1 996
المشتركون
-124 ساعات
+27 أيام
+230 أيام
أرشيف المشاركات
1 995
সম্পদ হেবা করে দিবেন, এবং সাথে অপ্রত্যাহার যোগ্য আম-মোক্তার দলিল করবেন। তাতে আপনি জীবদ্দশায় আপনার সম্পদের মালিক থাকবেন নিজেই। মারা গেলে আম-মোক্তার (পাওয়ার অব এটর্নি) অটো বাতিল হয়ে যাবে। তখন মালিক আপনার মেয়ে-ই থাকবে।
1 995
একেবারে স্কাম বলা যায় না। কিন্তু যেভাবে বলে পড়াশুনা না করে সেটা সম্ভব না, বরং কিছু ক্ষেত্রে অনেক বেশি পড়া লাগে। তবে আগে এই কোর্স অনেক সহজ ছিল এটা ঠিক। এখানে ঠিক এই কোর্সের কথা বলা হচ্ছে কিনা বোঝা যাচ্ছে না।
আমার পরিচিত একজন এভাবে জিইডি কোর্স করে মালয়েশিয়াতে পড়ে এসেছে
GED কী? কেন GED করবেন?
GED এর পূর্ণরূপ General Educational Development. এটি USA অনুমোদিত High School Equivalency Diploma, যার সার্টিফিকেট প্রদান করে Maine Department of Education, USA. বাংলাদেশে এটি HSC / A-Level এর সমপর্যায়ের ডিগ্রি, যা HSC / A-Level এর বিকল্প হিসেবে পরিচিত। এটি University Grants Commission (UGC) কর্তৃক অনুমদিত হওয়ায় দেশের শুধুমাত্র বিভিন্ন "প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে" এর মাধ্যমে ভর্তির সুযোগ পাওয়া যায়।
GED পরীক্ষার ফলে অনেকেই এখন HSC/A-Level এর দীর্ঘপড়াশোনা'র পরিবর্তে ৪ মাসের প্রস্তুতি নিয়ে একটি আমেরিকান হাইস্কুল ডিপ্লোমা অর্জন করতে পারছেন যার ফলে খুব সহজেই বাংলাদেশের প্রাইভেট ভার্সিটিতে ভর্তি হতে পারছেন। এছাড়াও বিদেশেও পড়ার সুযোগ আছে।
GED পরীক্ষার কারণে এখন অনেকেই স্টাডি গ্যাপ থাকা সত্বেও এখন তার পড়াশোনা Continue করতে পারছেন দেশের নামকরা ভার্সিটিগুলোতে। আপনি ভর্তি হয়ে ক্লাস করে পরীক্ষা দিয়ে খুব অল্প সময়ের মাঝেই পড়াশোনার ট্র্যাকে ফিরে আসতে পারবেন। শুধুমাত্র HSC ফেল করলেই এই কোর্স করা যাবে এমন কিছু নয়। এমন অনেকই আছেন, যারা যে কোন কারণেই হোক HSC/A-Level দিতে পারেননি, বা দিতে চাচ্ছেন না অথবা পরীক্ষা দিয়েও গ্রেড অনেক খারাপ এসেছে যার ফলে ভার্সিটিতেও ভর্তি হতে পারছেননা, তারা যে কেউ এই কোর্সটি করতে পারেন।
1 995
বিদেশে আসার আগে কি কি কাজ শিখে আসলে অল্প সময়ে বেশী টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
বিদেশে যাবার আগে Financial হিসাব করে ফেলবেন:
কত টাকা খরচ মাসে, কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ঐ টাকা ইনকাম করে University ফি দিয়ে, পড়াশোনা ঠিকমতো করার সময় পাবেন? অথবা, কত টাকা খরচ করে যাচ্ছেন, নিজের খরচ বাদ দিয়ে, ঐ টাকা উঠাতে বিদেশে কতদিন খাটতে হবে। বিদেশে যাবার টাকা দিয়ে, বিদেশ না গিয়ে দেশে কি কিছু করা যায়?
কম সময়ে বেশী টাকা ইনকাম করার জন্য:
1. Digital Marketing
2. Editing
3. Plumbing
4. Electric
5. Tailoring
6. Beauty Saloon
7. Barber work
8. Painting
9. Driving
এসব কাজ শিখে আসবেন।
1 995
আপনি যখন বিদ্যুৎ রিচার্জ কার্ড বিকাশে/ রকেটে ইত্যাদিতে বিদ্যুৎ বিল অগ্রীম রিচার্জ করবেন তখন আপনি প্রিপেইড গ্রাহক।
আর যখন আপনার মাসের শেষে বিদ্যুৎ খরচ এর হিসাব পাবেন তখন আপনি,সুযোগ পাবেন পরে দেওয়ার তাহলে আপনি পোস্টপেইড গ্রাহক।
যেমন আপনার মোবাইল সিম প্রিপেইড।
যদি কোম্পানি প্রদত্ত হয়, তাহলে পোস্টপেইড কারণ আপনি নির্দিষ্ট মিনিট + এমবি খরচ করবেন কোম্পানির টার্ম অনুসারে।
1 995
🟥মানসিক রোগের কিছু লক্ষণ, শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে।
1. যদি আপনি অনুভব করতে পারেন আগের চেয়ে আপনার মুখস্ত শক্তি কমে গেছে পড়া মনে থাকছে না তাহলে বুঝতে হবে আপনি মানসিক সমস্যায় রয়েছেন।
2. অত্যধিক মুড সুইং,,,
ঘুমের পরিবর্তন (সাধারণত যে সময়টায় ঘুমানো উচিত সে সময় না ঘুমিয়ে অন্যসময়-এর ঘুমানো 12 13 ঘণ্টা ঘুমানো).
