Abdullah bin bashir
الذهاب إلى القناة على Telegram
📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Abdullah bin bashir
تُعد قناة Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 323 مشتركاً، محتلاً المرتبة 7 894 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 2 062 في منطقة بنغلاديش.
📊 مؤشرات الجمهور والحراك
منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 323 مشتركاً.
بحسب آخر البيانات بتاريخ 31 أغسطس, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 58، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -7، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.
- حالة التحقق: غير موثّقة
- معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 13.99%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 5.84% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
- وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 584 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 661 مشاهدة.
- التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 37.
📝 الوصف وسياسة المحتوى
يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
“প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট”
بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 01 سبتمبر, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.
11 323
المشتركون
-724 ساعات
-47 أيام
+5830 أيام
أرشيف المشاركات
11 325
আবু মুহাম্মদ আলমাকদেসি হাফিজাহুল্লাহের বেশকিছু মত আছে যেটা মেনে নেওয়ার কোনো সুযোগ আছে বলে মনে হয় না। এবং জি হা দি কাফেলাগুলোও তার সবগুলো ফতোয়া মেনে নেনও না। তাকফিরের ক্ষেত্রে তার কিছু সিদ্দাত সর্বজন বিধিত। এছাড়াও নজদিধারার কিছু উসুলের ব্যাপক প্রয়োগের বাড়াবাড়িও উনার মাঝে আছে। (তবে মাকদেসীকে আমার কট্টর নজদি মনে হয়নি কখনো, ইলম ও আহলে ইলমের বিষয়ে বেশ শ্রদ্ধাশীলই মনে হয়েছে)
কিন্তু শ্রদ্ধেয় মিজান হারুন সাহেব (আল্লাহ তার ইলম দ্বারা আমাদের আরো উপকৃত হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমীন) মাকদেসীর বিভিন্ন চিন্তা নিয়ে যেভাবে লেখেছেন আমার মনে হয় এটা মাকদেসীর সঠিক তরজুমানি হয়নি। বিশেষত যারা মাকদেসীর আর রিসালাতুস সালাসিনিয়্যাহ পড়েছেন তারা জানেন মীজান হারুন সাহেব মাকদেসীর যে মতগুলো উল্লেখ করেছেন তার অধিকাংশেরই ব্যাখ্যা দিয়েছেন কিতাবে মাকদেসী হাফিজাহুল্লাহ করেছেন, যেগুলোর মাধ্যমে মীজান হারুন সাহেবের মতের বিপরীত চিত্রই উঠে আসে বলেই মনে হয়। বিস্তারিত বলার মানসিকতা নাই। আগ্রহী তালেবে ইলমদের জন্য কমেন্টে কিতাবটির পিডিএফ দিয়ে দিচ্ছি তারা তানকিহের সাথে মুতালাআ করবেন বলে আশা রাখি।
.
যাইহোক, জি হা দ ও তাকফির সংক্রান্ত যেকোনো মৌলিক বিধান আমরা আমাদের ফুকাহায়ে কেরাম থেকেই নিবো। আধুনিক যত তাতবিক আছে তাও ফুকাহাদের বক্তব্যের আলোকেই দিবো। আমাদের জন্য আমাদের ফকিহদের কিতাবই নিরাপদ। তবে তাদের উসুল ও নীতির আলোকে আমরা আহলুস সুন্নাহের যেকোনো সমকালীন আলেম থেকেই ইসতিফাদা করতে পারবো তানকিহ ও সমকালীন আলেমদের সাথে মুজাকারার সাথে। আল্লাহ আমাদের আমলের তাওফিক দান করুন।
11 325
এটা এদেশের একটি অন্যতম মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ। বাংলাভাষায় এই বিষয় এত চমৎকার কাজ এর আগে হয়নি। মৌলিকও না, অনুবাদও না। অথচ বইটা আমরা সংগ্রহ করছি না। ফলে এমন মৌলিক কাজ না আর প্রকাশক ছাপার হিম্মত করবে না লেখকরা আর সাহস করবে!
