es
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

Ir al canal en Telegram

Mostrar más
El país no está especificadoLa categoría no está especificada
1 221
Suscriptores
+424 horas
+347 días
+4630 días
Archivo de publicaciones
চ্যানেলের কেউ বইটা সংগ্রহ করেছেন?
চ্যানেলের কেউ বইটা সংগ্রহ করেছেন?

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

নারায়ণতলা, সুনামগঞ্জ

photo content

photo content

স্ত্রী : ইমাম শাফেয়ী বলেছেন, স্বামীর সেবা করা স্ত্রীর কর্তব্য না। বিকেলে স্ত্রী স্বামীকে বলল : আমাকে মার্কেটে নিয়ে চলো। কিছু কেনাকাটা আছে। স্বামী বলল : যাও, ইমাম শাফেয়ীকে বলো তোমাকে মার্কেটে নিয়ে যেতে। [আরবী থেকে]

photo content
+4

কী একটা সময় ফেলে এসেছি ২১/২২ সালে
+1
কী একটা সময় ফেলে এসেছি ২১/২২ সালে

photo content

যদি কারও ভেতরের অবস্থা ভালো না হয়ে থাকে তবে আল্লাহ তাআলা সেটিকেই তার বাহ্যিক অবস্থায় পরিণত করে দেবেন। কেউই কখনোই কোনো কিছু লুকিয়ে রাখতে পারেনি, আল্লাহ একসময় এটিকে প্রকাশ করবেনই ; হতে পারে তা সে ভুলবশত কিছু একটা বলে ফেলবে কিংবা তার চেহারার অভিব্যক্তি দেখে সেটা বোঝা যাবে। একটা মানুষের পক্ষে খুব বেশি সময় ধরে আত্মপ্রতারণা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব। আল্লাহ মানুষকে ঠিক এভাবেই সৃষ্টি করেছেন। এটাই আল্লাহ তাআলা কর্তৃক নির্ধারিত প্রাকৃতিক রীতি যে, একজন মানুষের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক অবস্থা একসময় না একসময় হুবহু একই রকম হয়ে যায়। যদি এমন হয় যে কোনো ব্যক্তি মিথ্যাচার, বেঈমানী, লোক- দেখানো ইত্যাদির আশ্রয় নিয়ে তার ভেতরের সত্যিকার অভিপ্রায় গোপন করে রেখেছে, এ অবস্থা খুব বেশি সময়ের জন্য স্থায়ী হবে না, কেননা আল্লাহ তাআলা এটাকে প্রাকৃতিক রীতি বানিয়ে দিয়েছেন যে, মানুষ অবিরাম মিথ্যাচারের মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকতে পারে না, অসীম সময়ের জন্য মেকি রূপ ধারন করে থাকতে পারে না। -আব্দুল্লাহ আযযাম রহ.

এই আমরাই এককালে শুদ্ধ আদর্শ ও শান্তির বাণী নিয়ে ছড়িয়েছি পৃথিবীর দিগ্বিদিক। ফেরি করে বেড়িয়েছি ইমানের সোনালি আলো। জাহেলি কাঁচামাল থেকে বদলেছি সূর্যসন্তানে। অথচ আজ এই আমরাই নিপতিত হয়েছি নানারকম বিপদসংকুল অবস্থায়। আদর্শের ময়ুর সিংহাসন ছেড়ে এসে দাঁড়িয়েছি অন্য আরও দশ ধর্মের কাতারে। এই অর্জন আমাদের। এই পাপফসল আমাদেরই হাতে তোলা। আমরা ভুলে গেছি নিজেদেরকে। সব মিশিয়ে দিয়েছি কালের ধুলোয়। নিজেরাই রচনা করেছি নিজেদের ভাগ্য। ঠেলে এনেছি এখানটায়। এটি ঠিক সেদিন থেকে শুরু, যেদিন থেকে আমরা বিচ্যুত হয়েছি কুরআনের সরল পথ থেকে। নবি ও সাহাবিদের ছায়া ছেড়ে যেদিন থেকে গ্রহণ করেছি অন্যদের অঙ্গার আদর্শ। অন্ধদের বন্য সভ্যতা ও শিক্ষা, সংস্কৃতি। যখন দীন ও দীনের শিক্ষা থেকে নিয়েছি অনেক দূরে অবস্থান। এই পতনছন্দ সেদিন থেকেই শুরু। আসলে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অবাধ সাফল্যে কথিত এই আধুনিক জীবনে কীভাবে পাখি হয়ে উড়তে হয় কিংবা কীভাবে মাছ সেজে পানিতে ভাসতে হয়—তা হয়তো আমরা শিখেছি কিন্তু কীভাবে মানুষের মতো মানুষ হয়ে বাঁচতে হয় তা আমরা শিখিনি। আধুনিক হওয়ার নামে হারাচ্ছি নিজেদের মহামূল্যবান ইমান। নিজেদের ভেতর ধারণ করছি ভ্রষ্টদের শেখানো সবক। না বুঝেই নিচ্ছি পথহারানোর গোপন পাঠ। তাদের সিলেবাসে শিক্ষিত হওয়াকেই ভাবছি জাতে ওঠার সফল সিঁড়ি। অথচ একবারের জন্যেও তাকাচ্ছি না পেছন ফিরে। ভাবছি না ফেলে আসা পথ নিয়ে। নিজেদেরকে দেখছি না ইমানের আয়নায়। ফলে নিজেদের সঙ্গে সঙ্গে নবপ্রজন্মকেও নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি জাহান্নামের দিকে। - বই—নবপ্রজন্মের ইমান বাঁচাও লেখক—সাইয়েদ আবুল হাসান আলি নদবি রহ.

photo content

photo content

জায়গাটার নাম ইয়াদ নেই। নিজ হাতে তোলা ছবি। সম্ভবত ৫-৬ বছর আগের। সিলেটের কোনো এক পার্ক/রিসোর্টে।
+5
জায়গাটার নাম ইয়াদ নেই। নিজ হাতে তোলা ছবি। সম্ভবত ৫-৬ বছর আগের। সিলেটের কোনো এক পার্ক/রিসোর্টে।