1 996
المشتركون
+124 ساعات
+37 أيام
+430 أيام
أرشيف المشاركات
1 996
কিছু অসাধারণ বিজনেস অনলাইন টুল যা আপনার বিজনেস কে কিলার বানাই দিবে xD পোস্ট সেভ করে রাখেন পরে কাজে লাগবে ।
একদম এক ক্লিকেই আপনার বিজনেস সাইট বানাতে এই সাইট সবচেয়ে বেশী কাজে দিবে । সাইটঃ https://www.squarespace.com/
অনেক সোস্যাল একাউন্ট খুলতে হয় । যার দরুন আপনি ভুলে যান কোনটায় কি পাসওয়ার্ড দিসেন । যাতে না ভুলেন তার জন্য একটা ভল্ট ইউজ করতে পারেন । লিঙ্কঃ https://www.lastpass.com/
জানতে চান আপনার সময় কিভাবে নষ্ট হয় ? বা কি করে কাটান তাহলে https://www.rescuetime.com/ এ যান
ডিজাইন না করলে কিসের বিজনেস ? ডিজাইন আপনার বিজনেস কে আরো বেশী গ্রোথ দিবে তার জন্য https://snappa.com/ ইউজ করতে পারেন এখানে কাস্টম টেম্পলেটস পাবেন
অনেক সময় গুগলের ছবি ডাউনলোড করতে সমস্যা হয় অথবা তাদের কপিরাইট বা ট্যাগ আসে তার সমস্যা সমাধানে আছে https://unsplash.com/
মারাত্নক অসাধারণ আম্যাজিং গ্রাফিক্স ডিজাইন করতে চান ? কিন্তু ফটোশপ খুলতেই পারছেন না? চিন্তা নেই । আপনার জন্য আছে https://pablo.buffer.com/
যেকোনো কিছু এক্সপ্লেইন করতে https://evernote.com/products/skitch ইউজ করেন । তাদের অ্যাপ ইউজ করে আপনি যা স্ক্রিনশট তুলসেন তা এক্সপ্লেইন করে মানুষ কে পাঠান ।
এখন আর মানুষ ছবি দেখেনা । দেখলেও ছবি দেখে ইন্টারেস্ট জাগেনা তাই প্রমো ভিডীও বানান । https://promo.com/ এ ১৫ সেকেন্ডের সেরা প্রমো বানান টেম্পলেটের মাধ্যমে
কাস্টম মার্কেটিং এর ভিডিও বানাতে https://animoto.com/
আপনার লেখা পোস্ট কে ভিডীও তে রূপান্তরিত করতে https://lumen5.com/
সবার আগে চলে যান দৌড়ে https://www.powtoon.com/ ব্যাবহার করে । কারণ এটাই আপনি এনিমেটেড বিজনেস ভিডিও বানায়ে প্রমোট করতে পারবেন
https://business.facebook.com/latest/home?nav_ref=bm_nav_card_redirect&asset_id=102219294800347 এটা হচ্ছে ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজার । এটা আপনার ফেসবুক ইন্সটার সব বিজনেস ম্যানেজ করতে হেল্প করবে
https://ads.google.com/home/ এটা আপনাকে হেল্প করবে অ্যাড বানাতে
গুগলে আপনার প্রোডাক্টস এর বিজ্ঞাপন দিতে https://www.google.com/retail/solutions/performance-max/
আপনার বিজনেস কে ভিজ্যুওয়ালাইজ করেন https://www.lucidchart.com/pages/ দিয়ে
1 996
একদা বাগদাদের বাদশাহ এর ছিল দুইজন কন্যা। এই দুই রাজকন্যা ছাড়া তার ছিলনা কোন রাজপুত্র। রাজকন্যা দুজন ছিল বাদশা এর অনেক অনেক আদরের।
সবসময় দুই রাজ কন্যার জন্যে দশ পনেরো জন দাসী প্রস্তুত থাকতো। কখন কোনো রাজকন্যার কি দরকার হবে আর তারা হুকুম পালন করবে। দুই রাজকন্যারই একটা করে বিড়াল ছিলো।
বিড়াল দুটো ছিলো তাদের সবসময় এর সাথী। তারা খেতে বসলে এমনকি ঘুমাতে গেলেও ঐ বিড়াল দুটো সাথে সাথে থাকত। তো দেখতে দেখতে দুই রাজকন্যাই একসময় বড় হয়ে গেলো।
তারা বিবাহ উপযুগি হয়ে গেলো। তারপর বাদশাহ এর চিন্তা বাড়তে লাগল, কারন এই দুই রাজকন্যার জামাইদের উপরেই তার এই বিশাল রাজ্যের দায়িত্ত দিয়ে যেতে হবে।
সুতারাং এমন যোগ্য দুজন ছেলে খুজে বের করতে হবে। যারা এই গুরু দায়িত্ব ভালো ভাবে পালন করতে পারবে।
সারা রাজ্যে অনেক খোজাখুজি করে এমন দুইভাই পাওয়া গেলো যাদের কাছে রাজকন্যাদের বিয়ে দেয়া যায় বলে বাদশাহ এর মনে হল। তারপর অনেক ধুমধাম করে বিয়ে হল দুই রাজকন্যার একসাথে।
অতঃপর বাদশাহ দুই মেয়ে জামাইকে সমান ভাবে রাজ্যের দায়িত্য ভাগ করে দিলেন। এরপর দুই ভাই রাজ্য চালনা নিয়ে অনেক ব্যাস্ত হয়ে পরলো। দুইজনের অনেক দিন দেখা সাক্ষাত নেই।
হঠাত করেই রাজ্যের একটা বড় অনুষ্ঠানে দুই ভাই এর দেখা হয়ে গেলো। তারপর দুইজনই আবেগে আপ্লুত হয়ে পরলো এতদিন পরে ভাইএর সাথে দেখা এই জন্যে।
তারপর অনেক কথায় কথায় ছোট ভাই জিজ্ঞাসা করলো তাদের বৌ মানে রাজকন্যাদের কথা। তখন বড় ভাই বলল হুম, বড় রাজকন্যা তাকে অনেক সমীহ করে চলে।
তার কোন কাজই করা লাগে না। ইত্যাদি ইত্যাদি। এইসব শুনে ছোটভাই বলল ছোট রাজকন্যা তার কোন যত্নই করে না। সবসময় রাগা রাগি করে এমনকি মাঝে মাঝে গায়েও হাত তুলে।
তখন বড় ভাইকে জিজ্ঞাসা করল কিভাবে রাজকন্যাকে বশ করল? তখন বড় ভাই বলল, রাজকন্যার বিড়ালের কথা।ছোট ভাই বলল হ্যাঁ ওই বিড়ালকে তো আমার চাইতেও বেশি যত্নে রাখে।
বড়ভাই বলল, হ্যাঁ, প্রথম দিন বাসর রাতে ঘরে ঢুকেই আমি একটা তরবারি দিয়ে ওই বিড়ালের ওপরে দিলাম এক কোপ। ব্যাস একবারে দুইভাগ।
এই ঘটনায় বড় রাজকন্যা ভাবলো আমি মনেহয় অনেক বড় কোন বীর, এরপর থেকেই সে আমাকে অনেক সমীহ করে চলে। তো এই কথা শুনে ছোটভাই মনে মনে ভাবলো ঠিক আছে আজকে বাড়ী ফিরেই বিড়ালের জীবন নাশ করা লাগবে।
তারপরে আবার অনেকদিন পরে দুই ভাই এর দেখা। এবার ছোট ভাইএর শরীরে অনেক কাটা দাগ। বড়ভাই জিজ্ঞাসা করলো কি খবর কোন যুদ্ধে আহত হয়েছিলে নাকি?
ছোটভাই বলল, না ভাই তোমার ঘটনা শুনে আমি ওইদিন বাসায় গিয়ে তরবারি নিয়ে এক কোপে বিড়ালটাকে দুইভাগ করে দিলাম।
কিন্তু আমার বেলায় ঘটনা উলটো হল।আমাকে এর শাস্তি সরূপ একমাস কারাবন্দি আর অত্যাচার ভোগ করা লাগলো। তখন বড়ভাই বলল, বিড়াল বাসর রাতেই মারতে হয়, পরে মারলে কোন লাভ নাই।
প্রকৃতপক্ষে বাসর রাতে বিড়াল মেরে কিছু হয়না। এগুলো শুধুই গল্প কথা…. এর সাথে ইসলামের দূরতমও কোন সম্পর্ক নেই।
1 996
How To Do LUCID DREAM!!❤️🔥💥
লুসিড ড্রিম সম্পর্কে অনেকেই জানে। কিন্তু অনেকেই জানেনা,এই লুসিড ড্রিম কতোটা যে উপকারী আমাদের জন্য।🌻
🔰লুসিড ড্রিমিং করে বিজ্ঞানী নিউটন, নিকোলা টেসলা, আইনস্টাইন অনেক কিছুর সমাধান পেতেন। যাদের জন্য আজকের এই আধুনিক বিজ্ঞাণ।
🔰আমরা জানি যে ব্রেন কখনোই ইমাজিনেশন আর রিয়েলিটি এর মাধ্যমে পার্থক্য বুঝতে পারেনা। তাই স্বপ্ন গুলো খুবই রিয়েল মনে হয় আমাদের।
কেমন হয় যদি এই রিয়েল ড্রিম গুলোকে নিজের মতো করে সাজানো?