3. সব সময় ক্লান্তি বোধ কোনো কাজে মনোযোগ না দিতে পারা, কোন কিছুতেই ভালো না লাগা নিজেকে ছোট্ট বন্দি জায়গায় আটকে রাখা। ঘোরাঘুরি আড্ডা বিনোদন কোন কিছুতেই অনুভব না পাওয়া।
4. অত্যধিক দুশ্চিন্তা। সাধারণ বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করা।
5. হঠাৎ করে মুখের রুচি কমে যাওয়া কোন কিছু খেতে না চাওয়া আবার এতটাই রুচি বেড়ে যাওয়া সব সময় খাই খাই করা।
6. মৃ ত্যু কামনা করা শুরু করে
7. স্বাভাবিকের তুলনায় ওজন কমতে থাকে
8. নিজেকে সবসময় তুচ্ছ ফেইলর মনে করা
9. সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে বারবার ভাবতে থাকে এবং নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে না পারা।
এগুলার মধ্যে আপনার কোনটি রয়েছে! এক্ষেত্রে অবশ্যই প্রফেশনাল সাইকোলজিস্ট এর শরণাপন্ন হবেন |
যেকোনো সমস্যায় যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথে।
1 995
রাগের মাথায় তালাক দিলেও তালাক পতিত হয়,মৌখিক ও লিখিত দিলেও তালাক পতিত হয়। যে কয় তালাক দিবে সেই কয় তালাকই পতিত হবে। এমনকি একসাথে তিন তালাক দিলেও তিন তালাক পতিত হয়।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
ثَلاثٌ جِدُّهُنَّ جِدٌّ وَهَزْلُهُنَّ جِدٌّ : النِّكَاحُ ، وَالطَّلاقُ ، وَالرَّجْعَةُ
তিনটি বিষয় এমন রয়েছে যা গোস্বায় হোক বা হাসি ঠাট্টায় হোক সর্বাবস্থায় কার্যকরী হয়ে থাকে। বিবাহ, তালাক ও রজয়াত। (আবু দাউদ ২১৯৪ তিরমিযি ১১৮৪)
والله اعلم بالصواب
1 995
এখন, এই যে কম ঘুমালেন, এর ফল আপনার সেক্স লাইফে কিভাবে পড়তে পারে??
১)আপনার ইরেক্টাইল/সেক্সুয়াল ডিজফাংশন হবে। ছেলেদেরও হবে, মেয়েদেরও হবে। জার্নাল অফ সেক্সুয়াল মেডিসিন ৪০১ জন পুরুষকে নিয়ে ২০০৯ সালে একটা স্টাডি করেছিল, যারা স্লিপ এপনিয়াতে ভুগছিলেন। তাদের ৭০% এরই ইরেক্টাইল ডিজফাংশন দেখা দিয়েছিল। জার্মানিতে ৪৯৫৫ জনের ওপর হওয়া আরেকটা গবেষনায় দেখা যায়, স্যাম্পল পপুলেশনের ৩৩% পুরুষ ও ৪৫% নারী বিভিন্ন মাত্রার সেক্সুয়াল ডিজফাংশনে ভুগছেন।
২)আপনি কাজে কর্মে ফোকাস হারাবেন। টেস্টোস্টেরন দিনে ঘুমালে না, রাতে ঘুমালে বাড়ে। অফিসে গিয়ে ঝিমান আর ঘুমান টেস্টোস্টেরন বাড়বে না। ঘুমের অভাবে আপনি একে তো কোনকিছু স্বাভাবিকভাবে চিন্তা করতে পারবেন না, তেমনি টেস্টোস্টেরন লেভেল কমে গেলেও আপনার উৎপাদনশীলতা কমবে। আপনি ক্রমেই তখন আরো বেশি তেলবাজ হয়ে উঠবেন, ওদিকে আপনার সমস্যা কিন্তু অন্য জায়গায়।
৩)রাতে কম ঘুমানোয় আপনার কর্টিসোল লেভেল সঠিক সময়ে স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমে আসে না, বা হয়তো কখনোই স্বাভাবিক হয় না। কর্টিসোল স্বাভাবিক লেভেল না থাকলে আপনি ক্রনিক স্ট্রেসে ভুগতে শুরু করবেন, ফলে আপনার টেস্টোস্টেরন লেভেল কমবে এবং এস্ট্রোজেন লেভেল বাড়বে। নারী বা পুরুষ যেকারো ক্ষেত্রেই এই হরমোনাল ইমব্যালেন্স তার সেক্সলাইফ ধ্বংসের কারন হয়ে দাঁড়াবে।ল
৪)সংসারে ঝগড়াঝাটি বাড়বে। রাতের ঘুম ঠিক না হওয়া মানে, আপনাদের সিদ্ধান্ত নেয়ার পদ্ধতি ক্রমেই অযৌক্তিক হতে থাকবে। আর এই ধরনের অযৌক্তিক একগুয়েমি শেষমেশ গিয়ে দাঁড়াবে ঝগড়ায়। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার এক গবেষনায় দেখা গেছে যেসব দম্পতি কম ঘুমান তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাটির হার ৭০% বেশি।
৫)আপনার এইজিং লেভেল বেড়ে যাবে। সোজাকথা, আপনি জলদি বুড়ো হবেন, দ্রুত ডায়বেটিস-হার্ট ডিজিজ-স্ট্রোক-অস্টিওপরোসিসে ভুগবেন এবং জলদি মারাও যাবেন।
তাহলে, সেক্স লাইফ ঠিক করতে হলে বিবাহিতদের করনীয় হচ্ছে আগে ঘুমকে ঠিক করা।
সঠিক সময় -রাত ১১টার মধ্যে ঘুমানো
সঠিক পরিমান-অন্তত দিনে ৭ ঘন্টা থেকে ৯ ঘন্টা ঘুমানো
লেখা-Ali Azhar Salman
1 995
revive_your_sexlife
ঘুমাতে যাওয়ার আগে সেই যে ফোনের স্ক্রিনে বন্দী হই আমরা, তারপর আর খবর নেই।
স্লিপ সাইকেল বদলে যাওয়ার সমস্যাটা কি??
