সমকামী গল্প
前往频道在 Telegram
গল্পঃ গুলো নিয়ে কারোর কোনো মতামত থাকলে আমাকে message করতে পারো @Panutaru_bot Email us: panutaru319@gmail.com অন্যান্য channel গুলো: https://t.me/addlist/WK8ntttrKkkzOTZl https://t.me/mytelegramchannelslink
显示更多1 596
订阅者
无数据24 小时
无数据7 天
无数据30 天
帖子存档
1 596
পর পর দুই দিন হোটেলে ক্লায়েন্ট দের সার্ভ করে মা ক্লান্ত ছিল তাই সেদিন রবি আঙ্কেল কে আসতে বারণ করে দিয়েছিল।
তার বদলে ডিনার এর পর অনেক দিন বাদে আমাকে মা ওর ঘরে শুতে ইনভাইট করলো। আমি বারণ করতে পারলাম না। আমি যখন রেডি হয়ে শোবার পোশাক পরে মায়ের বেডরুমের ভেতর গেলাম মা তখন একটা পাতলা সতীন হাউস কোট পরে, নিজে নিজেই পেগ বানিয়ে ড্রিংক করছিল। টিভি টে dvdr এ একটা হলিয়ুড অ্যাডাল্ট ক্লাসিক ফিল্ম চালিয়েছিল। মা Sex and the cityr সিরিজ চালিয়েছিল। আমি যখন মার রুমে পৌঁছেছিলাম, টিভির স্ক্রিনে একটা উত্তেজক sex scene চলছিল। মা মদে র পেয়ালায় চুমুক দিতে দিতে সেই সিন গুলো উপভোগ করছিল। আমি এসে দাড়িয়ে গলা খকরানি দিতেও মা বিন্দুমাত্র অস্বস্তি বোধ করলো না। বরং চ আমাকে টপলেস হয়ে শুয়ে পড়তে বললো, মা এই পেগ টা ফিনিশ করে বিছানায় আসছে। আমি মার কথা মত বিছানায় উঠে পাস ফিরে চোখ বন্ধ করে শুয়ে পরলাম। মা আরো আধ ঘন্টা ধরে ঐ ফিল্ম টা দেখে টিভি আলো সব বন্ধ করে, হাউস কোট টা খুলে, এসি টা একটু বাড়িয়ে দিয়ে আমার blanket ER tolay ese প্রবেশ করলো। আমাকে কাছে টেনে কোল বালিশ এর মতন জড়িয়ে শুয়েছিল। প্রথম প্রথম বড়ো হয়ে যাওয়ার জন্য খুব অসস্তি বোধ হচ্ছিল। কিন্তু মা স্বাভাবিক ব্যাবহার করার ফলে আমি খুব তাড়াতাড়ি সহজ হয়ে উঠেছিলাম। মার মুখ থেকে ভুর ভুর করে মদের গন্ধ বেরোচ্ছছিল, সেই গন্ধের ফলে আমার খুব অসুবিধা হচ্ছিল। মার দিকে যতবার তাকাচ্ছিলাম, তাকে যেনো আরো বেশি করে সেক্সী লাগছিল। মায়ের গায়ের সুন্দর গন্ধে আর তার স্পর্শ পেয়ে আমার বাড়াটা আপনা আপনি খাড়া হয়ে উঠছিল। ওটা একটা সময় পর মায়ের তল পেটে ধাক্কা মারছিল।। মা মুচকি হেসে, আমার বাড়াটাকে তার নরম হাতে বেশ ভালো ভাবে ধরে খেঁচতে শুরু করলো। আমি বাধা দিতে পারলাম না। সে সময় মনে হচ্ছিল বীর্য বের না করলে ঘুমোতে পারবো না। মা আমার বাড়াটা ধরে দারুন স্মার্ট টেকনিকে খেচতে শুরু করলে আমি অপার্থিব এক সুখে ভেসে যাচ্ছিলাম। প্রথম বার কোনো নারী আমার পেনিস এ হাত দিয়েছিল। প্রথমে লজ্জা পেয়ে আমি তার হাত টা সরাবার চেষ্টা করলাম। কিন্তু মা কিছুতেই হাত সরালো না আমাকে বলল, " আমার সামনে আর লজ্জা পেতে হবে না, তুই যে আর আমার সেই ছোট ছেলে টি নস টা আমি ভালো করে জানি। আমার বাবু বড় হয়ে গেছে।" মা বেশ এক্সপার্ট এর মতন পাঁচ মিনিট ধরে খেচতে খেচতে আমার বীর্য বের করে মা খান্ত হলেন। তারপর আমাকে ওয়্যাষ রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আসতে বলল। আমি মার হুকুম তামিল করে আবার বিছানায় এসে শুয়ে পড়লাম। এইবার মার সঙ্গে আমি অনেকটা সহজ হয়ে উঠেছিলাম। মা আবারো আমাকে কাছে টেনে নিতেই, মার নরম সুন্দর শরীর টা কে পেয়ে মনের সুখে চটকাচ্ছিলাম। মা আমাকে তাকে নিয়ে সেই রাতে ইচ্ছে মতন খেলতে permission diyechilo। Ma sedin snan korte Korte বলেছিল একমাত্র সেক্সুয়ল ইন্টারকোর্স আর লিপ কিস ছাড়া সব কিছু করতে পারি মার সাথে। আমিও সেই সুযোগ ভালো করে সদ্ব্যবহার করে নিয়েছিলাম। মার ভেজা প্যান্টির ভিতরে ও হাত দিয়েছিলাম, যদিও মা "আহ্ সুরো আমার সেনসিটিভ জায়গা গুলো প্লিজ হাত দিস না।" বলে সাথে সাথে সরিয়ে দিয়েছিল। দশ মিনিট ধরে ভালো করে চটকে মা প্রাণ ভোরে জড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। আমার হাত দুটি মায়ের মাই জোড়া র উপর রাখা ছিল। শোওয়ার সময় মার হাউস কোট এর ইনার টা কোমরের উপর উঠে গেছিল। তার ফলে মার প্যান্টি ভিজিবল হয়ে গেছিল, মা ক্লান্ত থাকায় ঘুমিয়ে পড়ায় আর পোশাক ঠিক করতে পারে নি। আমি যখন ঘুম থেকে উঠলাম, মার শুয়ে থাকার ভঙ্গি দেখে আমি অবাক হয়ে গেছিলাম, তখনও তার নাইট ড্রেস কোমরের কাছে গোটানো ছিল, আর প্যান্টি পরিষ্কার দেখা যাচ্ছিল। মা কে ঐ রূপে দেখে আমার ভেতর কার জানোয়ার প্রবৃত্তি আমাকে প্রলুব্ধ করে, নিজের স্মার্ট বের করে চুপিসারে মার ঐ অবস্থার একটা ফোটো নিয়ে নি। তারপর মার ঘুম ভাঙ্গার পর আরো একবার আমার তার বেডরুমে ডাক পড়লো, এইবার যে কাজের জন্য ডাক এসেছিল সেই কাজ আমাকে কোনোদিন করতে হবে এটা আমি স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারি নি। মা ডাকার পর আমি যখন ওর বেডরুমে পৌঁছলাম , মা অর্ধ নগ্ন অবস্থায় আয়নার সামনে দাড়িয়ে আমাকে আদেশ দিল, " সুরো আমার ব্রা টা না খুব টাইট হচ্ছে, একা একা ম্যানেজ করতে পারছি না। তুই এগিয়ে এসে একটু ব্রার হুক টা লাগিয়ে দে তো।" প্রথম বার বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। ঠিক শুনছি কিনা, মা আর একবার সেম কথা রিপিট করতে আমাকে এগিয়ে গিয়ে মার পিঠের দিকে থেকে ব্রার হুক টা আটকে দিতেই হলো। এই কাজ টা করার সময় আমার হাত কাপছিল, চোখ বার বার মার উন্মুক্ত সেক্সী পিঠের উপর চলে যাচ্ছিল। আমার কান্ড দেখে মা মজার ছলে বলেছিল, " উফফ সুরো আমার ব্রার হুক লাগাতেই তোর হাত কাপছে, এরপর যখন বান্ধবীর ব্রার হুক খুলতে হবে তখন কি করবি?" এরপর আমি মুখের ভাষা হারিয়ে , লজ্জা পেয়ে মার রুম থেকে ততক্ষনাত বেরিয়ে আসি। তারপর ঘর থেকে বেরিয়ে যাই। সেই দিন মার অফ দে ছিল,
1 596
মা আমার সামনেই চেঞ্জ করল। আমি একটা শর্ট প্যান্ট পরে সারাদিন মায়ের রুমে ছিলাম। মা আমাকে নানাভাবে নিজের কাছে আটকে রাখছিল। একটা দামী ক্রিম এর কৌটো আমার হাতে ধরিয়ে আমাকে দিয়ে ব্যাক ম্যাসাজ করিয়েছিল। মার সাথে থাকতে থাকতে সময় যে কোথা থেকে কেটে গেল বুঝতেই পারলাম না।
1 596
দিয়া আমার কথা বিশ্বাস করে নিয়েছিল। আর নন্দিনী আর আমার বুক থেকে যেন বড় একটা পাথর নেমে গেছিলো। দিয়া আমাকে ওর মা কে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার জন্য থ্যাংকস বলে দরজা অব্ধি এগিয়ে দিল। আমি নন্দিনীর বাড়ি থেকে ফিরে ফ্রেশ হয়ে বিছানায় শুয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। ঘুম ভাঙলো একেবারে বিকেল বেলা টে, খিদেতে পেটের নাড়ি তখন ছিড়ে যাচ্ছিলো। ফ্রিজে কিছু খাবার ছিল, সেটা গরম করে খাচ্ছি এমন সময় মা ক্লান্ত বিধ্বস্ত হয়ে বাড়ি ফিরে এসেছিল। আর এসেই ব্যাগ থেকে আমার প্লেটে ফেভারিট pasty bar Kore dilo। Ami আনন্দে আত্মহারা হয়ে মা কে জড়িয়ে ধরে ছিলাম। এই জড়ানো টে মা আমাকে নিজের বুকে টেনে আকরে ধরবার মত করে আমাকে নিজের শরীরে আটকে রেখে ছিল। তাই জড়িয়ে ধরবার পর সহজে ছাড়াতে পারলাম না। ক্রমে ক্রমে মার গরম শরীরের স্বাদ আমি পাচ্ছিলাম, চার মিনিট জড়ানো অবস্থায় থাকার পর, ব্যাপার টা একটু বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে যাচ্ছে বুঝতে পেরে আমি নিজের থেকে জোর করেই মার থেকে ছাড়িয়ে নিলাম, মা মুচকি হাসি হেসে, নিজের শাড়িটা র সামনে টা একটু ঠিক করে, আমার গালে চুমু খেয়ে মা শাওয়ার নিতে চলে গেল। মা শাওয়ার নিতে চলে যাওয়ার পর আমি উপলব্ধি করলাম, উত্তেজনায় আমার বাড়াটা ঠাটিয়ে খাড়া হয়ে আছে। তারপর আর খাওয়া টে আর কিছুতেই মন বসাতে পারলাম না। মিনিট দশেক পর আবার মায়ের কাছে আমার ডাক আসলো, আমি মায়ের ঘরের আশে পাশেই ঘুর ঘুর করছিলাম। মা ডাকতেই ওর ঘরের ভিতরে প্রবেশ করলাম। মা বাথরুমের ভেতর শাওয়ার নিচ্ছিল। বাথরুমের দরজা ভেজানো ছিল। আমি তার সামনে দাঁড়িয়ে বললাম, আমাকে কেনো ডাকছ মা, ভেতর থেকে বেশ স্নেহের সুরে আদেশ ভেসে আসলো, " টাওয়েল পরে ভেতরে চলে আয় সুরো, তোকে ভালো করে আজ সাবান মাখিয়ে স্নান করিয়ে দি। অনেকদিন স্নান করিয়ে দি না তোকে আজ করে দিচ্ছি।।"
আমি লজ্জা পেয়ে বললাম, না না মা এ তুমি কি বলছ আমি বাচ্চা ছেলে আছি নাকি। আমি স্নান করবো না।"
মা হেসে বলল, " দূর বোকা মায়ের কাছে লজ্জা কিসের, তাছাড়া তুই আমাকে এই ভাবে স্নান এর সময় অনেক বার দেখেছি। চলে আয় ভেতরে।"
মায়ের এই আহ্বানের মধ্যে এমন একটা আকর্ষণ ছিল আমি টা কিছুতেই ফেরাতে পারলাম না। ট্রাউজার টা খুলে, আন্ডার ওয়্যার পরে, একটা টাওয়েল হাতে নিয়ে দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকলাম। আর ভেতরে ঢুকেই চোখ বুজে পিছন ফিরে দাড়াতে বাধ্য হলাম। মা এর আগে যতবার স্নান করিয়ে দিয়েছে ছোটবেলা থেকে মার পরনে পোশাক থাকতো আর তার চুল ও বাধা থাকতো। কিন্তু এই বার বিষয় টা ছিল অন্য রকম। মা শুধুমাত্র একটা সরু টাইট প্যানটি পরে সম্পূর্ণ টপলেস অবস্থায় শাওয়ার নিচ্ছিল। এই অবস্থায় মা কে ভেজা গায়ে এত কাছ থেকে দেখে আমি হতবাক হয়ে গেছিলাম। অস্বস্তি বোধ হচ্ছিল। তাড়াতাড়ি বেরিয়ে আসতে গেলে মা আমাকে আটকে দিয়ে বাথরুমের দরজা টা ভেতর দিয়ে আটকে দিল। তারপর আমাকে বাথ টাবে র উপর বসিয়ে সাবান মাখাতে শুরু করলো। আমি মার দিকে তাকাতে পারছিলাম না লজ্জায়, কিন্তু মার এসবের কোনো বালাই ছিল না। সাবান মাখাতে মাখাতে মায়ের স্তনের উপর এর অংশ বোটা সমেত আমার পিঠে কাধে ঘষা খাচ্ছিল। আমার শরীরে শিহরণ খেলে যাচ্ছিল। আমি না চাইতেই আমার পুরুষ অঙ্গ মায়ের সামনে ঠাটিয়ে খাড়া হয়ে উঠেছিল।মিনিট দশেক ধরে আমার সর্বাঙ্গে ভালো করে সাবান মাখানোর পর, মার দৃষ্টি আমার আন্ডার ওয়্যার এর নিচ থেকে ঠাটিয়ে থাকা পুরুষ অঙ্গের উপর পড়লো। মা আমার আন্ডার ওয়্যার টা টান দিয়ে খুলে দিল। তারপর আমার গোপন অঙ্গেও হাত দিয়ে সাবান মাখাতে লাগলো। আমি চোখ বন্ধ করে উত্তেজনায় কাপছিলাম। সাবান মাখানো শেষ হলে, মা আবার শাওয়ার অন করল। আমাকে শাওয়ার এর মধ্যখানে রেখে ভালো করে স্নান করাতে লাগলো। আমি উদোম ল্যাংটো হয়ে দাড়িয়ে স্নান করতে শুরু করলাম। এই ভাবে স্নান করতে করতে মা আমাকে হটাত করে জড়িয়ে ধরলো। তারপর নিজের প্যানটি টা খুলে দিয়ে আমার কানের কাছে মুখ এনে বললো," আমার যা কিছু আছে এখন থেকে সব তুই ই পাবি , তোর কাছ থেকে কিছু লোকাবো না। তুই আমার কথা শুনবি। আমাকে ছেড়ে অন্য কোথাও চলে যাবি না কথা দে।" আমি জবাব দিতে পারলাম না, মা আমার বুকে মুখ গুজে একটা চুমু খেয়ে বললো, কিরে বল না , তোর বাবা বললেও, মা কে ছেড়ে যাবি না তো।" আমি বললাম তোমাকে ছেড়ে কোথাও যাবো না। আর গেলেও তোমাকে সঙ্গে নিয়ে যাবো। " আমার মা এই উত্তরের প্রত্যাশা তেই ছিল। সুরো আমার সোনা ছেলে বলে আমাকে পরম আবেগে জড়িয়ে ধরলো। আরো মিনিট পাঁচেক ধরে একসাথে স্নান করে আমি মার হাত ধরে টাওয়েল জড়ানো অবস্থায় বাথরুমের বাইরে এলাম। আমার পুরুষ অঙ্গ টা এমন শক্ত হয়ে দাড়িয়ে গেছিলো, মনে হচ্ছিল কারোর ছোয়া পেলেই পেনিস ফেটে বীর্য বেরিয়ে যাবে। তারপর থেকে বেশ কয়েক ঘণ্টা আমি মা র রুমেই কাটালাম,
