ar
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

الذهاب إلى القناة على Telegram

🙂🙂🙂

إظهار المزيد
1 959
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
-37 أيام
-930 أيام
أرشيف المشاركات
#Premarital_Screening_test ( বিয়ের আগে বর-কনে উভয়ের কি কি পরিক্ষা করা উচিৎ এবং কেনো উচিৎ??) 👩🧑 #বিয়ের আগেই সম্ভাব্য কাপলের অর্থাৎ ছেলে (বর) এবং মেয়ে (কনে) উভয়ের কিছু নির্দিষ্ট ডাক্তারী বা মেডিক্যাল ইনভেস্টিগেশনস্ (পরীক্ষা সমূহ) করা উচিৎ। বহির্বিশ্বে এটা নিয়মিত ভাবে (রুটিনলি) প্র‍্যাকটিস হয়ে থাকে। যাকে Pre-marital Screening test বলা হয়। 🙂🙂 #টেস্ট_গুলো_হলোঃ 👉(১) Blood grouping with Rh-typing. 👉(২) Sickling test. 👉(৩) Hb. Electrophoresis 👉(৪) HIV (screening test). 👉(৫) HBsAg. 👉(৬) Anti HCV. 👉(৭) VDRL (Syphilis) (RPR), Gonorrhea (Neisseria Gonorrhea) detection by PCR এই পরীক্ষাগুলোর মধ্যে কয়েকটি বা সবগুলো করতে হতে পারে, তবে ডাক্তার বর-কনের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা অনুযায়ী প্রয়োজনবোধে আরও কিছু টেস্ট যোগ করা হতে পারে। 😊😊 এই টেস্ট করার পর যদি কারো এমন কোনো সমস্যা ধরা পড়ে যেটা ভবিষ্যতে বাচ্চাকেও Affect বা আক্রান্ত করার সম্ভাবনা থাকে সে ক্ষেত্র উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সে বিষয়ে অবহিত করা হয়। 👉বিশেষত রক্তের সম্পর্কীয় আত্মীয়ের (Consanguineous marriage) মাঝে বিয়ের ক্ষেত্রে এর সম্ভাবনা বেশী থাকে। যেমনঃ (1) Sickle cell anaemia. (2) Thalassaemia ইত্যাদি। তাই আত্নীয়দের মধ্যে বিয়ে করলে পরিক্ষাগুলা করানো অনেকটা বাধ্যতামূলকই 😊😊। 👉উল্লেখ্য, মেডিটারিয়ান দেশ সমূহে থ্যালাসেমিয়ার রোগীর চেয়ে সিকল সেল অ্যানিমিয়ার রোগীর ইন্সিডেন্স বেশী। 👉আর এশিয়ান রিজওনে সিকল সেল অ্যানিমিয়ার রোগীর চেয়ে থ্যালাসিমিয়ার রোগীর ইন্সিডেন্স বেশী। তাই এই টেস্ট গুলো করলে অনেক ক্ষেত্রেই বেশ কিছু বংশগতভাবে ট্রান্সমিটেড ডিজিজ এভয়েড করা অনেকাংশে সম্ভব। 🙂🙂 একই সাথে ছেলে বা মেয়ের (এদিক ওদিক যাতায়াতের 😎😎) ইতিহাস গোপন থাকলেও আগ থেকেই সতর্ক হয়া যাবে। পরবর্তীতে অর্থাৎ বিবাহ পরবর্তী কোনো সমস্যা সৃষ্ট হয়া থেকে বেঁচে যাবেন। ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন। ❤️❤️ HM Rukon, Former Health_Content_Writer, 20 Minute Medical.

