es
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

Ir al canal en Telegram

Mostrar más
El país no está especificadoLa categoría no está especificada
1 221
Suscriptores
+424 horas
+347 días
+4630 días
Archivo de publicaciones

এইতো কিছুদিন আগেও কাদামাটি আর পানির জন্য বর্ষাকাল বিরক্তিকর লাগত। নানাবাড়ি যেতে ৩ ঘণ্টা নৌকায় বসা লাগত, নাহয় দীর্ঘ জায়গা হেঁটে যেতে হতো। এখন নিজের বাড়ি থেকেও রাস্তা হয়ে গেছে। নানাবাড়িও যাওয়া যায় গাড়ি দিয়ে। পেছনের সেই দিনগুলোর কথা মনে পড়লে কিংবা একলা বাড়ি, চতুর্দিকে পানি, ঘাটে বাঁধা নৌকা দেখলে কত সুন্দর লাগে! বড্ড মিসও করব সেই দিনগুলো... এই তো লাস্ট যেবার নীলাদ্রি গেলাম, আসার সময় জাদুকাটা নদীর পাশে খেয়াঘাটে নৌকার অপেক্ষায়। তখন মাত্র সন্ধ্যা হয়েছে। হাল্কা বৃষ্টি। চায়ের স্টলে বসে চা খাওয়া আর এমন দৃশ্য দেখা জীবনে দ্বিতীয়বার আসবে কি না কে জানে! নস্টালজিক সেই দিনগুলো কীভাবে হারিয়ে গেল। সময়ের সাথে বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা, আড্ডা, ঘুরতে যাওয়া বোধহয় বাকি জীবন মিসই করে যাব...

একসময় শায়খ আবদুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রহ.-এর বই অনুবাদের জোয়ার চলছিল। তখনকার পাঠকরাও এগুলোর প্রতি খুব আগ্রহী ছিল। ইদানীং সেটা
একসময় শায়খ আবদুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রহ.-এর বই অনুবাদের জোয়ার চলছিল। তখনকার পাঠকরাও এগুলোর প্রতি খুব আগ্রহী ছিল। ইদানীং সেটা কমে গেছে মনে হচ্ছে। একইভাবে তানতাভীসহ আরও অনেকেরই...

প্রিয় কিছু বই।
প্রিয় কিছু বই।

photo content

photo content

অন্যের সাথে রাগ, ভাব দেখাতে ভালো লাগে। কিন্তু অন্যের কাছ থেকে আমরা বরাবরই কোমল, আন্তরিক ব্যবহার কামনা করি। নিজের অনেক বদ অভ্যাস আছে। এর মাঝে মেজাজ হারানো, রেগে যাওয়া অন্যতম। অথচ আন্তরিক মানুষদের আচরণে বরাবরই মুগ্ধ হই। নিজের আশেপাশে বেশিরভাগই এমন মানুষ পাই, যারা আমার বদমেজাজ মেনে নেয় আন্তরিকতার সাথে। হাসিমুখে। কোম্পানিতে এখানে যে সেক্টরে কাজ করি, এখানকার লিডার দুজন, সাবলিডার তিনজন। তন্মধ্যে একটা ছেলে আছে 'শান'। বাড়ি শ্রীলঙ্কা। মুসলমান কি না জানি না। তবে পুরো ওয়ারহাউজের সবাই তার আচরণে মুগ্ধ। মাত্র ছয়দিন হলো কাজ করছি, অথচ সে কতবার আন্তরিকভাবে কাজ শিখিয়ে দিলো, ভুল শুধরে দিলো। একজন তো আজ বলেই দিলো, ছেলেটার আসলেই রাগ আছে কি না, কে জানে। নাকি আমাদের সাথে রাগ হয় না সে। আজ ছিল তার এখানে চাকুরির লাস্ট দিন। শীঘ্রই দেশে চলে যাবে। বিয়েশাদি করবে হয়তো। সুযোগ হলে ইউরোপও চলে যাবে। দীর্ঘ একটা সময় তাকে মনে পড়বে।

