ar
Feedback
Ahmad Khan Articles

Ahmad Khan Articles

الذهاب إلى القناة على Telegram

প্রফেশনাল লাইফে আমি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে আছি । আমার আগ্রহের বিষয় হলো দুটো, আদর্শিক রাজনীতি ও সামরিক প্রযুক্তি (লিবারেলিজম-ফেমিনিজম, আর ডিফেন্স টেকনোলজি)

إظهار المزيد
421
المشتركون
+2724 ساعات
+957 أيام
+34930 أيام
أرشيف المشاركات
photo content

১। গত আগস্ট মাসের ২৯ তারিখে উগান্ডায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। সেখানে প্রথমবারের মত সমকামীতার অভিযোগে দুই যুবককে মৃ'ত্যুদ'ন্ড দেওয়া হয়। পুরো লিবারেল পাড়ায় ম'রাকান্না লাগে। সমকামীতার মত এত জঘন্য কাজের পরেও কিভাবে তাদের মৃ'ত্যুদণ্ড হয়...ইত্যাদি ইত্যাদি। বাংলাদেশে লিবারেলিজমের সদরদপ্তর প্রথমআলোও ব্যাপারটা নিয়ে নিউজ করে। এবার আসল ব্যাপার। ওই দুই অভিযুক্তের একজন ৪১ বছর বয়সী হুইলচেয়ারবন্দী এক প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিকে ধ'র্ষ'ণ করেছে, আরেকজন ১২ বছর বয়সি এক বাচ্চাকে! অথচ প্রথম আলোর পুরো নিউজটায় আপনি এই দুটো বিষয়ের কোনো উল্লেখই পাবেন না। যেন এমনি এমনি এই দুই জানোয়ারকে শা'স্তি দেওয়া হচ্ছে। মিডিয়া বরাবরই ফেমিনিস্ট, লিবারেল আর সমকামীদের অপরাধগুলোকে এভাবে ধামাচাপা দেবার চেষ্টা করে। টুইটারে সিএনএনের মত মিডিয়াগুলো এই লুকোচুরিই করার চেষ্টা করে আসছিল। কিন্তু আপনি সেখানে এই খবর শেয়ার করলে আসল ব্যপার দেখাচ্ছে। সমকামীদের সবসময় অ'ত্যা'চারিত দেখাতে চায় মিডিয়া। অথচ তারাই সবচেয়ে অত্যা'চারি। পশ্চিমে আপনি সমকামীতার বিরোধিতা করলে আপনি চাকরি হারাবেন, ব্যবসা করতে পারবেন না। ২। বাংলাদেশে একদম পশ্চিমা স্টান্ডার্ডের ফেমিনিজম কেউ প্রচার করলে সেটা হলো ডেইলি স্টার। অ্যান্ড্রু টেইটকে নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে এদের কিছু আর্টিকেল পেলাম, মনেই হচ্ছিল না দেশি কেউ, পুরোই আমেরিকান গার্বেজ। ফেমিনিজম মারাইতে গিয়ে অ্যান্ড্রু টেইট, জো রোগানকে নিয়ে আর্টিকেল লিখেছে। অ্যান্ড্রুর ব্যাপারটা মানা গেল, কিন্তু জো রোগানকে আমাদের দেশে কয়জন চেনে? বাংলাদেশি পত্রিকায় এসবের মানে কি? মানে হলো পশ্চিমা খোদাদের সুরেই গাইতে হবে। লিবারেলিজম, ফেমিনিজম নিয়ে এইসব সাংবাদিকগুলোর প্রফাইল ঘুরে দেখলাম। ম্যাক্সিমামই প্রাইভেট ভার্সিটিতে পড়া। মানে দেশের যেই সোশাল ক্লাসটার জন্মের পর আকিকাও পশ্চিমা দেশে হয়। একইসাথে সি'ম্পে ভরা। যাইহোক দেশের সবচেয়ে বড় ফেমিনিস্ট এই পত্রিকার নির্বাহি সম্পাদকের গল্পটা শোনাই। আশফাকুল হক, যিনি এতবড় প্রগতিশীল, গত পহেলা আগস্ট তার বাসায় ফেরদৌসি নামের সাত বছরের এক বাচ্চাকে কাজের মেয়ে হিসেবে নিয়োগ দেয় (হ্যাঁ, মাত্র ৭ বছর)। নিয়োগের পরপরই এই জানোয়ার ও তার স্ত্রি তানিয়া মিলে বাচ্চাটার উপর এত টর্চার করে যে মাত্র দুই দিনের মাথায় বাচ্চাটাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। ৪ তারিখে মামলা করা হয়। মামলার কপি কমেন্টে দিলাম। এরতবড় প্রগতিশীলের ঘটানো এই ঘটনা কোন হরর ছবির স্ক্রিপ্ট মনে হতে পারে। চিন্তা করে দেখুন এই ঘটনা যদি কোনো ধার্মিক কেউ ঘটাতো? তারচেয়ে আশ্চর্য্য ব্যাপার, একটা ফেমিনিস্টও এই ব্যাপারের কোনো কথা বলেনি। কিন্তু এদের জাতভাই জানোয়ার সাংবাদিকগুলো প্রচার করতে থাকে বাচ্চাটা নাকি ৮ তলা থেকে পড়ে আহত হয়েছে। আচ্ছা ৮ তলা থেকে পড়লে কেউ বাঁচে? একটা পত্রিকাও কোনো পুর্ণাঙ্গ নিউজ করেনি, এক মাস পার হলেও একটা ফলোআপও নেই। মাঝখান থেকে এই নিষ্পাপ দরিদ্র বাচ্চাটার জীবন শুরু হবার আগেই জাহান্নাম বানিয়ে দিলো এই লিবারেল-ফেমিনিস্ট।

