ar
Feedback
Admission Nutshell

Admission Nutshell

الذهاب إلى القناة على Telegram

পড়াশোনা বিষয়ক তথ্য থাকুক হাতের মুঠোয়.. Admin Bot- @admission_nutshell_robot Discussion - @admission_nutshell_chat

إظهار المزيد
7 901
المشتركون
-224 ساعات
-17 أيام
-1330 أيام
أرشيف المشاركات
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিনস অ্যাওয়ার্ড কীভাবে পাওয়া যায়? বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে একাডেমিক সাফল্যের অন্যতম সম্মানজনক স্বীকৃতি হলো Dean’s Award। তবে এটি পাওয়ার নিয়ম সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এক নয়। বিশ্ববিদ্যালয় ও অনুষদভেদে শর্ত কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত যেসব বিষয় বিবেচনা করা হয়: • উচ্চ CGPA: অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪.০০ স্কেলে ৩.৭৫ বা ৩.৮০+ CGPA-এর মতো নির্দিষ্ট মানদণ্ড থাকে। কোথাও আবার অনুষদের সর্বোচ্চ CGPA অর্জনকারীদের মধ্য থেকে নির্বাচন করা হয়। • Improvement বা Retake না থাকা: অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো কোর্সে Improvement বা Retake গ্রহণযোগ্য নয়। প্রথমবারেই কোর্স সম্পন্ন করার শর্ত থাকতে পারে। • F Grade না থাকা: কোনো কোর্সে F Grade থাকলে সাধারণত যোগ্যতা নষ্ট হয়। • Academic continuity: Readmission বা শিক্ষাজীবনে নির্দিষ্ট ধরনের বিরতি থাকলেও কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালায় অযোগ্যতা তৈরি হতে পারে। • Attendance: কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট হারে উপস্থিতির শর্ত থাকে। • Disciplinary record: কোনো ধরনের শৃঙ্খলাজনিত সমস্যা থাকলে পুরস্কারের জন্য বিবেচিত না-ও হতে পারে। তবে শুধু CGPA বেশি হলেই সব জায়গায় Dean’s Award নিশ্চিত নয়। কোথাও প্রতিটি অনুষদ থেকে ৩ জনকে First, Second ও Third হিসেবে দেওয়া হয়, আবার কোথাও শুধু একজনকে দেওয়া হয়। CGPA সমান হলে Marks, এরপর অন্যান্য একাডেমিক ফলাফল বিবেচনা করার নিয়মও থাকতে পারে। সাধারণত ফলাফল প্রকাশের পর বিভাগ বা অনুষদ যোগ্য শিক্ষার্থীদের তালিকা তৈরি করে। কোথাও শিক্ষার্থীর আবেদন প্রয়োজন হতে পারে, আবার কোথাও কর্তৃপক্ষ সরাসরি নির্বাচন করে। আরেকটি বিষয় বেশ গুরুত্বপূর্ণ। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষদে সর্বোচ্চ ফলাফল করা শিক্ষার্থী পরবর্তীতে Prime Minister Gold Medal-এর জন্যও মনোনীত হওয়ার সুযোগ পাবেন, যদিও সেটি সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট নীতিমালার ওপর নির্ভরশীল। তাই বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে শুধু ভালো CGPA নয়, শুরু থেকেই প্রতিটি কোর্স প্রথমবারেই ভালোভাবে সম্পন্ন করা, নিয়মিত ক্লাস করা এবং একাডেমিক রেকর্ড পরিষ্কার রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। ভালো ফলাফল শুধু একটি সংখ্যা নয়, অনেক সময় সেটিই হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের স্বীকৃতির পথ। ©আবু রেজা

