ar
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

الذهاب إلى القناة على Telegram

🙂🙂🙂

إظهار المزيد
1 997
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
لا توجد بيانات7 أيام
-130 أيام
أرشيف المشاركات
photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

ফেসবুকে ফেইক পেইজ বা একাউন্ট দিয়ে হ্যারেজমেন্ট, ব্লাকমেইল করার দিন শেষ !!! কারন চাইলেই, পেইজ,একাউন্ট কে চালাচ্ছে সেটা বের করা সম্ভব। বিশেষ করে বিভিন্ন ট্রল, মিমস বা এক্সপোজ পেইজ থেকে ইচ্ছাকৃত ভাবে মানুষজনকে হেনস্তা করা হয়। যারা পেইজগুলো চালায়, তারা মনে করে তাদের খুঁজে বের করা সম্ভব না!! কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল!! কারন, - চাইলেই পেইজের এডমিন লিস্ট বের করা সম্ভব। - ফেইক একাউন্ট কে চালাচ্ছে, বা একাউন্ট এ থাকা ফোন নাম্বার ,ইমেইল (যেটা এভেইলেবল) & লোকেশন (ব্লাকমেইল ইস্যুতে) সবকিছুই বের করা সম্ভব!! এগুলো কিভাবে বের করা যায়!! ১. আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে: যদি আপনি ভিক্টিম হোন, এবং ইস্যুটা যদি সিরিয়াস হয় তবে লিগ্যালি স্টেপ নিন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সম্পূর্ণ তথ্য বের করতে পারে। ২. ⁠থার্ড পার্টি এজেন্সি: যারা সোস্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মের সাথে Trusted Partner হিসেবে কানেক্টেড যেমন: Erazee , তাদের মাধ্যমেও এসব তথ্য বের করা সম্ভব। অনেক ক্ষেত্রেই "জিডি বা সাধারণ ডায়েরি" এর ডকুমেন্টস প্রয়োজন হয়। সুতরাং, সোস্যাল মিডিয়ায় হেনস্তা হয়ে হতাশ না হয়ে হেনস্তাকারীদের খুঁজে আইনানুগ ব্যবস্থা নিন।

একটি খাতা অথবা সাদা কাগজ নিন। কলম দিয়ে লিখতে শুরু করুন৷ ফোনে বা ডিভাইসে লিখবেন না। খাতা কলমে লিখতে হবে৷ প্রথমে ওপরে লিখুন- গত সপ্তাহের ভালো কাজসমূহ। তারিখ লিখুন৷ কত তারিখ থেকে কত তারিখ পর্যন্ত। এবার পয়েন্ট দিয়ে লিখতে শুরু করুন৷ কাকে কাকে উপকার করেছেন৷ কাকে সঠিক পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। কার মন খারাপে আনন্দের উপলক্ষ হয়েছেন৷ কোন ক্ষুধার্ত প্রাণিকে খাবার দিয়েছেন। কারো কাছে কলম নেই বলে আপনার কলমটি দিয়ে সহযোগিতা করেছেন৷ আপনার পাশের যাত্রীর কাছে খুচরো নেই বলে আপনি নিজের কাছে থাকা ভাংতি টাকা দিয়ে উপকার করেছেন৷ বাদাম খেয়ে খোসা রাস্তায় না ছড়িয়ে ডাস্টবিনে ফেলেছেন কিনা, প্রতিটি ছোটোখাটো ভালো কাজ লিখবেন৷ তারপর লিখবেন- গত সপ্তাহের খারাপ কাজের তালিকা। লিখতে শুরু করুন৷ কাকে কাকে গালি দিয়েছেন। বন্ধুদের আড্ডায় তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে নিয়ে সমালোচনা করেছেন। কার নাম বিকৃত উচ্চারণে বলেছেন যা শুনলে সেই ব্যক্তি কষ্ট পাবে। অথবা নামের সাথে বিশেষণ যোগ করে উপহাসের পাত্র বানিয়েছেন। বিড়াল কুকুরকে লাথি মেরেছেন। ভিক্ষুক বা সাহায্যপ্রার্থীর সাথে দুর্ব্যবহার করেছেন৷ অধীনস্ত কর্মচারী বা কাজের লোককে ধমক দিয়েছেন৷ ছোটখাটো সমস্ত খারাপ কাজের কথা লিখুন৷ ব্যস, আপনার এক সপ্তাহের আমলনামা আপনার সামনে৷ এবার পর্যালোচনা করুন৷ কোন কাজ বাড়ানো উচিৎ, কোন কাজ ত্যাগ করা উচিৎ৷ এভাবে নিজের কাজের বিশ্লেষণ করবেন৷ তাহলে আর অন্যের জীবন যাপন, অন্যের কাজকর্ম নিয়ে গবেষণা করার সময় পাবেন না৷ ______ Paint with Ashraf