আমাদের শরীরের রক্ত সঞ্চালন, হরমোনাল সিক্রেশন, এনজাইম এক্টিভেশন এমনকি অনেক জিন এক্সপ্রেশন পুরোপুরি নির্ভরশীল আমাদের স্লিপ সাইকেলের ওপর। স্লিপ সাইকেল ড্যামেজড মানে, আপনার শরীরকে সমস্ত সিদ্ধান্ত নতুন করে নিতে হয়। কখন সে খাবার হজম করবে, কখন সে হার্টবিট বাড়াবে, কখন হার্টবিট কমাবে, কখন ব্রেইন রেস্ট নেবে, কখন লিভার ফাংশন বাড়বে, কখন শরীরের ড্যামেজ রিপেয়ার করা হবে, সব কিছু।
ড. শচীন পান্ডা তার বিখ্যাত বই দ্যা সার্কাডিয়ান কোডে দেখিয়েছেন, আমাদের শরীর একই সময়ে অনেকগুলি কাজ দক্ষতার সাথে করতে পারে না। শরীরের নিজস্ব কাজের ছন্দ ও বিন্যাস আছে, রুটিন আছে। আপনি রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত যদি মাত্র তিন ঘন্টা জেগে থাকেন, আপনার শরীর রাতের বেলার শিফট ওয়ার্কারদের মত কাজ করতে শুরু করবে। সকালের যে সময়টা আপনার শরীর সুপারচার্জড হওয়ার কথা, সে সময়ে আপনি মরার মত ঘুমাবেন। তবু, আপনার শরীর আর কখনোই সুপারচার্জড হবে না, হয়তো ৬০-৭০% পর্যন্ত হয়।
তো, এর সাথে সেক্সের সম্পর্ক কি??
পুরুষের ন্যাচারাল সেক্সুয়াল আর্জ সাইকেল সবচেয়ে বেশি এক্টিভ থাকে সকালে, সম্ভবত যেকোন পুরুষই ব্যাপারটা জানেন। কিন্তু কখনো চিন্তা করে দেখেছেন, কেন এটা ঘটে??
কারন, আপনার বডি এক্সপেক্ট করে, আপনি রাত ৯টা-১১টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়বেন, জাগবেন রাত ২টার পরে কোন এক সময়, তারপর আরেক দফা ঘুম হবে আপনার।
আপনি দিন শুরু করবেন ৬-৮টার মধ্যেকার কোন এক সময়ে। এই যে লম্বা একটা রিফ্রেশমেন্ট, মূলত এরপরেই কিন্তু পুরুষদের শরীর শক্তিশালী লিবিডো লাভ করে।
এখন, যদি আপনি এই রিফ্রেশমেন্ট না পান, আপনার লিবিডো ভাল হবে কি করে?? তার ওপর, সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই যদি এক ঘন্টা পর অফিসে যাবার তাড়া থাকে, It would be quiet impossible to have sex even at the strongest point of your libido.
আমাদের অনেকের আবার অভ্যাস আছে অফিস শেষ করে বসের পেছনে দু-তিন ঘন্টা সময় দেয়ার। ফলে আমরা বাসায় ফিরতে দেরি করি, রাতের মিল নিতে দেরি করি, এরপর ফোন চাপাচাপি করে ঘুমোতে দেরি করি। স্ত্রীর সাথে যোগাযোগের সময় এত ক্ষীন হয়ে আসে যে সেক্সের ব্যাপারটা আমাদের মাথাতেই থাকে না, বরঞ্চ চোখে নেমে আসে রাজ্যের ঘুম।
কিন্তু, এখানে আমরা দুটো ভুল করি।
১)বসকে তেল দেয়ার বিনিময়ে আমরা ঘুম স্যাক্রিফাইস করি, যা আমাদের টেস্টোস্টেরন লেভেল কমায়। ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো পরিচালিত এক গবেষনায় পুরুষদের দুটো দলকে দিনে যথাক্রমে চার ও আট ঘন্টা ঘুমাতে দেয়া হয়। এরপর তারা ঘুম থেকে ওঠার পর তাদের টেস্টোস্টেরন লেভেল মাপা হয় এবং দেখা যায়, যারা আট ঘন্টা ঘুমিয়েছেন তাদের টেস্টোস্টেরন লেভেল চার ঘন্টা ঘুমানোদের চেয়ে ১২% বেড়েছে। এই গবেষনা হয়েছিল মাত্র ৯ দিনের জন্য, ১২ জন ৬৪-৭৪ বছর বয়সী পুরুষের জন্য। এখন, ফ্রি টেস্টোস্টেরন লেভেলের যদি ৯ দিনে এতখানি তফাত ঘটে তাহলে ১০ বছরে কতটা তফাত হতে পারে, ভাবুন।
২)বসকে তেল দিতে গিয়ে আমরা স্ত্রীর সাথে সময় কাটানোটা মিস করি। সেক্ষেত্রে আমাদের দাম্পত্য সম্পর্ক শিথিল হয়ে পড়ে, যার ফল দেখা যায় বিছানায়। সেক্সের সময় স্বামীরা স্ত্রীদের সাথে মানসিকভাবে একাত্ম হতে ব্যর্থ হন, ফলে কেউ না কেউ অতৃপ্ত থেকে যান। আর যদি ওয়ার্কিং ডে তে সেক্স না হয়(যা বেশি কমন), সেক্ষেত্রে এটা আবার আমাদের ঘুমকে নষ্ট করে। যেকোন মানুষই কোয়ালিটি সেক্সের পর গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হন। পুরুষদের অর্গাজম নারীদের চেয়ে বেশি হয়, ফলে পুরুষদের ঘুমও বেশি হয়। যেসব নারীদের অর্গাজম হয় তাদের ঘুমও অত্যন্ত জোরদার হয়। যদি আপনি সেক্স না করেন, বা কোয়ালিটি সেক্স না করেন, আপনার ঘুম হবে স্বাভাবিকের চেয়ে পাতলা।
1 995
মুসলিম ফারায়েজ নীতিঃ
১। স্ত্রীর দুই অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যাক্তির সন্তান না থাকলে ১/৪,
( খ) আর থাকলে ১/৮ অংশ পাইবে।
২। স্বামীর দুই অবস্থাঃ
(ক) স্ত্রীর মৃত্যুর পর সন্তান না থাকলে ১/২,
( খ) আর থাকলে ১/৪ অংশ পাইবে।
