es
Feedback
Tech Tips 360°

Tech Tips 360°

Ir al canal en Telegram

TechTips360 নানারকম অনলাইন ইনকাম যেমন: এয়ারড্রপ, ক্রিপটো ট্রেডিং, মাইক্রোজবস, ফ্রিল্যান্সিং সংক্রান্ত নানারকম টিপস ও সহযোগিতা প্রদান করে। Chat Zone: https://t.me/discusshub360 #crypto #trading #freelancing #airdrop #bitcoin

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Tech Tips 360°

El canal Tech Tips 360° (@techtips360) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 10 596 suscriptores, ocupando la posición 11 569 en la categoría Tecnologías y Aplicaciones y el puesto 2 176 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 10 596 suscriptores.

Según los últimos datos del 30 junio, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de -234, y en las últimas 24 horas de -10, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 21.61%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 5.39% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 2 290 visualizaciones. En el primer día suele acumular 571 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 6.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
TechTips360 নানারকম অনলাইন ইনকাম যেমন: এয়ারড্রপ, ক্রিপটো ট্রেডিং, মাইক্রোজবস, ফ্রিল্যান্সিং সংক্রান্ত নানারকম টিপস ও সহযোগিতা প্রদান করে। Chat Zone: https://t.me/discusshub360 #crypto #trading #freelancing #airdrop #bitcoin

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 01 julio, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Tecnologías y Aplicaciones.

10 596
Suscriptores
-1024 horas
-527 días
-23430 días
Archivo de publicaciones
ঈদ মোবারক 😂😂😂😂

আমরা টুটাল 7টা সাইটে আপতত কাজ করবো সামনে আরে ভালো সাইট পাইলে এড করবো। 2/3$ ডলারের ডেইলি কাজ দিবো। যারা আমাদের সাথে কাজ করতে চান তারা এই 7টা সাইটে একাউন্ট করেন যাদের একাউন্ট আছে তারা লগইন করে কাজ করবেন। (১) Socpublic:👇👇 https://socpublic.com/?i=8023306&slide=1 (2) Unu:👇👇 https://unu.im/re/1080094 (3) Aviso:👇👇 https://aviso.bz/?r=mdbiplob32 (4)Seosprint:👇👇 https://seosprint.net/?ref=15950483 USD ইনকাম সাইট। (5)Picoworker:👇👇 https://sproutgigs.com/?a=f70a9196 (6)Rapidworkers: https://www.rapidworkers.com/ (7) E-task :👇👇 https://e-task.net/ আপনি ডেইলি একটা টার্গেট নিবেন, টাকা হিসাব করবেন সাপ্তাহিক বা পাক্ষিক তাহলে যেকোন একটা কিছু করতে পারবেন। আস্তে আস্তে সবগুলো সাইটের ভিডিও পাবেন, যেকোন একটা সাইটের কাজ পেলে আপনি সব গুলো সাইটেই রাজত্ব করতে পারবেন😎😎 ## যাদের এই ইনকাম দরকার শুধু তারাই জয়েন করবেন। Channel Link:👇 https://t.me/MicroWorkEarningBD Group Link:👇 https://t.me/+pKzSk0vl-h0yM2M1 >< Socpublic কাজ শিখার ভিডিও 👇👇👇>< PART VIDEO-1 :👇👇 https://youtu.be/GddQlDkm8jM PART VIDEO-2:👇👇 https://youtu.be/BbP1vRX6MW4 PART VIDEO-3:👇👇 https://youtu.be/tKJdwa7-6f4

হোয়াটসআপে অনেকে বলছিলো অ্যাপ স্ক্যাম করেছে। কেউ কেউ বলছিলো বিটব্যাংকের বিরুদ্ধে পুলিশে রিপোর্ট করার জন্য। ওদের গ্রুপ এডমিন এলো এবং বললো, " অন্যায়ভাবে বিটব্যাংকের বিরুদ্ধে কোন রিপোর্ট করলে তাদের কোম্পানি রেপুটেশন নষ্ট হবে ও রিপোর্টকারীর বিরুদ্ধে হেড অফিস থেকে লিগ্যাল এ্যাকশন নিবে বিটব্যাংক অথরিটিজ। তাই মনে হলো ভালোই হেডম আছে 🙄 যাইহোক, 😘 বিটব্যাংক ঠিক হয়ে গেছে 😘 সবাই লগইন করতে পারবেন এখন । সমস্যা হলে অ্যাপ আপডেট করতে বললো। ❤️❤️❤️

বিটব্যাংক সাপোর্ট থেকে জানালো ওদের নেটওয়ার্ক ফ্লাকচুয়েশনের কারণে কোন ডাটা শো করছে না। অপেক্ষা করতে বললো। 🙄

