Tech Tips 360°
Ir al canal en Telegram
TechTips360 নানারকম অনলাইন ইনকাম যেমন: এয়ারড্রপ, ক্রিপটো ট্রেডিং, মাইক্রোজবস, ফ্রিল্যান্সিং সংক্রান্ত নানারকম টিপস ও সহযোগিতা প্রদান করে।
Mostrar más9 753
Suscriptores
-1024 horas
-477 días
-22930 días
Archivo de publicaciones
9 749
♦Big Update♦
এই মুহুর্ত থেকে হরমুজ প্রণালী সব ধরণের জাহাজের জন্য পুনরায় বন্ধ ঘোষণা করেছে আইআরজিসি। অডিও বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে।
- আইআরজিসি
9 749
আমেরিকার দাবি করেছে তাদের কোন জাহাজে ইরান আক্রমণ করেনি । অথচ গ্লোবাল মার্কেট অলরেডি আকাশে উঠে গেছে । তার মানে মার্কেট আমেরিকাকে আর বিশ্বাস করছে না । তারা ইরানের কথাকে এবং ইরানের মিডিয়ার সব কথা বিশ্বাস করে এবং বিশ্ব তেলের বাজার সেভাবে লাফালাফি শুরু করেছে । তাহলে কে মিথ্যাবাদি ?
9 749
ইরানের নির্দেশ না মানায় মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজে দুটি মিসাইল হিট করেছে আইআরজিসি 🔥😱
- আল জাজিরা
9 749
দোস্ত, বুঝেছি আপনি কেমন স্টাইল চান—ছোট ছোট দুই লাইনের প্যারা, কিন্তু শক্ত ফ্লো আর ভাইরাল হুক রেখে। নিচে পুরোটা নতুন করে সাজিয়ে দিলাম 👇
🚨 বাংলাদেশে আসতে যাচ্ছে জ্বালানি খাতে এক বড় বিপ্লব। প্রায় ২.৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে দেশের সবচেয়ে বড় ও আধুনিক তেল শোধনাগার নির্মাণের আলোচনা শুরু হয়েছে।
এই মেগা প্রজেক্টে Islamic Development Bank (IDB) প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করতে পারে। ফলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের একটি শক্তিশালী জ্বালানি অবকাঠামো তৈরি হওয়ার পথ খুলছে।
বর্তমানে বাংলাদেশের তেল শোধন ক্ষমতা মাত্র ১.৫ মিলিয়ন টন। কিন্তু নতুন Eastern Refinery Limited-2 চালু হলে একাই ৩ মিলিয়ন টন ক্যাপাসিটি যোগ হবে।
সব মিলিয়ে দেশের মোট উৎপাদন ক্ষমতা বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ৪.৫ মিলিয়ন টনে। অর্থাৎ বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি সক্ষমতা তৈরি হবে।
এর সরাসরি প্রভাব পড়বে আমদানির ওপর। এখন যেখানে আমরা বড় অংশের জ্বালানির জন্য বিদেশের ওপর নির্ভরশীল, সেটি অনেকটাই কমে যাবে।
দেশীয় উৎপাদন ২০% থেকে বেড়ে ৫০-৬০% পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। মানে অর্ধেকের বেশি জ্বালানি আমরা নিজেরাই তৈরি করতে পারবো।
এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বছরে ২ থেকে ৩ মিলিয়ন টন জ্বালানি আমদানি কমে যেতে পারে। এতে সরাসরি ১.৫ থেকে ২.৫ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় সম্ভব।
শুধু সাশ্রয়ই না, এই রিফাইনারি থেকে বছরে ৩ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত আয় করার সম্ভাবনাও তৈরি হবে। অর্থাৎ জ্বালানি খাতই হয়ে উঠতে পারে বড় আয়ের উৎস।
সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো, এখানে শুধু পেট্রোল বা ডিজেলই তৈরি হবে না। তেল শোধনের সময় আরও অনেক মূল্যবান বাই-প্রডাক্ট পাওয়া যায়।
LPG, ন্যাফথা, জেট ফুয়েল, ফার্নেস অয়েল, সালফার ও পেট্রোকেমিক্যাল ফিডস্টক—সবই এই প্রক্রিয়ার অংশ। যেগুলোর জন্য এখন আমাদের বড় অঙ্কের টাকা খরচ করে আমদানি করতে হয়।
ধরা হচ্ছে, বছরে ৩ থেকে ৬ লাখ টন পর্যন্ত এসব বাই-প্রডাক্ট উৎপাদন সম্ভব। যার বাজার মূল্য ১২০ থেকে ৪৮০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে হতে পারে।
মানে, যেটাকে আমরা এখন খরচ মনে করি, সেটাই ভবিষ্যতে ইনকামের বড় উৎস হয়ে দাঁড়াতে পারে। এখান থেকেই তৈরি হবে নতুন শিল্প ও কারখানার সুযোগ।
আরেকটি বড় পরিবর্তন আসবে জ্বালানির মানে। এই প্রজেক্টে Euro-5 স্ট্যান্ডার্ড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানের খুব উচ্চ পর্যায়।
এর ফলে ভবিষ্যতে যদি অতিরিক্ত জ্বালানি থাকে, বাংলাদেশ সরাসরি ইউরোপের বাজারে রপ্তানি করতে পারবে। এই সুযোগ আগে কখনো ছিল না।
বর্তমানে ভারত ঠিক এই মডেলেই রাশিয়ান ক্রুড তেল শোধন করে ইউরোপে বিক্রি করে বিলিয়ন ডলার আয় করছে। বাংলাদেশও সেই পথে হাঁটার সুযোগ পাচ্ছে।
ভবিষ্যতে যদি ERL-3 বাস্তবায়ন করা হয়, তাহলে দেশের জ্বালানি উৎপাদন ১০০% দেশীয়ভাবে পূরণ করা সম্ভব হতে পারে। তখন আমদানির ওপর নির্ভরতা প্রায় শূন্যে নেমে আসবে।
সবকিছু মিলিয়ে, এই প্রজেক্ট শুধু একটি রিফাইনারি নয়। এটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং শিল্প খাতের জন্য এক বড় টার্নিং পয়েন্ট।
⚡ শেষ কথা একটাই—যে দেশ আগে তেলের জন্য অন্যের ওপর নির্ভর করতো, সেই দেশই এখন তেল শোধন করে বিদেশে বিক্রি করার স্বপ্ন দেখছে।
9 749
🔴 হিজবুল্লাহর নতুন ভয়ংকর অস্ত্র: ফাইবার অপটিক ড্রোন! ইসরায়েলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
হিজবুল্লাহ ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে নতুন করে ব্যবহার শুরু করেছে ফাইবার অপটিক গাইডেড FPV ড্রোন । ইউক্রেন যুদ্ধের কৌশল অনুসরণ করে তৈরি এই ড্রোনগুলো খুবই ছোট, সস্তা এবং মারাত্মক।
এর বিশেষত্ব হলো এতে রেডিও সিগন্যালের বদলে পাতলা ফাইবার অপটিক কেবল (দাঁতের ফ্লসের মতো) ব্যবহার হয়। ফলে ইসরায়েলের উন্নত জ্যামিং সিস্টেম ও রাডার একেবারে অকেজো হয়ে যাচ্ছে। ১৫-২০ কিলোমিটার দূর থেকেও সঠিকভাবে টার্গেট করে আঘাত হানতে পারছে এই ড্রোন।
ইতিমধ্যে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি ট্যাঙ্ক, আর্মর্ড গাড়ি ও সৈন্যদের ওপর একাধিক সফল আক্রমণ চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। একটি আক্রমণে ইসরায়েলি সৈন্য নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।
ইসরায়েল এখন নতুন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা খুঁজছে, কিন্তু এই সস্তা ড্রোন তাদের multibillion ডলারের ডিফেন্স সিস্টেমকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
আধুনিক যুদ্ধের নিয়মই বদলে যাচ্ছে!
