ar
Feedback
Asif Adnan (আসিফ আদনান)

Asif Adnan (আসিফ আদনান)

الذهاب إلى القناة على Telegram

আমরা চাই আমাদের চ্যানেলের মাধ্যমে অন্ধকারাচ্ছন্ন আত্মাগুলো আলোতে ফিরে আসুক।ইবাদতে অনাগ্রহী আত্মাগুলোতে আগ্রহ সঞ্চার হোক।মৃতপ্রায় আত্মাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ুক নতুন প্রাণশক্তি। ভালো কিছুর প্রত্যাশায় ইন শা আল্লাহ...

إظهار المزيد
3 934
المشتركون
-424 ساعات
+107 أيام
+8230 أيام

جاري تحميل البيانات...

القنوات المماثلة
لا توجد بيانات
هل تواجه مشاكل؟ يرجى تحديث الصفحة أو الاتصال بمدير الدعم الخاص بنا.
سحابة العلامات
لا توجد بيانات
هل تواجه مشاكل؟ يرجى تحديث الصفحة أو الاتصال بمدير الدعم الخاص بنا.
الإشارات الواردة والصادرة
---
---
---
---
---
---
جذب المشتركين
سبتمبر '26
سبتمبر '26
+28
في 0 قنوات
أغسطس '26
+147
في 1 قنوات
Get PRO
يوليو '26
+140
في 1 قنوات
Get PRO
يونيو '26
+128
في 2 قنوات
Get PRO
مايو '26
+143
في 2 قنوات
Get PRO
أبريل '26
+174
في 2 قنوات
Get PRO
مارس '26
+375
في 2 قنوات
Get PRO
فبراير '26
+221
في 2 قنوات
Get PRO
يناير '26
+132
في 2 قنوات
Get PRO
ديسمبر '25
+173
في 3 قنوات
Get PRO
نوفمبر '25
+157
في 1 قنوات
Get PRO
أكتوبر '25
+197
في 2 قنوات
Get PRO
سبتمبر '25
+257
في 2 قنوات
Get PRO
أغسطس '25
+252
في 2 قنوات
Get PRO
يوليو '25
+259
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '25
+161
في 1 قنوات
Get PRO
مايو '25
+195
في 1 قنوات
Get PRO
أبريل '25
+255
في 1 قنوات
Get PRO
مارس '25
+401
في 2 قنوات
Get PRO
فبراير '25
+142
في 1 قنوات
Get PRO
يناير '25
+121
في 1 قنوات
Get PRO
ديسمبر '24
+131
في 1 قنوات
Get PRO
نوفمبر '24
+579
في 1 قنوات
التاريخ
نمو المشتركين
الإشارات
القنوات
08 سبتمبر+2
07 سبتمبر+1
06 سبتمبر0
05 سبتمبر+6
04 سبتمبر+4
03 سبتمبر+3
02 سبتمبر+5
01 سبتمبر+7
منشورات القناة
মডারেটর শেয়ার্ড পোস্ট

2
আপনার সন্তান কি আপনার চোখের সামনেই ফিতনায় হারিয়ে যাচ্ছে? ডিজিটাল এই যুগে শুধু দামি স্কুল বা গ্যাজেট দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ সুর
আপনার সন্তান কি আপনার চোখের সামনেই ফিতনায় হারিয়ে যাচ্ছে? ডিজিটাল এই যুগে শুধু দামি স্কুল বা গ্যাজেট দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা একেবারেই অসম্ভব! বাবা-মা হিসেবে তাদের শিশুমনে ঈমানের বীজ রোপণ করে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা আপনার সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। সন্তান