৩। কন্যার তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র কন্যা থাকলে ১/২ ,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) পুত্র কন্যা একসাথে থাকলে ২:১ অনুপাতে পাইবে।
৪। পিতার তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র বা পুরুষ শ্রেনী বর্তমানে থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) পুরুষ শ্রেনি না থাকলে এবং কন্যা বা পৌত্রী বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে থাকলে( ১/৬+অবশিষ্ট) অংশ পাইবে,
(গ)পুরুষ বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে না থাকলে অবশিষ্ট সকল অংশ পাইবে।
৫। মায়ের তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যক্তির সন্তান বা একাধিক ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির যদি কোন সন্তান না থাকে বা ভাইবোন ২ জনের কম থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে,
(গ) স্বামী বা স্ত্রীর সাথে পিতা মাতা উভয়ে থাকলে , মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ দেয়ার পর বাকি সম্পত্তির ১/৩ অংশ পাইবে।
৬। বৈপিত্রীয় ভাইবোনদের তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র বৈপিত্রীয় ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ,
(খ) একাধিক থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে
(গ) মৃত ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র,পিতা বা দাদা থাকলে বঞ্ছিত হইবে।
৭। পৌত্রীগনের ছয় অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র পৌত্রী থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত ব্যক্তির একাধিক কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ) মৃত ব্যক্তির পৌত্রী ও পৌত্র একই সাথে থাকলে অংশীদার হইবে,
(চ) যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে।
৮। সহোদরা বোনদের পাঁচ অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) সহোদরা বোনের সাথে সহোদরা ভাই থাকলে আসাবা হইবে,
(ঘ) যদি মৃত ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা বা পৌত্রী থাকে তাহলে সহোদরা বোনগন ১/৬ অংশ পাইবে। একাধিক কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে অংশীদার হইবে,
(ঙ) মৃত ব্যাক্তির পুরুষ শ্রেনীর ওয়ারিশ থাকলে সহোদরা বোনগন বঞ্ছিত হইবে।
৯। বৈমাত্রিয় বোনদের সাত অবস্থাঃ
(ক) যদি মৃত ব্যাক্তির সহোদরা বোন না থাকে ও একজন মাত্র বৈমাত্রিয় বোন থাকলে ১/২,
(খ)একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত ব্যক্তির একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোনগণ বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ)যদি মৃত ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে এবং বৈমাত্রিয় বোনের সাথে বৈমাত্রিয় ভাই থাকলে একএে অংশীদার হইবে।
(চ) মৃত ব্যাক্তির কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগণ অবশিষ্ট অংশ পাইবে,
(ছ) মৃত ব্যক্তির পুরুষ ওয়ারিশ থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগন বঞ্ছিত হইবে।
১০। দাদী নানীর ২ অবস্থাঃ
(ক) পিতৃ বা মাতৃ সম্পর্কের এক বা একাধিক যাহাই হোক ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত ব্যক্তির মাতা জীবিত থাকলে বঞ্ছিত হইবে। তবে পিতা জীবিত থাকলে দাদী বঞ্ছিত হইবে।
1 995
বাউবি এসএসসি (SSC) প্রোগ্রামে ভর্তি হতে হলে...
১. আপনার অবশ্যই ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালের মধ্যে জন্ম তারিখ থাকতে হবে জন্ম নিবন্ধন অথবা ভোটার আইডি কার্ডে।
২. জেএসসি (JSC) সার্টিফিকেট অথবা সমমান সার্টিফিকেট থাকলেই ভর্তি হতে পারবেন।
৩. এর কোনোটা না থাকলে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে নবম (৯ম) শ্রেণীতে ভর্তি হওয়া।
নোটঃ ১ অথবা ২ নাম্বার এর যদি হয়ে থাকে তাহলে সরাসরি ভর্তি আবেদন চলাকালীন ভর্তি হতে পারবেন নতুবা ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি হতে হবে।
1 995
সবচেয়ে বেশি পরপুরুষের সমাগম হয় : বিয়ের অনুষ্ঠানে।
আর সে বিয়েতেই আপনি আপনার স্ত্রী আর মেয়েকে সবচেয়ে সুন্দরতম উপায়ে প্রদর্শন করে নিয়ে যান কী উদ্দেশ্যে?!
