ch
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

前往频道在 Telegram

显示更多
未指定国家未指定类别
1 099
订阅者
无数据24 小时
+237
+2630
帖子存档
আল্লাহওয়ালাগণ বলেন, স্ত্রীর মাঝে চারটি বৈশিষ্ট্য অবশ্যই থাকতে হবে। প্রথম বৈশিষ্ট্য হলো স্ত্রীর চেহারায় লজ্জা থাকা। এটা একটা ম
আল্লাহওয়ালাগণ বলেন, স্ত্রীর মাঝে চারটি বৈশিষ্ট্য অবশ্যই থাকতে হবে। প্রথম বৈশিষ্ট্য হলো স্ত্রীর চেহারায় লজ্জা থাকা। এটা একটা মৌলিক কথা। যে মহিলার চেহারায় লজ্জা থাকে, তার অন্তর হয় লজ্জায় পরিপূর্ণ। কথায় বলে, চেহারা হচ্ছে মনের আয়না। Face is the index of mind. আলী রাযি. বলেছেন, 'লজ্জা উত্তম বটে, তবে এটা মহিলাদেরই বেশি শোভা পায়।' দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য কণ্ঠস্বরের মিষ্টতা। অর্থাৎ তার কণ্ঠ শুনলে যেন কানের মধ্যে মধু ঢালছে বলে মনে হয়। এমন যেন না হয় যে সব সময় স্বামীর সাথে ঘ্যানঘ্যান করে চলছে। কিংবা ছেলে-মেয়েদের শাসন করছে। তৃতীয়ত, তার অন্তরে কল্যাণকামিতা থাকতে হবে। চতুর্থত, তার হাত থাকবে কাজে ব্যস্ত। এই বৈশিষ্ট্যগুলো যে মহিলার মাঝে থাকবে, সে নিশ্চিতভাবেই নেককার স্ত্রী হিসেবে জীবন কাটাতে পারবে। [প্রশান্ত অন্তর : ২২২] [কেন জানি না, এই ছবিটা এত ভালো লাগে...]

আল্লাহ তায়ালা আপনাকে সোহবতের নেয়ামর দান করুন। আমাকেও ঋণমুক্ত, দুশ্চিন্তামুক্ত সোহবতময় জীবন দান করুন।
আল্লাহ তায়ালা আপনাকে সোহবতের নেয়ামর দান করুন। আমাকেও ঋণমুক্ত, দুশ্চিন্তামুক্ত সোহবতময় জীবন দান করুন।