1 596
মার রুম থেকে বেরিয়ে সোজা গেছিলাম নন্দিনী যে রুমে ছিল সেখানে। দরজা ভেজানো ছিল, উকি দিয়ে দেখলাম, মিস্টার দুবে রা সারারাত মস্তি করে নন্দিনী কে ক্লান্ত বির্ধস্ত করে একা ফেলে রেখে বেরিয়ে গেছে। নন্দিনী উলঙ্গ অবস্থায় পা ফাঁক করে শুয়ে আছে। ওকে ঐ ভঙ্গিমায় শুয়ে থাকতে দেখে দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকলাম। কাছে যেতেই শিউরে উঠলাম। নন্দিনীর পায়ের থাই টে গোপন অঙ্গের কাছে চাপ চাপ রক্ত জমাট বেঁধে আছে। দেখলাম বিছানায় ও চুইয়ে পরেছে সেই রক্ত। ভালো মতন ব্লিডিং হয়েছে, আর নন্দিনী র টাইট গুদ এ অনেকক্ষন ধরে ইন্টারকোর্স করায় সেখানে একটা বেশ স্পষ্ট ফাঁক সৃষ্টি হয়েছে যেটা আগে দেখি নি । এই দৃশ্য দেখে চোখ এর কোন থেকে জল বেরিয়ে এলো। মা নিজের গোপন অঙ্গে কোন জেল লাগাতো সেটা আমি জানতাম, কাজেই ছুটে বেরিয়ে গিয়ে হোটেল থেকে ১০ মিনিট দূরের একটা ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকা ওষুধের দোকান থেকে গেল টা কিনে আনলাম, সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যাথা কমাবার ওষুধ। তারপর হোটেলে ফিরে একটা ভেজা তোয়ালে দিয়ে নন্দিনীর শরীরের বিশেষ স্থানে জমাট বাঁধা রক্ত পরিষ্কার করে গেল লাগিয়ে দিলাম। এই গেল লাগানোর সময়, নন্দিনীর জ্ঞান ফিরল, ও আমাকে দেখে আশ্বস্ত হলো। তারপর আমার হাত ধরে বললো," তুমি ঠিক বলেছিলে সুরো, সব কাজ সবার জন্য নয়। দেখো না কি অবস্থা করেছে, দুজনে মিলে জোর করে একটা জায়গা টে ঢুকিয়েছে। মনে হচ্ছিলো ছিড়ে যাবে। চিৎকার করে ছি যন্ত্রণায় ওরা আরো কয়েক টা দুই হাজার টাকা র নোট আমার বুকের ভাজে গুজে চুপ করতে বলেছে।" আমি ওর ক্ষত স্থানে গেল লাগাতে লাগাতে বললাম, " আমার কথা তো শুনলে না, এখন ফল ভোগ কর।" নন্দিনী বললো আমি ভুল করেছি, প্রায়চিত্ত করছি তুমি প্রমিজ করো আমাকে ছেড়ে যাবে না।"
আমি ওর হাত ধরে কথা দিলাম আমি পাশে থাকবো ছেড়ে যাব না। আমার কথা শুনে নন্দিনী আসস্ত হলো। ও আমাকে নিজের বুকে টেনে নিল। আমি ওর ঠোটে ঠোট লাগিয়ে একটা দীর্ঘ চুম্বন খেয়ে, ওর মাথায় হাত বুলিয়ে বললাম, সারা রাত ধকল গেছে এখন একটু জিরিয়ে নাও, এক ঘন্টা পর আমরা হোটেল সেরে বেরোব। আমরা পরস্পর কে জড়িয়ে বেশ কিছুক্ষন শুয়ে থাকলাম, আধঘন্টা শুয়ে থেকে, তারপর ওয়্যাশ রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে, বেরোনোর জন্য রেডি হলাম। নন্দিনীর আগের রাতে পড়া ইনার গুলো মিস্টার দুবের সৌজন্যে নষ্ট হয়ে গেছিল। পড়বার মতন অবস্থায় ছিল না। নন্দিনী প্রথম রাতের পর ই ভালো মতন বুঝে গেছিল এবার থেকে ওকে মিস্টার দুবে দের হয়ে ডিউটি করতে আসলে তার কাধের ব্যাগে এক্সট্রা ইনার ওয়্যার সঙ্গে রাখতে হবে। আমরা হোটেল ছেড়ে বেরোলাম তখন রাতের অতিথি রা সবাই চলে গেছে। নন্দিনী র রুম থেকে প্যাসাজ হয়ে লবি র পথে আসার সময় দেখলাম মার রুমে তখনও ডু নট ডিস্টার্ব ট্যাগ ঝুলছে। সারা রাত ভরপুর চোদোন সহ্য করে নন্দিনী সেন সেই সময় ভালো করে হাটতে পর্যন্ত পারছিল না। তাই আমি নিজেই ড্রাইভ করে ওকে ওর বাড়ি অব্ধি পৌঁছে দিলাম। গাড়ি থেকে নেমে আমার হাত ধরে খুড়িয়ে খুড়িয়ে হেঁটে গেট থেকে ভেতরে প্রবেশ করবার সময়, নন্দিনীর বাড়ির হাউস স্কিপার আমার দিকে সন্দেহের চোখে তাকাচ্ছিল। আমার সেই মুহূর্তে খুব লজ্জা লাগছিল। নন্দিনী সেন এর মেয়ের সঙ্গে না চাইতেও সেদিন ই দেখা হয়ে গেলো। সকাল বেলা থেকে ও সেদিন বাড়িতেই ছিল। মায়ের ওরকম অবস্থা দেখে দিয়া স্বাভাবিক ভাবেই বিচলিত হয়ে পড়েছিল। দিয়া বলেছিল, মাম্মা তোমার কি হয়েছে, কাল বাড়ি ফিরলে না। একটা ফোন করবে তো আমায়, আমার বুঝি চিন্তা হয় না, কিযে করো না মাম্মা।" নন্দিনী দিয়ার চোখ এর দিকে তাকাতে পারছিল না। মনে মনে নন্দিনী অপরাধ বোধে ভুগছিল। ওর মনের অবস্থা বুঝতে পেরে আমি দিয়ার সাথে কথা বলতে শুরু করলাম। দিয়া খুব পরিষ্কার স্বভাবের মেয়ে। আমার কাছে সরল ভাবে এক ই প্রশ্ন সরাসরি ভাবে জিজ্ঞেস করলো,
"মায়ের কি হয়েছে? মা হাটতে পারছে না কেনো। আর ফিরতে এত বেলা হলো কেনো? তোমরা কিছু বলছো না কেনো?" এই প্রশ্নের কোনো উত্তর নন্দিনীর কাছে কেনো আমার কাছেও ছিল না। নন্দিনী করুন মুখে মেয়ের প্রশ্নের জবাব খুঁজতে আমার মুখের দিকে তাকালো, আমিও ভীষন ই অস্বস্তি টে পড়েগেছিলাম। তবুও তাড়াতাড়ি সামলে উঠে ডাহা মিথ্যা কথা বলে পরিস্থিতি সামাল দিলাম। আমি বলেছিলাম, গতকাল পার্টি তে Mrs Sen challenge game খেলতে গিয়ে, একটু বেশি ড্রিংক করে ফেলেছিলেন। টাল সামলাতে না পেরে পরে যান, আর হাঁটুর নিচে চোট পান। রাত টা কোনরকমে কাটিয়ে আমার সাহায্যে বাড়ি ফিরে আসতে সক্ষম হল।
পার্টি টে একজন বড়ো ডক্টর ছিল। উনি চেক আপ করে দেখেছেন, আপাতত কোনো চিন্তা নেই, দুদিন রেস্ট নিলে চোট টা ঠিক হয়ে যাবে। দুদিন পর সন্ধ্যে বেলা ফের ডাক্তারের কাছে appointment ache, Ami ese niye jaabo।
1 596
আমি কিংকর্তব্য বিমূঢ় হয়ে দাড়িয়ে রইলাম। হাতের গ্লাসের পানীয় এক চুমুকে শেষ করে, গ্লাসে বেডসাইড টেবিল থেকে হুইস্কির জার থেকে আবার পানীয় ঢেলে আর তার পাশের আইস বাকেট থেকে দুই টুকরো বরফ গ্লাসের মধ্যে নিয়ে মা আবার কথা বলতে শুরু করল, কি হলো বোকার মতন ওভাবে দাড়িয়ে আসিচ কেনো? দরজা বন্ধ করে আমার কাছে আয়। আমি তো ডাকছি।" আমি দরজা বন্ধ করে মার কাছে এগিয়ে এসে বিছানার এক কোণে বসলাম। মা কোনো পোশাক না পরে থাকায়, সেফ চাদর জড়িয়ে শরীর টা ধেকে রাখায় আমার মায়ের দিকে তাকাতেও একটা কেমন কেমন লাগছিল। মা আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বললো, " আমার খুব গরম লাগছে বুঝলি তো, তাই সব খুলে ফেলেছি। আর ড্রেস পড়তে ইচ্ছে করছে না। তোর অস্বস্তি বোধ হলে সরি।" এর আলো না ফোটা অব্ধি আমি এই হোটেল থেকে বেরোতে পারবো না বুঝলি। ততক্ষণ পর্যন্ত তুই আমাকে কোম্পানি দে। তুই কাছে থাকলে অন্য কেউ আমার রুমে আসবে না। আর আমারও রেস্ট হবে।" মায়ের কথায় আটকে গেলাম ঐ হোটেল রুমে। মায়ের পাশে শুইয়ে শার্ট টা খুলে একটু ঘুমিয়ে নিলাম। আমি শার্ট পাশে খুলে শুয়ে পড়তে মা মদের গ্লাস বেডসাইড টেবিলে রেখে পরম মমতায় আমার মাথার চুলে বিলি কেটে দিচ্ছিলো। আগে যতক্ষণ জেগে ছিলাম মা নেশায় বুদ হয়ে যা নয় তাই অসংলগ্ন কথাবার্তা বকে গেলো। মায়ের হাত বোলানোর ফলে, আমি তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পরলাম। কতক্ষন ঘুমিয়েছি খেয়াল নেই, ঘুম ভেঙে গেলো প্রবল ভাবে খাট নড়ার অস্বস্তিতে। তখন প্রায় মাঝ রাত্তির মা বিশ্রামের কথা বলছিল, মিস্টার দুবে তার কোম্পানির তরফে আমার জন্য ঘণ্টা খানেক বরাদ্দ করে আবার নতুন লোক মায়ের ঘরে ঢুকিয়ে দিয়েছিল। ফুল নাইট কন্ট্রাক্ট হওয়া টে মার আপত্তি তোলবার কোনো জো ছিল না। আমি ঘুমাচ্ছি দেখে মা আমাকে আর জাগালো না, আমি যেখানে শুয়ে ছিলাম, সেই কিং সাইজ বেডের অন্য অংশে ঐ ক্লায়েন্ট কে সার্ভ করা স্টার্ট করলো। লোক টা কোনো একটা বড়ো ডিল সাইন করে ভালো মতন নেশা করে ঐ রুমে এসেছিল। তাই আরো একজন শুয়ে ঘুমোচ্ছে সেটা নিয়ে ঐ পরে ঘরের ভিতরে আসা ব্যাক্তি কোনো মাথা ঝামালেন না। আসলে তার যৌনতার চাহিদা টা মিটলেই চলবে। তাই ঘরে এসেই মাকে বিছানায় চেপে ধরে ঠাপাতে শুরু করল। সেই ঠাপানোর জোর এতটাই বেশি ছিল যে ওতো ভারী বেড টাও কেপে কেপে উঠছিল। মা কোনো উপায় না দেখে আমার সামনে প্রথম বার কারোর সঙ্গে শুয়ে sex করছিল। মাকে লক্ষ্য করে অশাব্য ভাষায় গালাগাল ও দিচ্ছিল। শুনে আমার ই কান গরম হয়ে যাচ্ছিল কিন্তু মা ছিল একেবারে নির্বিকার। রবি আঙ্কেল একবার আমাদের বাড়ির কোনো এক মদের আসরে বলেছিল, ভালো বেশ্যা হতে গেলে নাকি এইধরনের খারাপ ভাষার কথা শুনবার হ্যাবিট করতে হয়। না হলে ক্লায়েন্ট দের থেকে ভালো রেসপন্স পাওয়া যায় না। তখন ঐ হোটেল রুমের ভেতর কথায় কথায় randi খানকি ইত্যাদি বিশেষণ শুনে আমার গা কিড়মিড় করলেও মা ছিল একেবারে অবিচল। আমি ভালো করেই বুঝতে পারছিলাম এইসব হোটেলে আসতে আসতে মার এসব মানুষদের থেকে এই কুরুচিকর ভাষা শুনবার অভ্যাস হয়ে গেছে। সেই সময় আমার ঘুম ভালো মতন ভেঙে গেলেও আমি মৎকা মেরে শুয়ে ছিলাম। আমার কারণে মা স্বাভাবিক ছন্দে করছিল না আমি উঠে বসলে সে আরো অস্বস্তি টে পরে যেত। ঐ ক্লায়েন্ট দারুন মস্তি লুটছিল। দুটো কনডম ইউজ করার পর থার্ড কনডম টা পরার সময় মা একটা শর্ট ব্রেক নিয়েছিল। এই সময় ক্লায়েন্ট এর শখ পূরণ করতে মা কে নিজের হাতে দুই পেগ স্ট্রং হুইস্কি বরফ এর বল এর সঙ্গে প্রিপেয়ার করতে হলো। ক্লায়েন্ট প্রথম পেগ টা একাই শেষ করে দিয়েছিল। আর ২ য় পেগ টা উনি মা জোর করে খাওয়ালেন। ঐ ড্রিংকে জল ছিল না। স্ট্রং অ্যালকোহল নেওয়ার অভ্যাস মার খুব একটা ছিল না। কোনরকমে কষ্ট করে কাশতে কাশতে ঐ হুইস্কি র স্মল পেগ টা খালি করতেই, মা মাথা ঘুরে বিছানার উপর ধপ করে পরে যায়। সাথে সাথে ঐ ক্লায়েন্ট মুচকি হেসে, মায়ের শরীরের উপর শুয়ে পড়ল। নিজের ঠাটিয়ে ওঠা পেনিস টা খপ করে বিনা বাধায় মার ভেতরে ঢুকিয়ে দিল। মা কোনো বাধা দিল না। তার বুকের উপর থেকে বেড শিট সরে গেছিল। মা সেই অবস্থায় ক্লায়েন্ট এর থেকে ঠাপন খাওয়া স্টার্ট করলো। বিছানা টা এতো জোরে জোরে কাপতে লাগলো, মনে হচ্ছিল, যে বেড টা ভেঙে যাবে। আমি পাশ ফিরে ওদের থেকে দৃষ্টি সরিয়ে থাকবার চেষ্টা করলাম। কিন্তু সেই যন্ত্রণা কমলো না। ঐ ক্লায়েন্ট জোরে জোরে মা কে নানা অশ্রাব্য বিশেষণে ভূষিত করতে করতে মনের সুখে চুদতে লাগলো। ভোরের আলো ফোটা অব্ধি ঐ ক্লায়েন্ট মার সঙ্গে যৌন সঙ্গমে রত ছিলেন। ভোরের আলো ফুটতেই উনি শার্ট সুট সব পরে নিজের আটাচি কেস টা নিয়ে বেরিয়ে যান। আমি জেগেই ছিলাম, ঐ ব্যক্তি উঠে যাওয়ার পর আমিও উঠে পড়ি বিছানা ছেড়ে। মার ঐ ক্লায়েন্ট এর নিচে পড়ে ক্রমাগত চোদোন খেতে খেতে লাল হয়ে যাওয়া অর্ধ ঘমাক্ত নগ্ন শরীর টা দেখে আমার চোখে জল চলে আসে। মার তখন কোনো হুস ছিল না। আমি সাদা বেড শিট টা দিয়ে মার শরীর টা বুক অব্ধি ঢেকে শার্ট টা গলিয়ে নিয়ে ঐ রুম থেকে বেরিয়ে পরি।
1 596
ঐ হোটেল রুমে এসে নন্দিনী র আবেদনে হারিয়ে গিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে চুম্বন খাবার পর, আমি ওকে উল্টে আমার শরীরের নিচে ফেলে শুয়ে দিলাম। ওর ব্লাউজের হুক খুলতে খুলতে বললাম, " এরকম একটা হঠ কারী ডিসিশন এভাবে না নিতেই পারতে। অন্তত ভাববার জন্য কিছুটা সময় চাইতে। তুমি বুঝতে পারছো না এরা কিরকম মানুষ।"
নন্দিনী ব্লাউজ টা খুলতে সাহায্য করে টপলেস হয়ে বললো, " আমি সব জানি সুরো, আমি মানুষ চিনতে পারি। উনি তোমাকে বলেছিলেন আমাকে ওনার বিছানায় পাঠাতে রাজি হও নি। তখন ই মিস্টার দুবে আমার দাম টা স্থির করে রেখেছিলেন। আজকে তাই পুরো বিজনেস point of view থেকে অফার টা দিলেন। আর দেখো আমি না করতে পারলাম না। তুমি আর এসব নিয়ে ভেবো না সুরো। ওরা নিজের স্বার্থে আমাকে ভালো লাগবে। আর এই কাজের ফাঁকে যখন ই সময় পাবো আই অ্যাম অল ইউর্স। ঐ ব্যাবসায়ী এসে আমাকে নষ্ট করার আগে আমাকে আদর করে ভরিয়ে দাও সুরো।।" " কী হলো সোনা শুরু করো।"
আমি অভিমানে মুখ ভার করে নন্দিনীর বুকের ভাজে নিজের মুখ গুজে প্যান্ট টা হাঁটুর নিচে নামিয়ে ওর যোনি দেশে র ভেতর নিজের ঠাটিয়ে বড়ো হয়ে ওঠা পেনিস টা পক করে ঢুকিয়ে দিলাম। নন্দিনী ও চোখ বন্ধ করে আমার বাড়া পুরো টা নিয়ে নিল। আর থাকতে না পেরে জোরে জোরে নন্দিনী কে ঠাপাতে শুরু করলাম। আমার প্রতিটা ঠাপ ওর গভীর অব্ধি পৌঁছে যাচ্ছিলো। নন্দিনী হাসি মুখে আমার ঠাপন সহ্য করতে লাগলো আমার পিঠে নিজের দুই হাত জড়িয়ে সাপোর্ট রেখে। কুড়ি মিনিট ধরে বেশ ভালো গতিতে ইন্টারকোর্স করে নন্দিনীর যোনির ভিতর আমার সাদা থকথকে বীর্য টে ভরিয়ে দিলাম। নন্দিনী আমাকে জড়িয়ে ধরে কপালে আর গালে একাধিক চুমু খেয়ে আমার বুকে মাথা রেখে শুয়ে রইল। এই ভাবে একে অপরকে জড়িয়ে কিছুক্ষন শুয়ে থাকার পরেই দরজায় নক্ শুনতে পেলাম। নন্দিনী আমার দিকে তাকিয়ে বুকের উপর কাপড় টা টেনে নিয়ে, বললো," যাও সুরো দরজা টা খুলে দাও, মিস্টার দুবে এসে গেছেন।" আমি মাথা নেড়ে বললাম, " কিছুতেই খুলবো না।" নন্দিনী আমাকে জড়িয়ে আবারো গালে চুমু খেয়ে বললো, এইরকম পাগলামো করে না সুরো। আমি তো তোমারই থাকবো। ওনাকে তো সেফ ইউজ করে টাকার সংস্থান করবো।' এই বলে ও ব্লাউজ টা পড়ে নিয়ে নিজের ব্যাগ খুলে লিপস্টিক বার করে ঠোঁটের রং টা ঠিক করে নিল। নন্দিনী কে দেখে সে সময় ভীষন ই অচেনা লাগছিল। আমি গিয়ে দরজা খুলে দিতেই মিস্টার দুবে আরো একজন অপরিচিত লোক কে সঙ্গে নিয়ে রুমের ভেতর প্রবেশ করলো। রুমের ভেতর এসে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, " সরী ইউং মেন ইউর টাইমস ইস আপ।" মিস্টার দুবের সঙ্গে প্রবেশ করা মাঝ বয়স্ক ব্যক্তি নিস্পলক দৃষ্টি তে নন্দিনীর দিকে তাকিয়ে ছিল। নন্দিনী অপরিচিত লোক দেখে লজ্জা পেয়ে গুটিয়ে নিয়ে ছিল। মিস্টার দুবে আমাকে দরজা অব্ধি এগিয়ে দিল। আমার মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দেওয়ার আগে, প্রথম দিন ঘণ্টা চারেক করেই ওরা নন্দিনী কে ছেড়ে দেবে। ততক্ষণ আমি যেনো পাশের রুমে গিয়ে অপেক্ষা করি। ওখানে আমার জন্য সারপ্রাইজ অপেক্ষা করে আছে।" দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর, ভেতর থেকে নন্দিনীর গলার আওয়াজ পেলাম, " মিস্টার দুবে আজ কে আপনি একাই করবেন সেই কথা ই হয়েছিল, আবার এনাকে কেনো নিয়ে এলেন।" মিস্টার দুবে বলল, " ইনি খুব ভালো মানুষ, আমার ২০ বছরের পার্টনার। ভয় এর কিছু নেই। যা করার ইনি ধীরে সুস্থে করবেন। আমি তো শুধু দেখবো আর মদ পান করবো। উনি একঘন্টা করে চলে যাওয়ার পর আমি ফিল্ডে নামবো। চিন্তা কর না। এই ডাবল ট্রাবল এর জন্য এক্সট্রা টাকা পাবে।"
আমি আর দাঁড়ালাম না লবি পেরিয়ে চলে আসছিলাম এমন সময় মিস্টার দুবের খাস আদমি আমাকে আটকালো। উনি বললেন এভাবে চলে গেলে মিস্টার দুবের খারাপ লাগবে। হাজার হোক আমি ওনার গেস্ট।" এই বলে উনি আমায় ঐ নির্দিষ্ট রুমের সামনে অব্ধি এগিয়ে দিলেন। নক্ করতে ভেতর থেকে আমার ভীষন চেনা গলায় উত্তর ভেসে আসলো, "কামিং ইনসাইড, দরজা খোলা আছে।" মিস্টার দুবে র বডি গার্ড দরজা ঠেলে আমাকে ভেতরে প্রবেশ করিয়ে দিল। সারা ঘর মদের আর সিগারেট এর গন্ধে ভুর ভুর করছিল, একটু আগে ভেতরে লোক ছিল, বিছানার উপর চোখ পড়তেই আমি যেনো বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে শক খেয়ে দাড়িয়ে গেলাম। আমার মা একটা বেড শিট কোন রকমে গায়ে জড়িয়ে আধ শোওয়া অবস্থায় এক হাতে মদের গ্লাস আর অন্য হাতে একটা জ্বলন্ত সিগারেট ধরিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল। নেশায় মার চোখ দুটি সেই সময় লাল হয়ে গেছিলো।
আমাকে দেখে একটু নিচ্ছিত হয়ে বললো, " ও তুই এসেছিস। আমি তো ভাবলাম আবার কোন বড়ো আদমি আমাকে জ্বালাতে আসলো। আয় কাছে আয়। আমার পাশে এখানে এসে বোস।"
1 596
মিস্টার দুবে আমার দিকে তাকিয়ে একটা বুক জ্বালানো হাসি হেসে বললো, " ওকে তুমি তোমার এই পার্টনার এর সাথে ১ ঘণ্টা কাটাতেই পারো, তবে একঘন্টা মানে একঘন্টা ই যেন। হয়। ওর জন্য আমি তোমার মতন সুন্দরী কে পেয়েছি এই টুকু ট্রিট তো আমি ওকে দিতেই পারি। যাও ওকে রুমে নিয়ে গিয়ে শান্ত করো। তারপর আস্তে গলা নামিয়ে নন্দিনীর কানের কাছে কান এনে বললো, " এখন তোমার পার্টনার কে খুশি করো কিন্তু একঘন্টা বাদে আমি রুমে গিয়ে তোমার ক্লাস নেবো, তোমাকে শান্ত করবো। হা হা হা...." এই কথা শুনে নন্দিনীর মুখ টা একটু ফ্যাকাসে হয়ে গেল। তবুও মুহূর্তের মধ্যে সামলে নিয়ে মুখে একটা কৃত্রিম হাসি এনে আমাকে হাত ধরে টেনে নিয়ে চললো সেই রুমের উদ্দেশ্যে যেখানে পনেরো মিনিট আগে নন্দিনী একা একা এসেছিল জরুরি অালোচনা সারতে। রুমে এসে দরজা ভেজিয়ে দিয়ে আমাকে বিছানায় বসিয়ে নন্দিনী নিজের থেকেই শাড়ি খুলতে শুরু করলো। আমি ওকে বললাম, তুমি কেনো এরকম একটা ডিসিশন নিচ্ছ। ওরা ভালো লোক নয়। তোমাকে প্রতি স্টেপে মিস ইউজ করবে।"
নন্দিনী শাড়ী টা খুলেই আমার পাশে বসে বেডসাইড টেবিল থেকে জলের গ্লাস টা নিয়ে আমার মুখের সামনে ধরে বললো, তুমি উত্তেজিত হয়ে আছো সুরো। জল টা খাও। মাথা টা ঠান্ডা করো, আমি সব বলছি।"
আমি জল খাবার পর, নন্দিনী আমার শরীরের আরো কাছে নিজেকে নিয়ে এসে আমার শার্ট এর বাটন খুলতে খুলতে বললো,
" সুরো তুমি তো জানো না আমার স্বামীর মাথার উপর কত টাকার দেনা আছে। পরিবারের ঐতিহ্য থাট বাট বজায় রাখতে আমাদের আয় এর সঙ্গে ব্যয় এর সমঞ্জর্স নেই। তার উপর আমার মায়ের নামের এই অনাথ আশ্রম টির ফিনান্সিয়াল অবস্থা খুব খারাপ। আমি জানি ওরা খুব খারাপ লোক। খালি ব্যাবসা টা বোঝে। কিন্তু বিশ্বাস করো,এই মুহূর্তে যা হোক করে আমার বেশ ভাল পরিমাণ অর্থ না হলেই চলছে না। তাই মন খারাপ করো না। আমি যেমন ছিলাম তেমন শুধু তোমার ই থাকবো। " নন্দিনী আমার মুখের কাছে এগিয়ে আসলো। তারপর আমাদের দুটো ঠোঁট এক হয়ে গেলো।। দীর্ঘ চুম্বন করতে করতে নন্দিনী আমার শার্ট টা গা থেকে খুলে ফেলে আমার উপর শুয়ে পড়ল। আমি ও সব ভুলে নন্দিনীর আবেদনে সারা যৌনতার দিয়ে একে অপরের যৌনতার চাহিদা পূরণ করতে শুরু করলাম।
1 596
