Ruhaail - রুহাইল
الذهاب إلى القناة على Telegram
1 360
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
+17 أيام
-1030 أيام
أرشيف المشاركات
1 360
জামায়াতের আমিরকে সাংবাদিক জিগাইলো, জীবনে কী হতে চেয়েছিলেন?
ডাক্তার শফিকুর রহমান এতক্ষণ খুব সাবলীল থাকলেও এবার বেশ করুণ মুখে বললেন, ইচ্ছা ছিলো একজন কৃষক হবো। হতে পারলাম না তো।
পুরুষ মানুষের জাতটা খুব অদ্ভুত।
এদের হাতে দুনিয়া আইনা দিলেও এরা দুইটা গরু, একটা ধান ক্ষেত, কয়েকটা ছাগল আর এক পুকুর মাছের জন্য আফসোস করতেই থাকবে, করতেই থাকবে।
বাবা আদমের এই কৃষি কাজ করার নেশাটা সম্ভবত আমাদের ডিএনএতেই আছে, আমির হোক আর ফকির, কৃষক হওয়ার স্বপ্ন পুরুষের চিরন্তন।
~ সাদিকুর রহমান খান।
1 360
🔴 ১০ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি শিশু, মুহাম্মদ আব্দুল রহমান আল-দাহদুহকে আজ সকালে মধ্য গাজার আল মাগাজি শরণার্থী শিবিরে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরাইলি বাহিনী।
1 360
তখন কলেজে পড়ি।
একদিন রাত একটার দিকে আব্বার ফোন। এই সময়ে ফোন মনের ভিতরে আ-তং-ক ঢুকায়ে দেয়। কোনো দুর্ঘটনা ছাড়া তো এই সময়ে ফোন আসার কথা না। ওই ফোনটা ছিলো আ-তং-কিত হওয়ার মতোই ফোন।
ফোন ধরে বললাম—হ্যালো।
আব্বা বললেন—ঘুমাস নাই?
বললাম—না। এখনো ঘুমাইনি।
– "আচ্ছা। শুন। মাসুম মারা গেছে।"
মাসুম ভাই আমাদের মামাতো ভাই। খুলু মামার বড় ছেলে। আমার নানার বাড়িতে সবচাইতে ডিসেন্ট, সবচাইতে স্নিগ্ধ ছেলেটার নাম মাসুম। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ। যখনই বাড়িতে আসতো দেখতাম হয় পেপার পড়ছে, নয়তো কোনো ম্যাগাজিন। বেশিরভাগ সময় দেখতাম Carrier নামে একটা ম্যাগাজিন পড়তো। মাসুম ভাই মা-রা গেছেন। আমার হাত-পা ঠান্ডা হয়ে গেলো। উনি তো কোনো রকম অসুস্থ ছিলেন না।
আব্বারে বললাম—মাসুম ভাই, কেমনে মারা গেছে?
আব্বা বললেন—আমি তো এতো কিছু জানি না। মাত্র খবর পাইলাম। ষোলশহর কারা জানি ছু-/রি মা-/র-ছে!
– "এখন কোথায় আছে?"
– "পাঁচলাইশ থানায়। তোর দুধু মামারে ফোন দিয়ে সকালে যাইস।"
আমি আর অপেক্ষা করলাম না। দুধু মামারে ফোন দিলাম। মামা কয়েকবার ফোন ধরলেন না। পরে ফোন ব্যাক করে বললেন—ভাইগ্না, মাসুম তো খু-/-ন হইছে। আমরা পাঁচলাইশ থানায় আছি।
আমি বললাম—আচ্ছা মামা। আমি আসতেছি।
মামা বললেন—আয়।
আমি তখন থাকি বহদ্দারহাট, চেয়ারম্যান ঘাটা। বাসা থেকে বের হয়ে রিকশা নিলাম। পাঁচলাইশ থানায় গিয়ে দেখলাম মামাতো ভাই, খালাতো ভাই, মামা, সবাই চলে আসছেন ইতোমধ্যে। দুধু মামা আর বড় মামা ওসির রুমে। বাকিরা সবাই রুমের বাইরে দাঁড়ায়ে আছে। জালাল ভাইয়ারে বললাম, ঘটনা কি ভাইয়া?