➡️হ্যা এটাই লুসিড ড্রিমিং। স্বপ্নে আপনি দৌড়াতে পারবেন, উড়তে পারবেন, যা ইচ্ছা তা করতে পারবেন। আপনি সম্পূর্ণ ভাবে কনসিয়াস স্টেট এর স্বপ্ন কে ধরে ফেলবেন।
🔰লুসিড ড্রিম এর মাধ্যমে আপনি অনেক স্কিল ডেভলপ করতে পারেন। এর মধ্যে পাব্লিক স্পিকিং ভয় দূর করা, কনফিডেন্স বৃদ্ধি করা, ভৌতিক ভয় দূর করা, বাস্কেট বল স্কিল ডেভলপ অথবা যেকোন স্পোর্টস এছাড়াও অনেক কিছু।
তো এই লুসিড ড্রিমিং টা যেভাবে করবেন!
🌻১) প্রথম যেদিন শুরু করবেন পুরো প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হবেন যে সফল হয়েই ছাড়বো। ১ -২ মাস পর্যন্ত প্রতিজ্ঞা যেনো থাকে।
🌻২) প্রথম ২১ দিন এর জন্য আপনার আর আরামে ঘুমাতে হবেনা। রাত ২ টা ৩০ এর এলার্ম দিয়ে রাখবেন তারপর তখন ঘুম থেকে উঠে স্বপ্ন নোট এ লিখবেন। পরবর্তী স্কেজুয়েল বিকাল ৫ টার এলার্ম দিবেন আর তখন ডায়রি তে স্বপ্ন লিখবেন।
🌻৩) তারপর থেকে ঘড়ি দেখবেন। একবার ঘড়ি দেখলে ১-২ সেকেন্ড পর আবার ঘড়ি দেখবেন।
এতে আস্তে আস্তে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন যখন তখন স্বপ্নেও ঘড়ি দেখবেন। স্বপ্নের ঘড়ি খুব অদ্ভুত ভাবে চেঞ্জ হয়ে যাবে যখন আপনি ১-২ সেকেন্ড পর অভ্যাসের মতোই ঘড়ি দেখবেন। তখন আপনার মনে হয়ে যাবে আপনি স্বপ্নে আছেন। স্বপ্ন কন্ট্রোল করছেন।
🌻৪) ঘুমানোর আগে ব্রেদিং মেডিটেশন করেনিবেন।
( ৯ বার নাক দিয়ে ৯ বার মুখ দিয়ে ৫ বার নাক দিয়ে ৫ বার মুখ দিয়ে)
এসব হচ্ছে লুসিড ড্রিমিং করার কিছু ব্যাসিক নিয়ম।লুসিড ড্রিমিং নিয়ে বিস্তারিত জানতে এবং নিজকে লুসিড ড্রিমার বানতে এক্ষুনি এনরোল করুন আমাদের লুসিড ড্রিমিং কোর্স।
যা পাচ্ছে এখন ৫০% ছাড়ে!!!!😲🤗( সময় সীমিত)
🔰ইনবক্স করুন Parapsychology পেইজে!!
1 996
"লোকের কানে যেসব কথা ভাল শুনায় সে সব কথা সাধারণত আমার মুখে বাহির হয়না। মুখরোচক বোলচাল ঝাড়া আমার পক্ষে অসম্ভব।
সত্য জিনিসটা সনাতনও নয় সার্ব্বজনিকও নয়। আমি সত্যকে ব্যক্তিগত প্যাটেন্ট সমঝিতে অভ্যস্ত। এ চিজ হইতেছে যার যার নিজ রক্তমাংসের অভিজ্ঞতারই প্রতিমূর্তি।
কাজেই আমার নিকট যে বস্তুটা চরম সত্য সে বস্তুটা আপনাদের নিকট পরম আহাম্মুকি হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। আমি আপনাদেরকে আমার মতামতের স্বপক্ষে টানিয়া আনিবার জন্য কোনো মতলব আটি নাই। আমি আমার নিজ বক্তব্য আওড়াইয়া যাইব মাত্র। আপনারা বিবেচক, পরীক্ষক ও সমজদার।"
- বিনয়কুমার সরকার
1 996
আজকের আয়াত/হাদীস
পবিত্র কুরআন মাজীদে আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
এবং মুমিন নারীদের বল, তারা যেন তাদের দৃষ্টি অবনত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে এবং নিজেদের ভূষণ অন্যদের কাছে প্রকাশ না করে, যা আপনা আপনিই প্রকাশ পায় তা ছাড়া। এবং তারা যেন তাদের ওড়নার আঁচল নিজ বক্ষদেশে নামিয়ে দেয় এবং নিজেদের ভূষণ যেন স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভাই, ভাতিজা, ভাগিনেয়, আপন নারীগণ, যারা নিজ মালিকানাধীন, যৌনকামনা নেই এমন পুরুষ খেদমতগার এবং নারীদের গোপনীয় অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ বালক ছাড়া আর কারও সামনে প্রকাশ না করে। মুসলিম নারীদের উচিত, ভূমিতে এভাবে পদক্ষেপ না করা, যাতে তাদের গোপন সাজ জানা হয়ে যায়। হে মুমিনগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর কাছে তাওবা কর, যাতে তোমরা সফলতা অর্জন কর।
রেফারেন্সঃ
সূরা আন-নূরঃ ৩১
সূত্রঃ তাফসীরে তাওযীহুল কুরআন
পাদটীকাঃ
এ আয়াতে নারীদেরকে হুকুম করা হয়েছে, তারা যেন গায়রে মাহরাম বা পরপুরুষের সামনে নিজেদের গোটা শরীর বড় চাদর বা বোরকা দ্বারা ঢেকে রাখে। যাতে তারা নারীদের সাজসজ্জার অঙ্গসমূহ দেখতে না পায়।
তবে শরীরের এ রকম অংশ যদি কাজকর্ম করার সময় আপনিই খুলে যায় বা বিশেষ প্রয়োজনবশত খোলার দরকার পড়ে, তাতে গুনাহ হবে না । সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ‘যা আপনা আপনিই প্রকাশ পায় তা ছাড়া '।
ইবনে জারীর তাবারী ( রহ .) তাঁর তাফসীর গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ নারী যে চাদর (বা বোরকা) দ্বারা শরীর ঢাকে, এ ব্যতিক্রম দ্বারা সেটাই বোঝানো উদ্দেশ্য, যেহেতু তা আবৃত করা সম্ভব নয়। (অর্থাৎ নারীরা নিজেদের শরীর, শরীরে পরিহিত অলঙ্কার পরপুরুষের সামনে খোলা রাখতে পারবে না। হ্যাঁ, নিজেকে আবৃত করার জন্য যে চাদর বা বোরকা পরা হয়, তা পুুরুষেরা দেখতে পারবে।)
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু ব্যাখ্যা করেনঃ বিশেষ প্রয়োজনে যদি চেহারা বা হাত খুলতে হয়, তবে এ আয়াত তার অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু চেহারাই যেহেতু রূপ ও সৌন্দর্যের কেন্দ্রস্থল, তাই সাধারণ অবস্থায় তা ঢেকে রাখতে হবে। যেমন সূরা আহযাবে (৩৩ঃ৫৯) হুকুম দেওয়া হয়েছে৷
হ্যাঁ, বিশেষ প্রয়োজন দেখা দিলে সেটা ভিন্ন কথা। তখন চেহারাও খোলা যাবে। কিন্তু পুরুষের প্রতি তখন নির্দেশ হল, যেন সে নিজ দৃষ্টি অবনমিত রাখে।
This content is copied from Muslims Day Android App
Download Link: https://play.google.com/store/apps/details?id=theoaktroop.appoframadan
1 996
গোপন গুনাহ এবং পর্নোগ্রাফি থেকে বেঁচে থাকার উপায় নিয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ রিসোর্স...