বিটব্যাংক বিশাল আপডেট দেয়ার তিন দিনের ভেতর বন্ধ হলো নাকি 😢 আমার ডলারগুলো তোলা হয়নি। 126 ডলার 😭 অ্যাপ কাজ করে না, ব্রাউজার কাজ করে না, এডমিন প্যানেল রিপ্লাই দেয় না। 😡😡

আজকে কে হারবে? আমি ভাবছি গদা সুজনের দল হারবে :P
Anonymous voting

আজকে বিটব্যাংক অ্যাপের ভার্সন 1.9 এসেছে। যারা লগইন করতে পারছেন না তারা অ্যাপে প্রবেশ করলে পপআপ স্ক্রিন থেকে আপডেট দিন। কাজ না করলে অ্যাপ আনইন্সটল করে পুনরায় নিউ আপডেটের অ্যাপ ইন্সটল করুন। দেখি 2/3 দিনের ভেতর বিটব্যাংকের আপডেট ভিডিও দেবো 😁😁 আমি ভাবতেও পারি না, । জয়েন লিংক: https://app.bitbankpro.cc/cpt-h5/register?u=8TEA8Y

BBT TOKEN 120 দিন পর বিন্যান্সে লিস্টেড হবে। আমি পঞ্চাশ ডলারের টোকেন হোল্ড করেছি 😎😎 বিটব্যাংক তার মানে লম্বা রেসেরই ঘোড়া 🥰
BBT TOKEN 120 দিন পর বিন্যান্সে লিস্টেড হবে। আমি পঞ্চাশ ডলারের টোকেন হোল্ড করেছি 😎😎 বিটব্যাংক তার মানে লম্বা রেসেরই ঘোড়া 🥰🥰 যারা কাজ করেন নাই, তারা চাক ভাঙ্গা মধু মিস করেছেন 😋😋😋

সোয়েট কয়েন 12 তারিখ রিলিজ হবে 😍
সোয়েট কয়েন 12 তারিখ রিলিজ হবে 😍

আমার ডলার বেচবো না । তোমরা দেশে লুটপাট করবা আর আমরা সাফার করবো ? তোমার বেজন্মা সন্তানেরা ডলার মজুদ করেছে তাদের গিয়ে ধরো । কোট
আমার ডলার বেচবো না । তোমরা দেশে লুটপাট করবা আর আমরা সাফার করবো ? তোমার বেজন্মা সন্তানেরা ডলার মজুদ করেছে তাদের গিয়ে ধরো । কোটি কোটি ডলার বের হবে । সেটা না করে সাধারণ মানুষের ডলারের দিকে নজর দেয়ার কি দরকার ? যদি দেশ চালাতে না পারো ক্ষমতা ছেড়ে দাও, দেশ কিভাবে চালাতে হয়, ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর কিভাবে চালাতে হয় দেখিয়ে দেই । বেজন্মা 🖕🖕

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে লাইসেন্স পেলো নগদ । ব তে বলদ না হয়ে ন তে এখন নগদে আসেন 😂😂 এখন থেকে প্রোপ্যাগান্ডা ছড়ালে খ তে খবর বানিয়
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে লাইসেন্স পেলো নগদ । ব তে বলদ না হয়ে ন তে এখন নগদে আসেন 😂😂 এখন থেকে প্রোপ্যাগান্ডা ছড়ালে খ তে খবর বানিয়ে দিবে পুলিশ । 😎

👆👆উপরের এই স্কিনশর্টটা একটু আগের , 997 billion Doller এর Market cap। যেখানে আমাদের দেশের রিজার্ভ 43 billion doller. আপনি শু
👆👆উপরের এই স্কিনশর্টটা একটু আগের , 997 billion Doller এর  Market cap।  যেখানে আমাদের দেশের রিজার্ভ 43 billion doller.  আপনি শুধু একটু আইডিয়া করেন এটা কতো বড় ইন্ডাস্ট্রি।  Gamifi,Dapps,DAO,  এমন আরো কয়েকটা ইন্ডাস্ট্রি আছে এগুলোর কথা বললে আপনি হা করে থাকবেন,এগুলো খায় না মাথায় দেয়।  ফেসবুকে ফানি ভিডিও আর হিরো আলমের ভিডিওতে কমেন্ট করে রাতে জব প্রিপারেশনের প্রস্তুতি নিয়ে যখন জবের জন্য দৌড়াতে থাকবেন তখন ভাববেন জীবনে কি করলাম, আর ক্লাস -৮ম পড়া একটা ছেলে ২০ হাজার ডলার দিয়ে ট্রেড করে নিজের খামার + ফিসারি সামাল দিয়ে রাতে  ফাইনাল এক্সাম এর জন্য প্রিপারেশন নেয়। সেজানে  পৃথিবী কোন দিকে বয়ে চলছে। একজন ফ্রিল্যান্সারকে জিজ্ঞেস কইরেন তার সফলতার পিছনে কতগুলো রাত জাগার গল্প রয়েছে। Freelancing এ আপনাকে কাজের জন্য অন্য জনের উপর ডিপেন্ড করতে হয় আর ট্রেডে ডলার স্টোর করা আছে আপনার নলেজ দিয়ে উপার্জন করতে হবে। Freelancing খারাপ আমি এটা বুঝায় নি। আমি এটা বলছি ট্রেডে আপনাকে করোর উপর ডিপেন্ড করতে হবে না শুধু নিজের মেধার ইউজ করে ইনকাম করো। ইউটিউবে সার্চ করবেন ক্রিপ্টো ট্রেডিং, বাকিটা আপনি দেখে নিবেন #সাব্বির ভুল হলে ক্ষমা 🙏🙏

