638
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
-117 أيام
-9030 أيام
أرشيف المشاركات
আপনি একটা ঘোড়াকে পানি পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারেবেন, কিন্তু তাকে জোর করে পানি খাওয়াতে পারবেন না।
জীবনের সবচেয়ে গভীর সত্যগুলোর একটা লুকিয়ে আছে এই কথার ভিতরে।
আমরা প্রায়ই ভাবি-
আমি যদি কাউকে ভালো পরামর্শ দিই,
আমি যদি তাকে সঠিক পথটা দেখাই,
তাহলেই সে বুঝে যাবে, বদলে যাবে।
কিন্তু বাস্তবে সেটা হয়না।
আপনি কাউকে বই কিনে দিতে পারবেন,
কিন্তু তাকে পড়ার আগ্রহ দিতে পারবেন না।
আপনি কাউকে সুযোগ এনে দিতে পারবেন,
কিন্তু সেই সুযোগকে কাজে লাগানোর ইচ্ছা তার নিজের ভেতর থেকেই আসতে হবে।
আপনি কাউকে সত্যটা বুঝিয়ে বলতে পারবেন,
কিন্তু সেই সত্যটা তার হৃদয়ে বসিয়ে দিতে পারবেন না।
কারণ-
মানুষকে সত্যিকারের বুঝ দেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর।
মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসে বাইরের চাপ থেকে না, ভেতরের তাগিদ থেকে।
আর সেই তাগিদ আল্লাহ যার মনে দেন, সে-ই সেটা অনুভব করতে পারে।
যখন কেউ নিজে বুঝতে পারে, আমাকে বদলাতে হবে, ঠিক তখনই আসল পরিবর্তন শুরু হয়।
তার আগে?
আপনার সব চেষ্টাই শুধু তাকে ‘পানির কাছে’ নিয়ে যাওয়া পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকে।
তাই কখনো কখনো আমাদের কাজ কাউকে বদলানো না, শুধু পথটা দেখিয়ে দেওয়া, নরমভাবে বোঝানো, আর তার জন্য দোয়া করা।
কারণ শেষ পর্যন্ত সে পানিটা খাবে কি না এই সিদ্ধান্তটা তারই।
আর সেই তৃষ্ণা জাগিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা শুধু আল্লাহর কাছেই আছে।
টাকা দিয়ে সুখ কেনা না গেলেও টাকা দিয়ে মা-বাপের চিকিৎসা করান যায়। তাই বালছাল মোটিভেশনাল কথায় কান না দিয়ে যত পারেন, টাকা কামান। কাজে লাগবে।
আজ রাজ শামানির একটা পডকাস্টে শুনতেছিলাম।
উনি বলছিলেন-
"এই যুগে এসে সফল হওয়াটা আসলে খুবই সহজ। কারণ পুরো দুনিয়া ডেস্ট্রাক্টেড।"
সবাই ফোনের নোটিফিকেশন, রিলস, খবর, মতামত, ড্রামা এগুলো নিয়ে ব্যস্ত।
আপনি যদি শুধু একটু ফোকাস দেন তাহলে আপনি অনেকের থেকে এগিয়ে যাবেন। কারণ বেশিরভাগ মানুষ এত পরিমাণে ডেস্ট্রাক্টেড যে তারা আসল রেসেই নামতে পারেনা বা আসল কাজই করেনা।
আমরা যারা এখনো ঠিকঠাক ফোকাস করতে পারছি না তারা কিন্তু সবচেয়ে বড় সুযোগটাই মিস করে যাচ্ছি।
যারা ফোন ছেড়ে একটা কাজে লং টাইম গভীর মনোযোগ দিতে পারে, তারাই আল্টিমেটলি জিতবে।
আচ্ছা ডেস্ট্রাকশন থেকে দূরে থাকতে আপনি কি করেন? চাইলে কমেন্টে জানাতে পারেন, অন্যদের উপকারে আসবে।
একটা সিম্পল টেকনিক যা আপনার জীবনটা পুরোপুরি বদলে দিতে পারে… কিন্তু ৯৯% মানুষ জানেই না!
১৯১৮ সালের কথা।
একজন ধনকুবের তার কোম্পানির প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর জন্য একজন কনসালটেন্টকে ডেকে পাঠালেন। নাম তার Ivy Lee।
Ivy Lee এসে মাত্র ১৫ মিনিট সময় নিয়ে চলে গেলেন। আর তারপর থেকে সেই কোম্পানি অসাধারণ সাফল্য পেতে শুরু করলো।
ধনকুবের তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনার ফি কত?