প্রতিপালনের এই কঠিন চ্যালেঞ্জকে সহজ করতে এবং দারুণ সব কৌশল শেখাতে আমরা নিয়ে এসেছি ৪টি সেরা বইয়ের ‘প্যারেন্টিং প্যাকেজ’। সন্তান গড়ার কৌশল জামিলা হো 💠 https://rkmri.co/I3ElAl3SRelT/ মুসলমানের ঘর শাইখ ওয়াজদি গুনাইম 💠 https://rkmri.co/oeNAAl2eR5yA/ সন্তানের ভবিষ্যৎ ড. ইয়াদ কুনাইবী হাফিজাহুল্লাহ 💠 https://rkmri.co/2Mpee0AAE3Se/ শিশুমনে ঈমানের পরিচর্যা ডঃ আইশা হামদান 💠 https://rkmri.co/SoS3AeEey3oT/
271
3
সহজ কথা হলো, মাদ্রাসায় এসব অপরাধ যদি ঘটতেই থাকে, মানুষ একসময় ভাববে: . ​"যারা নিজেদের আঙ্গিনাতেই এসব থামাতে পারে না, তারা সমাজ আর দেশকে কী দিকনির্দেশনা দেবে? আমি নিজে যত খারাপই হই, এমন ভয়াবহ কাজ তো করি না।" . ​কত শতাংশ মাদ্রাসায় এমন ঘটনা ঘটে কিংবা অন্য জায়গায়ও এসব ঘটে কি না—এই আলাপ এখানে কাজে আসবে না। মানুষের পারসেপশন এত যুক্তি মেনে চলে না। আর একবার নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়ে গেলে তা বদলানো অত্যন্ত কঠিন। . ​মাদ্রাসাগুলোকে দেখা হয় আলিম তৈরির প্রতিষ্ঠান হিসেবে। সেখানে নিয়মিত বিরতিতে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো ভয়াবহ ঘটনা সামনে এলে স্বাভাবিকভাবেই মাদ্রাসা এবং বাই এক্সটেনশান আলেমদের প্রতি সমাজের মধ্যে নেতিবাচক স্টেরিওটাইপ ও দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হবে। . ​অথচ আলিমরা হলেন ‘ওয়ারাসাতুল আম্বিয়া’—ইলম, দিকনির্দেশনা ও নৈতিক শ্রেষ্ঠত্বের দিক থেকে তাঁরা নবীদের ওয়ারিশ। . ​এই মহান দায়িত্বের জায়গা থেকেই বিষয়টি নিয়ে সর্বোচ্চ সোচ্চার হওয়া কঠোর প্রতিবাদ জানানো, এবং সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া জরুরি। আর এই উদ্যোগ সবার আগে মাদ্রাসা অঙ্গনের মানুষদের ভেতর থেকেই আসতে হবে। কারণ অন্য কারো পক্ষে এখানে সংস্কার করা সম্ভব না।
947
4
আবারও প্রাসঙ্গিক।
আবারও প্রাসঙ্গিক।
661
5
আবারও প্রাসঙ্গিক। https://www.facebook.com/reel/1775976603409519/?app=
1
6
আবারও প্রাসঙ্গিক। https://www.facebook.com/reel/1775976603409519/?app=fbl
1
7
এই ব্যাপারটা ভালো হয়েছে। আগে যেটা শুধু এনটিএমসি,আর জিয়াউল আহসানরা করতে পারতো, এখন সেটা সবার হাতের নাগালে। ডেমোক্রেটাইযেইশান অ
এই ব্যাপারটা ভালো হয়েছে। আগে যেটা শুধু এনটিএমসি,আর জিয়াউল আহসানরা করতে পারতো, এখন সেটা সবার হাতের নাগালে। ডেমোক্রেটাইযেইশান অফ ইনফরমেইশান৷ ✌️
650
8
https://youtu.be/_tx5GtJR4M8?si=ePTUeGJ7bhGByElr Must watch.
682
9
👆👆
👆👆
614
10
Posted without comment.+1
Posted without comment.