যেহেতু ৬ হাজারের গ্রুপ রয়েছে এবং যারা টাকার জন্য সত্যি সত্যি পাগল তারাই এখানে থাকেন বাকিরা লিভ নেন । প্ল্যান আছে, ট্রেডিং নিয়ে কাজ করার এবং সাব্বির রয়েছে সাপোর্ট দেয়ার জন্য । আমি না থাকলেও সে বেশিরভাগ সময় আপনাদের দিতে পারবে । অনেকে বলে, কাজ শিখুন, টাকা আসবে । এটা যেমন সত্যি । তেমনি টাকার জন্য ক্ষুধা না থাকলে আপনি ভালোভাবে স্কিলড হতে পারবেন না । আপনি যদি মনে করেন আগামী ছয় মাস পর আপনার পকেটে ২-৩ লাখ টাকা দেখতে চান বাড়তি হিসাবে তখন এই ক্ষুধাই আপনাকে কাজ শিখতে বাধ্য করবে এবং আপনি শেখা শুরু করবেন এবং এগিয়ে যাবেন । আর যদি শুধু কাজের দিকে ফোকাস দেন তাহলে কাজ শিখে বেকার বসে থাকা কোটি কোটি ছেলে মেয়ের দিকে তাকান । তারাও কাজ শিখেছে কিন্তু যখনই কাজ শেখার সাথে টাকার প্রতি নিজের ক্ষুধা তৈরি করতে পারবেন তখন টাকা আপনার কাছে আসবে । যে টাকা যত্ন করতে জানে, আগলে রাখতে পারে, টাকা তার কাছে থাকে । খরুচে, অপব্যয়, ভিশনলেস মানুষের কাছে টাকা থাকে না, আসেও না । সো, এয়ারড্রপ এর ব্যাপারে আমার অবস্থান ক্লিয়ার করে দিলাম কারণ ফেব্রুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত অবজারভ করে যা বুঝেছি সেটা হল, এরপরও এর পেছনে সময় দেয়া হবে আমার জন্য বোকামি । আমার আর বোকামি করার মত বয়স নাই । এখন যা করবো সেটা থেকে আগামীকাল ফসল আসবে । আল্লাহ হাফেজ ।

