ar
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

الذهاب إلى القناة على Telegram

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

تُعد قناة চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 15 312 مشتركاً، محتلاً المرتبة 3 644 في فئة السياسة والمرتبة 1 496 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 15 312 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 11 يوليو, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار -265، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -5، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 10.44‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 3.98‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 598 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 610 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 36.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 12 يوليو, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة السياسة.

15 312
المشتركون
-524 ساعات
-667 أيام
-26530 أيام
أرشيف المشاركات
খুনি হাসিনার অবৈধ সরকারের আমলে ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম আবদুর রহিম এবং
+2
খুনি হাসিনার অবৈধ সরকারের আমলে
১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম আবদুর রহিম এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরীকে বছরের পর বছর কারাগারে রাখা হয়েছিল। তাদের ভ্যানে করে আদালতে আনা–নেওয়া হতো—
তখন কিন্তু সেনাবাহিনীর ইজ্জত যায়নি। আর এখন আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার আসামি খুনি সেনা অফিসারদের জন্য সেনানিবাসে আলাদা কারাগার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে??

শাহবাগী: দেশটা মোল্লাগো হাতে গেলো গা রে।।
শাহবাগী: দেশটা মোল্লাগো হাতে গেলো গা রে।।

দুদুকে ধুয়ে দিলেন, রাজ্জাকী সাহেব।

বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়ের মধ্যে লেনদেন করা যাবে। সব ব্যাংকেও টাকা পাঠানো যাবে। খরচ প্রতি হাজারে সাড়ে ৮ টাকা। ১ নভেম্বর থেকে চ
বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়ের মধ্যে লেনদেন করা যাবে। সব ব্যাংকেও টাকা পাঠানো যাবে। খরচ প্রতি হাজারে সাড়ে ৮ টাকা। ১ নভেম্বর থেকে চালু।

বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়ের মধ্যে লেনদেন করা যাবে। সব ব্যাংকেও টাকা পাঠানো যাবে। খরচ প্রতি হাজারে সাড়ে ৮ টাকা। ১ নভেম্বর থেকে চালু।