জালাল ভাইয়া বললেন—ছাত্রলীগের পোলাপাইন মাসুমরে ষোলশহর স্টেশনে কো-/পাই-ছে।
বিস্তারিত শুনলাম ভাইয়ার কাছে। মাসুম ভাই টিউশনি শেষ করে এসে ভার্সিটিতে ফিরার জন্যে স্টেশনে বসছেন। ট্রেনের জন্যে ওয়েট করছেন। এই সময়ে ছাত্রলীগের এক গ্রুপ এসে এলোপাতাড়ি কো-/পাই-/লো। মাসুম ভাই ওইখানেই শ-হী-দ হয়ে গেলেন। স্টেশনের লোকজন উনারে হাসপাতালে নেওয়ার পর দেখে অলরেডি উনি মা-রা গেছেন। পরে থানায় আনা হইছে উনাকে। থানার একপাশে একটা স্ট্রেচারে শোয়ায় রাখা হইছে। একটা সাদা চাদর উপরে দেওয়া। ওই চাদরটা রক্তে ভেসে গেছে। চাদর উল্টায়া চেহারাটা একবার দেখলাম। কোনো সুস্থ মানুষের পক্ষে এই চেহারাটা দেখা সম্ভব না। ঠোঁটের ডানপাশের একটা অংশ দাঁতসহ ঝু-লে গেছে। আর সারা শরীরে সব কোপের দাগ। গলা জ-/বা-ই করা। আমি ছিটকে দূরে সরে আসলাম। এই লা-শ দেখা সম্ভব না।
আমরা সবাই সারারাত থানায় দাঁড়ায়ে দাঁড়ায়ে কাটায়া দিলাম। সকালে লাশ নেওয়া হলো চট্টগ্রাম মেডিকেলে। পোস্টমর্টেম হলো। তারপর লা-শ নিয়ে আমরা রওয়ানা দিলাম গ্রামের উদ্দেশ্যে। আমার মামীকে এই লাশ দেখতে দিইনি আমরা। দেখানো অবস্থা ছিলো না। আমার মামী গড়াগড়ি দিয়ে শুধু বলছেন—আমার সোনারে আমি একটু দেখি। আমার সোনারে আমি একটু দেখি। মুরব্বীরা উনারে উনার সোনারে দেখানোর সাহস পাননি।
ওইদিন আমি জীবনে প্রথম লা-শ গোসল করানোর কাজ করলাম। লাশের বর্ণনা এই এত বছর পরেও আমি দিবো না। দেওয়া সম্ভব না। ওইদিনের পরে আমি অনেকদিন আর রাতে একা ঘুমাতে পারতাম না। ভয় পেতাম। ওইদিনের পর থেকে আমি আর কোনোদিন ছাত্রলীগরে মানুষের সন্তান মনে করতাম না। আজকেও করি না।
শ-হী-দ মহিউদ্দিন মাসুম। আমার আপন মামাতো ভাই। আমার মামা-মামী কোনোদিন এই খু-/নে-র বিচার পর্যন্ত চাইতে পারেনি।
আজকে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধের এই রাতে চোখের সামনে শুধু মাসুম ভাইয়ের লা-শের ছবি ভাসছে। উরুসন্ধিসহ সারা শরীতে কো-/পে-র দাগ। ঠোঁটের একটা অংশ ছিঁ-/ড়ে ঝুলে গেছে। গলাটা জ-বা-/ই করা! আহারে আমার মাসুম ভাই!
শ-হী-দ মহিউদ্দিন মাসুম
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
~ আরফাত!
