ar
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

الذهاب إلى القناة على Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Abdullah bin bashir

تُعد قناة Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 297 مشتركاً، محتلاً المرتبة 8 145 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 2 031 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 297 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 22 يونيو, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 77، وفي آخر 24 ساعة بمقدار 3، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 19.38‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 8.20‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 2 188 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 926 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 47.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 23 يونيو, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.

11 297
المشتركون
+324 ساعات
+327 أيام
+7730 أيام
أرشيف المشاركات
বিএনপির সাথে নাকি আলেমদের সম্পর্ক প্রাচীন। বিএনপির কোনো আলেমকি এখন জোর গলায় বলতে পারবেন সালাহউদ্দিন সাহেবের এই কাজটা স্পষ্ট কুফর হয়েছে এবং সে জেনে-বুঝে করে থাকলে ঈমানের গণ্ডি থেকে বের হয়ে গেছে? . কোনো দারুল ইফতা কী এই মাসআলাগুলো একটু খুলে ফতোয়া দিবেন, যাতে যারা ঈমান রক্ষা করার ঈমানটা রক্ষা করতো!? . সেক্কুলা..এর খেলাটা দেখেছেন, এই লোজ দুইদিন আগে মাদরাসায় গিয়েছে, টুপি পড়েছে, খাবার খেয়েছে, এটা কোনোটাই ঈমানের কারণে কী? না সেকু ধর্মের কারণে?

ওয়েপন অফ মাস ডেস্ট্রাকশনের মিথ্যা অজুহাতে আমেরিকা হামলে পড়ে ইরাকের ওপর। আশ্চর্যজনক! একটা মাত্র অজুহাত। অভিযোগটি ছিল মিথ্যা, কিন্তু প্রশ্ন হলো যদি ওয়েপন অফ মাস ডেস্ট্রাকশন (WMD) থেকেও থাকে, তাহলে সমস্যা কোথায়? অস্ত্র কি শুধু আমেরিকার পৈত্রিক সম্পত্তি যে, সেটি শুধু তার তৈরি করার অধিকার থাকবে, আর সবাই তার গোলাম হওয়ার জন্য অস্ত্র তৈরি বন্ধ করে অন্যের ওপর ডিপেন্ডেড থাকবে। কুফফার সংগঠন জাতিসংঘ আমেরিকার নেতৃত্বে দশ বছরের নিষেধাজ্ঞায় প্রায় ১০ লক্ষ মুসলিমের গণহত্যা নিশ্চিত করে। তথাকথিত সভ্য সমাজ ইরাকে ধুঁকে ধুঁকে মরতে থাকা পাঁচ লক্ষ শিশুকে শিশু মনে করে না। হ্যাঁ, পাঁচ লক্ষ শিশু! আজকে মুসলিমদের আমেরিকার প্রতি মুগ্ধতা দেখে অবাক হতে হয়। অথচ আমেরিকান সাম্রাজ্যের প্রতিটি ইট খুলে ফেলার কথা ছিল আমাদের। আল্লাহ তাআলার কাছে একজন মুমিনের রক্ত পৃথিবীর সবকিছুর চাইতে দামি। ১০ লক্ষ ইরাকি শিশু, নারী, পুরুষকে হত্যার পরও আমেরিকার রক্তপিপাসা মেটে না। ২০০৩ সালের সমস্ত শক্তিকে একসাথে করে ঝাঁপিয়ে পড়ে ধুঁকতে থাকা বাকি ইরাকি মুসলিমদের ওপর। শুরুতে খুব সহজেই ইরাক দখল করে নিতে পারে দখলদার বাহিনী। কিন্তু কে জানত, সেখানে তাদের জন্য অপেক্ষা করছিল আল্লাহ তাআলার একদল সেনা। আগস্ট ২০০৩ থেকেই শুরু হয় মুজাহিদদের শক্তিশালী সুনির্দিষ্ট পাল্টা আক্রমণ। এতে আমেরিকা দিশেহারা হয়ে যায়। ১৯ আগস্ট ২০০৩ বিকেল ৪টা ৩০, বাগদাদের ক্যানাল হোটেলে অবস্থিত জাতিসংঘ অফিসে সবাই নিজ নিজ কাজ নিয়ে ব্যস্ত। কেউ ভাবতে পারেনি তাদের জন্য কী অপেক্ষা করছিল। একটি ট্রাক এসে দাঁড়ায় গেটের সামনে। কিছুক্ষণ পর দানব আকৃতির ট্রাক বোম্বটি ডেটোনেট করে। জাতিসংঘ অফিসের তিন তলা পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ইউএন স্পেশাল রিপ্রেজেন্টিটিভ-সহ ২২ জন নিহত হয়। এ হামলার প্রতিক্রিয়ায় আমেরিকার কুখ্যাত প্রেসিডেন্ট বুশ বলে, ‘তারা মধ্যপ্রাচ্যে মুক্ত সমাজের কথা চিন্তা করতে না পারার কারণে আমাদের সাথে লড়াই করছে।’ ঠিক এর ১০ দিন পর শিয়া রেভ্যুলেশন প্রধানকে হত্যা করা হয়। ধীরে ধীরে যা র কা ভি রহ.-এর নেতৃত্বে হামলার সংখ্যা বাড়তে থাকে। উম্মাহর তরে জীবন দিলেন যারা বই থেকে।