[ইনশাআল্লাহ আপনার জীবনকে পরিবর্তন করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট হবে]
বই- মুক্ত বাতাসের খোঁজে , আকাশের ওপারে আকাশ , মুক্তি সম্ভব, লজ্জা ঈমানের একটি শাখা, ঈমান পরিচর্যা , গুনাহ মাফের উপায়, গুনাহ থেকে ফিরে আসুন।
লেখা/অডিও/ভিডিওঃ
১) আসক্তি সিরিজ ১
পর্নোগ্রাফি আসক্তি থেকে বাঁচার উপায় (সকল পর্ব একসাথে)
➡️ https://t.me/TasawwufOfficial/644
২) আসক্তি সিরিজ ২
বিকৃত যৌনচার কবিরা গুনাহ (সকল পর্ব একসাথে)
➡️ https://t.me/TasawwufOfficial/773
৩) পর্নোগ্রাফি হস্তমৈথুন থেকে বাঁচার সম্পূর্ণ গাইড লাইন।
➡️ https://t.me/TasawwufOfficial/751
৪) গোপন গুনাহ থেকে বাঁচার উপায়..?
➡️https://t.me/TasawwufOfficial/763
৫) চোখের গুনাহ থেকে সাবধান.
➡️https://t.me/TasawwufOfficial/767
৬) শুধুমাত্র আজকে গুনাহ না করি, আগামীকাল না হয়।
➡️ https://t.me/TasawwufOfficial/775
৭) গুনাহ ছাড়তে না পারার কারণ....?
➡️https://t.me/TasawwufOfficial/776
৮) গোপন গুনাহ থেকে বাঁচার উপায়..
➡️ https://t.me/TasawwufOfficial/777
৯) গুনাহ ত্যাগ করার উপায়..
➡️ https://t.me/TasawwufOfficial/778
১০) পর্নোগ্রাফির ভয়াবহতা ও মুক্তির উপায়।
➡️ https://t.me/TasawwufOfficial/783
১১) যুবক তুমি কি হারাম সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছ...?
➡️ https://t.me/TasawwufOfficial/786
১২) ইবলিস চাই যেভাবে আপনার মৃত্যু হোক...
➡️ https://t.me/TasawwufOfficial/793
১৩) যার অন্তর কঠিন হয়ে গেছে, সে কিভাবে তার চিকিৎসা করবে?
➡️ https://t.me/rokonation/4255
১৪) আল্লাহর আজমত, বড়ত্ব, নিজের ক্ষুদ্রতা নিয়ে বেশি বেশি চিন্তা করা।
১৫) আল্লাহওয়ালাদের সোহবত, তাদের সাথে প্রতিদিন না হলেও মাঝে মাঝে দেখা সাক্ষাৎ করা।
১৬) একাকীত্ব পরিহার করা, বাবা-মা আত্মীয় স্বজন, ভাই বোন দের সাথে বেশি সময় থাকা
১৭) ব্যস্ততাপূর্ণ জীবন পরিচালনা করা। অবসর যেন পেয়ে না বসে কখনোই। ব্যস্ত যত থাকা হবে শয়তান তত গুনাহ করানোর সুযোগ কম পাবে
১৮) সর্বশেষ, মোবাইল এন্ড্রয়েড থেকে বাটনে শিফট হওয়া। মোবাইল ব্যবহার করলেও আশেপাশে বাবা-মা ভাই বোন দের রেখে ব্যবহার করা। ব্যবহার শেষে আম্মু আব্বুর কাছে আবার জমা দিয়ে দেওয়া
১৯) নিজের সদিচ্ছা ও নিয়্যাত যদি থাকে আল্লাহ প্রিয় হওয়ার তবে উপরোক্ত বিষয়ে আশা করি সাহায্য পাবেন নতুবা হাজারো মোটিভেশনেও কাজ হবেনা যদি নিয়্যাত শুদ্ধ না থাকে...
২০) একইগুনাহ হাজারবার হলেও প্রত্যেকবার আগের তুলনায় অধিক নতজানু ও লজ্জিত হয়ে আল্লাহর নিকট তওবা করা। শয়তান যেন তওবা ইস্তেগফার থেকে গাফেল না করে। একইসাথে আল্লাহকে ভয় করা, আল্লাহর প্রতি সুধারণা রাখা যে আল্লাহ তওবা কবুল করবেন। আল্লাহর ক্ষমার ফায়দা নিয়ে স্বেচ্ছায় গুনাহে লিপ্ত না হওয়া।
পরবর্তী সিজনের জন্য চ্যানেলটি ফলো করতে পারেনঃ
➡️ https://t.me/TasawwufOfficial
[পোষ্টটি আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন এবং আপনি মনোযোগ সহকারে পড়লে ইনশাআল্লাহ পরিবর্তন আসবেই]
1 996
"একজন পুরুষ ধ্বং'স হবার ৮টি কারণ According to quran hadith!
১. নেশায় আসক্তি (সিগারেট, মদ-জুয়া ইত্যাদি)
"তোমরা নিজেদের হ''ত্যা কর না"
- (সুরাঃ-নিসা ২৯)
২. কাচা হলুদ ও লাল রঙের কাপড় পরিধান করা। - (মুসলিমঃ ২০৭৭)
৩. পুরুষ হয়েও গোল্ড ব্যবহার করা।
- (ইবনে মাজাহ : ৩৫৯৫,আবু দাউদ -৪০৫৭)
৪. যেসব পুরুষ নারীদের সাজগোজ অনুকরণ করে। নাক-কান ফোড়ানো অর্থাৎ, মহিলাদের চালচলন অনুকরণ করা পুরুষদের জন্য রাসূল (সঃ) এর অভিশাপ।
- (আবু দাউদ : ৪০৯৭, ইবনে মাজাহ :১৯০৪)
৫. সিল্কের পোশাক বা রেশম পোশাক পরিধান করা। - (নাসাঈ : ৫১৪৪)
৬. পুরুষের টাকনুর নিচে প্যান্ট পরা হারাম এবং রাসূল (সঃ) বলেছেন, এটা জাহান্নামি পুরুষের লক্ষ্মণ। - (আবু দাউদ : ৩১৪০)
৭. ইচ্ছাকৃত ভাবে জামায়াতে সালাত আদায় না করা এবং ফরজ সালাতে আদায় অলসতা। কেননা,
"যে ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত ছেড়ে দিলো সে কাফিররের কাজ করলো। - (মুসলিম : ৮২,তিরমিজি : ২৬১৯)
৮. দৃষ্টি সংযত না রাখতে পারা ( খারাপ আর অনর্থক গান শোনা, কিংবা যে মিউজিক ধ্বংসের জন্য রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসেছেন, সে মিউজিক এর সাথে লিপ্ত থাকা। ইসলামি গানের সাথে মিউজিক যুক্ত করা )
"নিশ্চয়ই কান, চোখ ও অন্তকরন এদের প্রত্যেকটির হিসাব দিতে হবে"
- (সূরা বনী ইসরাঈল : ৩৬)
আল্লাহ আমাদের এই সব গুলো বাণী মান্য করার তৌফিক দান করুন-
এবং, আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন, আমিন।
1 996
Law of attraction নিয়ে যে কন্সেপ্ট এবং থিউরি আমরা শুনি তা বেশিরভাগই ভুল।
যেখানে বলা হয় আপনি কোনো জিনিসের ব্যাপারে ১৭ সেকেন্ড একটানা ভাবলে সেটা আপনার কাছে চলে আসবে।
এগুলো সব ভুল, মিথ্যা।
এর পেছনে সাইকোলজি কিভাবে কাজ করে বলি-
যখন আপনি কোনো কিছু পেতে চান, ধরুন একটা লাল গাড়ি, আপনি এক জায়গায় বসে চোখ বন্ধ করে লাল গাড়ি কল্পনা করছেন আর ভাবছেন আপনার কাছে সেটা চলে আসছে, আসবে, আর একটু, এইতো আসছে।
এভাবে ভাবতে থাকেন, মাঝখানে আবার অন্য চিন্তাগুলো আসে, তখন আবার দ্রুত গাড়ির চিন্তাই ফিরে যাই।
আবার এটাও বলা হয়েছে চিন্তা একটানা ১৭ সেকেন্ড হতে হবে, মাঝে অন্য চিন্তা আসলে আবারো সেই ১৭ সেকেন্ড থেকে শুরু করতে হবে।
তখন কি হয়? আমরা পাগলের মত চেষ্টা করতেই থাকি, আর এক সময় মাইন্ড বিরক্ত হয়, আর ছেড়ে দেই। তখন মনে হয় আমার দ্বারা হবে না। বা law of attraction ফালতু এসব।
মাইন্ড কিভাবে কাজ করে? যখন আপনি একটা চিন্তা নিয়ে দিন রাত ভাবতে থাকেন, পাশাপাশি সব কাজ করছেন, কিন্তু সাথে চিন্তাটাও মাথায় চলছে, তখন আপনার মাইন্ড আপনাকে রাস্তা দেখাবে কিভাবে আপনি সেই গাড়ি পেতে পারেন। কিভাবে টাকা আয় করবেন, কিভাবে জমাবেন, কোথায় লোন পাওয়া যায়, কোনটা সস্থায় ভালো, এইসব রাস্তা আপনার মাইন্ড খুজবে, রাস্তায় যখন হাটবেন আপনার চোখ সেই দিকেই যাবে যেখানে লাল গাড়ি আছে এবং সেটা কিভাবে পাওয়া যাবে সেই পথ। এটাই আসল law of attraction.
