Bangladesh Media monitor
Ir al canal en Telegram
Media Watchdog and Think Tank Telegram: https://t.me/bdmediamonitor
Mostrar másEl país no está especificadoLa categoría no está especificada
208
Suscriptores
-124 horas
+27 días
+530 días
Archivo de publicaciones
He was taken from a gym in Dhanmondi to the DB office around 7:30 PM on December 14, 2025.
https://bdmediamonitor.org/anis-alamgir-picked-up-by-db-from-dhanmondi/
Journalist Injured in Rayer Bazar Attack
https://bdmediamonitor.org/journalist-injured-in-rayer-bazar-attack/
গণমাধ্যমের খবরানুযায়ী ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা ও আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র সাংসদ পদপ্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদীকে শুক্রবার দুপুর ২ টা ২৫ মিনিটে গুলি করে একটি মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
এর মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে 'দৈনিক আজকের কণ্ঠ' নামের একটি ফেসবুক পেইজ থেকে কমপক্ষে ৫ টি পোস্ট করা হয়, যার মধ্যে ২টি ফটোকার্ড, ২টি ভিডিও ও ১টি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন রয়েছে। শুক্রবার রাত ৮টা পর্যন্ত পেইজটির ফলোয়ার সংখ্যা ১,৫২,১১৭।
প্রকাশিত পোস্টগুলোর মধ্যে একটিতে তারা এ ঘটনাকে বিশ্লেষণ প্রতিবেদন আকারে লেখার চেষ্টা করেছে। শিরোনাম ছিলো, 'ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ: মির্জা আব্বাসকে দায়ী করে ছাত্র-জনতাকে প্রস্তুত থাকার ডাক ভিপি সাদেকের।'
এ প্রতিবেদনে তারা 'ভুক্তভোগীর স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনদের জোরালো অভিযোগের' বরাত দিয়ে উল্লেখ করেছেন, 'বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের নির্দেশেই তার অনুসারীরা এই সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে।' অর্থাৎ, এমন একটি স্পর্শকাতর ঘটনা ঘটার ঘণ্টাখানেকের মধ্যে ন্যূনতম স্বাক্ষ্য বা প্রমাণ ব্যাতিরেকে এতবড় দাবি করা হয়েছে, যে, এ ঘটনার পেছনে মির্জা আব্বাস দায়ী।
এ প্রতিবেদনে আরও একবার লেখা হয়েছে, 'মির্জা আব্বাসের নির্দেশে হামলা: অভিযোগ রয়েছে, বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের নির্দেশেই তার 'ক্যাডাররা' এই গুলি চালিয়েছে।' এক্ষেত্রে এমনকি কার পক্ষ থেকে অভিযোগ, তাও উল্লেখ নেই।
হামলার আগেরদিন হাদীকে হুমকি দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে এ প্রতিবেদনে আরও লেখা হয়েছে, 'ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, গতকাল মুঠোফোনে ওসমান হাদিকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ করা হচ্ছে, মির্জা আব্বাসের অনুসারীরাই এই হুমকি দিয়েছিল এবং এর ঠিক পরদিনই তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করা হলো।'