আমরা হোটেল এর উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। রেস্তোরা থেকে সেই হোটেলে পৌঁছতে ১৫ মিনিট লাগলো গাড়িতে। নন্দিনী ড্রিঙ্ক করাতে আমিই ড্রাইভ করে নিয়ে আসলাম। হোটেলের লবিতে পৌঁছতে ই সেদিনের সেই ভদ্রলোকের সঙ্গে accidentally দেখা হয়ে গেল। উনি আমাকে দেখেই হাসতে হাসতে এগিয়ে আসলেন।আমার সঙ্গে হ্যান্ড শেক করে, আমার পাশে দাড়ানো নন্দিনীর দিকে লোলুপ দৃষ্টি টে তাকালেন। নন্দিনী সেটা দেখে অস্বস্তি টে মুখ অন্য দিকে ঘুরিয়ে নিল। ঐ প্রভাবশালী ব্যক্তি নন্দিনীর মুখ দেখে একটু হাসলেন, তারপর আমাকে বললেন, কি ব্যাপার তুমি তো আর আমাকে ফোন ই করলে না। আমাকে পছন্দ হয় নি বুঝতেই পারছি। আজকে করবে তো, আমার আইটেম রেডি আছে। এখন একজন ক্লায়েন্ট এর সঙ্গে busy ache kintu minit পনেরো বাদে ফ্রী হয়ে যাবে। ঐ ক্লায়েন্ট বেরিয়ে গেলে আমি তোমাকে ওর রুমে ছেড়ে দিয়ে আসবো কেমন, আর তুমি আমাকে.... হা হা হা হা" আমি মুখ টা গম্ভীর করে বললাম, না না মিস্টার দুবে আমাদের আসলে এই সব ব্যাপারে অভ্যাস নেই। কাজেই আমরা এসব swaping এর বিষয়ে ইন্টারেস্টেড নই।" মিস্টার দুবে বেশ কাঠিন্যের সুরে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন," ভয় পাচ্ছো ইউং man, Ami bujhte parchi, Tumi বুঝতেই পারছো না কি সুখ হারাচ্ছ। তোমার থেকে তোমার বিউটিফুল পার্টনার এর maturity বেশি মনে হচ্ছে, আমি কি তার সঙ্গে একান্তে কথা বলতে পারি। Pls" Ami এটে আপত্তি করলাম না। নন্দিনী আমার পিছনে দাড়িয়ে ছিল, কে বললাম ইনি মিস্টার দুবে একজন নামকরা ব্যাবসায়ী, আগের দিন হোটেলে উনি আমার সঙ্গে তোমাকে দেখেছিলাম, আজ ইনি তোমার সাথে আলাদা ভাবে কিছু কথা বলতে চান।" নন্দিনী ও আপত্তি করলো না। মিস্টার দুবে আমাকে লবিতে রেখে নন্দিনী কে সাথে নিয়ে ওর আগে থেকে রিজার্ভ একটা রুমে প্রবেশ করলো। আমি ফেল ফেল করে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখলাম। মিনিট দশেক পর নন্দিনী আমার কাছে ফিরে এলো। পিছন পিছন দেখলাম মিস্টার দুবে ও আসলো। তার মুখে তখন চওড়া হাসি। নন্দিনী এসে আমার হাত ধরে লবির একটা কর্নারে টেনে এনে বললো," listen up Suro, মিস্টার দুবে আমাকে একটা লোভনীয় চাকরির অফার দিয়েছেন। ওনার পার্সোনাল সেক্রেটারির জব। আমার প্রস্তাব টা দারুন লেগেছে, মাসে ২ লাখ + স্যালারি, প্লাস কিছু মাসের মধ্যে আমার কাজ দেখে বোর্ড of ডিরেক্টরস এর মেম্বার করে দেবে। কাজ যা করার বাড়িতে থেকেই করবো, সপ্তাহে মাত্র দুই দিন অফিসে রিপোর্ট করতে হবে। আর হ্যা এই জব proposal accept korle amake eisab হোটেলে মাঝে মাঝে ই আসতে হবে মিস্টার দুবে আর তাদের বড়ো বড়ো ক্লায়েন্ট দের সঙ্গে টাইম স্পেন্টস করতে। কিছু পেতে গেলে কমপ্রমাইজ করতেই হয় কি বলো।"
আমি নন্দিনীর কথা শুনে বাকরুদ্ধ হয়ে গেলাম, আমি বললাম, " এসব কি কথা বলছো?" " না তুমি এসব করতে পারবে না। এসব জিনিস সবার জন্য নয়। তুমি এক্ষুনি না করে দাও। " নন্দিনী লবির একটা সোফা টে বসিয়ে আমার হাতে হাত রেখে বলল, " সুরো আমার অনেক স্বপ্ন আছে। নিজের একটা ট্রাস্ট আছে, অনাথ আশ্রম আছে। সেগুলো ভালো ভাবে চালাতে না অনেক খরচ। টাকার প্রয়োজন টা আমি অস্বীকার করতে পারছি না এই মুহূর্তে। এখানে মদের দোকান খুললে লোন পাওয়া যায়, কিন্তু সেবামূলক প্রতিষ্ঠান এর renovation ER jonyo Kono bank loan dite raaji naa। আমার দিক টা বুঝবার চেষ্টা কর। মিস্টার দুবে আমাকে সাহায্য করছেন। অনেক গুলো টাকা loan o deben। আমার আপাতত এই প্রস্তাব মেনে নিতে হচ্ছে। আমি আজ রাত থেকেই মিস্টার দুবের জব join korchi। Tar mane Holo an Raat ta হোটেলে এর ওনার বুক করা রুমে কাটাতে হবে। বুঝতেই পারছো। "
আমি কাদো কাদো হয়ে বললাম , " তুমি এসব দিকে পা বাড়িয় না নন্দিনী।। এরা তোমাকে শেষ করে দেবে। Pls Ami eder chini Bhalo Kore, Era takar বিনিময়ে তোমাকে নিংরে নেবে ।"
নন্দিনী আমার গালে চুমু খেয়ে বললো, " আমি বুঝতে পারছি তোমার কতটা খারাপ লাগছে, কিন্তু কি করবে বলো সুরো, ভালো মন্দ মিলিয়ে সমাজ। আর এদের মতন ব্যাক্তিদের হাতেই আছে ক্ষমতা আর টাকা। আমাকে ভুল বুঝ না প্লিজ"
এরপর নন্দিনী আমার সামনে গট গট করে হেঁটে মিস্টার দুবের কাছে এসে বলল, " মিস্টার দুবে if you don't mind, before we start Ami Amar ei partner ER sange ekta ghonta room e অন্তরঙ্গ ঘনিষ্ঠ ভাবে কাটাতে পারি? ও তো খুব ছেলেমানুষ তাই আমার এই সিদ্ধান্তে খুব মুষরে পড়েছে।"
1 596
রবি আঙ্কেল এর কথা মেনে আমার মা পরদিন সকালে থেকে আমার সঙ্গে একটু বেশি ভালো ব্যাবহার করা শুরু করলো। অনেকদিন পর আমাকে নিজের হাতে ব্রেকফাস্ট বেড়ে খাওয়ালো। সকালে উঠে অনেকদিন পরে রান্না করেছিল আমার ফেভারিট ডিস লুচি আর আলুরদম। তাড়াতাড়ি খেতে গিয়ে আমার শার্ট এ খাবার পরে গেছিল। মা তখন উঠে এসে আমার শরীরের কাছে নিজেকে এনে শার্ট থেকে নিজের ঐ খাবার টা মুছে পরিষ্কার করে দেয়। মা সেই সময় একটা স্লিভলেস নাইটি পরে ছিল। জানি না কেনো, খেতে বসে, মা নাইটির উপরের বোতাম খুলে রেখেছিল। তাই না চাইতেও, এক বার বুকের ক্লিভেজ এর দিকে আমার চোখ চলে গেছিলো। মায়ের গভীর স্তন বিভাজিকা র দিকে চোখ পড়তেই উত্তেজনায় গলা শুকিয়ে গেল। মা নিজের রুমাল দিয়ে আমার বুকের কাছে পরা খাবারের দাগ টা পরিষ্কার সময় মার শরীরের সঙ্গে আমার বুকের স্পর্শ হল, মায়ের শরীরের টাচ পেতেই ততক্ষনে একটা অন্য রকম অনুভুতি হলো। মা নির্বিকার ভাবে কাজ টা করলো। মা ঘুম থেকে উঠে কি একটা দামী বডি moisture lotion makhto, tar Misti গন্ধ টে মন সতেজ হয়ে গেছিল। আমরা খেতে বসলাম, খেতে খেতে মা আমার সঙ্গে গল্পঃ করছিলো, আগের দিনের মতো নরমাল ব্যাবহার করছিল, আমার মার ব্যাবহার দারুন লাগছিল, আমিও কথা বলছিলাম। ব্রেকফাস্ট শেষে মা আমার থেকে প্রমিজ নিয়ে নিল, যে যাই হয়ে যাক আমি কখনো মা কে ছেড়ে যাব না। আমার যা যা করার ইচ্ছে সব আমি এখানে থেকেই করবো। আমার মা কে যাওয়ার ইচ্ছে ছিল না। ওতো সুন্দর ব্যাবহার পাওয়ার পর আমার মন মার প্রতি গলে গেছিল। আমি যখন তাকে কথা দিলাম মার সঙ্গেই থাকবো। মা নিজের আবেগ চেপে রাখতে পারলো না। আমার কাছে এসে জড়িয়ে ধরে আমার গালে এক টা পরম মমতা ময় স্নেহের হামি খেয়ে বললো, আমি জানতাম সোনা, তুই তোর মা কে ছেড়ে যাবি না। আমি ও তোর মনের ব্যাথা টা বুঝি রে, আমিও কথা দিচ্ছি এই কর্পোরেট মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির সঙ্গে আমার এক বছরের কন্ট্রাক্ট পিরিওড শেষ হয়ে গেলে পর আমিও এসব ধান্ধা ছেড়ে দেবো, আবার আগের মতন সুস্থ জীবনে ফিরে আসবো। সত্যি বলতে এই ব্যাপার আমার ভালো লাগে না।" আমি এই কথাই তার মুখ থেকে শুনতে চেয়েছিলাম। আমি মা কে জড়িয়ে ধরলাম আমার চোখ থেকে জল বেরিয়ে এসেছিল। মার সাথে বেশ অন্যরকম একটা সকাল কাটানোর পর, বিকেল বেলা বাইরে ডেটে বেরোনোর সময় উপস্থিত হল। সেদিনই ছিল শুক্র বার, মা র সেদিন কাজে বেরোনোর ইচ্ছে ছিল না। কিন্তু কোম্পানির থেকে ফোন আসায় বাধ্য হয়ে বেরোতেই হলো। সন্ধ্যে ৬ টা নাগাদ মা সেজে গুজে sex avtar Haye বেরিয়ে যাওয়ার পর নন্দিনী সেন গাড়ি চালিয়ে আমার বাড়িতে আসলো। ওকে সেদিন দেখে জাস্ট চোখ ফেরানো যাচ্ছিল না। লাল সিল্কের শাড়ির সঙ্গে মিনি ক্লিভেজ এক্সপোজ করা স্লিভলেস blouse pore chillo। Nandini asbat por, ami রেডি হয়ে সন্ধ্যে সাড়ে ৬ টা নাগাদ বাড়ির মেইন গেটে তালা দিয়ে নন্দিনীর সঙ্গে অভিসারে বেরিয়ে পরলাম, আমরা প্রথমে একটা সিনেমা দেখলাম, একঘন্টা ৩০ মিনিটের সিনেমা চলা কালীন নন্দিনী আমার কাছাকাছি এসে শরীরের উষ্ণতা ভাগ করে নিল। আমরা একটা কর্নার সিটে বসেছিলাম, বোরিং art film haway ১৫০+ capacity r theatre hall e amader niye jona ১০-১২ joner Beshi দর্শক উপস্থিত ছিল না। যারা ছিল প্রত্যেকেই কাপল। সবাই ফাকায় ফা কায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসা টে সিনেমা হল এর অন্ধকারে ঘনিষ্ঠ হতে অসুবিধা হলো না। অভ্যাস না থাকায় আমি বেশি সাহসী হতে পারলাম না। নন্দিনী র প্রাইভেট পার্টস এ একঘন্টা ধরে ছুয়ে টিপে ওকে গরম করে তুললাম কিন্তু পুরোপুরি satisfaction dite পারলাম না। সিনেমার শেষে আলো যখন জ্বললো, নন্দিনী কে বিরক্ত দেখালো, ও বললো, " তোমাকে সব কিছু করবার লাইসেন্স দিলাম, কিছুই করতে পারলে না।" আমি বললাম," পাশের ঐ ভদ্রলোক আমাদের দিকে কনস্ট্যান্ট তাকিয়ে ছিল, তাই তোমার ব্লাউজ খুলতে গিয়েও থেমে গেলাম, এখানে এভাবে করতে comfortable fill Kori naa।" নন্দিনী আমার দিকে কাতর দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললো, " তাহলে এখন কোথায় যাবে, যেখানে আমাদের কেউ বিরক্ত করবে না।" আমি ওর হাত আমার হাতের মধ্যে এনে জবাব দিলাম, এখন পাশের রেস্তোঁরা টে ডিনার সারবো। তারপর সেখান থেকে সেই হোটেল।। আমি ফোন করে রুম বুক করে নিয়েছি।" নন্দিনী আমার কথায় সায় দিল। তারপর আমরা সিনেমা হল এর পাশের অভিজাত রেস্তোঁরা টে ডিনার সারতে গেলাম। নন্দিনী ভেতরে ভেতরে কামের আগুনে এমন ভাবে জ্বলছিল, ডিনারে বিশেষ কিছু খেলো না। তবে খাওয়ার পর আমাকে অবাক করে ভদকা উইথ কোকোনাট water অর্ডার দিল। ও বললো, নার্ভ টা স্টেডি করতে আজ ওর একটু অ্যালকোহল প্রয়োজন আছে। আমি নন্দিনী কে মদ পান করতে আটকালাম না। ডিনার সেরে,
1 596
রবি আঙ্কেল: সুরো এখন এডাল্ট। ও যদি চায় তোমার সঙ্গে থাকবে। Then or Baba oke Force korte parbe naa। এখানে সুরো কি চায় সেটাও ইম্পর্ট্যান্ট। Oke tomar সাথে rakhte চাইলে তোমাকে এই ভাবে ওর থেকে পালিয়ে পালিয়ে বাঁচলে চলবে না। নতুন করে ওকে কাছে টেনে আপন করে নিতে হবে। বন্ধুর মতন মিশতে হবে ওর সাথে। ওর বয়েসি একটা স্মার্ট ইউং ছেলে কিসে সন্তুষ্ট হবে তোমার মতন সুন্দরী mature lady খুব ভালো করে জানবে। জড়তা ভেঙে ওকে নিজের কাছে টেনে নাও। কাছে টেনে তোমার প্রতি হওয়া সব অভিমান ভেঙে দাও, দরকার পড়লে oke tomar proti আকৃষ্ট করতে honey trap use koro। Dekhbe Suro tomake chere jawar nam korbe na। O tomar kothay উঠবে আর বসবে।
Ma: এসব তুমি কি বলছো? মা হয়ে ছেলেকে ঐ সব উপায় অবলম্বন করে আটকাবো। ছি ছি ছি...