অর্থাৎ চোখ বন্ধ করে চিন্তা করলেই গাড়ি আসবে না, গাড়ি কিভাবে আনতে হয় সেটার রাস্তা খুজে বের করার জন্য মাইন্ডকে কাজে লাগানোই law of attraction.
1 996
*ব্যক্তিত্ব আকর্ষণীয় ও সুন্দর করার ২০টি টিপস।
লিখেছেন,,,
*মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী হাফিজাহুল্লাহ *
*১। আগে সালাম দিন।*
*২। হাসিমুখে কথা বলুন। দুঃখ কষ্ট চেপে রেখে মুখের হাসি ধরে রাখতে চেষ্টা করবেন।*
*৩। বেশি শুনবেন, কম বলবেন।*
*৪। তামাশার ছলেও কখনো মিথ্যা বলবেন না।*
*৫। ভুল হলে বিনয়ের সাথে ক্ষমা চেয়ে নিন বা দুঃখ প্রকাশ করুন।*
*৬। অকারণে বেশি হাসি বা ঠাট্টা মশকরা করবেন না।*
*৭। ধীরে ধীরে বুঝিয়ে কথা বলুন।*
*৮। আগে অন্যের কথা শুনুন, তারপর নিজে বলুন।*
*৯। কোনো বিষয়ে তর্কে জড়াবেন না। মনে রাখবেন, তর্কে জিতা নয় বরং তর্কে না জড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ।*
*১০। কারো কাছে নিজেকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন না।*
*১১। ধৈর্য ধরে রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।*
*১২। কেউ ভুল করলে ক্ষমা করুন। অন্যের দোষ ঢেকে
রাখুন। মানুষের প্রতি সুধারণা রাখুন।*
*১৩। ছোট বড়ো সবাইকে প্রাপ্য সম্মান দিন।*
*১৪। কথা দিয়ে কথা রাখবেন।*
*১৫। পোশাকে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন, সম্ভব হলে সুবাসিত রাখতে চেষ্টা করবেন।*
*১৬। পারলে খাওয়ান, জোর করে খাবেন না। অন্যের জিনিসে লোভ করবেন না।*
*১৭। খাবার সামনে এলে আগে অন্যকে দিন। সুযোগ সুবিধা নিজে না নিয়ে অন্যদের দিয়ে দিন।*
*১৮। মুখ ও শরীর দুর্গন্ধমুক্ত রাখুন। আপনার যা কিছুই আছে, পরিচ্ছন্ন পরিপাটি রাখুুন।*
*১৯। চরিত্র ও নৈতিকতা উন্নত রাখুন। নিজের অপারগতার কথা কাউকে জানাবেন না। প্রার্থনায়, সাজদায় পড়ে শুধু আল্লাহকেই বলুন।*
২০। আচার ব্যবহারে বিনয়, ভদ্রতা ও নম্রতা বজায় রাখুন।*
*ইনশাআল্লাহ, ব্যক্তিত্ববান বলে গণ্য হবেন।
মানুষের শ্রদ্ধা সম্মান সমীহ ও ভালোবাসা লাভ করবেন।
রব্বে কারীম! আমাদের সকলকে বুঝার এবং আমল করার তাওফিক দান করুন । আমীন।
1 996
১. প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন। ত্বকের আর্দ্রতা আপনার ত্বকের ফাটা দাগ দূর করতে সাহায্য করবে।
২. প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণে প্রোটিন-জাতীয় খাবার যেমন মাছ, ডিমের সাদা অংশ, দই, বাদাম, সূর্যমুখীর বীজ ও তরমুজের বীজ খাবেন। এগুলো আপনার ত্বককে জলযোয়িত রাখবে। শরীরের ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়তা করবে।
৩. ভিটামিন ‘ই’ তেল স্ট্রেচ মার্ক দূর করতে বেশ কার্যকর। তাই কোনো ওষুধ ব্যবহার না করে মার্কের ওপর দিনে দুবার ভিটামিন ‘ই’ তেল ম্যাসাজ করুন।
৪. লেবুর রসে রয়েছে স্ট্রেচ মার্ক দূর করার অসাধারণ ক্ষমতা। একটি তাজা লেবুর রস চিপে স্ট্রেচ মার্কের ওপর লাগিয়ে রাখুন। দেখবেন দ্রুত স্ট্রেচ মার্ক দূর হয়ে যাবে।
৫. গ্লাইকলিক এসিডযুক্ত বিভিন্ন বিউটি পণ্য যেমন টোনার, ক্লিনজার ও ময়েশ্চারাইজার ইত্যাদি ব্যবহার করুন। এই এসিড ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
৬. ভিটামিন-সি-সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করুন। দিনে তিনবার ফাটা দাগের ওপর ম্যাসাজ করুন। ভিটামিন-সি-সমৃদ্ধ ক্রিম না পেলে সাপ্লিমেন্টও নিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্টটি দিনে তিনবার খেতে হবে।ৎ
1 996
আলহামদুলিল্লাহ, আমি বর্তমানে PARIS এ আছি, তাই আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতেছি, হয়তো আপনার কাজে আসতে পারে।
আপনারা যারা ইউরোপ বা অন্য কোনো দেশে আসবেন বলে চিন্তা করতেছেন তারা এই জিনিস গুলো মাথায় রাখবেন, আমি মাএ ৪-৫ টা পয়েন্ট বলবো যা অনেক গুরুত্বপূর্ণ,
(১) ভাষা
(২) লিগাল ডকুমেন্টস
(৪) সবস্তরের মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার
(৫) অন্তত একটা কাজের অভিজ্ঞতা
(৬) ধৈর্য ও মনোবল
[ ভাষা হচ্ছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ, আপনি যদি কোনো দেশে আসবেন বলে চিন্তা করতেছেন তাহলে সেই দেশের খুটিনাটি আর গুরুত্বপূর্ণ শব্দ আয়ত্ত করে নিতে পারেন, আপনি যে ভাষা শিখতে চান তা অনলাইনে পেয়ে যাবেন, আমার নিজের দেখা অনেক বাংলাদেশিরা এইখানে এসেই কাজের জন্য সারা শহর চোটে বেড়ায়, ভাষা জানা নেই তাই মালিক পক্ষ কাজে নেয়না, তাই যারা ভাষা না জেনে চলে এসেছেন তাদের ও অনেক শুজোগ আছে, যদি প্যারিসে কেউ ভাষা শিখতে চান বাইলেন আমি ভালো ভাষা শিক্ষা ফ্রি স্কুল বলে দেবো।
[ লিগাল ডকুমেন্টস সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ, অনেকেই আছে এমন যে তারা স্টুডেন্ট বিসায় বা বাই রোড, হয়ে এক দেশ হতে অন্য দেশে চলে আসেন কিন্তু আপনি বর্তমানে যেই দেশে আছেন সেই দেশের কোনো লিগাল ডকুমেন্টস নেই, এইগুলা মোটেও করবেন না ভাই, আপনি বৈধ বা অবৈধ যেভাবেই হোক আসেন না কেনো, আপনি সর্বপ্রথম বৈধতার জন্য কাজ করবেন, আমার অনেক ভাই এইগুলা দেশে এসেই লিগাল ডকুমেন্টস এর প্রতি গুরুত্ব না দিয়ে কাজের জন্য লেগে যায়, একদমই এমনটা করা যাবেনা, আপনার যদি একবার লিগাল ডকুমেন্টস হয়ে যায় তাহলে আপনি মাসে ১-২ গুণ বেশি ইনকাম করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ,
[ ভালো ব্যাবহার, অবশ্যই আপনার ব্যবহার ভালো করতে হবে, এইগুলো দেশে অনেক জিনিস অপেনলি হয়ে তাকে অবশ্যই আপনি এইগুলো এরিয়ে চলতে হবে, যেমন : ময়লা ডাস্টবিন চারা অন্য কোতাউ ফেলতে পারবেন না,যেখানে সেখানে থুতু ফেলতে পারবেন না, পাবলিক রাস্তায় বা গাড়িতে চেলে মেয়ে মজা করতেছে তাদের দিকে হা করে তাকিয়ে তাকতে পারবেন না, অবশ্যই পরিচিত কাউকে দেকলে সুভ সকাল বা সুভ রাএি এইগুলা বিনিময় করবেন, আর হা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো কারো সাথে ধাক্কা এমন অন্য কিছু হলে সাথে সাথে সরি বলা।
[ কাজ শিকা অনেক ভালো, আপনি যদি একন বাংলাদেশে হন তাহলে আপনার উচিত একটা কাজ শিকে আসা, একটা কাজ জানা তাকলে ওইটা অনেক কাজে আসবে, আর যদি আমনি কোনো কাজ না জেনেই অলরেডি চলে আসেন। তাহলে আমার পরামর্শ হলো আপনি আপনার একটু সময় কয় করে একটা কাজ শিকে তার পরে কাজে লাগা, আর তা বাংলাদেশে আছেন এমন অনেকেই বলবেন ভাই কি কাজ শিকে আসলে ভালো হয়? আমি বলবো রেস্টুরেন্টের সেফ এর কাজ শিকে আসোন, পারলে ভালো বাংলাদেশেই বাহিরের দেশের সেফ এর কাজ শিখানো হয় তারা সার্টিফিকেট ও দেয়।
বাকি আরো অনেক খুটিনাটি জিনিস আছে অন্য দিন লিখবো ইনশাআল্লাহ
আর হা আমি বাংলা তেমন লিখতে পারিনা, ভোল বানানের জন্য গালি বা খারাপ মন্তব্য করবেন না দেয়া করে,🙏
1 996
কেন বই পড়বেন?
