ar
Feedback
Crypto Tech BD

Crypto Tech BD

الذهاب إلى القناة على Telegram

🔴Business Inquiry 👉 @hassanrobiul999

إظهار المزيد
4 264
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
-267 أيام
-17230 أيام
أرشيف المشاركات
ছাত্র-জনতা এতদিন পুলিশ-র‍্যাব-বিজিবি-সেনাবাহিনী ও আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের মোকাবিলা করেও রাজপথ দখলে রেখেছে। আর এখন কিনা জনবিচ্ছিন্ন, গণধিকৃত কতিপয় আওয়ামী সন্ত্রাসী ছাত্র-জনতা কে হুমকি দেয়! নিশ্চিত থাকেন এদের আগামীকালই গণকবর রচিত হয়ে যাবে। সবাই শুধু যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে রাজপথে শক্ত ভাবে অবস্থান নিন। সবাই সবাইকে সহযোগিতা করুন। আমরা বাংলাদেশীরা এই গণহত্যাকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ।

আন্দোলনকারীদের জন্য যে সকল খাবারের ব্যবস্থা করতে পারেন- সুপেয় পানি খাবার সেলাইন শুকনো রুটি কলা খেজুর প্রাইমারি ওষুধ নাপা পেরাসিটামল গ্যাসট্রিকের ওষুধ ওমিডন ইত্যাদি।

দেশের বিভিন্ন জায়গায় স্বৈরাচার হাসিনা আর তার বাকশালি পিতার নামে গড়ে ওঠা স্থাপনা প্রতিষ্ঠান বিগত ১৫ বছেরে স্বৈরাচার হাসিনা দেশটাকে তার বাপের সম্পত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চেষ্টা করেছে। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় গড়া সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বাকশালি মুজিব আর তার প্রেতাত্মাদের নামে নামকরণ করে তাদেরকে মহন করার ব্যর্থ প্রয়াস চালিয়েছে । এ পরিবারের প্রতি বিক্ষুদ্ধ জনতার ঘৃণার আগুন এতটাই ছড়িয়েছে যে সেসব প্রতিষ্ঠানের নাম নাকি পরিবর্তন করতে শুরু করেছে, শহীদদের নামে নামকরণ করছে। আপনার এলাকার কী খবর?

দিনব্যাপি আন্দোলন চালানোর ক্ষেত্রে যে সমস্যাটায় আন্দোলনকারীরা পড়তেছে বলে আমাদের কাছে প্রতিয়মান হয়েছে। তারা খাবার সংকটে পড়তেছে, অনেক সময় পানি সংকটে পড়তেছে। এজন্য যে যে এলাকায় আন্দোরনের স্পট থাকবে সেই এলাকার স্থানীয়রা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি খাবার এবং পানির ব্যবস্থা করতে পারেন। এতে আন্দোলনকারীরা ভালো এনার্জি পাবে। এবং লং-টাইম আন্দোলন চালানো সহজ হবে।

+1
আদর্শ স্কুল, সেনপাড়া, মিরপুর-১০ রাত ৯ টা ট্রাক ভর্তি করে সন্ত্রাস জড়ো করতেসে। শেষ চেষ্টায় এখন যত খুন করা যায় করবে। এদের কেউ রেহাই দেয়া যাবে না। সবার নামতে হবে হাতের সামনে যা পাওয়া যায় তা নিয়ে। কালকের জন্য সবার প্রস্তুত হতে হবে। - আফসানা চৌধুরি সবাইকে আমরা বারবার বলছি প্লিজ ঢাকাবাসী, কেউই খালি হাতে বের হবেন না। যার যা কিছু আছে সবকিছু নিয়েই বের হবেন। আর এদেরকে যেখানেই পাবেন সেখানেই "জয় বংলা" করে দিবেন। এরা আমাদের অস্তিত্ব বিপন্ন করে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে নেমেছে।

৯ দফার দিন শেষ ১ দফার বাংলাদেশ ⚔️

আমাদের এই টেলিগ্রাম চ্যানেল যদি কোন সমস্যা হয় তবে আমাদের সমস্ত আপডেট নিচের এই ব্যাকআপ চ্যানেলে পাবেন: https://t.me/SaveBangladeshiStudents90