টানা ৫/৬ বছর জলসায় ছিলাম। এবার আর থাকা হচ্ছে না। দোয়া ও শুভকামনা রইল।
টানা ৫/৬ বছর জলসায় ছিলাম। এবার আর থাকা হচ্ছে না। দোয়া ও শুভকামনা রইল।

photo content

আগুন লাগলে বা ভূমিকম্প হলেও কি বোরকা ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়া যাবে না? না, ব্যাপারটা মোটেও তেমন না। উলামায়ে কেরাম বলেন, হাতের কাছে যা আছে তা নিয়ে সাধ্যমতো পর্দা বা শালীনতা রক্ষা করে বেরিয়ে যাবে। অনেক মা-বোন মাসআলা না জানার কারণে পেরেশানীতে পড়ে যান। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন। আল্লাহর দিকে মুতাওয়াজ্জু হওয়ার তাওফিক দিন। আল্লাহর কাছ থেকে নিজেদের নিরাপত্তা কবুল করিয়ে নেয়ার তাওফিক দিন। আমীন। © মুহাম্মাদ হোসাইন

খলিফা আবু জাফর মানসুর মৃত্যুর সময় বলেছিলেন, যে মরে যায়, তার কীসের বাদশাহি। হে আল্লাহ, আমি অনেক গুনাহর দুঃসাহস করেছি, তবে আপনার সবচেয়ে প্রিয় বস্তুতে আপনার আনুগত্য করেছি। আর সেটি হলো, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ-এর সাক্ষ্য। এটি আপনার পক্ষ থেকে আমার ওপর করুণা। আপনার প্রতি আমার অনুগ্রহ নয়। হে আল্লাহ, এই সাক্ষ্যকেই আপনি আপনার নৈকট্য অর্জনের অসিলা বানিয়ে দিন। এই কথাগুলো বলে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। [জীবনের ওপারে : ১১৫]

১. চেষ্টা করবেন প্রতিদিন সাদাকা করতে। এটার ফল অবশ্যই পাবেন। হাদিসে এসেছে, সাদাকা বিপদাপদকে দূরে সরিয়ে রাখে। সাদাকা নিকৃষ্ট মৃত্যু থেকে বাঁচায়। ২. বেশী বেশী ইস্তেগফার ও দুরুদ পড়বেন। এতে আল্লাহর রহমত লাভের পাশাপাশি বিপদ দূর হয়। রিজিকের বরকত হয়। আল্লাহ রহম করুন। ©