রয়িসুদ দালাল পাকিস্তানের মুফতি আব্দুর রহিম সাহেব এবার কী কী বিব্রিতি দিতে পারেন পাক আর্মির পক্ষে—মাসজিদে আকসার মুহাফিজ? তারেক মাসুদ সাহেবরা কী কী ব্যাখ্যা দিবে এবার—এগুলো পাক আর্মির কৌশল এর মাধ্যমে মাহাসকে গোপনে অস্ত্র সাপ্লাই দিতে পারবে? পাক ফৌজ জিন্দাবাদ যতদিন এই উম্মাহ জাতী রাষ্ট্রের এই পোষা আর্মিগুলোর বাস্তবতা না বুঝবে ততদিন লাঞ্চনা এই উম্মাহকে ছাড়বে না। আমাদের একটা কিউট অবস্থান হলো, আমাদের দেশগুলোর রাজনীতিবিদরা খারাপ কিন্তু আর্মি একদন ফুলের মত পবিত্র! গতকাল এক বুড়োর উগান্ডার আর্মিকে নিয়ে পোষ্ট দেখে পোষ্টে থুথু মারতে মন চেয়েছিলো।

যদি স্বার্থবাদী না হইতাম, তাহলে সবাইকে এটাই বলতাম, ভাইয়েরা আমার বই সংগ্রহের দরকার নাই। শুক্রবার মেলায় গিয়ে সিজদাহের স্টলে গিয়
+1
যদি স্বার্থবাদী না হইতাম, তাহলে সবাইকে এটাই বলতাম, ভাইয়েরা আমার বই সংগ্রহের দরকার নাই। শুক্রবার মেলায় গিয়ে সিজদাহের স্টলে গিয়ে এই বইটি সংগ্রহ করুন। . সংগ্রামী সাধকদের এই ইতিহাস....

আলামীন ভাই আমার বইয়ের প্রুফ দেখেছেন৷ প্রুফ দেখার সময় উনাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ভাই আপনার তো প্রুফ করতে গিয়ে অনেক বই পড়তে হয়, সে হিসেবে বই সম্পর্কে আপনার বেশ অভিজ্ঞতা আছে। আমার বই সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী? উনি বলেছেন, প্রুফ দেখা শেষ হলে একবারে বিস্তারিত বলবে৷ আজ বইটি সম্পর্কে মূল্যায়ন করেছেন। পড়তে পারেন৷ https://www.facebook.com/share/p/172cHHPBSH/

ডেমো কপি চলে আসছে আলহামদুলিল্লাহ। এবার ছুয়ে দেখার পালা। বুধবার থেকে নিয়মিত পাবেন ইনশাআল্লাহ।
ডেমো কপি চলে আসছে আলহামদুলিল্লাহ। এবার ছুয়ে দেখার পালা। বুধবার থেকে নিয়মিত পাবেন ইনশাআল্লাহ।