813
11
ফিরিঙ্গিদের বানানো আমলাতন্ত্র মূলত আমলাতন্ত্রকেই সার্ভ করে। জনগণকে প্রজা হিসেবে দেখে। জনগণের টাকায় মৌজ করে। আর জনগণের সেবার নামে ডিপ স্টেইট, এলিট গোষ্ঠী আর বিদেশী প্রভুদের স্বার্থ দেখে। নতুন না। সেই পলাশীর পর থেকেই৷
641
12
ফিরিঙ্গিদের বানানো আমলাতন্ত্র মূলত আমলাতন্ত্রকেই সার্ভ করে। জনগণকে প্রজা হিসেবে দেখে। জনগণের টাকায় মৌজ করে। আর জনগণের সেবার নামে ডিপ স্টেইট, এলিট গোষ্ঠী আর বিদেশী প্রভুদের স্বার্থ দেখে। নতুন না। সেই পলাশীর পর থেকেই৷
1
13
মডারেটর শেয়ার্ড পোস্ট
676
14
একজন বেস্টসেলার লেখক, যার বই প্রকাশ হবার সাথে সাথে ১ লক্ষ কপি বিক্রি হয়; তিনি হঠাৎ লেখালেখি ছেড়ে দিলেন! একজন বিখ্যাত ওয়ায়েজ, যার ওয়াজ শুনার জন্য লক্ষাধিক মানুষ জড়ো হতো, তিনি হঠাৎ ওয়াজ করা বন্ধ করে দিলেন! একজন ইউটিউবার, যার সাবস্ক্রাইবার কয়েক মিলিয়ন, যিনি সবসময় ইসলামি ভিডিও আপলোড করে মানুষকে দাওয়াত দেন, তিনি তার ইউটিউব চ্যানেল নিজেই ডিলিট করে দিলেন! . উপরের সিনারিওগুলো কি আমরা কল্পনা করতে পারি? কেউ এমনটা করলে আমরা তাকে কী বলতাম? এতো জনপ্রিয় একজন আলেম, লেখক, দাঈ যদি সবকিছু ছেড়ে নির্জনতা বেছে নেন, তাহলে নিশ্চিতভাবে আমরা তাকে ‘পাগল’ বলতাম। আমরা বলতাম- আপনার মাধ্যমে কতো মানুষ দ্বীনের বার্তা পায়, আপনি নিজেকে গুটিয়ে নিবেন কেনো? . মুসলিম ইতিহাসে একজন আলেম ঠিক এমনটাই করেছিলেন। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বিদেশের ক্ষেত্রে আল-আজহার, মদীনা ভার্সিটি, অক্সফোর্ড, হার্ভার্ড, ক্যামব্রিজের অধ্যাপক হওয়াটা যেমন সম্মানের, অনেকের জন্য স্বপ্নের, ঠিক তেমনি আজ থেকে প্রায় ১০০০ বছর আগে নিজামিয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক হওয়াটাও ছিলো তেমন সম্মানের। মুসলিম জ্ঞানের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় এই মাদ্রাসা। একজন আলেম মাত্র ৩৪ বছর বয়সে সেখানকার অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পান। তাঁর যশ-খ্যাতি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতো দারুণভাবে পড়াতেন, তাঁর ক্লাস করার জন্য অনেকেই মুখিয়ে থাকতো। বলা হয়ে থাকে, সেই সময় বাগদাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় (আমাদের সময় যেটাকে বলি ‘সেলিব্রিটি’) ছিলেন তিনি। ৪ বছর অধ্যাপনার পর হঠাৎ করে তিনি উপলব্ধি করেন- আমি এগুলো কী করছি? তাঁর ভাবোদয় হয়। তিনি বলেন, “আমি অধ্যাপনার ক্ষেত্রে আমার নিয়ত ও উদ্দেশ্য নিয়ে যখন চিন্তা করলাম, তখন উপলব্ধি করলাম- আমার অধ্যাপনা তো একমাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে নিবেদিত নয়! বরং এই অধ্যাপনার মূল প্রেরণা ও চালিকাশক্তি হলো মান-মর্যাদা বৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষা; নিজেকে আরও বেশি জনপ্রিয় করা।” এই ভাবনা তাঁকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছিলো। যেই