Ivy Lee শান্ত গলায় বললেন,
আপনার কাছে যা ভালো মনে হয় তাই দিয়েন।
কয়েক সপ্তাহ পর ধনকুবের তাকে একটা চেক পাঠালেন… $25,000 (আজকের টাকায় প্রায় ৫ কোটি টাকা!)
তাহলে সেই রহস্যময় টেকনিকটা কী ছিল?
টেকনিক টার নাম "The Ivy Lee Method"
প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে মাত্র ৫ মিনিট সময় নিয়ে এই কাজগুলো করুন:
১/ ৬টা কাজ লিখুন যেগুলো আগামীকাল আপনার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
২/ সেগুলোকে ১ থেকে ৬ নম্বর দিয়ে প্রায়োরিটাইজ করুন।
৩/ পরের দিন সকালে শুধু নাম্বার ১ এর কাজ দিয়ে শুরু করুন। শেষ না করে কোনোভাবেই ২ নম্বরে যাবেন না।
২/ বাকি কাজগুলো একইভাবে শেষ করুন। যেগুলো শেষ হবে না, সেগুলো পরের দিনের লিস্টে নিয়ে যান।
কেন এটা এত পাওয়ারফুল?
কারণ এটা আপনাকে ফোকাস করতে শেখায়।
আমাদের মাথায় প্রতিদিন শত শত চিন্তা ঘুরে। Ivy Lee আপনাকে বলছে শুধু ৬টা কাজে ফোকাস করতে। বাকি সব বাদ।
তাই আজ রাত থেকেই শুরু করুন এই Ivy Lee মেথডের প্র্যাকটিস।
সমাজ তিনটা পথ দেখিয়েছে।
ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার কিংবা বিসিএস ক্যাডার।
এর বাইরে গেলে অনেক মানুষ বলে,
"তোমার ভবিষ্যৎ নেই।"
অথচ পৃথিবীটা এখন বেশ বদলে গেছে।
এখন সার্টিফিকেট না, স্কিল বিক্রি হয়।
গল্প বলতে পারলে টাকা আসে।
সমস্যা সমাধান করতে পারলে টাকা আসে।
সঠিক জায়গায় সঠিক স্কিল থাকলে,
বাংলাদেশে বসেই এখন ডলারে আয় করা যায়।
রিসেন্টলি আমি ৫০টা ক্যারিয়ার নিয়ে বেশ ঘাটাঘাটি করেছি। এই সবগুলো ক্যারিয়ার থেকে ভালো আয় করা সম্ভব এবং সবগুলোরই বেশ ভালো সম্ভাবনাও আছে।
কিছু ক্যারিয়ারের পথ পুরোটাই রিমোট,
মানে ঘরে বসেই কাজ করা সম্ভব। আবার কিছু ক্যারিয়ারের বাংলাদেশেই এখন কোটি টাকার বাজার।
আর কিছু ক্যারিয়ার এমন যেটার নামই হয়তো তুমি এখনো শোনেনি। চলো সেই ৫০ টা ক্যারিয়ারের নামগুলো জেনে আসি আজ -
১/ UX/UI ডিজাইনার
২/ কপিরাইটার
৩/ ভিডিও এডিটর
৪/ SEO স্পেশালিস্ট
৫/ ফুল-স্ট্যাক ডেভেলপার
৬/ ডিজিটাল মার্কেটার
৭/ থ্রিডি অ্যানিমেটর
৮/ পডকাস্ট প্রোডিউসার
৯/ ই-কমার্স উদ্যোক্তা
১০/ ব্র্যান্ড কনসালট্যান্ট
১১/ ইভেন্ট ম্যানেজার
১২/ SaaS ফাউন্ডার
১৩/ রিয়েল এস্টেট কনসালট্যান্ট
১৪/ ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট ট্রেডার
১৫/ ফ্র্যাঞ্চাইজ অপারেটর
১৬/ অনলাইন কোর্স ক্রিয়েটর
১৭/ ইউটিউবার
১৮/ পাবলিক স্পিকার
১৯/ বই লেখক
২০/ সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার
২১/ নিউজলেটার রাইটার
২২/ ডেটা অ্যানালিস্ট
২৩/ AI/ML ইঞ্জিনিয়ার
২৪/ সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্ট
২৫/ ক্লাউড আর্কিটেক্ট
২৬/ মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপার
২৭/ ব্লকচেইন ডেভেলপার
২৮/ প্রোডাক্ট ম্যানেজার
২৯/ থেরাপিস্ট / কাউন্সেলর
৩০/ নিউট্রিশনিস্ট
৩১/ ফিজিওথেরাপিস্ট
৩২/ লাইফ কোচ
৩৩/ ফার্মাসিউটিক্যাল রিসার্চার
৩৪/ ফিনান্সিয়াল প্ল্যানার
৩৫/ ট্যাক্স কনসালট্যান্ট
