es
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

Ir al canal en Telegram

Mostrar más
El país no está especificadoLa categoría no está especificada
1 221
Suscriptores
+424 horas
+347 días
+4630 días
Archivo de publicaciones

আমারও একই অনুভূতি।
আমারও একই অনুভূতি।

photo content

আলহামদুলিল্লাহ, প্রকাশককে বইটা অনুবাদ করতে বলেছিলাম। তিনিও করিয়েছেন...
আলহামদুলিল্লাহ, প্রকাশককে বইটা অনুবাদ করতে বলেছিলাম। তিনিও করিয়েছেন...

'আজকের ভালো কাজ' বইটা মূলত ইসহাক মুলতানী সংকলিত একটা দারুণ বই। ইসহাক মুলতানীর বেশিরভাগ কাজই আকাবিরদের লেখনী থেকে বিষয়ভিত্তিক
'আজকের ভালো কাজ' বইটা মূলত ইসহাক মুলতানী সংকলিত একটা দারুণ বই। ইসহাক মুলতানীর বেশিরভাগ কাজই আকাবিরদের লেখনী থেকে বিষয়ভিত্তিক সাজানো। এই বইও তেমনই একটা বই। দুঃখের বিষয়, এই বইয়ের অনুবাদে কোথাও তার নামটা পর্যন্ত নেই। দ্বিতীয় বিষয় হলো, এত সুন্দর সাজানো-গোছানো আমলী দারুণ একটা বইকে রংঢং করে রুহানিয়তশূন্য করে দিছে। এটাকে সাদাকালোভাবে গুছিয়ে ছাপলে সারা বছরের জন্য অল্প সময়ে পড়া ও তালীমের উপযোগী একটা বই হতো।

বই পড়েন আর না পড়েন, মাসিক নেয়ামত, মাসিক আলকাউসার, ত্রৈমাসিক শিশুকিশোর, ত্রৈমাসিক নারী পড়তে ভুইলেন না।
বই পড়েন আর না পড়েন, মাসিক নেয়ামত, মাসিক আলকাউসার, ত্রৈমাসিক শিশুকিশোর, ত্রৈমাসিক নারী পড়তে ভুইলেন না।

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

হযরত আনাস (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) রজব মাসের শুরু থেকেই নিম্নোক্ত দোয়া বেশি বেশি করতেন, اَللهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِىْ رَجَبَ وَ شَعْبَانَ وَ بَلِّغْنَا رَمَضَانَ উচ্চারণ: 'আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রজাবা ওয়া শা’বান, ওয়া বাল্লিগনা রমাদান।' অর্থ : 'হে আল্লাহ! আমাদের জন্য রজব ও শাবান মাসকে বরকতময় করুন এবং আমাদের রমজান মাস পর্যন্ত (হায়াত বৃদ্ধি করে) পৌঁছে দিন।' (আল-মুজামুল আওসাত :৩৯৩৯) © মাওলানা আবদুল্লাহ আল মাসউদ

একসময় বই সংগ্রহ নিয়ে অনেক 'স্বপ্ন' ছিল। এখন ধীরে ধীরে... একই টপিকের অনেক বই সংগ্রহ করার ইচ্ছা, লোভ ছিল, ছিল পড়ারও... বাস্তবতা
একসময় বই সংগ্রহ নিয়ে অনেক 'স্বপ্ন' ছিল। এখন ধীরে ধীরে... একই টপিকের অনেক বই সংগ্রহ করার ইচ্ছা, লোভ ছিল, ছিল পড়ারও... বাস্তবতা এখন ভিন্ন। দিন যত যাচ্ছে, সাংসারিক দায়িত্ব ও ব্যস্ততায় সেসব বিলাসিতা হয়ে ধরা দিচ্ছে। এভাবে আস্তে আস্তে... যাকগে, যারা এখনো বই পড়ার মতো সময় পান, হাতের এইটা বাদ দিয়া তুমুল একটা পড়াশোনা চালাই দেন। আরেকটা অনুরোধ, হাবিজাবি বই না পইড়া চেষ্টা করেন টপিকের সেরা ১/২ টা বই পড়ে ফেলার, দাগিয়ে দাগিয়ে, পাশাপাশি সব বিষয়ে এক-দুইটা যেন পড়া হয়ে যায় ভালো করে। একসময় আপনিও পড়তে চাইবেন, দায়িত্ব আপনারে এমনভাবে ঘিরে ধরব যে, পড়ার চিন্তাটাই...