এই লেখাগুলো পাইপলাইনে ছিল। ফিলিস্তিন ইস্যু এসে পড়ায় আর এগোয়নি। আস্তে আস্তে লেখা হবে ইনশাল্লাহ।
এই লেখাগুলো পাইপলাইনে ছিল। ফিলিস্তিন ইস্যু এসে পড়ায় আর এগোয়নি। আস্তে আস্তে লেখা হবে ইনশাল্লাহ।

আবু-রুমানেহ, মালকি - এগুলো সিরিয়ার দামেশকের এলিট সুন্নি এলাকা। বাংলাদেশের গুলশানের মত খানিকটা। এলিটদের বিয়ে আসলে দুইজনের বিয়ে না, দুই ফ্যামিলির বার্গেইনিং - পাত্রের চাইতে পাত্রের বাপকে বেশি জাজ করা। তো আমাদের দেশের এলিট এরিয়াগুলোতে যা হচ্ছে, সিরিয়াতে এক্সাক্টলি তাই চলছিল। দিনরাত পার্টি করে বেড়ানো, র‍্যাগ ডে-তে নাচানাচি আর বয়স ছাব্বিশ-সাতাশ হলে এক পয়সাওয়ালা ছেলের গলায় ঝুলে পড়া। ছেলে কেমন সে বিবেচনা পরের ব্যপার, পয়সা হলেই হলো। ওইসময় এভারেজ দেনমোহর ছিল ১৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার মধ্যে। পাশের দেশ জর্ডানেও তাই। এরকমই চলছিল। ২০১১ এর আগের কিছু ভিডিও দেখার সু্যোগ হয়েছিল - কোনোভাবেই মুসলিম বলে আলাদা করা যাচ্ছিল না। কিন্তু তারপর সব রাতারাতি বদলে গেল। গৃহযুদ্ধ শুরু হলো। দামেস্ক-কোবানির সুন্নি পয়সাওয়ালা ব্যবসায়ী পরিবারগুলো রাতারাতি সব হারিয়ে রিফিউজি হলো। এয়ারপোর্টগুলো সব বাশারের দখলে ছিল। ফলে দেশ ছাড়তে পারেনি। একমাত্র উপায় হলো জর্ডান কিংবা তুরস্কে শরণার্থি হওয়া। যারা সিরিয়ার কনফ্লিক্ট শুরু থেকেই ফলো করছেন, তাদের জানার কথা, বাশার ও শিয়া শক্তি সুন্নিদের বিপক্ষে রে## ইপকে এক বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল, অনেক ট্রাজিক ঘটনা ঘটেছে। ফলে যাদের ফ্যামিলিতে মেয়ে ছিল তারা মারাত্মক বিপদে পড়লো। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ওই সময় একজন এভারেজ সিরিয়ান শরণার্থি ৫,৫০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছে। ফর কন্টেক্সট, টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া ৯১৯ কিলো। ফুল স্কেল যুদ্ধ শুরু হলে শরণার্থিদের পথটাও অনেক ডেঞ্জারাস ছিল। ফলে এবার পয়সাওয়ালা ধনী ছেলের পরিবর্তে মেয়ের ফ্যামিলিগুলো খুজতে লাগলো এমন ছেলেদের, যারা নিরাপত্তা দিতে পারবে। এক রিপোর্টে পড়েছিলাম, ওই সময় তুর্কি বর্ডারে এমন কোনো যুবক ছিল না, যাদের ২-৩জন স্ত্রী ছিল না। হাজার রকমের চাহিদা কেবল নিরাপত্তায় নেমে এলো।স্বাভাবিক অবস্থায় যেসব ছেলেদের হয়ত বাসায় ঢুকতেও দিতেন না, সেইসব অপেক্ষাকৃত কম পয়সাওয়ালা কিন্তু 'আলফা মেল'কেই পয়সাওয়ালা অলস ছেলের পরিবর্তে তাদের মেয়ের জামাই হিসেবে চাচ্ছিলেন। এমন স্টোরি পড়েছিলাম, মেয়ের ফ্যামিলি থেকে বলছে, 'বাবা, দেনমোহর লাগবে না, কেবল মেয়েটাকে নিরাপদে তুরস্কে নিয়ে যাও, ওটাই দেনমোহর। এখানে থাকলে বাশারের লোকজন তুলে নিয়ে যাবে।' ২০১৪-১৫ সালের দিকে সিরিয়ান শরণার্থি শিবিরগুলোতে মেয়েদের বিয়ের গড় বয়স ১৪তে নেমে আসে। আর দেনমোহর বাংলাদেশি টাকায় ১২ হাজার থেকে ১৬ হাজার। (১৫০-২০০ ডলার, এবং তখন সময় ডলার রেট ৮০ টাকা ছিল, সেই হিসাবে) ********* তো এই কাহিনী বলার উদ্দেশ্য কী? আমরা শুরু থেকেই বলে আসছি, সংকটেই পুরুষের সম্মান। পশ্চিমা ঝকঝকে শহরগুলোতে সব যখন অটোমেটিক, কল ঘুরালে জল পড়ে, এজন্যই তাদের নারীরা বলতে পারছে 'আমাদের পুরুষ দরকার নেই'। শহরে বড় হওয়া একটা ছেলে বাবাকে হিরোর চোখে দেখবে কিভাবে? বাবাকে হয়ত বড়জোর ১০ কেজির ব্যাগ তুলতে দেখেছে - বাকি সব তো এমনিই হয়। আমাদের দেশেও সেই ঘোড়ারোগ চেপে বসতে শুরু করেছে। যত স্থিতিশীল আর উন্নয়ন হচ্ছে, পুরুষের সম্মান তত কমছে। ভুল ভাববেন না, এমন না যে দুর্যোগ নেমে আসুক তাই চাইছি - কেবল ফ্যাক্ট বলছি। ছাতা তো বৃষ্টির দিনে লাগেই, তাই না? কিন্তু যখন বৃষ্টি হচ্ছে না? ওটা তখন কেবলি বাড়তি ৪০০ গ্রাম ওজন। ____________________ ✍️ আহমাদ খান