রাত ২টা ৫৭ মিনিট... রাজ্যের কঠিন কঠিন ম্যাথ সলভ করছি, এক্সামের হাতে গোণা কয়েকদিন বাকি আছে। অনেক দিন পর ইউটিউব এ গান বাজিয়ে পড়ছি, এক পর্যায়ে Arijit Singh এর "bandeya re bandeya " গানটি বেজে উঠলো। গান টার ভাব এইরকম " আর কিছু সময়ই বাকি আছে, তার পর এই অন্ধকার কেটে যাবে, কিন্তু তুমি যদি এখন থেমে যাও তুমি কখনোই গন্তব্য পাবে না " - হুট করে আমার নিজের এডমিশন জার্নির কথা মনে পড়ে গেলো, কত শত রাত নির্ঘুম কেটেছে, পড়ার টেবিলে বসে কান্না, পড়া মাথায় ঢুকতো না, ভুলে যেতাম, নিজেকে বিট করতে পারতাম না, কত অনিশ্চয়তা.. আপনারাও হয়ত এই সময়টার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, পরীক্ষা যত ঘনিয়ে আসছে সেল্ফ ডাউট তত বাড়ছে, মানসিক চাপ, ফ্যামিলির স্বপ্ন, নিজের স্বপ্ন সব বোঝা হয়ে যাচ্ছে এই ছোট্ট মাথায়.. চেষ্টা করতে থাকুন, এই দেশে ভালো একটা জায়গায় পড়তে পারলে নিজেকে এগিয়ে নেওয়ার পর একটু সহজ হবে, এই কালো,নির্ঘুম রাত একদিন কেটে যাবে, কিন্তু এখন আপনি যদি নিজেকে নিজের সামনে দাঁড় করানোর মতোন যোগ্য করে না গড়তে পারেন এই রাতের কষ্ট গুলো আপনাকে ছায়ার মতোন পিছু করে বেড়াবে, দীর্ঘশ্বাস খুবই বাজে। পড়তে থাকেন। কষ্ট লাগবে, মনোযোগ আসবে না, কিন্তু এগুলো সাময়িক। নিজেকে গড়ুন, সময় আছে আপনার কাছে।

#Cluster_agri ২০২৬- ২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে কৃষি গুচ্ছে যুক্ত হতে যাচ্ছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের "ভেটে
#Cluster_agri ২০২৬- ২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে কৃষি গুচ্ছে যুক্ত হতে যাচ্ছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের "ভেটেরিনারি মেডিসিন অ্যান্ড এনিম্যাল সায়েন্স অনুষদ"

#CoU কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এর ২৬-২৭ সেশনের ভর্তি পরীক্ষা সম্পর্কিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
#CoU কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এর ২৬-২৭ সেশনের ভর্তি পরীক্ষা সম্পর্কিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

#JU ‎‘আমরা আগামী জানুয়ারির ১৭ তারিখ থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করছি।’ - অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম। উপ-উপাচার্য (শিক্ষা),জাবি