ইংরেজি শেখাকে একসময় আলেমগণ 'হারাম' বলেছিলেন! আজ প্রায় দেড়শো বছর পর এসে অনেকের মনে হচ্ছে তারা কতো ক্ষ্যাত ছিলেন, নিজেদের ইচ্ছেমতো হালাল-হারাম ফতোয়া দিতেন। . এটা বুঝার জন্য আমাদেরকে ঐতিহাসিক বাস্তবতা বুঝতে হবে। সেই সময়ের কথা চিন্তা করেন, যখন মুসলিমরা ছিলো শক্তিশালী, তাদের ছিলো সুলতানি আমল, মোঘল আমলের ঐতিহ্য। সেই ঐতিহ্য ধ্বসে পড়ে, নতুন শক্তি হিসেবে আবির্ভাব ঘটে ইংরেজদের। অনেক আলেম নির্যাতনের শিকার হন। ইংরেজরা মুসলিমদের শুধু রাজত্বই কেড়ে নেয়নি, সামাজিকভাবেই মুসলিমরা হয়ে পড়ে সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেন। মুসলিমদের ওপর চলে সামাজিক নিপীড়ন। বিজয়ী শক্তি ব্রিটিশরা, পরাজিত শক্তি মুসলিমরা। এমন অবস্থায় ইংরেজি শেখা কি স্বাভাবিক? মনে রাখতে হবে, ইংরেজি তখনো ঐভাবে ইন্টারন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজ, গ্লোবাল কমিউনিকেশন ল্যাঙ্গুয়েজ হয়নি। এটা ১৮৫০-১৯০০ সালের কথা বলছি, ২০২৫ সালের কথা না। চিন্তা করুন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পরের ঘটনা। তখনো পর্যন্ত উর্দু ভাষার বৈশ্বিক কদর বাংলার চেয়ে বেশি (একুশে ফেব্রুয়ারি তখনো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস না)। তখনো পর্যন্ত ভালো ভালো সব বই উর্দুতে পাওয়া যেতো। ইসলামি সাহিত্য থেকে দর্শন, ইতিহাস সব। মুক্তিযুদ্ধের পর যদি উর্দু শেখার উদ্যোগ ভালোভাবে নেয়া হতো আর সেটার বিরোধিতা করা হতো, তাহলে কি এই যুগে এসে বলতেন যারা বিরোধিতা করেছিলো তারা ভাষার গুরুত্ব বুঝে না? না, তখন বুঝাই যাচ্ছে উর্দুর বিরোধিতা হতো ভাষার কারণে না, রাজনীতির কারণে (যদিও ইংরেজির সাথে উর্দুর উদাহরণ চলে না, তারপরও 'ভাষার রাজনীতি' বুঝানোর সুবিধার্থে বললাম)। আজ থেকে প্রায় ২০০ বছর আগে ইংরেজির বিরোধিতা আলেমগণ করেছিলেন শুধুমাত্র ভাষার কারণে না, ভাষার রাজনীতির কারণে। . এই মুহূর্তে ইংরেজি আমাদের কাছে একটি ভাষা, একটি স্কিল। কিন্তু, তখন ইংরেজি কেবল একটি ভাষা ছিলো না। ইংরেজি ছিলো খ্রিস্ট ধর্ম প্রচারের একটি উপলক্ষ। উপমহাদেশে তখন অনেক মিশনারী এসেছিলো। তারা খ্রিস্ট ধর্ম প্রচার করতো, তাদের প্রচারে সাড়া দিয়ে অনেকেই খ্রিস্টান হয়েছিলো। কাজী নজরুল ইসলাম 'মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাসে এই চিত্র খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন। এছাড়াও মুন্সী মেহেরুল্লাহর সমসাময়িক মৌলভী জমিরুদ্দীন ইংরেজি শিখে একসময় খ্রিস্টান হয়ে নাম ধারণ করেন 'জন জমিরুদ্দীন'। পরবর্তীতে ফিরে আসেন। . এখন আপনি ইংরেজি শিখেন কার কাছে? যেকোনো মুসলিম শিক্ষকের কাছে, যিনি কেবল ইংরেজিই শেখান। আজ থেকে ১৫০/২০০ বছর আগে কেউ ইংরেজি শিখতে চাইলে কার কাছ থেকে শিখতে হতো? ব্রিটিশদের কাছে, মিশনারীদের কাছে। সেই ব্রিটিশ মিশনারী কি শুধু ইংরেজিই শেখাতো? ধরেন, একটা মাদ্রাসায় হিন্দুরা আসছে আরবি শিখতে, তারা মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে চাকরি করবে, এজন্য আরবি শেখা দরকার। স্বাভাবিকভাবেই মাদ্রাসা কি শুধু আরবিই শেখাতে চাইবে? তারা কি আখলাকের মাধ্যমে, সফটলি দ্বীনের দাওয়াত দিবে না? মিশনারীর কাজটাও তো ছিলো এমন। এই যুগে ইংরেজি শেখার যে উপকারিতা, ইংরেজির যে উপযোগিতা, আজ থেকে ২০০ বছর আগে সেটা ছিলো না। . আলেমগণ ইংরেজি শেখা হারাম ফতোয়া দিয়েছেন, কেনো দিয়েছেন, সেটার ঐতিহাসিক এবং সামাজিক-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট কী ছিলো সেটা জানাও আমাদের দরকার। ইংরেজি শিক্ষা নিয়ে উপমহাদেশের আলেমদের ব্যাপারে, আমাদের আকাবিরদের ব্যাপারে যে মন্তব্য করা হচ্ছে ২০২৫ সালে এসে, তখন কিন্তু আমরা প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিচ্ছি না। ফতোয়া সবসময় পরিবর্তনশীল। ফতোয়া দেয়া হয় মূলত অবস্থা বিবেচনায়। শুধুমাত্র ইংরেজি না শেখার কারণেই মুসলিমরা পিছিয়ে যায়নি, বরং এর পেছনে ছিলো রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক অন্যান্য কারণও।

আজকে শহীদ সালেহ আল-জাফারাওবির ভাই নাজি মুক্তি পেয়েছে" কি নিষ্ঠুর পরিণতি! আনন্দ এবং কষ্ট এক মুহূর্তের মধ্যে মিলিত হয়েছে, শহীদ
আজকে শহীদ সালেহ আল-জাফারাওবির ভাই নাজি মুক্তি পেয়েছে" কি নিষ্ঠুর পরিণতি! আনন্দ এবং কষ্ট এক মুহূর্তের মধ্যে মিলিত হয়েছে, শহীদ ভাইয়ের অনুপস্থিতির সাথে মিশে থাকা মুক্তবাতাস কীভাবে সহ্য করা যায়? আহ্- ভাইয়ের মুক্তির দিনে সালেহকে কবরে সমাহিত করা হয়েছে।

🔻 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) একটি আবাসিক ছাত্র হলের কক্ষে আটকে নবীন শিক্ষার্থীদের র‍্যগিংয়ের অভিযোগে প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ১৬ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বাংলাদেশের সৌভাগ্য ওয়াকার-উজ-জামানের মতো একজন সেনাপ্রধান পেয়েছে: বিএনপি নেত্রী রুমিন ফারহানা💩
বাংলাদেশের সৌভাগ্য ওয়াকার-উজ-জামানের মতো একজন সেনাপ্রধান পেয়েছে: বিএনপি নেত্রী রুমিন ফারহানা💩

জিনিসটা আসলে কী? কোন কাজে ব্যবহার করা হয়?
জিনিসটা আসলে কী? কোন কাজে ব্যবহার করা হয়?