ঘুম আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য এতটাই জরুরি যে, মানুষ যতক্ষণ পর্যন্ত যথেষ্ট ঘুম না পায়, ততক্ষণ তার শরীর পূর্ণ সুস্থ হতে পারেনা। ঘুমে শরীর বিশ্রাম নেয়, নতুন শক্তি সঞ্চয় করে এবং ক্ষয় হয়ে যাওয়া অংশগুলিকে মেরামত করে। সুস্থ শরীর, সতেজ মন ও জীবনীশক্তি হলো সঠিক ঘুমের ফল। ওয়ালেস ডি. ওয়াটলস মহাশয় তাঁর The Science of Being Well বইয়ের অধ্যায় ১২ তে ঘুমের গুরুত্ব ও নিয়ম বর্ণনা করেছেন। ওয়াটলসের মতে ঘুমের নিয়ম হলো: - শরীর যতটুকু চাইবে ততটুকু ঘুমান। - ঘুমানোর আগে মনে শান্তি, আত্মবিশ্বাস ও ইতিবাচক চিন্তা রাখুন। - রাতে ঘুম ভেঙে গেলে চিন্তা করবেন না, আবার ঘুম আসবে। - পরিবেশ যেন পরিষ্কার, আরামদায়ক ও বাতাসপূর্ণ হয়। ওয়াটলস বলেন, ঘুম শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য সবচেয়ে প্রাকৃতিক ও শক্তিশালী উপায়। দিনভর শরীর কাজ করে, শক্তি খরচ করে, কোষগুলো ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ঘুমের সময় শরীর সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে মেরামত করে, নতুন শক্তি সঞ্চার করে। যতটা ঘুম শরীর চাইবে সেটাই যথেষ্ট, বেশি বা কম ঘুমের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। - ঘুমের মানসিক প্রস্তুতি ওয়াটলস বিশেষভাবে জোর দিয়েছেন ঘুমের আগে মনের অবস্থার ওপর। কেউ যদি ভয়ে, দুশ্চিন্তায় বা নেতিবাচক চিন্তায় ভরপুর হয়ে শোয়, তবে ঘুম গভীর হয় না এবং শরীর পুরোপুরি বিশ্রাম পায় না। ঘুমানোর আগে মনের মধ্যে শান্তি, আত্মবিশ্বাস ও কৃতজ্ঞতার অনুভূতি আনতে হবে। ওয়াটলস বলেন, ঘুমানোর আগে মানসিক অবস্থা খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি ভয়, দুশ্চিন্তা বা রাগ নিয়ে শুতে যান, আপনার ঘুম ভাল হবে না। ওয়াটলস বলেন, “Go to sleep with a peaceful and confident mind, and you will sleep soundly.” - ঘুমের সময় ও পরিমাণ ওয়াটলসের কথা হলো, ঘুমের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। কারও জন্য ৬ ঘণ্টা যথেষ্ট, কারও জন্য ৮ বা ৯ ঘণ্টা লাগতে পারে। এটা শরীরের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। একজন শ্রমিকের হয়তো ৮–৯ ঘণ্টা ঘুম লাগবে, আবার অন্য কেউ ৬ ঘণ্টাতেই পুরোপুরি সতেজ হয়ে উঠবে। যতক্ষণ না শরীর পুরোপুরি বিশ্রাম নিচ্ছে, ততক্ষণ তাকে ঘুমাতে দেওয়া উচিত। আপনি যদি সকালে উঠে সতেজ, হালকা, আর শক্তিতে ভরপুর মনে করেন তবে বুঝবেন আপনি যথেষ্ট ঘুমিয়েছেন। আর যদি ক্লান্ত, অবসাদগ্রস্ত বা শক্তিহীন মনে হয় তবে বুঝবেন আরও ঘুম দরকার ছিল। অর্থাৎ, ঘুমের সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করবে আমাদের শরীর, কোনো ঘড়ি নয়। - রাতের মধ্যে ঘুম ভেঙে গেলে অনেক সময় মানুষ রাতের মধ্যে ঘুম ভেঙে গেলে ভয় পায়, ভাবে হয়তো অসুখ হচ্ছে। ওয়াটলস বলেন, এতে ভয় বা বিরক্ত হওয়ার কিছু নেই। শরীর ঠিক জানে কতটুকু ঘুম দরকার। তাই মাঝরাতে জেগে গেলে শান্ত থাকুন, ঘুম আবার আসবে। আতঙ্কিত হয়ে ভাববেন না যে আপনার ঘুম নষ্ট হয়ে গেল। - ঘুমের পরিবেশ ওয়াটলস ভালো ঘুমের জন্য পরিবেশকে খুব গুরুত্বপূর্ণ বলেছেন। যেখানে ঘুমাবেন, সেখানে যেন বিশুদ্ধ বাতাস থাকে। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, কক্ষে খোলা জানালা বা প্রকৃতির পরিষ্কার বাতাসের প্রবাহ থাকা দরকার। বিছানা যেন আরামদায়ক হয়। শরীরকে এমন অবস্থায় রাখতে হবে যাতে কোনো চাপ বা টান না লাগে, শরীর যাতে মুক্তভাবে বিশ্রাম নিতে পারে। ঘুমানোর আগে খাবার হালকা রাখা ভালো, যাতে শরীর ভারী না লাগে। ভারী খাবার শরীরকে ব্যস্ত রাখে এবং ঘুম গভীর হয় না। - ঘুম থেকে ওঠা ঘুমকে কখনো জোর করে কমানো বা বাড়ানো উচিত নয়। শরীরের যতটুকু ঘুম আসে, ততটুকুই যথেষ্ট। যদি আপনি সঠিকভাবে ঘুমান, তাহলে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর আপনার ভেতরে থাকবে শক্তি, সতেজতা, আনন্দ এবং নতুন দিনের উদ্দীপনা। ওয়াটলসের মতে, ঘুম শুধু শরীর বিশ্রাম দেওয়ার জন্য নয়, বরং শরীরকে নতুন করে শক্তি দেওয়ার জন্য। তাই ঘুম থেকে ওঠার পর মানুষের ভেতরে সতেজতা, শক্তি, আনন্দ থাকা উচিত। তিনি বলেন, “If you go to sleep rightly, you will wake full of life and power, ready for the day.” Captain Green

