Bangladesh Media monitor
Ir al canal en Telegram
Media Watchdog and Think Tank Telegram: https://t.me/bdmediamonitor
Mostrar másEl país no está especificadoLa categoría no está especificada
209
Suscriptores
+324 horas
+57 días
+630 días
Archivo de publicaciones
CU Journalist Receives Death Threat Over Phone
Details: https://tinyurl.com/e5mnrsnu
অনুষ্ঠানের নাম: এখন প্রকাশ
চ্যানেল: এখন টিভি
তারিখ: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
বিষয়: ভোট কাজিয়া
সঞ্চালক: মাহমুদ রাকিব
আলোচকবৃন্দ: ১. জাহিদুল ইসলাম, সদস্য, জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ও সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
২. মাহবুব আজীজ, উপ-সম্পাদক, দৈনিক সমকাল, সাংবাদিক ও কলামিস্ট।
সঞ্চালক মাহমুদ রাকিবের উপস্থাপনা শৈলী ছিল অত্যন্ত সুকৌশলী এবং সিলেক্টিভ। তার আচরণে 'সফট পাওয়ার' এবং নির্দিষ্ট অতিথির প্রতি 'সম্মতিসূচক ভঙ্গি'র প্রতিফলন দেখা গেছে। জামায়াত নেতা জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের সময় সঞ্চালককে বেশ কয়েকবার মাথা নেড়ে সায় দিতে দেখা গেছে। এটি দর্শকদের অবচেতন মনে এই বার্তা দেয় যে, সঞ্চালক অতিথির যুক্তির সাথে একমত। পেশাদার সাংবাদিকতায় সঞ্চালকের কাজ হলো নির্লিপ্ত থাকা।
আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ বা তাদের ভোট ব্যাংক সংক্রান্ত বিষয়ে সঞ্চালক আঙুল উঁচিয়ে বারবার প্রশ্ন করেছিলেন মাহবুব আজীজকে। আচরণ ছিল এমন যে, আজিজকে দিয়ে তিনি কথা বেড় করতে চাচ্ছেন। তিনি জেরার মত করে প্রশ্ন করছিলেন। এই সময় সঞ্চালক তার 'আবেগ' নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিলেন না সাংবাদিক হিসেবে। এই বিশেষ 'জেশ্চার' বা অঙ্গভঙ্গি সাধারণত কোনো পক্ষকে অভিযুক্ত করা বা কঠোরভাবে জেরা করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
অনুষ্ঠানের নামকরণ থেকে শুরু করে প্রশ্নের শব্দচয়ন পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা ছিল দৃশ্যমান। অনুষ্ঠানের নাম হিসেবে 'কাজিয়া' শব্দটি নেতিবাচক। এটি মূলত বিএনপি ও জামায়াতের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে একটি আদর্শিক লড়াইয়ের বদলে 'নিম্নস্তরের কলহ' হিসেবে চিত্রায়িত করার একটি প্রয়াস। সঞ্চালক সফলভাবে প্রমাণ করতে চেয়েছেন যে, এই দুই মিত্র দলের মধ্যে সংঘাত অনিবার্য।
সঞ্চালক মাহমুদ রাকিব দুই অতিথির সাথে দুই ধরনের 'লেন্স' ব্যবহার করেছেন। ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি হিসেবে জাহিদুল ইসলামের 'ব্যাকগ্রাউন্ড' জানা সত্ত্বেও সঞ্চালক তাকে অত্যন্ত 'কমফোর্ট জোন' দিয়েছেন। এমনকি তারেক রহমানের 'ভূমিকম্প তত্ত্ব' বা 'গুপ্ত' শব্দ ব্যবহার নিয়ে জাহিদুল ইসলামের ক্ষোভকে সঞ্চালক আরও উসকে দিয়েছেন।