‘বিদেশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র সরকার মূলত সারা বিশ্বে নিজের জন্য প্রশিক্ষিত কর্মচারী তৈরি করে। প্রতিটি সেক্টরের নেতা, রাষ্ট্রের প্রধান, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, বিজ্ঞানী ইত্যাদি এদের মধ্য থেকেই হয়ে থাকে। তাদের প্রত্যেকের ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করলে একটি জিনিসই কমন পাওয়া যায়। আর তা হলো, এরা প্রত্যেকেই আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষাপ্রাপ্ত। শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার তাদের কারও কারও সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে, কারও সাথে পরোক্ষভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে চলে, আর কারও সাথে হয়তো কখনোই যোগাযোগ করে না। এদের মাঝে কেউ CIA অথবা অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সাথে কাজ করতে রাজি হয়। এভাবেই স্কলারশিপের কার্যক্রমগুলো সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা আমেরিকান পরাক্রমকে শক্তিশালী করে এবং নিয়ন্ত্রণ ছড়িয়ে দিতে সহায়তা করে। যেভাবে আমেরিকা তার সাম্রাজ্যকে সাম্রাজ্য নামকরণ ছাড়াই পরিচালনা করছে, তা বর্তমান বিশ্বে একটি অভাবনীয় উদ্ভাবন।’ -শায়খ AAA রাহিমাহুল্লাহ উম্মাহর তরে জীবন দিলেন যারা বই থেকে। বইটি ইনশাআল্লাহ সামনের শুক্রবার মেলায় পাওয়া যাবে। দুআ চাই, যেন এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কোনো বাধা না আসে। আল্লাহ আপনাদের নেক দুআ কবুল করুন।

মূলত কওমী মাদরাসার ছাত্রদের প্রতি লক্ষ্য করে আলোচনাটা বৃহস্পতিবার দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য আলোচনার সাথে বিষয়টি নিয়ে পড়তে গিয়ে যে
মূলত কওমী মাদরাসার ছাত্রদের প্রতি লক্ষ্য করে আলোচনাটা বৃহস্পতিবার দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য আলোচনার সাথে বিষয়টি নিয়ে পড়তে গিয়ে যে অভিজ্ঞতা ও যে আকাঙ্ক্ষায় পশ্চিমা সভ্যতা বইটি লেখা হয়েছে তা আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ। . ওয়াটস গ্রুপে এড হতে পারেন। প্রকাশকের পক্ষ থেকে আলোচনার শেষে বিশেষ তবারকের ব্যবস্থা নাকি আছে। . ওয়াটস এপ গ্রুপ লিংক : https://chat.whatsapp.com/FhpYPf6MCuWDUGq3r33Kd7?mode=ems_copy_t

কাফেরদের মসজিদে প্রবেশের বিধান কাফেরদের জন্য মুসলমানদের মসজিদে প্রবেশের অধিকার রয়েছে কি না, এই বিষয়ে মুজতাহিদ আলেমদের মাঝে মত
কাফেরদের মসজিদে প্রবেশের বিধান কাফেরদের জন্য মুসলমানদের মসজিদে প্রবেশের অধিকার রয়েছে কি না, এই বিষয়ে মুজতাহিদ আলেমদের মাঝে মতানৈক্য রয়েছে। ইমাম মালেক, শাফেয়ি ও আরও বেশ কিছু আলেমের মত হলো, কাফেররা মুসলমানদের মসজিদে প্রবেশ করতে পারবে না। মুসলমানদের দায়িত্ব হলো, কাফেরদের মসজিদে প্রবেশ থেকে দূরে রাখবে। অন্যদিকে ইমাম আবু হানিফা ও অন্য ইমামদের মত হলো, কাফেরদের মসজিদে প্রবেশ নিষিদ্ধ নয়। তবে মসজিদে প্রবেশে তাদেরকে মসজিদের পূর্ণ আদব ও সম্মানের প্রতি লক্ষ রাখতে হবে এবং কোনোরকম বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা না থাকতে হবে। হানাফি ফকিহ ইমাম কাসানি রহিমাহুল্লাহ লেখেন, ولا بأس بدخول أهل الذمة المساجد عندنا وقال مالك رحمه الله والشافعي لا يحل لهم دخول المسجد الحرام. (بدائع الصنائع ٨٢١/٥، کتاب الاستحسان، ط. دار الكتب العلمية) আমাদের হানাফি উলামায়ে কেরামের নিকট জিম্মিদের মসজিদে প্রবেশে কোনো সমস্যা নেই। ইমাম মালেক ও শাফেয়ি বলেন, জিম্মিদের মসজিদে হারামে প্রবেশ বৈধ নয়।ৎ বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক

ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইটি গত চার বছর আমি মাদরাসায় ছাত্রদের পড়িয়েছি। গতবছরের এক ছাত্র মাওলানা জাহিদ, সে সে দরসের ও বইয়ের অনূভুতি নিয়ে কিছু বিষয় লেখেছে। পড়তে পারেন৷ https://www.facebook.com/share/p/1731FkQKQS/

শা য় খ আ ই মা ন আজ-জা ও য়া হি রি তার প্রথম স্ত্রী উম্মে মুহাম্মাদের ব্যাপারে বলেন, ‘এই বরকতময় গ্রামে, আমার পরিবারের সাথে দেড় বছর বিচ্ছেদের পর পুনরায় একত্রিত হয়েছি। এর মধ্যে ছয় মাস আমি তাদের কোনো খবরই পাইনি। কারণ, আমি দাগেস্তানের কারাগারে ছিলাম। লুকানো এবং নির্যাতিত অভিবাসী পরিবার, যারা তাদের পরিবার প্রধানকে হারিয়ে ফেলেছিল। দেড় বছর আগে অজানা সময়ের জন্য আমি তাদের ছেড়ে চলে আসি। এই কঠোর মানসিক পরিস্থিতিতে পারিবারিক বিষয়গুলির বোঝা প্রধানত আমার স্ত্রী উম্মে মুহাম্মাদের ওপর পড়ত এবং আমার সম্মানিত ভাইয়েরা তাকে সাহায্য করতেন। উম্মে মুহাম্মাদ রহ. একজন বিরল মানুষ ছিলেন, যার নজির খুঁজে পাওয়া কঠিন। তার অনন্য ব্যক্তিত্বে ধর্মপরায়ণতা, শরিয়তের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা, এর প্রতি আহ্বান, উচ্চ নীতি, সূক্ষ্ম অনুভূতি, উঁচু গর্ব, বিনয়, সহানুভূতি, যত্ন, নিপীড়িত ও বঞ্চিতদের সমর্থন, তাদের সাহায্য ও রক্ষা, এবং আল্লাহর পথে নিজের সবকিছু দিয়ে ত্যাগ স্বীকার করার মতো গুণাবলি একত্রিত হয়েছিল। এর সাথে ছিল সংস্কৃতি, জ্ঞান, রুচি, সাহিত্য, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং আত্মমর্যাদাবোধ। আমার মনে আছে, কান্দাহারে পৌঁছনোর পর আমি যখন তার সাথে যোগাযোগ করি, তখন তিনি আমাকে বলেন, ‘আমাদের ছেড়ে যাবেন না, যদি আপনি কোনো গর্তে বাস করেন তবে আমরা আপনার সাথে সেখানেই বাস করব।’ এই বরকতময় গ্রামে আমরা তিন কক্ষ-বিশিষ্ট একটি বাড়িতে বাস করতাম, দুটি আমাদের জন্য এবং একটি মেহমানদের জন্য। বাড়ির উঠোনে একটি কুয়া ছাড়া আর কোনো পানি ছিল না এবং বিদ্যুৎও ছিল না। আমি আল্লাহর কসম করে বলছি যে, আমার জীবনে এর চেয়ে ভালো কোনো বাড়িতে বা এই পাড়ার চেয়ে ভালো কোনো পাড়ায় থাকিনি। এটি ছিল ধর্মপ্রাণ মু জা হি দ দে র একটি গ্রাম। এর উৎস ছিল একটি পুরোনো কৃষি প্রকল্পের পরিত্যক্ত আবাসস্থল, যা পরে সীমান্তরক্ষা বাহিনীর একটি ব্রিগেড দখল করে। পরে এটিকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়। কিছু বেদুইনরা এখানে থাকত। যখন শা য় খ উ সা মা ও তার বিশ্বস্ত সাথিদের জালালাবাদ থেকে আনা হয়, তখন আমিরুল মুমিনিন মো ল্লা মু হা ম্মা দ উ ম র তাদের সেই গ্রামে থাকার ব্যবস্থা করেন, যেখানে প্রায় একশটি বাড়ি ছিল; পূর্বে বিশটি এবং পশ্চিমে আশিটি। শায়খ উ সা মা পশ্চিমের আশিটি বাড়ি একটি উঁচু প্রাচীরযুক্ত দেয়াল দিয়ে ঘিরে ফেলেন এবং সেগুলো বিভিন্ন পরিবারের জন্য বরাদ্দ করেন। অন্য বিশটি অফিস এবং অতিথিদের জন্য বরাদ্দ ছিল। উম্মাহর তরে জীবন দিলেন যারা বই থেকে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বইটি প্রকাশিত হবে ইনশাআল্লাহ। আপনাদের দুআয় আমাদের স্মরণ রাখবেন।