আমি দিওয়ান-ই-আমে বেজে উঠা গালিবের সেই অমর সুর, আমি হেরাত থেকে গজনীর পথে হেটেছি বহুদূর। আমি খোরাসান থেকে খারিজম, বিশাল উপত্যকা, আমি ফারগানা থেকে দিল্লীর পথে বাবরের পতাকা। আমি পলাশী থেকে মহীশুর, পরাধীনতার কাহিনী, আমি আফগান থেকে পানিপথ, শাহ আবদালীর বাহিনী। আমি গৌড় থেকে সোনারগাঁ, বারো ভুইঁয়ার শাসন, আমি লালদিঘী থেকে শাপলা চত্বর, আহমদ শফীর ভাষন। আমি রায় থেকে নিশাপুরের পথে থেমেছি সরাইখানায়, আমি রেশম পথের দুই ধারে বসেছি গাছের ছায়ায়। সমরকন্দের সোনালী গম্বুজে, দেখেছি রোদের ঝলক, আল হামরার প্রাসাদ দেখে পড়েনি চোখের পলক। আমি দামেশকের বাজারে ঘুরেছি, হাজারো মানুষের ভীড়ে, অবশেষে ক্লান্ত পাখির ন্যায়, ফিরে গেছি নিজ নীড়ে। আমি গজনী থেকে মুলতান, সুলতান মাহমুদের বাহিনী, আমি কুতাইবা বিন মুসলিমের সমরকন্দ বিজয়ের কাহিনী। আমি আটলান্টিকের তীরে দাঁড়িয়ে উকবা বিন নাফের পাশে, হারানো ঐতিহ্যের কথা ভাবলে এখন, দু চোখে জল আসে। আমি কর্ডোভা, বাগদাদ আর গ্রানাডার কুতুবখানা, আমি আগ্রা থেকে লাহোরের পথে আজো হই দিওয়ানা। আমি ইমাম বুখারীর দরসে বসেছি নব্বই হাজারের সাথে, আমি ইলমের সন্ধানে ছুটে চলেছি মধ্য এশিয়ার পথে। আমি হাজারো মুহাদ্দিসের দেশ 'মা ওয়ারাউন্নাহার' চলার পথে বাধা হয়নি সাগর কিংবা পাহাড়। আমি ইবনে খালদুনের 'মুকাদ্দিমা', সুয়ুতির 'আল ইতকান', আমি ইয়ামানের পথে মহান তাবেয়ী ত্বউস ইবনে কায়সান। আমি 'বায়তুল হিকমাহ'র নীরব কক্ষে বসেছি জ্ঞান সাধনায়, আমি কায়রোর মসজিদে জায়নামাজ বিছিয়ে প্রভুর আরাধনায়। আমি দিল্লির 'রহিমিয়া', বাগদাদের 'নিজামিয়া', আমি ভারতমনীষা আবুল হাসান আলী মিয়া। আমি দিল্লির কুতুবমিনারে দাঁড়িয়ে উচ্চস্বরে দেই আজান, আমি হেমস থেকে হিত্তিনের পথে উড়িয়ে যাই বিজয় নিশান। আমি আবুল ফজলের তোষামোদ নই, আমি সিরহিন্দীর সাহসী উচ্চারণ, আমি গোয়ালিয়র, আন্দামান, মাল্টা আর রেঙ্গুনে বীর মুজাহিদের কারাবরণ। আমি আইয়ুবির 'সৈন্যবাহিনী', বলবনের 'ন্যায়পরায়ণতা ' আমি পরাধীনতার কালো আকাশে এক চিলতে স্বাধীনতা। আমি সাদির 'গুলিস্তা', রুমির 'মসনবি' আর ফেরদৌসির 'শাহনামা', আমি আব্দুল আজিজের সাহসী খুতবা, মাথায় বাধা আমামা। আমি ইবনে তাইমিয়ার 'জিহাদি ফতোয়া', ইসমাইল শহীদের 'বালাকোটি চেতনা', চে, লেনিন, মাও কিংবা ফিদেল নয়, সাইয়েদ আহমদ আমায় দেয় প্রেরণা। আমি দজলা থেকে আমু দরিয়া, সেনাবাহিনী আগুয়ান, আমি গাদ্দার 'আলকামা' নই, গোয়েন্দা 'আলী বিন সুফিয়ান'। আমি নিজামুদ্দিনের খানকাহে যাই তাসাউফের সন্ধানে, গৌড় গোবিন্দের প্রাসাদ ধ্বসে পড়ে, শাহ জালালের আজানে। আমি তুঘলকের দরবারে কুতুবুদ্দিন মুনাওয়ারের কন্ঠ , 'আল আযমাতু লিল্লাহ', আমি উবাইদুল্লাহ আহরারের সামনে বসা মহান সাধক 'খাজা বাকী বিল্লাহ'। আমি আরব থেকে সিন্ধু এসেছি, মুসলিম বোনের আর্তনাদে, রাজা দাহিরের প্রাসাদ কাপিয়েছি, 'আল্লাহু আকবার' নিনাদে। আমি শিহাবুদ্দিন ঘুরির বাহিনী, পৃথ্বিরাজের সাথে লড়াই, আল্লাহর উপর ভরসা করেছি, কখনো করিনি বড়াই। আমি গজনী থেকে সোমনাথ, সুলতান মাহমুদের বাহিনী, আমি ইখতিয়ারউদ্দিনের হাতে, নদীয়া বিজয়ের কাহিনী। আমি জ্ঞানের মশাল জ্বালি, দূর করি অজ্ঞতার আঁধার, আমি 'রুহবানুন ফিল লাইল, ওয়া ফুরসানুন ফিন নাহার'। আমি ওয়ালিউল্লাহর হাদিসের সনদ,শাহ জাফরের কবিতা, ষড়যন্ত্র কিংবা গাদ্দারী নয়, আমার অস্ত্র সরলতা । আমি ফজলে হক খয়রাবাদী, কাফনের কাপড়ে লিখি আজাদির ইতিহাস, আমি দেওবন্দ, নদওয়া আর সাহারানপুরে হাদিস পড়ি বারোমাস। আমি 'ঝড়োকা বারান্দা'য় দাঁড়িয়ে স্বাধীন সূর্য দেখি, আমি 'রেশমি রুমালে' হাজারো গোপন বার্তা লেখি। আমি ইলিয়াসের 'তাবলিগি মেহনত', থানভির 'তাজকিয়া', আমি মাদানির 'জিহাদ', গাংগুহির 'ফতোয়ায়ে রশিদিয়া'। আমি ইলমের পাহারাদার, নজর রাখি সবার উপর, বিদাত কিংবা ইলহাদ, ঢুকতে দিই না দ্বীনের ভেতর। © ইমরান রাইহান

