ঢালকানগর ঢাকা
তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শাইখুল হাদীস শাইখুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ্ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর মালফুযাত
হাতে বড় বড় মোটা দানার তসবীহ। খট খট করে পড়ছে। চোখে সুরমা লাগানো। মাথায় পাগড়ী বাঁধা। দাঁড়ি একদম সুন্নতের পূর্ণ মাপ মোতাবেক। দেখলে মনে হয় আবদাল, গাওছ এবং ফেরেশতা। রোযা-নামায সব কিছু ঠিক আছে। বারবার হজ-উমরা, তাওয়াফ, সাঈ এবং মদীনা শরীফের বারবার জিয়ারত, তাহাজ্জুদের নামায, এশরাক খুব আছে মাশাআল্লাহ। কিন্তু কোন একটা গুনাহে কবিরাতে সে লিপ্ত। এখনো সেটা ছুটেনি। তার হাজারো হজ-উমরা এবং নেক আমল সেগুলো ঠিক আছে নিজ জায়গাতে। কিন্তু এই লোক এখনো ওলী-আল্লাহ হয়নি। একটিমাত্র গুনাহের অভ্যাস থাকলে কস্মিনকালেও সে ওলী-আল্লাহ হতে পারে না। সারা জাহানের সবগুলো নেক আমল করার পরও গুনাহের অভ্যাস ভিতরে থাকলে সে ওলী নয়।
http://t.me/pathofisla
কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ১২)
মুফতী তাকী উসমানী দাঃ বাঃ এর মুহতারামা বড় বোন না'ঈমা খাতুন রহঃ
যেমনটা উপরে বলেছি, বিবাহের পর অধিকাংশ সময় তিনি অর্থসংকটে জর্জরিত ছিলেন। এরকম অবস্থায়ই তিনি একদিন আব্বাজান রহঃ (মুফতী শফী রহঃ) এর কাছে আরয করলেন, আমার জন্য দু'আ করুন। আল্লাহ্ তা'আলা যেন আমাকে হজ্জ আদায়ের সৌভাগ্য দান করেন। আব্বাজান রহঃ বললেন, তোমার কি হজ্জ করার খুব আগ্রহ? তিনি নিজ আগ্রহের কথা জানালেন। আব্বাজান রহঃ বললেন, না, তোমার আগ্রহ নেই। তিনি হয়রান হয়ে বললেন, আমি সত্যিই বলছি, আমার মনে হজ্জের বড় ব্যাকুলতা।
আব্বাজান রহঃ বললেন, তাই যদি হয় তবে বল তো তুমি কি সেজন্যে কিছু টাকা-পয়সা জমিয়েছ? তিনি না বাচক উত্তর দিলেন। আব্বাজান রহঃ বললেন, তার অর্থ দাঁড়ায় তোমার আগ্রহ কেবলই মৌখিক। সত্যিকারের আগ্রহ থাকলে তুমি সেজন্য কিছু না কিছু টাকা জমাতে।
তিনি ওজর পেশ করলেন, কিছু বাঁচলেই তো জমাব? আব্বাজান রহঃ বললেন, তুমি এ কাজের জন্য এক আনাও জমাতে পারতে না? তিনি বললেন, এতটুকু তো বাঁচাতে পারি। কিন্তু হজ্জের যে খরচ, এ দিয়ে তাতে কী হবে? আব্বাজান রহঃ বললেন, বান্দা নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী যখন কোনও নেক কাজের জন্য পা বাড়ায়, তখন আল্লাহ্ তা'আলার তরফ থেকে তাকে সাহায্য করা হয়। যদি সেই নেক কাজ তার পক্ষে করা সম্ভব নাও হয়, তবে ইনশাআল্লাহ তার ছওয়াব সে অবশ্যই পেয়ে যাবে। কিন্তু সেজন্য কদম তো ফেলতে হবে। কেবল আকাঙ্ক্ষা দিয়ে কোনও কাজ হয় না।
এভাবে তো কথা শেষ হয়ে গেল। এর বেশ পরে ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে আপাজানের ইন্তিকাল হয়ে যায়। ইন্তিকালের পর ওয়ারিছগণ তাঁর মালামাল খুঁজে দেখল। তাতে ছোট্ট একটা কাপড়ের পুটলি পাওয়া গেল। তাতে লেখা আছে, 'হজ্জের জন্য পয়সা'। সেটি খুলে দেখা গেল খুব সামান্য কিছু টাকা। খুব সম্ভব ৬৫ টাকা ছিল। তা দেখে আব্বাজান রহঃ এর চোখে পানি চলে আসল। তখন আব্বাজান রহঃ সবটা ঘটনা আমাদের শোনালেন। তারপর যখন সুযোগ হল, তিনি তাঁর বদলী হজ্জ করালেন এবং সেই টাকা তাতে খরচ করলেন।
আরও পরের কথা একবার আব্বাজান রহঃ হজ্জ আদায়কালে আরাফাতের ময়দানে ছিলেন। তখন কিছুক্ষণের জন্য তিনি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় স্বপ্নে দেখেন আপাজান আরাফাতের জাবালে রহমতে আরোহন করছেন। এভাবে আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর এ 'আশেকা বান্দীর হজ্জ আদায় করিয়ে দেন। আল্লাহ্ তা'আলা আপাজানের প্রতি তাঁর অনন্ত রহমতের বারিধারা বর্ষণ করুন।