মুহূর্তে তাঁর মনে হলো তিনি আল্লাহর জন্য এসব না করে সবকিছু করছেন জনপ্রিয় হবার জন্য, তখন তিনি শারীরিক পরিবর্তনও লক্ষ্য করেন। ৬ মাস ধরে তিনি চিন্তা করতে থাকেন, আমি কী করছি, কোথায় যাচ্ছি। তিনি ছিলেন বাগ্মী। কথার জাদুতে মানুষকে মুগ্ধ করতেন। হঠাৎ লক্ষ্য করলেন, তিনি বাকরুদ্ধ হয়ে গেছেন, কথা বলতে পারছেন না। যেই মুখ দিয়ে মানুষকে আকর্ষিত করতেন, সেই মুখ দিয়ে কোনো কথা বের হচ্ছে না। ক্লাস নিতে পারছেন না। এমনকি ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া করতে পারছেন না। ডাক্তাররা তাঁর আশা ছেড়ে দিলো! এতো জনপ্রিয় একজন আলেমের হঠাৎ কী এমন হলো সবাই ভেবে পাচ্ছে না। কিন্তু, তিনি জানতেন তাঁর কেনো এমন হলো। তিনি জানতেন, আল্লাহ তাঁকে পরীক্ষা করছেন। তাঁর উপলব্ধি এসেছিলো, সেই উপলব্ধি বাস্তবায়ন যেন সহজে করতে পারেন, এজন্যই হয়তো আল্লাহ তাঁকে বাকরুদ্ধ করেছেন। বাগদাদ ছেড়ে চলে গেলেন সিরিয়ায়। সেখানে ১০ বছর কাটান। এই ১০ বছর নিজের নফসের সাথে যুদ্ধ করেন। তাঁর মধ্যে যে ‘রিয়া’ জন্মেছিলো, সেটা দূর করেন। আত্মশুদ্ধি, চারিত্রিক সংশোধন এবং আল্লাহর যিকিরের উদ্দেশ্যে নির্জনে বসবাস করেন। কেউ যখন আল্লাহর উদ্দেশ্যে সবকিছু ছেড়ে দেয়, আল্লাহ তাঁকে সাহায্য করেন। সেই আলেম নিজের খ্যাতি, মর্যাদা সব ছেড়ে দেন শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। ১০ বছরের নির্জনবাসে নিজের নফসের সাথে যুদ্ধ করার পাশাপাশি একটি বই লিখেন। অনেকের মতে ১৪০০ বছরের মুসলিম ইতিহাসে আলেমদের লেখা ১০ টি সেরা বইয়ের মধ্যে এই বইটি অন্যতম! বইটির নাম ‘ইহইয়াউ উলূমিদ্দীন’। সেই আলেমের নাম ইমাম গাজালি রাহিমাহুল্লাহ। ইহইয়াউ উলূমিদ্দীন ✨ https://rkmri.co/o0AeooeAl3Ee/
598
15
. দ্বিতীয় ক্ষেত্রে, সরকারের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্কের মাধ্যমে তৈরি হওয়া ক্ষমতা ক্ষণস্থায়ী, ভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একইভাবে কার্যকর হবে না। . . কওমী অঙ্গনসহ সকল ঘরানার ইসলামপন্থীদের জন্য নতুন রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসর তৈরি হওয়া নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেটা যদি সমাজের ইসলাহ, যুলুমের বিরুদ্ধে অবস্থান ও জনগণকে সংগঠিত করার মধ্য দিয়ে তৈরি হওয়া স্বাধীন নৈতিক কর্তৃত্ব ও সামাজিক শক্তির বদলে—রাষ্ট্রীয় নৈকট্যের মাধ্যমে সামাজিক বিরোধ মীমাংসা বা সিলেক্টিভ কিছু ‘মুনকার প্রতিরোধের’ অভ্যাস তৈরি করে, তাহলে সাময়িকভাবে কিছু সাফল্য পাওয়া গেলেও দীর্ঘমেয়াদে তার ফলাফলটা ভালো হবে না।
552
16