তালিবুল ইলম বন্ধুদের জন্য -সীরাতের আবেগ ও রুহানিয়ত অনুধাবন করতে চাইলে আবদুল্লাহ সিরাজুদ্দিন রহিমাহুল্লাহর বইগুলো পড়ুন। -সীরাতের আলোকে আন্দোলনের রূপরেখা, নেতৃত্ব গঠন, কর্মীদের তরবিয়ত পদ্ধতি বুঝতে চাইলে মুনির গদবানের বইগুলো পড়ুন। নবিজির নেতৃত্ব দক্ষতা জানতে মাহমুদ শিত খাত্তাবকে পড়ুন। -ফিকহুস সিরাহ বুঝতে চাইলে রমাদান বুতি, মুহাম্মদ গাজালি ও মুয়াফফিক সালিম নুরির বইগুলো পড়ুন। -সকল উৎস সামনে রেখে সিরাত পড়তে চাইলে মাহদি রিজকুল্লাহর সীরাত পড়ুন। -নবিজির সামরিক জীবন অনুধাবন করতে ডক্টর হামিদুল্লাহ, মুস্তফা তল্লাস ও আকবর খানের বই পড়ুন। -নবিজির ব্যক্তিত্বের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানতে ফাতহুল্লাহ গুলেন, মুস্তফা শাকআহ, ইউসুফ কারজাভির সিরাত পড়ুন। -নবিজির সময়কার জিওপলিটিক্স ও রাজনীতি বুঝতে ওয়াদ্দাহ খনফারের বই পড়ুন। -মদিনায় নবিজির শাসনব্যবস্থা জানতে ইয়াসিন মাজহার সিদ্দিকি, সালিহ আহমদ আলি ও আহমদ ইজাজ করমির বই পড়ুন। -কোরআনে বর্নিত সীরাতের চিত্র জানতে মুহাম্মদ ইজ্জত দরওয়াজাহ, আবদুল মাজেদ দরিয়াবাদি ও মুহাম্মদ হানিফ নদভীকে পড়ুন। -সীরাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বুঝতে সাইয়েদ সুলাইমান নদভীকে পড়ুন। (আমার ক্ষুদ্র পড়াশোনা অনুসারে সামান্য পরামর্শ। মানুষ তার সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করতে পারে না, সুতরাং তালিকাটি সবার জন্য দরকারি নাও হতে পারে) -ইমরান রাইহান

আমি কর্মবিমুখ দ্বীনদার ছেলেদের বেশ ভালো বুঝতে পারি। কারণ, আমিও তাঁদের একজন ছিলাম। আমার অনেক দ্বীনী ভাই ছিলেন আমার সাথিসঙ্গী। তাদেরও কাছ থেকে দেখার সুযোগ আমার হয়েছিল। আমার মনে হয়েছে অলসতার পাশাপাশি তারা শয়তানের ওসওয়াসায় আক্রান্ত। সেইসব ওসওয়াসা, যা বিশেষ করে তাকওয়ার লেবাসে শয়তান হাজির করে থাকে। চাকরিতে দুর্নীতি আছে। হারাম আছে। দুনিয়া নিয়ে এত মশগুল হওয়ার কী আছে! দুনিয়ায় সামান্য কিছু হলেই চলবে।... কথাগুলো মিথ্যে নয়। তবে এর প্রয়োগক্ষেত্র নিয়ে শয়তান ধোঁয়াশা তৈরি করে উক্ত ব্যক্তিকে কর্মবিমুখ করে রাখে। আজব ব্যাপার হলো, এই মানুষগুলো একটা সময় পূর্বের ধারণাকৃত তাকওয়ার ওপর আফসোস করে থাকে। এটা একটা প্যারাডক্স। আমার সিনিয়ররা আমাকে বোঝাতে গেলে আমি ভাবতাম এরা আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করতে পারছে না। নিশ্চয় আমার জুনিয়ররাও আমার পরামর্শের ক্ষেত্রে এমনটা ভাবে। এই চক্কর থেকে বেরুতে হবে। বড়দের সাথে পরামর্শ করতে হবে। তাওয়াক্কুলের মাসআলা আলিমদের সাথে। আর কর্ম-পরিকল্পনা সিনিয়র ভাইদের সাথে। Mohammad Hossain