আলহামদুলিল্লাহ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গানের শিক্ষক নিয়োগের চিন্তা থেকে সরে এসেছে সরকার।

কুমিল্লা নামে বিভাগ হবে না কেন, কুমিল্লা নামে বিভাগ হওয়া উচিত। বর্তমান সরকারের কাছে অনুরোধ করবো, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের সম্মানটা ফিরিয়ে দিন। — ডাঃ শফিকুল রহমান #কুমিল্লা_বিভাগ_চাই

এনসিপির উচিত বিএনপির সাথে জোট করা৷ এনসিপি যদি জামায়াতের সাথে জোট করে তাহলে বিএনপি আওয়ামীলীগকে ফেরার চেষ্টা করবে। তাই বিএনপির
এনসিপির উচিত বিএনপির সাথে জোট করা৷ এনসিপি যদি জামায়াতের সাথে জোট করে তাহলে বিএনপি আওয়ামীলীগকে ফেরার চেষ্টা করবে। তাই বিএনপির সাথে এনসিপির জোট হলে আওয়ামীলীগকে ফিরাতে চাইবেনা বিএনপি। সম্ভবত এই কৌশল নিয়ে এনসিপি বিএনপির সাথে জোট করবে।

প্র‍ত্যেকটা বাজার হবে চাঁদাবাজের ঘাঁটি এটা বলেন মনু,,,।
প্র‍ত্যেকটা বাজার হবে চাঁদাবাজের ঘাঁটি এটা বলেন মনু,,,।

একটি হামভির আত্নকাহিনী ছবিতে যে মিলিটারি ভেহিক্যালটি দেখা যাচ্ছে সেটি হচ্ছে আমেরিকার তৈরি লাইট ইউটিলিটি এন্ড ইনফ্যান্ট্রি মোব
একটি হামভির আত্নকাহিনী ছবিতে যে মিলিটারি ভেহিক্যালটি দেখা যাচ্ছে সেটি হচ্ছে আমেরিকার তৈরি লাইট ইউটিলিটি এন্ড ইনফ্যান্ট্রি মোবাইল ভেহিকেল হামভি।। প্রায় ৩লাখ ডলারের এই ভেহিকেলগুলা আমেরিকা আফগান আর্মিকে দিয়েছিলো।২০২১ সালে তালে + বান আফগানিস্তান দখলে নেওয়ার পরে এই ভেহিকেলগুলা তালে+বানের হাতে আসে এবং তারা এগুলা নিজেদের কাজে ব্যাবহার শুরু করে। সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘর্ষে আফগানদের থেকে এই হামভিটি পাকিস্তানের দখলে এসেছে।

নেতা রাজনীতির চাইতে দেখি মাস্তানি বেশি বুঝে!😐
নেতা রাজনীতির চাইতে দেখি মাস্তানি বেশি বুঝে!😐

পাকিস্তান যেন এক খন্ড গাযা...

১,৯৬৬ জন ফিলিস্তিনি বন্দি ইতোমধ্যেই মুক্তির জন্যে ইসরায়েলের কারাগার থেকে বাসে চড়ে রওনা হয়েছেন। বন্দী বিনিময় চুক্তির আওতায় বন্
১,৯৬৬ জন ফিলিস্তিনি বন্দি ইতোমধ্যেই মুক্তির জন্যে ইসরায়েলের কারাগার থেকে বাসে চড়ে রওনা হয়েছেন। বন্দী বিনিময় চুক্তির আওতায় বন্দী হওয়া ২০ ইসরায়েলি সেনাকে মুক্তি দিলো আল-কাসসাম ব্রিগেড

আমাদের কী আসে যায়? মারুক, মরুক। পাকিস্তান জনতা সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা লাঞ্ছনার জীবন পার করবে, আর পাকিস্তান সেনাবাহিনীও সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা গাদ্দারি এবং জালিমের ভূমিকা পালন করেই যাবে। সুতরাং পাকিস্তান জনগণের জন্য শুভকামনা। আরও বেশি করে মাইর খাক। পিষে ফেলুক। এটা পাকিস্তানের লাহোরের দৃশ্য। যেখানে রেজভীরা ফিলিস্তিনের সমর্থনে বিক্ষোভ করলে তাদের উপর এভাবেই পৈশাচিক আগ্রাসন চালায় পাকিস্তানের লাঞ্ছিত জালিম প্রশাসন। শোনা যাচ্ছে এ পর্যন্ত শতাধিক (১৮০ জন) লোক নিহত হয়েছে। আশা করা যায় লাশ-ব্যবসায়ী জালিম সেনাবাহিনী এই লাশগুলো দেখিয়ে ভালো পরিমাণ ডলার কামাতে পারবে। ইজ্রা.য়েলের ব্যাপারে নমনীয় নীতির চাক্ষুষ প্রমাণ দেখিয়ে লাশের রেট আরও বাড়াতে পারবে।