নিজের খেয়াল রাখুন ❤️ . ✅একটি লো ফ্যাট ডায়েট বেছে নিন ✅তেল চর্বি এড়িয়ে চলুন , সর্বনিম্ন যতটুকু চর্বি নিবেন তা প্রাণিজ চর্বি বাদ দিয়ে উদ্ভিজ্জ চর্বি গ্রহণ করুন। ✅বেশি বেশি সিজনাল ফল এবং সবজি খান ✅মাংস / গোস্ত বাদ দিয়ে তৈলাক্ত মাছ খান। সামুদ্রিক মাছ বেশি উপকারী। ✅চিনি ছাড়া সবুজ চা পান করুন প্রতিদিন ✅মদ্যপান ও ধূমপানের অভ্যাস থাকলে বর্জন করুন। ✅স্বাস্থ্যসম্মত ওজন ঠিক রাখুন। ✅প্রতিদিন ব্যায়াম করুন। সহজ ব্যায়াম প্রতিদিন ৩০ মিনিট জগিং করা। ✅ আনন্দে থাকুন , টেনশন মুক্ত থাকার জন্য রিলাক্সেশন এক্সারসাইজ উপকারী। ⚠ সতর্কতা: কিছু প্রতারক আমার ছবি-ভিডিও ব্যবহার করে প্রতারণা করছে! ✅ আমাদের মোবাইল নাম্বার: 01972859950, 01712859950 এই নাম্বার ছাড়া আমাদের কোন নাম্বার নাই। সতর্ক থাকবেন, সাবধান থাকবেন। www.faijulhuq.com www.faijulhuq.info . .