upcoming articles
+2
upcoming articles

photo content

নারীকে স্বাধীনভাবে চলতে দেওয়া উচিত নয়। ১৯৯০ থেকে ২০২০, মাত্র ৩০ বছর আমেরিকা শিথিলতা দেখালো, আজ দেখো কী অবস্থা। আমেরিকা সোভিয়েতের পতনের পরই ফেমিনিজমের এমন বাড় বেড়েছে। কারণ জনগণ রিলাক্স হয়ে গিয়েছিল। এই ফেমিনিজমের কারণেই আমেরিকা এমন দুর্বল হতে শুরু করেছে, নিজেদের কালচারাল শক্তি হারিয়েছে। আপনি শাসন করতে চাইলে শুধু গায়ের জোরে হবে না, একটা বেটার কালচার অফার করতে হবে। কিন্তু আজকে যে আমেরিকান কালচার, নিজের লিঙ্গ নিয়ে কনফিউজড, নিজেকে বিড়াল কুকুর দাবি করছে - এরকম কালচার তো ফ্রি দিলেও কেউ নেবে না, বরং পালাতে পারলে বাঁচে। আপনি সুক্ষভাবে লক্ষ করলে দেখবেন, যত রকমের ইনসানিটি পশ্চিমে চলছে তার সবগুলোর উৎস হলো ফেমিনিজম। অথচ এই ফেমিনিজম কিন্তু লিবারেলিজমের একটা শাখা হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু লিবারেল আইডিওলজি আজকে পুরোপুরি স্কার্টের তলায় বিলিন হয়েছে। আজ ঠিক একইভাবে ফেমিনিজম মার খাচ্ছে ট্রা*জেন্ডারিজমের কাছ থেকে। বায়োলজিকাল নারীরা প্রতিদিন তার অধিকার হারাচ্ছে। ট্রানিদের হাতে মার খাচ্ছে (লিটারালি)। ফেমিনিজমের পোস্টার ওয়ার্ক যেগুলো ছিলো যেমন নারীরা চাকরি করবে, খেলাধুলো করবে, প্রতিটা জায়গায় আজকে ট্রান্সরা জিতে যাচ্ছে, ২০-২৫ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গে দিচ্ছে। এর উল্টোটা কিন্তু হচ্ছে না, মানে নারী থেকে পুরুষ হয়ে কেউ কিন্তু জিতছে না। কিছু সুযোগসন্ধানী পুরুষের হাতে বহু নারীর ক্যারিয়ারই শেষের পথে। ফেমিনিস্টগুলো আবার মুখ ফুটে কিছু বলতেও পারছে না। আপনি ওদের (ট্রা*) বিরুদ্ধে কিছু বললে চাকরি, ডিগ্রি, সোশ্যাল মিডিয়া হারাবেন, আমাদের পেজই এইসব ফেস করছে। হিজাবী ফেমিনিস্টদের পীর ইলহান ওমর বলেছে, ট্রা* নারী আর বায়োলজিকাল নারীর মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। আমেরিকার পুরো ডেটিং মার্কেটে কনফিউশনের সৃষ্টি হয়েছে, যে মেয়েকে দেখছি ট্রা* নাতো? ইভেন এরকমও দেখলাম, একজন ডেটে যাওয়ার আগে সাথে ভায়াগ্রা নিয়ে যায়, মানে বায়োলজিকাল পুরুষ হলে তো লক্ষণ দেখা যাবে। আবার শুরুতে ফিরি। আমরা দেখলাম ফেমিনিজম পায়ে দলে চীন কিভাবে এগিয়ে গেলো, ফেমিনিস্ট আমেরিকানদের কুত্তা দৌড় করাচ্ছে। কিংবা ফেমিনিজম না ঢুকতে দেওয়া আরব দেশগুলোর মাথাপিছু আয় যেকোনো পশ্চিমা দেশের চেয়ে বেশি। একটা জিনিস মনে রাখা দরকার। এই পৃথিবী হাজার বছর ধরে পুরুষের অধীনেই ছিলো এবং চলেছে। যে নারীশক্তির বয়ান শুনছি তার বয়স গুণে গুণে ৩০ বছর, অলরেডি ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। কোনোভাবেই সামনের একটা মেজর ওয়ার সার্ভাইভ করবে না, ইউক্রেন তার প্রমাণ। _____________ আহমাদ খান