এত কিছু কেন বললাম ? আমার সবকিছু কেন বললাম ? আমার স্ত্রাগল পিরিয়ড অনেকের সাথে মিলে যায় । কারণ এদেশে সবার গল্প প্রায় একই রকম । আমাদের সমাজ ব্যবস্থা, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সব এক । তাই এয়ারড্রপ শেয়ার করে কেবল নিজের পকেট ভর্তি করার চিন্তা আমি কখনো করি না । কারণ, সেপ্টেম্বর এর ২১ তারিখ আমি এয়ারড্রপ শেয়ার করা শুরু করি এবং ফেব্রুয়ারিতে পুরোপুরি বন্ধ করে দেই । কারণ এয়ারদ্রপে আয় প্রায় কমে গিয়েছিল ৭০% এর বেশি । অযথা একটা বিষয় নিয়ে পড়ে থেকে সময় নষ্ট করার কোন অর্থই নেই এবং আপনারাও তো ইনকাম করার জন্যই এসেছেন কিন্তু সেটা যদি না হয় তাহলে আমার সাথে আপনারও সময় নষ্ট হচ্ছে না ? সেজন্য টেকনিক্যালি এয়ারড্রপ শেয়ার করা বন্ধ করে দিই । আমি যদি শেয়ার করতাম তাহলে রেফার বেশি থাকার কারণে আমি একা পেমেন্ট পেয়ে যেতাম বেশিরভাগ প্রজেক্ট থেকে । কিন্তু আপনি ? বা আপনারা সবাই কিভাবে পেমেন্ট পেতেন ? এয়ারড্রপ নিয়ে এখন মার্কেটে তেমন হাইপ নেই কারণ মার্কেট এখন ট্রেডিং এর দিকে ঝুঁকে পরছে এবং ক্রিপটো যতদিন থাকবে ততদিন ট্রেডিং থাকবে । আর ভালো ট্রেডার হতে পারলে প্রচুর ইনকাম । আমি বাইনারি ট্রেডিং করতাম কিন্তু ঝুঁকি অনেক বেশি । সেজন্য বেটার অপশন হিসাবে স্পট ট্রেডিং বেছে নিয়েছি । কারণ আমি বেশি ডলার বিনিয়োগ করছি । তাই সামান্য ঝাঁকি দিলেই আমার অনেক লাভ হয়ে যায় । কিন্তু আপনাকে অল্প ডলার দিয়ে শুরু করে শিখে তারপর ৫০-১০০ ডলার দিয়ে কাজ করলেই দেখবেন ৬ মাস পর আপনি অনেক টাকা আয় করছেন । একটা সময় কাজের সীমাবদ্ধতা ছিল আমাদের । কারণ, আমরা সরকারি চাকরি বা মাল্টিন্যাশনাল বা কর্পোরেট জব চিনতাম । এরপর এলো ওডেস্ক তারপর আপওয়ার্ক হয়ে গেলো । ফাইভার এলো । ফেসবুক এলো । টুইটার এলো । ইন্টারনেট সহজলভ্য হলো । বিটকয়েন এলো । মাত্র পাঁচ বছর আগে থেকে ট্রেডিং জোরেশোরে শুরু হলো । এখন আপনি যদি সত্যিকার অর্থেই কিছু করে সুখে থাকতে চান তাহলে আপনাকে সরকারি চাকরি বা বিসিএস এর জন্য বসে থাকা লাগবে না । বিসিএসে যে সময় লাগে টেকনিক্যালি পুরো মনোযোগ যদি ট্রেডিংয়ে বা ফরেক্সে দেন তাহলে ঈশান লিখিত গ্যারান্টি দিচ্ছে আপনার বিনিয়োগ যদি ২০ হাজার হয় তাহলে ৬ মাস শেষে আপনার পকেটে অন্তত ৫ লাখ টাকা নিট প্রফিট থাকবে । একদম গ্যারান্টি । বাংলাদেশে এমন ট্রেডার কয়েকজন আছেন যাদের বিন্যান্স অ্যাকাউন্টে ট্রেড ব্যালেন্স পরে থাকে ৩০-৫০ হাজার ডলার । বিশ্বাস হল না ? আপনি যখন শিখবেন তখন নিজেই বুঝতে পারবেন । তাই এই চ্যানেল থেকে এয়ারড্রপের আশা করবেন না । আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, একটা ফালতু বিষয়ে সময় নষ্ট না করে আরও বেটার বিষয়ে যদি আপনারা সময় ব্যয় করেন তাহলে এটা আপনার অবস্থা পরিবর্তন করতে বেশি সময় নিবে না । কারণ এখন সুযোগ অনেক বেশি । আমি যখন ইউটিউবে আসি তখনো বাংলায় ভিডিও সহজে পাওয়া যেতো না । আর হিন্দি বা উর্দুতে যতসব ভুয়া ও গাজাখুরি ভিডিও আছে সেগুলি ভরপুর ছিল । আমাকে অনেকেই জিজ্ঞাসা করেছেন এয়ারদ্রপের ব্যাপারে । সেটা হল এর ভবিষ্যৎ শুধুমাত্র চ্যানেল এডমিনদের হাতে । আগে ১০০ টায় জয়েন করলে ২০-৩০ টা পেমেন্ট করতো ভ্যালিডভাবে । আপনি পেমেন্ট তুলে নিতে পারতেন । আর এখন ১০ টাও পেমেন্ট দেয় না । তার ভেতর রয়েছে এক্সচেঞ্জ সাইট । ২০ ডলার দেয় তারপর সেটা তুলে নিতে ২০০০ ডলার এক্সচেঞ্জ করতে বলে । মানে তারা জানে যে, এই ২০ ডলার হাতে গনা কয়েকজন ছাড়া কেউ পাবে না । কিন্তু আপনি ঠিকই বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে তাদের মার্কেটিং করে দিচ্ছেন । আমার এই চ্যানেলে ৬ হাজার সাম্থিং মেম্বার আছেন । যাদের ভেতর এয়ারড্রপ বুঝতো গড়ে ২০০-৩০০ জন । এবং আমি নিজে রেফার পেতাম ৮০-১০০ টার মত নিয়মিত । আমি যেহেতু এসব খুঁজতে সময় ব্যয় করতাম না তাই কিছু পরিচিত চ্যানেলের সাথে কোলাবরেট করে তাদের পোস্ট শেয়ার করতাম সরাসরি । তাদের তো ৩০-৪০-৫০ হাজার চ্যানেলের মেম্বার আছে । এয়ারড্রপ দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল বানিয়ে সেখান থেকে ইনকাম করছে । কিন্তু তাদের পোস্টগুলি রিচ হয় ২-৩-৪ হাজার । এত এত মেম্বারের ভেতর মাত্র এত অল্প সংখ্যক রিচ কেন ? কারণ যারা বুঝতে পারে তারা এসব নিয়ে এখন পড়ে থেকে সময় নষ্ট করে না । তারা যখন রেফার পায় সেটা মাত্র ২০০-৩০০ । আমার ৬ হাজার মেম্বার থেকে ৮০-১০০ টা রেফার অনুপাতে ৪০ হাজার টেলিগ্রাম ফলোয়ারের এডমিন যদি ৩-৪ হাজার ভিউ এবং গড়ে ২০০ টা রেফার পায় তাহলে কার এয়ারড্রপ কোয়ালিটি ভালো ছিল ? আপনারাই যাচাই করুন । টাইটেল এক আর ভেতরে আরেক বিষয়ে গোজামিল দিয়ে বেশিদিন মার্কেটে থাকা যায় না । আমার ত্রাস্ট ওয়ালেট ব্যালেন্স, বিন্যান্স, কুকয়েন এর ব্যালেন্স মিলিয়ে একটা ওয়ালেটে রেখে যদি বলি এগুলি আমার এয়ারড্রপ ইনকাম তাহলে অনেকের মাথা ঘুরে যাবে । এবং বেশিরভাগ ইনবক্সে চলে আসবে পানি পড়া নিতে । আসলে পানি পড়া, তাবিজ এগুলি বলা একদম উচিত না । যার হেডাম আছে সে কাজ করে খাচ্ছে । এখন ভালো খারাপ বিবেচনা করার জন্য আপনার চোখ আছে, মগজ আছে , বিবেক আছে । এত কিছু নিয়েও যদি ফাঁদে পড়েন তাহলে দোষ তো আপনার নিজের ।

ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স শেখা হয়ে গেলে জুনিয়রদের এর গুরুত্ব বুঝাতাম । একটা স্যার ছিল সে আমার চেষ্টা দেখে ওইদিন ক্লাসে অটোক্যাড, স্টেড প্রো, স্টুডিও মাক্স, কোরেল ড্র, ইত্যাদি শেখা এবং জব ফিল্ডে এসবের দরকার নিয়ে লেকচার দিয়েছিল এবং হাত তুলতে বলেছিল কে কে পারে ? আমি একা হাত তুলি । এরপর বিএসসিতেও প্রথম বর্ষে বেশিরভাগ জব করতো বিধায় ওরা বাইরে দেখতে পেলো ৮-১০ হাজার টাকার কমে এসব শেখায় না । এরপর প্রতিদিন ক্লাস শেষ হলে কম্পিউটার ল্যাবে ২-৩ জন করে এক ঘণ্টা করে শেখানো শুরু করি । মুলত ৩-৪ হাজার টাকায় আমি শেখাচ্ছিলাম । কারণ আমার শখ ও বিলাসি জীবনের জন্য মাসে মহাখালি টু লুকাস মোড় ৩০ টাকা ভাড়া । আপ ডাউন, ৬০ টাকা । বার্গার ৫০-৬০ টাকা । কোক বা মোজো বা পেপসি ২৫০-৫০০ মিলি ১৫-৩০ টাকা । চানাচুর এর খরচ আমিই বহন করতাম । আর গুলশান পর্যন্ত বাস ভাড়া আম্মুই দিতো । তিনি তো জানতো না আমি সাহেব হয়ে গেছি । এভাবে দৈনিক গড়ে ১০০-১৫০ টাকা এবং মাসে ৩-৪ হাজার টাকা হাত খরচ চলে যাচ্ছিল । কথায় আছে না, ধীরে ধীরে সব বড় হয়, আমারও হচ্ছিলো । টাকার নেশা খুব ভালোভাবে পেয়ে বসে । বিএসসি ২য় বর্ষে গিয়ে অনলাইন হেল্প ৩৬০ চ্যানেল খুলে বসি এবং ভিডিও দেয়া শুরু করি । ক্লাসের যতগুলি ছিল সবাইকে দিয়ে সাবস্ক্রাইব করিয়েছিলাম । কিন্তু বাসায় গিয়ে দেখি ২০-২৫ টা সাবস্ক্রাইবার রয়েছে । কিন্তু ক্লাসে ছিলাম ৪০ জন । এর ভেতর আমার ফ্রেন্ডরা সবাই আনসাবস্ক্রাইব করেছিল এবং একজন তো প্রতিদিন জিজ্ঞাসা করতো কত সাব হয়েছে । ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে ডার্ক ওয়েব নিয়ে ভিডিও ভাইরাল হয় এবং চ্যানেল জাম্প করে । মাসখানেক সময়ের ভেতর ৫ হাজার সাবস্ক্রাইবার পাড় হয়ে যায় । আমাকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা দিয়েছেন সোহাগ ভাইয়া (সোহাগ৩৬০) । আমার চ্যানেলের ৩৬০ টা তার চ্যানেল থেকেই ধার করে নেয়া । তার সবকিছু আমি ফলো করতাম । শুধু ভিডিও দিতাম সপ্তাহে একটা এবং মাসে ৪ টা । শুধু রবিবার বা বুধবার । এরপর কিছু কিছু সাবস্ক্রাইবারদের বারবার বলার পর নিয়মিত ভিডিও দেয়া শুরু করি সেটাও ফাইনাল ইয়ারে এসে । মানে ২০১৯ এর শুরুতে । শুরু থেকেই এমন একটিভ থাকলে হয়ত আরও বেশিদূর এগিয়ে থাকতাম । কারণ ক্যারিয়ারের ৫ বছরের ভেতর ২ বছর শুধু টুকটাক ভিডিও দিয়ে সময় পাড় করে দিয়েছি । আমার চাহিদা কখনো আকাশচুম্বি ছিল না । এখনো নেই । সেজন্য আমি কোর্স ছাড়ি না । কারণ এতে অনেক সময় ব্যয় হবে যা আমার একদম নেই বললেই চলে । তবে যদি চেষ্টা করি, তাহলে অসম্ভব না । আগস্ট মাসে ২-৩ দিন পর পর ভিডিও দিয়েছি এবং দিচ্ছি । কারণ এক মাস রেস্ট করলাম ব্রেক দিয়ে ভিডিও দিয়ে । বিশেষ কোন কাজে ব্যস্ত ছিলাম না । সেজন্য মনে হল, কোর্স বানানো যায় । কিন্তু মূল কথা হল, আমি যা শেখাবো সেটা এপ্লাই করার মত লোক ১% বাকি ৯৯% বলবে কাজ হয় না । আমি যদি আজকে সিপিএ মার্কেটিং নিয়ে কোর্স বের করি, একমাস পর কোন টেকনিক কাজ করবে না । এফিলিয়েট মার্কেটিং এর থিম কাজ করবে না । একটা স্কিল হলো সর্বদা গতিশীল । আপনি আজকে শিখবেন আগামীকাল এটা পরিবর্তন হয়ে যাবে । সেজন্য কোর্স না করে অনুশীলন করতে হয় । আপনার মাথায় যদি গোবর থাকে তাহলে কোর্স করে কিছুই হবে না । তবে আমার ইচ্ছা আছে ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স বের করার । কারণ, ১০ বছর আগে যা শিখেছিলাম, এখনো তাই । কারণ সফটওয়্যার, ডিজাইন এগুলি যুগ যুগ ধরে একই রয়েছে শুধু ডিজাইন পরিবর্তন হয় কারণ এটা নিরমাতার মাথা থেকে বের করার জিনিস । আর বাড়তি টুলস শিখলে বাজারে দাম বাড়ে । অনেকে আরজে কোর্স করায় । আপনি একটা রেডিওতে গেলেন অডিশন দিতে । কিন্তু রেডিও চাচ্ছে স্পেশাল কাউকে মানে একদম ভিন্ন কেউ । এখন যারা গেছে তারা তো কোর্স করা পাবলিক । মানে একটা গ্রামারের ভেতর তাদের স্কিলটা বন্দি । এর বাইরে সে কিছুই পারে না । তাহলে রেডিও তাকে জব দিবে কেন ? ওরা তো ক্রিয়েটিভ লোক চায় । এরপর জবসওয়ান ক্যারিয়ার প্রশিক্ষন দেয় । সেখান থেকে কোর্স করে কয়জন দেশের বড় প্রতিস্থানে চাকরি পেয়েছে ? এগুলি যদি কাজ করতো তাহলে সবাই সেখানে যেতো । তারপরও কোর্স থেকে বেসিক ধারণা পাওয়া যায় । যারা পরিশ্রমি তারা কাজ করে খাচ্ছে । যারা কোর্স কিনে মনে করে এটা খেলেই সে হাফেজ হয়ে যাবে তারা ছাগল ছানা ছাড়া ভিন্ন কিছু না ।