বই পড়ার মত ২৫টি কারণ, কমেন্টে জানান কোনটি আপনার বই পড়ার কারণ -
১। দুঃশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে।
২। সহজেই বর্তমান, অতীতের সময়ে যাবার জন্য।
৩। নিজের কল্পনাশক্তি বৃদ্ধির জন্য। (আইনস্টাইন বলেছেন, "চিন্তাশক্তি জ্ঞানের থেকেও গুরুত্বপূর্ণ।"
৪। অন্যের দৃষ্টিকোণ থেকে পৃথিবী দেখতে।
৫। নতুন কিছু জানতে বা শিখতে।
৬। নিজের বাইরে অন্যের চিন্তাশক্তি ব্যবহার করতে বা বুঝতে।
৭। নতুন শব্দ শিখতে বা পুরোনোগুলো মনে রাখতে।
৮। মন খুলে হাসতে।
৯। মনকে শান্ত করতে।
১০। জেগে থেকেও স্বপ্ন দেখতে।
১১। নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করার জন্য সঠিক বাক্য বা শব্দ পেতে।
১২। ঘরের বাইরে না গিয়েও পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত ভ্রমণ করতে।
১৩। ডিজিটাল ডিভাইসগুলো থেকে লম্বা সময় দূরে থাকতে।
১৪। পুরোনো স্মৃতি মনে করতে।
১৫। সামনাসামনি দেখা না করেও নতুন মানুষদের সম্পর্কে জানতে।
১৬। নিজেকে উদ্ধুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করতে।
১৭। বাচ্চাদের কাছে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে।
১৮। অন্যের জবানিতে নিজের জীবনের মিল খুঁজে পেতে।
১৯। নতুন দিগন্ত ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গী পেতে।
২০। বাচ্চাদের বইয়ের ম্যাজিকের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে।
২১। নিজের নিঃসঙ্গতা দূর করতে।
২২। পৃথিবীর বিখ্যাত সব মানূষদের জানতে ও তাদের মতাদর্শ জানতে।
২৩। নিজেকে ভালোভাবে জানতে।
২৪। নিজের ভিতরে সহমর্মিতা জাগাতে।
২৫। ভালভাবে ঘুমানোর জন্য।
1 996
#কিভাবে_নন_জাজমেন্টাল_বিহেভিয়ার_ডেভেলপ_করা_যায়
"Be curious, not judgmental"- Walt Whitman.
আমরা প্রত্যেকেই জাজমেন্টাল।
হ্যাঁ, আমি, আপনি, আমরা প্রত্যেকে। এটি মানুষের একটি প্রাকৃতিক স্বভাব। যদিও মানুষের স্বভাব জাজমেন্টাল হওয়া তারপরেও এটি সবসময় প্রয়োজনীয় নয়। বরং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অপ্রয়োজনীয়।জাজমেন্টের ফলে আমরা অন্য মানুষকে আমাদের চেয়ে খারাপ অবস্থানে দেখি যার ফলে মানুষের মধ্যে বৈষম্য তৈরি হয়।
অনেক সময় আমরা একটা মানুষকে না জেনে শুধুমাত্র তাদের দেখে জাজ করে ফেলি। আমরা ভাবি না মানুষটা কোন পরিস্থিতি তে দাড়িয়ে আছে, তার মানসিক অবস্থা কি, কতটা খারাপ সিচুয়েশানের মধ্য দিয়ে সে যাচ্ছে। আমরা এটাও ভাবি না আমাদের জাজমেন্ট সঠিক কি ভুল!
আবার আমরা আমাদের পরিচিত মানুষদের নিয়েও জাজ করি। তাদের কোনো কাজ হয়তো আমরা দেখি, তাদের প্রতি রাগ বা অসন্তোষ হয়ে আমরা জাজ করি। এক্ষেত্রেও আমরা মানুষটাকে বোঝার চেষ্টা করিনা। বুঝতে হলে মানুষটার সঙ্গে কমিউনিকেট করতে হয়। কমিউনিকেশন এবং বোঝার মধ্যে একটা যোগসূত্র আছে। এই যোগসূত্র স্থাপনের জন্য দরকার সময় এবং প্রচেষ্টা।
আমরা কেবল অন্যকে জাজ করি তা নয়, আমরা নিজেদেরকেও জাজ করি। জাজ করার চর্চা বরং নিজেকে করেই হয়ে থাকে। তাই নিজেকে যত কম জাজ করবো, অন্যের প্রতিও তত সহনশীল হবো।
♦কিভাবে নিজের প্রতি নন জাজমেন্টাল থাকা যায়?
অন্যকে জাজ করার পাশাপাশি আমরা নিজেকেও অনেকটা জাজ করি। এই কাজটা কেন করলাম, এটা ভুল করেছি, ওটা না করলে ভালো কিছু হতো প্রতিনিয়ত আমরা নিজেদেরকে এভাবে জাজ করতে করতে থাকি বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন করে। এসব ভেবে কিন্তু আদতে কোনো সাহায্য হচ্ছেনা বরং একটা কাজের জন্য নিজেকে বারবার শাস্তি দেয়ার মতন হয়ে যায়। সবার আগে আমাদের নিজেদের প্রতি দায়িত্ববান হতে হবে যাতে এসব অপ্রয়োজনীয় জাজমেন্ট থেকে বিরত থাকতে পারি। তার জন্য আমাদেরকে একটু ভিন্নভাবে চিন্তা করতে হবে এবং বলতে হবে। যেমন-
★"আমি অনেকটা সময় নষ্ট করে ফেলেছি" এটার পরিবর্তে আমরা বলতে পারি "যে সময়টা এখনও বাকি আছে তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ"।
★"আমি ব্যর্থ হয়েছি" এর পরিবর্তে বলতে পারি "আমি আমার ভুল গুলো খুঁজে পেয়েছি"।
★"কাজটি পারফেক্ট হয়নি" এটার পরিবর্তে ভাবতে পারি "পরবর্তী সময়ে আমি আরো ভালোভাবে কাজটি করবো"।
★" আমি খুবই খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি " না বলে বলতে পারি "ভালো সময়গুলো সামনে অপেক্ষা করছে"।
★"আমার সামনে এই সমস্যাটি আসছে" না ভেবে ভাবতে পারি "যে সমস্যাই আসুক আমি তা মোকাবিলা করতে পারবো। এটা আমার উন্নতিতে সাহায্য করবে"।
★"এই মানুষটি খারাপ" না বলে বলবো "এই মানুষটির ভালোবাসা প্রয়োজন"।
♦কিভাবে অন্যের প্রতি নন জাজমেন্টাল থাকা যায়?