1 360
ইলহাম থেকে প্রকাশিতব্য অনূদিত উপন্যাস নিয়ে অনুবাদক মনযূরুল হকের অভিব্যক্তি:
ইয়াহইয়া সিনওয়ারের লেখা একমাত্র উপন্যাস ‘কাঁটা ও ফুল‘ ঐতিহ্য প্রকাশনীর সিস্টার কনসার্ন ‘ইলহাম‘ থেকে প্রকাশ পাবে, ইনশাআল্লাহ। অফিসে আমার বস রানা ভাইসহ একাধিক মানুষ নানা সময়ে প্যালেস্টাইনের সমস্যাটি বোঝার জন্য কেবল একটি বইয়ের নাম জানতে চেয়েছেন। তাদের সবাইকে পরামর্শ দিব এই বইটি পড়তে। সিনওয়ারের মতো হাইপ্রোফাইল ব্যক্তি লিখেছেন বলে নয় এবং প্রতিরোধের আন্দোলনের নায়কের প্রতি আবেগের কারণেও নয়, বরং ১৯৬৭ পরবর্তী এই মুকাদ্দাস অঞ্চলকে বুঝতে এর থেকে ভালো বই আছে বলেও আমার জানা নেই। লেখক কেবল বাইরের সংঘাত নয় বরং ভিতরগত দ্বন্দ্বগুলো রুট থেকে স্টোরি তুলে এনেছেন।
আমি গল্পের মধ্যকার সত্য ঘটনাগুলো খুঁজে বের করেছি এবং ব্যক্তির পরিচয়, স্থান ও সন-তারিখ ফুটনোটে তুলে ধরতে চেয়েছি। আরবি নামগুলোর বর্তমান ইংরেজি নামকরণ ব্র্যাকেটে দিয়েছি, যেন আধুনিক শিক্ষিত পাঠকের পক্ষে মূল ঘটনার সত্যতা যাচাই করা সহজ হয়। সর্বশেষে সিনওয়ারের বর্ণাঢ্য জীবন, কর্ম ও চিন্তাধারা নিয়ে একটি বিশাল আকারের প্রবন্ধ যুক্ত করেছি।
এমন বিশাল কলেবরের বই অনুবাদ করে শেষ করতে পারব কিনা সেই চ্যালেঞ্জ ছিলই, তার চেয়েও সমস্যাজনক ছিল এই জাতীয় বই অনুবাদের কোনও আগ্রহই বোধ করি না বরং নিজে পড়তে ভালো লাগলে অন্যদের বলি মূল ভাষায় পড়ে নিতে। কিন্তু এই বইয়ের প্রথম অধ্যায়ের একটি ছোট্ট অংশ সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়ার পরে পাঠকরা যেইভাবে বাকিটুকু পড়ার আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন, তাদের সেই আবেদনই টেনে নিয়ে গেছে আমাকে শেষ পর্যন্ত কায়িকশ্রম দিয়ে অনুবাদটি সারতে। শতাধিক পাঠক ও বহু প্রকাশক নিয়মিত অধমকে মেসেজ করেছেন এবং শুরু করার পর প্রায় প্রতিদিন কারও না কারও টেক্সট পাচ্ছি যে, বইটা কতদূর হলো।
বইয়ের গল্পগুলো এত দুর্দান্ত এবং এতটাই জীবন্ত যে, কোনও অধ্যায়ের কিছু অংশ পড়ার পরে নিজেই অস্থির হয়ে থাকতাম যে, পরের অংশটা পড়ার সময় কখন বের করতে পারব। অনুবাদে আমি কোনও কারিশমা দেখাই নাই, কোনও সাহিত্য ফলাই নেই, যেমনটা লেখক নিজেও করেন নাই, বরং ঝরনার মতো ঝর ঝর গতিতে একটানা লিখে গেছেন গল্পের পরে গল্প, যেনবা একজন মধ্যবয়সী পুরুষ খান ইউনিসের ছোট্ট কুঠুরিতে বসে জীবনের গল্প বলে যাচ্ছেন কোনও অচেনা আখ্যানকারের কাছে।
কারাগারে লেখা এই উপন্যাস লেখক একটু একটু করে গোপনে বাইরে পাঠিয়েছিলেন বিশ্বস্ত সঙ্গীদের মাধ্যমে। লিখতে গিয়ে কি স্মৃতিকাতরতা ভর করেছে? ফলে কোথাও হতে পারে নিজের জীবনও চলে এসেছে। তা ছাড়া লেখকের নাম ইয়াহিয়া হাসান ইব্রাহিম এবং তার ভাইয়ের নাম মোহাম্মদ, ঘটনাক্রমে এই চারটি আলাদা ব্যক্তির নাম হিসেবে এই গল্পের অন্যতম চরিত্র হয়ে উঠেছে। কিন্তু বইয়ের শেষে আমাদের যুক্ত করা লেখকের সারগর্ভ জীবনচরিত পড়লেই পার্থক্যটা ধরা যাবে যে, কতটুকু তার নিজের আর কতটুকু সবার।