একসময় বোর্ড স্ট্যান্ড করা স্টুডেন্টরাও ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার না হয়ে ফিজিক্স পড়তে চাইতো। এপ্লাইড কেমেস্ট্রি পড়তো। মলিকিউলার বায়োলজি পড়তো। সংখ্যায় কম হলেও পড়তো। একটা ধারা ছিলো। বোর্ড স্ট্যান্ড করা অনেক কঠিন বিষয় ছিলো। আজকের দিনের এ-প্লাস পাওয়ার চেয়ে বহুগুণ কঠিন। প্রফেসর জাহিদ হাসান ঢাকা বোর্ডে স্ট্যান্ড করা স্টুডেন্ট। চাইলেই মেডিক্যাল-বুয়েটে পড়তে পারতেন অনায়েসে। কিন্তু তিনি পড়তে চাইলেন ফিজিক্স। তাই পড়লেন। প্রফেসর সাইফ ইসলাম সারা বাংলাদেশে প্রথম হয়েছিলেন। এসএসসি এবং এইচসি'তে। চোখ বন্ধ করে মেডিক্যালে ভর্তি হতে পারতেন। কিন্তু তিনি পড়তে চাইলেন ফিজিক্স/কম্পিউটার সাইন্স। তাই পড়লেন। তারপর ২০০০ সাল হিট করলো। সেই সংখ্যাগুলো কমে যেতে লাগলো। ২০১০ এর পর, দেশে সোশাল মিডিয়ার প্রভাব বাড়লো। আমাদের দেশে বিসিএস জ্বর শুরু হলো। মেডিক্যাল, বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করেও লক্ষ্য বিসিএস। দেশের সেরা সেরা স্টুডেন্টরা জীবনভর বিজ্ঞান পড়ে, জটিল সমীকরণ করে, পরীক্ষায় পাশ করলো। তারপর সারা পৃথিবীর মুদ্রার নাম মুখস্ত করা শুরু করলো। রাজধানীর নাম। বইয়ের লেখকের নাম। চরিত্রের নাম। পৃথিবীর সবচেয়ে এক বিচিত্র পরীক্ষার জন্য তীব্র লড়াই শুরু হলো। সেখানে উদয় হলো কতো কতো বিসিএস মটিভেশনাল চরিত্রের। কোচিং সেন্টার। এক অদ্ভুত অন্ধকার সংস্কৃতিতে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ! সে সংস্কৃতি থেকে কারো রেহাই হলো না। পুরো দেশ এখন বিজ্ঞান চর্চা শূণ্য। বিজ্ঞান গবেষণা প্রায় শূণ্যই ধরা যায়। ভালো মানের গবেষণা কিছু যে হয় না, তা নয়। কিন্তু ২০ কোটি মানুষের তুলনায় নগন্য। যে স্টুডেন্ট হতে পারতো বিখ্যাত বায়োকেমিস্ট, মলিকিউলার বায়োলজিস্ট সে এখন টেক্স অফিসার হয়েই ক্ষান্ত। যে স্টুডেন্ট হতে পারতো পার্টিক্যাল ফিজিসিস্ট, সে ভূমি অফিসার হওয়ার জন্য দিন-রাত লাইব্রেরিতে বসে বিসিএস'র বই পড়েছে। এসব সমস্যা বা দোষ স্টুডেন্টদের নয়। যারা বিসিএস দিচ্ছে বা অফিসার হচ্ছে তাদের নয়। দোষ সিস্টেমের। সিস্টেম তো বিজ্ঞানীকে ভালো বেতন দেয় না। গবেষককে সুবিধা দেয় না। প্রতি বছর দশজন গবেষককে দেশে ফিরিয়ে নিচ্ছে না। তাইলে স্টুডেন্টরা কেন সেদিকে যাবে? সুতরাং ভুগবে পুরো জাতি। এই দেশটা সর্বদিক দিয়ে পরনির্ভরশীল। পরনির্ভরশীল একটা জাতিকে দৃশ্যত ও অদৃশ্যভাবে বিদেশি শক্তি শোষণ করবে। এবং নিজের দেশের মানুষরাও সুযোগ পেলে দেশ ছাড়বে। এটাই প্রাকৃতিক নিয়ম। এখানে ব্যবস্থাপনা দাঁড়াবে না। পুরো শিক্ষা ব্যবস্থায় ক্রিটিক্যাল থিংকিং নাই। প্রশ্ন করা যায় না। ব্যবহারিক শিক্ষা নাই। প্রজেক্ট ওয়ার্ক নাই। গবেষণা নাই। স্কুল-কলেজে লক্ষ্য একটাই–এ প্লাস। চোখ বন্ধ করে মুখস্থ করো সব। রোল নম্বর এক থাকতে হবে। এটাই হলো মেধা যাচাইয়ের একমাত্র মাপকাঠি। তারপর স্নাতক পর্যায়ের পড়াশুনা শেষে বিসিএস। নাইলে দেশ ছাড়ো। তাইলে দেশের জাতীয় সমস্যায় কাকে খুঁজবো আমরা? নতুন জাতের ধান উদ্ভাবন করবে কে? নতুন ড্রাগ আবিষ্কার করবে কে? নতুন ডিভাইস ডিজাইন করবে কে? কে রকেট উৎক্ষেপনের কথা ভাববে? সামরিক গবেষণা কে করবে? কে দেশ সেরা গবেষক হবে? কে দেশ সেরা শিক্ষক হবে? কে দেশ সেরা প্রকৌশল-স্থপতি হবে? এগুলো কি আমাদের নীতি-নির্ধারকরা ভাবে? ©লিখেছেন RAUFUL ALAM

#AAUB এভিয়েশন অ্যান্ড এরোস্পেস ইউনিভার্সিটির ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৫ ডিসেম্বর বিশ্ববি
#AAUB এভিয়েশন অ্যান্ড এরোস্পেস ইউনিভার্সিটির ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৫ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের লালমনিরহাট ক্যাম্পাস ও রাজধানীর বিএএফ শাহীন কলেজে অনুষ্ঠিত হবে।

#GST গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ- 🎄বি’ ইউনিট- ১৯ মার্চ, ২০২৭, 🎄‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিট - ২০ মার্চ, ২০২৭ 🎄 ‘এ’ ইউনিট- ২৭ মার্চ, ২০২৭

ল তে যারা ভর্তি হতে চান তাদের দুইটা কথা বলবো। ১। ঘন্টার পর ঘন্টা পড়াশোনার অভ্যাস না থাকলে দয়া করে ল তে ভর্তি হবেন না। কঠিন পড়াশোনা। আবার অনার্স শেষ হলে বার কাউন্সিলের এক্সাম দিয়ে সনদ পেতে হবে। এরপর আবার হাই কোর্ট ডিভিশনের এক্সাম যার জন্য এল,এল,এম করতে হবে। চাপায় ধার থাকলে ল তে ভর্তি হও এইসব আসলে সত্য না। পড়ুয়া ছাত্র হলে ল তে ভর্তি হন। ২। ইংরেজি যারা ভয় পান দয়া করে ল সাবজেক্ট স্কিপ করুন। বেয়ার অ্যাক্ট গুলিতে কঠিন কঠিন ইংলিশ। বিভিন্ন দেশের জাজমেন্ট সব কঠিন ব্রিটিশ ইংলিশে। আইন নিয়ে যত বিস্তর জানতে চাইবেন সব ইংলিশে। যদি ইংলিশে কাচা হন তাহলে আইন পেশায় শুধু নিম্ন আদালতেই আজীবন থাকতে হবে। এই দুইটা দিকে যদি আপনার সাহস বা দক্ষতা থাকে ল তে ভর্তি হয়ে যান। লম্বা রেইসের একজন হবেন। শখের বসে ল পড়া এক জিনিস আর লিগ্যাল ফিল্ডের বড় খেলোয়াড়দের একজন হতে চাওয়া আরেক জিনিস। একটা ভুল আপনাকে টেনে সনদ পাওয়াতে পারে কিন্তু আপনি হবেন বটতলার উকিল। ৭৫ ভাগ ল গ্র‍্যাজুয়েট পরে গিয়ে সনদ পায় না এবং পেলেও উন্নতি করতে পারে না। মেধা আর পরিশ্রম এই দুইটা যার মাঝে নেই সে স্কিপ করুক ল সাবজেক্ট। ©মোসাব্বের হোসেন মুয়িদ শিক্ষানবিশ আইনজীবী, টাংগাইল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট

#Medical ৪ ডিসেম্বর, ২০২৬ তারিখ অনুষ্ঠিত হতে পারে মেডিকেল+ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা.. প্রাথমিক ভাবে এই তারিখ গৃহীত হয়েছে।

📌জীবন থেকে নেওয়া জীবনে আর যাই করুন গণিতে অনার্স,মাস্টার্স করতে আসবেন না 😪.. এই জিনিস দূর থেকেই সুন্দর..

#KU খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. রুমানা হক বলেন- গত ১সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি. তারি
#KU খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. রুমানা হক বলেন- গত ১সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি. তারিখে অনুষ্ঠিত ভর্তি পরিক্ষা কমিটির সভায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের অধীন ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ১ম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরিক্ষার আদলে বিভাগভিত্তিক নিন্মলিখিত সিলেবাসে ভর্তি পরিক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

🎄যেসকল বিশ্ববিদ্যালয়ে সেকেন্ড টাইম রয়েছে- ◼️IUT ◼️AAUB ◼️কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ◼️কুয়েট,চুয়েট,রুয়েট,বুয়েট,বুটেক্স, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়( নেই) ◼️কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ◼️খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ◼️গুচ্ছ ◼️চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ( ৩ মার্ক কাটা যাবে) ◼️ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ◼️জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ◼️ বুটেক্স অধিভুক্ত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজসমূহ ◼️ ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ( ২ মার্ক কাটা যাবে) ◼️ নিটোর ◼️ মেডিকেল+ডেন্টাল (৩ মার্ক কাটা যাবে) ◼️ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় ◼️ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ◼️ SUST ◼️ হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ◼️BUP ◼️MIST( ৫% কাটা যাবে) ◼️রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ◼️AFMC( ৩ মার্ক কাটা যাবে)

কারো কোনো বিষয়ে জানার থাকলে জিজ্ঞেস করতে পারেন।

#Cluster_Agri কৃষি গুচ্ছভুক্ত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২ জানুয়ারি, ২০২৭ এ অনুষ্ঠিত হবে। এবারের ভর্তি কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেবে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি)।

#BUTEX বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) er ২০২৬-২৭ সেশনের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৯ জানুয়ারী, ২০২৭ তারিখ অনুষ্ঠিত হবে।
#BUTEX বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) er ২০২৬-২৭ সেশনের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৯ জানুয়ারী, ২০২৭ তারিখ অনুষ্ঠিত হবে।

#RU গতবছরের ন্যায় এবছরও (২৬-২৭) সেশনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে ঢাকা, রাজশাহী, চট্রগ্রাম, খুলনা, রংপুরের পাশাপাশি উপকেন্দ্র হিসেবে বরিশাল থাকছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। একজন শিক্ষার্থী চাইলে এই অঞ্চলসমূহের যেকোনো একটিতে গিয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারবেন।

#BUET বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৬ জানুয়ারি, ২০২৭ এ অনুষ্ঠিত হবে। 📍বিগত বছরের বিস্তারিত
#BUET বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৬ জানুয়ারি, ২০২৭ এ অনুষ্ঠিত হবে। 📍বিগত বছরের বিস্তারিত

#HSTU হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ২৪ জানুয়ারি, ২০২৭ এ শুরু হয়ে ২৮ জানুয়ারি ২০২৭ তারিখ পর্যন্
#HSTU হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ২৪ জানুয়ারি, ২০২৭ এ শুরু হয়ে ২৮ জানুয়ারি ২০২৭ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে.. সার্কুলার রেজাল্ট এর পর প্রকাশিত হবে। বিস্তারিত জানতে বিগত বছরের সার্কুলার দেখতে পারেন।