ch
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

前往频道在 Telegram

显示更多
未指定国家未指定类别
1 099
订阅者
无数据24 小时
+227
+2630
帖子存档
একদম মূর্খ মেয়েকেও বিয়ে করবেন না। আবার অতি শিক্ষিত মেয়েকেও জীবনসঙ্গিনী হিসাবে বেছে নেবেন না। কারণ মূর্খ স্ত্রী বিপদ ডেকে আনে। আর অতি শিক্ষিত (আল্ট্রামডার্ন) মেয়ে দুর্ভাগ্য টেনে আনে। বিয়ের ক্ষেত্রে লক্ষ রাখা উচিত, জ্ঞানের দিক থেকে স্বামী যেন সবসময় স্ত্রীর থেকে উঁচুতে থাকে। (গুণীজন বলেন, আদর্শ দাম্পত্য জীবন সেটাই হয় যেখানে জ্ঞানে ও সম্পদে স্বামী থাকে ওপরে আর গুণে ও সৌন্দর্যে স্ত্রী থাকে ঊর্ধ্বে।) -শায়খ মুসতফা আস সিবায়ী রহ. [সুখী-জীবন সিরিজ : ৩/২৭৪]

যে-কোনো লেখা আপনার মন ও মস্তিষ্ক এবং চিন্তা ও চেতনায় অবশ্যই প্রভাব ফেলবে। তাই শুধু এমন লেখকের লেখাই পড়ুন যার লেখায় আছে চিন্তার ছাপ, হৃদয়ে আছে ঈমানের উত্তাপ, ভাষায় আছে গভীর আকর্ষণ, উম্মাহর জন্য যিনি করেন অশ্রু বর্ষণ। -শায়খ মুসতফা আস সিবায়ী রহ. [সুখী-জীবন সিরিজ : ৩/২৬৭]

প্রতিদিন ফজরের সালাম ফিরানোর পর নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন— اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعً
প্রতিদিন ফজরের সালাম ফিরানোর পর নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন— اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا , وَ رِزْقًا طَيَّبًا , وَ عَمَلاً مُتَقَبَّلاً অর্থ : 'হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, উক্তৃষ্ট জীবিকা এবং গ্রহণযোগ্য আমল (সম্পাদনের তাওফিক) প্রার্থনা করছি।” . প্রতিটি মুসলিমই নবির শেখানো এ দোয়াটির মুখাপেক্ষী। সে যদি তালিবে ইলম হয়, শিক্ষার্থী হয়, তবে উপকারী জ্ঞান প্রার্থনা করবে; যদি কর্মজীবী হয়, তবে হালাল ও উৎকৃষ্ট জীবিকা প্রার্থনা করবে এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মতাে নিত্য দিনের আমল গুলো সুষ্ঠুভাবে পালন করবে আর বেশি করে মাকবুল আমলের সামর্থ্য প্রার্থনা করবে। কারণ, অগ্রহণযােগ্য আমল বান্দার ওপর একপ্রকার শাস্তি ও বিপদ। . —তালিবুল ইলম গঠনের আদর্শ রুপরেখা —শাইখ মুহাম্মদ আওয়ামা

ইসলামের আকীদার বেসিক বিষয় সহজভাবে জানতে 'ইসলামী জীবনের রূপরেখা/ইসলামী জীবনপদ্ধতি' বইয়ের আকীদা অংশ পড়তে পারেন। এটুকু এনাফ ইনশা
ইসলামের আকীদার বেসিক বিষয় সহজভাবে জানতে 'ইসলামী জীবনের রূপরেখা/ইসলামী জীবনপদ্ধতি' বইয়ের আকীদা অংশ পড়তে পারেন। এটুকু এনাফ ইনশাআল্লাহ।

বইয়ের বাইন্ডিং, গ্যাটাপ-স্যাটাপে মাকতাবাতুল হাসানকে অসাধারণ লাগে।
বইয়ের বাইন্ডিং, গ্যাটাপ-স্যাটাপে মাকতাবাতুল হাসানকে অসাধারণ লাগে।