গনহত্যার নির্দেশদাতা এই খুনী মাফিয়ার অত্মম্ভরিতাপূর্ণ বক্তব্যটি আরো একবার শুনোন। কীভাবে গণহত্যাকে বৈধতা দেয়ার চেষ্টা করছে। সে বলেছে, "কোন শিশু মারা যায়নি, হয়তো দুইএকজন কিশোর মারা গিয়েছে" । তার মানে শিশু না হলে মানুষ হত্যা তাদের কাছে কোন অপরাধ নয় । তার ওপর শত শত শহীদের হত্যাকে কী নির্লজ্জের মতো অস্বীকার করছে। বলছে, "হয়তো দুইএকজন কিশোর মারা গিয়েছে" । এই খুনীর সাথে কেমন আচরণ করা উচিত, এর পরিণতি কেমন হওয়া উচিত তা আপনারাই ঠিক করুন।

আ.লীগ দলটাই কাপুরুষের দল। এদের প্রধান গুন্ডা মুজিবও ছিল কাপুরুষ। যুদ্ধ শুরুর আগেই স্যুটকেস ঘুছিয়ে রেখেছিল। এই আওয়ামী গুন্ডারাও দেখেন রাতের বেলা বের হয়ে একজন বিরোধীদলীয় নারী নেত্রীর বাড়িতে আক্রমণ করছে। অথচ সারাদেশে সারাদিন লক্ষ লক্ষ জনতা রাজপথে ছিল এদের কোথাও তখন খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরা ভাবছে এইগুলা করে রক্ষা পাবে। এতদিন জনগণ এদের ছাড় দিলেও এই খুনি, গণহত্যাকারী, মাফিয়াদের আর কোন ছাড় নেই।

আফগানিস্তানে ক্ষমতা পরিবর্তনের পরপরই এভাবে পালিয়ে গিয়েছিল সেদেশের অপরাধীরা। বাংলাদেশের হাসিনার আশপাশের রাঘব বোয়ালেরা হয়তোবা তার সাথে পালাবে কিন্তু বাকিরা? এভাবে ঝুলে ঝুলে পালানোর সময়ও তো দিবেনা জনতা। একেবারে পুঁতে ফেলবে কিন্তু। গণহত্যাকারী, নারী নিপীড়নকারীদের একচুলও ছাড় দিবেনা জনতা। সুতরাং মুজিবের বেজন্মারা আগামীকাল সংক্ষুদ্ধ ছাত্র-শ্রমিক-জনতার মুখোমুখি হওয়ার আগে অবশ্যই বাড়ি থেকে শেষ বিদায় নিয়ে আসবা। সময় এখন পক্ষে না।

আগামীকাল কেউই বাসা থেকে বের হবেন না। যদি বের হন তবে যার কাছে যা আছে তাই নিয়ে বের হবেন। যেটা দিয়ে গণহত্যাকারীদের যথাযথ শাস্তি দেওয়া যাবে।

ইনশাআল্লাহ❤️ এই জালেম সরকার বিরুদ্ধে আমরা জয়ী হবো,,, সবাই নিজ নিজ অবস্থা থেকে রুখে দাড়ান,, প্রতিবাদী আন্দোলনে যোগ দিন
ইনশাআল্লাহ❤️ এই জালেম সরকার বিরুদ্ধে আমরা জয়ী হবো,,, সবাই নিজ নিজ অবস্থা থেকে রুখে দাড়ান,, প্রতিবাদী আন্দোলনে যোগ দিন

দেখেন আওয়ামী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরপশু কামাল বলছে, এই আন্দোলনে নাকি পুলিশের গুলিতে কেউ মারা যায়নি। এছাড়া সে এও বলেছে কোন শিশুও নাকি মারেনি তারা। অথচ আমরা দেখেছি কিভাবে ছাদে ও বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা শিশুরা এই খুনীদের ব্রাশফায়ারে মারা গেছেন। এরা এভাবেই রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে "সাদা" কে "কালো" ও "কালো" কে "সাদা" বানিয়ে ফেলে। ঠিক একইভাবে যেমনটা আমরা দেখেছিলাম এই জাতির শ্রেষ্ট সন্তানদের শতাব্দীর শ্রেষ্ঠতম মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কিভাবে একের পর এক ফাঁসি দিয়েছে বিচারপতিলীগ কালো মানিকদের দিয়ে।