রবি আঙ্কেল: এভরিথিং ইজ ফেয়ার ইন লাভ এন্ড ওয়্যার। এছাড়া আর কোনো অপশন আছে বলো তোমার হাতে? সুরোর পুরোনো মা তো তুমি আর কোনোদিন হতে পারবে না। ওর মতন ছেলে তোমার সাথে পরে থাকবে কেনো? এখন বন্ধুর মতন মিশলে, ওকে তোমার কাছে আসতে দিলে তবেই সুরো তোমার টানে তোমার সঙ্গে থাকবে। আর আমি এটা খুব ভালো করে জানি সুরোর বেশি বয়সি নারীর প্রতি একটা দুর্বলতা আছে। রুমা ওকে সরল প্রকৃতির পেয়ে এক্সপ্লয়েদ করছে। এখন অবশ্য এক জন ভালো ঘরের নারীর সঙ্গে ডেট করছে। রুমা ই যোগাযোগ করে দিয়েছে। তুমি যদি নিজেই দায়িত্ব নাও, তাহলে তোমার ছেলের রুমার মতন নষ্ট নারীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখা বন্ধ হবে। তার বিপথে যাওয়া আটকাবে। নাহলে ও দিন দিন রুমার ভাড়া করা এক পর্ভাট এ পরিনত হবে। আলাদা থাকতে শুরু করলে রুমা এসে ওর জীবন নিয়ন্ত্রণ করবে, আর যার সাথে ডেট করছে তাকেও নষ্ট করে ওর জীবন থেকে সরিয়ে দেবে। তুমিই পারো ওকে বাঁচাতে। তার জন্য তোমাকে কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতেই হবে। সোজা আঙ্গুলে ঘি উঠবে না। কখন কি করতে হবে আমি ঠিক মতন তোমাকে বুঝিয়ে দেব।।তুমি শুধু নিজের ছেলে কে যেন টেন প্রকারেন কাছে টানবার প্রয়াস শুরু করে দাও।
মা এই কথা শুনে স্তম্ভিত হয়ে গেছিলো। সে বলল, রুমা কে আমার ছেলের সর্বনাশ করতে আমি দেবো না। তার জন্য যা যা করা দরকার হবে আমি করবো। ওর সব প্রয়োজন মেটাবো, কিন্তু রুমার মতন নারীর গোলাম ওকে হতে দেবো না। তুমি যা বলছো তাতে আমি রাজি রবি। তুমি যা বলবে আমি শুনবো। একটা প্ল্যান করো। আমি সুরোকে আমার নিয়ন্ত্রনে আনতে চাই। ও আমার সাথেই এতদিন থেকে এসেছে, আমার সঙ্গেই থাকবে।।
এখানেই সেদিনের আলোচনা শেষ হয়ে গেছিলো। মা তারপর নেশায় টলতে টলতে রবি আঙ্কেল এর সঙ্গে শুতে চলে গেছিলো। আমি ওদের কথা শুনে অদ্ভুত মানষিক এক দোলাচলে ভুগতে শুরু করেছিলাম।
1 596
ওয়াষ্ রুম গেলো। ওখান থেকে হাত মুখ ধুয়ে এসে বিছানার এক পাশ থেকে নিজের ড্রেস গুলো নিয়ে আয়নার সামনে দাড়িয়ে পরতে শুরু করো। আমি কাছ থেকেই নন্দিনী কে সেই সময় দেখলাম, যৌনতার পর ক্লান্ত ঘামে ভেজা চেহারা টে ওকে দারুন সেক্সী লাগছিল। আমি ওর দিক থেকে চোখ সরাতে পারছিলাম না। নন্দিনী সেটা বুঝতে পেরে বললো, এতক্ষন ধরে আমাকে বিছানায় ফেলে আদর করেও তোমার শখ মেটে নি । কি দেখছো অমন করে?" আমি ওর পিছনে উঠে গিয়ে নিজের থেকেই নন্দিনীর ব্লাউজ এর স্ট্রিপ পড়াতে পড়াতে বললাম, " তোমাকে যা লাগছে না, তোমার মতন সেক্সী নারী আমি কোনোদিন দেখি নি।" এটা বলতে বলতে আমার হাত নন্দিনী র মাই এর উপর চলে যায়। নন্দিনী সেন কিছুটা লজ্জা পেয়ে আমাকে আলতো ঠেলা দিয়ে দূরে সরিয়ে দিয়ে বললো, " দূর অসভ্য ছেলে, আমাকে একা পেয়ে খালি দুষ্টুমি করা তাই না । তোমার মা কে সব রিপোর্ট করবো দাড়াও।" আমি হেসে বললাম, "শুক্র বার দেরি করো না। আমি তোমার অপেক্ষায় থাকবো।" নন্দিনী সেন বেরিয়ে যাওয়ার ৫ মিনিটের মধ্যে আমার মা সেদিন বাড়ি তার নতুন গাড়ি চেপে বাড়ি ফিরেছিল। রবি আঙ্কেল ও ছিল মার সঙ্গে। ওরা বাড়ি ফিরতে না ফিরতেই অপরের ঘরে মদের আসর বসিয়েছিল। আমি আমার ঘর থেকে ওদের কথা বার্তা আর গ্লাসে এন্টার পানীয় ঢালবার আওয়াজ শুনতে পারছিলাম। মা কোনো এক কারণে একটু আপসেট ছিল। সেই বিষয়ে রবি আঙ্কেল এর সঙ্গে আর্গুমেন্ট হচ্ছিল। আমি কান খাড়া করে ওদের কথা শোনার চেষ্টা করছিলাম। যত টুকু আমার কানে এসেছিল সেটা ছিল অনেক টা এই রকম, মা আঙ্কেল কে বলছিল, " এই কর্পোরেট এসকর্ট হয়ে আমি যে এমন ফাসা ফেঁসে যাবো আমি কল্পনা করতে পারিনি। এখানে ইচ্ছের অনিচ্ছের কোনো দাম নেই। ওরা যতক্ষণ পর্যন্ত চাইবে করতে হবে। ভালো লাগে না।" রবি আঙ্কেল বলল," এই ভাবে বলে না ডার্লিং, তোমার গাড়ি টা তো ওদের কৃপা তেই হলো। যে গরু দুধ দেয় তার বায়নাককা তো একটু সহ্য করতে হবেই, তাছাড়া তোমারও দোষ আছে। সবাই sex তুলবার জন্য ওষুধ খায় তুমি খেতে চাও না। তাই তো তোমার একটা টাইম এর পর কষ্ট হয়।" মা বললো, " ঠিক বলেছ, এই শুক্র বার শোওয়ার আগে একটা খেয়ে নেবো। শরীরের যা ক্ষতি হবে সেটা পরে দেখা যাবে।" রবি আঙ্কেল বললো, "কী হলো আর খাচ্ছো না সবে তো দুই পেগ হলো।" মা: আমি আর খাবো না রবি ভালো লাগছে না। মুড অফ acche। আবার ফ্রাইডে ঐ হোটেলে সারা রাত বন্দী থাকতে হবে।" রবি আঙ্কেল: " আরে খাও খাও, মুড ভালো করার জন্য ই তো খাওয়া। তারপর বিছানায় বাকিটা আমি করে দেবো। হা হা হা..." মা: " আজকে না করলেই নয় রবি, আমি ক্লান্ত।" রবি আঙ্কেল: " কম অন ডার্লিং একটি বারের জন্য, প্লিজ।। আমার কমিশন।"
মিনিট দশেক বাদে আবার মায়ের গলা পাওয়া গেলো।
মা: " আজকের কমিশন টা টাকা তেই নিয়ে নাও না রবি, হোটেলে ভালোই অত্যাচার হয়েছে আমার যোনির উপর, দুজন অবাঙালি ব্যাবসায়ী ছিল। কোনো দয়ামায়া করে নি আমার উপর। এই দেখো বুকের এখানে টাটকা দাত বসানোর দাগ। এখন আর করতে ভালো লাগছে না। "
রবি আঙ্কেল: " কম অন ইন্দ্রানী, একবার করে দেখো। ঠিক ভালো লাগবে। পাঁচ দিন হয়ে গেল আমরা করি নি। তুমি ক্লান্ত থাকো বলে জোর করি নি। আজ আমার প্রয়োজন আছে। আসল কমিশন just বাহানা। তোমাকে না পেলে আমার চলে না। এই বার চলো আমরা বিছানায় যাই।"
মা: তুমি আমার কোনো কথা শোনো না রবি। চলো শুতে যাওয়ার আগে আরেকটা পেগ বানাও ভালো করে আমার জন্য। রবি আঙ্কেল: তুমি অনেক টা খেয়ে ফেলেছ ইন্দ্রানী । আর খেয়ো না। এরপর খেলে মাথা তুলতে পারবে না।
মা: এটা তুমি বলছো রবি? আগের মতন এই ড্রিঙ্ক নিয়ে নেশা হচ্ছে কোথায়। আরো এক পেগ না খেলে আজ আমি করতে পারবো না।
রবি আঙ্কেল মা কে নেশা গ্রস্ত অবস্থায় পেয়ে একটা জরুরী প্রসঙ্গ তুললো, সে মায়ের জন্য পঞ্চম পেগ রেডী করতে করতে বলল : আচ্ছা ইন্দ্রানী আমাদের ল ইয়ার আজ জিজ্ঞেস করছিল। তুমি ডিভোর্স পেপার টা দেখে রেখে সাইন করেছ ইন্দ্রানী? যেটা তোমায় পরশু দিন দিলাম। ওটা কিন্তু এই বার তাড়াতাড়ি জমা দিতে হবে।
মা: হুম দেখেছি। কিন্তু এখনও সই করি নি। ওটা সাইন না করলে তুমি আমার সঙ্গে থাকতে পারবে না। তাই তো।
রবি আঙ্কেল: সবই তো জানো। I Love you, ইন্দ্রানী ডিভোর্স এর ব্যাপারে টা আর ফেলে রেখো না, কষ্ট বাড়বে।
মা: এতদিনকার একটা সম্পর্ক শেষ করা কি মুখের কথা। সব ছেড়ে ছুড়ে তোমার সঙ্গে বেরোতে চাইলেও পারছি কোথায়। আমার স্বামী তো একটাই শর্ত দিচ্ছে। সুরো কে আমার সঙ্গে রাখবে না। আমার ছেলে আমার থেকে আলাদা থাকবে। আচ্ছা বলতো আমার ছেলেটা কি দোষ করেছে। ও কেনো বাবা মা দুজনের থেকেই আলাদা থাকবে, যেখানে এত কিছু র পর ও আমার সঙ্গে এক বাড়িতেই আছে। ও আমাকে ভালোবাসে বলেই এখনো পরে আছে।
1 596
নন্দিনী সেন আমার সঙ্গে সহমত পোষণ করে, রেস্তোরার বিল একার হাতে সব মিটিয়ে, আমার হাত ধরে আমার বাড়িতে আসলো। তখন ঘড়িতে সাড়ে চারটে বেজে গেছিল। নন্দিনী র সঙ্গে থাকতে থাকতে ভেতর ভেতর উত্তপ্ত হয়ে গেছিলাম। নন্দিনী কে নিজের রুমে এনে দরজা ভেজিয়ে আর থাকতে না পেরে জড়িয়ে ধরলাম। নন্দীনির আমার মতন same অস্থির অবস্থা ছিল। ও আমার বুকে মুখ গুজে চুমু খেতে খেতে আমার শার্ট টা খুলতে আরম্ভ করলো। তারপর বিছানায় ফেলে আমার ট্রাউজার খুলতে খুলতে বললো, " উফফ সুরো তোমার সঙ্গ আমাকে পাগল করে দেয়। এই শোনো আমার একটা আবদার রাখবে।" আমি বললাম, " হ্যা বলো।"
নন্দিনী আমার প্যান্ট খুলে আন্ডার ওয়্যার এর উপর হাত বোলাতে বোলাতে বললো, " ঐ সুইঙ্গার ক্লাব টা টে যাওয়া ছেড়ে দেবে। ওখানকার লোকজন মোটেই ভালো না। ওরা শুধু যৌনতাই বোঝে। ওদের ওখানে প্রতি সপ্তাহে যাওয়া শুরু করলে তুমি নিজের ভালো গুন গুলো সব হারিয়ে ফেলবে। আমি ওদের মত নই। আমি শুধু তোমার সাথেই লং টার্ম বেসিস এ শারীরিক ও মানষিক সম্পর্ক করতে চাই। বিশ্বাস করো, তোমাকে নিজের মতন করে ভালোবাসতে চাই। জানি আমাদের এই সম্পর্ক অবৈধ। তবুও তোমাকে আমার মনে প্রাণে সর্বস্ব উজাড় করে দিতে চাই।। কি বলো আমার সাথ দেবে তো? আজকের পর তোমাকে অন্য পার্টনার এর সঙ্গে দেখলে আমি সহ্য করতে পারবো না।"
আমি ওকে আমার বুকের মধ্যে টেনে নিয়ে বললাম, তুমি যা চাইবে তাই হবে। নন্দিনী র মতন আবেদন ময়ী নারী আমার শরীর কে খুব সহজেই চাগিয়ে দিয়েছিল, আমি পাগলের মত নন্দিনীর বক্ষ মাঝার এ চুমু চুমুতে ভরিয়ে দিচ্ছিলাম। ওকে উল্টে আমার শরীরের নিচে শুইয়ে দিয়ে আস্তে আস্তে ওকে নগ্ন করে পরম আবেগে ঠোট চুষতে শুরু করলাম, নন্দিনী বললো, উফফ সুরো তুমি সত্যি পাগল করে দিচ্ছ আমায়, তোমার দুষ্টুমি আমাকে আজ বন্য করে তুলছে। আজ আমি তোমায় অনুমতি দিচ্ছি। আমার সাথে আজ পুরোদমে anal কর। আমি ওকে বললাম, "আমার সংগ্রহে কনডম নেই , কী হবে?" নন্দিনী তাতেও বিচলিত হলো না। ও বললো, "আই পিল কেনা আছে। ওটা খেয়ে নেবো। তুমি এসব নিয়ে ভেবোনা, শুরু করো।" আমি ওর মুখের দিকে তাকিয়ে বললাম, আর ইউ sure? পরে কোনো প্রব্লেম হবে না তো।" নন্দিনী আমার আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে আমাকে ওর কাছে টেনে নিল। ওর শরীরের মিষ্টি গন্ধে মাতোয়ারা হয়ে আমি ভেতরে ভেতরে গরম হয়ে উঠলাম। আমি আমার পুরুষ অঙ্গ ওর গভীর টাইট গুদ এর মধ্যে সেট করে চোখ বন্ধ করে ঠাপানো শুরু করলাম। নন্দিনীর টাইট গুদে আমার পুরুষ অঙ্গ টা ঘষা খেয়ে ঢুকছিল আর বেরোচ্ছিল, সঙ্গমের ছন্দে আমাদের দুজনের শরীর তাই উঠছিল নামছিল, আমি ঠাপাতে ঠাপাতে উত্তেজনায় তেতে উঠে পাগলের মতো আচরণ করতে শুরু করলাম, দিক বিদিক শূন্য হয়ে নন্দিনীর মুখ গলা এমন কি বগলের তলদেশ মুখ দিয়ে চাটছিলাম, আমার জিভের চোয়ায়। নন্দিনী আটকাছিল না উল্টে মুখ দিয়ে ক্রমাগত আহ্ আহ্ সুরো আরো জোরে করো আরো জোরে, এসব বলে উত্তেজিত করে তুললো। কুড়ি মিনিট ধরে একনাগাড়ে ঠাপানোর পর আমি আর টানতে পারলাম না, নিজের কাম রস ঢেলে ভরিয়ে দিলাম নন্দিনী সেন এর যোনি দেশ। আমার কাম রস নির্গত হাওয়ার প্রায় সাথে সাথেই নন্দিনী ও আমাকে বুকের মধ্যে আকরে চেপে ধরে অর্গানিজম বার করে এলিয়ে পরলে। আমিও ওর কাধের কাছে উপুড় হয়ে এলিয়ে শুয়ে পরলাম।। কতক্ষন এই ভাবে নন্দিনী কে জড়িয়ে শুয়ে ছিলাম জানি না। সম্বিত ফিরে পেলাম নন্দিনীর আলতো ঝাঁকুনি টে। নন্দিনী আমার কাধে হাত দিয়ে আলতো ঝাঁকুনি দিয়ে বললো, কি সুরো আর কতক্ষন এই ভাবে শুয়ে থাকবে বলো তো। উঠে পরো, আমাকে বেরোতে হবে ঘড়িতে দেখ, কত দেরি হয়ে গেছে খেয়াল আছে। তোমার মা চলে আসবে।" আমি ঘড়ির দিকে তাকালাম সাড়ে আটটা বেজে গেছিল। মার বাড়ি ফিরে আসতে তখনও বেশখানিক টা টিমে বাকি ছিল। আমি নন্দিনী কে কিছুতেই ছাড়তে চাইছিলাম না। আমি ওকে জড়িয়ে চুমু খেতে শুরু করলাম। খানিক খন আমাকে ছাড়ানোর ব্যার্থ চেষ্টা করার পর, নন্দিনী আমাকে ছেড়ে দিল। আমার আদরের রেসপন্স দিতে শুরু করল। আবার আমার পুরুষ অঙ্গ ওর যোনির ভেতর প্রবেশ করলো। ১০ মিনিট বেশ যৌন মুখর চরম আবেগ ঘন মুহূর্ত কাটানোর পর আমরা একে অপরকে জড়িয়ে জোরে জোরে নিশ্বাস ছাড়ছিলাম। আমার রস ওর গুদ উপচিয়ে বেরিয়ে এসে বিছানার বেশ কিছুটা অংশ ভিজিয়ে দিয়েছিল। নন্দিনী বললো, " এবার আমাকে যেতে দাও প্লিজ।" আমি ওকে আমার দুই হাতে জাপটে রেখে বললাম, "আরো কিছু ক্ষন প্লিজ কাটিয়ে যাও না। তোমাকে ছাড়তে ইচ্ছে করছে না।" নন্দিনী আমাকে জড়িয়ে ধরে আমার গালে একটা চুমু খেয়ে বললো, " তোমাকে ছেড়ে যেতে তো আমারও ইচ্ছে করছে না সুরো, কিন্তু মেয়ে কে প্রমিজ করে এসেছি, ডিনার একসাথে করবো। প্লিজ সুরো, আজকে ছেড়ে দাও আমায়, প্রমিজ করছি এই ফ্রাইডে হোল নাইট তোমাকে দেবো। যতবার খুশি যা ইচ্ছে করবে আমাকে নিয়ে সেদিন আমি বাধা দেবো না।" এই বলে নন্দিনী সেন আমাকে ছেড়ে উঠে,