আমি প্রতিদিন ফেসবুক, পেজ, ইমেইল, টেলিগ্রাম ইনবক্সে অনেক নক পাই, সবাই জিজ্ঞাসা করে, কবে থেকে এয়ারড্রপ শেয়ার করবো ? বাংলাদেশে অনেকগুলা টেলিগ্রাম চ্যানেল আছে যারা রেফার করে আয় করে । জি, আমার রেফারে আপনারা জয়েন করলে আমারও আয় হতো । কিন্তু সবকিছু শুধুমাত্র একদিক থেকে আমি দেখতে পছন্দ করি না । কারণ ৫ বছর আগে ইউটিউবে আসার আগে আমিও আপনার জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিলাম । ২ ডলার আয় করার জন্য প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে পিটিসি সাইটে কাজ করতাম এবং মাসে ২ ডলার পেমেন্ট আসতো । তখন আমার কোন কাজ ছিল না তাই এই ১৫০-২০০ টাকা আমার জন্য অনেক ছিল । বাসা থেকে যে টাকা দিতো পারতো না এমন নয়, বরং ভিডিও গেমের দোকানে টাকা উড়িয়ে ফেলার কারণে টাকা দেয়া বন্ধ করে দেয় এসএসসির পর থেকে । স্কুলে যাওয়ার জন্য লেগুনার টাকা বাঁচিয়ে মস্তফা খেলতাম । বৃষ্টির ভেতর ছাতা মাথায় দিয়ে ফার্মগেট বয়েজ স্কুলে যেতাম কাউয়া ভেজা দিয়ে এবং সেই টাকায় গেইম খেলতাম । এরপর কুরান শরিফ ছুয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম আর যাবো না । এরপর আর কখনো যাইনি । আমি মনে হয়, কয়েক সপ্তাহ আগে জানতে পেরেছি কুরান ছুয়ে প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করলে কবিরাহ গুনাহ হয় । কিন্তু আমি ভাবতাম যে, যদি গেমের দোকানে আবার যাই তাহলে আর মুসলিম থাকবো না 🐸 যাই হোক, আব্বু পিএসথ্রি এনে দিয়েছিল যখন এটা বের হয়, এরপরও কখনো আমি গেম নিয়ে বসিনি । যদিও ফোনে গেইম খেলি । কিন্তু আমার দর্শন ভিন্নতা নিয়ে আসে দুটো জিনিসের ভেতর । বাসায় ভেবেছিলো, কুরান ছুয়েও আমি গেমের দোকানে যাবো তাই গেমের নেশা দূর করতে বাসার কাছেই ডিপিআইতে ভর্তি করান । কত কাছে জানেন ? পশ্চিম নাখালপাড়া লুকাস মোড় থেকে প্রতিদিন হেঁটে যেতাম নাবিস্কো পর্যন্ত এবং উইনার বা বলাকায় চড়ে সাতরাস্তা । মাঝে মাঝে ১/২ টাকা নিতো আবার ডিপিআই শুনলে ভয়ে ভাড়া নিতো না । আমি যখন পড়েছিলাম তখন যেকোনো জায়গা থেকে ডিপিআই এলে ভাড়া চাইতো না । কিছু কিছু সময় জোর করে ভাড়া দিতাম যখন কোর্স করানো শুরু করি । বাসায় চাইলেও দিতো না, আবার মাইর তো বোনাস । সত্যি বলতে এগুলো ছিল বলেই বেশ অল্প সময়েই ইনকাম করা শিখি এবং জীবনের মিনিংটা বুঝি । আমি খুব ভালোভাবে ২০১০-২০১৫ সালটা মনে রাখবো যখন আমার অবস্থান ছিল আপনাদের অনেকের মত কিংবা আরও খারাপ । আমি যখন আর্কিটেকচারে পড়ি তখন কাজের জন্য অটো ক্যাড শিখতে হয়েছিল । এটা প্রথম সেমিস্টারেই শিখে ফেলেছিলাম ২০১১ সালে । এরপর যখন থার্ড ইয়ারে এর গুরুত্ব নিয়ে ক্লাসে জোরেশোরে কথা হলো তখন আমি ছাড়া আর কেউ অটো ক্যাড পারতো না । বিটাক মোড়ে এটা শিখানো হতো এবং ২৫০০ টাকা নিতো । আমি মাত্র ১ হাজার টাকায় ক্লাসের প্রায় সবাই এবং মর্নিং শিফট এবং সিভিল ডিপার্টমেন্ট, মেকানিক্যাল, এদেরকেউ শেখাই এবং প্রায় লাখ টাকার উপরে ইনকাম করেছিলাম ২-৩ মাসে । এরপর যখন বাসায় দেখলো আমি আসলেই পরিবর্তন হয়ে গেছি এবং কাজ করছি তখন টাকা দেয়া শুরু করে । তখন বার্গার খাওয়ার এবং ফাস্টফুড নেশা হয় । কারণ পকেট ভরা টাকা থাকতো । আমাকে নিয়ে কখনোই বাসায় চিন্তা করেনি কারণ গেইম খেলা ছাড়া আমার অন্য খারাপ নেশা ছিল না, এখনো নেই । খাওয়ার নেশাটাই আমার বেশি । যতক্ষন খাই ভালো লাগে । এইজন্যই তো মাশাল্লাহ বড় একটা ভুরি হয়ে গেছে । তার উপর বসে থাকার কাজ করি । যাই হোক, আমার জমানো টাকা এবং বাসা থেকে যে টাকা দিতো সেগুলি দিয়ে রিকসায় চলাফেরা করার দারুণ অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল । আসলে ভার্সিটিতে আমার প্রতিদিন ১০০ টাকা খরচ হতো । একদিন সন্ধ্যায় বসে ইউটিউব চ্যানেল খুলে ফেলি । ইনকাম হয় জানতাম না । তারপর সোহাগ৩৬০ এর নিকটে চলে আসি । পরের গল্প সবাই জানে । আমার স্ত্রাগল পিরিয়ড ছিল মানি ক্রাইসিস কারণ বাসায় ভাবতো কি না কি করি । আসলে কিছুই করতাম না । আমি জমানো টাকা দিয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং স্টেড প্রো, স্তুডিও ম্যাক্স কোর্সে ভর্তি হই এবং শিখে ফেলি । চলবে............