উৎসাহের জন্য হলেও এই বইটা আমাদের সংগ্রহ করা দরকার।
11 325
খসড়া ফাইল। প্রস্তুতি।
(আল্লাহর ওয়াস্তে যারা দেখবেন মনে মনে মাশাআল্লাহ বইলেন)
11 325
বৃহস্পতিবার একটা জরুরি কাজে পিজি হাসপাতালে যাই। ফিরার পথে অল্প সময়ের জন্য বাইতুল মুকাররম বইমেলায় ঢুকি। বের হওয়ার সময় দূর থেকে দেখলাম মেলায় প্রবেশ করছেন বিশিষ্ট্য আলেমে দীন ও দায়ী মাওলানা Abdul Majid সাহেব হাফিজাহুল্লাহ। (শাইখুল হাদিস বাড্ডা মিফতাহুল উলুম মাদরাসা) দৌড়ে চেতনার স্টলে গিয়ে আমার অনূদিত বইটি এক কপি নিয়ে হযরতের কাছে আসলাম হাদিয়া দেয়ার জন্য। হযরত বই হাতে নিয়ে দেখলেন এবং খুব উতসাহিত করলেন লেখালেখির জন্য।
.
এরপর হযরত আমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ নসিহত করলেন যা বলার জন্যই এই লেখা। হযরত বললেন, "খুব লেখেন, তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখবেন তাকরারে জুহুদ যেনো না হয়। তাকরারে জুহুদ বিষয়টি বুঝেছেন?" আমি হযরত থেকে সুন্দর ব্যাখ্যার আশায় বললাম, "আরেকটু স্পষ্ট করে দিলে ভালো হয়।"
"তাকরারে জুহুদ হলো, যে বিষয়ে কোনো মুতাবার কাজ হয়ে গেছে ঐ বিষয়ে আরো একটি কাজ না করে যেসব বিষয়ে এখনো মুতবার কোনো কাজ হয়নি সেগুলোর বিষয়ে কাজের চেষ্টা করবেন।" ব্যাখ্যা করে বললেন হযরত। অতপর "আল্লাহ আপনার হাদিয়া কবুল করুক" বলে স্বভাবজাত আন্তরিকতার সাথে আমাদের বিদায় দিলেন।
.
আল্লাহ হযরতের এই নসিহাতের উপর জীবনভর কাজ করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
11 325
হেফজ প্রতিযোগিতার নামে তাকরিমসহ অসংখ্য হাফেজ ছেলের জীবনকে যারা ধ্বংস করছে আল্লাহ তুমি দুনিয়ার বুকেই এদের চূড়ান্ত লাঞ্চিত করো। আমীন।
11 325
বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে কালের কণ্ঠ চাঞ্চল্যকর একটি ভিডিও নিউজ করেছে। দেখতে পারেন।
https://youtu.be/EEFe7LUTzkg?si=AH3WsCnDCpUrL9BX
11 325
দাওরার নীচের তালেবে ইলমদের বই রুচি নিয়ে আমি বেশ চিন্তিত!
.
গত কয়েক মাসে ফেসবুকের ধোঁকা খেয়ে অনেক তালেবে ইলম আমার কাছে এসেছে ইলমি পরামর্শের জন্য! তাদেরকে আমি প্রথম যে প্রশ্নটি করি—আপনার উস্তাদ রেখে আমার কাছে কেনো এসেছেন? আমার তাকওয়া-তাহারাত সম্পর্কে আপনি কিছু জানেন? কোনো নির্ভরযোগ্য ব্যক্তির থেকে আমার ব্যাপারে কোনো ভালো শাহাদাত আপনার কাছে আছে? তাহলে কেনো এসেছেন? ফেসবুকের লেখা পড়ে? এই প্রশ্নগুলোরে বেশিরভাগই নিরব থাকে এবং যতটুকু বুঝি, এমন প্রশ্নের সম্মুখীন এর আগে হয়তো হয়নি।
.
এভার আসি আসল কথায়, পরামর্শের যারা এসেছেন এদের একটি বড় অংশই হলো হেদায়েতুন নাহু থেকে দাওরা পর্যন্ত। আর আমার অভিজ্ঞতা হলো এই বয়সের তালেবে ইলমদের মধ্যে যারা কিছুটা পড়াশোনাতে আগ্রহী এদের বই সংগ্রহের প্রতি একটা ব্যাপক ঝোক থাকে। অন্তত আমার কাছে যারা এসেছে তাদের প্রত্যেককেই দেখলাম ব্যাপকভাবেই বাংলা বইপত্র সংগ্রহ করছে আর দুঃখজনকভাবে আবিষ্কার করলাম এরা এমন সকল বই সংগ্রহ করছে যা এখন তার কোনো প্রয়োজন নেই৷ এটা তো কিছু মানা যায়, সবচেয়ে বড় ভয়ংকর যে বিষয়টি লেগেছে, তা হলো এত এত বাংলা বই সংগ্রহের কারনে কয়েকজন বললো, তাদের আরবী বই আর তেমন সংগ্রহ হয় না!