কাফেরদের সাথে ভালো আচরণ প্রদর্শন করা 'মুদারাত' বা উত্তম আচরণ দ্বারা উদ্দেশ্য হলো বাহ্যিকভাবে ভালো আচরণ করা। কার্যত তাদের প্রতি অন্তরে কোনো ধরনের ভালোবাসা রাখা হবে না, তবে সৌজন্যের খাতিরে তাদের সাথে হাসিমুখে এবং ভালো আচরণ দেখিয়ে চলাফেরা করা যাবে, বৈধ সীমা পর্যন্ত তাদেরকে সমীহ-সম্মান করা যাবে। মূলত এ ক্ষেত্রে বিধান হলো, কুফরের মতো বড় অপরাধের কারণে কাফেররা মোটেও সুন্দর আচরণ পাওয়ার যোগ্য নয়, তবে বাস্তবিক দ্বীনের কোনো কল্যাণার্থে অথবা কাফেরের মাধ্যমে ধর্মীয় বা পার্থিব কোনো ঝায়ঝামেলা হটাতে তাদেরকে যদি সুন্দর আচরণ দেখাতে হয়, তাহলে এর সুযোগ আছে। অনুরূপ কোনো কাফেরের সাথে যদি আত্মীয়তার বন্ধন থাকে, তাহলে প্রয়োজন মোতাবেক সৌজন্য প্রদর্শন করে তাদের সাথে সুন্দর ব্যবহার করা যাবে। কুরআনের আয়াত, إِلَّا أَن تَتَّقُوا مِنْهُمْ تُقَلَةٌ. তবে তোমরা যখন তাদের থেকে কিছুটা আত্মরক্ষা করতে চাও (তখনকার কথা ভিন্ন)। (৮৪) এই আয়াতের মধ্যে শর্তসাপেক্ষে সুসম্পর্কের বৈধতা দেওয়া হয়েছে, কাফেরের পক্ষ থেকে কোনো মুসলমানের জানমাল, ইজ্জত-আবরুর বিনাশের আশঙ্কা থাকলে বাহ্যত তার প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রকাশ করা যাবে। তবে সুসম্পর্কের এই চিত্র কেবল প্রয়োজনের তাগিদে, তাই এর বৈধতা প্রয়োজনের পরিসরেই হবে। যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুতেই ক্ষান্ত থাকতে হবে। সীমালঙ্ঘন করা যাবে না। অতএব যখন কোনো কাফেরের নিন্দা না করে চুপ থাকলে কোনো অকল্যাণ হবে না, সেখানে তার প্রশংসায় মত্ত থাকা সঠিক হবে না। আল্লামা জাসসাস রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ৩৭০ হি.) বলেন, فهذه الآى والآثار دالة على أنه ينبغى أن يعامل الكفار بالغلظة والجفوة دون الملاطفة والملاينة، ما لم تكن حال يخاف فيها