1 036
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
-87 أيام
-4030 أيام
أرشيف المشاركات
1 036
সরকারি মদদে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অপব্যবহার করে দেশব্যাপী সাধারণ শিক্ষার্থীদের হত্যা করার দায়ে জাতির কাছে ক্ষমা না চেয়ে এবং দোষীদের বিচারের আওতায় না এনে সরকারের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা শত শত শহীদদের রক্তের প্রতি চরম অসম্মান ছাড়া আর কিছুই নয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সরকারের এ প্রহসন ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে।
একদিকে মায়াকান্না অন্যদিকে শহীদদের সহপাঠীদের বিরুদ্ধে মামলা-হামলা ও নির্যাতন অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। মন্ত্রী পর্যায় থেকে শুরু করে কনস্টেবল পর্যন্ত সকল দোষীদের অবিলম্বে অব্যাহতি দিয়ে বিচারের আওতায় আনতে হবে, সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও আটককৃতদের মুক্তি দিতে হবে। এমন ঘৃণ্য ক্র্যাকডাউনের দায় শিকার করে অবিলম্বে প্রধানমন্ত্রীকে জাতির কাছে ক্ষমা চায়তে হবে। কারফিউ প্রত্যাহার করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার ব্যাবস্থা করতে হবে। তারপর আমরা আলাপ-আলোচনা করে আন্দোলন প্রত্যাহারের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিব।
আব্দুল হান্নান মাসউদ
সমন্বয়ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
1 036
আজকে সারাদেশের ছাত্র, শিক্ষক, আইনজীবী, শ্রমিক, নাগরিক প্রমাণ করে দিল যে, এই আন্দোলন এখন আর শুধু ছাত্রদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আন্দোলন পৌছে গিয়েছে প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে, প্রত্যেকটি অলিতে গলিতে।
প্রমাণ হয়ে গিয়েছে যে, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বাধা দিলে, আন্দোলন আরও দ্বিগুণ তেজে রাজপথ প্রকম্পিত করবে।
প্রমাণ হয়ে গিয়েছে যে, বাংলার ছাত্রসমাজের সাথে সাথে বাংলার নাগরিক সমাজও জেগে উঠেছে!
শহীদ ভাই-বোনদের রক্তের বিচার হওয়ার আগ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।🔥🔥
1 036
+2
সোমবার (২৯ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে নোয়াখালী জিলা স্কুলের সামনে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। দুই ঘন্টা সড়ক বন্ধ করে সমাবেশ।
1 036
কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নাশকতাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার অভিযোগে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে গত দুই সপ্তাহে বিএনপি-জামায়াত ও তাদের অঙ্গসংগঠনের ৬২ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।সূত্র: প্রথম আলো #BANGLADESH
1 036
বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশের গুলি চালানোর বিষয়ে আজকে আবারও সংবাদ প্রচার করেছে বিখ্যাত আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরা।
#BANGLADESH
1 036
স্বৈরাচার হাসিনার সেকেন্ড-ইন-কমান্ড, আওয়ামী দুর্বৃত্ত কাউয়া কাদের সারাদেশের শিক্ষার্থীদের "সন্ত্রাসী" বলে অভিহিত করেছে। এই দুর্বৃত্তকে যেখানেই পাবেন সেখানেই প্রতিরোধ করবেন। এটা এদেশের ছাত্রসমাজের পবিত্র দায়িত্ব হয়ে পড়েছে।
1 036
🚨 ব্রেকিং! চট্টগ্রামে সাধারণ শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে পুলিশের বোমা হামলা!
হামলার সময় সেখান থেকে অনেক সাধারণ শিক্ষার্থীকে অজ্ঞাত স্থানে তুলে নিয়ে যায় স্বৈরাচার হাসিনার খুনি বাহিনী।
তারিখ: ২৯শে জুলাই ২০২৪
লোকেশন: চট্টগ্রাম।
1 036
চিটাগংয়ের চেরাগী পাহাড় এবং আন্দরকিল্লায় শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশের গুলি।
চট্টগ্রাম রণক্ষেত্র।
1 036
‘প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার হয়েছে’
১৫০ জনের মৃত্যুর নানা দিক নিয়ে দুজন নিরাপত্তা বিশ্লেষকের সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। তাঁদের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন,
"মৃত্যুর তথ্য বিশ্লেষণে বোঝা যাচ্ছে বিক্ষোভে কারা অংশ নিয়েছিলেন। দেখা যাচ্ছে, এতে সরাসরি রাজনৈতিক দলের কর্মীদের সংশ্লিষ্টতা কম ছিল। এতে বেশি সংখ্যায় অংশ নিয়েছিলেন শিক্ষার্থী ও নিম্ন আয়ের মানুষ।"
অন্যদিকে বিক্ষোভ দমনে প্রাণঘাতী অস্ত্র (বুলেট বা গুলি) ব্যবহার করা হয়েছে বলে মনে করেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন,
পুলিশের কাছে অহরহ যেসব অস্ত্র দেখা যায়, তা চায়নিজ রাইফেল। এ ধরনের অস্ত্র সাধারণত সামরিক বাহিনী ও আধা সামরিক বাহিনী বিজিবির কাছে থাকে। আর্মড পুলিশের কাছেও থাকতে পারে। তবে সাধারণ পুলিশের কাছে থাকার কথা নয়। তিনি বলেন, যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়া বিশ্বের কোথাও নিরস্ত্র মানুষের বিক্ষোভ দমনে এভাবে প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার দেখা যায় না।