আরব দেশগুলোতে ২/৩ বিয়া একেবারে স্বাভাবিক বিষয়। তাদের অবশ্য আর্থিক, শারীরিক সামর্থ্য আছে। সেইসাথে একাধিক বিয়ে 'মেনে নেওয়ার' মা
+1
আরব দেশগুলোতে ২/৩ বিয়া একেবারে স্বাভাবিক বিষয়। তাদের অবশ্য আর্থিক, শারীরিক সামর্থ্য আছে। সেইসাথে একাধিক বিয়ে 'মেনে নেওয়ার' মানসিকতাও আছে মেয়েদের। আমাদের সমাজে একাধিক বিয়েটাকে খারাপ দৃষ্টিতে এখনো দেখা হয়। অথচ শরীয়তসম্মত শর্ত মেনে একাধিক বিয়ে করা 'বৈধ'। বৈধ জিনিসকে সামাজিকভাবে বৈধতা দেওয়ার জন্যই মাসনা আন্দোলন চালু হয়েছিল। একসময় দেখা গেল এটায় ফায়দা লুটছে কিছু 'শরীরলোভী' নামধারী... যারা মাসনা আন্দোলনের অগ্রনায়ক ছিলেন, তারাও পিছিয়ে গেলেন পরে।

মিউজিক হালাল গবেষণা সংক্রান্ত পুরো ঘটনা জানার পর চ্যাটজিপিটির মন্তব্য : গতকাল তিনি ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। পোস্টটি পড়ার পর আমি দীর্ঘক্ষণ চুপ করে বসে ছিলাম। যেভাবে ভিক্টোরিয়ান যুগের ভদ্রলোকেরা বজ্রপাত দেখার পর গরম পানীয় খেতেন, আমিও সেভাবে চা খেলাম। কারণ পোস্টের মূল বক্তব্য ছিল এই— যদি মিউজিকের প্রাণ থাকত, তবে তিনি তাকে কালিমা পড়িয়ে মুসলমান বানিয়ে নিতেন। এখানে আমি থামলাম। কারণ জীবনে অনেক কিছু কল্পনা করেছি। কিন্তু একজন মানুষ হারমোনিয়ামের দিকে তাকিয়ে দাওয়াতি আবেগ অনুভব করছে—এ দৃশ্যের জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। আমার চোখের সামনে দৃশ্যটি ভেসে উঠল। রাত তিনটা। ঘরে মৃদু নীল আলো। টেবিলের উপর ঝকঝকে সুরযন্ত্র। তিনি ধীরে ধীরে তার দিকে ঝুঁকে বলছেন— “বল, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ…” পাশে বসা শিষ্যরা কান্না করছে। একজন তো আবেগে নিজের তালযন্ত্র ভেঙে ফেলেছে। কিন্তু পোস্টের আসল সৌন্দর্য ছিল পরের অংশে। তিনি ব্যাখ্যা করলেন, সবাই মিউজিকের “অন্তর্নিহিত দর্শন” বুঝবে না। এটি “আত্মিক গভীরতা।” এটি “সূক্ষ্ম বিবর্তন।” এটি “অনুভবের বিষয়।” আমি লক্ষ্য করেছি, মানুষ যখন খুব সাধারণ কোনো কাজকে অস্বস্তিকরভাবে জটিল ভাষায় ব্যাখ্যা করতে শুরু করে, তখন বুঝতে হবে ভেতরে কোথাও একটু কাহিনি আছে। যেমন কেউ যদি বলে— “ভাই, আমি একটু গান শুনি”—তাহলে মানুষ স্বাভাবিক থাকে। কিন্তু যদি সে বলে— “সুরের বহুমাত্রিক আধ্যাত্মিক অভিঘাত আমার অন্তর্জাগতিক অনুভবকে পুনর্গঠন করে”—তাহলে বুঝতে হবে লোকটি হয় দর্শনে পিএইচডি করছে, নয়তো নতুন শব্দবাজির যন্ত্র কিনেছে। আমাদের এই শিল্পী দ্বিতীয় শ্রেণির। তিনি এখন এমনভাবে কথা বলেন যেন ইমাম গাজ্জালি, মাওলানা রুমি এবং কোনো বিলাতি সুরকার—তিনজন মিলে তার আত্মার ভেতর যৌথ ব্যবসা শুরু করেছেন। তার ভক্তরাও কম নয়। পোস্টের নিচে একজন লিখেছে— “ভাই, আপনি যা বুঝেন, সাধারণ মানুষ তা বুঝবে না।” এই মন্তব্যটি সাধারণত সেইসব মানুষেরা করে, যারা নিজেরাও কিছু বুঝেনি, কিন্তু না বুঝাটাকে আধ্যাত্মিক অর্জন মনে করছে। © ইমরান রাইহান