২০ টাকা বাঁচানোর জন্য ২০ মিনিট হাটার কোন মানে নেই। ২০ মিনিট সময়ের মূল্য ২০ টাকার চেয়ে মিনিমাম ২০ গুন বেশী হওয়া উচিৎ। শুধু মাত্র কম দামে বাসা ভাড়া নেওয়ার জন্য অফিস, স্কুল কিংবা কর্মস্থানের চেয়ে অনেক ভেতরের দিকে বাসা ভাড়া নেওয়ার কোন মানে নেই। কারন যত বেশি ভেতরে বাসা হবে তত সুযোগ-সুবিধা কমবে, রিকশা ভ্যানের গ্যারেজ থাকবে। আপনি কাজ শেষ করে বাসায় ফিরে যদি ঝগড়া শুনে আর গা*জার গন্ধ নিয়ে ঘুমাতে যান আর সকালে ফ্রেশ মাইন্ডে বাসা থেকে বের হয়ে যদি রিকশা, ভ্যান গাড়ি আর ভাঙ্গাচোড়া রাস্তা দেখেন তাহলে আপনি কখনই ফেরারি, ল্যাম্বরগিনি কিংবা বিএমডব্লিউ কেনার কথা মাথাতেই আনতে পারবেন না কিনে ফেলা তো আকাশ কুসুম কল্পনা। কারন আপনার ব্রেইনই আপনাকে সবসময় নীচু করে রাখবে। আমি এক মানুষকে চিনি। যিনি ১৫,০০০ টাকা বেতনের মধ্যে প্রতি মাসে ছোট দুই মেয়ের বিয়ের জন্য ৫০০০ টাকা করে জমায়। আর বাকি ১০,০০০ টাকায় সে, তার স্ত্রী, দুই মেয়ে, এক ছেলে ও শ্যালিকা নিয়ে সংসার চালায়। তাদের খাবার, ঔষধ, পড়াশোনা সবকিছুই এই টাকার মধ্যেই। কোন একটা রেষ্টুরেন্ট কিংবা কোন একটা বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়া তার জন্য বিলাসিতা ও কল্পনা এই অল্প বেতনের জন্য। গত ১০ বছর ধরে তার একই অবস্থা। এটা কিসের জীবন যেখানে প্রত্যেকটা কদমে হিসাব, হিসাব আর হিসাব...? বড় স্বপ্ন শুধু বড়লোকেরাই দেখে এই চিন্তা আমাদের ব্রেইনে আসে আমাদের জন্যই। আমরাই রাস্তা করে দেই নীচু চিন্তা করাতে। আয় বুঝে ব্যয় করতে হবে এই চিন্তাই আমাদেরকে ছোট করে রাখে। একটা জিনিস আমার কাছে ক্লিয়ারঃ জন্ম, মৃত্যু, রিজিক নির্ধারিত থাকার পরেও আমাদের ছোট্ট এই জীবনে এত কষ্ট সহ্য করার কোন মানে নেই। অতীত আমাদের ছোয়ার বাইরে ভবিষ্যৎ আল্লাহর হাতে। বর্তমান কে সুন্দর করে জীবনের প্রতিটি মূহুর্ত উপভোগ করা উচিৎ। সঞ্চয় দরকার আছে তবে নিজের সর্বস্ব বিসর্জন দিয়ে এই সঞ্চয়ের কোন মানে হয় কি? সঞ্চয় কে বিচক্ষণতা ও দ্রুততার সাথে ইনভেস্টমেন্ট এ কনভার্ট করতে হবে, এই রেটরেস থেকে সহজে বের হওয়া যাবে না। সংগৃহীত ও আংশিক সম্পাদিত - স্পার্কশিফট⚡️

পড়া পানি বা রুকইয়াহ পানি তৈরির করার নিয়ম– প্রথমে পানি সামনে নিন। এরপর নিয়্যাত করে নিন। যেমনঃ ইয়া আল্লাহ! মানুষ ও জ্বীনের সব ধরণের বদনজর, হাসাদ, যাদু, গিট দূর করে দিন, চিরতরে ধ্বংস করে দিন। এরপর দরুদ পড়ে পানির উপর ফুঁ দিন। তারপর সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, ৪ কুল (সুরা কাফিরুন, ইখলাস, ফালাক, নাস) প্রত্যেকটা সাত বার পড়ে পানিতে ফুঁ দিন। (প্রত্যেক বার সূরা পড়ার পর ই পানিতে ফুঁ দিবেন)। সূরা আরাফ (আয়াত ১১৭ থেকে ১২২), সূরা ইউনুস (আয়াত ৮১ থেকে ৮২), সূরা তোহা (আয়াত ৬৯) এগুলো একবার করে পড়ুন ইনশাআল্লাহ। সবার শেষে পুনরায় দরুদ পড়ে ফুঁ দিয়ে শেষ করবেন। সূরা এবং দু'আ পড়ে ফুঁ দেওয়ার সময় আরশের অধিপতি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার উপর গভীর আস্থা ও সুস্থ হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয় রাখবেন। IRC - IOM Ruqyah Consultancy

ভাই যদি ভারী খেলাধুলায় অভ্যস্ত হয়ে থাকেন তবে বয়সের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু ব্যায়াম করুন। ১/ আগে বাসায় ওয়েট মেশিন রাখুন। আমার ওজন বেড়ে গেলে আমি প্রতিদিন ৩০০ গ্রাম করে ওজন কমাই। আপনি ১০০/২০০ গ্রাম কমানোর প্লান করুন। ৩ মাসে ১০/১২ কেজি কমালেই হবে। ২/ সকালে ঘুম থেকে উঠে ঘড়ি ধরে দৌড়ান। প্রথম সপ্তাহ ৫ মিনিট, ২য় সপ্তাহ ৭ মিনিট। এভাবে ২ মিনিট করে বাড়াতে বাড়াতে সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট সকালে দৌড়ান। দৌড়ের চেয়ে ওজন কমানোর জন্য ভালো কিছু হয়না। ৩/ এরপর ১০ মিনিট হালকা ওয়ার্ম আপ করুন। ৪/ রাতে বাসায় ফিরে খাওয়া ও গোসলের আগে হালকা যোগ ব্যায়াম করুন। অনেক সময় একা একা ব্যায়াম করতে মন চায়না। সেজন্য প্লেস্টোর থেকে Home workout নামের একটি এপস আছে। এপসটি ৩০ দিন টানা করলে আপনার ওজন অনেক কমবে। ৪/ ব্যায়াম বাড়ানোর সাথে সাথে ভুলেও খাবার বাড়াবেন না। ওজন দ্রুত কমাতে চাইলে ভাতের পরিমান কমিয়ে দিন। তবে ব্যায়াম বা পরিশ্রমের পর বেশি ক্ষুধা লাগলে কলা বা অন্যকোন ফল দিয়ে নাস্তা করবেন। ৫/ ভাতের পরিমান কমানোর পাশাপাশি তেল খাওয়া কমিয়ে দিবেন। মাছ মাংশ সবজ্বী বেশি করে খাবেন। ৬/ সপ্তাহে ছুটির দিনে সম্ভব হলে সুইমিং পুলে সাতার কাটবেন একদিন। আর নয়তো ফুটবল খেলুন। ৭/ যদি একেবারেই আপনার ব্যায়াম একা করতে ধৈর্যে না কুলায় বা মন না বসে, তবে জিমে ভর্তি হন।অফিসের সাথে রাত ৮:৩০-৯:৩০ এমন সময়ে জিমে গেলে ভালো আপনার জন্য। তবে আমাদের দেশে বিশেষ করে ঢাকায় কর্পোরেট লাইফে কখন অফিস শেষ হয় বলা যায়না। তাই জিম মিস হতেও পারে, তার সাথে আছে টাকা খরচের বিষয়। তাই ভালো হয় সকালে ব্যায়াম চালিয়ে নিলে। আর সপ্তাহে ছুটির দিনে মার্শাল আর্ট ক্লাসে যেতে পারেন। আমাদের ক্লাবে যারা চাকরীজীবি আছেন তারা সপ্তাহে ২ দিন ক্লাস করে প্র‍্যাক্টিসের আইডিয়া নেন। সারা সপ্তাহ তারা দিনের যেকোন সময় ফ্রি হলে ফ্রিহ্যান্ড প্র‍্যাক্টিস করে নেন। আলাদা করে সকাল বা বিকালে ধরে বেধে সময় বেছে নিতে হয়না। আপনি এটিও মাথায় রাখতে পারেন। আপনার জন্য শুভকামনা।