এ ঘটনার প্রেক্ষাপটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম একটি ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন। দৈনিক আজকের কণ্ঠ ফেসবুক পেইজটি প্রতিবেদনে এমনভাবে ফ্রেমিং করেছে, যেন সাদিক কায়েমের সে পোস্টে উল্লেখিত 'চাঁদাবাজ ও গ্যাংস্টার' শব্দদ্বারা মির্জা আব্বাসকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
অন্য ফটোকার্ডগুলোর মধ্যে তারা যথাক্রমে প্রথমটিতে লিখেছে, 'ঢামেকে গু/লি/বিদ্ধ ওসমান হাদি, নেপথ্যে মির্জা আব্বাসের নির্দেশ!' দ্বিতীয় ফটোকার্ডে লেখা হয়েছে, 'হুমকির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হামলা: মির্জা আব্বাসের ক্যাডারদের গু/লি/তে বিদ্ধ ওসমান হাদি।' এরপরে তারা হাদীর গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরে ঢামেকে নিয়ে যাওয়ার একটা ভিডিও প্রকাশ করে। ভিডিওর টেমপ্লেটে লেখা, 'মির্জা আব্বাসের নির্দেশে গু/লি/বিদ্ধ ওসমান হাদি, নেওয়া হয়েছে ঢামেকে।' এরপরেই তারা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে, যার সাথে সংযুক্ত ফটোকার্ডে লেখা, 'ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ: মির্জা আব্বাসকে দায়ী করে ছাত্র-জনতাকে প্রস্তুত থাকার ডাক ভিপি সাদিকের।' এ বিষয়ে সর্বশেষ প্রকাশকৃত আরেকটি ভিডিওতে একজন ব্যক্তির বক্তব্য প্রকাশ করা হয়, যার সারমর্ম, হাদীর উপর হামলা বরিশালে এবি পার্টি নেতা ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের উপর হামলার ধারাবাহিকতা। ব্যক্তিটির কী পরিচয়, তা পোস্ট বা ভিডিওতে উল্লেখ করা হয়নি।
তাদের এ ডেলিবারেট ও প্রিমেটিভ প্রচেষ্টা দেখে বলা যায় যে, তারা এ ঘটনায় কোনো ভিত্তি ছাড়া মির্জা আব্বাসের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণের জন্য মরিয়া হয়ে আছে।
উল্লেখ্য, দৈনিক আজকের কণ্ঠ ফেসবুক পেইজটি আওয়ামী লীগের ডিইসইনফরমেশন ছড়ানোর সবচেয়ে বড় প্ল্যার্টফর্মগুলোর একটি হিসেবে ফেক্ট-চেকারদের মাঝে চিহ্নিত।
বিডিনিউজ২৪ সম্প্রতি ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদির ওপর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এমন এক ধরনের বর্ণনা ব্যবহার করেছে, যা গণমাধ্যমের ভাষা ব্যবহারকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। প্রতিবেদনের একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'মাদ্রাসায় পড়ালেখা করায় এবং ভাষা ও পোশাকের কারণে তিনি শিবির বা হিজবুত তাহরীরের কি না, সেই সন্দেহ অনেকে প্রকাশ করতেন।' পরবর্তীতে, তার সহকর্মীদের বরাতে বলা হয় যে, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনে কাজ করতেন।
এই রিপোর্টে প্রতিবেদকের ভাষা এবং কাঠামো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এটি সরাসরি কোনো অভিযোগ না এনেও কৌশলে একজন ধর্মীয় পোশাকধারীকে সন্দেহের কেন্দ্রে রাখে। মাদ্রাসা শিক্ষা, ধর্মীয় ভাষা ও পোশাকের মতো পরিচয়গত বৈশিষ্ট্যকে ব্যবহার করে 'শিবির' বা নিষিদ্ধ 'হিজবুত তাহরীর' এর মতো গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্ভাব্য সম্পৃক্ততা তৈরি করা হয়েছে, যা আসলে গিল্ট বাই অ্যাসোসিয়েশন কৌশলের উদাহরণ। এটি কোনো প্রমাণ ছাড়াই ব্যক্তির ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক চেহারাকে সন্দেহের ফ্রেমে দেখানোর প্রচেষ্টা।