নিজের সম্পর্কে কখনো নেতিবাচক কথা বলবেন না। এমনকি ঠাট্টা করেও নয়। কারণ আপনার মন, আপনার শরীর এবং আপনার অবচেতন সত্তা রসিকতা ও বাস্তবতার পার্থক্য বোঝে না; তারা কেবল শব্দের কম্পন অনুভব করে। আপনি যে শব্দগুলো উচ্চারণ করেন, সেগুলো শক্তিতে পরিণত হয়ে আপনার ভেতরে প্রবেশ করে এবং ধীরে ধীরে আপনার চিন্তা, অনুভূতি ও জীবনকে গঠন করে। শব্দ নিছক শব্দ নয়। শব্দ হলো জীবন্ত শক্তি। প্রতিটি বাক্য একেকটি তরঙ্গ, একেকটি অদৃশ্য মন্ত্র। আমরা যাকে “spelling” বলি, তার মধ্যেই “spell” লুকিয়ে আছে অর্থাৎ বানান করা মানেই যেন এক ধরনের জাদু সৃষ্টি করা। আপনি যখন বারবার বলেন, “আমি পারি না,” “আমি যথেষ্ট ভালো নই,” “আমার দ্বারা কিছু হবে না,” তখন আপনি অজান্তেই নিজের বিরুদ্ধে এক নীরব অভিশাপ তৈরি করছেন। এই কথাগুলো আপনার আত্মবিশ্বাসকে ক্ষয় করে, মনোবলকে দুর্বল করে এবং সম্ভাবনার দরজা বন্ধ করে দেয়। কিন্তু আপনি যদি আপনার ভাষা বদলান, যদি বলেন “আমি শিখছি,” “আমি ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছি,” “আমি যোগ্য,” “আমার জীবন সুন্দর হয়ে উঠছে,” তখন সেই শব্দগুলোই আপনার ভেতরে নতুন আলো জ্বালায়। আপনার মন শক্তিশালী হয়, হৃদয় প্রশান্ত হয় এবং জীবনের পথে নতুন সুযোগ খুলে যায়। তাই নিজের সঙ্গে কথা বলার ভঙ্গি বদলান। নিজের প্রতি সদয় হোন, কোমল হোন এবং নিজেকে উৎসাহ দিন। আপনি যেভাবে নিজের সম্পর্কে কথা বলবেন, জীবনও সেভাবেই আপনার দিকে প্রতিক্রিয়া জানাবে। কারণ শেষ পর্যন্ত, আপনি যেভাবে নিজেকে ভাষায় গড়ে তোলেন, সেটাই আপনার জীবনের গল্প লিখে দেয়। ~ Astrologer Chinmoy Barua