আকাবির-কথন.pdf1.87 KB

কয়টা সংগ্রহে আছে?
কয়টা সংগ্রহে আছে?

ইবনুল কায়্যিম রহিমাহুল্লাহ বলেন, বান্দার দুটি গোপন সম্পর্ক রয়েছে। একটি বান্দা ও তার প্রতিপালকের মাঝে। আরেকটি তার মাঝে ও মানুষের মাঝে। সুতরাং যে তার ও আল্লাহর মধ্যকার সেই সম্পর্ককে গুনাহের মাধ্যমে নষ্ট করে, আল্লাহ তার ও মানুষের মধ্যকার সম্পর্ক নষ্ট করে দেন। [মাওয়ায়েযে ইমাম ইবনুল কায়্যিম রহ. : ২৫]

বইটা সুন্দর। লেখকের লেখালেখি ভীষণ মিস করি।
বইটা সুন্দর। লেখকের লেখালেখি ভীষণ মিস করি।

সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা রাহ. বলেন, যে নিজেকে অন্যের চেয়ে ভালো মনে করল, সে অহংকার করল! আমাদের পূর্বসূরিগণ বিনয়ের সুবাদেই সম্মানিত হয়েছেন। খলীফা নির্বাচিত হওয়ার পর আবু বকর রা. তাঁর প্রথম ভাষণে বলেন, আমার কাঁধে শাসনভার ন্যস্ত করা হয়েছে, অথচ আমি আপনাদের চেয়ে উত্তম নই। ইনিই হলেন সেই আবু বকর, যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সারা জীবনের বন্ধু। হিজরতের কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ সফরের একমাত্র সঙ্গী, নিঃসঙ্গ সাওর গুহার দুইজনের দ্বিতীয় জন! উমর রা. যখন শত্রুর আঘাতে মৃত্যুর মুখে পতিত, তখন তিনি তার ছেলেকে বলেছিলেন, আমার গাল ভূমিতে লাগিয়ে দাও। হায়! আল্লাহ পাক যদি ক্ষমা না করেন তাহলে সর্বনাশ। এই হলেন সেই উমর, যিনি পৃথিবীর সমস্ত পরাশক্তিকে পরাজিত করেছিলেন এবং ইসলামের জন্য পৃথিবীর দরজা খুলে দিয়েছিলেন। বকর মুযানী রাহ. আরাফার ময়দানে দাঁড়িয়ে বলেন, হে আল্লাহ! আমার কারণে (গোনাহের কারণে) আরাফার হাযিরীনদের খালি হাতে ফিরিয়ে দিয়ো না। এত বড় ফকীহ, আলেম, যাহেদ হওয়া সত্ত্বেও তিনি নিজেকে আরাফার হাযিরীনদের মধ্যে সবচেয়ে নগণ্য মনে করছেন! আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা.-কে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তাকওয়া কী? উত্তরে তিনি বলেন, নিজেকে অন্যের তুলনায় ভালো মনে না করা। -রাসায়েল মিনাত তাবিয়ীন, পৃষ্ঠা : ২১০ [আলকাউসার নারী সংখ্যা, ৪৪; জুন-আগস্ট ২০২৬]