ar
Feedback
স্বাধীন বাংলার বেতারকেন্দ্র

স্বাধীন বাংলার বেতারকেন্দ্র

الذهاب إلى القناة على Telegram

দেশের চলমান বিভিন্ন খবরাখবরই এখানে উপলব্ধ।

إظهار المزيد
4 262
المشتركون
-124 ساعات
-177 أيام
-3630 أيام
أرشيف المشاركات
কোনো কোনো ধর্মীয় সংঘে এই হার ছিল চল্লিশ শতাংশেরও বেশি। ১৯৮০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত চার হাজার চারশো চুয়াল্লিশ জন অভিযোগ করেছিলেন, এক হাজারেরও বেশি প্রতিষ্ঠানে। অস্ট্রেলিয়ার একই কমিশনের হিসাব বলছে, একেকটা নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতে গড়ে সময় লেগেছে তেত্রিশ বছর। মানে যে শিশুটা দশ বছর বয়সে নির্যাতিত হয়েছিল, তার কথা প্রথম শোনা গেছে সে চুয়াল্লিশ পেরোনোর পর। আর আয়ারল্যান্ড? ২০০৯ সালের রায়ান রিপোর্ট বলছে, ১৯৩০ থেকে ১৯৯০-এর দশক পর্যন্ত চার্চ পরিচালিত "ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্কুল" আর এতিমখানায় অন্তত ত্রিশ হাজার শিশু পাঠানো হয়েছিল—এতিম, দরিদ্র পরিবারের সন্তান, বা "অবিবাহিত মায়েদের" সন্তান হিসেবে চিহ্নিত শিশুরা। বিচারক শন রায়ান তার রিপোর্টে লেখেন, ছেলেদের প্রতিষ্ঠানগুলোতে যৌন নির্যাতন ছিল "সর্বব্যাপী"। ➖ সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটা হয়তো থিওডোর ম্যাককারিকের। আমেরিকার সবচেয়ে ক্ষমতাশালী কার্ডিনালদের একজন ছিলেন তিনি। ওয়াশিংটনের আর্চবিশপ। ২০১৮ সালে অভিযোগ ওঠে, তিনি সেমিনারিয়ান আর শিশুদের যৌন নির্যাতন করেছেন দশকের পর দশক ধরে। ২০১৯ সালে তাকে যাজকের দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়, যা ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো কার্ডিনালের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ২০২০ সালে ভ্যাটিকান নিজেই একটা ৪৬১ পাতার রিপোর্ট প্রকাশ করে, যেটাতে স্বীকার করা হয়, অন্তত তিনজন বিশপ জানতেন ম্যাককারিকের অতীত, কিন্তু তাঁরা কিছু করেননি। পোপ দ্বিতীয় জন পল, যাকে পরে সাধু ঘোষণা করা হয়, তিনিও ১৯৯৯ সালে একটা চিঠি পেয়েছিলেন সতর্কবার্তা হিসেবে। তবু ২০০০ সালে ম্যাককারিককে ওয়াশিংটনের আর্চবিশপ বানান। মানে এই ঘটনা শুধু "কিছু খারাপ যাজক"-এর গল্প না। এটা এমন একটা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর গল্প, যেখানে সর্বোচ্চ পর্যায়ের মানুষও জানতেন, তবু চুপ ছিলেন। ➖ এই পুরো প্যাটার্নটা একটু আলাদা করে দেখা দরকার, কেন এটা এত বছর ধরে চলল? প্রথমত, প্রাতিষ্ঠানিক গোপনীয়তার নিয়ম—Crimen Sollicitationis-এর মতো নথি, যা তদন্তকে রাখত গির্জার নিজস্ব বন্ধ দরজার ভেতরে, পুলিশের নাগালের বাইরে। কারণ, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে, কোনো শব্দ করা যাবে না, একদম চুপ থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, "বদলি" নীতি। অভিযুক্ত যাজককে সরিয়ে দেওয়া হতো আরেক প্যারিশে। শাস্তি হিসেবে না, বরং সমস্যাটাকে চোখের আড়াল করার উপায় হিসেবে। নতুন প্যারিশের মানুষ জানতই না, কার হাতে তাদের সন্তানকে তুলে দিচ্ছে। তৃতীয়ত, "ক্লেরিকালিজম"। যাজকদের প্রতি এমন একটা শ্রদ্ধা-বিশ্বাসের সংস্কৃতি, যেখানে একজন সাধারণ মানুষের কথার চেয়ে যাজকের কথাই বিশ্বাসযোগ্য বলে ধরে নেওয়া হতো। শিশুরা যখন অভিযোগ করত, তাদের কথা বিশ্বাসই করা হতো না। চতুর্থত, প্রতিষ্ঠানের সম্মান রক্ষার তাগিদ। মামলা, কেলেঙ্কারি, সংবাদ শিরোনাম, এগুলো এড়ানোর চেষ্টাই সবসময় প্রাধান্য পেয়েছে যৌন নির্যাতনের শিকারদের সুরক্ষার তুলনায়। ➖ আজ, প্রায় দুই দশকের প্রকাশ্য কেলেঙ্কারির পর, চার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছে বহুবার। পোপ ফ্রান্সিস "গোপনীয়তার শপথ" তুলে দিয়েছেন। রিপোর্টিং বাধ্যতামূলক করার নতুন নিয়ম এসেছে। কিন্তু যে প্রশ্নটা