গণঅভ্যুত্থান ও নির্বাচনের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ময়দানে একটা নতুন বিন্যাস তৈরি হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেই—ফলে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন অনেকটাই দুই মেরুকেন্দ্রিক: একদিকে বিএনপি, অন্যদিকে জামায়াত। . জামায়াত একটা ইসলামিস্ট পার্টি বলে পরিচিত হওয়ায় বিএনপি স্ট্র্যাটেজি হিসেবে কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রিক প্ল্যাটফর্ম এবং হেফাযতে ইসলামসহ কওমি ব্লককে নিজের ইসলামিক লেজিটিমেসির উৎস এবং জামায়াতের বিরুদ্ধে কাউন্টার-ওয়েইট হিসেবে এনগেইজ করেছে। এই স্ট্র্যাটেজি এখন পর্যন্ত বেশ সফল। . কিন্তু এই সম্পর্ক কীভাবে সমাজে সামনে আসছে, ইসলামের দাওয়াহ এবং মরাল এজেন্সির ব্যাপারে মানুষের পারসেপশানকে প্রভাবিত করছে বা করতে পারে, সেটা ভাবা জরুরি। . বিশেষত, বিদ্যমান ক্ষমতার সাথে নৈকট্য কীভাবে মুনকারের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান, সামাজিক হস্তক্ষেপ এবং সেই অবস্থানের গ্রহণযোগ্যতাকে প্রভাবিত করছে—সেই প্রশ্নটা এখানে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। . যেমন ধরুন, রিসেন্ট একটা ঘটনায় দেখা গেছে, তাওহিদী জনতার ব্যানারে নামে একটা ইভেন্ট বন্ধ করার দাবি উঠেছে। কিন্তু যারা দাবি করেছেন, তাদের মধ্যে অনেকেই বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত। . এটা নতুন না, এর আগেও হয়েছে। তাওহিদী জনতার ব্যানারটা অপুরটুনিস্টিকালি অনেকেই ব্যবহার করেছেন ও করছেন। এবং দেখা যাচ্ছে, স্থানীয় নানা রেশারেশি, স্বার্থকেন্দ্রিক বিষয়ও এই ব্যানারের অধীনে এসে ইসলামী ভাষা ব্যবহার করছে এবং ইসলামপন্থার দাবি হিসেবে সামনে আসছে। . সাময়িকভাবে, ছোটখাটো কিছু বিষয়ে এতে হয়তো কিছু ‘অর্জন’ আছে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এর ফল কী? . বর্তমানে যেসব ঘটনা ঘটছে, সেগুলোর পর দেখা যাচ্ছে, একদিকে মিডিয়া এবং আরবান মিডল ক্লাসের মধ্যে ‘ফার-রাইটের উত্থান ঘটছে’—এ ধরনের একটা বয়ান প্রচারের চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে জনগণের মধ্যে একটা পারসেপশান তৈরি হচ্ছে—কওমি অঙ্গন সরকারের মিত্র ও ঘনিষ্ঠ, এবং এই ঘনিষ্ঠতা তাদের শক্তি বৃদ্ধি করেছে। . কোনো ক্ষমতাসীন সরকারই অনির্দিষ্টকাল ক্ষমতায় থাকে না; সময়ের সাথে জনপ্রিয়তা ক্ষয় হয়, সরকার বদলায়। এমনকি সরকারের নিজেদের পজিশানেরও পরিবর্তন হয়। কেউ যদি ক্ষমতার একটা নির্দিষ্ট বিন্যাসের সাথে, নির্দিষ্ট কোনো ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে নিজের অবস্থানকে অতিরিক্তভাবে যুক্ত করে ফেলে, ক্ষমতার বিন্যাস বদলে গেলে তার অবস্থানও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। . সরকারের সাথে নৈকট্যের মাধ্যমে এখনকার যেসব অর্জন, সেগুলো কতটা স্থায়ী হবে? কারণ ‘ফার-রাইটের উত্থান’ কিংবা ‘সরকারের অনুগত’ হওয়ার বয়ান, অথবা জনগণের পারসেপশান একবার দাঁড়িয়ে গেলে, অনেক দিন পর্যন্ত টিকে থাকে। . এটা প্র্যাগম্যাটিক আলাপ। এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো ইসলামের শিক্ষা ও দাবি। ক্ষমতায় যে দলই থাকুক, এই