৩৬/ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট
৩৭/ IP আইনজীবী
৩৮/ অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টর
৩৯/ ফটোগ্রাফার
৪০/ গেম ডিজাইনার
৪১/ ফ্যাশন ডিজাইনার
৪২/ মিউজিক প্রোডিউসার
৪৩/ ইন্টেরিয়র ডিজাইনার
৪৪/ ট্রাভেল কনটেন্ট ক্রিয়েটর
৪৫/ Climate Consultant
৪৬/ সোশ্যাল এন্টারপ্রেনার
৪৭/ হস্তশিল্প উদ্যোক্তা
৪৮/ NGO প্রফেশনাল
৪৯/ রিনিউয়েবল এনার্জি উদ্যোক্তা
৫০/ AI কনসালট্যান্ট
প্রিয় তরুণেরা,
দুনিয়াতে এরকম শত শত ক্যারিয়ারের সুযোগ আছে।
তুমি যদি এখনো না জানো কোনটা তোমার পথ,
তাহলে একটাই কাজ করো। এক্সপ্লোর করা শুরু করো।
তবুও কাজের অভাবে বসে থেকো না!
আপনি কোনো পাওয়ারফুল পরিবারে জন্ম নেননি।
আপনাদের তেমন কোনো কানেকশন নেই।
আপনাদের অনেক সহায়-সম্পত্তিও নেই।
তাহলে কী করবেন?
এই সত্যটা মাথায় রেখেই কাজ শুরু করুন।
কারণ যে জানে তার পেছনে কেউ নেই,
সেই দ্রুত সামনে এগোতে শেখে।
প্রথম কাজ, প্লিজ, অভিযোগ করা বন্ধ করুন।
"আমার বাবা আমাকে এটা দিতে পারেনি,
আমার জন্য ওটা করতে পারেনি" এসব অভিযোগ করতে করতেই বেশিরভাগ মানুষ ৩০ বছর বয়স পার করে দেয়।
জীবন অনেক মানু্ষকেই ফেয়ার শুরু দেয় না।
কিন্তু জীবনের ফিনিশ লাইনেও কেউ জিজ্ঞেস করে না,
আপনি আসলে কোথা থেকে শুরু করেছিলেন।
দ্বিতীয় কাজ, নিজের network নিজেই বানান।
উত্তরাধিকারে পাওয়া নেটওয়ার্ক টিকিয়ে রাখতে হয়।
আর নিজে বানানো নেটওয়ার্ক নিজেই টিকে যায়।
তৃতীয় কাজ, স্কিলই আপনার আসল সম্পত্তি।
বাবার জমি বিক্রি হয়ে যায় ।
বাবার টাকাও একসময় শেষ হয়ে যায়।
বাবার নামও একদিন মানু্ষ ভুলে যায়।
কিন্তু আপনার ভেতরে যে দক্ষতা আছে ,
সেটা চাইলেও কেউ কেড়ে নিতে পারে না।
একটা কাজে এতটাই ভালো হন,
যে আপনাকে ignore করা যেনো অসম্ভব হয়ে যায়।
চতুর্থ কাজ, ইনফরমেশনের গ্যাপ বন্ধ করুন।
ধনী বা পাওয়ারফুল পরিবারের ছেলেমেয়েরা
ছোটবেলা থেকেই কিছু জিনিস শিখে ফেলে।
যেমনঃ কীভাবে কথা বলতে হয়।
কীভাবে negotiate করতে হয়।
কীভাবে সুযোগ চিনতে হয়।
কীভাবে ব্যবসাবাণিজ্য করতে হয়।
সমস্যাটা হচ্ছে, আমাদের কোনো স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় এই বিষয়গুলো শেখানো হয় না।
তাই আপনাকে নিজে থেকেই এসব শিখতে হবে।
বই পড়ে। মানুষ দেখে। আর ভুল করে।
আর এই গ্যাপটা দ্রুত কমাতে পারলেই
আপনার খেলা একদম অন্য লেভেলে চলে যাবে।
পঞ্চম কাজ, লোকে কী বলবে, এই লজ্জা বাদ দিন।
সাধারণ ঘরের সন্তানদের সবচেয়ে বড় শত্রু টাকার অভাব না। লোকে কী বলবে, সেই লজ্জা।
এরা সুযোগ চাইতে লজ্জা পায়।
ভুল করতে লজ্জা পায়।
"জানি না" বলতে লজ্জা পায়।
বড় স্বপ্ন দেখতে লজ্জা পায়।
আর যেদিন থেকে এই লজ্জাটা ভেঙ্গে যায়,
সেদিন থেকেই তার আসল যাত্রা শুরু হয়।
মনে রাখবেন, দুনিয়ার বেশিরভাগ বিখ্যাত আর বড় মানুষেরা কিন্তু সাধারণ পরিবার থেকেই উঠে এসেছে।
কারণ তাদের হারানোর কিছুই ছিল না।
তাই তারা ঝুঁকি নিতেও ভয় পায়নি।
আর আপনারও সবচেয়ে বড় সুবিধা এটাই,
আপনার কাছে তেমন কিছুই নেই।
মানে সব জয় করার সম্ভাবনাটা এখন আপনারই আছে!