থেকে যায়, এই স্বীকারোক্তি এলো কীভাবে? স্বেচ্ছায় না। প্রতিটা দেশে, প্রতিটা রিপোর্টের পেছনে ছিল বছরের পর বছর ধরে সাংবাদিক, আইনজীবী, আর সবচেয়ে বেশি—নিজেরাই শিকার হওয়া মানুষদের লড়াই। প্রতিষ্ঠানটা নিজে থেকে দরজা খোলেনি। দরজাটা ভাঙতে হয়েছে বাইরে থেকে। গোপনীয়তার শপথ, বদলির নিয়ম, অন্ধ বিশ্বাসের সংস্কৃতি, প্রতিটাই আলাদাভাবে দেখলে হয়তো নিরীহ। কিন্তু একসাথে দেখলে, সেটাই হয়ে ওঠে এমন একটা যন্ত্র, যা দশকের পর দশক ধরে হাজার হাজার শিশুর কণ্ঠস্বর আটকে রেখেছিল। #চার্চের_কেলেঙ্কারি #শিশু_নির্যাতন #ভ্যাটিকান #জবাবদিহিতা #সেক্সুয়াল_এবিউজ

১৯৬২ সাল। ভ্যাটিকান থেকে একটা গোপন নথি পাঠানো হলো পৃথিবীর সব বিশপের কাছে। নাম—ক্রাইমেন সলিসিটেশনিস। নথিটা বলছিল, কোনো যাজকের বিরুদ্ধে যৌন অসদাচরণের অভিযোগ উঠলে সেই তদন্তের পুরো প্রক্রিয়াটা রাখতে হবে সর্বোচ্চ গোপনীয়তায়। অভিযোগকারী, সাক্ষী, তদন্তকারী, কেউ কোনো কথা বলতে পারবে না। তাই এই শপথ। চুপ থাকার শপথ। শপথ ভাঙলে শাস্তি ছিল চার্চ থেকে বহিষ্কার। চার দশক পর, ২০০১ সালে, এই একই নিয়ম আরও কড়াভাবে পুনর্বহাল করেন কার্ডিনাল জোসেফ রাৎসিঙ্গার। যিনি পরে হয়েছিলেন পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট। চার্চের আইনজ্ঞদের একাংশের দাবী, এই গোপনীয়তার পেছনে যুক্তি হল—সাক্ষীদের নিরাপদে কথা বলার সুযোগ, আর প্রমাণ হওয়ার আগে অভিযুক্তের সম্মান রক্ষা। কিন্তু বাস্তবে? এটা সেক্সুয়াল এবিউজের শিকার শিশুদের চুপ করিয়ে রাখতে, পুলিশকে দূরে রাখতে, অপরাধীকে বদলি করে আরেকটা প্যারিশে পাঠিয়ে দিতেই সাহায্য করত। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে, প্রায় ষাট বছর পর, পোপ ফ্রান্সিস এই নিয়ম বাতিল করেন যৌন নির্যাতনের মামলার ক্ষেত্রে। তাও সেটা বাধ্য হয়ে। কারণ, পৃথিবীর দেশে দেশে একে একে প্রকাশ পাচ্ছিল—এই গোপনীয়তার আড়ালে কী পরিমাণ নির্যাতনের ঘটনা একের পর একেই ঘটেই যাচ্ছে। ➖ যুক্তরাষ্ট্রে ২০০২ সালে এর শুরু। বোস্টন গ্লোবের একটা সাংবাদিক দল একটা প্যারিশের এক যাজকের বিরুদ্ধে অভিযোগ খুঁড়তে গিয়ে দেখল যেম খুবই ভয়ানক ঘটনা। ছিল একটা প্যাটার্ন। অভিযোগ উঠতো। যাজককে চুপচাপ আরেক প্যারিশে বদলি করা হতো। সেখানে গিয়েও সে আবার একই কাজ করত। কেসটার নাম জন গিহান। বোস্টনের এই যাজক, তিরিশ বছরের ক্যারিয়ারে অন্তত ছয়টা প্যারিশে কাজ করেছেন। ১৯৮২ সালেই এক পরিবার বিশপের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছিল তার বিরুদ্ধে। ১৯৮৪ সালে কার্ডিনাল বার্নার্ড ল—যিনি সেই বছরই বোস্টনের নতুন আর্চবিশপ হয়েছেন—গিহানকে সরিয়ে নিলেন একটা প্যারিশ থেকে, অভিযোগ পাওয়ার পরই। কিন্তু বরখাস্ত করলেন না। দুই মাসের মধ্যে তাকে বসিয়ে দিলেন আরেকটা প্যারিশে, ওয়েস্টনের সেন্ট জুলিয়াস-এ, যেখানে তার হাতে তুলে দেওয়া হলো তিনটা যুব-সংগঠনের দায়িত্ব, তার মধ্যে অল্টার বয়দের দলও। তিন সপ্তাহ পরই আরেক বিশপ লিখিতভাবে ল-কে সতর্ক করেছিলেন, এই বদলি নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথা জানিয়ে। গিহানকে অবশেষে বহিষ্কার করা হয় ১৯৯৮ সালে, প্রথম লিখিত অভিযোগের ষোলো বছর পর। ততদিনে অন্তত ১৩০ জন মানুষ সামনে এসে বলেছেন, শিশু থাকাকালীন তারা তার হাতে নির্যাতিত হয়েছেন। এই যাজকের হাতে যৌন শিকারদের একজনের বয়স ছিল মাত্র চার বছর। ভাবতে পারছেন, ৪ বছরের শিশু থেকে শুরু করে এই বয়সী শিশুদের অন্তত ১৩০ জন তার হাতে যৌন নির্যাতনের শিকার! ➖ ২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিশপদের নিজেদের অনুরোধে জন জে কলেজের গবেষকরা একটা রিপোর্ট প্রকাশ করেন। সংখ্যাগুলো ছিল এরকম, ১৯৫০ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত অন্তত ১০ হাজার ৬৬৭ জন শিকারের অভিযোগ, ৪ হাজার ৩৯২ জন যাজকের বিরুদ্ধে। অর্থাৎ তৎকালীন মোট যাজকের প্রায় চার শতাংশ। আর যারা এই এবিউজের শিকার, তাদের চল্লিশ শতাংশের বেশি ছিল এগারো থেকে চৌদ্দ বছর বয়সী। ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া রাজ্য থেকে আরও ভয়ংকর তথ্য বের হয়। ছয়টা চার্চ-অঞ্চলে (ডায়োসিসে) নয় বছর ধরে তদন্ত চালায় একটা সরকারি তদন্তকারী দল (গ্র্যান্ড জুরি)। তারা পুরনো ফাইল আর গোপন নথি ঘেঁটে দেখে। তদন্তে বেরিয়ে আসে, গত সত্তর বছরে অন্তত ৩০১ জন যাজক পরিকল্পিতভাবে শিশুদের যৌন নির্যাতন করেছেন। এই যাজকদের হাতে নথিভুক্ত শিকারের সংখ্যা অন্তত এক হাজার। তদন্তকারীরা বলেছিলেন, আসল সংখ্যা এর চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে। কারণ অনেক ঘটনার কোনো নথিই রাখা হয়নি। রাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছিলেন, প্যাটার্নটা ছিল সবসময় একইরকম—"নির্যাতন, অস্বীকার, আর ধামাচাপা।" গ্র্যান্ড জুরির ভাষায়, চার্চের নেতারা বারবার নির্যাতনকে বর্ণনা করতেন "দুষ্টুমি" বা "অনুপযুক্ত আচরণ" বলে। বাস্তবে সেটা ছিল ধর্ষণের মতো ভয়াবহ অপরাধ। ➖ যুক্তরাষ্ট্র একা না। ২০২১ সালে ফ্রান্সে প্রকাশ পায় সোভে কমিশনের রিপোর্ট। আড়াই বছরের স্বাধীন তদন্তের ফল। সংখ্যাটা এত বড় যে বিশ্বাস করা কঠিন। ১৯৫০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ফরাসি ক্যাথলিক চার্চে অন্তত দুই লাখ ষোলো হাজার শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে যাজকদের হাতে। গির্জার সাথে যুক্ত অন্য কর্মী মিলিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়ায় তিন লাখ তিরিশ হাজারে। কমিশনের প্রধান বলেছিলেন, ২০০০ সাল পর্যন্ত চার্চের মনোভাব ছিল নির্যাতনের শিকারদের প্রতি " নিষ্ঠুর উদাসীনতা"। তাদেরকে বিশ্বাস করা হতো না, উল্টো তাদেরই দোষী ভাবা হতো। ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার রয়্যাল কমিশন জানায়, ১৯৫০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত দেশটার সাত শতাংশ ক্যাথলিক যাজকের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল।

ভারতের কাশ্মীরে , হিন্দু গ্রামবাসীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। ঠিক ইসরাইলের নেতানিয়াহুর মতো। ইসরাইলের মন্ত্রী বেনগাভির কুকুরের মতো..... ইসরায়েল যেমন ফিলিস্তিনের মুসলিমদের বিরুদ্ধে হামলা করার জন্য , তাদের অনুপ্রবেশকারী অবৈধ সেটেলারদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছে। ঠিক তেমনিভাবে ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিজেপির হিন্দু সন্ত্রাসীরাও কাশ্মিরের মজলুম মুসলিমদের বিরুদ্ধে গনহত্যা চালানোর জন্য , কাশ্মিরে অনুপ্রবেশকারী সন্ত্রাসী হিন্দুদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে । এরা যে কতটা টক্সিক তাতো দেখছেন ই । ভারত আর ইসরাইলের পরিকল্পনার মধ্যে অনেক মিল আছে এটা নোট করবেন কিন্তু । ইসরাইল যেমন ফিলিস্তিন দখল করতে চাই । তেমনি ভারত ও "অখন্ড ভারত" গড়তে চাই । এ জন্য ইসরাইল ও আমেরিকার বুদ্ধিতে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, কাশ্মির দখল করতে চাই ‌। আধিপত্যবাদ নীতি প্রাধান্য দিচ্ছে ভারত...... বাংলাদেশের যেইসব বাঙ্গ সেকুলাঙ্গার-শাহবাগীরা পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের স্বাধীনতা নিয়ে হাইপ তুলেছে তাদের বলেন তো কাশ্মীরের স্বাধীনতা নিয়ে তারা কি ভাবে........??? দেখবেন মুহুর্তেই মুখ অন্ধকার হয়ে গেছে ।