* ইসলামপুর - সব ধরনের কাপড়। * বাদামতলী - সব চাউল, সব দেশ বিদেশ এর ফল। * বাবুবাজার - সব ধরনের ওষুধ, কাচ, থাই এলুমিনিয়াম++। * মিডফোর্ড - ওষুধ, ক্যামিকেল, ম্যাডিকাল আইটেম। * পাটুয়াটুলি - ঘড়ি, ইলেকট্রনিক্স, বোরকা, চশমা। * শ্যামবাজার - সবজি, আলু ,পিয়াজ ++। * বাংলাবাজার - বই , খাতা, বিয়ের কার্ড, ক্যালেন্ডার++। * তাতি বাজার - স্বর্ণ, রূপা, বুলিয়ান আইটেম। * সদরঘাট - পাঞ্জাবি, পায়জামা, হোসিয়ারি আইটেম, কম্বল ++। * জিন্দাবাহার - কাগজ, স্টেশনারি, ভিজিটিং কার্ড , কাগজের ব্যাগ ++। * চকবাজার - ক্রকারিজ, ছাতা, প্লাস্টিক, ব্যাগ, জুয়েলারি, খেলনা , কসমেটিক্স, শোপিস, মেলামাইন আইটেম, স্টিলের আইটেম++ * মৌলভীবাজার - মসলা, ড্রাই ফ্রুটস, চকলেট, তেল, সিগারেট, সাবান , মনোহারী আইটেম , ওয়ান টাইম আইটেম , বেকারী আইটেম এর মল্ডিং ++। * বংশাল - মোটর পার্টস, হোন্ডা, সাইকেল ++। * নর্থ সাউথ রোড/ নয়াবাজার - রড, শিট, ফ্ল্যাট বার, টিন, দরজা, কাঠ, প্লাস্টিক, স্যানিটারি আইটেম, পাইপ, ফিটিংস, বাথরুম ফিটিংস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল জি আই / এম এস আইটেম ++। * নবাবপুর - ইলেকট্রিক আইটেম, তার, বাল্ব, মেশিনারি, হার্ড ওয়ার, ইন্ডাস্ট্রিয়াল আইটেম ++। * সিদ্দিকবাজার - জুতা, স্যান্ডেল, ম্যাটেরিয়ালস। * গুলিস্থান - ইলেকট্রিকসাপ্লাই, মোবাইল, এক্সেসরিজের আইটেম, টিভি,সাউন্ড সিস্টেম, কাপড় আইটেম, জুতা ++। * বঙ্গ বাজার - সব ধরনের রেডিমেট গার্মেন্টস আইটেম। * ধোলাইখাল - গাড়ি ও রিফরিজারেশন এর সেকেন্ড হ্যান্ড আইটেম, জাহাজের ইলেকট্রিক আইটেম++ * কেরানীগঞ্জ - কাপড়, শার্ট , পেন্ট আইটেম ++।

দীর্ঘদিন যাবত যদি অ্যান্ড্রয়েড ইউজার হয়ে থাকেন এবং প্রচুর অ্যাপস ব্যবহার করে থাকেন সবথেকে বড় সমস্যা হবে আইফোনে আপনি এপ স্টোরের বাইরে অ্যাপস ব্যবহার করতে পারবেন না... অ্যান্ড্রয়েড এর মত কখনোই রাফ ইউজে ব্যাটারি ব্যাকআপ পাবেন না.. ( প্রো ম্যাক্স সিরিজের কথা বাদ) সব সময় ব্যাটারী হেলথ কমে যাচ্ছে কিনা এই নিয়ে একটা টেনশন কাজ করবে না চাইতেও. দিনশেষে মনে হবে লাখ টাকা দিয়ে এই ফোন না কিনে ৩০-৪০ এ ভালো ফোন কিনে বাকি টাকা গুলো অন্য কোথাও ইনভেস্ট করলে ভালো আউটপুট পাওয়া যেত ( এ কথাটা আমার মত গরিবদের জন্য বড়লোক হলে ভিন্ন কথা ) পরিশেষে iphone ক্যামেরা এবং শো অফ এর জন্য ( ব্যক্তিগত মতামত )

