Max Rab
الذهاب إلى القناة على Telegram
Max Rab is not just a person. It's a concept, a believe, a hope. Max Rab is what you need when you are alone, when you feel low, when you feel like crying.
إظهار المزيدبنغلاديش14 997الفئة غير محددة
278
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
-17 أيام
-530 أيام
أرشيف المشاركات
278
I want to be,
The books she holds closest to her heart,
The breaths she takes in the quiet night,
The warmth that melts away her doubt,
The sun she lets kiss her skin,
The lyrics that linger in her mind,
The confidant in her silence,
The umbrella in the rain,
The comfort in the storm,
The whisper that calms her fear,
The promise that stays when even I'm not near.
I want to be the boy
Who is her home....
278
কোভিডের সময় জাকির হুসেনের বেশ কিছু তবলা বাজানো শুনেছিলাম। তখন আলাদা আলাদা মিউজিক এক্সপ্লোর করার একটা ঝোঁক তৈরি হয়েছিল আমার মধ্যে। তাঁর হাত এত দ্রুত তবলার ওপর খেলা করতো যে বিস্ময়ের রেশ কাটতো না। এভাবে জাকির হুসেনের তবলা বাজানো শুনতে গিয়ে বিসমিল্লাহ খানের সানাই, আলি আকবর খানে সরোদ, পন্ডিত রবি শঙ্করের সিতার বাজানো আবিষ্কার করেছিলাম। ওঁরা তো আগেই পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে চলে গেছিলেন। আজ জাকির হুসেনজিও চলে গেলেন। এভাবে হিন্দুস্তানি ক্লাসিকাল সংগীত ধারার একটা যুগের অবসান ঘটলো।
278
A man with leprosy came and knelt before him and said, " Lord! If you are willing, you can make me clean. " Jesus reached out his hand and touched the man. "I am willing, " he said. "Be clean!" Immediately he was cleansed of his leprosy. ( Matthew 8: 2-3)
" I will heal the blind and the leper and raise the dead to life by Allah’s Will. " ( Imran 3 : 49)
278
Praise to the Lord of Moses who split the sea to make pathway through it and saved the believers...
278
Ishwar ki prarthna karneka kiya fayda jab unka diyi huyi zindagi ka qadar karna na jano?
- What's the use of praying to God when you can't value the gift of life He's given....
~
SRK
278
ভালোবেসেছি তাই
আগের পর্ব
[ https://t.me/MaxRab1/270 ]
[ দ্বাদশ পর্ব ]
যাওয়ার আগে সবাই সব বন্দোবস্ত করতে শুরু করলো। আয়ান এই প্রথম কোথাও ট্যুরে যাচ্ছে। এর আগে কখনও সেভাবে কোথাও যাওয়া হয়নি তার। সেজন্য নিতুলের ওপর সে যেমন খুশি, তেমনি বিরক্তও। রুমি ছেলেটার সাথে এর আগেও কয়েকবার দেখা হয়েছে আয়ানের। তবে ছেলেটাকে দেখতে পারে না সে। অতি চটপটে স্বভাব আর মেয়েদের সাথে প্রচুর খাতির তার। যেখানে নাজিয়া আর প্রীতির মতো সুন্দরী মেয়েরা যাচ্ছে, সেখানে রুমির চলন বলন দেখে ওদের তার প্রতি ইমপ্রেস হয়ে যাওয়া মোটেই অস্বাভাবিক নয়। মেয়েরা এরকম ছেলেদেরই পছন্দ করে বেশি।
- ভাই, রুমির সাথে তোর অত অন্তরঙ্গতা কবে থেকে?
- কেন? কী হয়েছে?
- ছেলেটা খুবই বিরক্তিকর।
- কী করলো?
- বেশি কথা বলে।
- বেশি কথা বলতে পারা লোকজন একটু না থাকলে ভাই মজা পাওয়া যায় না। আসর জমানো লোক দরকার।
- রুমি একটু বাড়াবাড়ি।
- তো আর কাকে আনতাম? তুই তো শালা সাইলেন্ট মোড একটিভেট করে বসে থাকিস চিরকাল। সবাই অমন চুপ করে বসে থাকলে ভাই আমরা তোদের ছাদে গিয়েই না হয় একসাথে বসে নীরবতা পালন করবো'খন।
- কিন্তু....
- লোকজন দেখবে একসাথে পাঁচ সাতটে ছেলেমেয়ে বসে বসে শোকসভা পালন করছে। কারো দাফন বা দাহ করতে যাব আমরা?
- তুইও ভাই কম যাস না।
- আমি আবার কী করলাম?