সাংবাদিক মাহবুব আজীজ যখন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বা ৭১ এর দলিলপত্রের কথা বলছিলেন, তখন সঞ্চালক তাকে বারবার থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন অথবা আলোচনার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন। মাহবুব আজীজের যুক্তিনির্ভর আলাপকে সঞ্চালক 'আওয়ামী বয়ান' বা 'পুরনো আলাপ' হিসেবে ফ্রেইম করার সুযোগ করে দিয়েছেন জাহিদুল ইসলামকে।
এখন টিভির এই পর্বে সঞ্চালক মাহমুদ রাকিব একজন 'নিরপেক্ষ সঞ্চালক' হিসেবে নয় বরং একজন 'এক্টিভ পার্টিসিপ্যান্ট' হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন।
অনুষ্ঠানের নাম: টাইমলাইন বাংলাদেশ
চ্যানেল: গাজী টিভি (GTV)
তারিখ: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
বিষয়: প্রচারে অপপ্রচারে ভোট
সঞ্চালক: কাজী জেসিন
আলোচকবৃন্দ: ডক্টর জাহেদ উর রহমান (রাজনীতি বিশ্লেষক) এবং ব্যারিস্টার এ.এস.এম. শাহরিয়ার কবির (আইনজীবী)।
সঞ্চালক কাজী জেসিন অনুষ্ঠানের শুরুতেই 'নিরপেক্ষ সঞ্চালক' এর ভূমিকা পালন না করে একজন 'পক্ষপাতদুষ্ট বিচারকের' ন্যায় আচরণ করেছেন। বিশেষ করে ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবিরকে করা তার প্রথম প্রশ্নটিই ছিল সরাসরি আক্রমণাত্মক। তিনি 'সমালোচকরা বলছেন' না বলে নিজেই অভিযোগ তোলেন যে, অতিথি 'শিরক করছেন।' একজন সাংবাদিক হিসেবে কোনো ধর্মীয় ফতোয়া বা বিচারিক রায় দেওয়ার এখতিয়ার তার নেই, অথচ তিনি শুরুতেই অতিথিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দেন।
পুরো অনুষ্ঠানে জেসিনের আচরণে স্পষ্ট ভারসাম্যহীনতা লক্ষ্য করা গেছে। ডক্টর জাহেদ উর রহমানকে প্রশ্ন করার সময় তার কণ্ঠস্বর ছিল অত্যন্ত নমনীয় এবং তিনি জাহেদ উর রহমানের বিশ্লেষণগুলোকে পূর্ণ গুরুত্ব দিয়ে শুনেছেন। বিপরীতে, ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির যখনই কোনো যুক্তি খণ্ডন করার চেষ্টা করেছেন, জেসিন তখনই তাকে বাধা দিয়েছেন। জেসিন জাহেদ উর রহমানকে বিশ্লেষক হিসেবে পর্যাপ্ত সময় দিলেও কবিরের বক্তব্যের মাঝখানে ঢুকে তার বক্তব্যের খেই হারিয়ে ফেলার চেষ্টা করেছেন বারবার।
সঞ্চালকের ভূমিকা হওয়া উচিত আলোচনার সূত্রপাত করা, কিন্তু জেসিন এখানে 'ক্রস-এক্সামিনেশন' বা জেরা করার 'মুডে' ছিলেন। ব্যারিস্টার কবিরকে কথা বলার সুযোগ না দিয়ে তিনি বারবার রিকাউন্টার প্রশ্ন করেছেন। যেমন 'সেটা তো আপনারা করছেন' 'আবার পড়ব না আমি পড়েছি' 'সেটা তো দায়িত্ব' এই ধরনের বাক্য ব্যবহার করে তিনি অতিথির ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন, যা একজন পেশাদার সঞ্চালকের পেশাদারিত্ব প্রশ্নবিদ্ধ করে।
জেসিন কেবল প্রশ্নই করেননি বরং অতিথির দেওয়া উত্তরের নিজস্ব ব্যাখ্যা তৈরি করে তা জনসমক্ষে সত্য হিসেবে প্রচারের চেষ্টা করেছেন। তারেক রহমানের দেশে ফেরা এবং ভারত ইস্যু নিয়ে আলোচনার সময় তিনি একটি নির্দিষ্ট মিডিয়া রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে অতিথিকে 'অসত্য ছড়ানোর' দায়ে অভিযুক্ত করেন। যখন অতিথি সেটিকে চ্যালেঞ্জ করেন, তখন জেসিন পেশাদারভাবে তা গ্রহণ না করে বরং উপহাসের ছলে দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।