যারা চ্যানেল ও কমেন্ট বক্সে ফরসেজ ফরসেজ করছেন তারা ইউটিউবে গিয়ে " forsage onlinehelp360" লিখে সার্চ করুন । আমার বানানো ৩-৪ টা
যারা চ্যানেল ও কমেন্ট বক্সে ফরসেজ ফরসেজ করছেন তারা ইউটিউবে গিয়ে " forsage onlinehelp360" লিখে সার্চ করুন । আমার বানানো ৩-৪ টা ভিডিও পাবেন । বুঝলাম না ২ বছর আগের সাইট নিয়ে হঠাৎ করে হাইপ উঠার কারণ কি ? 🙄🙄

অনলাইন ইনকাম সম্পর্কিত কোন সাইট বা ভিডিও খুঁজে পেতে আপনি ইউটিউবে কি লিখে সার্চ করেন ? যা লিখে সার্চ করেন সেগুলি কমা দিয়ে লিখুন । এরপর একটা ট্রিকস শিখিয়ে দেবো । হয়ত জানেন কিন্তু আবার বলে দেবো ।

বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড সাধারণত কোন কোম্পানি সম্পর্কে নির্ভুল তথ্য প্রদান করে বলেই এতদিন জানতাম। কিন্তু টাকার কাছে সব সততা রাস্ত
বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড সাধারণত কোন কোম্পানি সম্পর্কে নির্ভুল তথ্য প্রদান করে বলেই এতদিন জানতাম। কিন্তু টাকার কাছে সব সততা রাস্তায় মিশে যায়। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে, তারাই "নগদ"- এর প্রতিবাদস্বরূপ নিউজ ছাপিয়েছে বা ছাপাতে বাধ্য হয়েছে। 😂😂 কাউরে আর বিলিভ করি না 🥴🥴

বিটব্যাংক খেলা দেখাচ্ছে । আমার মনে হয়, তারা তিন মাসের পরিবর্তে ৬ মাসের প্ল্যান করেছে । তাই ৪ মাস হয়ে গেলেও খুব সুন্দর সার্ভিস দিচ্ছে । যারা কাজ করছেন তাদের জন্য শুভকামনা । 😃😃😃 আমি কখনো ভাবিনি কোরবানির ঈদের পর এই সাইট থাকবে । সেখানে ঈদের দেড় মাস চলে গেছে । আর ওদের গ্রুপ দেখলে তো পুরাই মাথা আউলায়া যাচ্ছে । একের পর এক দেশে টিম বানাচ্ছে । আমাদের দেশে কোন কিছুর ঠিক নাই । নয়ত আমাদের দেশেও একটা টিম বানিয়ে ধুমায়া কোপ মারা যেতো । নিবেন নাকি রিস্ক ? 😃😃 তাহলে একটা টিম বানিয়ে একসাথে খেলা যেতো । বাঁশ খেলেও একসাথে, লাভ হলেও একসাথে । যদিও টিম বানানোর কাজে অনেক দেরি হয়ে গেছে । কিন্তু রিস্ক তো রিস্কই । যদি লেগে যায় টাইপ । সেই ক্ষেত্রে বিটব্যাংক ছাড়াও আরও যেসব কোম্পানি মার্কেটে আসে সেগুলিতেও একসাথে কাজ করা যেতো । 😎😎