নিজের সম্পদ আর জান্নাতে যাওয়ার মাধ্যমকে সাজ-গোজ করিয়ে কাকে দেখাতে নিয়ে যান?!
উত্তর আছে?!
1 995
১) নিজেকে ভ্যালু করা শুরু করুন
২) অবশ্যই বই পড়ার অভ্যাস করুন (নিজের অজান্তেই চিন্তা ভাবনা পরিবর্তন হবে)
৩)বাচ্চাদের সাথে ভালো ব্যবহার করুন। দুষ্টামি করছে হুট করে একটা ধমক দিয়ে দিলেন বা রাগ দেখালেন, তা পরিহার করে আদরের সাথে ট্রিট করুন।
৪) ধর্মীয় গোড়ামি, মিসোজনি, ফেমিনিসম হেট করা এগুলো বাদ দিন এবং সবার সামনে প্রকাশ করবেননা
। একটা শ্রেণীর মানুষের কাছে হয়তো আপনি পছন্দের হবেন কিন্তু সবার কাছে না।
৫) সালাম দিন( ছোট বড় উভয়কেই)
৬) যদি ছেলে হন অবশ্যই মেয়েদেরকে সম্মান করুন। Women ☕,alpha male এগুলো মন থেকেই পরিহার করুন। সোশ্যাল মিডিয়াতে খুব ট্রেন্ডি লাগল বাস্তব জীবনে এমন মানুষদেরকে পছন্দ করেনা। আর যদি মেয়ে হন পুরুষ বিদ্বেষী হাওয়া পরিহার করুন। কারণ ছেলে মেয়ে দুজনই সম্মানের মানুষ।
৭) নিম্ন শ্রেণীর মানুষ - রিক্সাওয়ালা, বুয়া, দারোয়ান এদের সাথে ভাল ব্যবহার করুন কিন্তু বন্ধুত্ব করতে যাবেন না। অনেকে অতিরিক্ত আদিখ্যেতা দেখাতে গিয়ে তাদেরকে মাথায় তুলে ফেলে এটা করবেন না তবে তাদের সম্মান করুন।
৮) দায়িত্ব নিন। হোক ফ্রেন্ডশিপে, আত্মীয়-স্বজনে, ফ্যামিলিতে। একজন দায়িত্ববান মানুষকে সবাই পছন্দ করে।
৯) বিভিন্ন জিনিস সম্পর্কে জানার চেষ্টা করুন। হোক রাজনৈতিক, সংস্কৃতিক, ইতিহাস যে কোন কিছু। তবে জানেন বলে অহংকার করবেন না।
১০) যেকোনো প্রতিষ্ঠান থেকে পড়েন না কেন ইনস্টিটিউশনাল প্রাইড' ব্যাপারটি এড়িয়ে চলুন।
১১) জামা কাপড় দামী হতে হবে না। তবে পরিষ্কার এবং ডিসেন্ট জামা কাপড় পরবেন। লুক অবশ্যই ম্যাটার করে।
১২) be yourself এর চিন্তাভাবনা বাদ দিন। প্রতিদিন সময়ের সাথে নিজেকে পরিবর্তন করতে শিখুন।
১৩) যেকোনো ধর্মেরই হোক না কেন হতেই পারে আপনি ধর্ম মেনে চলেন না। সেক্ষেত্রে যেহেতু আমাদের মানুষের ধর্মীয় আবেগ বেশি' তাই ধর্মীয় সম্মানটা বজায় রাখুন।
১৪) সোশ্যাল মিডিয়ার যা তা ট্রেন্ডি টপিককে নিজের গা ভাসাবেন না। এগুলো খুবই লিমিটেড সময়ের জন্য। আমরা অনেকেই মনে করি ফেসবুকইতো যা তাই শেয়ার দিয়ে বসি। অবশ্যই নিজের সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে Decency ' মেনটেইন করবেন। সবাই আপনাকে সরাসরি দেখবে না কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া দিয়ে অবশ্যই জাজ করবে।
১৫) না জেনে কথা বলবেন না। Try to be an understanding person,and a person who takes stand for others' আমাদের মধ্যে অনেকেই আমরা দেখি যারা উল্টাপাল্টা কথা বলতে থাকে। সরাসরি কিছু না বলতে পারলেও আমরা মনে মনে তাদের ঠিকি কিছুনা কিছু বলি। চেষ্টা করবেন কমন সেন্স দিয়ে উচিত কথা বলার
১৬) সুযোগ পেলে একটা কথা শুনিয়ে দিলাম। এটা বাদ দিন। অবশ্যই অবশ্যই মানুষকে সম্মান দিন। আপনার উচ্চপদস্থ কারো কাছে গেলেন সে যেভাবে আপনাকে সম্মান দিলে আপনার ভালো লাগবে। ঠিক সেটাই আপনি মানুষকে ফিরিয়ে দিন।
1 995
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাদ্বি.)-এর ছেলে একদিন তার বাবাকে বললেন, “আব্বা, আমার লুঙ্গী ছিড়ে গেছে। নতুন লুঙ্গী লাগবে।” আব্দুল্লাহ ইবনু উমার বললেন, “ওটা সেলাই করে পরো।”
.
কিন্তু বাবার কথাটা ছেলের পছন্দ হলো না। তখন আব্দুল্লাহ (রাদ্বি.) বললেন, “আল্লাহকে ভয় করো। ঐসব লোকদের মতো হয়ো না, যাদের ২৪ ঘণ্টা কাটে খাবারদাবার আর পোশাক আশাকের চিন্তায়।”
.