ফিলিস্তিনের জনগণ যেমন ১৯৪৮ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত নিজের ভূমিতে অবৈধ ইসরাইলের জুলুমের শিকার । ঠিক তেমনিভাবে আমাদের কাশ্মীরের ভাই-বোনেরা ও ১৯৪৭ সাল থেকে ভারতের প্রচন্ড জুলুম ও নির্যাতনের শিকার । মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরে গনতন্ত্র নেই কেন......??? কারন ভারত ভয় পাই । যদি কাশ্মির গনভোটের কথা বলে.? যদি স্বাধীন হতে চাই....? যদি ভারত থেকে আলাদা হতে চাই....? এজন্য ই ভারত সরকার প্রতিদিন , প্রতিমুহূর্তে কাশ্মিরের মুসলিমদের ওপর দমনপীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে । এখন‌ , ভারত যদি পাকিস্তানের বেলুচিস্তান কে স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেয় । তবে পাকিস্তানও , ভারতের কাশ্মীর, মনিপুর, অরুনাচল, খালিস্তান, মিজোরামের স্বাধীনতায় স্বীকৃতি দিয়ে দিবে। তখন কেমন হবে বাঙ্গুরা........??? মাথার মধ্যে ঘিলু থাকলে লাফালাফি বন্ধ করে দেশের কথা ভাবতো বাঙ্গুরা....... ©

শেখ হাসিনার একটা অন্যরকম ব্যাপার দেখবেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছে অথবা জিয়া হ*|ত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িত অথবা ওই সময়ে জিয়া বিরোধী হিসেবে মামলার শিকার এমন সবাইকে হাসিনা বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। এমনকি এই মর্যাদা দানের ক্ষেত্রে কয়েক পক্ষের লোককেও একসঙ্গে করেছে। কর্নেল তাহেরের লোকেরা জিয়ার উপরে কেন ক্ষেপা, আপনারা জানেন। তাহেরের ভাই ওয়ারেসাত বেলালকে এমপি বানিয়েছে। আরেক ভাই ডক্টর আনোয়ারকে জাহাঙ্গীরনগরের ভিসি বানিয়েছে। আবার ৭৫- এর নভেম্বরের অপরপক্ষ খালেদ মোশাররফের ভাই রাশেদ মোশাররফ (মৃত)- কে 96 to 2001 আমলে প্রতিমন্ত্রী বানিয়েছিল। খালেদ মোশাররফের মেয়ে মাহজাবিন খালেদকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি বানিয়েছে। ইনুদেরকে মন্ত্রী বানানোর কথা আপনি জানেন। ৯৬ টু ২০০১ সময়ে 'ঐক্যমত্যের' সরকারে অসম আব্দুর রবকেও মন্ত্রী বানিয়েছিল হাসিনা। ৮১-তে জিয়া হত্যার সাথে জড়িত/অভিযুক্ত ব্যক্তি ও পরিবারকে স্পেশাল সম্মান দিয়েছে। গফরগাঁও-এর ক্যাপ্টেন গিয়াসকে এমপি বানানো হয়েছিল। সে জিয়া হ'ত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ছিল। ৭ নভেম্বরে নিহত কর্নেল হুদার পরিবারকে সামনে আনা হয়েছে। জিয়া হ|ত্যার প্রধান দায় যার দিকে যায়- চট্টগ্রামের তৎকালীন জিওসি জেনারেল মঞ্জুরের পরিবারের কাউকে সম্ভবত এমপি বানানো হয়েছিল। জিয়া হ|ত্যা মামলায় আসামি হয়েছিলেন সন্দেহভাজন হিসেবে, এ কারণে হাসিনার আস্থা পেয়েছিলেন জেনারেল মইনুল ইসলাম। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর কর্নেল অবস্থায় তাকে ব্রিগেডিয়ার বানিয়ে ভারপ্রাপ্ত ডিজি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে বিডিআরের উপরে বসানো হয়েছিল। পরে সেনাবাহিনীতে এসে তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল পর্যন্ত হয়েছেন। জেনারেল মইনুল ইসলামের আপন ছোট ভাই হওয়ার কারণে মেয়র আতিকুল ইসলাম হাসিনার আস্থার দৃষ্টি অর্জন করেছেন। এরকম আপনি অনেক পাবেন। আজকে গ্রেফতারকৃত মেজর মোজাফফরে্র খবর চোখে পড়লো। ৪৫ বছর পর গ্রেফতার হয়েছে। এর আগে নাকি আত্মগোপনে ছিলেন। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, হাসিনা কি তাকে চিনতেন না? তাহলে তো ভালো একটা পোস্টিং দিয়ে দেশের বাইরের কোনো দূতাবাসে বসিয়ে দিতে পারতেন! একটু ঝুঁকি থাকে পলাতক এ জাতীয় লোককে পদায়নে। কিন্তু হাসিনা সেগুলোকে পাত্তা দেওয়ার লোক ছিলেন না। বেচারা মোজাফফরের কিসমত! শেখ হাসিনা আসলে রাজনীতির খেলোয়াড় হিসেবে অন্য মাপের ছিলেন। ধরে ফেলা- মে|রে ফেলা এগুলো তো ছিলই। এর বিপরীতে বা পাশাপাশি অনেককে অনেক রকম পুরস্কৃত করা, উৎকোচ দেওয়ার ব্যাপারগুলোও ছিল। তিনি বন্ধুকে তো বন্ধু বানাতেনই, শত্রুর শত্রুকেও বন্ধু বানানোর মাস্টার ছিলেন। ৭৫-এর নভেম্বর থেকে ৮১ পর্যন্ত সময়ের ঘটনা এবং পরবর্তীতে হাসিনা কর্তৃক পদায়ন ও পুরস্কৃতকরণের দৃশ্যগুলো দেখলে এটা ধরতে পারবেন। হাসিনার এই আচরণ ও পলিসিকে আপনি কী বলবেন? দয়া, সহানুভূতি, নাকি চাতুর্য এবং স্বার্থের ব্যবহার? ♦

ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনের ভেতরে দোকান করার জন্য জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে আনিসুর রহমান ওরফে টিপু নামের এক ঠিকাদারকে। কোনো ধরনে
ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনের ভেতরে দোকান করার জন্য জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে আনিসুর রহমান ওরফে টিপু নামের এক ঠিকাদারকে। কোনো ধরনের দরপত্র ছাড়া তিনি রেলস্টেশনের জায়গা পেয়েছেন, যেখানে কখনোই কাউকে দোকান করতে দেওয়া হয়নি। দোকানের জায়গাটি স্টেশনের নকশাবহির্ভূত। শুধু কমলাপুরে দোকান নয়, রেলের একের পর এক ঠিকাদারি কাজ পাচ্ছেন আনিসুর রহমান। রেলওয়ের ঠিকাদারি কাজের নিয়ন্ত্রক হিসেবে তাঁর পরিচিতি তৈরি হয়েছে। নিয়েছেন শৌচাগার বা টয়লেট ইজারা। অন্যদিকে বিমানবন্দর রেলস্টেশনের পার্কিং এলাকা ইজারা পেতে যাচ্ছে তাঁর স্ত্রীর নামে থাকা প্রতিষ্ঠান। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রেলের কমলাপুর অঞ্চলের ঠিকাদারি, জমি ও পার্কিং ইজারা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করতেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। আওয়ামী লীগ সরকার অবৈধ জুয়া ও ক্যাসিনো চালানোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করলে ২০১৯ সালে গ্রেপ্তার হন খালেদ। রেলওয়ে সূত্র বলছে, আনিসুর রহমান ছিলেন খালেদের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আনিসুর বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ান। বিশেষ করে বিএনপির সংসদ সদস্য (ফেনী-১) ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থেকে এশিয়ার সর্ববৃহৎ ‘রামমূর্তি’ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরনীকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভ
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থেকে এশিয়ার সর্ববৃহৎ ‘রামমূর্তি’ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরনীকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সোমবার ১০ টার দিকে টাইমস অব বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খান এবং ডিএমপির উত্তরা জোনের ডিসি মির্জা তারেক আহমেদ বেগ। এর আগে, রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার সিআইডির একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খান বলেন, ‘ঢাকা থেকে আসা সিআইডির বিশেষ দলটি রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে হরিদাসকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। ঢাকার উত্তরার পশ্চিম থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মানিলন্ডারিং মামলা রয়েছে। সেই মামলায় পলাশবাড়ী পুলিশের সহযোগিতায় রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় নিয়ে যায় সিআইডি। হরিদাস চন্দ্র তরনী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নানা কর্মকাণ্ডের জন্য আলোচিত ছিলেন। ধর্মকে পুুঁজি করে প্রতিনিয়ত তিনি প্রতারণা করে আসছেন। ডিএমপির উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহমেদ টাইমস অব বাংলাদেশকে জানিয়েছেন, রোববার রাতে তরনীর বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মানি লন্ডারিং আইনে মামলা হয়েছে। সিআইডির ফিনান্সিয়াল ক্রাইম টিম মামলা তদন্ত করছে। তারা তরনীকে হেফাজতে নিয়েছে। এর আগেও ২০২২ সালে ৮ নভেম্বর বিভিন্ন অফিসার, মন্ত্রীর ভুয়া পরিচয়ে বদলি বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি ও প্রতারণার মাধ্যমে কোটি টাকা আত্মসাত মামলায় র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন। সেই মামলা থেকে জামিন নিয়ে তিনি পালিয়ে যান। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে ফিরে মূর্তি ও ধর্মের নামে নানা ধরনের প্রতারণা শুরু করেন। এর আগে, তিনি ধর্ম পরিবর্তন করে তাওহীদ ইসলাম নাম রাখেন। সেই সময় সুমি ইসলাম নামে একজনকে বিয়ে করেছিলেন বলে জানা যায়।