.
বিভিন্ন বিষয়ে জাহালাত দূর করার জন্য নির্ভরযোগ্য ও মানোত্তীর্ণ বাংলা বই পড়া দোষের কিছু না। কিন্তু হেদায়েতুন নাহু থেকে উপরের দিকের তালেবে ইলমরা এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ইলমি ইসতেদাদকে পাকা করার বদলে, এবং আরবী ভাষাসহ শাস্ত্রীয় বিভিন্ন বিষয়ে দৃঢ়তা অর্জন বাদ দিয়ে বাংলায় বিভিন্ন জ্ঞানঅর্জনে ব্যস্ত হয়ে যাওয়া এটা খুবই আশংকাজনক বিষয়।
.
আরো দুঃখজনক হলো এধরণের তালেবে ইলমরা বেশিরভাগ বই সংগ্রহ করে ফেসবুকের হাইপ দেখে! অথচ এটা একজন তালেবে ইলমের জন্য কস্মিনকালেও উচিত নয়।
.
প্রিয় তালেবে ইলম ভাইরা! ইলমের এই ঝুকিপূর্ণ ও উত্তাল সময়ে একজন সময়ে এই পথ পাড়ি দেওয়া একজন বিজ্ঞ নাবিককে পথপ্রদর্শক হিসেবে গ্রহণ করে নিন। আল্লাহর ওয়াস্তে এভাবে নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতে নিজের বিবেক বুদ্ধি দিয়ে চলে শেষ করে দিয়েন না।
.
সম্মানীত উস্তাদবৃন্দ, তালেবে ইলমদের বইয়ের এই যে নেশা, এটাকে সঠিক পথে পরিচালনা করুন আল্লাহর ওয়াস্তে। ধমক দিয়ে উড়িয়ে দিয়েন না। এগুলো দরকার নাই বলে বকে দিয়েই ক্ষান্ত দিয়েন না। তাকে সুন্দর করে কারণটিও বুঝিয়ে দিন। ‘দরসের পড়াই পারোস না আবার বাহিরের বই’ এমন কথা বলে তার পাঠক সত্তাকে নষ্ট করবেন না দয়া করে। কথা বলুন ছাত্রদের সাথে, আপনি যেমন সম্পূর্ণ ‘শুনলাম মেনে নিলাম’ ছিলেন আপনার তালেবে ইলম এমনই হবে এটা জরুরি না। আর আপনি যেমন ছিলেন তালেবে ইলম তেমন না হলেই যে নষ্ট আর ধ্বংস তা ধরে বসে থাইকেন না! এধরণের আচরণই তালেবে ইলমকে আপনার থেকে বিরূপ করে রাখে।
ভুল হলে ক্ষমা করবেন।
11 325
আলহামদুলিল্লাহ, বইটির প্রথম এডিশন শেষ হয়ে দ্বিতীয় এডিশন বাজারে এসেছে। এগুলো সবটাই ধারণার বাহিরে। এরসবই মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান সাহেবের ইখলাস ও বরকতের ফল।
.
আরেকটি কথা বাইতুল মুকাররম বইমেলা দশদিন সময় বেড়েছে এটা অনেকেই জানে না। একাধিক প্রকাশক বিষয়টি জানালেন। আমাদের মেলা আমাদেরই প্রচার করতে হবে৷
11 325
আমার অনুদিত বই সম্পর্কে একটা কথা
.
আমি যে বইটি অনুবাদ করেছি তার মূল নাম হলো ‘গাইরে মুসলিম কি সাত মুখতালিফ নাওয়ায়িয়াত কী তায়াল্লুকাত’। মূল বইটির একটি পিডিএফ পাওয়া যায়, যার প্রথম তবয়া (এডিশন) হলো একশো দশ পৃষ্ঠা। সেটা সামনে রেখেই প্রথম অনুবাদ শুরু করি। অত:পর কাজ শেষ করে লেখকের সাথে যোগাযোগ করলে তারা আমাকে বইটির দ্বিতীয় এডিশন দেয় যার মূল পৃষ্ঠা ২৫০+। যেখানে যা ন দাকা আর মু র তা দের অধ্যায়টি সম্পূর্ণ নতুন যা প্রথম এডিশনে ছিলো না। এছাড়া প্রতি অধ্যায়েই অসংখ্য মাসআলা নতুন ও আরো বেশি দলিল সমৃদ্ধ। আর এছাড়া আমার পক্ষ থেকেই বিভিন্ন জায়গায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিকা দেয়া হয়েছে ও শেষে দুটো পরিশিষ্টও যোগ করা হয়েছে।
.