অনুষ্ঠানে জেসিন বেশ কয়েকবার সশব্দে হেসেছেন, যা সরাসরি একজন অতিথির ব্যক্তিত্ব ও মতাদর্শকে বিদ্রূপ করার শামিল। বিশেষ করে যখন ধর্মীয় বা রাজনৈতিক স্পর্শকাতর বিষয়ে আলাপ হচ্ছিল, তখন তার এই ধরনের 'সারকাসটিক' হাসি একজন সঞ্চালকের অপেশাদারিত্বের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ। তিনি 'দেউলিয়াপনা' বা 'ইনসাফ করছেন না' এর মতো শব্দ ব্যবহার করে জামায়াতে ইসলামীর অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন, যা টকশোর শিষ্টাচার বহির্ভূত।
একজন সঞ্চালক হিসেবে তার দায়িত্ব ছিল দুই অতিথির মধ্যে সময় বণ্টন করা। কিন্তু দেখা গেছে, কাজী জেসিন নিজেই দীর্ঘ ভূমিকা এবং পাল্টা যুক্তি দিতে গিয়ে অনুষ্ঠানের অনেকটা সময় ব্যয় করেছেন। তিনি আলোচনার বিষয়বস্তু 'প্রচারে অপপ্রচারে ভোট' থেকে সরিয়ে বারবার নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক দলকে আক্রমণ করার দিকে নিয়ে গেছেন। তিনি গঠনমূলক সমালোচনার বদলে 'খারিজ করে দেওয়ার রাজনীতি' করছেন বলে অন্যকে অভিযুক্ত করলেও, পুরো অনুষ্ঠানে তিনি নিজেই ব্যারিস্টার কবিরের প্রতিটি কথাকে 'খারিজ' করার প্রচেষ্টায় লিপ্ত ছিলেন।
ভিডিওর ট্রান্সক্রিপ্ট এবং কথোপকথনের ধরণ বিশ্লেষণ করে একটি আনুমানিক সময় বণ্টন করে দেখা গেছে বিজ্ঞাপণ বাদ দিয়ে মূল টক শো এর ৪৫% উপস্থাপক নিজে নিয়েছেন। এছাড়া ৩০% ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির এবং ২৫% ডক্টর জাহেদ উর রহমান। সাধারণত একটি আদর্শ টকশোতে সঞ্চালক ২০-২৫% সময় নেন প্রশ্ন করার জন্য। এখানে কাজী জেসিন প্রায় ৪৫% সময় নিজে কথা বলেছেন। এটি প্রমাণ করে যে তিনি অতিথিদের কথা শোনার চেয়ে নিজের 'বয়ান' প্রতিষ্ঠিত করতে বেশি আগ্রহী ছিলেন। জেসিনের অনেক প্রশ্ন ছিল ১ থেকে ২ মিনিট দীর্ঘ। তিনি প্রশ্নের আড়ালে নিজের মতামত দিচ্ছিলেন, যা অতিথির কথা বলার সময়কে সংকুচিত করে দিয়েছে।
এদিকে ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির যখনই কথা বলতে গেছেন, গড়ে প্রতি ১.৫ মিনিটে একবার তাকে সঞ্চালক বাধা দিয়েছেন বা পাল্টা মন্তব্য করেছেন। ডক্টর জাহেদ উর রহমানের ক্ষেত্রে এই হার ছিল অনেক কম, তিনি দীর্ঘ সময় (প্রায় ৩-৪ মিনিট) কোনো বাধা ছাড়াও কথা বলতে পেরেছেন। সময় বণ্টনে শাহরিয়ার কবির ৩০% পেলেও তার সময়ের বড় অংশ ব্যয় হয়েছে সঞ্চালকের করা ব্যক্তিগত ও ধর্মীয় আক্রমণের উত্তর দিতে।
'হামলা' এবং 'সংঘর্ষ' এই দুই শব্দ ধারণাগতভাবে এক নয়, কিন্তু অনেক গণমাধ্যম তা এক করে ফেলে। 'হামলা' বলতে বোঝায় একপাক্ষিক সহিংসতা, যেখানে একটি পক্ষ আক্রমণকারী এবং অন্য পক্ষ স্পষ্টভাবে ভিকটিম। এখানে শক্তির ভারসাম্য অসম এবং দায় নির্দিষ্ট। বিপরীতে 'সংঘর্ষ' শব্দটি ধরে নেয় যে অন্তত দুই পক্ষ সক্রিয়ভাবে মুখোমুখি হয়েছে।