9 749
চীন নীরবে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এক বিশাল আর্থিক আঘাত হানছে। মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে বেইজিং রেকর্ড পরিমাণ মার্কিন ট্রেজারি বন্ড বিক্রি করে দিয়েছে। বহু দশক ধরে চীন আমেরিকার ঋণ কিনে আসছিল, যা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে বড় ভূমিকা রেখেছিল। কিন্তু এখন তারা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে দ্রুতগতিতে সেগুলো বিক্রি করছে। এটি একটি পরিকল্পিত কৌশল, যার মাধ্যমে তারা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে এবং একই সঙ্গে ডলারের বৈশ্বিক আধিপত্যকে দুর্বল করতে চায়। যদি চীন এই ব্যাপক বিক্রি অব্যাহত রাখে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ নেওয়ার খরচ হঠাৎ বেড়ে যাবে, যার ফলে মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে এবং সাধারণ ভোক্তারা চাপে পড়বে। আর্থিক ঠান্ডা যুদ্ধ এখন কার্যত উষ্ণ সংঘাতে রূপ নিয়েছে, এবং এর যুদ্ধক্ষেত্র হয়ে উঠেছে বৈশ্বিক বন্ড বাজার।
এই ধরনের পরিস্থিতিতে সাধারণত সোনার দাম বাড়ার দিকেই ঝুঁকে পড়ে, কিন্তু বিষয়টা একটু গভীরভাবে বুঝলে আরও পরিষ্কার হবে। যখন China মার্কিন ট্রেজারি বন্ড বিক্রি করে এবং United States এর ঋণের ওপর চাপ বাড়ে, তখন কয়েকটা বড় অর্থনৈতিক চেইন রিঅ্যাকশন শুরু হয়। প্রথমত, বন্ডের দাম কমে যায়, ফলে yield বা সুদের হার বেড়ে যায়। এতে ঋণ নেওয়া ব্যয়বহুল হয় এবং অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়। যদি এর সাথে ডলারের ওপর আস্থা কিছুটা কমে, তাহলে বিনিয়োগকারীরা safe haven খুঁজতে শুরু করে, আর সেই জায়গাতেই সোনা সবচেয়ে বড় বিকল্প হিসেবে সামনে আসে।
মোটামুটি, সোনার দাম বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
9 749
ইয়েমেনের বাবে আল মান্দাব থেকে একটা ট্যাংকার ছিনতাই হয়েছে । কে বা কারা করেছে কোন গ্রুপ এখনো স্বীকার করেনি ।
কোস্টগার্ড জানায়, একদল অজ্ঞাত সশস্ত্র ব্যক্তি শাবওয়া প্রদেশ সংলগ্ন উপকূলে 'এম টি ইউরেকা' নামের তেলবাহী ট্যাংকার ছিনতাই করে নিয়ে গেছে। আক্রমণকারীরা ট্যাংকারে উঠে সেটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়, পরে সেটি এডেন উপসাগর হয়ে সোমালিয়া জলসীমার দিকে নিয়ে যেতে শুরু করে।
- Al Jazeera
9 749
Donald Trump ইউরোপীয় মিত্ররা তার প্রত্যাশা অনুযায়ী সাড়া না দেওয়ায় জার্মানি থেকে ৫ হাজার মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন।
9 749
✅ Bitcoin Update
বিটকয়েনে আগামী ৩০ দিনের ফোরকাস্ট অনুযায়ি বিটিসি মে মাসের প্রথম সপ্তাহের ভেতর ৭৯৯০০-৮০০০০ ডলারের রেজিঃ লেভেল টাচ করতে পারে । এবং মাসের শেষে ৮২৫০০ থেকে ৮৩০০০ পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।
যেহেতু অর্থনীতি মোটামুটি স্থির রয়েছে তাই নির্দিষ্ট রেঞ্জে উঠা-নামার জোর লক্ষ্যণ দেখা যাচ্ছে । তবে সর্বনিম্ন সীমা ৭৫ হাজার ডলার এবং সর্বোচ্চ সীমা ৮৫ হাজার হতে পারে ।