“ভাই ৫ হাজার টাকায় অনলাইন ব্যবসা শুরু করব”...
অবশ্যই ৫ হাজার টাকা তো ভালো ব্যবসা করা যায়!
তুমি ৩ হাজার টাকার প্রোডাক্ট কিনলে।২ হাজার টাকার অ্যাড দিলে।
অ্যাডে মেসেজ আসলো ৯০ টি।
তার মধ্যে ৫০ জন দাম শুনে চলে যায়।
অর্ডার আসলো — শূন্য।
পরের মাসে অর্ডার নেই, টাকাও নেই।
তারপর বলবে “অনলাইন ব্যবসায় কিছু নেই।”
ভাই, সত্যি কথাটা একটু শোনো,
ভাই, ব্যবসায় সমস্যা নেই।
সমস্যা হলো তুমি যুদ্ধে নামলে অর্ধেক প্রস্তুতি নিয়ে!
৫ হাজার টাকায় অনলাইন ব্যবসা হয় না।
কারণ মার্কেট রিসার্চ লাগে, সঠিক প্রোডাক্ট লাগে, মার্কেটিং লাগে। এগুলো একসাথে করতে মিনিমাম ২৫-৩০ হাজার টাকা না থাকলে শুরুতেই শেষ।
তাহলে ৫ হাজার টাকা দিয়ে কী করবে?
ইগোটা একটু বাড়ি রেখে আসো ভাই।
রাস্তার পাশে ছোট একটা শুরু করো।
যেখানে মার্কেটিং লাগে না — শুধু তুমি আর তোমার পরিশ্রম।
আকিজ উদ্দিন বিড়ি বেচা দিয়ে শুরু করেছিলেন।
আজকে সেটা হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য।
ছোট শুরু লজ্জার না।
প্রস্তুতি ছাড়া নামাটা লজ্জার।
৫ হাজার আছে? ভালো।
কিন্তু আগে শেখো, জমাও, তারপর নামো।
তাড়াহুড়া করে নামলে ডুববে।
সময় নিয়ে নামলে ব্যবসা টিকে থাকবে।
Repost from (NJR) কমিউনিটি = *Community* 🔴
আসসালামু আলাইকুম,,
শুধু আজকের জন্য ৭০০০ টাকা ডিপোজিটে ৫০০০ টাকা বোনাস দিবো,, এই অফার টি শুধু মাএ ৪ জন পাবেন,, 😍😍
@jihad00112244
Repost from (NJR) কমিউনিটি = *Community* 🔴
আপনি কি আমাদের কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কাজ করবেন?!
আমাদের কোম্পানির শেয়ারের দাম হলো ৫৫০০ টাকা আপনি যদি কিনেন তাহলে প্রতিদিন ১০% করে কমিশন পাবেন, অর্থ্যাত ৫৫০ টাকা করে প্রতিদিন লাভ পাবেন এখান থেকে
শেয়ারের মেয়াদ হচ্ছে ৯০ দিন আপনি ৯০ দিনই প্রতিদিন ৫৫০ টাকা করে পাবেন, তাহলে ৯০ দিনে আপনার প্রায় ৪৯৫০০ টাকা আসে,
@jihad00112244
🔥 মিডল ইস্টে আবারও উত্তেজনা!
