es
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

Ir al canal en Telegram

Mostrar más
El país no está especificadoLa categoría no está especificada
1 099
Suscriptores
Sin datos24 horas
+227 días
+2630 días
Archivo de publicaciones
দুনিয়া আসলে একটি মুসাফিরখানা। সুতরাং মানুষদের এখানে এর স্বাদ-আনন্দ উপভোগের জন্য প্রতিযোগিতায় নামা উচিত নয়। সময়গুলো এর পেছনে ব্যয় করাও বুদ্ধিমানের কাজও নয়। এখানে মোটামুটি কাজ চলে যাওয়ার মতো হলেই যথেষ্ট—গভীর অনুসন্ধানের কোনো প্রয়োজন নেই। -ইবনুল জাওযি রহ. [হৃদয়ের দিনলিপি : ৩৩৪]

ইবনুল কাইয়িম রহ. বলেন, যে আল্লাহর যথাযথ পরিচয় লাভে ধন্য হয়েছে— - তার জীবন হবে নির্মলতা ও আত্মিক প্রশান্তিতে আচ্ছাদিত এবং পবিত্রতার চাদরে আবৃত। - তার একটি ব্যক্তিত্ব অর্জিত হবে এবং তার অন্তর থেকে সৃষ্টিকুলের ভয় দূর হয়ে যাবে। - রবের সাথে তার সম্পর্কে উন্নতি হবে, অপরদিকে মানুষের সাথে সম্পর্ক ক্রমশ হ্রাস পাবে। আপন প্রতিপালকের সামনেই সে শুধু লজ্জিত হবে এবং তাঁকেই বড় জ্ঞান করবে এবং সর্বদা অন্তরে জাগরূক রাখবে তাঁরই ধ্যান-খেয়াল। বস্তুত, সে আল্লাহকেই সত্যিকারার্থে ভালোবাসবে, তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তন করবে এবং তাঁকে নিয়েই সন্তুষ্ট থাকবে। সব বিষয় তাঁর সন্তুষ্টির ওপর ন্যস্ত করবে। [কীভাবে আল্লাহর প্রিয় হবো? : ১৩০]

আল্লাহ তাআলার পরিচয় লাভের উপায় হলো, তাফসীরসহ কুরআন পড়া। ব্যাখ্যাসহকারে আসমাউল হুসনা পড়া। আপনি কি দৈনিক একটা সময় নির্ধারণ করেছেন, যে সময়টাতে আপনার প্রতিপালকের নামগুলো থেকে কমপক্ষে একটি নামের যিকির করবেন, এ নাম নিয়ে চিন্তা-ফিকির করবেন? এ কথাও কি মেনে নেওয়া যায় যে, একজন মানুষ তার প্রতিপালকের ইবাদত করবে, অথচ সে তার প্রতিপালকের পরিচয়, বড়ত্ব-মহত্ত্ব সম্পর্কে জানে না। সে কিছুই জানে না তার রবের নামসমূহ ও গুণাবলি সম্পর্কেও। বান্দা যদি তার প্রতিপালক সম্পর্কে কিছু নাই জানে, তাহলে কীভাবে তার অন্তরে আপন প্রতিপালকের ভালোবাসা স্থান করে নেবে? কীভাবে প্রতিপালকের সম্মান ও ভয়, ভরসা ও বিশ্বাস, একনিষ্ঠতা ও সত্যতা নিজের অন্তরে ঠাঁই করে নেবে? যদি আপন রবের সম্পর্কে নাই বা জানে, তবে কী করে তার মনে রবের সাক্ষাতের আগ্রহ সৃষ্টি হবে? [পরকালের প্রস্তুতি : ৩১]

হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বহু কিতাব রচনা করে গিয়েছেন। এক হাজারের মতো রচনা, কোনোটার কপিরাইট নাই। ঢাকা শহরে আলেমদের মধ্যে তিনজন ব্যক্তি সবচেয়ে বেশী সুপরিচিত। তারা হলেন : ১। হাফেয মাওলানা মুহাম্মাদুল্লাহ রহ. (হাফেজ্জী হুযুর) ২। মাওলানা আব্দুল ওয়াহহাব রহ. (পীরজী হুযুর) ৩। মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী রহ (সদর সাহেব হুযুর) তিনজনই থানভী বাগানের ফুল। এক বোঁটায় তিন ফুল। একসঙ্গে এসেছেন থানাভবন থেকে। হযরত মাওলানা শাহ আবরারুল হক সাহেব রহমাতুল্লাহি আলাইহি (হরদুই হযরত) এই বাগানের ফুল। হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ শফি রহমাতুল্লাহি আলাইহি এই বাগানের ফুল। হযরত মাওলানা আতাহার আলী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বহুত বড় আল্লাহর অলী ছিলেন। তিনিও থানভী রহমাতুল্লাহি আলাইহির খলীফা। হাকীমুল উম্মত রহমাতুল্লাহি আলাইহির অনেকগুলো কিতাবের বাংলায় তরজমা হয়ে গেছে। এই অনুবাদগুলোর পেছনে তার শাগরেদদের বিরাট অবদান। এই কিতাবগুলো আমাদের সংগ্রহে থাকা উচিত। [প্রফেসর হযরতের মালফুযাত : ৯৬-৯৭]

