ar
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

الذهاب إلى القناة على Telegram

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

تُعد قناة চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 15 465 مشتركاً، محتلاً المرتبة 3 633 في فئة السياسة والمرتبة 1 474 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 15 465 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 23 يونيو, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار -220، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -13، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 11.04‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 3.66‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 707 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 566 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 30.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 24 يونيو, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة السياسة.

15 465
المشتركون
-1324 ساعات
-747 أيام
-22030 أيام
أرشيف المشاركات
সর্বপ্রথম আমি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করি, পরে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেন: কর্ণেল অব. অলি। ৫-৮ পাস বিএনপির নেতাকর্মীরা বিদ্রোহকে স্বাধীনতার ঘোষণা হিসেবে ধরে নিয়েছে!

পঞ্চগড়ে নির্বাচনী সমাবেশে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাইলেন এবং জান্নাতের টিকিট বিক্রি করলেন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার !!

ডিবি পরিচয়ে মহিষ লুটের চেষ্টা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গণপিটুনি জিয়ার সৈনিক✊
ডিবি পরিচয়ে মহিষ লুটের চেষ্টা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গণপিটুনি জিয়ার সৈনিক

সন্ত্রাসী দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে এবং নির্মমভাবে মারধর করে মৃতপ্রায় অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রেখে প
সন্ত্রাসী দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে এবং নির্মমভাবে মারধর করে মৃতপ্রায় অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

অশিক্ষিত ছাত্রদলের গুজব আবারো বাস্টেড। কর্নেল অলি নিজে বলেছে তিনিই প্রথম বিদ্রোহ করেছেন । আমীর সাহেবও তা ই বলেছেন, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের স্বাধীনতা ঘোষণার কথা আমীর সাহেব বলেননি তাও ছাত্রদলের অশিক্ষিতরা তাই ধরে নিয়েছে যেহুতু তারা ইংরেজি বুঝেনা, আমীর বলেছেন বিদ্রোহের কথা।

দোয়েল চত্বরে আব্বাস সাহেবের কর্মী মাঈন উদ্দীন ডিনার করার সময় হাতেনাতে ধরা। সাথে ছিলেন মাজার সংলগ্ন দোকানদার মো. শাহদাত হোসেন।
+3
দোয়েল চত্বরে আব্বাস সাহেবের কর্মী মাঈন উদ্দীন ডিনার করার সময় হাতেনাতে ধরা। সাথে ছিলেন মাজার সংলগ্ন দোকানদার মো. শাহদাত হোসেন। বাঁচাতে এসেছিলেন শিশু একাডেমি সংলগ্ন নার্সারির দোকানদার বাপ্পি তাকে সুপারিশ করতে ছুটে আসছেন সেগুনবাগিচা ইউনিট বিএনপি সেক্রেটারি ইকবাল হোসেন রানা।

রাকিব বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী সরাসরি পোস্ট করেই দিছে জানতাম🤣 সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখবেন সারা ফেসবুকে এই পোস্ট ওরা রাতেই বটগিরি শুরু
রাকিব বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী সরাসরি পোস্ট করেই দিছে জানতাম🤣 সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখবেন সারা ফেসবুকে এই পোস্ট ওরা রাতেই বটগিরি শুরু করে একযোগে।

আরেকটা কথা শেখ মুজিব ছিল স্বাধীনতার মূল ঘোষক। আর জিয়াউর রহমান হলেন সেই ব্যক্তি যিনি সেই ঘোষণাটি রেডিওতে পাঠ করে দেশবাসীর কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন। বটফোর্স এই ইতিহাস বিকৃতি নিয়ে ঠিকই কথা বলবেনা কিন্তু গুজব ছড়াবে।

বটফোর্সের নতুন গুজব। আমীরে জামাতের বক্তব্য কাটছাঁট করে প্রচার করা হচ্ছে যে সে নাকি কর্নেল অলিকে স্বাধীনতার ঘোষক বলেছেন যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমীরে জামাত কর্নেল ওলিকে বিদ্রোহী বলেছেন (we revolt) জেটাকে বটফোর্সের সদস্যরা স্বাধীনতার ঘোষণা ধরে নিয়েছে কারণ তারা তো আর ইংরেজি বুঝেনা। পড়ালেখা করলে কি আর বিএনপি সাপোর্ট করত?

এই পা নামাও আমার প্রিয় চান্দাব্বাস আসছে যার কারণে আমি চাঁদাবাজি করে এক বেলা খেতে পড়ি।

কুষ্টিয়ায় জামায়াতের নারী কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপির বাধা!

বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের কিছু নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে এমপি প্রার্থীদের ঘনিষ্ঠজনেরা "ফ্যামিলি কার্ড"-কে কেন্দ্র করে গ্রামীণ সাধারণ জনগণের কাছে ,বিশেষত নারী ভোটারদের উদ্দেশে ভ্রান্ত ও অতিরঞ্জিত বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। মূল লক্ষ্য একটাই - ভোট ব্যাংক শক্তিশালী করা। কারও বক্তব্যে শোনা যাচ্ছে, এই কার্ড থাকলে নিত্যপণ্যের বাজারদর অর্ধেক হয়ে যাবে , কেউ বলছেন চিকিৎসা ফ্রি হবে , আবার কেউ কার্ড প্রদর্শন করলে শিক্ষাখাতে সন্তানদের সব খরচ ফ্রি , এমন আশ্বাস দিচ্ছেন। বাস্তবে এসব বক্তব্যের কোনোটি দলের কেন্দ্রীয় বা নীতিগত ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। সমস্যাটি এখানেই গভীরতর। দলের হাই কমান্ডের ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত অবস্থান ও তৃণমূল পর্যায়ে ছড়ানো প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। ফলে সরকার গঠনের পর এসব অতিরঞ্জিত ও অবাস্তব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা দলের পক্ষে সম্ভব হবে না , এটা প্রায় নিশ্চিত। এর পরিণতি রাজনৈতিকভাবে ভয়াবহ হতে পারে। জনগণ নিজেদের প্রতারিত মনে করবে, জনপ্রতিনিধির প্রতি তৈরি হবে বিরক্তি ও অনাস্থা, এবং আবারও রাজনীতিতে জনবিচ্ছিন্নতার এক চক্র তৈরি হবে। স্বল্পমেয়াদি ভোটের অঙ্ক কষতে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক বিশ্বাস ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি এখানেই সবচেয়ে বড়।

তারেক কী একসেপ্ট করবে?
তারেক কী একসেপ্ট করবে?

স্টেজ বানাতেও দুই নাম্বারী করে জাতীয়তাবাদী চাঁদাবাজরা

জুলাইয়ে হাসিনার নির্দেশে হেলিকপ্টার এর ভয়াবহতা এরপরেও একটা দল আওয়ামীলীগ পুনর্বাসন করেছে

গুজব থেকে বাঁচতে ফলো করে রাখতে পারেন
গুজব থেকে বাঁচতে ফলো করে রাখতে পারেন

১৯ জুলাই মিরপুরের হাসপাতালের অবস্থা যেমন ছিলো যারা লীগ পুনর্বাসন করছে তাদের কী করা উচিৎ?
১৯ জুলাই মিরপুরের হাসপাতালের অবস্থা যেমন ছিলো যারা লীগ পুনর্বাসন করছে তাদের কী করা উচিৎ?