ইরানকে ঘিরে আন্তর্জাতিক রাজনীতি, নিষেধাজ্ঞা, অভ্যন্তরীণ আন্দোলন ও সামরিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে।
🔎 ইরানের পরিস্থিতির মূল পয়েন্ট:
🔹 রাজনৈতিক উত্তেজনা
সরকারবিরোধী আন্দোলন ও কঠোর নীতির কারণে ভেতরে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
🔹 আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা
United States ও পশ্চিমা দেশগুলোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ইরানের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করেছে।
🔹 পারমাণবিক ইস্যু
ইরানের নিউক্লিয়ার প্রোগ্রাম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলছে।
International Atomic Energy Agency নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে।
🔹 মিডল ইস্টে উত্তেজনা
Israel ও আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সাথে সম্পর্ক টানটান।
🌍 এর প্রভাব কী?
📈 তেলের দাম বাড়তে পারে
💱 বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব
⚠️ যুদ্ধ ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা
🧠 আপনার মতামত কী?
ইরানের পরিস্থিতি কি বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে?
কমেন্টে জানান 👇
#Iran #MiddleEast #GlobalNews
গোল্ডসবেটের সীমাহীন সুবিধা
26/02/2026 02:30:00
১.⭐️ ১১১ টাকা রেজিস্টার বোনাস
২.⭐️ প্রথম জমা ৫০% বোনাস
৩.⭐️ এজেন্ট ট্রেজার বক্স
৪.⭐️ এজেন্টের দৈনিক বেতন
৫.⭐️ এজেন্ট ডেইলি কমিশন
৬.⭐️ ক্যাশব্যাক লাল খাম
৭.⭐️ প্রতি শনিবার রহস্য বোনাস
৮.⭐️ প্রতি রবিবার স্লট ২০% অফার
৯.⭐️ একাধিক পেমেন্ট ১.৫-১৫% অফার
১০.⭐️ প্রিমিয়াম এবং সুপার ভিআইপি বোনাস
১১.⭐️ দৈনিক বাজি এবং বাজির ইভেন্ট
১২.⭐️ দৈনিক সাইন-ইন এবং টাস্ক বোনাস
১৩.⭐️ আনলিমিটেড গেমিং রিবেট
১৪.⭐️ মাসিক লাকি হুইল
১৫.⭐️ প্রতিদিন লাল খামের বৃষ্টি
১৬.⭐️ WG গেমস জ্যাকপট
১৭.⭐️ WG প্রভিডেন্ট ফান্ড ১০০%
১৮.⭐️ দৈনিক এবং মাসিক চেক-ইন
১৯.⭐️ দৈনিক এবং সাপ্তাহিক উদ্ধার বোনাস
২০.⭐️ সঞ্চয় ব্যাংকের সুদ
২১.⭐️ শুভ জন্মদিন বোনাস
❗️❗️উষ্ণ বিজ্ঞপ্তি: অনুগ্রহ করে আপনার অ্যাকাউন্টের তথ্য সুরক্ষিত রাখুন, গোল্ডসবেট কাউকে অ্যাকাউন্টের তথ্য দিতে বলবে না।
https://goldsbetvip1.com/?dl=2dhnq3
উসাইন বোল্টের এই উক্তিটি আধুনিক যুগের সবচেয়ে বড় সমস্যাটি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় আমরা চাই তাৎক্ষণিক সাফল্য, ইনস্ট্যান্ট রেজাল্ট। জিমে ২ সপ্তাহ গিয়েই সিক্স প্যাক চাই, ১ মাস পড়াশোনা করে টপার হতে চাই, ৩ মাসে ব্যবসায় কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখি। ইউটিউবে ১০ দিনে সফল হওয়ার ভিডিও দেখে মনে করি সবকিছু সহজ। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং নির্মম।
বোল্ট মাত্র ৯.৫৮ সেকেন্ডে ১০০ মিটার দৌড়ে বিশ্ব রেকর্ড করেছিলেন, যা মানব ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুততম দৌড়। কিন্তু এই ৯ সেকেন্ডের পেছনে ছিল ১৫ বছরের কঠোর পরিশ্রম, প্রতিদিন ৬-৮ ঘণ্টা প্রশিক্ষণ, অসংখ্য আঘাত ও ব্যর্থতা, আর অবিশ্বাস্য মানসিক শক্তি। আমরা দেখি শুধু পডিয়ামে দাঁড়ানো চ্যাম্পিয়নকে, দেখি না তার পেছনের হাজার দিনের একাকী সংগ্রাম।