আগামীকাল সারাদেশে পাড়া, মহল্লা, গ্রামের বাজার, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন সব জায়গায় সংগঠিত হোন। দাবানলের মতো আন্দোলনের স্পৃহা ছড়িয়ে দিন। আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীদের যেকোনো আঘাতের জবাব দিতে সংগ্রাম কমিটি গড়ে তুলুন এবং প্রতিরোধের প্রস্তুতি নিন। স্ব উদ্যোগে পাড়া, মহল্লা, গলি, ওয়ার্ডে সংগ্রাম কমিটি গড়ে তুলুন। আসিফ মাহমুদ সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

কুমিল্লার বাহারের সন্ত্রাসীরা কি নৃশংস ভাবে নারী শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করছে দেখেন। এই খুনি-সন্ত্রাসীদের কেউ যদি আমাদের বোনদের গায়ে এভাবে হামলা করতে আসে হাত-পা সব কেটে ফেলবেন আগামীকাল।

আজ কিন্তু আন্দোলনের সঙ্গে পোশাক শিল্পের ৪৮ ব্যবসায়ী সংহতি প্রকাশ করেছে। সুতরাং আগামীকাল এমনিতেই সব কলকারখানা বন্ধ থাকবে। আগামীকাল আওয়ামী সন্ত্রাসীদের খবর আছে মাঠে নামলে। একটার পিঠের চামড়াও আস্ত রাখবেনা শ্রমিক-জনতা-শিক্ষার্থী।

রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যাবহার করে দমন-পীড়নে ব্যর্থ হয়ে দলীয় গুন্ডাদের দিয়ে আন্দোলনে সহিংসতা করার ষড়যন্ত্র করছে আওয়ামীলীগ। হানাদারদের মতো এরাও শুধু এদেশের মাটি চায়, জনগণের রক্তে ভেজা মাটির শাসক হয়ে থাকতে চায়। আগামীকাল সারাদেশে পাড়া, মহল্লা, গ্রামের বাজার, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন সব জায়গায় সংগঠিত হোন। দাবানলের মতো আন্দোলনের স্পৃহা ছড়িয়ে দিন। আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীদের যেকোনো আঘাতের জবাব দিতে সংগ্রাম কমিটি গড়ে তুলুন এবং প্রতিরোধের প্রস্তুতি নিন। স্ব উদ্যোগে পাড়া, মহল্লা, গলি, ওয়ার্ডে সংগ্রাম কমিটি গড়ে তুলুন। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করতে চাই, কিন্তু আঘাত আসলে এর জবাব দিতে পিছপা হবো না। যদি আঘাত আসে, তবে শান্তিপূর্ণ অসহযোগ এক চুড়ান্ত লড়াইয়ে রূপ নিবে। মুক্তিকামী ছাত্র-জনতার উপর আঘাত করার মতো ধৃষ্টতা দেখাবেন না, হুঁশিয়ার করে দিচ্ছি। - আসিফ মাহমুদ সমন্বয়ক , বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন

সিলেটে পুলিশলীগের খুনিরা সারাদিন শিক্ষার্থীদের বুকে গুলি চালিয়ে যখন রাত আসে তখন তারা সবদিক দিয়ে ঘেরাও হয়। তাছাড়া তারা ক্লান্ত ও রসদও শেষ হয়ে যায়। কিন্তু মানবিক শিক্ষার্থীরা এই পুলিশলীগের খুনিদের সাথে মানবিক আচরণ করেছে। তাদেরকে নিরাপদে স্থান ত্যাগ করতে সাহায্য করেছে। যদি ঠিক এর উল্টো কিছু হতো তখন কি হতো? রাজধানীর রামপুরায় যেভাবে একটা শিশুকে মাথায় একাধিকবার শ্যুট করে হত্যা করা হয়েছে ঠিক সেভাবেই হত্যা করতো এই খুনিরা।

শুধু শেখ হাসিনা না, খু'নিকে যারা প্রকাশ্যে এখনো খু'নি বলেনি তাদের কারো সাথে ছাত্রসমাজের কেউ সংলাপ কিংবা টকশো করবে না! সকল দালালদেরই বর্জন করা হলো! দফা একটাই, র'ক্তখেকো রে'জিমের পতন! - আব্দুল হান্নান মাসুদ সমন্বয়ক , বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন

আওয়ামী সন্ত্রাসের শেষ কোথায়? পুলিশলীগের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই সন্ত্রাসীরা আর কত মায়ের বুক খালি করবে? আগামীকাল হোক গণপ্রতিরোধ দিবস। এই সন্ত্রাসীদের যেখানেই পাবেন সেখানেই "জয় বাংলা" করে দিবেন।