1 596
এই হোটেলের ঘটনার পর দু একদিন চুপ চাপ কাটলো। নন্দিনী সেন আমাকে ফোন করে দুইবেলা বেশ খবর নিচ্ছিল। বেশ বোঝা যাচ্ছিল আমাকে ওনার বেশ মনে ধরেছে। আর আমার মা অন্যদিকে নিজের নতুন প্রফেশনে এতটাই ব্যস্ত হয়ে গেলো যে কখন বাড়ি ফিরত কখন বেড়াতো কিছুই টের পাওয়া যেত না। কাজ সেরে যখন ফিরত আমার সঙ্গে কথা হতো না। এতটাই ক্লান্ত থাকত সোজা নিজের বেডরুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিত। তবে মা কর্পোরেট এসকর্ট সার্ভিস শুরু করায় সঠিক পরিচর্যা আর আরাম দায়ক জীবন যাপন এ অভ্যস্ত হয়েছিল। তার ফলে আমার মা কে দেখতে যেন দিন দিন সুন্দর হচ্ছিল। তাকে প্রায় প্রত্যেক দিন ই কাজে বেরোতে হতো। মিস সেনগুপ্তা র শেখানো সব ট্রিক মেনে মা বাইরে বেরোনোর সময় এমন ভাবে সাজত যে বয়স এর তুলনায় তাকে খুব ইউং লাগতো। অধিকাংশ সময় ক্লায়েন্ট দের প্রলুব্ধ করতে ক্লিভেজ বার করা টাইট ব্লাউজ পরতো। চুল বেধে ঠোঁটে লিপস্টিক মেখে, সেমি ট্রান্সপারেন্ট শাড়ী পরে, সেজে গুজে আমার মা যখন বাড়ি থেকে ডিউটি র উদ্দেশ্যে বেড়াতো, আমাদের বাড়ির সামনে মা কে এক ঝলক দেখার জন্য বাজে বখাটে ছোকরা দের ভিড় লেগে যেত। কেউ কেউ তো সাহস করে এগিয়ে এসে মার সঙ্গে কথা পর্যন্ত বলতে উদ্যত হত। কিন্তু মায়ের জন্য রাখা নতুন ড্রাইভার রাধিকা প্রাসাদ ছিল ভীষন শক্ত কঠিন মানুষ। বাউন্সারের মতন চেহারা নিয়ে মা কে গাইড করে দরজা খুলে গাড়িতে তুলে দিয়ে , তাড়াতাড়ি গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে যেত। রাধিকা প্রাসাদ মায়ের আসে পাসে ঐ সব ছেলে ছোকরা দের ঘেষতে দিত না। মা কিন্তু এই উৎপাত দেখে বিরক্ত বোধ করতো না, আগের মতন অস্বস্তি টে ভুগতো না। উল্টে এসব পুরুষ দের ছটপটানি উপভোগ করতো। তার মুখে একটা স্মাইল লেগে থাকত যেটা পুরুষ দের আকৃষ্ট করত। রোজ রোজ বাড়ির সামনে মা কে ঘিরে এসব দৃশ্য দেখতে আমার আবার মোটেই ভালো লাগতো না। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে এই সব দৃশ্য সহ্য করতে হত। সারাদিন বাইরে কাটিয়ে বাড়ি ফিরে মা ভীষন ই ক্লান্ত থাকতো। সেই সময় ও মার সঙ্গে আমার বিশেষ কথা বার্তা হতো না। তার উপর রবি আঙ্কেল অমিত আঙ্কেল রা এসে সেই অবস্থা টেও মা কে তাদের সেবায় ব্যাস্ত রাখত। দিন নেই রাত নেই বড়ো মানুষ দের সঙ্গে মিশে মিশে মার টাকার চাহিদা খুব বেড়ে গেছিল সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছিল যৌনতার খিদে। মার হাই ক্লাস ক্লায়েন্ট দের মধ্যে অনেকেই মার আর্থিক চাহিদা মেটাতে সক্ষম হলেও, যৌনতার চাহিদা পুরোপুরি নিবারণ করতে পারতো না। তার ফলে মা বাড়ি ফিরে এসে আঙ্কেল দের বিছানায় নিয়ে নিজের চাহিদা মেটাতে হতো। রবি আঙ্কেল রা এমন নেশা ধরিয়ে দিয়েছিল যে মার প্রতিদিন ঠিক মতো sex না হলে তার আবার রাতের বেলা ঘুম আসত না। আর অন্যদিকে আমি নন্দিনী সেন কে পেয়ে মায়ের এই পরিবর্তন ভুলতে চেষ্টা চালাচ্ছিলাম। ঐ হোটেলে প্রথমবার শোবার পর তিন দিন ও কাটলো না, নন্দিনী সেন আমাকে ফের নিজের কাছে ডেকে পাঠালেন। আমি ওর সঙ্গে দেখা করতে এবার একটা অভিজাত রেস্তোরা টে গেলাম। সেখানে গিয়ে নন্দিনী সেন কে শাড়ি আর তার সাথে ম্যাচিং স্লিভলেস ব্লাউজ পরে বসে থাকতে দেখে আমার চোখ জুড়িয়ে গেছিল। অপরূপ সুন্দর লাগছিল সেদিন নন্দিনী কে ঐ হালকা নীল রঙের প্রিন্টেড শাড়ি টা পড়ে। লাঞ্চ এর মেনু অর্ডার দিয়ে, নন্দিনী আমাকে বেশ কড়া সুরে আমার সমন্ধে অভিযোগ শোনালো। নন্দিনী বলেছিল, " কি ব্যাপার সুরো, সেদিনের পর আমি এতবার ফোন করলাম, তুমি দেখা করার কথা এক বারও তুললে না। ব্যাপার কি ? আমাকে পছন্দ নয়। নাকি আমি সেদিন তোমাকে ঠিক মতন সন্তুষ্ট করতে পারি নি?" আমি লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করে বললাম, " না না তোমাকে থুড়ি আপনাকে দেখে পছন্দ হবে না, পাগল নাকি?আসলে আমার এসবের অভ্যাস নেই। কাজেই ইচ্ছে হলেও, বলতে সংকোচ হয় ।"
নন্দিনী সেন আমার হাতে হাত রেখে বলল, " আমাকে আপনি আজ্ঞে না করলেই নয়। তুমি তাই ভালো শোনাচ্ছে। আমাকে তুমি করেই বলো। নাহলে খুব রাগ করবো। বুঝেছো??"
আমি: ঠিক আছে, তুমি যখন বলছো তাই হবে।
নন্দিনী: good, toh আজকে তোমার কি প্ল্যান। এখন থেকে কোথায় যাওয়া যায়? আমরা যদি চাই, আমাদের বাড়ি টে যেতে পারি কিম্বা এই ধরো কোনো হোটেলে।
আমি: বাড়ি বা হোটেলে যাওয়ার কি খুব প্রয়োজন আছে। আমি আবার এসব ব্যাপারে comfortable feel Kori naa। I need some time।
নন্দিনী: আমার তো প্রয়োজন আছে।। Pls চল। জোর করবো না। তোমার ইচ্ছে হলে করবে নাহলে it's will be fine। Tumi পুরুষ মানুষ হয়ে যদি এত লজ্জা পাও তাহলে আমি একজন নারী হয়ে কি করে এগোই বলো তো?
আমি: ওকে , এখান থেকে আমার বাড়ি তাই কাছে হবে। চলো তাহলে।
নন্দিনী: আর ইউ sure? তোমার বাড়িতে গেলে , তোমার মা বা বাবা কেউ কিছু বলবে না।
আমি হেসে জবাব দিয়ে বললাম, " কেউ কিছু বলবে না। বাবা মা দুজনেই ব্যাস্ত। তাদের ওতো সময় নেই আমি কি করছি সেটা দেখবার। বাবা এখানে থাকে না। আর মা চুটিয়ে এক্সট্রা martial affairs Kore বেরোচ্ছে। কাজেই আমার বাড়ি উইল বী সেফ প্লেস।"
1 596
নন্দিনী সেন এই কথা বলে নিজের পা দুটো আবার ফাঁক করে দিল, আমি সাথে সাথে ওর ভেজা গুদে আমার পেনিস টা ঢুকিয়ে দিলাম, আর ঢোকানোর সাথে সাথে নন্দিনী সেন আমার পিঠের উপর নিজের হাত দিয়ে আমাকে চেপে জড়িয়ে ধরলো। এইবার আগের থেকে বেশি গতিতে ঠাপ দিতে লাগলাম, আমার প্রতি ঠাপে নন্দিনী শীৎকার দিচ্ছিল, ১৫ মিনিট ধরে করার পর আমি আর ধরে রাখতে পারলাম না, দুজনে প্রায় এক সাথেই নিজেদের অর্গানিজম রিলিস করলাম, আরো মিনিট দশেক আমাকে জড়িয়ে বিছানায় শুয়ে থাকার পর, নন্দিনী সেন উঠে বাথরুমে গেলো ফ্রেশ হতে। আমিও আন্ডার ওয়্যার টা পরে নিলাম, তারপর প্যান্ট আর শার্ট গলিয়ে পাচ মিনিট এর মধ্যে নন্দিনী র সঙ্গে বেড়ানোর সময়, লবি টে যার রুমে কনডম চাইতে ঢুকেছিলাম সেই ভদ্র লোকের সাথে দেখা। উনি ওনার গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। আমাকে আসতে দেখে উনি হাত নেড়ে ওনার কাছে ডাকলেন। তার আগে আমার সঙ্গে নন্দিনী সেন কে দেখে ওনার চোখ কপালে উঠে গেছে। মুগ্ধ চোখে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলেন নন্দিনীর দিকে, নন্দিনী সেটা দেখে খুব অস্বস্তি টে পড়েছিল, ও আমাকে বলল, তুমি তাড়াতাড়ি এসো, আমি গাড়ির কাছে আছি। এই বলে গট গট করে নন্দিনী সেন হোটেলের বাইরে বেরিয়ে যায়, আমি ঐ ভদ্রলোকের কাছে এগিয়ে গেলাম, উনি আমাকে পেয়ে বললেন, " তোমার তো দেখছি choice ache bhaya, darun bedpartner select করেছ, পোশাক আশাক দেখে তো একেবারে ফ্রেশ মনে হচ্ছে ।" আমি উত্তরে বললাম, " ঠিক ই ধরেছেন, উনি একেবারে নতুন, একাকিত্ব কাটাতেই আজ প্রথমবার এসেছেন আমার সাথে।"
ঐ ভদ্রলোক আমার কথা শুনে উৎফুল্ল হয়ে বললেন, " ঠিক ধরেছি, আরে আমার এত বছরের এক্সপেরিয়েন্স, মাগীর মুখ দেখলে সব বলে দিতে পারি হে হে হে... , টা ভায়া ফিতে কেটে কেমন লাগলো? বিছানায় পারফরমেন্স কেমন?"
আমি ওনার প্রশ্ন শুনে বিরম্বনায় পরে গেছিলাম, শুধু বললাম, " ভালোই তো, এই কয় ঘন্টা কিভাবে কেটে গেল টের ই পেলাম না।" ঐ ভদ্রলোক শুনে বেশ খুশী হয়ে বললেন, " বেশ বেশ আমার আইটেম টা কে দেখেছো? একেবারে টপ ক্যাটাগরির মাল, প্রচুর টাকার খাই, তবে full satisfaction dey, tah brother Tumi সামনের ফ্রাইডে ফ্রী থাক, তোমার টা কে নিয়ে আরেকটি বার এসো না এই হোটেলে, আমি তোমাদের জন্য রুম বুক করে রাখবো। সব খরচ আমার, আমরা সেদিন আমাদের পার্টনার এক্সচেঞ্জ করে একে অপরের আইটেম এর সাথে করবো। আমি এই ভাবে পছন্দের লোক দের সাথে সুন্দরী মহিলা দের নিয়ে পাস পাস খেলতে পছন্দ করি, তোমাকে আমার ভালো লেগেছে, তোমার আইটেম কেও, তুমি যদি এটা করতে রাজি থাকো তুমি আমার আইটেম এর সাথে সাথে নিজের পার্টনার আমার সঙ্গে এক্সচেঞ্জ করে ভালো টাকা পাবে।" আমি বললাম , না না এটা আপনি কি বলছেন? এটা সম্ভব না।
ভদ্র লোক নাছোড় বান্দা, কিছুতেই আমাকে ছাড়লো না, উনি বললেন, " আরে শোনো শোনো, শুরুতেই ভয় পেয়ে যেও না। তুমি বুঝতে পারছো না, কি হারাতে যাচ্ছ, এটা করার পর, তোমাদের সেক্স লাইফ অন্য উচ্চতায় পৌঁছে যাবে, তুমি যদি চাও, এমন অবস্থা করে দেবো, তোমার সঙ্গিনী কিছু টের পাবে না কার সাথে শুচ্ছে। আমার কাছে এরকম ওষুধ আছে যার একটা মাত্র ট্যাবলেট জলের সাথে খেলে ৮-১০ ঘণ্টা কোনো হুস থাকবে না। আর সেই সময়ের মধ্যে আমাদের কাজ হয়ে যাবে। হে হে হে হে...আরে ইউং men, ekhon decision nite bolchi naa, Tomar haate Friday obdhi time ache, EI nao Amar card, Bhalo Kore ভাবনা চিন্তা করো। রাজি থাকলে just give me a phone call, তোমার পার্টনার এর জন্য ২৫০০০ টাকা এমনি খরচ করতে রাজি আছি, তারপর খুশি হলে আরো এক্সট্রা টাকা পাবে, আর যা হবে fair exchange Hobe। তুমিও রিটার্ন এ আমার আইটেম এর সাথে করতে পারবে।"
ঐ ভদ্রলোকের প্রস্তাব শুনে আমার শিরদাঁড়া বেয়ে ঠান্ডা স্রোত বয়ে গেল। আমি card ta pockete rekhe hotel er থেকে বাইরে বেরিয়ে আসলাম।
1 596
আমি উত্তেজনায় কাপতে কাপতে রুমে ফেরত আসলাম। নন্দিনী সেন আমাকে দেখে বললে, " কোথায় গেছিলে বলতো সুরো, এতক্ষন সময় লাগলো, একি তোমার মুখ চোখ এরকম ফ্যাকাসে দেখাচ্ছে কেন? কি হয়েছে?"