বাক্যটি শুরু হয়েছে সন্দেহ দিয়ে এবং শেষ হয়েছে 'সহকর্মীদের দাবি' দিয়ে। এমন কাঠামো পাঠকের মনে এক ধরনের দোটানা তৈরি করে। যদিও প্রতিবেদক শেষদিকে তার সাংস্কৃতিক কাজ এবং লেখালেখির কথা উল্লেখ করেছেন, তবু সেই অংশটি পাঠকের মনে প্রথম দাগকাটা সন্দেহের তুলনায় অপেক্ষাকৃত দুর্বল। এটি একটি পরিচিত প্রোপাগান্ডা কৌশল, যাকে বলা হয় 'পয়জনিং দ্য ওয়েল' যেখানে প্রথমেই এমন কিছু বলা হয় যাতে পরবর্তী ব্যাখ্যাগুলো গুরুত্বহীন বা অবিশ্বস্ত মনে হয়।
এই রিপোর্টে বিডিনিউজ হয়তো তথ্য দেওয়ার ভান রেখেছে, কিন্তু তার ভাষা ও দৃষ্টিভঙ্গি নিরপেক্ষতার ছদ্মবেশে সাংস্কৃতিক স্টেরিওটাইপকেই জোরদার করেছে। ধর্মীয় পোশাক ও শিক্ষা পদ্ধতিকে সরাসরি উগ্রপন্থার ইঙ্গিতে ব্যবহার করা, যা একটি দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের জন্য যথাযথ 'আচরণ' নয়।
মিডিয়ার এমন কৌশল পাঠকের মনে ভয়ের রাজনীতি এবং সামাজিক অবিশ্বাস তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। এ কারণে প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমগুলোকে ভাষা এবং কাঠামো নির্বাচনে আরও সচেতন ও ন্যায্য হওয়া জরুরি।
দেশজুড়ে সাংবাদিক ও নাগরিক এক্টিভিস্টদের ওপর হামলা বাড়ছে। অনেক ঘটনা চোখের সামনে ঘটছে, কিন্তু প্রমাণ না থাকায় সত্য চাপা পড়ে যাচ্ছে। এই সময়ে আপনার হাতে থাকা মোবাইলই হতে পারে সবচেয়ে শক্তিশালী টুল। কোনো হামলা, হুমকি বা অন্যায় দেখলে নিরাপদ দূরত্ব থেকে ছবি বা ভিডিও ধারণ করুন। আপনার তোলা একটি ফ্রেমই হতে পারে সত্যের দলিল, জবাবদিহির শুরু। বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটর সেই সত্য সংরক্ষণ করতে চায়, যাতে কোনো হামলা অদৃশ্য না থাকে, কোনো কণ্ঠ নীরব না হয়। ধারণ করা ছবি বা ভিডিও আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে পাঠিয়ে দিন।
+60 11-3346 9597
During the news collection, a group of individuals attacked him, accusing him of having "shot Osman Hadi."
https://bdmediamonitor.org/reporter-attacked-by-mob-over-false-shooting-allegation/
ভাষাগত সুযোগ ছাড়া তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার সম্ভব নয়। আদিবাসী জনগোষ্ঠী নিজেদের ভাষায় সংবাদ, সরকারি ঘোষণা, স্বাস্থ্যসতর্কতা বা জরুরি বার্তা না পেলে তাদের চারপাশে ইনফরমেশন গ্যাপ তৈরি হয়। এই ফাঁকা অধিকার থেকে বঞ্চিত করে, নিরাপত্তার ঝুঁকি এবং গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ ধ্বংস করে । ভাষাকে বাদ দিলে শুধু তথ্য নয় মানুষের কণ্ঠ, অভিজ্ঞতা ও অধিকারও অদৃশ্য হয়ে যায়। তাই তথ্যের সমতা নিশ্চিত করতে আদিবাসী ভাষায় সংবাদ প্রচার এক অনিবার্য মানবাধিকার।
দৈনিক আমাদের সময়ের সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদক অবাঞ্ছিত
দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকাটির বর্তমান সম্পাদক আবু সাঈদ খান ও নির্বাহী সম্পাদক এহসান মাহমুদকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে প্রতিষ্ঠানটির সংবাদকর্মীরা। এই ঘটনার কারণ জানতে গিয়ে বাংলদেশ মিডিয়া মনিটর পত্রিকাটির বেশ কয়েকজন সংবাদকর্মীর সাথে কথা বলে জানতে পারে, গত দুই মাস ধরে প্রতীষ্ঠানটির সকলের বেতন বন্ধ। যার জন্য দায়ী এই দুই ব্যক্তি।
তারা জানান, বেশ কিছুদিন আগে এক বিএনপি নেতার প্রেসারে প্রতিষ্ঠানে বসানো হয় আবু সাঈদ খান ও এহসান মাহমুদকে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বেশ কিছুটা অসন্তুষ্ট হোন প্রতিষ্ঠানটির মালিক। ফলে তিনি প্রতিষ্ঠানের সাথে আর্থিক লেনদেন বন্ধ করে দেন। তখন এই দুই ব্যক্তি 'বড় ফান্ড' এনে প্রতিষ্ঠান চালাবেন বলে সবাইকে কাজ করতে বলেন।
কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে সাঈদ-এহসান পত্রিকাটির পরিচয় ব্যবহার করে নিজেদের 'ফায়দা' লোটা ছাড়া সংবাদকর্মীদের কথা কিছুই ভাবেনি বলেই জানান সংবাদকর্মীরা। ফলে দুই মাসের বেতন বকেয়া হয়। যার জন্য মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে পত্রিকাটির অনেক সাংবাদিককে। এদিকে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে এতদিন এদের কেউ কিছু বলারও সাহস পায়নি। তবে আজ সন্ধ্যায় মিটিং করে এদের দুই জনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে। তাদের অবাঞ্ছিত ঘোষণার কাগজে এখন পর্যন্ত ১৪০ জন স্বাক্ষর করেছে বলেও জানা যায়।
এদিকে প্রতিষ্ঠানের সকলেই জানে, বিএনপি নেতা আমির খসরু তাদেরকে এখানে বসিয়েছেন। এ কথা তারাই কর্মীদের 'ভয়' দেখানোর সময় নানাভাবে বলেছেন।
Desh TV Crew Assaulted at Savar Settlement Office
https://bdmediamonitor.org/desh-tv-crew-assaulted-at-savar-settlement-office/
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক ও এক্টিভিস্টদের ওপর হামলা, হুমকি, হয়রানি এবং বাকস্বাধীনতায় বাধার ঘটনা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সারাদেশে প্রেস ফ্রিডম পর্যবেক্ষণ জোরদার করতে বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটর ভলান্টিয়ার আহ্বান করছে।
স্বেচ্ছাসেবীরা মাঠপর্যায়ে ও অনলাইনে
• সাংবাদিক বা এক্টিভিস্ট নির্যাতন, হামলা ও বাধা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করবে
• যেকোন বাকস্বাধীনতা লঙ্ঘনের ঘটনা ডকুমেন্ট করবে
• নিরাপদ ও দায়িত্বশীল রিপোর্টিংয় ও এক্টিভিজমে সহায়তা করবে
• জাতীয়ভাবে একটি নিরপেক্ষ মানবাধিকার মনিটরিং নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করবে
যোগ্যতা:
যেকোন তরুণ, গণতন্ত্রকামী এবং বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাসী কাজ করতে পারবে।
যারা যোগ দিতে আগ্রহী, তারা নিচের লিংকে গিয়ে ফরম পূরণ করুন:
https://bdmediamonitor.org/membership-form/
When other journalists intervened, the BNP supporter also verbally abused them.