على تلف نفسه أو تلف بعض أعضائه أو ضررا كبيرا يلحقه في نفسه، فإنه إذا خاف ذلك جاز له إظهار الملاطفة والموالاة من غير صحة اعتقاد. (أحكام القرآن ۲۱/۲، قبيل مطلب : في بيان معنى التقية وحكمها، دار الكتب العلمية) এই আয়াত ও হাদিস ও সালাফের বর্ণনাগুলো ইঙ্গিত করে যে, নম্রতা বা কোমলতা ছাড়াই কাফেরদের সাথে কঠোর আচরণ করা উচিত। তবে মুসলমান যদি তার জীবননাশ বা তার অঙ্গহানি অথবা বড় ধরনের কোনো ক্ষতির আশঙ্কা করে তখন ভিন্ন। সুতরাং কোনো মুসলমান যদি এমন আশঙ্কা করে থাকে, তাহলে কাফেরের সাথে কোমল ও নম্র আচরণ করতে পারবে। তবে শর্ত হলো তাদের আকিদা-বিশ্বাসকে ভুল মনে করবে। আল্লামা নাসাফি রহিমাহুল্লাহ আয়াতের ব্যাখ্যায় লেখেন, ومن يوال الكفرة فليس من ولاية الله في شيء لأن موالاة الولي وموالاة عدوه متنافيان (إلا أن تَتَّقُوا مِنْهُمْ تقاة إلا أن تخافوا من جهتهم أمراً يجب اتقاؤه أي إلا أن يكون للكافر عليك سلطان فتخافه على نفسك ومالك فحينذ يجوز لك إظهار الموالاة وإبطال المعاداة (مدارك التنزيل (٨٤٢/١) যারা কাফেরদের বন্ধুত্ব চায়, তারা আল্লাহর বন্ধুত্ব থেকে বঞ্চিত। কেননা বন্ধুর বন্ধুত্ব আর বন্ধুর শত্রুর সাথে বন্ধুত্ব দুটি সম্পূর্ণ বিপরীত বিষয়। 'তবে তোমরা যখন ওদের থেকে কিছুটা আত্মরক্ষা করতে চাও (তখনকার কথা ভিন্ন)', অর্থাৎ, যদি কাফেরদের পক্ষ থেকে এমন ভীতির আশঙ্কা করো, যা থেকে বেঁচে থাকা জরুরি। এটার মর্ম হলো, যদি কাফেরের কর্তৃত্ব তোমার ওপর চলে আসে, আর তুমি তার থেকে নিজের জান ও মালের ব্যাপারে আশঙ্কায় পড়ে যাও, তাহলে তার সাথে বাহ্যত বন্ধুত্বের আচরণ প্রকাশ করতে এবং তার প্রতি শত্রুতা লুকিয়ে রাখতে পারবে বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান অনুবাদ: আবদুল্লাহ বিন বশির চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত

photo content

ওয়াফি লাইফ থেকে অফিসিয়াল প্রি-অর্ডারের ঘোষণা এসেছে। যারা প্রি-অর্ডার করতে আগ্রহী তারা এখান থেকেও করতে পারেন। . শর্ট পিডিএফ লি
ওয়াফি লাইফ থেকে অফিসিয়াল প্রি-অর্ডারের ঘোষণা এসেছে। যারা প্রি-অর্ডার করতে আগ্রহী তারা এখান থেকেও করতে পারেন। . শর্ট পিডিএফ লিংক : ওয়াফি লাইফ লিংক : https://www.wafilife.com/islam-o-poshchima-shovyota/dp/1366972?fbclid=Iwb21leANElnBjbGNrA0SWaGV4dG4DYWVtAjExAAEeBVcUaQzNNjvqkAIxBm0PP9MnF5He8MwK-BSbFqMEPNF4ul8OBV76lyOU8jo_aem_p9Pn1Wz4CefravwvL7MeUQ

নোয়াখালীর ভাইরা এটা মিস করলে অনেক কিছু মিস করবেন। গুনবি সাহেব তো অবশ্যই বড় মানুষ, তবে আফসার ভাই তো এমন মানুষ উনার জন্য দেশের
নোয়াখালীর ভাইরা এটা মিস করলে অনেক কিছু মিস করবেন। গুনবি সাহেব তো অবশ্যই বড় মানুষ, তবে আফসার ভাই তো এমন মানুষ উনার জন্য দেশের যেকোনো জায়গায় থেকে সফর করে যাওয়া হলে তা খুব বেশি কিছু নয়।

প্রকাশক পাঠিয়েছেন পোষ্ট দেওয়া জন্য। আসুন, মেলায়৷ দেখা হবে ইনশাআল্লাহ।
প্রকাশক পাঠিয়েছেন পোষ্ট দেওয়া জন্য। আসুন, মেলায়৷ দেখা হবে ইনশাআল্লাহ।

স্বপ্ন তৈরি হচ্ছে। যারা প্রি-অর্ডার করে সংগ্রহ করতে চান দ্রুত ওয়াফিলাইফ/রকমারি ইত্যাদি পছন্দের যেকোনো শপ থেকে অর্ডার করতে পার
স্বপ্ন তৈরি হচ্ছে। যারা প্রি-অর্ডার করে সংগ্রহ করতে চান দ্রুত ওয়াফিলাইফ/রকমারি ইত্যাদি পছন্দের যেকোনো শপ থেকে অর্ডার করতে পারেন। . শর্ট পিডিএফ লিংক : https://t.me/abdullahbinbashir/1259

বইটি মেলায় চেতনার স্টলে পাওয়া যাচ্ছে।
বইটি মেলায় চেতনার স্টলে পাওয়া যাচ্ছে।

প্রকাশিতব্য ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইটি নিয়ে সাদিক শাহরিয়ার ভাই একটি পর্যালোচনা লেখেছেন বা নিজের ভালোলাগা লেখেছেন। বইটি মূলত পান্ডুলিপি থাকাবস্তায় উনি পুরোটা পড়েছেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এর আগে উনার বেশ কিছু বই পড়া আছে, এই বছর আসসুন্নাহ ফাউণ্ডেশনে দাওয়া বিভাগে পশ্চিমা সভ্যতা নিয়ে পড়াশোনাও করছেন। উনার লেখাটি পড়তে পারেন। https://www.facebook.com/share/p/177oTRXDfD/

অতিপ্রাকৃত জ্ঞান (Metaphysics), জ্ঞানতত্ত্ব (Epistemology), নৈতিকতা (Ethics), মূল্যবোধ (Axiology) এবং সৌন্দর্যতত্ত্বের (Aesthetics) মূলনীতিগুলো যদি দুই ব্যক্তি, সমাজ বা দুই জাতির মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন হয়, তাহলে তাদের ইবাদত, লেনদেন, চরিত্র-নৈতিকতা, রাষ্ট্রব্যবস্থা, রাজনীতি, শিক্ষানীতি, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা এবং সমাজের যাবতীয় ব্যবস্থার নীতিমালা কখনোই এক হতে পারে না; যদিও কোথাও তাদের শব্দ, পরিভাষা ও মৌখিক বক্তব্য এক রকম হয়ে যাক না কেন। কারণ তাদের অধিবিদ্যা ও অন্যান্য মূলনীতিগুলোর মাঝেই রয়েছে ভিন্নতা। উদাহরণত, 'স্বাধীনতা' শব্দটির অর্থ ইসলামে এবং পশ্চিমা সভ্যতায় এক নয়; আসমান-জমিন পার্থক্য। কারণ, উভয়ের মৌলিক দার্শনিক ভিত্তিই ভিন্ন; তাই বাহ্যিকভাবে তা এক মনে হলেও, উভয়ের মাঝে রয়েছে লাখো ভিন্নতা। . ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা : দুই জীবনদর্শনের সংঘাত বই থেকে . শর্ট পিডিএফ : https://t.me/abdullahbinbashir/1259 . প্রি-অর্ডার লিংক : https://www.facebook.com/share/p/1CTmWHXDG3/