সিজদায় গিয়ে মহানবী (ﷺ) এক এক সময়ে এক এক রকম দুআ পাঠ করতেন। তাঁর বিভিন্ন দুআ নিম্নরুপ:- سُبْحَانَ رَبِّىَ الأَعْلى। (সুবহা-না রাব্বিয়্যাল আ’লা) অর্থ- আমি আমার মহান প্রভুর সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করি। ৩ বার বা ততোধিক বার। (আবূদাঊদ, সুনান ৮৮৫নং, দারাক্বুত্বনী, সুনান, ত্বাহা, বাযযার, ত্বাবারানী) سُبْحَانَ رَبِّىَ الأَعْلى وَ بِحَمْدِهِ। উচ্চারণ:- সুবহা-না রাব্বিয়্যাল আ’লা অবিহামদিহ্‌। অর্থ- আমি আমার সুমহান প্রভুর সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করি। ৩ বার। (আবূদাঊদ, সুনান , আহমাদ, মুসনাদ, দারাক্বুত্বনী, সুনান, বায়হাকী ২/৮৬, ত্বাবারানী, মু’জাম) سُبُّوْحٌ قُدُّوْسٌ رَبُّ الْمَلاَئِكَةِ وَالرُّوْحِ। উচ্চারণ:- সুব্বূহুন ক্বুদ্দূসুন রাব্বুল মালা-ইকাতি অররুহ। অর্থ- অতি নিরঞ্জন, অসীম পবিত্র ফিরিশ্‌তামন্ডলী ও জিবরীল (আহমাদ, মুসনাদ) এর প্রভু (আল্লাহ)। (মুসলিম) سُبْحَانَكَ اللّهُمَّ رَبَّنَا وَ بِحَمْدِكَ اللّهُمَّ اغْفِرْلِيْ। উচ্চারণ:- সুবহা-নাকাল্লা-হুম্মা রব্বানা অবিহামদিকা,আল্লা-হুম্মাগ ফিরলী। অর্থ- হে আল্লাহ! আমি তোমার সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করি, হে আমাদের প্রভু! তুমি আমাকে মাফ কর। (বুখারী, মুসলিম)।

”রাব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাক্বীর” رَبِّ إِنِّيْ لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيْرٌ "..হে আমার রব, নিশ্চয় আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহই নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।" (সূরা কাসাস, ২৪) এই এক বাক্যে আছে কৃতজ্ঞতা, প্রশংসা আর দোয়ার সমন্বয়। এই বাক্য বলার কারণে আল্লাহ মুসা আলাইহিস সালামকে স্ত্রী, বাসস্থান এবং কর্ম দিয়েছিলেন। . - ইবন আশূর (রাহিমাহুল্লাহ) [আত-তাহরীর ওয়াত-তানওয়ীর: ২০/৩৮৮]