আসল সত্য হলো, সফলতার কোনো শর্টকাট নেই। প্রতিটি বড় অর্জনের পেছনে লুকিয়ে থাকে বছরের পর বছরের নীরব পরিশ্রম। তাই হাল ছাড়বেন না, ধৈর্য ধরুন, প্রতিদিন একটু একটু করে এগিয়ে যান। মনে রাখবেন, রাতারাতি কিছুই হয় না সাফল্য আসে কেবল অবিচল প্রচেষ্টায়।
#Consistency #Patience #HardWork #Success #Motivation #NeverGiveUp
২০০০ থেকে ২০১০ সাল ছিল Elon Musk এর জীবনের সবচেয়ে কঠিন এবং একই সাথে সবচেয়ে গ্লোরিয়াস সময়।
২০০২ সালে eBay যখন PayPal কিনে নেয় তখন এলন মাস্ক সেখান থেকে পান প্রায় $165 Million Dollar।
অধিকাংশ মানুষ এই টাকা নিয়ে কোনো দ্বীপে গিয়ে আরাম আয়েশে জীবন কাটিয়ে দিত। কিন্তু এলন মাস্ক ছিলেন অন্য ধাতুর মানুষ।
তিনি তার সমস্ত টাকা এমন দুটি ইন্ডাস্ট্রিতে ঢাললেন যেখানে এর আগে কোনো প্রাইভেট কোম্পানি সফল হতে পারেনি, মহাকাশ এবং ইলেকট্রিক গাড়ি।
২০০২ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করলেন SpaceX এবং ২০০৪ সালে যোগ দিলেন Tesla তে।
২০০৮ সাল নাগাদ তার জীবন এক ভয়াবহ ঝড়ের কবলে পড়ল। বিশ্বজুড়ে তখন অর্থনৈতিক মন্দা চলছে।
SpaceX এর প্রথম তিনটি রকেট লঞ্চ পরপর ব্যর্থ হলো। ওদিকে Tesla ও অর্থের অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম।
তার ব্যক্তিগত জীবনও ভেঙে পড়ল। এই সময়েই তার প্রথম স্ত্রীর সাথে ডিভোর্স হয়ে যায়।
পরিস্থিতি এতটাই খারাপ ছিল যে তার কাছে আর মাত্র অল্প কিছু টাকা বাকি ছিল।
তার সামনে দুটি অপশন ছিল। হয় সেই টাকা দিয়ে SpaceX কে বাঁচানো অথবা Tesla কে বাঁচানো।
যদি তিনি টাকা ভাগ করে দুই কোম্পানিতে দেন তবে দুটিই ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। আর যদি একটিতে দেন তবে অন্যটি নিশ্চিত মারা যাবে।
তিনি বলেছিলেন "এটি ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত। আমার মনে হচ্ছিল আমি আমার দুই সন্তানের মধ্যে কাকে বাঁচাব সেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।"
শেষ পর্যন্ত তিনি তার শেষ সম্বলটুকু দিয়ে ঝুঁকি নিলেন এবং দুটি কোম্পানিকেই বাঁচানোর চেষ্টা করলেন।
অলৌকিকভাবে ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে SpaceX এর চতুর্থ রকেট Falcon 1 সফলভাবে কক্ষপথে পৌঁছাল।
ঠিক ক্রিসমাসের আগে NASA তাদের $1.6 Billion Dollar এর একটি কন্ট্রাক্ট দিল যা SpaceX কে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনল।
অন্যদিকে Tesla ও শেষ মুহূর্তে ইনভেস্টরদের কাছ থেকে ফান্ডিং পেল।
যেই মানুষটি দেউলিয়া হওয়ার দ্বারপ্রান্তে ছিলেন তিনি তার সাহসের জোরে দুটি ইন্ডাস্ট্রিকেই ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করলেন।
Elon Musk প্রমাণ করেছেন যে যখন পিঠ দেয়ালে ঠেকে যায় তখনই মানুষের আসল চরিত্র বেরিয়ে আসে। হার না মানা মানসিকতাই হলো আসল সম্পদ।
আপনার কি মনে হয় এত বড় ঝুঁকি নেওয়া কি সাহসিকতা নাকি বোকামি ছিল? কমেন্টে জানতে পারেন 🙂
#ElonMusk #SpaceX #Tesla #2008Crisis #NeverGiveUp #LearnWithJahidul