প্রতিবেদনে 'হামলা' থেকে 'সংঘর্ষ' এ সরে গেলে পুরো ফ্রেমিং বদলে যায়। 'হামলা' শব্দ ব্যবহৃত হলে পাঠকের সামনে একটি নৈতিক কাঠামো তৈরি হয়, এখানে অন্যায় হয়েছে, ভিকটিম আছে, দায়ী পক্ষ আছে। রাষ্ট্র বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। কিন্তু একই ঘটনাকে 'সংঘর্ষ' বলা হলে সেটি হয়ে যায় একটি পারস্পরিক উত্তেজনার গল্প। দায় ছড়িয়ে পড়ে, নৈতিক স্পষ্টতা ভেঙে যায়।
অনেক গণমাধ্যম এই শব্দচয়নে ভুল করে না বরং সচেতনভাবে করে। কারণ 'সংঘর্ষ' একটি নিরাপদ শব্দ। এটি কাউকে সরাসরি অভিযুক্ত করে না, আইনি ঝুঁকি কমায়, রাজনৈতিক চাপ সামলাতে সাহায্য করে এবং ক্ষমতাবান পক্ষকে অস্বস্তিতে ফেলে না। সাংবাদিকতার ভাষায় এটাকে বলা যায় কৌশলগত নিরপেক্ষতা, কিন্তু বাস্তবে এটি প্রায়ই ভুয়া নিরপেক্ষতা। অর্থাৎ অসম শক্তির পরিস্থিতিকে কৃত্রিমভাবে সমান দেখানো।
Ex-BRTA Official Kicks Photojournalist Inside Court
Details: https://tinyurl.com/3jzsj4mb
নির্বাচনের সময় কিছু শব্দ বারবার ঘুরে বেড়ায়। এগুলো শুধু কথা নয়, এগুলো বয়ান। আর অনেক বয়ানই ধীরে ধীরে বি*ষ হয়ে কাজ করে। রাগ, ভয়, ঘৃণা আর অন্ধ আনুগত্য তৈরি করে মানুষকে ঠান্ডা মাথায় ভাবতে দেয় না।
বয়ানের বি*ষ সেগমেন্টে আমরা নিয়মিত এমন শব্দ ও ভাষা তুলে ধরবো, যেগুলো রাজনৈতিক মাঠে ঢালাওভাবে ব্যবহার করা হয় মানুষকে প্রভাবিত করতে। উদ্দেশ্য কাউকে দোষী বানানো নয় বরং শব্দ চিনতে শেখানো। কারণ শব্দ চিনতে পারলে মানুষ নিজের মতো করে ভাবতে পারে, সিদ্ধান্ত নিতে পারে আর সেই সিদ্ধান্ত থেকেই সত্যিকারের ভোট ও কার্যকর গণতন্ত্র তৈরি হয়।
Ten Journalists Injured in Narsingdi Extortion Attack
Details: https://tinyurl.com/8djfhkkm
After excluding Bangladesh from the T20 World Cup for refusing to play at venues in India, the International Cricket Council (ICC) has now applied the impact of that decision directly to the media. By collectively rejecting the accreditation applications of all journalists from Bangladesh who applied to cover the World Cup, the ICC has ensured that no Bangladeshi journalist will be able to cover this global sporting event.
Bangladesh Media Monitor believes that this is not an isolated or technical decision, rather, it is a reflection of political pressure and a direct interference in the independent professional functioning of the media.
As a global sports governing body, the ICC had the responsibility to protect sports from political influence, but in reality, it has failed to demonstrate that capability. At the same time, by collectively excluding the media of an entire country, the ICC is calling into question its own neutrality, accountability and institutional credibility. Bangladesh Media Monitor strongly demands the withdrawal of the restrictions imposed on journalists and urges ICC to avoid country-based discrimination in sports coverage in the future.