আমি যখন ড্রাইভিং শিখি, তখন একটা ভিডিওতে খুব চমৎকার একটা অ্যাডভাইস পেয়েছিলাম। ইন্সট্রাক্টর বলেছিলেন, একটা ড্রাইভ টেস্টে তুমি স্পিড লিমিটের মধ্যে থাকতে পারো কিনা সেটা দেখা হয়। আশপাশের বেশির ভাগ ড্রাইভার সে লিমিটের মধ্যে থাকে না। অন্তত ৫-১০ কিমি বেশি গতিতে চালায়। অবচেতনভাবেই তুমি যদি তোমার সামনের গাড়িকে ফলো করো, তুমিও তার স্পিডেই চলতে শুরু করবে। তার ওপর তোমার পাশ দিয়ে যখন হুশ করে সব গাড়ি বেরিয়ে যাবে, মনে হবে তুমি স্লো যাচ্ছ। তোমার ইন্সটিংক্ট হবে স্পিড বাড়িয়ে তাদের গতিতে চলা। কিন্তু সেটা করলে তুমি টেস্টে ফেইল করবে স্পিড লিমিট মানতে না পারার জন্য। কাজেই তোমার জন্য সবচে জরুরী কাজ হবে আশপাশের সবকিছু যখন তোমাকে স্পিডিং করতে বলবে, তুমি সেই ইচ্ছাকে দমন করে নিজের মতো, স্পিড লিমিটে থেকে ড্রাইভ করবে। এই কথাটা যে কি অদ্ভুত সত্যি! লাইসেন্স পাবার পর এটা আরও বেশি খেয়াল করেছি আমি। সবাই যখন পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়, মনে হয় কি রে ভাই? আমি কি খুব আস্তে যাচ্ছি নাকি? অথচ আমি নিজেও কিন্তু ঠিক স্পিডেই যাচ্ছি। এবং মজার ব্যাপার হল, একটু সামনে গিয়ে দেখি রেড লাইটে আমার মতোই আটকে আছে স্পিডিং করা বা আমাকে কাট অফ করে চলে যাওয়া ড্রাইভার। আমার স্বভাব সব কিছু থেকে নানারকম শিক্ষা নেয়া। এই ব্যাপারটা আমাকে রোজ মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, আমার অন্য কারো গতিতে জীবন কাটাবার কোন দরকার নেই। যাকে দেখে মনে হয় সে অনেক দ্রুত তার লক্ষে পৌঁছে যাচ্ছে, সেও বিভিন্ন জায়গায় আটকে থাকবে। তার মনে হবে কেউ তার চেয়েও দ্রুত চলে যাচ্ছে। কেবল সেই যথেষ্ট দ্রুত এগোচ্ছে না। এই রেস চক্রের মতো চলতেই থাকে। এর কোন শেষ নেই। অথচ দিনশেষে এই স্পিড আসলে অতটা ম্যাটার করে না। ম্যাটার করে সেইফ থেকে গন্তব্যে পৌঁছানো। আমাদের গন্তব্য যেহেতু এক না, এক স্পিডে, এক রুটে ড্রাইভ করতে যাওয়ার তো কোন মানেই হয়না। এমনিতেও অনেক আগেই আমি কার আগে চাকরি পেলাম, কবে গাড়ি কিনলাম, বিয়ে করলাম, কার বাচ্চা কবে হল এসব তুলনা থেকে নিজেকে বের করে এনেছি । আজকে এই চিন্তাটা মাথায় আসায় মনে হল, ড্রাইভিং লেসনগুলো আসলে লাইফ লেসন ছিল। কত কি শিখি রোজ। আবার ভুলে যাই। এটা মনে রাখতে পারলে ভালো থাকা যাবে। তাই মনে রাখতে পারার জন্য লিখে ফেললাম। 🙂 ©️Sincerely, Zana (নির্দ্বিধায় শেয়ার করতে পারেন কিন্তু ক্রেডিট ছাড়া কপি পেস্ট করবেন না কাইন্ডলি 🙂)

এক বোনের দু'আ কবুলের গল্প 🌻 আমি এই আমলটা করার পর থেকে প্রয়োজন কোনদিক দিয়ে যে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা পূরণ করে দিচ্ছেন টেরই পাই না আলহামদুলিল্লাহ। এটা একটা পরীক্ষিত আমল। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা (আর রঝ্ঝাক্ব) উত্তম রিযিকদাতা। যেকোনো প্রয়োজন পূরণের জন্য আমলটি করতে পারেন ইনশাআল্লাহ। আমলটি হলো— "এশারের পর ১০০ বার দুরুদ, ৪৯৯ বার লা হা'ওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ, ১বার লা হা'ওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আ'লিয়্যিল আ'যিম এবং ১০০ বার দুরুদ পড়বেন। তারপর মুনাজাতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার কাছে যা চাওয়ার চাইবেন।" لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيْمِ (লা হা'ওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আ'লিয়্যিল আ'যিম)

কিভাবে ফেসবুক ব্যবহার কমাবেন ডা. অপূর্ব চৌধুরী লন্ডন, ইংল্যান্ড ১. বন্ধু সংখ্যা সীমিত রাখুন । ২. তাদের বন্ধু লিস্টে রাখুন, যাদের লেখা থেকে কিছু শিখতে পারেন, ভাবতে পারেন । একজন ভালো বন্ধুর লেখা আপনার প্রিয় পত্রিকার মতো । ৩. সেলিব্রিটিদের অনফলো করবেন । ওনারা প্রাপ্ত বয়স্ক দেহে শিশু মস্তিষ্ক । আপনার মস্তিষ্ককে বিষক্রিয়া করতে একজন সেলিব্রিটি যথেষ্ট । ৪. গ্রুপ সংখ্যা কমিয়ে আনুন । কেবল নিজের লেখা শেয়ার করতে ভালো লাগা গ্রুপে অ্যাড হবেন, কিন্তু আনফলো রাখবেন, যাতে গ্রুপের আবর্জনা লেখা আপনার নিউজফিডে না আসে । বেশিরভাগ গ্রুপ হলো গরুর হাট । ৫. পরিবার বা পরিচিত যাদের লেখা দেখলে বিরক্ত লাগে কিন্তু অ্যানফ্রেন্ড করলে ভেজাল করে, তাদের অ্যানফ্রেন্ড না করে আনফলো করবেন । সাপ মরবে, লাঠি ভাঙবে না । ৬. পেইজ লাইক একেবারেই অপ্রয়োজনীয় । পেইজ বাদ দেবেন লাইক দেয়া থেকে । পেইজ হলো সেলিব্রিটিদের পয়সা খরচ করে আপনাকে আবর্জনা খাওয়ানোর বুষ্ট আপ করা বিজ্ঞাপন । ফেসবুকে একমাত্র পেইজ এই বিজ্ঞাপন বুস্ট আপ করা যায় । ৭. পত্রিকাগুলো আনফলো করবেন । পত্রিকা গুলো হলো জাতীয় আবর্জনার ভাগাড় । পড়লেও যা জানবেন, না পড়লেও একই থাকবেন । ৮. লাইভ দেখে সময় নষ্ট করবেন না । বেশি দেখতে মাথা চুলকালে টয়লেটে বসে ওসব ট্র্যাশ দেখবেন, সময় উপরে অপচয় হবে না, কিন্তু সময়টি মসৃণ যাবে নিচে । ৯ ফেসবুকের ভিডিও গুলো দেখবেন কম । রান্না বা দৈনন্দিন কোনো টিপস জাতীয় লাইফ হ্যাক ভিডিও থাকলে দেখবেন সে গুলো, কিভাবে জীবনটাকে সহজ করা যায় । কারো ভিডিও ভ্লগ দেখার কিছু নেই, ওসব তাদের দৈনন্দিন অপকর্মের তালিকা । ১০. ফেসবুককে ব্যবহার করবেন বিকেলে একটু পাড়া ঘুরার মতো । এর চেয়ে বেশি করলে সারাদিন পাড়া ঘুরে যে লাভ, ওই এক টুকরো বিকেলে ঘুরে একই লাভের চেয়ে বেশি কিছু পাবেন না । বিনিময়ে কেবল সময় নষ্ট করবেন । মনে রাখবেন, ফেসবুক আপনার এই সময় বিক্রি করে বছরে একশো বিলিয়ন ডলারের বেশি কামায়, কিন্তু আপনার পকেটে কিছু আসে না ।