আমি বললাম কিছু না, দরজা বন্ধ করে শুধু বললাম, একজন চেনা মানুষ কে দেখে ভয় পেয়ে গেছিলাম, আমি একটু জল খাবো। বেড সাইড টেবিলে কাচের জল ভর্তি জগ রাখা ছিল। নন্দিনী আমাকে বসিয়ে, নিজের হাতে করে ঐ কাচের জগ থেকে গ্লাসে করে জল এনে খাওয়ালো, তারপর কিছু ক্ষন পর নার্ভ টা একটু সেটেল হতে আমি নন্দিনী সেনের সৌন্দর্য্যে মুগ্ধ হয়ে তার দিকে নজর দিলাম। ওকে বিছানায় নিয়ে বসিয়ে সবুজ সংকেত পেয়ে একটু একটু করে নন্দিনীর পোশাক টা খুলতে শুরু করলাম, নন্দিনী র এসবের বিশেষ অভ্যাস ছিল না। তাই তার প্রথম বার আমার সামনে সম্পূর্ণ নগ্ন হতে সংকোচ হচ্ছিল, আমি শুধু শাড়ী টা খুলেই ছেড়ে দিলাম। ব্লাউজ আর শায়া পড়া অবস্থায় নন্দিনী কে অসাধারণ রকম সেক্সী দেখাচ্ছিল। ওর দিক থেকে চোখ ই ফেরাতে পারছিলাম না। নন্দিনী র খুব ইচ্ছে ছিল আমাকে টপলেস অবস্থায় দেখার, তাই ও প্রথমেই ইচ্ছাকৃত ভাবে জল ফেলে আমার শার্ট টা ভিজিয়ে দিল। তার ফলে আমাকে শার্ট টা খুলে টপলেস অবস্থায় ওর সামনে আসতে হয়েছিল । তারপর জোরাজুরি ভাবে শুয়ে পড়তেই নন্দিনী সেনের প্রতি একটা অন্য রকম আকর্ষণ অনুভব করলাম। নিজে থেকেই স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে নন্দিনীর গোলাপী রঙের ঠোঁট টা কে চুমু টে চুমুটে ভরিয়ে দিচ্ছিলাম। নন্দিনী চোখ বন্ধ করে আমার আদর খেতে খেতে অস্ফুটে বলে উঠলো, লাইট অফ করে দাও সুরো, আলো জ্বালানো থাকলে আমার লজ্জা হচ্ছে।" আমি নন্দিনী র অনুরোধ রেখে আলো টা নিভিয়ে দিয়ে আবার তার কানের কাছে মুখ নিয়ে এসে কিস করতে লাগলাম। কিছুক্ষন চুপ চাপ থেকে নন্দিনী ও আস্তে আস্তে যত সময় এগোলো সহজ হয়ে আমার আদরের উত্তর দেওয়া শুরু করলো। সব কিছু ভুলে, ওর ভেতরে অনেক না পাওয়া অনেক বেদনা লুকিয়ে ছিল, নন্দিনী আমাকে বিছানায় পেয়ে সেই যন্ত্রণা ভুলতে চেষ্টা করছিল। যে কনডম চাইতে গিয়ে এত কাণ্ড হলো, সেটা আর তারা হুরো টে পড়াই হল না। নন্দিনী সেন বেশ পরিপূর্ণ mature Naari hole ki Hobe, onar gud বেশ টাইট ছিল। আমি সেজন্য আস্তে আস্তে বেশ যত্ন সহকারে যখন ঠাপ দিচ্ছিলাম, ওর দুই চোখের কোন বেয়ে আনন্দ শ্রু বেরিয়ে আসছিল। নন্দিনী সেন কে আমার ভীষন ই রহস্যময়ী মনে হচ্ছিল। তার শরীরী আবেদনের কাছে আমি অসহায় আত্ম সমর্পন করলাম। দুজনের বুকে যা জ্বালা যন্ত্রণা জমে ছিল, সেই হোটেল রুমের বিছানায় তার একটা সার্থক বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল। নন্দিনী সেন এর মতন পরিপূর্ণ একজন নারী কে এত কাছে পেয়ে আমি একেবারে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলাম। আবেগে আর উত্তেজনায় একটু জোরেই করে ফেলেছিলাম, আমাদের sexual intercourse যখন মাঝ পথে তখন ই নন্দিনী আর থাকতে না পেরে বলেই ফেললো," আহ্ সুরো একটু আস্তে করো সোনা, আমার লাগছে আহ্ আহ্....।" আমি এরপর গতি টা কমালাম, আধ ঘন্টা ধরে করার পর আমি নন্দিনী সেন কে থাকতে না পেরে বললাম, " আমার এক্ষুনি বেরোবে, বাইরে বের করে করবো তো?"
নন্দিনী সেন চোখ বন্ধ করে জবাব দিলো, " উহু ভেতরেই কর। কনডম যখন পরো নি তখন আর ভেবে লাভ নেই। আমি আই পিল খেয়ে নেবো।" নন্দিনীর কথা মতন ওর ভেতরেই মাল ফেলতে শুরু করলাম, নন্দিনী তার সুন্দর দেহটা দিয়ে আমাকে এমন ভাবে চাগিয়ে দিয়েছিল, যে একবারে প্রচুর মাল বের করে ওর গুদ আর গুদে র মুখ আমার সাদা বীর্যে ভরিয়ে দিয়ে আমি ক্লান্ত হয়ে ধপাস করে নন্দিনীর পাশে শুয়ে পড়লাম। নন্দিনী সেন আমার সাথে করে দারুন তৃপ্তি পেয়েছিলেন, ওর চোখ মুখে satisfaction ঝরে পরছিল। ও আমার পাশে শুইয়ে আমার চুলে বিলি কেটে দিচ্ছিলো। আমি চোখ মেলে তাকালাম নন্দিনীর মিষ্টি লাবণ্য ময় মুখ টা দেখে আমার মনে অদ্ভুত এক আবেগ সৃষ্টি হলো, আমার মনে হলো নন্দিনী সেন এর মতন নারী কে বিশ্বাস করে সারা জীবন কাটানো যায়, আমি সাহস করে ওর ঠোঁটে কিস করতে উদ্যত হলাম। আমি ঠোঁট বাড়িয়ে ওর মুখের কাছে নিয়ে যেতে দেখলাম নন্দিনী নিজের মুখ সরিয়ে নিলো না। বরং চ আমাকে চুমু খেতে সহায়তাই করলো, ঠোঁটে ঠোঁট রেখে দীর্ঘ সময় ধরে একটা আবেগঘন চুম্বন খাওয়ানোর পর আমি আবার উত্তেজিত হয়ে পড়লাম। এই বার আমার নজর পড়লো নন্দিনী সেন এর বুকে ব্লাউজ দিয়ে ঢাকা দেওয়া উন্নত মাই জোড়ার উপর। ওগুলো সামনা সামনি দেখে আদর করতে খুব ইচ্ছে করছিল, আমি নন্দিনী সেন এর বুকের উপর হাত বোলাতে শুরু করলাম, নন্দিনী সেন আমার মনের কথা ম্যাজিকের মতো বুঝতে পারছিল, সে লজ্জা পেয়ে বললো, প্লিজ সুরো ওটা নিয়ে অন্যদিন নিয়ে খেলবে, এখন থেকে এসব তোমারই খেলার জিনিস। আজকে আর দুষ্টুমি করো না। অনেক দেরি হয়ে গেছে, শুধু আরো একবার লাগিয়ে ছেড়ে দাও। "
1 596
আমি কোনো অসুবিধা হবে না অ্যাসুরান্স দিতেই নন্দিনী সেন রাজি হলো। মিনিট পাঁচেক এর মধ্যে আমরা হোটেলে পৌঁছলাম। রিসেপশন ডেস্কে পৌঁছে রুমের জন্য enquary করতে রিসেপসানিস্ট বললো, একটাই রুম খালি আছে কিন্তু ভাড়া অনেক টা বেশি। একরাতের ভাড়া ৩৫০০ টাকা পড়বে। নন্দিনী সেন আমাকে পেতে এতটাই ডেসপারেট ছিল, যে ঐ অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে এক রাতের জন্য বুক করতে রাজি হয়ে গেল। রিসেপশন ডেস্ক এ ফরমালিটি পূরণ করে আমরা যখন চাবি নিয়ে ঐ রুমে পৌঁছলাম তখন সাড়ে ১২ টা বেজে গেছে। ঐ রুমে এসে দরজা বন্ধ করে, প্রথম বার যখন নন্দিনীর সামনে আমি সাহস করে নিজের শার্ট টা খুললাম, তখন আমার খেয়াল হল, সঙ্গে করে কনডম আনা হয় নি। নন্দিনী সেন এর বয়স ছিল ৩৯+। ওনার সেসময় পেরিয়ডস week চলছিল। আমার কাছে কনডম নেই শুনে উনি আরো নার্ভাস হয়ে গেলেন, ঐ হোটেল এর কাছাকাছি কোনো মেডিসিন শপ ছিল না। কাজেই আমি ঠিক করলাম, পাশের রুমে নক করে দেখবো। এক্সট্রা কনডম পাওয়া যায় কিনা। এইসব হোটেলে যেসব নারী পুরুষ রা রাত কাটাতে আসে তাদের কাছে কনডম থাকবেই। আমাদের কাছেও থাকতো যদি না আমরা একেবারে নতুন না আসতাম। যেমন ভাবা তেমন কাজ, নিজেদের রুম থেকে বেরিয়ে পাশের রুমে নক করলাম, ভেতর থেকে অবাঙালি গলায় খিস্তি ভেসে আসলো। আমি সেখানে আর না দাড়িয়ে তার পাশের রুমে নক করলাম, সেখানে কিছুক্ষন নক করার পর একজন সুপুরুষ ব্যাক্তি দরজা খুলে দিল,আমার ওনাকে দেখেই বুঝতে বাকি রইল না যে, উনি স্নান করতে করতে আমার বেল শুনে উঠে এসেছেন। আমি তাকে প্রথমেই বিরক্ত করার জন্য ক্ষমা চেয়ে সোজা আসল কারণে চলে এলাম। ব্যাপার টা বলতে, ঐ ব্যক্তি আমাকে ভেতরে আসতে বললেন। আমি দরজা ভেজিয়ে ওনার সঙ্গে রুমের ভেতরে আসলাম। উনি আমাকে বেড সাইড টেবিলের উপর খুলে রাখা কনডম এর প্যাকেট টা দেখিয়ে দিয়ে বললেন, যাও লে লো উহাসে।
আমি ধন্যবাদ জানিয়ে কনডম এর প্যাকেট এর দিকে এগিয়ে গেলাম। কনডম নেওয়ার সময়, রুমের পাশের বাথরুমের ভেতর থেকে ভীষণ চেনা এক মহিলা কণ্ঠ শুনতে পেলাম, উনি বললেন, " কম inside darling, কতক্ষন আমি এখানে বাথ টাবে র ভেতর তোমার জন্য অপেক্ষা করব? কার সাথে কথা বলছো? কে এসেছে?" কণ্ঠস্বর টা শোনার পর, আমার সারা শরীরে যেন বিদ্যুৎ খেলে গেলো। আমি কনডম নিয়ে আর ওখানে দাড়ালাম না। দরজা বন্ধ করার আগে ঐ ব্যক্তি বললো, একবার আমার আইটেম এর সঙ্গেও পারলে করে দেখো হ্যান্ডসম, তোমার নিজের আইটেম কে ভুলে যাবে। এই বলে পার্স খুলে আমার নিজের মায়ের ভিজিটিং কার্ড ই আমার হাতে তুলে দিল।
A
Con- 82*****782
Highclsss Escort Service ***
কার্ড টা হাতে নিয়ে আমার হাত কাপছিল। ঐ ব্যক্তি এও বললেন এই আইটেম নাকি সপ্তাহে দুদিন মত এই হোটেলে আসেন রাতের ক্লায়েন্ট মিট করতে, সন্ধ্যে র সময় ফ্রী থাকেন, আমি যদি চাই উনি ব্যাবস্থা করে দিতে পারেন তার জন্য অবশ্য ১০% কমিশন নেবেন। আমি ধন্যবাদ বলে চলে আসলাম, দরজা বন্ধ করে দেওয়ার পর রুমের ভেতরে ফের শুনতে পারলাম, মায়ের কণ্ঠস্বর, সে বলছে, " কে এসেছিল মিস্টার ধিলন?" " গলার আওয়াজ শুনে আমার চেনা লাগছিল, ওকে কি বলেছিলেন?" মিস্টার ধিলন জবাব দিল, " একজন ইউং হ্যান্ডসম বয়, কনডম চাইতে এসেছিল, তার কাছে তোমার প্রমোশন করছিলাম এই আরকি।" মা বললো, " আপনিও পারেন , এবার ফোন করে পাগল করে দেবে রবি জি কে।" মিস্টার ধীলন , আমাদের মর্জি চললে তোমাকে এই হোটেল রুমেই বন্দী করে রাখবো বুঝলে, এখন বিছানায় চলো, তোমাকে এই ভাবে দেখে আমি আর লোভ সামলাতে পারছি না।" আমি আর ঐ রুমের সামনে দাড়িয়ে থাকতে পারলাম না।
1 596
সোজা হাত ধরাধরি করে ম্যানশন এর ভেতরে চলে গেল। ওদের এই তাড়া দেখে আর সকলের মধ্যে একটা চাপা গুঞ্জন উঠলো। এই ভাবে প্রত্যেকের পালা শেষ হবার পর যখন মাত্র দুজন নারীর পার্টনার সিলেক্ট হাওয়া বাকি আমার পালা আসলো, আমি হেটে গিয়ে দুরু দুরু বুকে হোস্ট এর পাশে দাঁড়ালাম। খাম টা নিজে না খুলে হোস্ট এর কাছে দিয়ে দিলাম। হোস্ট ও বিনা বাক্য ব্যয়ে ওটা খুলে নম্বর টা ঘোষণা করে দিল। আমার এনভেলাপ এ ১৩ নম্বর লেখা ছিল। আমি পর মুহূর্তে চোখ মেলে দেখলাম, আমার সামনে বসা এক বড়ো ঘরের বধূ মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়লো হতাশায়, আমার চোখ কর্নারে চলে গেল, দেখলাম সেই সুন্দরী রহস্যময়ী নারীর মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। উনি হাত নেড়ে আমাকে নিজের কাছে ডাকলেন। বুঝতে বাকি রইল না, গেম এর রুল অনুযায়ী রুমা আণ্টি র সিলেক্ট করা ঐ নারী ই আমার পার্টনার নির্বাচিত হয়েছেন।
ঐ নারী দশ মিনিটের মধ্যে আমাকে হাত ধরে নিয়ে ম্যানশন এর বাইরে চলে এলেন, কিছু দূরে ওনার গাড়ি টা পার্ক করা ছিল। উনি তার সামনে এসে দরজার লক খুলে বললেন, গাড়ির ভেতরে উঠে বসো, এখানে বড্ড ভিড় , আমার এই ভিড় পছন্দ না, তার চেয়ে চলো আমার বাড়িতে, ওখানে কোনো ডিশ্চার্বনেস পাবে না।" ওনার মিষ্টি কণ্ঠস্বরে এমন একটা জোড়ালো ব্যাক্তিত্বের আভাস ছিল যে আমি সব কিছু ভুলে
মন্ত্র মুগ্ধের মত ঐ নারীর কথা ফলো করে গাড়িতে উঠে বসলাম। উনি নিজেই ড্রাইভ করে নিজের বাড়ির উদ্দেশ্যে নিয়ে চললেন। রাস্তায় একটা ধাবায় গাড়ি থামিয়ে আমরা ডিনার করে নিয়েছিলাম। গাড়িতে যেতে যেতে ওনার সাথে সামান্য আলাপ হল, আমি জানতে পারলাম ওনার নাম মিসেস নন্দিনী সেন। স্বামী চাকরি সূত্রে বিদেশে, একমাত্র মেয়ে যার ১৯ বছর বয়েস সে হোস্টেলে, অগাধ সম্পত্তির মালকিন, ব্যাবসা টাকা পয়সা র অভাব নেই, সারাদিন কাজ কারবার নিয়ে ব্যাস্ত থাকেন, এছাড়া একটা কলেজে গেস্ট লেকচারার, কিন্তু বাড়িতে দুটো কথা বলার মতন কেউ নেই। তাই বাধ্য হয়ে এই সোসাইটি টে সম্প্রতি নাম লিখিয়েছেন, শরীর আর মনের জ্বালা জুড়তে। উনি লং টার্ম রেলেশনশিপে ইন্টারেস্টেড, ঘন ঘন পার্টনার বদলানো বিশ্বাসি না।" আমাকেও আমার সম্পর্কে কিছু তথ্য শেয়ার করতে হলো। মায়ের ব্যাপার টা যথা সম্ভব চেপে গেলাম। আমরা যখন নন্দিনী সেন এর বাড়ির কাছাকাছি এসে গেছি, এই সময় ওনার ফোনে একটা কল এলো, উনি গাড়িটা সাইড করে কল টা রিসিভ করলো, দুই মিনিট ধরে যা কথা হলো তাতে দেখলাম নন্দিনীর মুখের ভাব পাল্টে গেছে। ফোন টা রেখে বললো, সর্বনাশ আমি ভুলেই গেছিলাম আজ আমার মেয়ে টা দুই মাস পরে হোস্টেল থেকে ফিরেছে, বাড়িতে ও আর ওর বন্ধুরা এখন পার্টি করছে, কাজেই এখন বাড়িতে আমাদের নো এন্ট্রি। এতটা রাস্তা চলে আসলাম, এখন কোথায় যাওয়া যায় বলো তো?"