বইয়ের সবচেয়ে চমৎকার অংশটা হলো এর সংলাপ। আপন ভাইদের মধ্যকার দুর্দান্ত বিতর্ক এই বইয়ের প্রাণ। যাদের একজন ইসলামি ভাবধারার, একজন বাম এবং একজন ফাতাহ আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত। তাদের সবাই একই মায়ের ঘরে জন্ম নেওয়ার পরেও কীভাবে প্রচণ্ড বিপরীতমুখী চিন্তার মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠেছেন এবং পারস্পরিক সমঝোতা ধরে রেখেছেন। প্যালেস্টাইনি পুরুষদের শঠতা, শিবিরের দুর্দশা, নারীদের ছলনা এবং একইভাবে তাদের সাহসিকতা, আনন্দ ও কমনীয়তাও সবিশেষ বয়ান করেছেন তিনি নিঃসঙ্কোচে। লিখতে গিয়ে সেলফ সেন্সরের বাধায় তিনি পড়েন নি, আমি মনে করি, এটাই এই বইয়ের সবচে‘ বড় শক্তি। সিনওয়ার যদি প্রতিরোধের অন্যতম নেতা না-ও হতেন, এই বই তাকে আরবের প্রতিষ্ঠিত লেখক বানাতে কসুর করত না।
প্যালেস্টাইন নিয়ে ভাবেন, ভালোবাসেন বা ন্যূনতম জানতে আগ্রহ বোধ করেন তাদের প্রত্যেকের জন্য এই বইটি প্রথম ও অবশ্য পাঠ্য। অধমের অনুবাদ না পড়েন মূল বইটি হলেও পাঠ করে দেখবেন, মিনতি রইল। যারা আরবি না পারেন তাদের জন্য প্রথম অর্ধেকের ইংরেজি অনুবাদ আছে, প্রকাশিত হয়েছে ২০২৪ সালে, লেখকের তত্ত্বাবধানে, The Thorn and The Carnation শিরোনামে।
1 360
সিনওয়ারের শাহাদাতের ক্লিপ শেয়ার করে এক ইহুদী ক্যাপশন দিয়েছে, “দুঃখজনক হলেও সত্য যে তিনি মৃত্যুর মাধ্যমে জিতে গেছেন।”
আমাদের মুসলমানদের জীবন, মৃত্যু কোনোকিছুই অর্থহীন হওয়া উচিত না। আমরা যেন লড়াই করতে করতে দেহ ত্যাগ করে আল্লাহর সামনে পুনরুত্থিত হই, আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে সেই তৌফিক দান করুন।
আমরা যোদ্ধা নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মত। আমাদের জীবনের উদ্দেশ্য হোক জান্নাতের সবুজ পাখি হওয়া।
- Mayraj
1 360
মাত্রই আল-জাজিরা কনফার্ম করলো ইয়াহিয়া সিনওয়ারের শাহাদাতের খবর। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে দখলদার শত্রুবাহিনীর সাথে সম্মুখ লড়াই করেই বীরত্বপূর্ণ শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করেছেন।
গত আগস্টে তেহরানে হামাসের সাবেক নেতা ইসমাইল হানিয়াহ শহীদ হওয়ার পর ইয়াহিয়া সিনওয়ার হামাসের নেতা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন।
1 360
আমরা আমাদের সঙ্গীদের চেহারের ভিন্নতাকে গ্রাহ্যের মধ্যে আনি না,
কারন আমাদের আত্মার গুন্জন হু হু করে বলে
আমরা একআত্মা, এক প্রাণ।
শহীদের চেহারার কোন ভিন্নতা নেই।
আমরা তো শাহাদাতের জন্যই মায়ের উদর থেকে পৃথিবীতে পা রেখেছি।
ফিলিস্তিনের মজলুম জনপদ গাজার বীর শহীদদের জন্য আমাদের দোয়া ও ভালবাসা। আপনারা আপনাদের অন্তিম মুহুর্তপর্যন্ত যে ত্যাগ ও বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন সেটা মুসলিম জাতি আজীবন স্মরণে রাখবে।
উল্লেখ্য, এখনপর্যন্ত হামাস প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারের শাহাদাত কনফার্ম হয়নি। বিষয়টি এখনো ধোঁয়াশাপূর্ণ।
1 360
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
হা মা স প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার শাহাদাত বরণ করেছেন💔
দ্রুতই হয়তো অফিশিয়াল বিবৃতি আসবে।
1 360
সকাল ১১ টায় স্ব স্ব বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে এইচএসসির ফলাফল।
প্রথমবারের মত কেন্দ্রীয়ভাবে প্রকাশিত হচ্ছে না এইচএসসির ফল
1 360
মেট্রোরেলের মিরপুর-১০ স্টেশন আগামীকাল চালু হচ্ছে, কাজীপাড়া তো চালু হয়ে গেছে আগেই। ৩৫০ কোটি টাকাও লাগলো না, ১ বছর সময়ও লাগলো না, ৩ মাসের কম সময়েই সব রেডি। স্বৈরাচারীদের বয়ান এভাবেই ধুয়েমুছে যাক!