# 21 days Challenge # আপনাকে নতুন অভ্যাস গড়তে সাহায্য করবে। কমফোর্ট জোন থেকে বের হতে সাহায্য করবে। 1)পর্ণ ভিডিও দেখা যাবো না। 2)সোশ্যাল মিডিয়ায় কম সময় কাটান। 3)প্রতিদিন সকাল ৬ টায় ঘুম থেকে উঠুন। 4)প্রতিদিন ১০ মিনিট মেডিটেশন করুন। 5)একটা বই নিন, প্রতিদিন ১ চ্যাপ্টার পড়ুন। 6)প্রতিদিন ৭/৮ ঘন্টা ঘুমান। এই রুলস গুলো ২১ দিন কনসিস্টেন্সি ফলো করুন নতুন অভ্যাস গড়তে।

# পার্সোনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট টেকনিক # ১. কথা হজম করতে শিখুন! এইটা অনেক বড় গুণ!আপনাকে জীবনে জিততে সহায়তা করবে! # ২. কখনও তর্কে জিততে যাবেন না! আপনার প্রতিপক্ষকে জিতিয়ে দিন! আপনার প্রতিপক্ষ যদি খুশী হয় সে জিতে গেছে ভেবে! আপনি একটু হাসুন! # ৪. মনে রাখবেন, কখনও কখনও জিততে হলে হারতে হবে! আর আপনার আজকের এই হারই আপনাকে বড় জয় এনে দিবে! # ৫. হারতে শিখুন! সব জায়গায় জিততে নেই! এটা বোকামি! # ৬. মনে রাখবেন, কথায় কাজ হবে না! তাই কাজ শুরু করুন নিরবে! আপনার কাজই কথা বলবে! # ৭. আপনাকে যারা বিশ্বাস করে না, তাদের চিন্তা বাদ দিন! নিজেকে বিশ্বাস করুন! নিজের প্রতি বিশ্বাস আপনাকে সবার মাঝে বিশ্বাসী করে তুলবে! # ৮. আপনি অনেক কিছু পারেন! কি দরকার বলে বেড়ানোর! কাজ করুন! যার প্রয়োজন সে আপনাকে এমনেতেই খুঁজে বের করবে! # ৯. মনে রাখবেন, চিতা বাঘ কখনও কুকুরের সাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করে না! কুকুরদের জিততে দিন! আপনি যে চিতা বাঘ তা বোঝানোর জন্য সঠিক সময়ের অপেক্ষায় থাকুন! # ১০. নিজের প্রয়োজনেই তর্ক এড়িয়ে চলুন! আর নিরবে কাজ করুন! আপনার কাজই আপনার কথা বলবে # লাষ্ট একটা কথা বলব.... কোনকিছু পারসোনালি না নিতে শিখুন, সবার থেকে প্রত্যাশা না করতে শিখুন। আপনার পাশে বো'ম্ব ফাটালেও সাইলেন্ট থাকুন 💥

গত দুইবছরে আমি একটা জিনিস শিখছি। কোনো পুরুষকে কোনোদিন শিখাইতে হবেনা আপনাকে গুরুত্ব দিতে, টাইম দিতে কিংবা আপনার পেছনে এফোর্ট দিতে। পুরুষ এমন একটা জাত, যে তারা যেই নারীকে পছন্দ করে তার পায়ের নিচে দুনিয়া এনে দিতেও দ্বিধাবোধ করেনা। কোনো পুরুষ যদি আপনাকে ভালোবাসে, আর কখনো জানতে পারে আপনার প্রিয় ফুল গোলাপ ; আর পৃথিবীতে যদি একটাই গোলাপ অবশিষ্ট থাকে সে চেষ্টা করবে সেই একটাই গোলাপ আপনাকে এনে দিতে। আর যে ভালোবাসেনা সে যদি জানে গোলাপ আপনার প্রিয় আর সারা দুনিয়ার আনাচে কানাচে পানির মতোন গোলাপ ছিটিয়েও থাকে সে এনে আপনার হাতে তুলে দেবেনা। আমি এমন পুরুষ দেখছি যারা বছরের পর বছর সম্পর্ক করেও একজনের পেছনে এফোর্ট দেয়না, আবার ৬ মাসের পছন্দে একটা মেয়েকে বিয়ে করে ফেলে এবং সেই সব তার জন্য করে যা তার এক্স তাকে করার জন্য বেগ করতো। আপনি শত চাইলেও সেইসব আপনার জন্য করবেনা কারন আপনি সেই নারী না যার সাথে সে থাকতে চায়। পিপোল চেইঞ্জ ফর হুম দে ওয়ান্ট। Men Are Born To Pursue. They Make Time And Effort For Something They Want. লেখা: ফারিয়া হোসাইন