যদি কোনো ব্যক্তি কোনো নারীকে বিয়ের জন্য প্রস্তাব পাঠায় - যার দ্বীনদারিতা ও চরিত্রের ব্যাপারে সন্তুষ্ট হওয়া যায় এবং সেই নারীও তাকে পছন্দ করে; তাহলে ঐ নারীর অভিভাবকের জন্য ফরজ হয়ে পড়ে যে, তিনি তার বিবাহ সম্পাদন করবেন। নারীকে সে বিয়ে থেকে আটকানো তার অভিভাবকের জন্য জায়েয নেই। যদি অভিভাবক বিয়ে করতে বাধা দেয়, তবে সে গুনাহগার হবে বরং উলামারা বলেছেনঃ ‘যদি কোনো অভিভাবক বারবার সন্তোষজনক প্রস্তাব আসলেও মেয়েকে বিয়ে করতে বাধা দেয়, তবে সে ফাসিক বলে গণ্য হবে; তার অভিভাবকত্ব বাতিল হয়ে যাবে এবং মেয়ের অভিভাবকত্ব অন্যের কাছে স্থানান্তরিত হবে।’ ❞ – শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ আল উসাইমিন رحمه الله [ ফাতাওয়া নূর আলাদ-দারব, খণ্ড - ১০, পৃষ্ঠা - ২৬ ] https://t.me/HaalalRomanticism

যদি গর্ভস্থ ভ্রুনের বয়স চার মাস হয়ে যায় তাহলে সেটা কে নষ্ট করা বা গর্ভপাত করানো কোনো অবস্থাতেই জায়েয নেই। আর যদি ভ্রুনের বয়স চার মাস থেকে কম হয় এবং দ্বীনদার, অভিজ্ঞ কোনো ডাক্তার এ কথা বলে যে,বাচ্ছা জন্ম নিলে নিশ্চিত বা প্রবল ধারণা অনুযায়ী মায়ের প্রাণ নাশের বা বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে অথবা যদি মার স্বাস্থ্য গর্ভাবস্থা সহ্য করতে না পারে বা প্রথম সন্তানকে পরিচর্যা সহ শিক্ষা দিতে অসুবিধার আশঙ্কা থাকে এবং সঠিক পরিচর্যা করতে পারবে না বলে আশংকা হয় তাহলে গর্ভপাত করার সুযোগ রয়েছে, চাইলে গর্ভপাত করাতে পারবে। আর যদি রিজিকের আশংকায় এরূপ করে তাহলে গর্ভের ভ্রুন নষ্ট করা জায়েয হবে না। যদিও গর্ভের বয়স চার মাসের চেয়ে কম হয়। আর যদি উল্লেখযোগ্য কোনো অতিব প্রয়োজন না দেখা দেয় তাহলে চার মাসের কম বয়সের ভ্রুন কেও নষ্ট করা বা গর্ভপাত করানো জায়েয হবে না। আল্লাহু আ’লামু বিসসাওয়াব বিস্তারিত.. https://www.facebook.com/groups/hanafifiqhbd/permalink/1161259688035680/?app=fbl