সূত্র: সিফাতুস সাফওয়া, ১/২৯৩
1 995
কোষ্ঠকাঠিন্য (Constipation) :
একটি অস্বাভাবিক শারীরিক অবস্থা যখন একজন ব্যক্তি সহজে মলত্যাগ করতে সক্ষম হন না। সাধারণত দুই-তিন দিন পরপর মলত্যাগের বেগ হওয়া এবং শুষ্ক ও কঠিন মল নিষ্কাশন কোষ্ঠকাঠিন্য বলে পরিচিত।
কারণ কি হতে পারে?
১. physiological -
. কম পরিমাণ ডায়েটারি ফাইবার গ্রহণ করা
.কম পনি পান করা
২. pathological (রোগ সংক্রান্ত)-
.IBS (Irritable Bowel Syndrome)
.IBD (Inflammatory Bowel Disease)
.Colon carcinoma
. Diverticulitis
.Stroke
. Hypothyroidism
. Diabetes
.Multiple sclerosis
.Parkinson disease
.some drugs-Calcium,iron, aluminium containing antacids
Tazkia Ferdous
MBBS(5th year)
Moderator of 20 minute medical
আমরা এখন পুরোদমে active আমাদের fb group👉 20 Minute Medical (2)
1 995
ছেলে-মেয়ে দেখতে গেলে কমপক্ষে ৫ টি বিষয়ে খোঁজ নিবেন। যথা-
মেয়ে দেখার ক্ষেত্রে-
১. মেয়ের ঘুমের টাইম। কখন কখন ঘুমায়?
২. মেয়ের নিজের কাজকর্ম কে করে দেয়? যেমন তার কাপর-চোপর কে ধুয়ে দেয়? বিছানা কে ঝেড়ে দেয়। খানা কে বেড়ে দেয়? ইত্যাদি।
৩. মেয়ে তার মা বাবার কী কী খেদমত করে?
৪. মেয়ের ব্যক্তিগত আমল ও আমলের সময়।
৫. দুলাভাই, চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাইদের সাথে কথাবার্তা বলে কিনা? বললে কিভাবে?
তখন সেখানে উপস্থিত এক বৃদ্ধ বললেন, মেয়ের জন্য ছেলে দেখতে গেলে কী দেখব?
বললাম,এক্ষেত্রে কমপক্ষে ৭ টি বিষয়ে খোঁজ নিবেন। যথা-
১. ছেলে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কোথায় পড়ে?
২. আয়ের কতটুকু বাড়িতে দেয়?
৩. সংসারের কোন কোন দায়িত্ব পালন করে?
৪. বাসায় মা বাবা কোন কোন ওষুধ সেবন করেন?
৫. বাসায় কখন ফেরে?
৬. ব্যক্তিগত আমল ও আমলের সময়।
৭. পরিবার ও সমাজের গায়রে মাহরাম নারীদের সাথে তার আচরণ কেমন?
.
লিখা: আহমাদ ইউসুফ শরীফ (হাফি.)
(নোট: অনেকেই বিয়ের কথাবার্তা আগানোর ক্ষেত্রে কেমন প্রশ্ন করা উচিৎ বলে জিজ্ঞাসা করে থাকেন, আশা করি তাদের ক্ষেত্রে কাজে আসবে।)
* এডমিন চাইলে পোস্ট ডিলিট করতে পারেন। *
1 995
প্রেমিকার উচিত প্রেমিক এর কাছে এটা সেটা গিফট না চেয়ে প্রেমিক এর 'শার্ট বা টিশার্ট' গিফট চাওয়া!
আবদার এর সুরে বলবে 'তোমার ইউজ করা কোন শার্ট বা টিশার্ট আমাকে দিবা প্লিজ? শার্টে তোমার ইউজ করা পারফিউম এর ঘ্রান যাতে থাকে!'
গিফট পাওয়ার পর মেয়েটা সেটা পড়বে আর একটু পর পর আয়নার সামনে গিয়ে নিজেকে দেখবে,নাকের কাছে নিয়ে পারফিউম এর ঘ্রান নিবে!
শার্ট পড়ে ছবি তুলে প্রেমিক কে দেখাবে! ছবি পাঠিয়ে বলবে 'দেখছো? তোমার শার্টে তোমার চেয়ে আমাকেই বেশি সুন্দর লাগে!'
এই ব্যাপার গুলা কেনো জানি মারাত্নক ভালো লাগে আমার! 🖤
1 995
সময় বাঁচানোর শতভাগ কার্যকর কৌশল! ⏲
বর্তমান প্রজন্মের বড় একটা সমস্যা হলো যে তারা এতো বেশি আর ভিন্ন ভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকে যে, প্রায়ই দেখা যায় কোন না কোন কাজ করার জন্যে সময় জোগাড় করাই যায় না। শুধু সেটাই না, এই কাজগুলো আর পরে করার সময় পাওয়া যায় না। ডেডলাইন মিস হয়, জমা হয় আক্ষেপ।
পরমুহূর্তেই আবার নতুন নতুন ডেডলাইন আসে, নতুন কাজের নিচে চাপা পড়ে যায় না করা কাজগুলো। এভাবে একবার না করা কাজগুলো আর কোনদিনই করা হয়ে ওঠে না। ব্যস্ততা সেগুলোয় আর হাত দিতে দেয় না, একসময় ফুরিয়ে যায় তার প্রয়োজনীয়তা।
আমারও ঠিক এরকমই হতো কাজ করার সময়। একগাদা কাজের ভীড়ে পুরনো কাজ খুঁজে পেতাম না, সেগুলো আসলেই আর করা হতো না কোনদিনই। এরকম সময়ে সন্ধান পেলাম দারুণ একটা ট্রিকের। এটাকে বলা হয় Time hack! খুব বেশি সাধারণ এই পদ্ধতিটা অবলম্বন করার পর থেকে সময়ের কাজ সময়ে করে ডেডলাইন পার করতে আর কোন অসুবিধা হয় নি আমার। আরামসে করে ফেলেছি সব কাজ!