photo content

photo content

বোনেরা এগুলোসহ মুসলিম নারীদের বীরত্বগাথা নিয়ে লেখা দুইটা বইও রাহনুমার ৬০% ছাড়ের অফারে নিতে পারেন।
বোনেরা এগুলোসহ মুসলিম নারীদের বীরত্বগাথা নিয়ে লেখা দুইটা বইও রাহনুমার ৬০% ছাড়ের অফারে নিতে পারেন।

উস্তাদে মুহতারামের ইন্তেকালের ছয় বছর হয়ে গেল! সময় থাকতে আমরা কারোরই কদর করতে পারি না, পারিওনি।
উস্তাদে মুহতারামের ইন্তেকালের ছয় বছর হয়ে গেল! সময় থাকতে আমরা কারোরই কদর করতে পারি না, পারিওনি।

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

মাকতাবাতুল হাসানের বইয়ের ক্যাটালগ
+7
মাকতাবাতুল হাসানের বইয়ের ক্যাটালগ

মনে পড়ে, মনও পুড়ে 🙂
+2
মনে পড়ে, মনও পুড়ে 🙂

photo content

photo content

photo content

photo content

সালাফে সালিহীন তথা পুণ্যাত্মা পূর্বসূরিগণ নিজেদের প্রতিটি মিনিট কাজে লাগাতে সচেষ্ট থাকতেন। আমির ইবনে কায়স রহ. সম্পর্কে বর্ণিত আছে, জনৈক ব্যক্তি তাকে বলেছিল, আমার সাথে কিছুক্ষণ কথা বলুন। উত্তরে তিনি বলেছিলেন, 'সূর্যকে থামিয়ে দিতে পারলে তোমার সাথে কথা বলতে পারি।' (অর্থাৎ সূর্য আর সময় অনবরত চলছে। তাহলে কথা বলে কীভাবে সময় নষ্ট করতে পারি?) সাবিত বুনানী রহ.-এর ছেলে বলেন, আব্বাজানের ইন্তেকালের সময় আমি তালকীন করছিলাম। তখন তিনি বললেন, 'বেটা, আমাকে ছেড়ে দিয়ে এ সময়টা নিজের কাজে ব্যস্ত থাকো।' অনেক বুজুর্গকে লোকেরা মৃত্যুযন্ত্রণার সময়ও নামাজ পড়তে দেখে বিস্ময় প্রকাশ করত। তখন তারা বলতেন, এখন তো আমার আমলনামা বন্ধ হয়ে যাবে। (তাহলে নেকী বৃদ্ধি করব না কেন?) প্রকৃত বাস্তবতা হচ্ছে কারও যখন এটা বিশ্বাস হয়ে যাবে যে, মৃত্যুর মাধ্যমে তার আমল বন্ধ হয়ে যাবে, তখন সে অবশ্যই এমন কাজ করবে, যার সওয়াব মৃত্যুর পরও জারি থাকে। অনেক মুজাহাদা থাকার পরও সে এমনটা করবে। দুনিয়াতে মানুষের কাজে লাগে কোনো সুবিধাজনক সম্পদ থাকলে সেটা আল্লাহর রাস্তায় ওয়াকফ করে দেয়া যায়। মানুষের উপকারার্থে রাস্তার পাশে গাছ লাগানো এবং খাল খনন করা যেতে পারে। বাবার মৃত্যুর পর আল্লাহর স্মরণ করবে এমন সন্তান কামনা করে দুআ করা। তাহলে বাবা কবরে শুয়ে শুয়েও সওয়াব পাবেন। আলেম হলে দ্বীনী কিতাবাদি রচনার চেষ্টা করা। কেননা দ্বীনী কিতাবে আলেমের অবদান সন্তানের প্রতি বাবার অবদানের মতো। আর সাধারণ মানুষ হলে সওয়াবের কাজ শিখে শিখে আমল করার চেষ্টায় লেগে থাকা উচিত। বস্তুত এমন লোকেরা মৃত্যুর পরও অমর হয়ে থাকে। [প্রশান্ত অন্তর : ১৪৩]