https://bdmediamonitor.org/reporter-harassed-over-bnp-coverage-at-evercare/
Mohila Dal Leader Threatens to Smash Jamuna TV Camera
https://bdmediamonitor.org/mohila-dal-leader-threatens-to-smash-jamuna-tv-camera/
একাত্তর টিভির 'অপেশাদার' প্রতিবেদন নিয়ে আমাদের করা এনালাইসিসে কপিরাইট দেয়া হয়েছে। কপিরাইট দিয়ে ভিডিও সরিয়ে দিয়েছে টেলিভিশনটি। গণমাধ্যম হয়ে তারা নিজেরাই অন্যের বাকস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছে আগের মতই। টেলিভিশনটি তাদের 'প্রোপাগান্ডিস্ট' এবং 'কর্তৃত্ববাদী' চরিত্র এখনও ধরে রেখেছে নতুন হেড অব নিউজের অধীনেও।
Expelled BNP Leader Verbally Harasses Journalist Live on Air
https://bdmediamonitor.org/expelled-bnp-leader-verbally-harasses-journalist-live-on-air/
NCP Faction Threatens Media Amidst Party Chaos
https://bdmediamonitor.org/ncp-faction-threatens-media-amidst-party-chaos/
এই ফটোকার্ডটি দেখলেই মনে হয় এটি দৈনিক যুগান্তরের একটি অফিসিয়াল বার্তা বা সম্পাদকীয় অবস্থান। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, এটি একজন ব্যক্তির নিজস্ব মতামতভিত্তিক কলামের অংশ যা পত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছে। এখানে দৈনিক যুগান্তর পাঠকের চোখে লেখকের মতামতকে এমনভাবে উপস্থাপন করেছে যেন সেটি পত্রিকার সম্মিলিত বক্তব্য। এটিই মূল ট্রিক বা কৌশল। পাঠক বুঝতেই পারছে না, এটি কার কথা? পত্রিকার না লেখকের? এই বিভ্রান্তির কৌশলকে বলে সোর্স ব্লারিং । এটি একটি পরিচিত প্রোপাগান্ডা কৌশল, যেখানে বার্তার মূল উৎস গোপন রেখে বিশ্বাসযোগ্যতার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়।
এছাড়া, পোস্টে লেখার শিরোনাম ব্যবহার করা হয়েছে 'দেশপ্রেমিকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন'। এই শব্দগুচ্ছ আবেগনির্ভর এবং ইতিবাচক ধারণা তৈরি করে। এমনভাবে ইতিবাচক শব্দ ব্যবহার করে বাস্তবতা ঢেকে দেওয়া কৌশলকে বলে 'গ্লিটারিং জেনার্যালিটিজ'। যার মাধ্যমে বড় বড় ভালো শোনায় এমন শব্দ ব্যবহার করে পাঠকের আবেগ কাজে লাগানো হয়।
এই কার্ডের ছবির ভিজ্যুয়াল প্রেজেন্টেশনও লক্ষ্যণীয়। ছবিতে আলো, চোখে চোখ রেখে ক্যামেরার দিকে তাকানো ভঙ্গি, এবং ব্যাকগ্রাউন্ডের স্টাইল সব মিলিয়ে একজন বিশ্বাসযোগ্য, মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তির ভাবমূর্তি তৈরি করা হয়েছে। অথচ, এটি লেখকের একান্ত ব্যক্তিগত মত। ভিজ্যুয়াল এই কৌশলকে বলে হেইলো ইফেক্ট , যেখানে বাহ্যিক উপস্থাপন দিয়ে চরিত্র বা মতামতের গুণমান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই কার্ডে প্রসঙ্গের ঘাটতি রয়েছে। লেখকের নাম নেই, পদের পরিচয় নেই, লেখাটি ব্যক্তিগত মত কি না তা স্পষ্ট নয়। কেবল আবেগপ্রবণ শিরোনাম দিয়ে পাঠককে প্রভাবিত করা হয়েছে। এই তথ্য বাছাইয়ের কৌশলকে বলে কার্ড স্ট্যাকিং , যেখানে শুধু ইতিবাচক দিক দেখিয়ে নেতিবাচক বা বিতর্কিত অংশ বাদ দেওয়া হয়।
যুগান্তরের এই ফেসবুক পোস্টটি একজন লেখকের কলামকে এইভাবে উপস্থাপন করেছে যাতে সাধারণ পাঠকের কাছে মনে হয় এটি পত্রিকার নিজস্ব মূল্যায়ন। এ ধরনের উপস্থাপন পাঠককে ভুল দৃষ্টিভঙ্গি দিতে পারে এবং এটি সাংবাদিকতার নিরপেক্ষতার বিরুদ্ধেও কাজ করে।