- কবে প্রীতি, প্রীতির ভাই এমনকি প্রীতির ভাইয়ের গার্লফ্রেন্ডসুব্ধ খাতির করে ফেললি জানালিও না।
- যখন জানানোর দরকার তখনই তো জানালাম।
- হ্যাঁ, ভাই। কখন বিয়ে করে ফেলবি সেটাও জানাবি না। একেবারে বিয়ে শাদি করে বাচ্চা কাচ্চা স্কুলে যাওয়া শুরু করলে তখন জানাবি। তারপর জিজ্ঞেস করলে বলবি, স্কুলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত জানানোর দরকার ছিল না।
- থাম, ভাই। থাম। রুমিকে তুই হিংসে করিস বুঝেছি।
- হিংসে করি? আমি কেন হিংসে করতে যাব। আমার শুধু ওর... মানে ওকে ভালোই লাগে না ভাই। ওর আচরণ এমন কেন?
- দাঁড়া, দাঁড়া। ওকে বলা হয়ে গেছে অলরেডি। এখন আর ওকে যাওয়া থেকে আটকানো যাবে না ভাই। তুই আমার সাথে সাথেই থাকিস বা আসিফের সাথে সাথে। তাহলে ওকে খুব একটা সহ্য করতে হবে না।
- আহা! খুব ভাবিস আমার জন্য। চললাম।
- যাওয়ার দিন লেট করিস না কিন্তু।
[ চলবে...... ]
©® Max Rab
278
ভালোবেসেছি তাই
আগের পর্ব
[ https://t.me/MaxRab1/256 ]
[ একাদশ পর্ব ]
সর্বসাকুল্যে ওরা আটজন যাবে ঠিক হলো। আয়ান, নাজিয়া, আসিফ, প্রীতি, প্রীতির বড় ভাই মাহিন, মাহিনের গার্লফ্রেন্ড জেরিন, নিতুল আর নিতুলের আরেক ফ্রেন্ড রুমি। প্রীতি আর প্রীতির ভাই সহ ভাইয়ের গার্লফ্রেন্ডকে নিতুল কীভাবে রাজি করালো সে কথা জিজ্ঞেস করেছিল আয়ান। সে অবশ্য আরেক ঘটনা। প্রীতির সাথে আরেকদিন এক জায়গায় দেখা হয়ে যায় নিতুলের। সেখানে প্রীতি, প্রীতির ভাই মাহিন আর মাহিনের গার্লফ্রেন্ড জেরিন ছিল। নিতুল দূর থেকেই প্রীতিকে চিনতে পেরে কাছে গিয়ে আলাপ জমায়। সেই আলাপ থেকেই বেশ খাতির হয়ে যায় নিতুলের সাথে ওদের। মাহিন ছেলেটাও দারুণ। ভীষণ অমায়িক। গান টানও গায়। গিটার নিয়ে ঘোরে। ও নিতুলদের থেকে বছর কয়েকের বড়। ওর গার্লফ্রেন্ড জেরিন মেয়েটিও দেখতে ভালোই। কিছুটা শ্যামবর্ণের। চুপচাপ থাকে সবসময়। বয়েস মাহিনেরই কাছাকাছি। প্রীতি নিতুলদের চেয়ে বছর দুয়েকের ছোট। তবু নিতুল প্রীতিকে ভাই টাই ডাকতে বারণ করে দিয়েছে। আর রুমি, যে ছেলেটা নিতুলের ফ্রেন্ড, সে দারুণ চটপটে ছেলে। বলা যায়, নিতুলের চেয়েও এক কাঠি বাড়া। মুখে কথার ফুলঝুরি ছোটে। আয়ান আর নিতুলের হাইট মোটামুটি একইরকম হলেও, রুমি তাদের চেয়ে দু-তিন ইঞ্চি খাটো। তবুও রুমি যথেষ্টই লম্বা। কারণ আয়ানদের উচ্চতা পাঁচ ফিট এগারোর মতো। অলমোস্ট ছ ফিট বলা যায়। আসিফ আর মাহিনের হাইট মোটামুটি একই; সাড়ে পাঁচ ফিটের মতো।
ঠিক হলো পুজোর ছুটি শুরু হওয়ার পরেরদিনই ওরা রওনা দেবে। তবে যাওয়ার আগে সকলে দেখা করে আইস ব্রেকিং এর পালাটা সেরে নেওয়াটাও দরকার, যেহেতু একসাথে কয়েকদিন কাটাতে হবে। তাই একদিন একটা রেস্টুরেন্টে দেখা করতে গেলো ওরা সবাই মিলে। পরিচয় হওয়ার পর সকলে আলোচনা করতে লাগল কীসে করে যাওয়া যায়।
রুমিঃ বেটার হবে ট্রেনে করে গেলে। আরে, যেহেতু ট্যুরই দিচ্ছি, তাহলে ট্রেনে যাওয়ার ফীলটা নেবো না কেন? কী বলেন নাজিয়া আপু?