কথাগুলো এজন্য বলা, অনেক তালেবে ইলম ভাইরা মূল উর্দুটা পড়েছেন, যা মূলত প্রথম এডিশন, তাদের কাউকে দেখলাম কমেন্টে মূল উর্দুটি দিয়ে বলছেন, এটা তো পড়েছিই/এটা পড়ে নিলেই হবে, অনুবাদ সংগ্রহের কী প্রয়োজন।
.
আমার বক্তব্য হলো, তালেবে ইলম ভাইদের জন্য মূল কিতাব পড়াটাই বেশি মুনাসিব। বাকি অনুবাদে যা এসেছে সেটা অনলাইনে পাওয়া যাওয়া উর্দুটিতে নাই। তালেবে ইলম ভাইরা হয়তো মূল উর্দুর দ্বিতীয় এডিশনের অপেক্ষা করেন, সেটা হয়তো কোনো সময় বের হবে অথবা অনুবাদটি সংগ্রহ করতে পারেন। বাকি, প্রথম এডিশন পড়ে যারা ভাবছেন মূল বই পড়ে ফেলেছেন, তারা বেশ বেশি কিছু থেকে বঞ্চিত হবেন।
11 325
মাওলানা যুবায়ের সাহেব লেখেন,
“ধর্ম উপদেষ্টার সমালোচনা প্রসঙ্গ
কিছুদিন আগে যখন ধর্ম উপদেষ্টার সমালোচনা হয়েছিল তখন একটু বেশি রকমের রেগে গিয়েছিলেন বলে মনে হয়েছে। তিনি স্মরণ রাখতে পারছেননা, তিনি কোন পোশাক গায়ে জড়িয়ে আছেন। তিনি মনে রাখতে পারছেন না, তিনি কোন ঘরানার মুখপাত্র হিসাবে পরিচিত? তিনি কথায় কথায় দেওবন্দী পরিচয় প্রকাশ করছেন। কওমী পরিচয় প্রকাশ করছেন। এ দেশের আহলে হকের ঘরের লোক হিসাবে নিজেকে প্রকাশ করতে তিনি কোন প্রকার ত্রুটি করছেন না। কিন্তু এ পরিচয় ও এ প্রকাশ যে তাঁর দায়িত্বকে কতদূর বাড়িয়ে দেয়, তা তিনি অনুভব করতে পারছেন না।
তিনি যে কথা ও আচরণ করছেন, তা যদি শরীয়তের মানদণ্ডে সমালোচনার উপযুক্ত হয়, তাহলে তার সমালোচনা করা সমালোচকদের উপর ওয়াজিব। এ সমালোচনা প্রকাশ্যে হওয়া জরুরী। কারণ, তিনি তাঁর কথা ও আচরণগুলো গোপনে করছেন না। প্রকাশ্যে করছেন এবং অকপটে করছেন। এমতাবস্থায় শরীয়তের মানদণ্ডে যদি সমালোচনা না হয় এবং তা প্রকাশ্যে না হয়, তাহলে কোটি কোটি সাধারণ মুসলিমদের কাছে ভুল বার্তা পৌঁছে যাবে এবং সে ভুলই প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাবে।
বিষয়গুলোর ভয়াবহতা তাঁকে বুঝতে হবে এবং তাঁর ভক্তরাও বুঝতে হবে।
মনে রাখতে হবে বিষয়গুলো দ্বীন ও শরীয়তের বিষয়। এগুলো ব্যক্তিগত স্বার্থভিত্তিক কোন বিষয় নয়।”
11 325
১০. পরিশেষে হযরত খুব গুরুত্বের সাথে বলেন, হাদিস না মানা মানে রাসূলের অবমাননা করা। হাদিস নিয়ে মানুষের মাঝে সন্দেহ সৃষ্টি করা। তবে হাদিসের সত্যতা ও শুদ্ধতা যাচাই-বাছাই করা এর অন্তর্ভুক্ত নয়। হাদিস অস্বীকার করা, উপহাস করা, তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা— এসবের দ্বারা ঈমান চলে যায়। এগুলো করা মানে রাসূলের সাথে অবমাননা করা। "হাদিস না মানা মানে রাসূলের অবমাননা করা"— কথাটি হযরত অনেক তাগিদের সাথে বেশ কয়েকবার বলেন।
পরিশেষে হযরত বলেন, আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে কুরআন এবং সুন্নাহর উপর আস্থা, মুহাব্বত এবং ভালোবাসা দান করুন। আমীন...