পুরোটাই হাদীস। পুরো বইটাই মাখন।
পুরোটাই হাদীস। পুরো বইটাই মাখন।

আশরাফ কুপ দিবো সেই রকম
আশরাফ কুপ দিবো সেই রকম

জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্র ও মুহূর্ত জুড়ে যে দীন ও ধর্ম পরিব্যাপ্তি, যে দীন ও ধর্ম গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিশ্বাস ও মৌলিক বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে জীবনকে একটি সুনিয়ন্ত্রিত কাঠামোতে দাঁড় করাতে চায়, সে দীন ও ধর্ম পালনের জন্য অবশ্যই এর উপযোগী সংস্কৃতি ও সামঞ্জস্যপূর্ণ পরিবেশ থাকতে হবে। যে দীনের অধিকাংশ আবশ্যক আমল ও ইবাদতের সাথে নিয়ত ও পবিত্রতা জড়িত, যে দীন ও ধর্মব্যবস্থায় নৈকট্য হাসিলের জন্য রয়েছে বিশেষ কিছু শর্ত ও নিয়ম-পদ্ধতি, পবিত্রতা ও চারিত্রিক বিশুদ্ধতা সম্পর্কে নিজস্ব কিছু দর্শন ও দৃষ্টিভঙ্গি, সে দীন ও ধর্ম পালনের জন্য অবশ্যই একটি অনুকূল আবহ প্রয়োজন। কারণ, এ দীনের দর্শন ও দৃষ্টিভঙ্গি অন্য সবার থেকে ভিন্ন। এর স্বভাব ও সংস্কৃতিও ভিন্ন। এ ধর্মে নৈতিক ও চারিত্রিক দোষ থেকে মুক্ত থাকা বলতে কেবল সাধারণ নৈতিক পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতাই বোঝায় না, পবিত্র ও পরিচ্ছন্নতার অর্থ এখানে আরোও ব্যাপক আরোও গভীরতর অর্থ প্রদান করে। স্বাভাবিকভাবেই এ দীনের অনুসারীদের পক্ষে তাই পশ্চিমা সংস্কৃতির সাথে খাপ খাইয়ে চলা অসম্ভব। [ইসলামী জীবনের রূপরেখা : ২৪৫]

কি ও কী এর ব্যবহারে অনেকেরই প্যাঁচ লাগে। সংক্ষেপে দুটোর ব্যবহার নিচে দিলাম। যে প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ বা না দিয়ে দেয়া যায়, সে ক্ষেত্রে 'কি' হবে। যেমন : তুমি কি ভাত খেয়েছ? উত্তর : হ্যাঁ/না। যে প্রশ্নের উত্তর একটু বিস্তারিত দিতে হয়, সে ক্ষেত্রে 'কী' হবে। যেমন : তুমি কাল কী করেছিলে? উত্তর : আমি গতকাল...

ফেসবুকে দাওয়াতী কাজে শুধু রিয়ার আশঙ্কা প্রবল, তা-ই না—মানুষের প্রশংসায় প্রভাবিত হওয়া, লোকের প্রশংসাকে নিজের পক্ষে প্রমাণ ভাবা, নিজের সম্পর্কে উঁচু ধারণা তৈরি হওয়া, লাইক-শেয়ারের ফাঁদে পড়া, আরও বেশি লাইক অর্জনের উপযোগী পোস্ট দেয়ার অবদমিত আকাঙ্ক্ষা তৈরি হওয়া, ভক্তকুল দ্বারা প্রভাবিত হওয়া, একসময় ভক্তকুলের পছন্দ-অপছন্দের মাধ্যমে চালিত হওয়া, দ্বীনী পথে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জনের প্রচেষ্টা তৈরি হওয়া, নিজেকে পাবলিক ফিগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করা, দাওয়াহ-পেইজের মাধ্যমে নিজস্ব ব্র্যান্ডিং করা, দ্বীনী ট্রলের নামে হাসি-তামাশাকে একটা নিয়মিত ব্যস্ততা বানিয়ে নেয়াসহ এমন জানা-অজানা প্রচুর দ্বীনী ক্ষতি রয়েছে। [কল্পিত কারাবাস : ৪০]