এই পদ্ধতিটা কয়েক ধাপে করে এগোতে হয়। সবগুলো ধাপ শেষ করার পর দেখবে যেকোন ডেডলাইনের আগেই তোমার কাজ প্রস্তুত! দেখে নাও সে ধাপগুলি:
ধাপ ১:
প্রথমেই তোমাকে কাগজে একটা লিস্ট করতে হবে। লিস্টে থাকবে পরের দিন যেই কাজগুলো করবে, সেগুলোর নাম আর বিবরণ। এই কাজটা করতে হবে ঘুমাতে যাবার ঠিক আগে, কারণ তাতে নতুন কোন কাজ যোগ হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে।
তোমার হয়তো মনে হবে, কাজ লিস্টে লিখে কী লাভ, এমনিতেই তো মনে থাকে! সত্যিটা হলো, এগুলো আসলে মনে থাকে না। ঠিক যেমন ক্লাসের পড়ার নোট না নিলে দুই দিন পর ক্লাসে কী হয়েছে সেটা আর মনে থাকে না, কাজের ক্ষেত্রেও তাই। এজন্যেই লিস্টে স্পেসিফিক করে সবগুলো কাজের নাম লিখতে হবে।
ধাপ ২:
দিনের শুরু থেকেই লিস্টের কাজ একে একে শেষ করতে হবে। হ্যাঁ, এটা সত্যি যে, দিনের শুরু হলেই আমাদের নিজের কাজ বাদে অন্য কিছু করতে ইচ্ছা করে, কারো হয়ত ইউটিউবে গান শুনতে ইচ্ছা করে, কারো একটু ফেসবুকিং করতে। কিন্তু এগুলো করার আগে লিস্টের কাজ শেষ করার দিকে মন দিতে হবে। লিস্টের কাজ শেষ হয়ে গেলে কোন সমস্যাই নেই, কিন্তু শেষ করার আগে অপ্রয়োজনীয় অন্যান্য কাজ না করাই ভালো।
ধাপ ৩:
এক একটা কাজ শেষ করবে, এবং তারপর সেগুলো এক এক করে কেটে দিবে। হ্যাঁ, তোমার মনে হতে পারে কাজ শেষ হলে সেটা তো মনেই থাকবে, কাটার কি দরকার। কিন্তু এই যে একটা কাজ শেষ করে কেটে দিলে যে একরকম বিজয়ের আনন্দ মেলে, এটা আর কোথাও পাবে না তুমি। তাই কাজ শেষ করা মাত্র সবগুলো কেটে দেবে।
ধাপ ৪:
সবগুলো কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করবে প্রতিদিন। হ্যাঁ, তোমার হয়তো অনেক ব্যস্ততা থাকতে পারে, অন্য কিছুতে তুমি ব্যস্ত থাকতেই পারো, কিন্তু লিস্টের কাজের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। তাই চেষ্টা করবে দিনের কাজ সব দিনেই শেষ করে ফেলতে।
ধাপ ৫:
এটা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার যে তুমি প্রতিদিন লিস্টের সব কাজ শেষ করতে পারবে না। বিভিন্ন বিচিত্র কারণে তুমি দেখা গেলো আটকে গেলে, লিস্টের কাজ শেষ হলো না। তাহলে উপায়?
সারাদিন কি কি করলে তার একটা লিস্ট করে ফেলতে পারো
উপায় অতি সহজ। যেদিন লিস্টের কাজ শেষ হবে না কিন্তু দিন ফুরিয়ে যাবে, তুমি সেদিন বাদ পড়া কাজগুলোকে পরের দিনের লিস্টে লিখে ফেলবে! তাহলেই বাদ গেলেও বন্ধ হবে না কাজ, পরের দিন করা হবে সেই কাজটি!
ধাপ ৬:
সারাদিন কি কি করলে তার একটা লিস্ট করে ফেলতে পারো। এতে একটা উপকার হবে; লিস্টের কাজগুলো সব করা হয়েছে কিনা, সেটার Double check করে নিতে পারবে এর মাধ্যমে। বলা যায় না, অসাবধানে কোন কাজ না করা হয়ে গেলে এই লিস্টে সেটা ধরা পড়বেই!
ধাপ ৭:
মানুষের ব্যস্ততা সবসময় একরকম থাকে না। জীবনে এমনও সময় আসতে পারে, যখন কাজের চাপ এত বেশি বড় হয় যে লিস্ট করেও কুলিয়ে ওঠা যায় না। এরকম সময়ে লিস্ট বাড়িয়ে ফেলতে হয়। বিশাল বড় একটা লিস্ট, সেখানে সব কাজ থাকবে। তাহলেই যত বেশি কাজই হোক না কেন, সামলে নেয়া সম্ভব হবে।
সময়কে হার মানানো খুব বেশি সহজ কাজ নয়। কিন্তু নিয়মিত একটা সময় ধরে কাজ করলে যেকোন কাজ শেষ করাটা আর কোন সমস্যাই নয়!