সস্তা হবেন না—যে আপনাকে 'অপশন' হিসেবে রাখে, তাকে আপনি 'ডিলিট' লিস্টে রাখুন; মনে রাখবেন, আপনি কারও অবসর সময়ের খেলনা বা 'ব্যাকআপ প্ল্যান' হওয়ার জন্য জন্মাননি। You are a Priority, Not an Option দোকানে কোনো জিনিসের দাম কম হলে মানুষ যেমন সেটা নিয়ে দরাদরি করে, বা অযত্ন করে ফেলে রাখে—সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তাই। আপনি যখনই কারও জন্য সবসময় সহজলভ্য বা 'অ্যাভেইলেবল' হয়ে যাবেন, তখনই আপনার গুরুত্ব কমে যাবে। কেউ আপনাকে তখনই ফোন দেয় যখন তার অন্য কোনো কাজ থাকে না, বা অন্য কেউ তাকে পাত্তা দেয় না। আর আপনি ভাবেন—"সে আমাকে মনে করেছে!" ভুল ভাবছেন। সে আপনাকে মনে করেনি, সে তার একঘেয়েমি কাটাতে আপনাকে ব্যবহার করছে। যে আপনাকে তার 'প্রয়োরিটি' লিস্টে রাখে না, তাকে আপনার জীবনের 'ভিআইপি' আসনে বসিয়ে রাখার কোনো মানে হয় না। #MotivationalQuotesBangla 🛡 কেন নিজেকে 'ব্যাকআপ প্ল্যান' হতে দেবেন না? 🔥 ১. অবসর বনাম গুরুত্ব (Free Time vs Make Time) কেউ "ফ্রি থাকলে" আপনার সাথে কথা বলে, আর কেউ "আপনার সাথে কথা বলার জন্য" টাইম বের করে। এই দুইয়ের পার্থক্য যে বোঝে না, সে সারাজীবন কষ্ট পায়। কারও 'টাইমপাস' হওয়ার চেয়ে একা থাকা অনেক সম্মানের। আপনি কোনো খেলনা নন যে ইচ্ছে হলেই খেলবে, আবার ইচ্ছে হলেই ছুঁড়ে ফেলে দেবে। #MotivationalQuotesBangla 🔥 ২. নিজের মূল্য বুঝুন (Know Your Worth) আপনি যদি নিজেকে সস্তা ভাবেন, পৃথিবী আপনাকে সস্তাই ভাববে। হীরা কখনো রাস্তায় পড়ে থাকে না, তাকে যত্ন করে রাখতে হয়। আপনার ভালোবাসা, আপনার সময়—এগুলো দামী জিনিস। ভুল মানুষের পায়ে এগুলো ঢেলে দেবেন না। যে আপনাকে হারানোর ভয় পায় না, তাকে হারিয়ে ফেলাই আপনার জন্য মঙ্গলের। #MotivationalQuotesBangla 🔥 ৩. ডিলিট বাটন চাপুন ফোনের মেমোরি ফুল হলে যেমন আমরা অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করি, জীবন থেকেও এমন মানুষগুলোকে ডিলিট করুন। এতে হয়তো সাময়িক কষ্ট হবে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী শান্তি পাবেন। লাইফটা খুব ছোট, সেটাকে এমন কারও জন্য নষ্ট করবেন না যার কাছে আপনার কোনো মূল্য নেই। #MotivationalQuotesBangla 🌟 শেষ কথা আজই সিদ্ধান্ত নিন—হয় আপনি তার জীবনে 'একমাত্র' হবেন, নয়তো 'একেবারেই' থাকবেন না। মাঝখানের কোনো জায়গায় ঝুলে থাকবেন না। ঝুলে থাকাটা দুর্বলতা, আর সরে আসাটা আত্মসম্মান। নিজেকে বলুন— 👉 "আমি রাজহাঁস, আমি শামুক খাওয়ার জন্য জন্মাইনি।" কারা আজ থেকে নিজের আত্মসম্মান সবার আগে রাখবেন? কমেন্টে লিখুন— "I AM VALUABLE" 💎 #KnowYourWorth #NotAnOption #SelfLove #RelationshipAdvice #BanglaMotivation #MoveOn #Priority #MotivationalQuotesBangla #Kolkata #Dhaka 🔒 Disclaimer: This post is created for Motivational/inspirational/ information purposes only. Do not copy our post otherwise legal action will be taken.