- সাইয়েদ আব্দুল্লাহ
1 360
একটু আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অফিসিয়ালি জানানো হয়েছে—
“গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের মাধ্যমে বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ার পথে এক নবযাত্রা সূচিত হয়েছে। এই গণঅভ্যুত্থানকে সাফল্যমণ্ডিত করতে ছাত্র-জনতা সক্রিয়ভাবে আন্দোলনের মাঠে থেকে কাজ করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে ১৫ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত সংঘটিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানসংশ্লিষ্ট ঘটনার জন্য কোনো মামলা, গ্রেপ্তার বা হয়রানি করা হবে না।
এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হলো। এ বিষয়ে অসত্য তথ্য দিয়ে কোনো সুবিধা আদায়ের বিরুদ্ধেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সতর্ক করছে মন্ত্রণালয়।”
এজন্যই বলি কোথাও অন্যায্য কিছু দেখলেই আওয়াজ তুলুন। আপনাদের প্রতিবাদে অন্যায্য অপচেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যাবে। কিন্তু চুপচাপ হজম করলে, সেই সুযোগটা সর্বস্তর থেকেই নেওয়ার চেষ্টা করবে অন্যরা।
- সাইয়েদ আব্দুল্লাহ
1 360
মালয়েশিয়ার বিমানবন্দরে মিজানুর রহমান আজহারী আটকে দেওয়ার তথ্যটি সঠিক।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে আজহারীর বিরুদ্ধে দেওয়া অভিযোগ এখনও দেশটির ইমিগ্রেশন সার্ভারে রয়ে গেছে।
ইমিগ্রেশন থেকে দূতাবাসে যোগাযোগ করলে কোনো রেসপন্স না পাওয়ায় এখনো বিমানবন্দরে ভিতরে আছেন তিনি। তার বিষয় কি সিদ্ধান্ত নেয়া হবে সেটি কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জানা যাবে।
1 360
যুক্তরাষ্ট্র গত ৭ অক্টোবর, ২০২৩ থেকে গাজায় চলমান সন্ত্রাসী ইসরাইলের যুদ্ধের পর রেকর্ড $১৭.৯ বিলিয়ন সামরিক সাহায্য ব্যয় করেছে, যা ইতিহাসে ইসরাইলকে দেওয়া সবচেয়ে বড় সামরিক সহায়তা। ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের "Costs of War" প্রকল্পের একটি রিপোর্টে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়াও, অতিরিক্ত $৪.৮৬ বিলিয়ন মার্কিন সামরিক অপারেশনে ব্যয় হয়েছে, যার মধ্যে ইয়েমেনের হুথিদের বিরুদ্ধে নৌবাহিনী নেতৃত্বাধীন অভিযানের খরচও অন্তর্ভুক্ত।
ইসরাইল মার্কিন সামরিক সাহায্যের সবচেয়ে বড় গ্রাহক, এবং ১৯৫৯ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত তারা মোট $২৫১.২ বিলিয়ন পেয়েছে। তবে, গত বছর গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ব্যয় হওয়া $১৭.৯ বিলিয়ন সর্বোচ্চ। যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক সাহায্যের মধ্যে রয়েছে মারণাস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, এবং ব্যবহৃত সামরিক সরঞ্জামাদি।
গবেষকরা উল্লেখ করেছেন, বাইডেন প্রশাসন সহায়তার পরিমাণ এবং সরবরাহ করা সরঞ্জামের ধরন সম্পর্কে পূর্ণ তথ্য গোপন করতে আমলাতান্ত্রিক কৌশল ব্যবহার করেছে, যার ফলে এই $১৭.৯ বিলিয়ন আংশিক হিসাব মাত্র।