ক্লাউড স্টোরেজ মানেই অন্যের কম্পিউটারে (সার্ভারে) নিজের ফাইল রাখা। এ হিসেবে সাধারণ ব্যাকআপের জন্য সেইফ হলেও প্রাইভেসির জন্য সেইফ বলা যায় না। সার্ভারের অ্যাডমিন রিভিউর প্রয়োজনে দেখতে পারে, সার্ভার হ্যাকও হতে পারে। অল্টারনেটিভ হলো - ফিজিক্যাল স্টোরেজ (হার্ডড্রাইভ, পেনড্রাইভ, এসডি কার্ড) - ফাইলগুলো পাসওয়ার্ড দিয়ে আর্কাইভ করে ক্লাউডে আপলোড দেওয়া। (Winrar, Peazip বা 7zip সফটওয়্যার দিয়ে)

পুরুষের আমলনামা 3 টা. বিয়ের আগ পর্যন্ত একটাই থাকে, কিন্তু বিয়ের পর নিজ স্ত্রীর এবং সন্তানদের আমল নামার খাতা নিজ আমলনামার সাথে যুক্ত হয়ে 3 টা হয়.

"একজন নারী যদি বেপর্দায় চলাফেরা করে তাহলে চারজন পুরুষ জাহান্নামে যাবে, এই চার জন পুরুষ কে 'দাইয়ুস' বলা হয়। সে চারজন পুরুষ হল-- ১. নারীর বাবা ২. নারীর ভাই ৩. নারীর স্বামী ৪. নারীর ছেলে। ____________________(মুসনাদে আহমদ ৫৮৩৯) দাইয়ুস কখনোই জান্নাতে প্রবেশ করবে না’। (নাসাঈ : ২৫৬২, আহমাদ, মিশকাত : ৩৬৫৫; সহীহুল জামে : ৩০৫২) عَمَّارِ بْنِ يَاسَرٍ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم ثَلاَثَةٌ لاَ يَدْخُلُوْنَ الْجَنَّةَ أَبَدًا اَلدَّيُوْثُ وَالرَّجْلَةُ مِنَ النِّسَاءِ وَمُدْمِنُ الْخَمْر. আম্মার ইবনু ইয়াসার রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিন শ্রেণীর মানুষ কখনো জান্নাতে যাবে না। (১) যে ব্যক্তি তাঁর পরিবারে বেহায়াপনার সুযোগ দেয়। (২) পুরুষের বেশধারী নারী। (৩) নিয়মিত নেশাদার দ্রব্য পানকারী। (তাবরাণী, তারগীব হা/৩৩৮১) দাইয়ুসের গুণাগুণ অনেককেই দেখা যায়, তারা নিজেদের স্ত্রী’র সুন্দর ছবি আপলোড করে সবাইকে দেখার জন্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেয়। যারা নিজেদের স্ত্রী’কে সাজিয়ে-গুছিয়ে পর পুরুষের উপভোগের জন্য খোলা ময়দানে বা রাস্তা ঘাটে বেড়াতে পাঠায় বা মনোরঞ্জনের জন্য পাঠায় তারাও ‘দাইয়ুস’।

*দাইয়ুস:* *যে পুরুষ তার স্ত্রী-কন্যা-বোন প্রমুখ অধীনস্থ নারীকে বেপর্দা চলাফেরায় বাধা দেন না তাকে দাইয়ুস বলে*। *দাইয়ুস ব্যক্তির পরিণতি সম্পর্কে রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ* ‘দাইয়ুস কখনোই জান্নাতে প্রবেশ করবে না’। নাসাঈঃ ২৫৬২, আহমাদ, মিশকাতঃ ৩৬৫৫; সহীহুল জামেঃ ৩০৫২ *নবী মুহাম্মদ (সাঃ) বলেন: "তিন শ্রেণির লোক জান্নাতে যাবেন না* — (১)মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান, (২)পুরুষের বেশ ধারণকারী নারী/নেশাদার দ্রব্যে আসক্ত ব্যক্তি এবং (৩)দাইয়ুস অর্থাৎ যে পুরুষ তার স্ত্রী-কন্যা-বোন প্রমুখ অধীনস্থ নারীকে বেপর্দা চলাফেরায় বাধা দেন না।।" *নবী মুহাম্মদ (সাঃ) বলেন: "তিন ধরনের মানুষের দিকে বিচার দিবসে আল্লাহ তাআলা তাকাবেন না।* মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান, পুরুষের সদৃশ অবলম্বনকারী নারী এবং দাইয়ুস।" — আহমাদ ২/৬৯,১২৮[৪], সুনানে নাসায়ি ২৫৬২, মিশকাতুল মাসাবিহ ৩৬৫৫, মুসতাদরাকে হাকেম, হাদিস নং: ২২৬