Reporter Harassed by Chhatra Shibir in Rangpur
Details: https://tinyurl.com/yvx2wfms
নির্বাচনের সময় কিছু শব্দ বারবার ঘুরে বেড়ায়। এগুলো শুধু কথা নয়, এগুলো বয়ান। আর অনেক বয়ানই ধীরে ধীরে বি*ষ হয়ে কাজ করে। রাগ, ভয়, ঘৃণা আর অন্ধ আনুগত্য তৈরি করে মানুষকে ঠান্ডা মাথায় ভাবতে দেয় না।
বয়ানের বি*ষ সেগমেন্টে আমরা নিয়মিত এমন শব্দ ও ভাষা তুলে ধরবো, যেগুলো রাজনৈতিক মাঠে ঢালাওভাবে ব্যবহার করা হয় মানুষকে প্রভাবিত করতে। উদ্দেশ্য কাউকে দোষী বানানো নয় বরং শব্দ চিনতে শেখানো। কারণ শব্দ চিনতে পারলে মানুষ নিজের মতো করে ভাবতে পারে, সিদ্ধান্ত নিতে পারে আর সেই সিদ্ধান্ত থেকেই সত্যিকারের ভোট ও কার্যকর গণতন্ত্র তৈরি হয়।
শিশুদের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে উপস্থিতি ও নিরাপত্তা বিষয়ে গুরুতর উদ্বেগ
চট্টগ্রামে একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের সময় ১৪ বছর বয়সী কিশোর সাইদুল ইসলাম চিশতীর আকস্মিক মৃত্যুতে Child Rights & Election Monitoring Initiative (CREMI) গভীর শোক প্রকাশ করছে এবং তার পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছে।
এই দুঃখজনক ঘটনা আবারও স্মরণ করিয়ে দেয় যে, উত্তেজনাপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি ও গণসমাবেশ শিশুদের জন্য শারীরিক ও মানসিকভাবে কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। প্রচণ্ড গরম, ভিড়, শারীরিক চাপ ও আবেগতাড়িত পরিবেশ , এই সবকিছু মিলিয়ে এমন জায়গায় শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বাস্তবিক কোনো কাঠামো কার্যত থাকে না।
CREMI রাজনৈতিক দলসমূহ ও রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে যে, শিশুদের রাজনৈতিক প্রচার, মিছিল ও সমাবেশ থেকে দূরে রাখা হোক। এটি কোনো দল বা মতাদর্শের প্রশ্ন নয়। এটি শিশু অধিকার রক্ষা এবং তাদের সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিত করার একটি মৌলিক দায়।
আজকের ঘটনাটি দেখিয়েছে, শিশুদের রাজনৈতিক উপস্থিতিকে ‘স্বাভাবিক’ বা ‘আবেগের বিষয়’ হিসেবে দেখার প্রবণতা কতটা ভয়াবহ পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। এই মৃত্যু কোনো বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা নয় বরং এটি একটি কাঠামোগত অবহেলার লক্ষণ, যেখানে দায়িত্ব রাজনৈতিক দল, আয়োজক, অভিভাবক এবং রাষ্ট্র সবারই রয়েছে।
CREMI মনে করে, এখনই যদি রাজনৈতিক দলগুলো শিশুদের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ নিরুৎসাহিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ না নেয় এবং রাষ্ট্র যদি এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা ও সুরক্ষা কাঠামো নিশ্চিত না করে, তাহলে ভবিষ্যতে এমন আরও মর্মান্তিক পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাবে।
আমরা এই ঘটনার প্রেক্ষিতে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং আবারও জোরালোভাবে আহ্বান জানাচ্ছি, নির্বাচনী রাজনীতিতে শিশুদের ব্যবহার ও উপস্থিতি বন্ধ করতে এখনই নীতিগত ও বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
#NotYourVotingTool #SaveOurChildren #CREMI #bangladeshmediamonitor #kashfulworld
#NotYourCampaignProp! শিশুরা আমাদের ভবিষ্যৎ, নির্বাচনে প্রচারের উপকরণ নয়!
রাজনৈতিক সমাবেশে যখন একটি শিশুকে মঞ্চে তোলা হয়, তখন শুধু তার একটি ছবি তোলা হয় না। তার পুরো ভবিষ্যৎকে একটি রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে বেঁধে দেওয়া হয়। শিশুটি বোঝে না কেন তাকে এই জায়গায় দাঁড় করানো হয়েছে, কিন্তু ইন্টারনেট মনে রাখবে। সোশ্যাল মিডিয়া মনে রাখবে। খবরের আর্কাইভ মনে রাখবে।
আজকের এই একটি মুহূর্ত কালকে তার জন্য তৈরি করতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিচিতি, সামাজিক বিভাজন এবং নিরাপত্তাজনিত সংকট।
আর সবচেয়ে দুঃখজনক হলো, কেউ এর জবাবদিহি করে না। রাজনৈতিক দল বলে, জনসমর্থন দেখাচ্ছিলাম। মিডিয়া বলে, ঘটনা কভার করছিলাম। কিন্তু শিশুটির কথা কেউ ভাবে না।
শিশুদের অধিকার আইন দিয়ে সুরক্ষিত, কিন্তু বাস্তবে? আমাদের এখনই দায়িত্ব নিতে হবে। শিশুদের রাজনীতির বাইরে রাখতে হবে। তাদের শৈশব ফিরিয়ে দিতে হবে। শিশুরা ভোটের হাতিয়ার নয়, তারা আগামীর আশা। তাদের সুরক্ষিত রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব।
#NotYourVotingTool #SaveOurChildren #CREMI #bangladeshmediamonitor #kashfulworld
Star News Video Journalist Assaulted
Details: https://tinyurl.com/22sub5ep