____
Sadik Shahriar
০২: ৩৩ | ০৮-১১-২০২৪ ঈ.
বাইতুল মুকাররম, ঢাকা
11 325
মুহতারাম আবদুল মালেক হাফিযাহুল্লাহ আজ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা করেছেন। অল্প সময়ে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে হযরত অত্যন্ত জামে-মানে ইলমী আলোচনা করেছেন আজ। হযরতের আলোচনা থেকে আজ উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ দশটি নুকতা। খুব সংক্ষেপে নিচে উল্লেখ করছি:
১. প্রথমেই আজকে মুসাফাহার বিষয়ে আলোচনা করেন। মুসাফাহা করার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়া। এটা অবশ্যই মুহাব্বতের কারণে হয়ে থাকে। হযরত বলেন, আমি আপনাদের মুহাব্বতকে মূল্যায়ন করি; কিন্তু এভাবে মুহাব্বত প্রকাশ করাটা সুন্নত মোতাবেক নয়; বরং এটা সুন্নত পরিপন্থী, এটা মহব্বতের সঠিক প্রকাশ নয়।
২. হযরত আজকের আলোচনার প্রাসঙ্গিক আয়াত তেলাওয়াত করেন—
يا ايها الذين امنوا اتقوا الله وقولوا قولا سديدا يصلح لكم اعمالكم ويغفر لكم ذنوبكم ومن يطع الله ورسوله فقد فاز فوزا عظيما
তরজমা: হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক কথা বলো; তিনি তোমাদের আমলগুলোকে সংশোধন করবেন এবং তোমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করবে, সে প্রকৃত সাফল্য অর্জন করবে। [সূরা আল-আহযাব, আয়াত ৭০-৭১]
হযরত বলেন, মানুষের সবচেয়ে বেশি গুনাহ হয় জবান দ্বারা। জবান ঠিক রাখার চেষ্টা করলে আল্লাহ তোমাদের অন্যান্য আমল ঠিক করে দেবেন। তোমরা আল্লাহর হুকুমে শরীয়তের অনুসরণে জবান নিয়ন্ত্রণ রাখো। আয়াতটি পুনরায় তিলাওয়াত করে হযরত বলেন, এই আয়াতে তাকওয়ার নির্দেশ এবং সঠিক কথা বলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৩. সঠিক কথার সংজ্ঞা কী? সঠিক কথা কাকে বলে? যে কথায় মিথ্যার মিশ্রণ নেই এবং ভুলের মিশ্রণ নেই, সেটাই সঠিক কথা। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে হযরত হাদীসের বাণী পেশ করেন—
من كان يؤمن بالله واليوم الاخر فليقل خيرا او ليصمت
তরজমা: যার আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি ঈমান আছে, সে কল্যাণকর কথা বলুক অথবা চুপ থাকুক। (বুখারী ও মুসলিম)
৪. হযরত পাঠ করেন—
ولا تقف ما ليس لك به علم
"যে বিষয়ে তোমার ইলম নেই, তার পেছনে চলো না।" [সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৩৬]
হযরত বলেন, যে বিষয়ে তোমার ইলম নেই, সে বিষয়ের পিছে পড়ো না। যে বিষয়ে তুমি বিশেষজ্ঞ, সে বিষয়েই কথা বলো; যেটা তোমার সাবজেক্ট নয়, সে বিষয়ে কথা বলতে যেও না। এরপর হযরত বর্তমান সময়ের সাংবাদিকদের অপপ্রচারের বিষয়গুলো তুলে ধরেন। হযরত বলেন, সূরা আহযাবের আয়াতের আলোকে বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়াগুলোকে বিচার করুন। সঠিকভাবে জবানের ব্যবহার করলে অনেক সওয়াব হবে। জবানের সঠিক ব্যবহার আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে আর বেঠিক ব্যবহার আমাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে।
৫. আপনি নিজে বলেন বা শোনান— দুইটার দায় আপনাকে বহন করতে হবে। এই মর্মে দলিল হিসেবে হযরত হাদিস পেশ করেন—
كفى بالمرء كذبا ان يحدث بكل ما سمع