বই পড়াকে আকর্ষণীয় ও ইফেক্টিভ করার কিছু কৌশল : 🔹 বই পড়ার জন্য বাসায় পছন্দমত কোনো স্থান নির্বাচন করে নেওয়া। 🔹 সামর্থ্য থাকলে বাসার কোনো স্থান বা রুমকে স্টাডি রুম হিসেবে নির্দিষ্ট করে নেওয়া। 🔹 দৃষ্টিনন্দন সেলফ বানিয়ে নিলে তা দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয় এবং পড়ার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে সাহায্য করে থাকে। 🔹 মাঝেমধ্যে নিরিবিলি ও প্রাকৃতিক মনোভিরাম স্থানে যেয়ে বই পড়া যেতে পারে। 🔹 বইয়ে হাত রেখে বা স্পর্শ করে পড়া হলে মনোযোগ বৃদ্ধি পায় ৷ 🔹 আন্ডারলাইন করার জন্য কলম বা পেন্সিলের পাশাপাশি মার্কার ব্যবহার করলে তা দৃষ্টিকে একপ্রকার আনন্দ দেয় এবং অধ্যয়নে মনোযোগ আনয়নে সহায়তা করে। 🔹 সবসময় নিঃশব্দে না পড়ে সশব্দেও পড়ার অভ্যাস করে নেওয়া যেতে পারে। শব্দ করে পড়লে একসাথে চোখ এবং কান দুইটি ইন্দ্রিয় ব্যবহৃত হয়। ফলে তা অন্তরে অধিকতর স্থায়ী হয়। 🔹 পড়তে বসার পূর্বে সকলপ্রকার connectivity-এর সামগ্রীকে নিষ্ক্রিয় করে রাখা। 🔹 পড়াকে ছোট ছোট অংশে বিভক্ত করে নিলে পড়ায় গতি বৃদ্ধি হয় এবং মনোযোগ বাড়ে। 🔹 সম্ভব হলে সুন্দর ও আকর্ষণীয় কাভারের বই নির্বাচন করা, কেননা তা বইয়ের প্রতি আকর্ষণ বাড়িয়ে দেয়। এবং বই প্রিন্ট করিয়ে নিলে সম্ভব হলে মনোরম ও মনোমুগ্ধকর কাভারের সাথে প্রিন্ট করিয়ে নেওয়া। 🔹 প্রতিদিন রাতে পরবর্তী দিনের পড়ার রুটিন করে স্টিকি নোটে লিখে দৃশ্যমান কোনো স্থানে সেঁটে দেয়া গেলে খুব ভালো হয়। 🔹 পড়ার ক্ষেত্রে এমন পরিমাণ নির্দিষ্ট করা যা নিজের তুলনামূলক সামগ্রিক সামর্থ্যের চেয়ে বেশি হবে না। 🔹 পড়তে কষ্ট হলে বা কঠিন হলে দিনের একাধিক অংশে পড়া শেষ করার চেষ্টা করা। 🔹 সর্বোপরি নির্দিষ্টকৃত অংশ শেষ করার প্রাণপণ চেষ্টা করা। 🔹 কঠিন বই হলে পড়তে সময় নেয়া, কেননা তা আত্মস্থ হতে সময় লাগে। প্রয়োজনে একাধিকবার পড়া। 🔹 পঠিত বিষয় মনে রাখার জন্য তা আমলে পরিণত করা। 🔹 পঠিত বিষয়বস্তু কারো সাথে আলোচনা করা। এতে তা সহজে মনে থাকে। [Aslaf Academy এর The Art of Reading কোর্স থেকে] টিপসগুলো ভালো লেগে থাকলে পরিচিতজনের সাথে শেয়ার করুন। আরো এমন টিপস-ট্রিকস পেতে আসলাফ একাডেমির পেইজে চোখ রাখুন...

বিষয়বস্তুু : লিভার সিরোসিস হেপাটাইটিস বি সি ভাইরাস মানেই কি লিভার সিরোসিস? লিভারের অসুখ মানেই কি সিরোসিসের ঝুঁকি? লিবার সিরোসিস কি? কিভাবে হয়? লক্ষ্মণ কি? চিকিৎসা কি? প্রতিরোধের উপায় কি? এসব নিয়ে সাধারণ মানুষের বোধগম্য করে খোলামেলা আলোচনা। ডা: মোস্তাক আহমেদ কাজল গবেষক ও চিকিৎসক লিভার বিভাগ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, পিজি হাসপাতাল। শাহবাগ ঢাকা। চেম্বার : লিভার কেয়ার এন্ড লার্নিং সেন্টার ৪৬-৫১,মোহাম্মদপুর টাউন হল কাচা বাজার মার্কেটের ২য় তলা মোহাম্মদ পুর - ঢাকা। বিকাল পাঁচ টা থেকে রাত দশটা শুক্রবার বন্ধ। যোগাযোগ : ০১৭৪৬২২৫১১০ হোয়াটসঅ্যাপ : ০১৯৮৫১০২৫৩৩( চিকিৎসক ব্যক্তিগত।)