photo content

আপনি কি জানেন, আমেরিকাতে ভেগানদের কত শতাংশ নারী? আশি (৮০)% !! অর্থাৎ, প্রতি ১০ জন ভেগানের ৮ জনই নারী। এই ভেগানরা কিন্তু ইন্ডিয়ার ভেজিটেরিয়ানদের মত না, ইন্ডিয়ানরা দুগ্ধজাত জিনিস খায়, ভেগানরা না। কিন্তু আমেরিকান ভেগানরা কেউ প্রাণীজ কোনোকিছু তো খায়ই না, উলটো যারা খায় তাদের সাথে ঝামেলা করে। এমনও ঘটনা আছে, ভেগানদের একটা গ্রুপ এক মুরগীর ফার্মের সব মুরগি ছেড়ে দিয়েছিলো প্রাণীহত্যা করা যাবে না বলে। পরে সবগুলো মুরগী শিয়াল ধরে খায়, মাঝখান থেকে কৃষক হারায় তার সর্বস্ব। যাইহোক, এরকম প্রচুর ঘটনা আছে। আজকে কথা বলবো, নারীরা কেন এত ভেগান হয়ে যায়- এই ব্যাপারে। এর মূল কারণ হলো, অ্যাবরশন (গর্ভপাত)। ব্যপারটা শুনতে যেমনই লাগুক, সত্যি। প্রথমে আমারও খটকা লেগেছিল। পরবর্তিতে একটা ইন্টারেস্টিং ব্যপার সামনে আসায় পুরো হিসেবটা মিলে যায়। সেটাই বলছি। ইউটিউবে 'দ্যাট ভেগান টিচার' নামে একটা চ্যানেল পাবেন। কেডি কারেন নামের এই হ্যংলা মহিলা সবচেয়ে হার্ডকোর ভেগানদের একজন। গর্ডন রামসে, জিমি (মিঃ বিস্ট) সহ খুব অল্প সেলেব্রেটিই আছে যে এই মহিলার হাত থেকে রেহাই পেয়েছে। বিন্দুমাত্র অ্যাটেনশন পাওয়ার সুযোগ থাকলেই সে ওই টপিকে ভিডিও বানায় আর ভেগান আইডিওলজি প্রচার করে। এই মহিলা কিন্তু প্রথমে মোটেও ভেগান ছিলো না, একদম স্বাভাবিক একজন নারী ছিলো। কয়েক বছর আগে সে একটা অ্যাবরশন করায়। এরপর এক মারাত্মক অপরাধবোধে ভুগতে শুরু করে। একপর্যায়ে ডিপ্রেশনে চলে যায়। নিজের সন্তানকে নিজহাতে খু*ন করার মারাত্মক অপরাধবোধ থেকে সে যেকোনো প্রাণী হত্যাকেই পাপ মনে করতে শুরু করে। এভাবেই সে ভেগান হয়ে ওঠে। এটা খুব কমন ভেগান ব্যাকস্টোরি। ফেমিনিস্টদের 'মাই বডি মাই চয়েস' স্লোগান নিশ্চয় শুনেছেন। এই স্লোগানের মূল দাবীই ছিল অ্যাবর্শনের স্বাধীনতা। একজন নারী তার শরীর নিয়ে কী করবে কেবল সে-ই ঠিক করবে - এই ছিল তাদের যুক্তি। অ্যাবর্শন ব্যান করার কথা বলায় ট্রাম্পকে বহুবার রীতিমত ধুয়ে দেওয়া হয়েছে। আমেরিকাতে প্রায় দেড় হাজারের উপর অ্যাবর্শন ক্লিনিক আছে। গত দশ বছরে আমেরিকাতে অ্যাবর্শনের মাধ্যমে খু*ন করা হয়েছে প্রায় ১০ লাখ শিশুকে! বছরে এক লাখ!! অ্যাবর্শন নিয়ে গতবছর থেকে প্রচুর হাউমাউ দেখা গেছে নারীবাদি শিবির থেকে। কারণ বিখ্যাত Roe VS Wade মামলায় সুপ্রিম কোর্ট রায়ে আমেরিকার স্টেটগুলোকে