শাইখুল ইসলাম মুফতী তাকী উসমানী দাঃ বাঃ এর আত্নজীবনীমূলক রচনা 'আমার জীবনকথা' (১ম খণ্ড)
পৃষ্ঠাঃ ৫৩ - ৫৪
অনুবাদঃ মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম
প্রকাশনায়ঃ মাকতাবাতুল আশরাফ
প্রকাশকালঃ জানুয়ারী ২০১৮ ঈসাব্দ
http://t.me/pathofisla
10-6-2018
হাফেজ্জী হুজুর রহ. এর রমজানের আমল -
(পুরোনো পোস্ট, সাউন্ড স্পষ্ট।)
Telegram এ নিয়মিত অডিও পেতে join হোন নিচের লিংকে
t.me/alokitojibon
t.me/dinimazlis
http://t.me/pathofisla
৫৩ মিনিটের গুরুত্বপূর্ণ জুমু'আর বয়ান যা আমাদের জীবনের পাথেয় হতে পারে।
১০/০৫/১৯
বিষয়ঃ যে কাজগুলো করলে আমার রোজা আল্লাহ্ তা'আলার দরবারে কবুলযোগ্য হবে।
-মাওলানা সালাহ্ উদ্দীন দাঃ বাঃ
ইমাম ও খতিবঃ বড় পুকুরপাড় জামে মসজিদ, ফুলবাড়ীয়া, মোমেনশাহী
রেকর্ডিং কোয়ালিটিঃ ভালো এবং স্পষ্ট।
http://t.me/pathofisla
প্রথম স্তর, মধ্যবর্তী স্তর ও চূড়ান্ত স্তরের দৃষ্টান্ত
হযরত থানভী রহঃ বলেন, প্রথম পর্যায়, মধ্যম পর্যায় এবং শেষ পর্যায়ে অবস্থানকারী আল্লাহ্র পথের পথিকের দৃষ্টান্ত এমন, যেমন এক ব্যক্তি কখনোই মদ পান করেনি এ কারণে তার হুঁশ ঠিক আছে, এ হলো প্রথম পর্যায়ের লোক।
আরেক ব্যক্তি কেবলমাত্র মদ পান করতে আরম্ভ করেছে, ফলে সে মাতাল, এ হলো মধ্যম পর্যায়ের লোক।
আরেক ব্যক্তি বহু বছর যাবৎ মদ পানে অভ্যস্ত, এ কারণে তার নেশা তো হয়, কিন্তু খুব বেশী হয় না, এ হলো শেষ পর্যায়ের লোক।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ১১৩
পৃষ্ঠা ৯০
http://t.me/pathofisla
আলহামদুলিল্লাহ পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ 🌙 দেখা গিয়েছে।
নতুন চাঁদ দেখলে এই দু'আ পড়া সুন্নাত
اللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالأَمْنِ وَالإِيمَانِ ، وَالسَّلاَمَةِ وَالإِسْلاَمِ ، رَبِّي وَرَبُّك اللَّهُ .
অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি এ চন্দ্রকে ঈমান ও নিরাপত্তা এবং শান্তি ও ইসলামের সাথে উদিত করুন, (এবং হে চাঁদ!) আমার ও তোমার প্রতিপালক এক আল্লাহ। (তিরমিযী, হাদীস নং-৩৪৬০/ মুসতাদরাকে হাকেম, হাদীস নং-৭৭৬৭)
মাসনূন দু'আ ও দুরূদ
-মুফতী মনসূরুল হক্ব দাঃ বাঃ
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
http://t.me/pathofisla
ইলমী শক্তির দূর্বলতার ফলে আমলী শক্তির দূর্বলতা
হযরত থানভী রহঃ বলেন, আমাদের আমলী শক্তি এ জন্যে দূর্বল যে, আমাদের ইলমী শক্তি দূর্বল। গুণাহের যে ক্ষতি, তা যদি আমাদের পুরাপুরি জানা থাকতো তাহলে নামায ছাড়ার সাহস আমাদের হতো না। যেমন, বিষের ক্ষতি সম্পর্কে আমাদের জানা আছে তাই পরীক্ষা করার জন্যে এবং অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্যেও কেউ হয়তো কোনো দিন খেয়ে দেখেনি। এমনিভাবে উপর থেকে পড়ে যাওয়ার ক্ষতি সম্পর্কে সবারই জানা আছে, তাই পরীক্ষামূলকও কেউ উপর থেকে পড়েনি।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৩১৯
পৃষ্ঠা ১৫১
http://t.me/pathofisla
17.4.2019 কাতার থেকে কণ্ঠ দিয়ে পাঠানো
তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা *হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম* এর আল্লাহপাকের গভীর মহব্বতে লেখা কবিতা:
*প্রেমের ভোমরা*
হাফেয রাকীবুল হাসানের কণ্ঠে