অন্যের প্রতি জাজমেন্ট কমানোর জন্যেও আমরা কিছু চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন আনতে পারি। যেমন-
১. যেকোনো মানুষ বা অবস্থানকে তাদের মতন করে গ্রহণ করুন:
যখন আপনি একজন মানুষকে তার মতন করে গ্রহণ করবেন এবং বোঝার চেষ্টা করবেন, তখন আপনি কম জাজমেন্টাল মানুষ হতে থাকবেন। প্রত্যেকের জীবন আলাদা, চিন্তাভাবনা আলাদা এই সত্যকে মেনে নেয়ার চেষ্টা করুন।
২. নিজের প্রতি ফোকাসড থাকুন:
যখন আপনি নিজের প্রতি ফোকাসড থাকবেন, নিজের কাজগুলো ঠিকভাবে করবেন তখন অন্যের কাজকর্ম নিয়ে ভাববার প্রবণতা এবং সময় দুটোই কমে আসবে। সব মানুষই ত্রুটিযুক্ত। নিজের জীবনে ফোকাস করুন এতে জাজমেন্টাল মনোভাব কমবে।
৩.প্রত্যেকেরই নিজের মতন করে চলার অধিকার রয়েছে:
মানুষের জীবনে নানান চড়াই উৎরাই থাকে। এগুলো পার করতে করতে মানুষ হাপিয়ে উঠে। তাই প্রত্যেকেরই নিজের মতন জীবন যাপন করার অধিকার আছে। প্রত্যেকেই চায় মানসিক শান্তি। এবং একেকজন একেকভাবে চায়। এই সত্যগুলো মাথায় রাখলে অপর মানুষকে জাজ করার প্রবণতা কমবে।
৪. নিজেকে ভালোবাসুন, নিজেকে গ্রহণ করুন যেমন আছেন তেমন ভাবে:
যখন আপনি নিজেকে সকল দোষ গুণ নিয়ে গ্রহণ করবেন এবং ভালোবাসবেন তখন অন্যকেও একই ভাবে গ্রহণ করতে পারবেন তার প্রতি কোনো রকম জাজ না করে। তাই নিজেকে ভালোবাসুন সবার আগে।
৫. অপ্রয়োজনীয় জাজমেন্ট না করে গঠনমূলক আলোচনা করার চর্চা করুন:
সমালোচনা ভালো যখন তা অন্যকে আরেকটু উন্নতি করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি অনেকক্ষেত্রে আমাদের জাজ করতেই হয়। যেমন- আমরা কার সঙ্গে অথবা কিভাবে সময় কাটাচ্ছি এটা আমাদের জাজ করা উচিত। কোন স্কুল, কলেজ, চাকরী ইত্যাদি আমাদের জন্য ভালো তা জাজ করা উচিত। কেবল যখন তা অপ্রয়োজনীয় তখন বর্জন করা উচিত।
৬.নিজের রাগের উপর নিয়ন্ত্রণ আনুন:
অনেক সময় অন্যের উপর জমে থাকা রাগ বা ক্ষোভ থেকে আমরা মানুষকে জাজ করে থাকি। খুজে বের করার চেষ্টা করুন এমন কোনো কারন আছে কিনা। থাকলে সেটা নিয়ে কাজ করুন এবং রাগ কন্ট্রোল করুন।
৭. নিজের বাউন্ডারি জানুন:
আপনার বাউন্ডারি সম্পর্কে যথাযথ ধারণা রাখুন। যদি কোনো মানুষ, জায়গা অথবা অন্যকোনো জিনিস আপনার জাজমেন্টাল সাইডকে ট্রিগার করে তাহলে সেগুলো বর্জন করুন।
৮. আপনার জাজমেন
1 996
আমি বিশ্বাস করি, সবাই এটা পড়বে এবং
শেয়ার করবে....
গত ৩ মাসে আমরা কমপক্ষে ৩০ টা ইন্সিডেন্ট পেয়েছি Honey Trap বিষয়ে। এই ২০ জনের মধ্যে দেশের উচ্চবিত্ত ব্যবসায়ী, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব , সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষও রয়েছে।
হঠাৎ কেউ আপনাকে মেয়ে সেজে ফেসবুক আইডি থেকে নক করলো সাথে সাথে আপনি বন্ধু হয়ে গেলেন, ধীরে ধীরে বাংলা বা হিন্দি মিলিয়ে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলা শুরু করলো; আপনি হয়তো গলে গেলেন। একটা পর্যায়ে আপনাকে সে আহ্বান জানালো যে সে আপনার সাথে ভিডিও কল করবে, ভিডিও কল করার বলবে বাথরুমে যেতে, বাথরুমে গিয়ে অপর প্রান্তের মেয়েটি তার নিজের নিচের অথবা ওপরের অংশের কাপড় খোলা শুরু করবে এবং কোনো একটা পর্যায়ে আপনাকেও কাপড় খুলতে বলবে, হয়তো আপনি ভুল করে অথবা অন্য কোনো কারণে একটু কাপড় খুলবেন বা অর্ধনগ্ন হবেন, সে তখন পুরোটা ভিডিও করবে ও সে নিজেরটা বাদ দিয়ে আপনারটা রাখবে এবং শুরু করবে ব্লাকমেইল, ব্লাকমেইল করে আপনার কাছ থেকে টাকা চাবে। তারা আপনার কিছু ব্যক্তিগত বা পেশাগত তথ্য সংগ্রহ করে এই ব্ল্যাকমেইল কে আরো প্রগাঢ় করে তুলবে। এই রকম ঘটনায় এক একজন এর কাছ থেকে মিনিমাম ২০ লাখ টাকা থেকে উর্ধ্বে ১.৫ কোটি পর্যন্ত টাকা নিয়েছে বলে এমন খবর আমাদের কাছে আছে।
সম্মানিত নাগরিকদের আমি আহ্বান জানাই কোনো ভাবেই অপরিচিত আইডি থেকে এসএমএস আসলে তার সাথে বন্ধুত্ব করার কোনো দরকার নেই। বন্ধুত্ব করলেও সেক্ষেত্রে সাবধানে কথা বলবেন। বিশ্বাস করে গোপন চ্যাট করবেন না বা ভিডিও কল তো অবশ্যই না, যাকে চেনেন না জানেন না তার সাথে ভিডিও কলে কোনো ভাবেই কথা বলা যুক্তিসম্মত নয়। আর যদি এমন ইন্সিডেন্ট ঘটে যায়, তাহলে আপনি মাথায় রাখবেন এক টাকাও দিবেন না আপনি, টাকা দিলেই বুঝবে আপনার কাছে টাকা আছে তখন সে আপনাকে আরো ব্লাকমেইল করবে। এটা একটা চক্র ও এটা কমপক্ষে ৫০০ লোকের একটা সিন্ডিকেট, যাদের কাছে এটা একটা পেশা, তারা কোনভাবেই আপনার সামাজিক অবস্থান নিয়ে কন্সারন্ড না, তারা চায় টাকা। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে চক্রগুলো বাংলাদেশী নাগরিক এর সহায়তায় এই সিন্ডিকেট পরিচালনা করে। কথা বলার সময় ভারতীয় হোয়াটসএপ ও টাকা নেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশী ব্যাংক একাউন্ট বা বিকাশ/নগদ নাম্বার ব্যবহার করে। এরা আরো ২০ জনের সাথে একই কাজ করে, আপনার পেছনে সময় দেয়ার মত সময় তাদের নেই।আপনি হুমকি ধমকিতে টাকা দিলে তারা খুশি, না হলে আর কোনো কিছুই না বা ভাইরাল করার সময় তাদের নাই। অবশ্যই হুমকিতে ভীত হয়ে টাকা দিবেন না।
আর এমন ইন্সিডেন্ট ঘটলে পুলিশ (সাইবার পুলিশ) কে রিপোর্ট করুন। এটা এত বেশি মহামারীর মতো হয়ে যাচ্ছে তাই আমি সকলকে বলবো পোস্টটা পড়বেন এবং শেয়ার করবেন।
মো: নাজমুল ইসলাম
এডিসি
CTTC,Bangladesh police.