আমি বললাম, আমার বাড়িতে আসতেই পারেন, কিন্তু আমার বাড়ি এখান থেকে এক দেড় ঘণ্টা লেগে যাবে, তার থেকে আমরা এখন যেখানে আছি, কাছেই একটা ভালো হোটেল আছে। থ্রী স্টার হোটেল। ওখানে যাওয়া যেতে পারে।" আমি হোটেলের কথা তুলতেই,
নন্দিনী একটু নার্ভাস হয়ে গেল। ও বললো,
সুরো একটা কথা আমি স্বীকার করছি, আমি কোনোদিন হোটেল রুমে গিয়ে এভাবে সময় কাটাই নি। আমার মনে হচ্ছে না এটা বেস্ট অপশন হবে।
আমি বললাম, " আরে আপনি ভয় পাবেন না। বড়ো হোটেল গুলোয় রুম নেওয়া অনেক তাই সেফ অপশন। চলুন , কিচ্ছু হবে না।"
1 596
মা সেদিন ও বাড়ি ফিরতে পারলো না। আর কথা মত রুমা আণ্টি নটা বাজতেই আমাকে নিতে আমাদের বাড়ির দরজায় চলে আসলো। রুমা আণ্টি একটা Western party wear costume pore এসেছিল। পোশাক টা ওর হাঁটুর বেশ খানিক টা উপরে শেষ হয়েছিল। রুমা আণ্টি কে এত হট আর সুন্দরী এর আগে দেখা যায় নি। ওর দিক থেকে চোখ সরাতে পারছিলাম না। রুমা আণ্টি আমার মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকা টা উপভোগ করছিল। রুমা আণ্টি নিজের মারুতি swift গাড়ি ড্রাইভ করে আমাকে নিতে এসেছিল। আমাকে ওর কথা মেনে গাড়ির ফ্রন্ট সিটে ওর পাশে উঠে বসতে হলো। আমি গাড়িতে উঠতেই, গাড়ি স্টার্ট হলো, একটা unknown destination ER উদ্দ্যেশে আমরা রওনা দিলাম। মিনিট চল্লিশ বাদে রুমা আন্টির গাড়ি টা একটা তিন তলা বাড়ির সামনে থামলো। বাড়ির গেটে লেখা ছিল ড্রিম রেসিডেন্সি ভিলা। রুমা আন্টি ঐ গেট এর দিকে point out Kare বললো, আমরা জায়গা মতন এসে গেছি, চলো let's enjoy।"
রুমা আণ্টি হাত ধরে আমাকে ঐ গেট এর ভিতর আনলো। ভেতরে ঢুকতেই আমি আবিষ্কার করলাম আমরা একটা মাস্ক পার্টি র মধ্যে এসে উপস্থিত হয়েছি। পার্টির রুল মেনে আমাদের কেও মাস্ক পরে নিতে হলো। আমরা ছাড়াও ওখানে ১০ ১২ জন কাপল আরো উপস্থিত ছিল। কিন্তু মাস্ক পরে থাকায় কারোর মুখ দেখা যাচ্ছিল না। আমার ভীষন নার্ভাস লাগছিল এত গুলো অচেনা মানুষের মাঝে এসে। তার উপর তিন চার জন সুন্দরী mature nari tader পার্টনার এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ভাবে বসেও যেভাবে আমার দিকে ঘুরে লোভাতুর দৃষ্টি টে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছিল, তাতে আমার ভারী অস্বস্তি হচ্ছিল। এক জন সুট পড়া হোস্ট এসে অনৌন্স করলো, এইবার একটা বিশেষ গেম খেলা হবে, যার মাধ্যমে যে যার পছন্দের বেড পার্টনার সিলেক্ট করবে। হোস্ট এগিয়ে এসে পুরুষদের হাতে একটা করে রঙিন এনভেলাপ ধরিয়ে দিলেন। ওটা এখন ই খোলা যাবে না, পরে বিশেষ মুহূর্ত উপস্থিত হলে খুলতে হবে। উনি বললেন লেডিস অ্যান্ড জেন্টল মেন আপনাদের হাতে যে এনভেলাপ গুলো আছে তাতে একটা নম্বর লেখা আছে। এক এক করে আজকে এই swinger party te উপস্থিত নারী রা আমার কাছে উঠে আসবেন, আমার সামনে এই টেবিলে রাখা box থেকে একটা করে কাগজ তুলে নিয়ে আমার হাতে দেবেন। সেই কাগজে যে নম্বর থাকবে আর যার সাথে আপনাদের হাতে এনভেলাপ এর নম্বর মিলে যাবে, আগামী এক সপ্তাহের জন্য তারা একে অপরের বেড পার্টনার নির্বাচিত হবেন, তারা আজ রাত থেকেই নিজেদের মধ্যে যৌনতা উপভোগ করতে পারবে। Is it clear, so let's start।"
Host ঘোষণা করবার সাথে সাথে Sabai besh উল্লাস প্রকাশ করে উঠলো। রুমা আণ্টি আমার কানের কাছে মুখ এনে বলল, " কি সুরো সারপ্রাইজ টা কেমন লাগলো, আজ থেকে তুমিও এই সিক্রেট swinger club ER Ekjon member, Tumi ajkei tomar perfect পার্টনার খুঁজে পাবে, আমি যার কথা বলছিলাম, তিনিও আছেন এই লিস্টে, দেখা যাক তাকে ফার্স্ট চান্স এই পাও কিনা।" এই বলে কর্নারে বসা এক অপরুপ সুন্দর এক নারির দিকে আণ্টি point out করলো। আমি মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে দেখলাম ঐ রহস্যময়ী নারী ও আমার দিকে তাকিয়ে আছে, আর মদ ভর্তি ড্রিঙ্ক এর পেয়ালা উপভোগ করছে। আমি এটাও লক্ষ্য করলাম, ওর দিকে বেশ কয়েক জন পুরুষ লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। বলাই বাহুল্য ঐ হলে উপস্থিত নারী দের মধ্যে ওনাকে সব থেকে বেশি সেক্সী লাগছিল। একটা বেল বাজার পর খেলা শুরু হলো। পার্টি টে উপস্থিত নারী রা একে একে উঠে এসে হোস্ট এর কাছে গেলো। তারপর box থেকে একটা একটা করে কাগজ তুলে নিয়ে মিস্তরিয়াস হাসি হেসে আবার নিজেদের জায়গায় ফিরে আসলো। রুমা আণ্টি সবার শেষে উঠে বক্স থেকে কাগজ তুলে আনলেন। আমি আর চোখে ওর কাগজ থেকে নম্বর পড়ার চেষ্টা করলাম, কিন্তু রুমা আণ্টি সেটা হাত দিয়ে ঢেকে দিয়ে বললো, উহু নট চিটিং, সুরো প্লিজ লক্ষ্মী ছেলের মতন অপেক্ষা করো।" নারীদের কাগজ তোলার পর্ব মেটার পর, এবার পুরুষ দের ডাক আসলো। সবাই এক এক করে সেন্টার স্টেজে এসে হোস্ট এর কথা মতন তাদের হাতের এনভেলাপ খুলে তাতে লেখা নম্বর টা ঘোষণা করলো, প্রত্যেক বার ঘোষণা করার সাথে সাথে বাকি সবার। যার নম্বর ম্যাচ করছিল, সে হাত তুলে উঠে এসে সংশ্লিষ্ট পুরুষের পাসে দাঁড়াচ্ছিল। তারপর একসাথে হাত ধরাধরি করে এসে পাশাপাশি বসছিল। প্রত্যেক বার যখন কেউ না কেউ এনভেলাপ খুলে তাতে লেখা নম্বর ঘোষণা করেছিলেন, বাকি সবার মধ্যে একটা উন্মাদনা লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। তৃতীয় বার এই ভাবে চলার পর, এক মোটা সোটা অবাঙালি ব্যাবসায়ীর কপালে রুমা আন্টির নম্বর জুটলো। রুমা আণ্টি আমাকে চোখ মেরে কানে কানে বললো, " ভালো খদ্দের পেয়ে গেছি, একে ধরে আমার একমাস আরামসে চলে যাবে, তুই ও নতুন পার্টনার কে অ্যাকসেপ্ট করে নিবি। দেখবি মস্তি পাবি।" হাতে একটা মদ ভর্তি পেঁয়ালা নিয়ে হাসতে হাসতে উঠে গিয়ে ঐ ব্যাক্তির পাশে গিয়ে দাঁড়ালেন। তারপর ওরা আর ফিরে এসে আমাদের সঙ্গে বসলো না, সময় নস্ট না করে,
1 596
রুমা আণ্টি আমার শার্ট এর বাটন খুলতে খুলতে বললো, আরে না না, একেবারে শান্ত লাজুক প্রকৃতির নারী। তোর মতন ছেলের খোঁজে আছে। পরশু দিন তোর সাথে আলাপ করিয়ে দেবো। দেখবি এর মতন নারী কেই তোর দরকার, সঙ্গিনী হিসাবে তোর যে একটু বেশি বয়স এর নারী পছন্দ সেটা আমি জানি। এর বয়স একটু বাড়তি কিন্তু দেখতে অসাধারণ সুন্দরী। তোর থেকে ১৩ বছরের বড় কিন্তু তোকে ভালো care করবে।" আমি চুপ করে গেলাম রুমা আণ্টি আমাকে টপ লেস করে আমার বুকে মুখ ঘষতে ঘষতে বলল, এ কদিন তোকে ছার দিয়ে রেখেছি, দেখি মা কে দেখে কি কি শিখলি এই ক দিনে, আজকে বাড়ি ফিরবার জন্য কোনো তাড়া দেখালে আমি কিন্তু শুনবো, আজকে ২৪ ঘণ্টা, তুই শুধু আমার আর কারোর না।" আমার বুকে নিজের নরম মুখ ঘষতে ঘষতে খুব সহজেই হিট তুলে দিল। আমাকে বেড রুমে নিয়ে গিয়ে বিছানায় শুয়ে দিয়ে, নিজেও হাউস কোট টা খুলে ফেলে আমার উপর শুয়ে পড়ল। গরম হয়ে রুমা আণ্টি কে প্রাণ ভোরে আদর করতে আরম্ভ করলাম। রুমা আণ্টি র সঙ্গে আমার মায়ের ফিগারের একটা অদ্ভুত মিল ছিল। তাই জন্য বোধ হয় রুমা আণ্টি র শরীরী আবেদন আমার পক্ষে অস্বীকার করা কঠিন ছিল, আমি ওর অন্তর্বাস টা টান মেরে খুলে ফেললাম, রুমা আণ্টি আমার কোমরের উপর বসে উঠ বোস করতে করতে ঠাপ নিচ্ছিল। আমার চোখের সামনে ওর মাই জোড়া পেন্ডুলাম এর মতন দুলছিল। সব জ্বালা যন্ত্রণা ভুলে আমি রুমা আণ্টির শরীরের আবেদনে হারিয়ে গেলাম, এর আগেও একাধিক বার একসাথে শোবার ফলে, রুমা আণ্টির সামনে আমি সহজ ছিলাম। এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বিছানায় অন্তরঙ্গ অবস্থায় সেক্স করে যখন উঠলাম ঘড়িতে রাত দেড়টা বেজে গেছে। এত রাতে রুমা আণ্টি আমাকে কিছুতেই বেরোতে দিলো না। রুমা আণ্টি র ওয়ার্ড্রবে আমার জন্য ঘরে পড়ার শর্টস , প্যাজামা এমন কি এক্সট্রা স্লিভলেস টি শার্ট রাখা ছিল, রুমা আণ্টি সেটা বের করে দিল, আমি চেঞ্জ করে এসে রুমা আণ্টি র সঙ্গে এক বিছানায় জোড়া জুড়ি অবস্থায় শুয়ে পরলাম। রুমা আণ্টির বুকের উপর মাথা রেখে ঘুমিয়ে ও পরলাম। সকালে উঠে ব্রেকফাস্ট করে রুমা আন্টির থেকে বিদায় নেওয়ার সময় আণ্টি আমাকে জড়িয়ে ধরে আমার গালে চুমু খেয়ে বললো," কাল রাতে ইউ আর awesome। আজ তোকে একদম ছাড়তে ইচ্ছে করছে না। আজ রাতে তোর কি প্ল্যান?" আমি বললাম "নাথিং, আজ মনে হয় একা একাই ডিনার খেতে হবে।"
রুমা আন্টি বলল, " তোর মা আজ কেও বাড়ির বাইরে রাত কাটাবে তাই তো?"
আমি বললাম, " হ্যা সেরকম ই তো মনে হচ্ছে, ফোনে পাচ্ছি না। হোটেল রুম থেকে বাড়ি ফেরে নি। ফিরলে জানতে পারতাম।"
রুমা আণ্টি: লাভলি, তাহলে শোন আজ রাত নটার সময় রেডি থাকবি। আমরা বেরোব ওকে।
আমি: কোথায়?
রুমা আণ্টি: আরে চল না, জায়গা টা সারপ্রাইজ থাক। কোনোদিন যাস নি ওখানে। দারুন এঞ্জয় হবে।