নাজিয়াঃ আমার আপত্তি নেই।
নিতুলঃ তাহলে ট্রেনের টিকিট কেটে নেবো সবার? কারো অবজেকশন আছে?
কেউই আপত্তি জানালো না।
রুমিঃ আচ্ছা, নিতুল। শোন। তুই না বললি সিলেটের কার সাথে তোর আলাপ হয়েছে, যে নাকি আমাদের গাইড হতে পারে। কে সে?
নিতুলঃ ম্যাক্স র্যাব। এখানেই থাকে। বাড়ি সিলেট। যদি ও ফ্রী থাকে, তাহলে আমাদের সাথে দেখা হয়ে যেতেও পারে। সেও সিলেট যাবে ছুটিতে। আর দেখা নাও যদি হয়, তবুও গাইডের ব্যবস্থা করে দেবে। অসুবিধে হবে না।
রুমিঃ বাহ! তাহলে তো হয়েই গেলো।
মাহিনঃ গাইড না পাওয়া গেলেও অসুবিধা কী? আমরা যাচ্ছি ঘুরতে। নিজে থেকে অচেনা জায়গা ঘোরার মজাই আলাদা। নতুন কিছু এক্সপ্লোর করার অনুভূতির জন্যই ট্রাভেল করার এতো নেশা আমার। সিলেটই আগে কখনো যাইনি। এমনিতে অন্য অনেক জায়গায় যাওয়া হয়েছে।
রুমিঃ বলেন কী, ভাই! সিলেট যাননি? আমি তিনবার গেছি এর আগে।
মাহিনঃ বেশ তো। কভি না যানে সে, দের সে যানা হি সহী।
রুমিঃ তা ঠিক।
নিতুলঃ ঠিক আছে। সব মিটে গেলো তাহলে। আমরা সবাই তাহলে ট্রেনে করেই যাচ্ছি। আর, হ্যাঁ। কারো কোনো ব্যাপার নিয়ে অসুবিধে থাকলে আগেই জানিও কিন্তু। না হয় পরে মুশকিল হতে পারে। আমায় সবার নম্বর দিয়ে দাও। আমি একটা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলে নিচ্ছি।
রুমিঃ হুম। সে-ই ভালো।
[ চলবে....... ]
©® Max Rab
278
Love Letter from John Keats to Fanny Brawne
25 College Street
My dearest Girl,
This moment I have set myself to copy some verses out fair. I cannot proceed with any degree of content. I must write you a line or two and see if that will assist in dismissing you from my Mind for ever so short a time. Upon my Soul I can think of nothing else – The time is passed when I had power to advise and warn you again[s]t the unpromising morning of my Life – My love has made me selfish. I cannot exist without you – I am forgetful of every thing but seeing you again – my Life seems to stop there – I see no further. You have absorb’d me. I have a sensation at the present moment as though I was dissolving – I should be exquisitely miserable without the hope of soon seeing you. I should be afraid to separate myself far from you. My sweet Fanny, will your heart never change? My love, will it? I have no limit now to my love – You note came in just here – I cannot be happier away from you – ‘T is richer than an Argosy of Pearles. Do not threat me even in jest. I have been astonished that Men could die Martyrs for religion – I have shudder’d at it – I shudder no more – I could be martyr’d for my Religion – Love is my religion – I could die for that – I could die for you. My Creed is Love and you are its only tenet – You have ravish’d me away by a Power I cannot resist: and yet I could resist till I saw you; and even since I have seen you I have endeavoured often “to reason against the reasons of my Love.” I can do that no more – the pain would be too great – My Love is selfish – I cannot breathe without you.