সালাহ উদ্দীন আইয়ুবীর দুইটা জীবনী পড়েছি। একটা এটা, অন্যটা ইসমাইল রেহান সাহেবের। ওটা অবশ্য প্রুফের জন্য পড়েছিলাম। পড়ার জন্য না।
সালাহ উদ্দীন আইয়ুবীর দুইটা জীবনী পড়েছি। একটা এটা, অন্যটা ইসমাইল রেহান সাহেবের। ওটা অবশ্য প্রুফের জন্য পড়েছিলাম। পড়ার জন্য না। এই জীবনীটা শর্টকাটের মধ্যে বেশ ভালোই লেগেছিল। আগে বায়ান না কোত্থেকে আসত, এখন সন্দীপন আনে। চাইলে পড়ে দেখতে পারেন।

মাঝে মাঝে ভাবি, যারা ময়লা পানি ফেলেছিল, তাদের যদি মনুষ্যত্ব থাকে আর এই ঘটনা মনে পড়ে, তাহলে কীভাবে নিজেদের ক্ষমা করবে তারা?
মাঝে মাঝে ভাবি, যারা ময়লা পানি ফেলেছিল, তাদের যদি মনুষ্যত্ব থাকে আর এই ঘটনা মনে পড়ে, তাহলে কীভাবে নিজেদের ক্ষমা করবে তারা?

১৭ থেকে ২০ সালের সেইসব পড়ুয়াদের মিস করি ভীষণ, যারা বিভিন্ন ব্যস্ততায় এখন আর পড়ার, বই নিয়ে আলোচনা করার কিংবা ফটোগ্রাফির সুযোগ
১৭ থেকে ২০ সালের সেইসব পড়ুয়াদের মিস করি ভীষণ, যারা বিভিন্ন ব্যস্ততায় এখন আর পড়ার, বই নিয়ে আলোচনা করার কিংবা ফটোগ্রাফির সুযোগ পান না। এই তালিকায় ভীষণভাবে মিস করি হাসান হাফিজ ভাইকে।

photo content

এই বইটা এতদিন মুফতী শফী রহ.-এর দিল কি দুনিয়া বইয়ের অনুবাদ 'আত্মশুদ্ধি'-এর সাথে প্রকাশিত হতো। বইয়ের উপকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা বিব
এই বইটা এতদিন মুফতী শফী রহ.-এর দিল কি দুনিয়া বইয়ের অনুবাদ 'আত্মশুদ্ধি'-এর সাথে প্রকাশিত হতো। বইয়ের উপকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে মাকতাবাতুল আশরাফ বইটা নতুন করে পরিমার্জন করে আলাদা পুস্তিকা হিসেবে প্রকাশ করেছে। একজন সাধারণ মানুষের আমলের যে সিলেবাস হতে পারে, তা এই বইয়ে উঠে এসেছে। এ ছাড়া কসদুস সাবিলেও সাধারণ মানুষের উপযোগী আমলের একটা তালিকা আছে। একজন সাধারণ মানুষ যদি এই দুইও পুস্তিকা সামনে রাখে, আশা করি আমলের একটা রোডম্যাপ পেয়ে যাবে।