"এক ব্যক্তির জন্য মিথ্যা বলা যথেষ্ট যে সে যা শোনে, তা-ই বলে বেড়ায়।" [সহিহ মুসলিম]
من حدث عني حديثا يرى انه كذب فهو احد الكاذبين
তরজমা: "যে আমার থেকে এমন কোনো হাদীস বর্ণনা করে, যা সে মিথ্যা মনে করে, সে অবশ্যই মিথ্যাবাদীদের একজন।" [সহীহ মুসলিম]
৬. বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়াতে মহিলারা সব দেখতে পারবে, পুরুষরা সব দেখতে পারবে— বিষয়টা কি এমন? এই মর্মে জবাব হিসেবে হযরত এই আয়াত পেশ করেন—
ان السمع والبصر والفؤاد كل اولئك كان عنه مسؤولا
তরজমা: "নিশ্চয়ই কান, চোখ, এবং অন্তর— এদের প্রত্যেকটির ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞাসা করা হবে।" [সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৩৬]
৭. তথ্য শেয়ার: তথ্য শেয়ারের ক্ষেত্রে অনেক সতর্কতার পরিচয় দিতে হবে। মনে রাখতে হবে, আমার পরিভাষা সিস্টেম যতই পরিবর্তন হোক, বিধান সব এক জায়গায়।
كفى بالمرء كذبا ان يحدث بكل ما سمع
"এক ব্যক্তির জন্য মিথ্যা বলা যথেষ্ট যে সে যা শোনে, তা-ই বলে বেড়ায়।" [সহিহ মুসলিম] সুতরাং যেকোনো তথ্য শেয়ারের ব্যাপারে শরীয়ত বলে তোমাকে আগে তথ্যটার ব্যাপারে বিচার করতে হবে— তথ্যটা সঠিক কিনা।
৮. সব তথ্য সঠিক হলেও শেয়ার করা উচিত নয়। একটা বাস্তবসম্মত কথা সঠিক হলেই সবাইকে জানাতে হবে— শরীয়ত এমনটা বলে না; বরং দেখতে হবে এতে সাধারণের ফায়দা আছে কিনা।
৯. যার জবান থেকে এবং হাত থেকে অপর মুসলিম ভাই নিরাপদ থাকে, সেই প্রকৃত মুসলিম। হাদীসে এরশাদ হয়েছে—
المسلم من سلم المسلمون من لسانه ويده
"প্রকৃত মুসলিম সেই ব্যক্তি যার জবান ও হাত থেকে অপর মুসলিম নিরাপদ থাকে।" [বুখারী ও মুসলিম] হাত দ্বারা মানুষকে কষ্ট দেওয়ার কয়েকটি প্রকার তুলে ধরেন যেমন: জুমার দিন পরে এসে সামনের কাতারে যাওয়ার জন্য মানুষকে কষ্ট দেওয়া, কলম দ্বারা অন্যায় কিছু লিখে কষ্ট দেওয়া, কারো নামে অপপ্রচারমূলক তথ্য প্রচার করে কষ্ট দেওয়া। মোটকথা হাত দিয়ে অন্যভাবে কলম চালানোও কষ্ট দেওয়ার শামিল।
11 325
ইফতার সাথে সংশ্লিষ্ট ভাইরা—ইফতা পড়াচ্ছেন সম্মানিত উস্তাদগণ ও ইফতা পড়ছেন প্রিয় তালেবে ইলম ভাইরা, এই বইটি সংগ্রহে রাখতে পারেন। আপনার নিকট যে মতটিই প্রাধান্য হোক, কিন্তু উপমহাদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ ওলামায়ে কেরাম ব্যাংকের বিষয়ে কী মত লালন করে, কী দলিল তাঁরা দেন, কী যুক্তিগুলো তাঁরা পেশ করেন তা জানতে বইটি সাথে রাখতে পারেন। অন্যথায় একমুখী পড়াশোনায় অনেক কিছু থেকেই মাহরুম থাকবেন। জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।
.
বি.দ্র. বইয়ের অনুবাদক শায়খে বিলা প্রোফাইল শায়খ Abu Usama Jafar মেলায় চেতনার স্টলে আছেন। আসতে পারেন। শায়খের ঢাকা সফর সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা দেখতে কমেন্ট চেক করুন।
11 325
ইফতার সাথে সংশ্লিষ্ট সাথী ভাইরা—পড়ছেন বা পড়াচ্ছেন, সংক্ষিপ্ত ও গুরুত্বপূর্ণ এই বইটি অবশ্যই সংগ্রহ করেন। আমাদের জানামতে বাংলাভাষায় এই বিষয়ে একমাত্র বই এটি। সময়ের অতিপ্রয়োজনীয় একটি বিষয়, এই বিষয়টি না বুঝার কারনে সময়ের হাজারো মাসআলায় আমাদের বড়ধরনের ভুল হয় প্রতিনিয়ত।
11 325
ঘৃণা কাফেরের প্রতি, না কুফরের প্রতি?