Yours for ever
John Keats
278
এমনি ৫
আজ অনেকদিন পর টিভিতে একটা পুরো সিনেমা দেখলাম। টিভিতে সাধারণত কোন সিনেমা দেখা হয় না। দেখবই বা কীভাবে? আড়াই ঘন্টার একখানা সিনেমাকে এড দিয়ে সময় নষ্ট করে পাঁচ ঘন্টা - সাড়ে পাঁচ ঘন্টা অব্দি টেনে নিয়ে যায়। আজকে দুপুরবেলা খাওয়াদাওয়ার পর একটা বই নিয়ে বসেছি। দু এক পাতা পড়াও হয়ে গেছে। বাইরের আবহাওয়া ভাল নয়। এরকম ওয়েদারে হয় সিনেমা দেখা উচিত না হয় রূপকথার বা ভূতের গল্প পড়া উচিত। বই-ই নিয়ে বসেছি। কিন্তু মন লাগছিল না। এ রুম থেকে সে রুমে যাচ্ছি। কে কী করছে দেখছি। আবার নিজের রুমে আসছি। শুচ্ছি, উঠে পড়ছি। কী করব বুঝতে পারছি না। মা'র রুমে গিয়ে দেখি মা টিভি দেখছে। মা'কে একটু জ্বালানো যাক ভেবে মা'র কাছে গিয়ে বসলাম। টিভিতে একটা সিনেমা শুরু হয়েছে মাত্র। যেটার কথা শুরুতে বলছিলাম। বনি সেনগুপ্ত'র সিনেমা। জি বাংলায় হচ্ছিল। কিছু সময় দেখে খেয়াল করলাম ভালই লাগছে। মুভির ঘটনা আহামরি কিছু নয়। খুবই সিম্পল প্লট। কিন্তু দেখতে ভাল লাগছিল। সিনেমার গল্পটা মোটামুটি এরকম - একটা ছেলে আর একটা মেয়ে একই অফিসে কাজ করে। ছেলেটা মেয়েটাকে প্রথম দেখাতেই ভালবেসে ফেলে। কিন্তু ছেলেটা খুবই লাজুক আর কম কথা বলা স্বভাবের। সে মেয়েটাকে বলতে পারেনা কিছু। প্রতিদিনের ঘটনা সে তার বাবাকে শেয়ার করে। তার বাবা তার বন্ধুর মতই। তো নায়ক নায়িকা দুজনের মধ্যে কীভাবে ভালবাসা গ্রো করে, ভালবাসা গ্রো করতে গিয়ে কীভাবে ঝামেলা তৈরি হয়ে যায় তারপর কীভাবে তা থেকে উত্তরণ হয় সেটা নিয়েই পুরো গল্পটা। ছেলেটার সাথে আমি নিজেকে রিলেট করতে পারলাম। এ যেন আর্চির গল্প নয়, আমারই গল্প। আমার জীবনে এরকম ঘটনা ঘটেনি বটে, কিন্তু ঘটলে অমনই হবে। সিনেমাটা দেখতে দেখতে মা'কে জিজ্ঞেস করলাম, " আচ্ছা, আম্মু। হোয়াট ইফ আমিও একটা মেয়েকে পছন্দ করলাম আর তোমার কাছে এসে তার কথা জানালাম। তুমি কি নায়কের বাপের মত আমাকে কোপারেট করবে? "
মা এমন উত্তর দিল যে কী বলব। বললো,
" তুই মেয়েদের সাথে গিয়ে কথা বলতে পারিস? অত সাহস তোর থাকলে তো। "
" আরে আমি বললাম যদি হয়। হলে তখন কী করবে? "
" তোর দ্বারা তো ঠিকঠাক কোন কাজ হয়না কখনো। ঐ বরাবরের মত তোর বাপকে আর আমাকেই কিছু করতে হবে আরকি। "
একে তো জীবনে ভালমন্দ কিছু হচ্ছে না, তারপরে মা'র এইসব মন খারাপ করিয়ে দেওয়া কথা। মা আমাকে এখনো বাচ্চা মনে করে কেন? মনে মনে বললাম, তুমহারা বেটা কুছ করকে দিখায়েগা মা। কিন্তু কী যে করব তার আইডিয়া নেই। সিনেমা দেখা শেষ হলে বাইরে গিয়ে দাঁড়ালাম। আজ সারাদিনে একটুও রোদের দেখা নেই, উল্টে বৃষ্টিই হয়েছে সারাদিন। চারপাশের পরিবেশ ভিজে একসা। রাস্তাঘাট পানি আর কাদায় পরিপূর্ণ। ছাদে উঠলাম। ছাদে গিয়ে দু দিকে দু হাত বাড়িয়ে আড়মোড়া ভেঙে হাই তুললাম। আকাশে মেঘ করে আছে। কালো মেঘ। কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলে বোঝা যাচ্ছে মেঘগুলো সরে যাচ্ছে একদিক থেকে অন্যদিক। অন্ধকার হয়ে আসছে চারদিকে। মেঘের দিকে তাকিয়ে থাকলে মনের অজান্তেই কারো না কারো অবয়ব ফুটে ওঠে বলে মনে হয়। একটু আগে যে সিনেমায় দেখলাম সেই নীহারিকার ছবি ভেসে উঠল কি? নাকি অন্য কেউ? তার নামের আদ্যাক্ষর কি -? শশশ! বলা যাবে না। আর্চির গ্যালারিতে গল্পের তো হ্যাপি এন্ডিং হয়ে গেল। আমার জীবনের গ্যালারিতে কি হ্যাপি এন্ডিংওয়ালা রীল স্থান পাবে? কে জানে।
©® Max Rab