photo content

যারা তিন থেকে পাঁচ লক্ষ টাকার মধ্যে ইউরোপের সেনজেন কান্ট্রিতে যেতে চান তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা । ২৩ শে জানুয়ারি রাত ৯ টায় আসলে কি হবে : আজকের লাইভ ক্লাসে আমি বলেছি ইউরোপের চারটা কান্ট্রি যেখানে খুব কম খরচে আপনারা স্টুডেন্ট ভিসায় যেতে পারবেন । কোন IELTS লাগবে না । আপনারা ইতিমধ্যে জানেন আমরা সরাসরি কোন ক্লায়েন্টের কাজ করি না, কিংবা খুব কম করি। আমরা আমাদের স্টুডেন্টদের অ্যাপ্লিকেশন করা শেখায় , কিন্তু যেহেতু অ্যাপ্লিকেশন ডেটলাইন খুব কাছাকাছি । ( ফেব্রুয়ারির ২০ তারিখ, এবং মার্চের ১২ তারিখ ) সুতরাং এত অল্প সময়ের মধ্যে আপনাদের শিখিয়ে আপনার অ্যাপ্লিকেশন করতে পারবেন না । সুতরাং আমরা নিজ দায়িত্বে কিছু মানুষের অ্যাপ্লিকেশন করে দেয়ার চিন্তা-ভাবনা করেছি । যেহেতু আমাদের হাজার হাজার মানুষ নক করেন সুতরাং আমরা সত্যিকারের এপ্লিকেন্ট খুঁজে বের করার জন্য ২৩ জানুয়ারি রাত 9 টায় একটা রেজিস্ট্রেশন লিংক দিব, রেজিস্ট্রেশন করতে বিকাশে ৫০০ টাকা লাগবে । ( উল্লেখ্য যারা আমাদের বুট ক্যাম্প ক্যাম মেম্বার তাদের কোন রেজিস্ট্রেশন ফ্রি দিতে হবে না ) ২৩ জানুয়ারি রেজিস্ট্রেশন শেষ হলে আগ্রহী এপ্লিকেন্টদের নিয়ে ২৭ জানুয়ারি রাত ৯ টায় জুম এপস এর মাধ্যমে একটা প্রাইভেট ডিসকাশন ক্লাস করানো হবে । এই ক্লাসে ইউরোপের এই চারটা দেশের সুবিধা অসুবিধা, টোটাল কত টাকা খরচ হবে, কার জন্য কোন দেশে এপ্লাই করা ভালো হবে, ইত্যাদি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলাপ আলোচনা করা হবে । এতে করে আপনারা নিজেরা সিলেক্ট করতে পারবেন আপনার জন্য কোন দেশে এপ্লাই করা যুক্তিযুক্ত হবে । এরপরে পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যারা আগ্রহী তাদেরকে সরাসরি আমাদের অফিসে অ্যাপয়েনমেন্ট দেওয়া হবে এবং ডকুমেন্ট রিসিভ করা হবে । ২৩ তারিখে শুধুমাত্র তারাই রেজিস্ট্রেশন করবেন যাদের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ এর মধ্যে । যারা ব্যাচেলরে যেতে চান তাদের ইন্টারমিডিয়েট পাশ হতে হবে , যারা মাস্টার্সে যেতে চান তাদের ব্যাচেলর কমপ্লিট থাকতে হবে, আর যারা পিএইচডিতে অ্যাপ্লাই করতে চান তাদের মাস্টার্স কমপ্লিট থাকতে হবে । চারটা দেশের মধ্যে দুইটা দেশে স্টাডি গ্যাপ এলাও করে ‌। এই পোস্টটা কমেন্টে দেওয়া আমাদের যে ফেসবুক গ্রুপ রয়েছে সেখানে সবাই পোস্ট করুন ।