জীবনে সবাই শেখে। কেউ কেউ শেখার জন্য বেছে নেয় খুব কষ্টের পথ। আপনি যে জিনিস হয়ত মধ্য বয়সে শিখছেন, তা হয়ত অনেকে কৈশোরে শিখে ফেলেছে। কেউ হয়ত স্কুল জীবনে যা শেখার কথা, আজো তা শেখেনি। এগুলো চিন্তা করে অবাক হবেন, তাতে লাভ নেই। আসল বিষয় হলো, আপনি কখন শিখবেন। যখনই হোক, জীবনে যখন "ঠেকে শিখবেন" তখনই আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ হতে হয়। প্রকৃতপক্ষে, যতই শিখবেন, শেখার সময়টা অবশ্যই কষ্টের, কিন্তু না শেখা জীবন হতাশা আর গ্লানির। যারা কখনই শেখে না, বুঝেও বুঝে না, দেখেও অনুভব করে না--তারা আজীবন বুকের জ্বালায় দগ্ধ হয়ে মরে। কষ্টের উৎস খুঁজে না পাওয়ার যে জ্বালা, সেটা তারা হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করে। কেউ ক্লাসরুমে আনন্দ করে শেখে, কেউ শেখে শুভাকাংখীর উপদেশ থেকে। আবার নির্মম শিক্ষা হলো খুব বড় ক্ষতি থেকে শেখা। তবুও, শেখা শেখাই। একটা কথা বহুল প্রচলিত, "শিখেছি কোথায়? ঠেকেছি যেথায়"। তাই শেখায় কোন লজ্জা নেই, বয়স নেই। ঐ যে বলে না? 'better late than never'-- দেরিতে হলেও শিখুন। শেখাই জীবন। শিখলেই জীবন বদলায়। কিন্তু শেখার পথটা খুব কষ্টের। খুব। যে কোন চিন্তা, অভিজ্ঞতা আমাদের যা শেখায়, তা একটা দুর্গম পথ। কিন্তু, শেখা ছাড়া জীবন হয় না। 'পড়ো, তোমার প্রভুর নামে, যিনি তোমায় সৃষ্টি করেছেন,' -- শেখার এক পরম আদেশ, হালাল-হারাম, অমুক-তমুক, ইত্যাদি চিন্তা করার আগেই শিখতে দৌড়াতে হবে। যারা সাধারণ বাক্যই উপলব্ধি করতে পারে না, চোখের সামনে, নিজের জীবনে শত-সহস্র ঘটনা থেকেও শিখতে পারে না। ধর্মের কথা, হালাল-হারাম আর পাপ-পুণ্যের গল্প বলে সে তো কেবল অন্যের ক্ষতিই করবে। আল্লাহ তো দিন-রাত্রির পরিবর্তনে, আকাশ আর দুনিয়ার সৃষ্টির মাঝে তাকিয়ে থেকে চিন্তাশীলদের শেখার আমন্ত্রণ দিয়েছেন। কয়টা হৃদয় সত্যিকারের শিখতে পারি? এই আকাশ আর পৃথিবী, রাত আর দিনে কী কী শিখেছি তা পয়েন্ট করে লিখে নিজেরাই লজ্জায় পড়ে যাবো না? শিখতে হবে। একদম শিশুদের মতন শেখা। শেখাতেই রয়েছে মুক্তির শুরু। শেখার মাঝেই রয়েছে কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার চাবি। সবাই আটকে পড়ে আছি কারাগারে-- অজ্ঞতা, অন্ধত্ব, অহং, হিংসার কারাগার। আলো দাও খোদা। 'নূরুন আলা নূর' কবে একটানা হতেই থাকবে আমাদের হৃদয়ে? ©

photo content

photo content

রবি বিন খুসাইমের এক মেয়ে একবার তাকে বলল, বাবা, কী হলো, আমি সকল মানুষকে ঘুমাতে দেখি, আর তুমি ঘুমাও না? উত্তরে রাবি ইবনে খাইসাম রহ. বললেন, তোমার বাবা অপ্রয়োজনীয় ঘুমে সময় কাটানোতে আজাবের ভয় পায়। [হৃদয়ের দিনলিপি : ১৪২]

বিয়ে করার দ্বারা শুধু যৌনতাড়নাই নয়, বরং অন্যান্য বড় বড় গুনাহ থেকে বাঁচাও সহজ হয়ে যায়। উপকরণ হিসেবে গুনাহ থেকে পূর্ণরূপে বেঁচে থাকার জন্য বিয়ে করা অত্যাবশ্যকীয়। অবিবাহিত ব্যক্তি মেহনত-মুজাহাদার দ্বারা নিজেকে গুনাহমুক্ত রাখতে সক্ষম হলেও তার মন-মস্তিষ্ককে জৈবিক কল্পনা-জল্পনা থেকে মুক্ত রাখতে পারে না। এ কারণে যেকোনো সময় তার গুনাহে জড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিবাহের পর গুনাহে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে চলে না গেলেও অবশ্যই তা অনেকটাই হ্রাস পায়। মোটকথা, বিবাহের দ্বারা স্বীয় যৌনতাড়নাকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ হয়ে যায়। অর্থাৎ বৈধ পন্থায় প্রয়োজন পূরণের মাধ্যমে হারাম থেকে বেঁচে থাকা সহজ হয়। -শায়খ জুলফিকার আহমাদ নকশবন্দী [বই : এখন যৌবন যার]

photo content

photo content

photo content