রিসেন্টলি বিটকয়েন ইটিএফ ফ্লো বাড়াচ্ছে ফলে দাম স্টাবল হতে সাহায্য করছে ।
অন্যদিকে ফেড সুদের হার স্টাবল রাখায় বাজার ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে ফলে ট্রেডাররা ক্রিপ্টোতে পুনরায় ফিরে আসা শুরু করেছে ।
টেকনিক্যালি আরএসআই নির্দেশ করছে মার্কেট এখন নিউত্রাল রয়েছে যা বড় ধ্বসের সম্ভাবনা এখুনি কমিয়ে দিয়েছে ।
যেহেতু ক্রিপ্টো অনিশ্চিত তাই জাপান বা মার্কিন ফাইন্যান্স নীতিতে বড় কোন পরিবর্তন এলে বিটকয়েন ৭০ হাজারের নিচে নেমে যেতে পারে ।
9 749
হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণে ইরানের আরও কড়াকড়ি, বিশেষ বলয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা - gulf news
9 749
ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা Shin Bet-এর একজন সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, তারা Hezbollah-এর কাছ থেকে গেরিলা যুদ্ধের মুখোমুখি হচ্ছে, যেন ১৯৯০-এর দশকের পরিস্থিতি আবার ফিরে এসেছে।
9 749
একজন ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেছেন: আমরা দক্ষিণ লেবাননে একটি কৌশলগত ফাঁদের মুখে পড়েছি। সেখান থেকে আমাদের সরে আসা হলে তা পরাজয় হিসেবে গণ্য হবে, আর ট্রাম্প আমাদের অগ্রসর হতেও বাধা দিচ্ছেন।
9 749
ইরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জানজান প্রদেশে অবিস্ফোরিত বোমা অপসারণের সময় বিস্ফোরণে ইসলামি রেভ্যলুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) ১৪ সদস্য নিহত হয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের বরাত দিয়ে ইরানের বার্তা সংস্থা ফারস এ কথা জানিয়েছে।
- আল জাজিরা
9 749
হিজবুল্লাহ ঘোষণা করেছে যে, তারা মাইস আল-জাবাল শহরে ইসরায়েলি শত্রু সেনাবাহিনীর যানবাহন ও সৈন্যদের একটি সমাবেশকে আত্মঘাতী ড্রোনের একটি ঝাঁক দিয়ে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
9 749
♦Breaking♦
ইরানের নৌশক্তি ধ্বংস করতে সক্ষম হয়নি মার্কিন বাহিনী, স্বীকার করল পেন্টাগন
- মিডল ইস্ট মনিটর
9 749
তেলের দাম বাড়লেই সোনার দাম সব সময় কমে না... সিক্রেট জানবেন? 🔥
তেলের দাম বাড়লে পকেটে টান পড়ে সেটা আমরা সবাই বুঝি কিন্তু সোনার সাথে এর সম্পর্কটা বেশ মজার। তেলের দাম বাড়লে সাধারণত সবকিছুর দাম বাড়ে যেটাকে আমরা ইনফ্লেশন বলি, অনেকে এখানে একটা ভুল ধরে নেয়, ভাবে ইনফ্লেশন বাড়লেই সোনার দাম সবসময় বাড়বে, বাস্তবে কিন্তু খেলাটা এত সোজা না আর এই সময় সোনার দাম বাড়ার কথা থাকলেও মাঝে মাঝে উল্টোটা ঘটে।
সোনার দামের আসল চাবিকাঠি হলো রিয়েল ইল্ড যা মূলত আপনার জমানো টাকার আসল লাভ, মানে কাগজে না, বাস্তবে আপনার টাকা কতটা শক্তিশালী থাকলো সেটার হিসাব। ধরুন আপনি ব্যাংকে ১০০ টাকা রাখলেন এবং বছর শেষে ১০৫ টাকা পেলেন কিন্তু বাজারে জিনিসের দাম যদি ৫ টাকা বেড়ে যায় তবে আপনার আসল লাভ হলো শূন্য, মানে আপনার টাকা বাড়ে নাই, শুধু সংখ্যাটা বড় হয়েছে।