কিভাবে বুঝবেন আপনি 'ওভারপ্যারেন্টিং' বা বাচ্চাকে অতিরিক্ত শাসন/যত্ন করছেন কিনা৷ • ১. বাচ্চার সব সমস্যার সমাধান আপনি করে দেন: বাচ্চা কোনো ছোট সমস্যায় পড়লে বা কারো সাথে ঝগড়া করলে আপনি নিজেই তা মিটিয়ে দেন। এতে বাচ্চা নিজে থেকে সমস্যা সমাধান করতে শেখে না। ২. ব্যর্থতাকে ভয় পাওয়া: আপনি যদি বাচ্চার ছোটখাটো ভুল বা কম নম্বর পাওয়াকে বড় বিপর্যয় মনে করেন, তবে বাচ্চা ঝুঁকি নিতে ভয় পাবে এবং মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে। ৩. সবসময় তদারকি করা: বাচ্চা কখন কী করছে, কার সাথে মিশছে—সবসময় গোয়েন্দার মতো নজর রাখা। এতে তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের অভাব তৈরি হয়। ৪. অতিরিক্ত ব্যস্ত রুটিন: বাচ্চার সারাদিনের প্রতিটি মুহূর্ত পড়াশোনা বা এক্সট্রা কারিকুলাম দিয়ে ভরে রাখা। তাদের নিজেদের মতো চিন্তা করার বা অলস সময় কাটানোর সুযোগ না দেওয়া। ৫. ফলাফলকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া: বাচ্চার পরিশ্রম বা শেখার চেয়ে পরীক্ষায় কত নম্বর পেল বা ট্রফি জিতল কি না—সেটিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া। ____ বাচ্চাকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করার উপায়: ভুল করতে দিন: বাচ্চাকে ছোটখাটো ভুল করতে দিন এবং সেই ভুল থেকে সে কী শিখল তা নিয়ে আলোচনা করুন। এটি তাকে ভবিষ্যতে বড় বাধা সামলাতে সাহায্য করবে। ফলাফলের চেয়ে প্রচেষ্টাকে গুরুত্ব দিন: সে জিতেছে কি না তার চেয়ে বড় কথা সে কতটা চেষ্টা করেছে। তার পরিশ্রমের প্রশংসা করুন। নিজে সমাধান না করে পথ দেখান: কোনো সমস্যায় পড়লে তাকে সরাসরি উত্তর না দিয়ে প্রশ্ন করুন— "তোমার কী মনে হয় এটা কীভাবে ঠিক করা যায়?" এতে তার চিন্তাশক্তি বাড়বে। ঘরের কাজে যুক্ত করুন: ছোটবেলা থেকেই ঘরের ছোট ছোট দায়িত্ব (যেমন: নিজের খেলনা গোছানো বা খাবার টেবিল গোছানো) দিলে তাদের মধ্যে দায়িত্ববোধ তৈরি হয়। তাদের কথা মন দিয়ে শুনুন: বাচ্চার আবেগ বা ভয়কে উড়িয়ে দেবেন না। তাদের কথা মন দিয়ে শুনলে তারা নিজেদের মূল্যবান মনে করে, যা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। • বাচ্চাকে জীবনের কঠিন পথ থেকে বাঁচানোর চেষ্টা না করে, বরং তাকে কঠিন পথ চলার মতো শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তোলাই হলো আসল অভিভাবকত্ব। _____ সূত্র: সিএনবিসি কৃতজ্ঞতা: ড. জেনিফার ওয়ালেস

মানসিক চাপে কম ভোগেন। নতুন বছরে অভিযোগ কমিয়ে প্রাপ্তিগুলিকে গুরুত্ব দেওয়ার এই অভ্যাসটি আপনার জীবন দর্শনে এক আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসবে। . সুস্থ থাকার সংকল্প কেবল ক্যালেন্ডারের পাতায় সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। উপরের ১৫টি উপায় যদি আপনি প্রাত্যহিক জীবনের অংশ করে নিতে পারেন, তবে ২০২৬ সাল হবে আপনার জীবনের অন্যতম সেরা একটি বছর। আজ থেকেই ছোট একটি পদক্ষেপ নিন। হয়ত সেটি এক গ্লাস বাড়তি পানি পান করা বা ১০ মিনিট হাঁটা। এই ছোট পদক্ষেপটিই আপনাকে পৌঁছে দেবে এক বিশাল সাফল্যের শিখরে।