1 996
ক্যারিয়ার উন্নয়নে তাহসানের ৫ পরামর্শ ❗
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির নবীন বরণে একটি বক্তব্য দিয়েছেন জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান। যেখানে পড়াশোনার পাশাপাশি ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের জন্য ৫টি বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি। ইতোমধ্যে তার বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বাস্তবধর্মী দুক নির্দেশনামূলক এ বক্তব্যের জন্য ভক্ত- শুভাকাঙ্ক্ষীসহ সব মহলের প্রশংসায় ভাসছেন তাহসান।
ইংরেজিতে দেওয়া তার বক্তব্যটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হল।
সকলকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তাহসান বলেন, আমি বলব আপনারা ভাগ্যবান কারণ আপনারা একটু উত্তম যায়গায় জীবন শুরু করতে যাচ্ছেন। এটাকে আমি উত্তম যায়গায় বলছি কেননা, এটা এমন একটি জায়গা যেখানে আপনাকে কেউ বলবেনা তুমি পড়তে বসো কিংবা কোন শিক্ষক আপনাকে পড়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করবে না।
আপনাকে নিজে নিজেই আপনার ক্যারিয়ার সম্পর্কে সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। নিজের জীবন গড়ার জন্য। যারা সচেতন হবে, তারা সফল হবে। যারা সচেতন হবে না, তারা হয়তো বা সফল নাও হতে পারে। তবে সচেতন সবাই সফল হবে। আমি যখন এখানে গাড়ি চালিয়ে আসছিলাম তখন ভাবছিলাম, কি বলব সেখানে গিয়ে? আমি ভাবছিলাম আমি ক্লাসে কি কি করতাম? আমি ভাবছিলাম এমন কি বললে সবাই অনুপ্রাণিত হয়ে ভাল কিছু করতে পারবে।
আমি চিন্তা করলাম আমাকে এমনভাবে ক্লাস নিতে হবে, যেমন অন্য শিক্ষকরা নেন। সুতরাং এমন কিছু বলতে হবে যা সবার জন্য ভাল। উদাহরণ স্বরূপ, আমি স্টেজে উঠলাম ৮ মি। আমি চিন্তা করলাম আমি কি বলতে পারি? সুতরাং আমি এখানে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের জন্য পড়াশোনার পাশাপাশি জীবনের জন্য ৫ টি বিষয়ে পরামর্শ দিতে চাই।
১. পরিবর্তন: তাহসান বলেন, আমার ১ম পরামর্শ হলো পরিবর্তন। পরিবর্তনকে আলিঙ্গন করতে হবে। বর্তমান যুগে এগিয়ে যেতে হলে পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, তিনি যখন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন, তখন তার ব্যবসা অনুষদের শিক্ষকরা কোকাকোলাকে অন্যতম ব্রান্ড হিসেবে তাদের কাছে উপস্থাপন করত। তারা কোকাকোলা খাওয়াকে সাধারণ ব্যাপার মনে করত। কিন্তু বিশ্বখ্যাত ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো যখন তার সাক্ষাৎকারের পূর্বে কোকাকোলার বোতল টেবিল থেকে সরিয়ে রাখলেন, ঠিক তখন মুহূর্তেই কোকাকোলা শেয়ারবাজারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ হারালো। কেননা, তরুণ প্রজন্ম এখন বুঝতে পারছে যে, কোকাকোলার মতো পানীয় আসলে কোন স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নয়।
সুতরাং কোন কিছুই স্থায়ী নয়, সব কিছুই পরিবর্তনশীল। সব কিছুকে পরিবর্তন হতে হয়। এই পরিবর্তনের মধ্যে নিয়েই আমরা শিক্ষা গ্রহণ করি।
২. আবেগকে প্রধান্য না দেয়া: সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আবেগকে প্রধান্য দেয়া যাবে না। বরং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আরো বেশি বাস্তবিক ও প্রায়োগিক হতে হবে। নেতিবাচক আবেগকে কোন কারণ হিসেবে নিয়ে কখনোই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত হবে না। এগুলো থেকে অবশ্যই সবাইকে দূরে থাকার পাশাপাশি একজন পরিপক্ব ব্যক্তি হয়ে উঠার পরামর্শ দেন তিনি।
৩. খুব সহজে অন্যকে বিচার করার যে প্রবণতা সেটা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমরা খুব সহজেই অন্যকে বিচার করে থাকি এবং এমনটাও মনে করে থাকি এটা যেন আমাদের কোন অধিকারের অংশ। কিন্তু সর্বক্ষেত্রে এটা হওয়া উচিত নয়। কেননা, তার নিজেরও কোন গল্প থাকতে পারে যেটা অন্যের কাছে সঠিক বলে বিবেচিত নয়। তিনি উদাহরণ হিসেবে বলিউডের একজন অভিনেতার এডভাইসম্যান্টের কথা তুলে ধরেন, সম্ভবত ১৯৯৫ সালের একটা টিভি এডভাইসে সঞ্চয়দত্ত অ্যালকাহলিক বেভারেজের টক্সিক ম্যাসকুলনিটি বা পুরুষত্বের বড়াই প্রকাশ করে এটাকে প্রমোট করেন। যেটা সম্প্রতি বাংলাদেশ ও ভারতে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে সেই বড়াইটাকে সমালোচনা করে অনেকে মন্তব্য করছেন। এখন তারা মনে করছেন এটা এভাবে করা ঠিক হয় নি। তাহসান সেটাই বলেছেন যে, আমি এটাকে ডিফেন্ড করছি না, আমি এটা বুঝাতে চাই যে, এতো বছর আগে যে অবস্থায় এই এডাভার্টাইম্যান্ট হয়েছে, এখন বর্তমান সময়ে সেটাকে টেনে বিচার করা মোটেও যুক্তি সঙ্গত নয়। আমি এটাকে সমর্থন করছি না কিন্তু তখনকার প্রেক্ষাপট ও বর্তমান প্রেক্ষাপট অনেকটা ভিন্ন। সুতরাং এমন যেকোনো বিষয়কে বিচার করার আগে আরো গভীর ভাবে সে সম্পর্কে জেনে তারপর বিচার করা উচিত।
৪. আত্মদর্শন : তিনি চতুর্থ নম্বর পরামর্শে আত্মদর্শন সম্পন্ন হওয়ার পরামর্শ দেন। আমরা নিজে কি চাই, নিজের মানসিক ও আবেগিক বিষয়গুলো জানান মাধ্যমে নিজের সক্ষমতা ও লক্ষ্যকে স্থির করা। অন্যরা কি করল? তারা কি চায়? এ সবকিছু দূরে রেখে অন্যের উপর নির্ভরশীলতা কমানোর মাধ্যমে নিজের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সুতরাং নিজের লক্ষ্য অর্জনে আত্মমগ্ন হয়ে নিজেকে চিনতে ও জানতে হবে।
৫. সর্বশেষ পরামর্শে নিজে কিছু করার কথা বলেছেন তিনি। অন্যরা কি করল সেটার দিকে না তাকিয়ে বরং নিজের কর্মের মাধ্যমে নিজের একটা জায়গা তৈরি করতে হবে এবং আমাদের আশেপাশে যারা আছেন তাদেরও নিজেদের মূল্য তৈরিতে সহায়তার মাধ্যমে মা
1 996
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়া
ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির পূর্ব শর্ত:
ড্রাইভিং লাইসেন্সের পূর্বশর্ত হলো লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ৮ম শ্রেণী পাশ।
অপেশাদার এর জন্য ন্যূনতম ১৮ বছর এবং পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য বয়স ন্যূনতম ২১ বছর হতে হবে।
মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে।
অনলাইনে (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর মাধ্যমে আবেদনের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসমূহ:
আবেদনকারীর ছবি (সর্বোচ্চ ১৫০ কে.বি);
রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি)। মেডিক্যাল সার্টিফিকেটের ফর্মের জন্য এখানে ক্লিক করুন;
জাতীয় পরিচয়পত্রের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি);
ইউটিলিটি বিলের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি), [ আবেদনকারীর বর্তমান ঠিকানা এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ঠিকানা যদি ভিন্ন হয় তবে বর্তমান ঠিকানার ইউটিলিটি বিল সংযুক্ত করতে হবে ];
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ ৬০০কে.বি);
প্রয়োজনীয় ফিসমূহ:
শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য অনলাইনে (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর মাধ্যমে আবেদন শেষে নির্ধারিত ফী, ১ ক্যাটাগরি (যেমন: শুধু কার) ৫১৮/-টাকা ও ২ ক্যাটাগরি (যেমন: কার ও মোটর সাইকেল) ৭৪৮/-টাকা অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে।
দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় (ডিসিটিসি) উত্তীর্ণ প্রার্থীকে স্মার্ট কার্ডের জন্য:
অপেশাদার লাইসেন্সের জন্য ৪,৪৯৭/- টাকা (মেয়াদঃ ১০ বছর)
পেশাদার লাইসেন্সের জন্য ২,৭৭২/- টাকা (মেয়াদঃ ০৫ বছর)