1 995
❝নিজেকে ধাপে ধাপে পরিবর্তন করুন❞
▧ টাস্কঃ ১
ঈমানকে দৃঢ় রাখতে চেষ্টা করুন।
সকল প্রকার ছোট শিরক, বড় শিরককে না বলুন।
আল্লাহ ছাড়া আল্লাহর কোন সৃষ্টিকে ভরসা করবেন না।
একমাত্র আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাইবেন।
▧ টাস্কঃ ২
৫ ওয়াক্ত নামাজ কন্টিনিউ করুন।
সাথে ১২ রাকাত সুন্নত পড়তেই হবে। কোনভাবেই মিস দিবেন না।
▧ টাস্কঃ ৩
হারাম বর্জন করুন।
গান-বাজনা, নাটক, মুভি ইত্যাদি।
হারামে লিপ্ত থাকলে ইবাদত কবুল হয় না।
▧ টাস্কঃ ৪
গীবত, পরনিন্দা, অহংকার এই তিনটি জিনিস আপনার ব্যক্তিসত্ত্বা থেকে উপড়ে ফেলুন।
মনে রাখবেন, গীবত আপনার তাহাজ্জুদ ছিনিয়ে নেবে, যার নামে গীবত করবেন সে অনায়াসে সে আপনার নফল ইবাদত নিয়ে নেবে। তাই দরকার কী?
এতো কষ্ট করে ইবাদত করেন সামান্য জিনিসের জন্য সেটা বিফলে যাবে। জবানের হিফাজত করুন।
বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়ুন।
▧ টাস্কঃ ৫
আপনার বন্ধু মহলে খারাপ কেউ থাকলে সাময়িক সময়ের জন্য বিরতি নিন।
কিছু সময় একা থাকুন।
বেশি বেশি মৃত্যুর কথা স্মরণ করুন।
নামাজে সিজদাহকে দীর্ঘ করুন।
এতে রবের সাথে আপনার সম্পর্ক দৃঢ় হবে।
▧ টাস্কঃ ৬
৫ ওয়াক্ত নামাজের পর অন্তত ৫ আয়াত হলেও কুরআন পড়বেন।
সাথে ৫ আয়াতের অর্থও পড়বেন।
কুরআনের সাথে সম্পর্ক বাড়িয়ে দিন।
কুরআন আপনার সম্মান বাড়িয়ে দেবে ১০০%!
▧ টাস্কঃ ৭
মেয়েরা প্রোপারলি পর্দা করার চেষ্টা করবেন।
কোন রকম গায়রে মাহরামের সামনে যেতে পারবেন না, আকর্ষণীয় কণ্ঠে কথা বলতে পারবেন না।
▧ টাস্কঃ ৮
ফোন থেকে এক ক্লিকেই গান, মুভি, সিনেমা ডিলেট করে দিন।
▧ টাস্কঃ ৯
প্রতিদিন ৫ বার আজানের জবাব দেয়া। আজানের জবাবের মধ্যে অফুরন্ত ফজিলত রয়েছে।
মাত্র ২/৩ মিনিটে এই আমলটি করে নেবেন।
▧ টাস্কঃ ১০
প্রতিদিন ১০০ বার করে
১. সুবহানাল্লাহ
২. আলহামদুলিল্লাহ
৩. আল্লাহু আকবার
৪. লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ
৫. আস্তাগফিরুল্লাহ
৬. সুবহানাল্লহি ওয়া বিহামদিহী
৭. সুবহানাল্লাহিল আজিম পড়া।
আল্লাহর পছন্দের বাক্যগুলা বেশি বেশি পড়া।
▧ টাস্কঃ ১১
এইবার নতুন কিছু শুরু হোক।
এশার সালাত আদায় করে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে যাওয়া।
তাহাজ্জুদের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন।
দ্রুত ঘুমালে তাহাজ্জুদের জন্য নিজ থেকেই জেগে উঠতে পারবেন।
আর দেখবেন যেন অলৌকিক ভাবেই উঠছেন।
▧ টাস্কঃ ১২
প্রতিদিন সকালে একবার
বিকেলে একবার "সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার" পড়ুন।
▧ টাস্কঃ ১৩
যতবারই কোন না কোন ভুল করবেন ততবারই তাওবা করবেন।
আল্লাহ তওবাকারীকে ভালোবাসেন।
#আল্লাহ তায়ালা সকলকে আমাল করার তৌফিক দান করুন ( আমিন)
[পোস্টঃ সংগৃহীত ]
1 995
ভালো জব পেতে যা যা যোগ্যতা লাগবে:
১. ভালো রেজাল্ট
২. ইংলিশ এবং বাংলাতে ড্রাফটিং -এ দক্ষতা
৩. শুদ্ধ উচ্চারণে বাংলা এবং ইংলিশ এ অনর্গল কথা বলার দক্ষতা
৪. কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট চালানো এবং পরিচালন দক্ষতা
৫. দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ক্ষমতা
৬. বর্তমান বিশ্ব সম্পর্কে ধারণা রাখা এবং আগামী পাঁচ বছরে কি ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে সে বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা রাখা
৭. চাকরির পরীক্ষায় লিখিত এবং ভাইভাতে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য একাডেমিক এবং সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কে ব্যাপক দক্ষতা রাখা
৮. সর্বোপরি একজন প্রকৃত মানুষের যে সমস্ত মানবীয় গুণাবলী আছে সে সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান থাকা।
৯.যোগাযোগ দক্ষতা
১০. জব সম্পর্কিত ওয়েবসাইট দেখা এবং নিয়মিত পত্রিকা পড়া
উপরোক্ত ১০টি বিষয় আপনার মধ্যে আছে কিনা সেটা যাচাই করুন। না থাকলে তা অর্জন করুন। অন্যথায় জব পাওয়া কঠিন হবে। ধন্যবাদ।a
متاح الآن! بحث تيليغرام 2025 — أهم رؤى العام 