কাফেরদের সাথে ভালোবাসার সম্পর্ক রাখার যে বিধান এখানে বলা হয়েছে, এর ওপর একটি আপত্তি এই উত্থাপিত হয়, ‘ঘৃণা ও বিদ্বেষ কাফেরের প্রতি নয়, বরং কুফরের প্রতি। কারণ কাফেররাও তো মানুষ। মানুষের প্রতি মানুষের ঘৃণা না রাখাই উচিত। ঘৃণা তো হবে তার কর্মের প্রতি।’
এই আপত্তিটি কখনো বিভিন্ন ধর্মীয় ঢঙে উল্লেখ করা হয়, আবার কখনো এমন নিষ্পাপ ভঙ্গিতে উল্লেখ করা হয় যে, সাধারণ মুসলমান ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো না জানা থাকার কারণে এতে বেশ পেরেশান হয় এবং ধোঁকায়ও পতিত হয়ে যায়।
বাস্তবতা হলো, এই আপত্তিটির কয়েকটি দিক হতে পারে-
ক. ওপরের কথা দ্বারা যদি উদ্দেশ্য এটা হয় যে, কোনো মানুষের প্রতি ঘৃণা ও বিদ্বেষের মূল ভিত্তি কারও ব্যক্তিত্ব বা সত্তা নয়, বরং ব্যক্তির ঘৃণিত ও নিন্দিত চিন্তা ও কর্মই হলো তাকে ঘৃণা করার মূল ভিত্তি, যেগুলো সে স্বেচ্ছায় করেছে। এই হিসাবে উপরিউক্ত কথাটি ভুল নয়। বরং ইসলামের মূলনীতির সাথেও এটা সামঞ্জস্যশীল।
কেননা ইসলাম সকল মানুষকেই ‘আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি’ হিসাবে স্বীকৃতি দেয় এবং তার প্রচার ও প্রসার করে। জাতপাতের কোনো ধারণা ইসলামে নেই। ইসলাম কোনো বংশ বা দলকে সম্মান ও অসম্মানের মাপকাঠি নির্ধারণ করেনি। কুফর ও জুলুমের মতো ঘৃণিত অপরাধ করে কোনো ব্যক্তি নিজের অযোগ্যতার পরিচয় দিলে তার এই পদক্ষেপ নিন্দা ও ঘৃণার যোগ্য হবে, কিন্তু যখনই সে নিজের ভুল বুঝতে পেরে নিজেকে সংশোধন করে নেবে, তখনই সে পূর্বের ইজ্জত ও সম্মান ফিরে পাবে। কিন্তু কোনো কাফেরের ব্যক্তিত্বকেই যদি ঘৃণার মাপকাঠি বানিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে সে ইসলাম কবুল করার পরও ঘৃণিতই থেকে যেত, কিন্তু বিষয়টা বাস্তবে তেমন নয়।
খ. আর এই বাহ্যত নিষ্পাপ স্লোগানের উদ্দেশ্য যদি এটা হয় যে, আমাদের ঘৃণা শুধু ‘কুফর’ গুণটির সাথে। কিন্তু এই গুণের ধারক কাফেরের সাথে আমাদের কোনো ঘৃণা নেই, বরং তার এই গুণকে ঘৃণা করে তাকে ভালোবাসাই উচিত, তাহলে এটা ইসলামের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ ভুল ও একটি অবাস্তব দাবি। এটা শুধু মানুষের কল্পনাতেই সম্ভব, বাস্তব জীবনে এটার প্রয়োগ অসম্ভব। কেননা ‘ব্যক্তি’ ও ‘তার অর্জিত গুণ’ এ দুটিকে পৃথক করার কোনো মাপকাঠি তৈরি কি আদৌ সম্ভব? এটার কল্পনাও কি কেউ করতে পারবে? কেননা ব্যক্তিই তো ঘৃণিত ‘গুণটি’ নিজের মাঝে ধারণ করে, সেই ‘গুণের’ কারণে শাস্তি ব্যক্তিকেই পেতে হয়, ব্যক্তির সে ‘গুণ’-কে শাস্তি দেওয়া হয় না। এই দাবি ও চিন্তাও কি আদৌ সম্ভব, চুরিকে শাস্তি দেওয়া হোক, চোরকে নয়!