ধরনের সেক্যুলার সরকারের সাথে প্রয়োজনের বেশি সম্পর্ক ইসলামের মরাল এজেন্সির জন্য ক্ষতিকর। . কেউ বলতে পারেন, ক্ষমতাসীনদের সাথে নৈকট্য মুনকার, মন্দ প্রতিহত করার ক্ষেত্রে কাজে লাগতে পারে। একথাটা কয়েকভাবে দেখা যায়। . একটা দিক হলো, কোন মুনকার অগ্রাধিকার পাবে? ইসলামী নিযাম না থাকাটাই যেখানে সবচেয়ে বড় মুনকারগুলোর অন্যতম, সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যবস্থার নৈকট্যের মাধ্যমে কিছু মুনকারকে থামানোর যুক্তি কতটা গ্রহণযোগ্য? এই নৈকট্যের মাধ্যমে ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় সাধারণ মুসলিমদের মধ্যে এই ব্যবস্থার বৈধতার অনুভূতি তৈরির করাটা কতো বড় মুনকার? . আরেকটা দিক হলো, মুনকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার উপায় কি একটাই? . সমাজের মধ্যে নিজের নৈতিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে, দাওয়াহ, ইসলাহ, সামাজিকভাবে মানুষকে সংগঠিত করা ও জনমত তৈরি করা, এবং নিজস্ব জনশক্তির পাশাপাশি সমাজের মানুষকে মোবালাইয করার মাধ্যমে কোনো কিছুর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া—এটা এক ধরনের রাজনীতি। . আর সরকারের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে, একদিকে নিজের জনশক্তিকে মোবালাইয করে, অন্যদিকে প্রশাসনিক চ্যানেলে যোগাযোগের মাধ্যমে একই ফলাফল অর্জন করা—এটা আরেক ধরনের পদ্ধতি। . বাইরে থেকে দুটো হয়তো আপাতভাবে একই ধরনের ফলাফল দিচ্ছে। কিন্তু দুই ক্ষেত্রে ক্ষমতার উৎস এবং সেই ক্ষমতার সঙ্গে সমাজের সম্পর্ক সম্পূর্ণ ভিন্ন। . প্রথম ক্ষেত্রে একটি স্বাধীন সামাজিক শক্তি হিসেবে দাঁড়িয়ে, সমাজের সমর্থন ও মোবালাইযেশানের মাধ্যমে রাষ্ট্রের কাছ থেকে দাবি আদায় করে নেওয়া হচ্ছে। এখানে অবস্থানের ভিত্তি রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক না; বরং জনগণের মধ্যে তৈরি করা নৈতিক কর্তৃত্ব, জনসমর্থন এবং সমাজের মানুষকে মোবালাইয করার মাধ্যমে অর্জিত চাপ প্রয়োগের ক্ষমতা। সরকার বদলালেও সেই অবস্থান ও শক্তি অক্ষুণ্ণ থাকে।
657
17
لا يوجد نص...
695
18
আজকে।
আজকে।
888
19
لا يوجد نص...
932
20
শাইখ আত-তারিফি। বলা হচ্ছে, সৌদি রিজিম এই মানুষটাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার চেষ্টা করছে। কারণ এধরণের মানুষগুলো বেচে থাকলে তারা য|য়ো র
শাইখ আত-তারিফি। বলা হচ্ছে, সৌদি রিজিম এই মানুষটাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার চেষ্টা করছে। কারণ এধরণের মানুষগুলো বেচে থাকলে তারা য|য়ো রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক, বিলাদুল হারামাইনে ফাহিশাতের নরমালাইযেইশান এবং যুলুমের বিরুদ্ধে কথা বলে যাবেন। ঐ তাওহীদের কথা পূর্ণাঙ্গভাবে বলবেন, যে তাওহদীদের অজুহাত এই রিজিমের অনুসারীরা দিয়ে থাকে। আল্লাহই চূড়ান্ত ফায়সালাকারী। আল্লাহ শাইখকে হেফাযত করুন।
1 124