যখন তেলের দাম আকাশচুম্বী হয় তখন আমেরিকা বা বড় দেশগুলো ইনফ্লেশন থামাতে সুদের হার বাড়িয়ে দেয়। ব্যাংকে সুদের হার অনেক বেড়ে গেলে মানুষ সোনা বিক্রি করে ব্যাংকে টাকা রাখা শুরু করে কারণ সোনা থেকে কোনো বাড়তি সুদ পাওয়া যায় না, কারণ তখন বসে বসেই নিশ্চিত লাভ পাওয়া যাচ্ছে।
রিয়েল ইল্ড বাড়লে সোনার দাম কমে যায় কারণ তখন মানুষের কাছে কাগজের টাকার মূল্য বেশি থাকে, আরও সহজ করে বললে, ব্যাংকে টাকা রাখলেই আসল লাভ হচ্ছে তাই সোনার দরকার কমে যায়। আবার যখন জিনিসের দাম বাড়ার তুলনায় ব্যাংকের সুদ কম থাকে তখন রিয়েল ইল্ড কমে যায় এবং মানুষ নিরাপত্তার জন্য হন্যে হয়ে সোনা কেনে।
সহজ একটা উদাহরণ দিলে বুঝবেন ধরুন আপনার কাছে একটা আপেল আছে যার দাম ১০ টাকা। এখন বাজারে আপেলের দাম বেড়ে ২০ টাকা হলো কিন্তু ব্যাংক আপনাকে কোনো বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে না তখন আপনি আপেল বা সোনাই জমিয়ে রাখবেন, কারণ আপনার টাকা value হারাচ্ছে।
কিন্তু যদি ব্যাংক বলে আপনি টাকা রাখলে বছর শেষে আপনাকে দুটো আপেলের সমান টাকা দিবে তখন আপনি আর সোনা বা আপেল জমিয়ে রাখবেন না। এই লাভটাই হলো রিয়েল ইল্ড যা বাড়লে সোনার উজ্জ্বলতা কমে আর কমলে সোনার দাম হু হু করে বাড়ে।
আমেরিকার বর্তমান ডাটা অনুযায়ী তেলের দাম বাড়লে যদি তারা সুদের হার অনেক বেশি বাড়িয়ে দেয় তবে সোনার দাম সাময়িকভাবে কমতে পারে। কারণ বড় বিনিয়োগকারীরা তখন সোনার চেয়ে ডলার বা বন্ডে টাকা রাখাকে বেশি লাভজনক মনে করে, এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রে বন্ড ইল্ড প্রায় 4.3 থেকে 4.5 percent আর ইনফ্লেশন প্রায় 3.2 থেকে 3.4 percent, মানে রিয়েল ইল্ড পজিটিভ, তাই সোনার উপর চাপ তৈরি হয়।
আবার যদি তেলের দাম বাড়ার ফলে যুদ্ধ বা অস্থিরতা তৈরি হয় তবে মানুষ লাভের চিন্তা না করে জানমালের নিরাপত্তার মতো সোনার পেছনে ছোটে, এখানে ইমোশন আর ভয় মার্কেটকে চালায়। এই গোলমেলে পরিস্থিতিতেই সোনার দাম তখন তেলের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে।
মূল কথা হলো তেলের দাম বাড়লেই যে সোনা সস্তা হবে তা নয় বরং ওই দেশের সরকার সুদের হার দিয়ে পরিস্থিতি কীভাবে সামলাচ্ছে সেটাই আসল। রিয়েল ইল্ড পজিটিভ থাকলে সোনা একটু ঝিমিয়ে পড়ে আর নেগেটিভ হলেই সোনা রাজার মতো রাজত্ব শুরু করে, তাই চোখ রাখুন ইনফ্লেশনের সাথে সাথে সুদের হার আর রিয়েল ইল্ডের উপর, আসল গেমটা এখানেই।
Mehedi Hasan Ishaan
9 749
সেন্টকম কমান্ডার জানিয়েছে, আমেরিকা ইরানের লিডারশিপ, ইনফ্রাস্ত্রাকচার এবং মিলিটারি এসেট পুরোপুরি ধ্বংস করার জন্য জোরেশোরে আক্রমণ করতে যাচ্ছে - FOX NEWS
9 749
✅ ইরানে যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব বাতিল করেছে সিনেট, ফলে যেকোনো মুহূর্তে ইরানের উপর আক্রমণ করবে আমেরিকা ।
- আল জাজিরা