প্রকাশ্য দিবালোকে ২০/২৫ জন হিন্দু যুবক মিলে পশ্চিম বঙ্গের হাওড়ার কলেজ পড়ুয়া আছমা খাতুন কে তুলে নিয়ে চলে গেল। ভাতরের মুসলিমরা
+3
প্রকাশ্য দিবালোকে ২০/২৫ জন হিন্দু যুবক মিলে পশ্চিম বঙ্গের হাওড়ার কলেজ পড়ুয়া আছমা খাতুন কে তুলে নিয়ে চলে গেল। ভাতরের মুসলিমরা এমন দৃশ্য দেখার পরও চুপ করে বসে আছে, আর কত নত হয়ে হিন্দুদের সাথে চলবে। তোমাদের ইজ্জৎ নিয়ে হিন্দুরা ছিনিমিনি খেলছে আর তোমরা চুপ হয়ে হাতে চুড়ি পরে ঘরে বসে আছো তোমাদের প্রতি আল্লাহর লানত। যেই শুভেন্দুর বাচ্চারা এই ধরনের নেককার জন্য ঘটনা ঘটাবে, মুসলিম মেয়েদের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলবে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করো। এবং সুভিন্দুর বাচ্চাদের যেখানে পাবে সেখানেই কবর তাদের কবর রচনা কর। শুভেন্দুর বাচ্চাদের সাহস এতটাই বেড়ে গেছে যে, এখন আর আইনের কোনো তোয়াক্কা করে না। প্রানের ভয়ে আশেপাশের মুসলিমরা কেউ এগিয়ে আসেনি। ভয়কে জয় করে সকল মুসলিমরা জালিমদের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোল। রাস্তায় নেমে আসো প্রতিবাদ করো। জালিমদেরকে ছাড় দেওয়া যাবে না। জালেমদেরকে শক্ত হাতে দমন কর। .©

ঢাকা স্ট্রিমের ফাতাহ কমব্যাটকে নিয়ে করা রিপোর্টটাতে শিবিরের বর্তমান সভাপতি এ কথা বলেন। ব্যাপারটা খেয়াল করুন। এখানে সাদ্দাম সাহেবকে কেউ কালিমার পতাকা নিয়ে জিজ্ঞেস করে নি। এমনকি ঢাকা স্ট্রিমও এই রিপোর্টে এর সাথে কালিমার পতাকাকে যুক্ত করেনি। কথা শুধু ফাতাহ কমব্যাট নিয়ে। কিন্তু সাদ্দামের কাছে কালিমার পতাকা যারা উড়িয়েছে এবং ফাতাহ কমব্যাটের সে লোকরা—সব একই। বলে রাখা ভালো, কালিমার পতাকা ওড়ানোর ডিরেকশন ছিলো শাইখ হারুন ইযহার হাফিজাহুল্লাহর। তার কাছে ফাতাহ কমব্যাটের বে/মা বানানো আর কালিমার পতাকা ওড়ানোর মত কালচারাল এক্সপ্রেশন একই রকমের ক্রাইম। এরা একই ধরণের লোক। শুধু তাই না, সে ফ্রাস্ট্রেটেড কেন ইন্টারিম সরকার ও বিএনপি সরকার এ নিয়ে কঠোর হয়ে সবাইকে দমন করে ফেলে নাই। সে সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছে দমন করার। শুধু এখনই না, সাদ্দাম সাহেব সেক্রেটারি থাকাকালীনও যারাই গণতন্ত্রের বিরোধিতা করে, তারা সবাই আনস/র আল্লাহ, অ/ইএস ইত্যাদি বলে আখ্যায়িত করেছে। অথচ কালিমার পতাকার ইস্যুতে ঢাবির জিএস ফরহাদ ভাই বেশ সুন্দরভাবেই বলেছেন, শুধু পতাকা ওড়ানোর কারণে কাউকে ক্রিমিনালাইজ করা যাবে না। আবার সাবেক সভাপতি জাহেদ ভাইও বেশ সজ্জন মানুষ ছিলেন। তাহলে সাদ্দাম সাহেবের এই অবস্থা কেন? ঢাবিতে শিবিরের নেতৃত্বের একটা অংশ আছে, যারা সরাসরিই পোস্ট ইসলামিস্ট সেক্যুলার। এরা মিউজিককে বৈধ মনে করে, শরিআহ আইনকে বেদরকারি মনে করে—এমন নানা কন্ট্রোভার্সিয়াল পজিশন রাখে। ঢাবিতে পড়তে চেয়ে পড়তে না পেরেই কি সভাপতি সাহেবের এই হীনমন্যতা কিনা কে জানে। তবে এটাকে বিচ্ছিন্ন হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। শিবিরের ভেতরে পোস্ট ইসলামিস্টদের ক্রমাগত প্রভাব যে বাড়ছে—এরই উদাহরণ হলো সাদ্দাম সাহেবের মত লোকের সভাপতি হওয়া। শিবিরের চেইন অফ কমান্ড জেনেই বলছি। তাই যারা সত্যিকার অর্থেই দ্বীনের জন্য শিবির করেন, তাদের আশঙ্কিত হওয়ার, সচেতন হওয়ার প্রয়োজন আছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা করলেন আগামী কয়েক বছরে $৭ বিলিয়নের বিশাল সামরিক আধুনিকীকরণ পরিকল্পনা। আগামী কয়েক বছরে $৭ বিলিয়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা করলেন আগামী কয়েক বছরে $৭ বিলিয়নের বিশাল সামরিক আধুনিকীকরণ পরিকল্পনা। আগামী কয়েক বছরে $৭ বিলিয়ন ডলারের বিশাল সামরিক আধুনিকীকরণ পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। আধুনিক যুদ্ধবিমান, আকাশ প্রতিরক্ষা, AI প্রযুক্তির ড্রোন এগুলোর দিকে বেশী প্রাধান্য থাকবে। সাথে সাবমেরিন ও যুক্ত হবে। আর অলরেডি অস্ত্র তৈরি কারখানা জন্য জমি বরাদ্দ দিয়েছে।