সূত্র: মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক, পৃ. ৩৬-৩৭
মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান
চেতনা প্রকাশন
বাইতুল মুকাররম বইমেলায় পাবেন
11 325
এগুলো ভালো লাগার অনূভুতি দেয়। আলহামদুলিল্লাহ, বইটি অনুবাদেরও একটি অন্যতম মাকসাদ এটিই।
.
বাইতুল মুকাররম বইমেলায় আসেন, বইটি নেড়েচেড়ে দেখেন এবং আপনার বর্তমান প্রয়োজন থাকলে সংগ্রহ করেন, ফেসবুক হাইপ বা স্টলে অনুবাদক বসে আছে সে জন্য নয়।
11 325
মুফতি উবাইদুর রহমান সাহেবের বইসমূহ নিয়ে কয়েকটি কথা।
.
আল্লাহর শোকর, খিদমতের জীবনে আল্লাহ এমন একজন উস্তাদের সোহবতে থাকার সুযোগ দিয়েছেন, যিনি আমাদের কাজের জন্য অফুরন্ত সুযোগ করে দিয়েছেন। কিন্তু আমি এত এত সুযোগ পেয়েও বলা যায় উল্লেখ করার মত কিছুই করিনি! ফেসবুক, গাফলতি, অসুস্থতা, তিনের সমন্বয়ে এত এত গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট করেছি ভাবলেও অবাক লাগে, অকাজের মানুষের কাজের সুযোগ পেলে যা করে আরকি।
.
যাইহোক, এত সমস্যার পরেও আমার মনে কাজের অনেকগুলো তামান্না আছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বাংলাভাষায় মুফতি উবাইদুর রহমান সাহেবের বইগুলো তরজমা করা ও করানো। সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই কিছু কাজ এগিয়ে নিয়েছি, কিছু ভাইয়ের সাথে মুজাকারা করেছি। আপাতত আমরা কয়েকজন ভাই মুফতি সাহেবের যে কাজগুলো শুরু করে দিয়েছি তার একটি তালিকা দিচ্ছি,
১. আমর বিল মারুফ নাহি আনিল মুনকার, মাওলানা আরিফ সাহেব ও আমি। বইটির অনুবাদ শেষ আলহামদুলিল্লাহ, এখন সম্পাদনার কাজ চলছে।
২. বেদয়াত, Abu Usama Jafar ভাই। অনুবাদের কাজ আগামী মাস থেকে শুরু হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
৩. উসুলুত তাদলিল, Abdur Rohman ভাই খুলনা। বইটির অনুবাদ আলহামদুলিল্লাহ শেষ। খুব দ্রুতই প্রকাশিত হবে।
৪. আহকামে মাদারেস, আমি অনুবাদ শুরু করছি, দোয়া চাই যেনো খুব দ্রুতই শেষ করতে পারি।
৫. তাওহিদ ও শিরক, Tanjil Arefin Adnan ভাই। মেলার ব্যস্ততা শেষ করেই হযরত কাজ শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন।
৬. ফিতনা আউর উনকি ইলাজ, মুহাম্মাদ মীযানুর রহমান, আমাদের সাথী ও শাগরেদ সংক্ষিপ্ত বইটি অনুবাদ শেষ করেছে। খুব দ্রুতই বইটি প্রকাশিত হবে ইনশাআল্লাহ।
৭. তাসাওউফ ও সুলুক, অনুবাদ করছেন Hasan Muhammad ভাই। অনুবাদের কাজ শুরু হয়ে গেছে আলহামদুলিল্লাহ।
৮. কতলে মুসলিম, সাইফ শামীম নামক ভাই শুরু করেছেন।
.
মুফতি উবাইদুর রহমান সাহেবের অসংখ্য কাজের মধ্যে এই কয়েকটি কাজ আপাতত চলমান রয়েছে। সকলের কাছে দোয়া চাই আল্লাহ যেনো কাজগুলোকে কবুল করেন এবং দ্রুত বাংলাভাষী মানুষের সামনে নিয়ে আসার তাওফিক দেয়।
11 325
মেহমান বলেন, "ট্রাম্প মুসলমান সম্পর্কে যা বলেছেন বা যা করছেন তা গুটি কয়েক বিপথগামী সন্ত্রাসীদের কর্মকান্ডের কারণেই বলছেন বা করছেন। যার জন্য আমরা মুসলমানরাই দায়ী।"