ডাক বিভাগের মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিতরণ করা হবে তাই ফি'র সাথে অতিরিক্ত ৬০/- টাকা প্রদান করতে হবে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়া:
শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য অনলাইনে (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। এই জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রত্যাশীকে তার এন আই ডি (NID) ব্যবহার করে একটি ইউজার অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। একটি অ্যাকাউন্ট থেকে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট এন আই ডি (NID) ধারীর ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত সকল আবেদন করা যাবে।
ইউজার প্রোফাইলে তার বিভাগ, জেলা ও থানা অবশ্যই পূরণ থাকতে হবে। ইউজার প্রোফাইল থানার উপর ভিত্তি করে স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন টি সংশ্লিষ্ট বি আর টি এ সার্কেল অফিস এর আওতাধীন হবে।
নির্ধারিত দিন গ্রাহকের শিক্ষানবিশ লাইসেন্স ও নির্দেশিত অন্যান্য ডকুমেন্টসমূহ নিয়ে স্ব-শরীরে পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিতি, বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান করতে হবে। একই সাথে আবেদনকারীর ফিঙ্গার প্রিন্ট NID সারভার থেকে যাচাইকরণ সম্পন্ন হলেই পরীক্ষার সুযোগ দেয়া হবে।
সর্বোচ্চ ১(এক) কর্মদিবসের মধ্যে বিআরটিএ কর্তৃক উত্তীর্ণ/অনুত্তীর্ণ এর ফলাফল অনলাইনে আপলোড এবং আবেদনকারীর মোবাইলে SMS এর মাধ্যমে উত্তীর্ণ/অনুত্তীর্ণ ফলাফল জানানো হবে।
আবেদনকারী বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল (BSP) এ নিবন্ধিত একাউন্ট ব্যবহার করে ড্রাইভিং লাইসেন্সের দক্ষতা যাচাই পরীক্ষার ফলাফল ও নির্ধারিত ফি অনলাইনে (মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন ব্যাংকিং ও অন্য যে কোন প্রচলিত গেটওয়ে ব্যবহার করে) প্রদান করতে হবে। উল্লেখ্য বিআরটিএ কর্তৃক নির্ধারিত ব্যাংকে সরেজমিনে/ব্যাংক কাউন্টার এ ফি প্রদানের কোনো সুযোগ নেই।
আবেদনকারী তার (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ড্রাইভিং লাইসেন্সের দক্ষতা যাচাই পরীক্ষার ফলাফল ও নির্ধারিত ফি অনলাইনে (মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন ব্যাংকিং ও অন্য যে কোন প্রচলিত গেটওয়ে ব্যবহার করে) প্রদান করতে হবে। উল্লেখ্য বিআরটিএ কর্তৃক নির্ধারিত ব্যাংকে সরেজমিনে/ব্যাংক কাউন্টার এ ফি প্রদানের কোনো সুযোগ নেই।
আবেদনকারী তার (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা (ডিসিটিসি)-এ উত্তীর্ণ প্রার্থীকে পাস/ফেল সিলসহ শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স স্ক্যান করে আপলোডসহ পূর্বে শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স করার সময় যদি কোন Attachment সঠিকভাবে দেয়া না হয় তবে Additional Attachment হিসেবে সেগুলো (যেমন: মেডিকেল সনদ/স্কুল সনদ/ইউটিলিটি বিল) সঠিকভাবে স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীগণকে অবশ্যই ডোপ টেস্ট রিপোর্ট স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
উল্লেখ্য বর্তমানে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদনকারীর পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রতিবেদন প্রযোজ্য নয়।
সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ'র লাইসেসিং অথরিটি কর্তৃক প্রত্যেক ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য নির্ধারিত ফি জমা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্তিসহ সঠিক পাওয়া স্বাপেক্ষে অনুমোদন প্রদান করা হব
অনুমোদনের পর আবেদনকারীর (বিআরটিএ সার্পিভিস পোর্টাল) এর অ্যাকাউন্টে অটো জেনারেটেড স্লিপ (Temporary authorization) প্রিন্ট করার অপশন প্রদর্শিত হবে। যা স্মার্ট কার্ড (Smart
1 996
"বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলে-মেয়েদের মধ্যে বিয়ে-সাদীর একটা প্রচলন করে দেওয়া উচিত ||
কেন?
ধরুন, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা ছেলের সাথে আরেকটা মেয়ের বিয়ে হয়ে গেলো ||
এতে লাভ কি?
এক.
লাভ হলো যে মেয়েটার বিয়ে হলো তার নিরাপত্তা নিয়ে সারাদিন আর ফ্যামিলিকে টেনশন করতে হলো না। তখন দায়িত্বটা দায়িত্বশীলের কাছে চলে গেলো।
ছেলেটাও কোথায়-কখন কি খাচ্ছে, ভালো করে খাওয়া-দাওয়া করছে তো? হেনতেন আর ফ্যামিলিকে ভাবতে হবে না। ওই দায়িত্ব টাও দায়িত্বশীলের কাছে পৌছে গেছে।
দুই.
মাঝখান দিয়ে ছেলেমেয়েদের অবাধে সম্পর্ক, ফ্রী মিক্সিং, হেত-তেন করে চরিত্র নষ্ট হলো না।
বাবা-মাও বেঁচে গেলেন, আখিরাতের ভয়াবহ জবাবদিহিতা থেকে। ওদিকে তাদের সন্তানও বেঁচে গেলো হারাম সম্পর্ক তৈরি থেকে।
এবার আসি বিয়ে হয়ে যাবে.. তো সংসার চলবে কি দিয়ে?
ফ্যামিলি ছেলে বা মেয়ে কে যে টাকা টা দিচ্ছে তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে মাসিক খরচ হিসেবে, দুজনের সেই টাকা টা দিয়ে ই খুব সুন্দর করে সংসার টা চলে যাবে ||
°°আল্লাহ তায়ালা সূরা নুরে বলেন-
"চরিত্র রক্ষার জন্য যদি কেউ বিয়ে করে। সে যদি দরিদ্রও হয়, আমি আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাকে সচ্ছলতা দান করবো" (সুরা নুর: ২৪/৩২)
°°রাসূল সাঃ এর কাছে এক সাহাবি এসে বলেছিল-
ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি ধনী হতে চাই | আমি দারিদ্রতা দূর করতে চাই |
তখন রাসূল সাঃ বলেন, "তুমি বিয়ে করো।"
-দুঃচিন্তা মুক্ত হওয়া
-মানসিক প্রশান্তি
-সচ্ছল হওয়া
-বৈধ সম্পর্ক
-পরিপূর্ণ দ্বীন
-দায়িত্বশীল হওয়ার শিক্ষা
একজন ইমাম আর কিছু খেজুর, সামান্য দেনমোহরে ছোট্ট একটা বিয়ে, একসাথে দূর করে দিচ্ছে কত বড় বড় সমস্যা, পাপ আর কলঙ্ক ||
প্রিয় ভাই/বোন ❤️🌴
ভাবুন বুঝার চেষ্টা করুন
[COLLECTED ]
1 996
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো বিপদে বা দুশ্চিন্তায় পড়লে এই দুআ বলতেন─
يَا حَيُّ، يَا قَيُّومُ، بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيثُ
'হে চিরঞ্জীব, হে সর্বনিয়ন্তা, তোমার দয়ায় আমি সাহায্য চাচ্ছি।'
আস-সুনান, তিরমিযী : ৩৫২৪
1 996
🛐প্রত্যেক আমল করার সময় নিয়ত হবে মহান-আল্লাহুর সন্তুষ্টির জন্য ও প্রত্যেক আমলের আগে👇
🔹দূরুদশরীফ"বেজোড় সংখ্যায়।
🔸আউজুবিল্লাহি মিনাশশাইতানির রজিম"
🔹বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম"
🔸ও আমলের শেষে অবশ্যই দুরুদ শরীফ(বেজোড় সংখ্যায়) পড়তেই হবে🤲
1 996
"Sorry" এর বদলে "Thank you" বলতে শিখুন।
ধরুন, আপনার জন্য আমার বন্ধু অপেক্ষা করছে, আপনি সঠিক টাইমে পৌঁছাতে পারেননি। তখন আপনি পৌঁছে গিয়ে তাকে কি বলেন?
"Sorry, একটু দেরী হয়ে গেল"
এবার থেকে "Sorry" এর বদলে "Thank you" বলবেন। এইভাবে বলতে পারেন, "Thank You so much আমার জন্য অপেক্ষা করার জন্য "।
ধরুন, আপনার বন্ধু আপনার থেকে কিছু খুঁজেছে তাকে দেওয়ার জন্য আপনি জিনিসটি এনেছেন। আপনি দিতে ভুলে গেছেন, তখন সে দ্বিতীয় বার খুঁজলে তাকে কি বলেন?
"Sorry, আমি এটি ভুলে গিয়েছিলাম"
এবার থেকে "Sorry, আমি এটি ভুলে গিয়েছিলাম।" এর বদলে বলতে পারেন, " Thank you so much আমাকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য"।
দেখবেন এতে অপরের দিকের মানুষটি আপনার উপরে রাগ করতে পারবেন না। কারণ, "Sorry" একটি নেগেটিভ অর্থ প্রকাশ করে আপনি কিছু ভুল করেছেন। কিন্তু "Thank You" একটি পজিটিভ অর্থ প্রকাশ করে, আপনি অন্য মানুষটির প্রশংসা করছেন।
এই ছোট্ট হ্যাক গুলো আপনার জীবনে কাজে লাগাতে পারেন।
متاح الآن! بحث تيليغرام 2025 — أهم رؤى العام 