অ্যাবর্শন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই টেক্সাস, আলাবামার মত রিপাবলিকান রাজ্যগুলোতে অ্যাবর্শন নিষিদ্ধ করা হয়। এতেই যেন আগুন লাগে ফেমিনিস্ট পাড়ায়। রাতারাতি হাজার হাজার ফেমিনিস্ট বিক্ষোভ করতে শুরু করে নরহ*ত্যার অধিকারের দাবীতে। আপনারা টুইটারে Roe V Wade Protest - লিখে সার্চ দিলে এ সংক্রান্ত প্রচুর ভিডিও পাবেন। এরপর যে কেউ কেক কেটে অ্যাবর্শন উদযাপন করে তো কোনো কোম্পানি অ্যাবর্শনের খরচ দিয়ে দেয়। ভ্রুণহত্যা নিয়ে অনেক জঘন্য বক্তব্য, আর্টওয়ার্ক আসতে থাকে। এরকম জানোয়ারেরও দেখা পাওয়া যায়, যে ২১টা অ্যাবর্শন করেছে। মোটকথা, মাই বডি মাই চয়েসের অস্তিত্বের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায় এই অ্যাবর্শন। মিছিল মিটিং করে ফেমিনিজম তো এগিয়ে দেওয়া গেলো। কিন্তু স্রষ্টার দেওয়া মাতৃত্ব কি গা থেকে ঝেড়ে ফেলা যায়? সাইকোলজি অনুযায়ি, একজন মা প্রতি চার মিনিটে একবার তার সন্তানের কথা মনে করে। সন্তানের মুখ দেখা, আলিঙ্গন এসবের চাহিদা গর্ভাবস্থা থেকেই শুরু হয়ে যায়। কিন্তু ভেবে দেখুন, যেই সন্তানকে সে দিনের চারভাগের এক ভাগ সময় ধরে মিস করছে, তাকে তো মৃত্যুর আগে কোনোদিন দেখতেই পাবে না, আবার সেই সন্তানের খু*নি সে নিজেই! ডিপ্রেশনের জন্য আর কী লাগবে? SIRA এর একটা রিপোর্ট অনুযায়ী, অ্যাবর্শনের পর ৬৫% নারী ডিপ্রেশনের শিকার হন। অ্যাবর্শন করা নারীদের অপরাধবোধের স্বীকারোক্তি নিয়ে একটা সাইট আছে, 'অ্যাবর্শন টেস্টিমোনিয়ালস' নামে। ওখানে এক নারী বলেন, এমন কোনো রাত নেই যে সে কাঁদতে কাঁদতে ঘুমোতে যায় না। ঘুমিয়েও শান্তি নেই। একই সংস্থার আরেক রিপোর্টে জানা যায়, অন্ততঃ ৪২% নারী তার নিজ হাতে খু*ন করা সন্তানকে স্বপ্নে দেখে থাকেন। অনেকে হাসপাতালে যায়, যদি বাচ্চাটার অবশিষ্ট কিছু পাওয়া যায়। কেউ ধার্মিক হয়ে যায়। হাসপাতালের সামনের রাস্তাটায় দাঁড়িয়ে প্রার্থনা করে, নিজের বাচ্চাটা তো এখানেই কোথাও মারা গেছে। গত জুনে এরকম ইংল্যান্ডে এরকম একটা ঘটনা ঘটেছিল, কিন্তু পুলিশ সে মহিলাকেই গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। ফেমিনিজম নামক ধর্মের নোংরা-জঘন্য রূপটা বের হয়ে পড়ছিলো যে! তাই তাকে ধামাচাপা দিতে হলো। আবার কেউ হয়ে যায় ভেগান। নরহ*ত্যাকারী ফেমিনিস্টগুলো আজীবন প্রাণীহ*ত্যার বিরুদ্ধে গলা ফাটিয়ে কাটায়। ____________ ✍️ আহমাদ খান