সাদা পাঞ্জাবি পড়া লোকটি বর্তমানে একজন সংসদ সদস্য। আনিসুর রহমান খোকন। মাদারীপুর-৩ আসনের এমপি। রাজপথে আমরা দেখি কর্মীদের মার খে
সাদা পাঞ্জাবি পড়া লোকটি বর্তমানে একজন সংসদ সদস্য। আনিসুর রহমান খোকন। মাদারীপুর-৩ আসনের এমপি। রাজপথে আমরা দেখি কর্মীদের মার খেতে আর নেতারা থাকে এসি রুমে। ব্যাতিক্রম আনিসুর রহমান খোকন। জুলাইতে রাজপথে থেকে আন্দোলন করেছেন। আন্দোলনকারীদের সহায়তা করেছেন।

আল্লাহই ভালো জানেন)। সোহাগ ভাই একজন নাস্তিক ছিলেন। তাঁর কাছে সব কিছুর ব্যাখ্যা থাকতে হত, logic থাকতে হত। এই পিরামিড সোহাগ ভাইয়কে দেখিয়েছিল, মানুষের জ্ঞান অতি সীমিত। এমনও সভ্যতা অতীতে ছিল যাদের কথা আমরা জানি না। এমন জ্ঞান ছিল যা আমাদের নেই। ইতিহাস আমাদের যা পড়ানো হয়েছে তার বাইরেও ইতিহাস রয়েছে যা মেইনস্ট্রিম থেকে লোপাট করে দেয়া হয়েছে। কোরআনের এই আয়াত তাঁকে দেখিয়েছে, সকলের দৃষ্টিসীমার সীমার বাইরে থেকে কেউ কথা বলছে। এমন কেউ, যিনি ৬১০ সালে জানতেন যে ১২৭১ বছর পরে একটি mummy পাওয়া যাবে এবং বিজ্ঞান নিশ্চিত করবে সে সমুদ্রে ডুবে মরেছিল। এই জ্ঞান মানুষের হতে পারে না। একজন নাস্তিক হিসেবে তিনি বিশ্বাস করতেন universe চলছে কোনো creator ছাড়া। কিন্তু এই এক আয়াত তাঁর সামনে এমন একটি প্রশ্ন রেখে গেল যার উত্তর তাঁর পুরনো বিশ্বাসের কাঠামোয় নেই। যার উত্তর খুঁজতে গিলে ডারউইন ও তার বিবর্তনবাদের জায়গা হয় নোংরা ডাস্টবিনে। এবং একজন সৎ নিরপেক্ষ মানুষ যখন এমন প্রশ্নের সামনে দাঁড়ায়, যার উত্তর তার পুরনো বিশ্বাসকে চ্যালেঞ্জ করে নতুন সম্ভাবনার সূচনা করে। তখন তার দুটো রাস্তা থাকে। হয় চোখ বন্ধ করা। অথবা নতুন সম্ভাবনার দিকে তাকানো। সোহাগ ভাই সেদিকে তাকিয়েছিলেন। তিনি স্বীকার করেছিলেন, "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ" (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। — Sawtul Zilzal

কোরআন বলছে, সে ডুবে যাওয়ার সময় স্বীকার করছিল, "আমানতু আন্নাহু লা ইলাহা ইল্লাল্লাজি আমানাত বিহি বনু ইসরাইল।" আমি বিশ্বাস করলাম যে তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই যাঁর উপর বনি ইসরাইল ইমান এনেছে। (সূরা ইউনুস: ৯০) জীবনের শেষ মুহূর্তে, যখন আর কোনো উপায় নেই, তখন সে স্বীকার করল। কিন্তু তখন দেরি হয়ে গেছে। আল্লাহ বললেন, "এখন? অথচ এর আগে তুমি অস্বীকার করে এসেছ এবং বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলে।" (সূরা ইউনুস: ৯১) এই সংলাপটা পড়লে গায়ে কাঁটা দেয়। একজন মানুষ সারাজীবন ক্ষমতার অহংকারে অন্ধ ছিল। এবং যখন সেই ক্ষমতা শেষ হলো, যখন আর কিছুই করার নেই তখন সে সত্য অনুধাবন করলো। কিন্তু সেই বোঝাপড়া আর কোনো কাজে লাগল না। এবার আসুন সূরা ইউনুসের ৯২ নম্বর আয়াত, "ফাল ইয়াওমা নুনাজ্জিকা বিবাদানিকা লিতাকুনা লিমান খালফাকা আয়াতান।" আজ আমি তোমার শরীরকে রক্ষা করব, যাতে তুমি তোমার পরবর্তীদের জন্য একটি নিদর্শন হও। এই আয়াত নাজিল হয়েছিল ৬১০ খ্রিস্টাব্দের আশেপাশে। সেই সময় ফেরাউনের শরীর কোথায় ছিল? কেউ জানত না। মিশরের pharaoh রা তাদের tomb বা সমাধি লুকিয়ে রাখত। পরবর্তী pharaoh রা tomb robbers বা সমাধি চোর থেকে বাঁচাতে mummy গুলো সরিয়ে নিয়ে লুকিয়ে রাখত। কোথায় লুকানো আছে তা শুধু কয়েকজন পুরোহিত