কখনো কি ভেবেছ—নিজের কবরটা গড়ে তুলবে? হ্যাঁ, আমি তোমার কবরের কথাই বলছি… সেই জায়গা—যেখানে নেই জানালা, নেই দরজা, আর শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া পর্যন্ত সেখান থেকে ফেরার কোনো পথও নেই। এক মুহূর্তে তুমি জীবন ছেড়ে চলে যেতে পারো, আর রেখে যাবে সবকিছু… না থাকবে ফোন, না আলো, না কোনো শব্দ— থাকবে শুধু তুমি আর তোমার আমল। এই দৃশ্যটা কল্পনা করো: আজই তোমাকে দাফন করা হলো, আর তুমি সেখানে থাকবে— যতক্ষণ না আল্লাহ কিয়ামতের অনুমতি দেন… হয়তো ১ লক্ষ বছর, হয়তো তারও বেশি— কে জানে সময়টা কত দীর্ঘ হবে? “আজ যে মারা গেল, তার অবস্থা সেই লোকের মতো—যে হাজার বছর আগে মারা গেছে।” কবরের ভেতর অনুভূতি থামে না, অপেক্ষা থামে না, নিঃসঙ্গতাও থামে না… আর এখান থেকেই শুরু হয় আসল কাহিনি। আমি আমার কবর সাজাতে শুরু করলাম—এক টুকরো এক টুকরো করে নিজেকে বললাম: যদি এই দীর্ঘ সফর অনিবার্যই হয়, তবে প্রস্তুতি হোক— না টাকা দিয়ে, না বাড়ি দিয়ে, বরং এমন আমল দিয়ে—যা কবরের অন্ধকার আলোকিত করবে। তাই কল্পনা করলাম— প্রতিটি ইস্তিগফার যেন এক একটি বাতি। প্রতিটি তাসবিহ যেন আমার পাশে ফোটা একটি ফুল। প্রতিটি রাকাআত সালাত যেন মাটির নিচে রাখা একটি বালিশ। আর নিজের জন্য করা কুরআন খতম— যেন নূরের একটি ছাদ, যা আমাকে ঢেকে রাখবে ভাবলাম—আমার কবরেই জান্নাতের নিয়ামত পাবো, আর বীজ বপনকারী আমি নিজেই! • প্রতিটি সদকা = একটি খেজুরগাছ • প্রতিটি জিকির = পানির ঝর্ণা • প্রতিটি হাওক্বলা = বিশুদ্ধ বাতাস • নবী ﷺ–এর ওপর প্রতিটি দরূদ = নিঃসঙ্গতায় সান্ত্বনার নূর আল্লাহ তাআলা বলেন: “তাদের কোনো ভয় নেই, তারা দুঃখিতও হবে না।” তুমি কি জানো—এই কথা শহীদদের ও দানশীলদের ব্যাপারে বলা হয়েছে? শুধু তারা মারা গেছে বলে নয়… বরং তারা চলে যাওয়ার আগে উত্তম বীজ বপন করেছিল। কল্পনা করো—মৃত্যুর পর তোমার জন্য অপেক্ষা করছে শুধু গিবত আর পরনিন্দা! তুমি কবরের ভেতর ঢুকলে, আর সেখানে নেই কিছুই— শুধু দুনিয়ার ব্যস্ততা, অর্থহীন দৌড়ঝাঁপ, নষ্ট হয়ে যাওয়া নেক আমল, আঘাতপ্রাপ্ত হৃদয়, আর পা হড়কানো জিহ্বা… তখন তুমি কী বলবে? তোমার সঙ্গে কে থাকবে? এই সবকিছু কি সত্যিই সার্থক ছিল? দুনিয়ার কয়েকটি মুহূর্তের জন্য— আখিরাত ধ্বংস করা কি বুদ্ধিমানের কাজ ছিল?! কবর শেষ নয়—বরং হিসাবের প্রথম ধাপ আজ আমি ও তুমি— খাই, পান করি, পরি, আরাম ও একঘেয়েমির মাঝে ঘুরি… অতঃপর—দাফন! তাহলে আমরা কীভাবে এই চিরস্থায়ী ঘরের প্রস্তুতি না নিয়ে থাকতে পারি? সমাধান খুবই সহজ: তোমার কবরকে বানাও আসমানি ব্যাংক। এখনই জমা দেওয়া শুরু করো: তাসবিহ, ইস্তিগফার, সদকা, সালাতের দুটি সিজদা সেখানে এমন কিছু বপন করো—যা ভবিষ্যতে তোমার কাজ দেবে —গর্ত বন্ধ হওয়ার আগেই একটি অন্তর থেকে দেওয়া উপদেশ—যে নিজেও মুক্তি কামনা করে: তোমার আসল ঘর বানানো পিছিয়ে দিও না… এই দুনিয়ায় নয়—বরং মাটির নিচে আজ থেকেই শুরু করো, এখনই বলো: “সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আযীম” প্রিয় নবী ﷺ–এর ওপর দরূদ পাঠ করো: “আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ” আর প্রতিটি তাসবিহকে বলো: “আমার কবরের মধ্যে আমার জন্য অপেক্ষা করো… খুব শিগগিরই দেখা হবে” হে আল্লাহ! আমাদের কবরগুলোকে জান্নাতের বাগানসমূহের একটি করে দাও। ©

যে ব্যক্তি পর্যবেক্ষণের দৃষ্টি ফেলে কোনো বিষয়ের সূচনাতেই তার পরিণতি লক্ষ করে নিতে পারে, সে সেই বিষয়ের কল্যাণ লাভ করে এবং অকল্যাণ থেকে মুক্তি পায়। অপরদিকে যে ব্যক্তি কোনো বিষয়ের পরিণামের কথা চিন্তা করে না, তার ওপর প্রবৃত্তি প্রবল হয়ে যায়। ফলে সে যা থেকে পেতে চেয়েছিল নিরাপত্তা ও নির্ভরতা, তা থেকেই সে প্রাপ্ত হয় কষ্ট ও অনিষ্টতা। আর যে ব্যাপারে সে কামনা করেছিল শান্তি ও স্বস্তি, তা থেকে প্রাপ্ত হয় ক্লান্তি ও অস্বস্তি। -ইবনুল জাওযি রহ. [হৃদয়ের দিনলিপি : ৩৬]