জানত, এবং সেই জ্ঞান কোনো এক সময় হারিয়ে যায়। মানব ইতিহাসের কোথাও লেখা ছিল না যে ফেরাউনের শরীর কোথায়। তারপর ১৮৮১ সাল। Deir el-Bahari তে একটি লুকানো shaft আবিষ্কার হলো। ভেতরে পাওয়া গেল অনেকগুলো royal mummy যাদের tomb robbers থেকে বাঁচাতে এক জায়গায় সরিয়ে আনা হয়েছিল কোনো এক সময়ে। তাদের মধ্যে ছিল Ramesses II। কোরআন ৬১০ সালে বলেছিল এই pharaoh এর শরীর সংরক্ষিত থাকবে। আর ১২৭১ বছর পরে সেই শরীর পাওয়া গেল। ১৯৭৫ সাল। Ramesses II এর mummy টি conservation এর জন্য France এ আনা হলো। এটা ছিল অনেক বড় diplomatic event। Egypt একটি royal mummy France কে দিয়েছে, France তাকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান দিয়েছে। ফরাসি surgeon এবং scientist Dr. Maurice Bucaille এই দলে ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন ক্যাথলিক খ্রিস্টান। ধর্মপ্রাণ, কিন্তু বিজ্ঞানমনস্ক। mummy পরীক্ষা করতে গিয়ে তিনি কিছু বিষয় লক্ষ্য করলেন। শরীরে sea salt এর অস্বাভাবিক উপস্থিতি। Lungs এবং body cavity তে এমন কিছু যা drowning এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি মুসলিম colleagues দের কাছ থেকে জানতে পারলেন, কোরআনে ৬১০ সাল থেকে ফেরাউনের সমুদ্রে ডুবে মরার কথা লিপিবদ্ধ আছে। এবং কোরআনে বলা আছে তার শরীর সংরক্ষিত থাকবে। Dr. Bucaille অবাক হলেন। এই তথ্য কোরআনে আছে কীভাবে? ৭ম শতাব্দীতে কেউ জানতই না ফেরাউনের শরীর কোথায়। Bible এ এই সংরক্ষণের কথা নেই। কোনো ঐতিহাসিক document এও তা নেই। তারপর তিনি কোরআন পড়তে শুরু করলেন। বিজ্ঞানের চোখে। এবং যা দেখলেন তা নিয়ে পরে তিনি একটি বই লিখলেন, "The Bible, the Quran and Science" যে বইটি আজও পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় পড়া হয়। আর Dr. Bucaille ইসলাম গ্রহণ করলেন। তার ইসলাম গ্রহণের কারণটা emotion ছিল না। কারণটা ছিল একটি সহজ যুক্তি। একটি গ্রন্থ ৬১০ সালে বলেছে, ফেরাউনের শরীর সংরক্ষিত থাকবে। সেই গ্রন্থ লেখার সময় শরীরটা কোথায় ছিল, কেউই জানত না। ১২৭১ বছর পরে এসে সেই শরীর পাওয়া গেছে। বিজ্ঞান নিশ্চিত করেছে সমুদ্রে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছিল। এই তথ্য কোনো মানুষের পক্ষে জানা সম্ভব ছিল না। তাহলে কে জানত? এই জায়গায় এসে সোহাগ ভাইয়ের প্রশ্নটার উত্তর হঠাৎ স্পষ্ট হয়ে যায়। কোরআনে ফেরাউনের গল্প বারবার আসার কারণ কোনো নিছক ইতিহাস না। কারণ, এই গল্পের শেষটা এখনো চলছে। ফেরাউনের শরীর আজও আছে। Cairo Museum এ। কাচের বাক্সে। প্রতিদিন হাজারো মানুষ দেখতে যায়। তাদের বেশিরভাগ জানেই না যে তারা একটি কোরআনিক prophecy এর সামনে দাঁড়িয়ে আছে। সূরা ইউনুসের সেই আয়াত বলেছিল, "যাতে তুমি তোমার পরবর্তীদের জন্য একটি নিদর্শন হও।" নিদর্শন হওয়ার কথা ছিল। এবং সে নিদর্শন হয়েছে। যা পৃথিবীর ইতিহাসে আল্লাহ প্রদত্ত একটি জীবন্ত নিদর্শন। নমরুদের শরীর কোথায়? কেউ জানে না। রোমান emperors দের শরীর? নেই। পৃথিবীর অন্য তাগুতদের শরীর? হারিয়ে গেছে। কিন্তু ফেরাউনের শরীর আছে। কারণ আল্লাহ বলেছিলেন থাকবে। পৃথিবীর বুকে ইতিহাসের সবচেয়ে উন্নত, সবচেয়ে শক্তিশালী রাজা যে নিজেকে খোদা দাবি করেছিল তার অহংকারকে আল্লাহ তায়ালা ধূলিস্যাৎ করে দিয়েছেন। তাকে রেখে দিয়েছেন বাকিদের জন্য নিদর্শন হিসেবে যেনো তারা শিক্ষা নেয় এবং তার শক্তিশালী সেই সভ্যতার নিদর্শন হিসেবে রেখে দিয়েছেন সেই পিরামিডকে যা আজও মানুষের কাছে রহস্য। এটাই কারণ কুরআনে তাকে এতোবার আলোচনায় রাখার। কোরআনে মূসা-ফেরাউনের গল্প বারবার আসে কারণ এই গল্পের প্রমাণ জীবন্ত। অন্য কোনো নবীর গল্পের প্রমাণ এইভাবে physical form এ টিকে নেই (তবে এটি আমাদের নশ্বর জ্ঞানের অনুধাবন, এর প্রকৃত কারণ একমাত্র